এক পরিবারের ৫ জনের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, হিন্দুদের ভয়ে ৪ বছর পর মুসলিমদের সাহায্যে গ্রামে ফিরলেন !

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার ঘটনা আমাদের দেশে কম দেখা যায়না। নেননা ইসলাম হচ্ছে দুনিয়াতে সবচেয়ে শান্তির ধর্ম। আর তাই এই ধর্মের লোকজনের আচার ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে অনেকেই ইসলামধ্ম গ্রহণ করে থাকেন।

ঠিক তেমনি ২০১৩ সালে গাজীপুর আব্দুস সালাম মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেকের হাত ধরে কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের হাটিরপাড় গ্রামের প্রদ্বীপ কুমার সাহা সহ একই পরিবারের পাঁচ সদস্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার সাড়ে চার বছর পর আসলেন নিজ জন্ম ভূমি হাটিরপাড় গ্রামে।

এতদিন গ্রামে আসতে নিষেধ করে তাদের সমাজ এবং সনাতন ধর্মের পরিবাররা। নিষেধের খবর পাওয়ার পর হাটিরপাড় মুসলিম সমাজ ঐ পরিবারকে এলাকায় আসার আহবান জানান। স্থানীয় মুসলিমদের সহোযোগীতা পেয়ে দীর্ঘদিন পর তারা নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। তাদের আগমন উপলক্ষ্যে স্থানীয় মুসলিম ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মসজিদের খতিব মাওলানা মোতাহের হোসেন তাদের উৎসাহ উদ্দিপনার সাথে বরণের ব্যবস্থা করে।

বর্তমানে প্রদ্বীপ কুমার সাহার মুসলিম হওয়ার পর নতুন নাম রাখা হয় ‘নূর মোহাম্মদ’। তার সাথে ছিলেন তার দুই ছেলে, স্ত্রী ও শাশুড়ি। বড় ছেলে ধর্ম ত্যাগ করার পূর্বের নাম ছিল ইমন সাহা, মুসলমান হওয়ার পর তার নাম রাখা হয় ‘মোহাম্মদ ইসমাইল হাসান’। ছোট ছেলের নাম ছিল সৈকত সাহা, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার নাম রাখা হয় ‘শাহাদাৎ হোসেন’। তার স্ত্রী সরস্বতীর নাম এখন খাদিজাতুল কোবরা। এবং নূর মোহাম্মদের শাশুড়ির নাম ছিল সুমি রানী। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর তার নাম রাখা হয় ‘ফাতেমাতুজ জোহরা’।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর নিজ জন্মভূমিতে ফিরে এক প্রতিক্রিয়ায় নূর মোহাম্মদ বলেন, তিনি স্বেচ্ছায়, স্বজ্ঞানে ইসলাম ধর্মের কুরআন এবং হাদিসের বাণী এবং বিভিন্ন আলেম ওলামাদের বয়ান শুনার পর মনে হয় ইসলাম ধর্ম তার নাজাতের জন্য যথেষ্ট এবং আখেরী নবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) সর্ব শেষ নবী এবং সঠিক ধর্ম হিসেবে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

তার পরিবারের সদস্যরা বলেন আমাদের হিন্দু ধর্ম ত্যাগের কথা শুনে আমাদের পূর্বের ধর্মাবলম্বী স্বজনরা গত বৃহস্পতিবার দলবল নিয়ে এসে তাঁরা অত্যাচার শুরু করেন। পরে স্থানীয় মসজিদের খতিব সহ এলাকার লোকজন এগিয়ে আসেন এবং এলাকাবাসী আমাদের পাশে দাড়ান।

কুরআনের হাফেজ হলেন ৮ বছরের শিশু !

মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন ।ফিলিস্তানের গাজা প্রদেশের নিবাসী ৮ বছরের শিশু “আলা আওয়াজ” সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছেন।আল আওয়াজ গাজা প্রদেশের জাবালিয়া শহরের আল-ওমরী মসজিদে কুরআনের ক্লাসে অংশগ্রহণ করে অতি অল্প সময়ে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছেন।

প্রথমে তিনি কুরআন তিলাওয়াত শুনে প্রতিদিন এক পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করতেন। পরবর্তীতে তিনি প্রতিদিন দুই অথবা তিন পৃষ্ঠা মুখস্থ করা শুর করেন। শেষে দিকে তিনি প্রতিদিন ১৬ পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করেন। এছাড়াও প্রতিদিন ৪৫ পৃষ্ঠা করে রিভাইজ করতেন। এছাড়াও তিনি তার বাড়ির নিকটে অবস্থিত আল-ওমরী মসজিদের কুরআন শিক্ষকের সাথে মাঝেমধ্যে সারাদিন থেকে কুরআন মুখস্থ করতেন।

কুরআন হেফজের প্রতি অনেক আকর্ষণ থাকার ফলে তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছেন।

৮ বছরের এই শিশু মাত্র ৮ মাসে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছেন। আট মাস কুরআন হেফজ করে তিনি গাজা প্রদেশে রেকর্ড করেছেন। কারণ এরপূর্বে এতো অল্প সময়ে কেউ কুরআন হেফজ করেনি।

ক্যান্সারের মত ভয়াবহ রোগের জন্য দায়ী যে ৮ খাবার !

স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইটের দেওয়া তথ্য মতে, ক্যান্সার হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে জিনগত সমস্যা, জীবনযাপন, ধূমপান, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, কিছু নির্দিষ্ট সংক্রমণ, বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদানের কারণে হওয়া বিভিন্ন পরিবেশগত সমস্যা ইত্যাদি অন্যতম।

গবেষণা বলছে, ভুলভাল খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব- একজন ব্যক্তির ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম প্রধান দুটি কারণ। ভরসার কথা হল বিষয়টা আপনার নিয়ন্ত্রণে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান বর্জন করা ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা উচিত। যেমন- স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা, পুষ্টিকর খাবার, বিশেষত উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার খাওয়া ইত্যাদি।

‘ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার রিসার্চ ফান্ড’য়ের মতে, আমেরিকাতে ২০ শতাংশ ক্যান্সার রোগীরই রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণ শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মেদ, অতিরিক্ত মদ্যপান ও অপুষ্টি। সবগুলো কারণই মোকাবেলা করা সম্ভব, তাই খাদ্যাভ্যাস থেকে বাদ দিতে কিছু খাবার।

প্রক্রিয়াজাত ও কৃত্রিম চিনি: শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত চিনি ক্যান্সার কোষের প্রিয় খাবারগুলো মধ্যে অন্যতম। অর্থাৎ এটি ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতে সহায়ক। মেডিসিন বিভাগে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত জার্মান চিকিৎসক ওটো ওয়ারবার্গ ১৯৩১ সালে প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন যে টিউমার ও ক্যান্সার কোষ বেড়ে উঠতে উচ্চ মাত্রায় ‘ফ্রুক্টোজ’যুক্ত চিনির উপর নির্ভরশীল।

তাই প্রক্রিয়াজাত কিংবা কৃত্রিম চিনির পরিবর্তে মধু, গুড়, ম্যাপল সিরাপ ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

প্রক্রিয়াজাত মাংস: যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াই’য়ের করা এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় প্রায় ৬৭ শতাংশ। এতে থাকে উচ্চমাত্রায় রাসায়নিক পদার্থ ও খাদ্য সংরক্ষক। আরও থাকে নাইট্রেইট, যা এর স্বাদ বাড়ায়। তবে ‘কারসিনোজেন’ ধরনের বিষ হিসেবে এর পরিচিত আছে।

‘স্মোকড মিট’ বা কাঠের ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত মাংস খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য সুবিধার নয়, কারণ এই ধরনের খাবার তৈরির সময় মাংসে ‘টার’ অর্থাৎ ধোঁয়া থেকে সৃষ্টি বিষাক্ত পদার্থ শোষণ করে নেয়।

তাই খেতে হবে চর্বিহীন মাংস অথবা মাংস ঘরেই রাঁধতে হবে।

চাষ করা মাছ: বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা মাছ যেমন- স্যামন, অত্যন্ত জনাকীর্ণ পরিবেশে বড় হয়। মাছ চাষের ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবির আক্রমণ থেকে বাঁচতে ব্যবহার হয় বিভিন্ন জীবণুরোধকারী ওষুধ, কীটনাষক ও অন্যান্য ‘কারসিনোগেনিক’ রাসায়নিক উপাদান। প্রাকৃতিক মাছের তুলনায় চাষ করা মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণও কম থাকে।

তাই যতটা সম্ভব নদী বা সমুদ্রের মাছ খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

আচার ও ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত খাবার: এসব খাবারে সাধারণত খাদ্য সংরক্ষক উপাদান যেমন, ‘নাইট্রেইট’ থাকে। দীর্ঘদিন এসব খাবার খেলে ওই খাদ্য সংরক্ষক উপাদানগুলো শরীরে জমা হতে থাকে। ফলে একসময় এই বিষাক্ত উপাদানগুলো কোষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং ক্রমেই ক্যান্সারের দিকে এগিয়ে যায়।

আবার ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত খাবার উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করা হলে এতে থাকা ‘নাইট্রেইট’ পরিণত হয় আরও বেশি ক্ষতিকর ‘নাইট্রাইটস’য়ে। তাই এ ধরনের খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

হাইড্রোজেনেইটেড অয়েল বা ট্রান্স-ফ্যাট: মানুষের তৈরি এই উপাদান রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন করে দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত করা হয়। আবার এর গন্ধ ঢাকতে ও স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয় রাসায়নিক পদার্থ।

গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে, বাণিজ্যিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করা খাবারে থাকা ‘হাইড্রোজেনেইটেড’ ও আংশিক ‘হাইড্রোজেনেইটেড’ উদ্ভিজ্জ তেল স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় দ্বিগুণ। তাই এর পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে ‘এক্সট্রা-ভার্জিন অলিভ অয়েল’, ‘এক্সট্রা-ভার্জিন কোকোনাট অয়েল’ কিংবা ‘পাম অয়েল’

আলুর চিপস: ‘হাইড্রোজেনেইটেড ভেজিটেবল অয়েল’য়ে ভেজে তৈরি করা হয় এই চিপস, সঙ্গে থাকে অতিরিক্ত লবণ।

‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন’য়ে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন মাত্র ১ আউন্স চিপস খেলেই বছরে গড়ে প্রায় দুই পাউন্ড ওজন বাড়তে পারে। পাশাপাশি এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্স-ফ্যাটও থাকে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। আর লবণে থাকা সোডিয়াম বাড়ায় রক্তচাপ। আলুর চিপসকে মচমচে বানানোর জন্য উচ্চ তাপমাত্রায় ভাজা হয়। এতে ‘অ্যাক্রিলামাইড’ নামক ‘কারসিনোজেন’ ধরনের বিষাক্ত উপাদান তৈরি হয়। যা সাধারণত সিগারেটে মেলে।

এজন্য দোকান থেকে চিপস কেনার পরিবর্তে ঘরেই চিপস বানিয়ে খাওয়া অভ্যাস করতে হবে।

মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন: খাওয়া সহজ এবং তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর একটি স্ন্যাকস পপকর্ন। তবে, ঝামেলা হল এর প্যাকেটে। বেশিরভাগ মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের প্যাকেটের গায়ে থাকে ‘পারফ্লুরোঅক্টানোইক’ অ্যাসিড নামক রাসায়নিক উপাদান। যা স্তন, বৃক্ক, মুত্রথলি, কোলোরেক্টাল, প্রোস্টেট, ফুসফুস, থাইরয়েড, লিউকেমিয়া এবং লিম্ফোমা ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

পরিশোধিত সাদা আটা:
আটা পরিশোধনের সময় এর প্রায় সকল পুষ্টিগুণই নষ্ট হয়ে যায়। পরে একে ক্লোরিন গ্যাসের সাহায্যে ব্লিচ করা হয় ক্রেতার চোখে আকর্ষণীয় করার জন্য। এই আটার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মাত্রাও অনেক বেশি। অর্থাৎ শরীরে পুষ্টি সরবরাহ ছাড়াই ইনসুলিনের মাত্রা হুট করে বাড়িয়ে দিতে পারে।

তাই পরিশোধিত সাদা আটার পরিবর্তে গম, কাঠবাদাম বা বার্লির আটা খাওয়া ভালো।

অতিরিক্ত ফি নিলে কঠোর ব্যবস্থা : নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নেওয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আদায় নিয়মবহির্ভূত কাজ এবং অন্যায়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, যেসব বিদ্যালয়ে নিয়ম বেঁধে দেওয়া আছে, সে নিয়ম মেনে তাঁরা ভর্তি করবেন। কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ শুক্রবার চাঁদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচন-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন দীপু মনি।

শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া, প্রতিটি শিশুকে স্কুলমুখী করা এবং ঝরেপড়া রোধসহ শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনসহ যেসব সাফল্য রয়েছে, সেসব সাফল্য এগিয়ে নিতে আগামী পাঁচ বছরে এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া অন্য যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা মোকাবিলা করা হবে।

শিক্ষার মান উন্নয়নে যা কিছু প্রয়োজন, তার সবকিছু করা হবে। আর এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

মাত্র ৫ মিনিটে ক্যান্সার সনাক্ত করুন আবিষ্কার করল শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ক্যান্সারের প্রাথমিক সনাক্তকরণের জন্য কম খরচের পদ্ধতি খুঁজে পেয়েছেন।

ক্যান্সার সনাক্তকরণের জন্য তারা যা প্রয়োজন তা হল রক্তের নমুনা এবং একটি যন্ত্র। যন্ত্রটি রক্তের নমুনাগুলি তীব্র লেজারের মরীচি দ্বারা এবং ক্যান্সার সনাক্তকরণের ফলাফল বিশ্লেষণ করবে। পরীক্ষায় পাঁচ মিনিট সময় লাগবে এবং ৫০০ টাকা খরচ হবে।

এই সাফল্যের পেছনে দলটিও ডিভাইসটির একটি প্রোটোটাইপ তৈরি করছে এবং আশা করছে আগামী বছরের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।

বিশ্বব্যাপী প্রথমবারের মতো ক্যান্সার নির্ণয় করার জন্য নৈরিক্তিক অপটিক্স ব্যবহার করা হচ্ছে, তিনি বলেন, গতকাল একটি প্রেস কনফারেন্সে প্রযুক্তির বিস্তারিত তুলে ধরেন দলের নেতৃত্বাধীন প্রফেসর ইয়াসমিন হক বলেন,

অপটিক্স তীব্র আলোর সঙ্গে বিষয় মিথষ্ক্রিয়া মৌলিক গবেষণা আলোচনা। লেজার আবিষ্কারের পর, এই ক্ষেত্রটি উদ্দীপ্ত।

“কয়েক জার্নালগুলিতে, আমরা নন-লাইন পদ্ধতিতে গ্লুকোজ বা লিপিড সন্নিবেশের সনাক্তকরণ দেখেছি, কিন্তু ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এটি কেউই করেনি,” ইয়াসমিন বলেন।

এসএসটিতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ইয়াসমিন বলেন, তারা “নিউপলিসিয়া রোগ নির্ণয়ের জন্য তরল পদার্থের অণুবীক্ষণিক অপটিক্যাল চরিত্রগত পদ্ধতির জন্য” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের পেটেন্টের জন্য ইতিমধ্যেই আবেদন করেছে।

তাদের অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করা হয়েছে এবং পেটেন্ট পেতে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশনের উচ্চ শিক্ষার গুণমান উন্নয়নের প্রকল্প (HEQEP) অধীন দল “অ্যানিভেটিক বায়োমারকার ডিটেকশন সিস্টেম অ্যানিনিয়র অপটিক্স ব্যবহার করে” নামে একটি প্রোগ্রামের অংশ। এটি সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

রাজধানীতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে HEQEP এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে টিম সদস্য মনশ কান্তি বিশ্বাস বলেন, যখন লেজার রক্তের নমুনা হিট করে তখন রক্তের নমুনা, সিরাম, এবং রক্তের মাধ্যমে তীব্র লেজারের মৃৎপাত্রটি পাস করে। । ক্যান্সারের ক্ষেত্রেই কেবল পরিবর্তন হবে, ।

পদার্থ বিজ্ঞানের একজন সহযোগী অধ্যাপক, মানশ বলেন, ফলাফলগুলি পাওয়ার জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় লাগবে এবং প্রায় পাঁচ মিনিট সময় লাগবে তা জানতে ।

“এটা তাত্ক্ষণিক,” তিনি বলেন, অ্যানিমিয়ার অপটিক্স পদ্ধতি ব্যবহার করে ক্যান্সার সনাক্তকরণ এর আগে কখনো হয় নাই ।

তিনি বলেন, ৪০ জন মানুষের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে ৩০ টি ক্যান্সার রোগী এবং ১০ টি সুস্থ মানুষ – ফলাফলটি স্পট করে।

“আমরা প্রাথমিকভাবে ক্যান্সার সনাক্ত করতে সক্ষম ,” বলেছেন মানশ। যদি একজন ব্যক্তি রোগ সম্পর্কে জানতে আসে তবে তিনি পদক্ষেপ নিতে পারেন।

প্রোটোটাইপ ডিভাইসের দাম প্রায় ২৫ হাজার টাকা হবে এবং এটি একটি ডেস্কটপ ডিভাইস হবে, তিনি বলেন।

২০১৩ সাল থেকে, ২৫ গবেষক দলের একটি দল প্রকল্প ব্যয় ৯ কোটি রুপিতে কাজ করছে।

গবেষণা চলাকালীন, বিশ্ববিদ্যালয় একটি ডেডিকেটেড দল গঠন করে এবং এখন একটি লাভজনক অপটিক্স গবেষণা ল্যাবরেটরি রয়েছে যা অটোমেটিক পরীক্ষাগুলি পরিচালনা করার জন্য পদার্থবিদদের সুযোগ প্রদান করে।

প্রফেসর ইয়াসমিন বলেন এই ডিভাইসটি সহ এই গবেষণা সম্পর্কিত সকল প্রযুক্তি তার টিম দ্বারা উন্নত করা হয়েছে। তারা ৫০০ টাকায় একটি ডিসপোজেবল নমুনা ধারকও তৈরি করেছিল। তারা ২৭ হাজার টাকা খরচ করে আমদানি করে।

তিনি বলেন, এই পদ্ধতিটি অন্যান্য রোগ সনাক্ত করতেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

অন্য দলের সদস্য অধ্যাপক শরীফ মো। শরফুদ্দিন বলেন, “শেষ পর্যায়ে রোগের সন্ধান পাওয়া গেলে আমরা ক্যান্সার থেকে মৃত্যুকে রক্ষা করতে পারব না। তবে এখন আমরা প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার সনাক্ত করতে সক্ষম হব এবং এভাবে মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে পারবো “।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, “আজ বাংলাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন … এটি গর্বের একটি দিন।”

একজন ব্যক্তির ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য৮০০০ থেকে ১০০০০ টাকা খরচ করত যা ৫ থেকে ৭ দিন সময় লাগত । “কিন্তু নতুন আবিষ্কারের সঙ্গে, ক্যান্সার সনাক্তকরণের মাত্র কয়েক মিনিট প্রয়োজন হবে …,” নাহিদ বলেন।

এই টেকনিক আগেই পরীক্ষা করা হয় নি, মন্ত্রী আশা করেন যে এটি ক্যান্সার তদন্ত সম্পূর্ণরূপে একটি নতুন উপায় হতে হবে।ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, স্টাফ ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, হেইউইক প্রকল্প পরিচালক গৌরঙ্গচন্দ্র মোহনান্ত, অন্যদের মধ্যে প্রেস ব্রিফিংকে বক্তব্য রাখেন।

আরব আমিরাতে মসজিদ নির্মাণ করলেন এই খ্রিস্টান ব্যবসায়ী !

সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিকের মধ্যে ইন্ডিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফ্রিকা ও ইউক্রেনের ১০০০ মুসলিম শ্রমিক রয়েছে। যাদের জন্য সাজি চেরিয়ান মসজিদ নির্মাণ করলেন।

এ মসজিদ নির্মানের বিষয়ে সাজি চেরিয়ান বলেন, আমি একজন খ্রিস্টান হয়েও মসজিদ নির্মাণ করেছি তা স্থানীয় প্রশাসন জানতে পেরে অনেক খুশি হয়েছে। তারা মসজিদের জন্য বিনামূল্যে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবস্থা করছেন বলে জানান সাজি চেরিয়ান ।তবে খ্রিস্টান ব্যবসায়ী সাজি চেরিয়ানের মসজিদ নির্মাণ প্রশংসার দাবিদার ।তার এমন কাজে সবার মাজে শন্তি প্রসূত হবে।

বিশ্বে এখনো মহৎ মনের মানুষ অহরহ আছে এরি এক বাস্তব উদাহরন সাজি চেরিয়ান।যার উদারাতায় মুসলমানদের জন্য বড় উপহার।সাজি চেরিয়ান দক্ষিণ ভারতের কায়ামকুলামের এক খ্রিস্টান পরিবারে জন্ম। আরব অামিরাতের আড়াই কোটি দিরহাম খরচ করে মুসলিম কর্মীদের জন্য মসজিদ তৈরি করে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন এ মহৎ ব্যাক্তি।

আরব আমিরাতের আল-হায়াল শিল্প এলাকার ইস্ট ভিলা রিয়েল এস্টেট কমপ্লেক্সের পাশেই এ মসজিদ তৈরি করেন তিনি। এ মসজিদে এক সঙ্গে ২৫০জন মুসলিম নামাজ আদায় করতে পারবেন। মসজিদ বেষ্টিত বাগানে নামাজ পড়তে পারবেন আরা ৭০০ জন।

এ সব মুসলিম কর্মীরা তারই অধীনে কাজ করে। তাদের উপাসনার জন্য মসজিদ উপহার দেন ব্যবসায়ি সাজি চেরিয়ান। মসজিদটির নাম দেন ‘মারিয়াম উম্মে ঈসা মসজিদ’। মসজিদটি চলতি বছরের ১ জুন নামাজ পড়ার জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

সাজি চেরিয়ানের প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার মুসলিম শ্রমিক কাজ করেন। তারা নামাজের জন্য ট্যাক্সি করে মসজিদে যেতেন। শুধু শুক্রবার নামাজ পড়ার জন্য শ্রমিকদের খরচ হয় ২০ দিরহাম। যা তাদের জন্য অনেক ব্যয় সাপেক্ষ।

২০০৩ সালে ৪৯ বছর বয়সী সাজি চেরিয়ান ভারত থেকে ২৫০ দিরহাম পূঁজি নিয়ে আরব আমিরাতে এসেছিলেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন কোম্পানিতে শ্রমিক নিয়োগ দেন। সেখানে একটি শ্রমিক আবাসের মালিক তিনি।

বর্তমানে তার অধীনে সাড়ে ৪ হাজার শ্রমিক রয়েছে। যারা ৫৩টি কোম্পানিতে কাজ করে। তাদের থাকার জন্য রয়েছে ৮০০ রুম। এ সব শ্রমিকদের অধিকাংশের বেতন ৬০০-৮০০ দিরহাম।

এই সেই মসজিদ যেখানে ৭০ জন নবী নামাজ আদায় করেছিল

নবী করিম (সা.) বিদায় হজে মসজিদে খায়েফে নামাজ পড়েছেন। এই মসজিদের অনেক ফজিলত হাদিস ও ইতিহাসের গ্রন্থসমূহে উল্লেখ আছে।পাহাড়ের চেয়ে নিচু এবং সমূদ্রপৃষ্ঠ থেকে উঁচু স্থানকে আরবি পরিভাষায় খায়েফ বলা হয়। আবার দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী উপত্যকাসম ভূমিকেও খায়েফ বলে আরবরা।

অপরদিকে, খায়েফ মসজিদ হচ্ছে মক্কার কাফেরদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের বিজয়ের এক স্মৃতিচিহ্ন।ইতিহাসে এসেছে, পঞ্চম হিজরিতে ইহুদিদের প্ররোচনায় মক্কার কাফেররা মদিনায় হামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ লক্ষ্যে তারা কিছু আরব গোত্রের সঙ্গে সন্ধি চুক্তি করে।এই সন্ধি চুক্তি করার জন্য মক্কার কাফেররা যে স্থানটি বেছে নেয় পরে সেখানেই খায়েফ মসজিদ নির্মিত হয়।

মূলত মুসলমানদের বিরুদ্ধে কাফের গোত্রগুলোর ঐক্যের ব্যর্থতার নিদর্শন হিসেবে মসজিদটি দাঁড়িয়ে প্রতিনিয়ত ঘোষণা করছে, ইসলামের বিজয়গাঁথা ইতিহাসকে।হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) খায়েফ মসজিদের যে জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেছিলেন ওসমানিয় শাসনামলে সেখানে একটি বড় গম্বুজ ও মেহরাব তৈরি করা হয়।এখন অবশ্য সেটি আর নেই। ঐতিহাসিক বর্ণনায় এসেছে, ২৪০ হিজরিতে এক প্রলয়ঙ্করী বন্যায় খায়েফ মসজিদ ধসে পড়ে।তবে বন্যা শেষ হওয়ার পরপরই মসজিদটি আবার নির্মাণ করা হয় এবং এর চারপাশে বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থাও গড়ে তোলা হয়।সে সময় এই মসজিদের দৈর্ঘ্য ছিল ১২০ মিটার এবং প্রস্ত ছিল ৫৫ মিটার। সে হিসাবে এটি ছিল ওই সময় আরব অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মসজিদ। এমনকি তখন মসজিদে হারামের চেয়েও বড় ছিল এই মসজিদের আয়তন।

৮৭৪ হিজরিতে মিসরের মামলুকি সুলতান কাইতবা এই মসজিদ পুননির্মাণ করেন। মসজিদের ওই স্থাপনাটি কয়েক দশক আগ পযন্ত বিদ্যমান ছিল।খন থেকে তিন দশক আগে ১৪০৭ হিজরিতে এই মসজিদ পরিবধন ও পুননির্মাণের এক বিশাল পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়।পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মসজিদের আয়তন আগের চেয়ে চারগুণ বাড়িয়ে প্রায় ২৫ হাজার বর্গমিটার করা হয়।শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে কঙ্কর নিক্ষেপ করা হজের আনুষ্ঠানিকতার অন্যতম অংশ । শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভের কাছেই ‘মসজিদে খায়েফ’ অবস্থিত। ৭০ জন নবী এই মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন।তাই এই মসজিদের গুরুত্ব অনেক।ওবিশাল মসজিদটি কঙ্কর নিক্ষেপ করতে আসা হাজিদের মনে করিয়ে দেয় ইতিহাসের অনেক ঘটনাকে।বৃহদাকার মসজিদের উচুঁ মিনারগুলো বেশ দূর থেকে পাহাড়ের চূড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।বর্ণিত আছে, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এই মসজিদে নামাজ আদায় করছেন এবং বলেছেন, এখানে সত্তরজন নবী সমাহিত হয়েছেন।খায়েফ মসজিদে এখন ৩০ হাজার মুসল্লি একত্রে নামাজ আদায় করতে পারেন। মসজিদের চারকোণায় অবস্থিত চারটি সুউচ্চ মিনার মসজিদটিকে দান করেছে অপার সৌন্দর্য।হজের মৌসুমে মিনায় শয়তানের প্রতীকী স্তম্ভে পাথর নিক্ষেপের সময়টাতে মসজিদটি মুসল্লিদের প্রচুর ভিড় দেখা যায়।মসজিদের সামনে স্থাপিত সাইনবোডে বেশ ৭টি ভাষায় লেখা রয়েছে মসজিদের নাম। সেখানে বাংলাতেও লেখা আছে- আল খায়েফ মসজিদ।

আমার বড় ইচ্ছা মৃত্যুর পরে মসজিদের পাশে কবর চাই ঃকনক চাঁপা

স্বামী একজন মিউজিক ডিরেক্টর। বলা যায় দুজনই বেকার। গান গাওয়ার জন্য বিটিভি, বাংলাদেশ বেতারে যাওয়ার রিক্সা ভাড়া জোটানোও ভয়াবহ কঠিন কাজ ছিল! জীবন বাঁচাতে জীবিকার পেছনে ছুটতে ছুটতে এই কিশোরী তখন দুই বাচ্চার মা।
তবুও গান গেয়ে যেভাবে মানুষের মনে নিজ পরিচয় নিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম তাতে এখনকার যুগ হলে স্টার হয়ে যেতাম। ইউটিউব এ ভিউ কোটির ঘর ছাড়িয়ে যেতো কিন্তু কখনোই বুঝতে সক্ষম হইনি যে আমার গান মানুষ শোনে বা আমি জনপ্রিয় কেউ! চুরাশি সালে পয়লা ছবির গান গাইলেও নব্বই দশকে ছবির গান গাওয়া নিয়মিত হল।

তখন থেকেই জীবন আর আমার হাতে রইলো না। এবং জন্মদিন ভুলেই গেলাম। কত জন্মদিন মঞ্চে রেকর্ডিং স্টুডিওতে পার করেছি ইয়ত্তা নেই। কেউ জানতোও না মাইক্রোফোন এ দাঁড়ানো কন্ঠশ্রমিকের আজ জন্মদিন। যাদের আন্ডারে অর্থাৎ যে মিউজিক ডিরেক্টরদের সুরে গান গাইতে সারাদিন সারা মাস স্টুডিওতে কাটিয়েছি, অথবা এফডিসির কেউ, তাঁরাও বলতে পারবেন না আমার জন্মদিন কবে। জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্লী কনক চাঁপা। পুরো নাম রোমানা মোর্শেদ কনক চাঁপা। আজ (১১ সেপ্টেম্বর) এই গুণী শিল্পীর জন্মদিন। জীবনের বিশেষ এই দিনটিতে নিজের মনের কথা সকলের সামনে এনেছেন তিনি। তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘প্রতিটি কর্মদিবসই আমার জন্মদিন। কাজের মাঝেই এবং কাজের জন্যই আমার জন্ম। আমি একজন আপাদমস্তক কন্ঠশ্রমিক।
জন্মদিন! সবাই একটা নির্দিষ্ট তারিখে জন্ম নেয়। কারো বাবা-মা সে তারিখ মনে রাখে, কারো বাবা-মা জন্ম দিয়ে বাচ্চা লালন করার তাগিদে সেই তারিখ ভুলে যান। আমি সৌভাগ্যবান কারণ আমার বাবা সে তারিখটি সযত্নে নিজ ডায়েরির পাতায় লিপিবদ্ধ করেছেন, আলহামদুলিল্লাহ।
কিন্তু সেই তারিখে কেক কেটে মোম জ্বালিয়ে স্বজনদের দাওয়াত করে উৎসব পালনের রেয়াজ আমাদের পরিবারে ছিলনা। যখন কিশোরী হয়ে উঠছিলাম তখন দুয়েক বছর বান্ধবীদের ডেকে মা পায়েস চানাচুর কেক নুডলস কলা দিয়ে আপ্যায়ন করেছিলেন বটে। এরপরই বিয়ে হয়ে গেলো সেই কিশোরী থাকতেই।

কখনো কোন পেপার পত্রিকার কাছ থেকে শুভেচ্ছা শুভকামনা পাইনি। ঘরের মানুষও প্রায় বছরই ভুলে গেছেন একথা। ভুলে যাওয়াটা নিয়মতান্ত্রিক ভাবেই হয়েছে। কত জন্মদিন ফ্লাইট এ কাটিয়েছি, ইকোনমি ক্লাসের যাত্রী বলে ফ্লাইটের তরফ থেকেও সে শুভাশিস পাইনি। ছেলে, মেয়ে, মেয়ে জামাই, আমার অনলাইন স্কুলের সন্তানসম ছাত্রছাত্রীরা , তারা যদিও জন্মদিন পালন করে এখন খুব আগ্রহভরে। কিন্তু এখন আর এইসব সেভাবে আমাকে টানে না।
যে মহামানব হযরত মুহাম্মাদ (সঃ) এর জন্য এই পৃথিবীর জন্ম তাঁর জন্মদিন মৃত্যু দিবস পালন যেখানে নিয়ম নাই সেখানে আর কারো জন্মদিবস পালন অর্থহীন। যদিও সেপ্টেম্বর মাস এবং এগারো সংখ্যা আমার খুবই প্রিয়। হাজার হলেও আমি মানুষ, নিজেকে ভালবাসি, তাই হয়তো এর বাইরে যাওয়ার সাধ্য আমার নাই। তবে আমি কখনোই আমার জন্মদিন এবং মৃত্যু দিন পালন করা হোক এ আমি চাইনা।

সত্যিকার অর্থেই জন্মদিন এর প্রতি আলাদা কোন দুর্বলতা আমার নেই একথা দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলতে চাই। আর আমি কোন সেলিব্রিটি বা তারকা নই যে আমার জন্মতারিখ কাউকে মনে রাখতে হবে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক জগতের উন্নতি করার জন্য আমি গান গাইনি, আমি গান গেয়েছি নিজের জীবিকার তাগিদে তাই দেশের মানুষের কাছে সুশীল সমাজের কাছে, সরকারের কাছে আমার কোনই চাওয়া নেই, আক্ষরিক অর্থেই এক ফোঁটাও চাওয়া পাওয়া নেই। জন্মদিন তো দুরের কথা।এ বছর আমি উনপঞ্চাশ এ পা রাখবো। কর্মহীন দীর্ঘজীবন আমার খুবই অপছন্দ। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকতে চাই, সুরের সাথে ন্যায়ের সাথে ভালো কাজের সাথেই থাকতে চাই। আরো ভালো কিছু কাজ করতে চাই। এই আমার বড় ইচ্ছা। মৃত্যুর পর শহীদ মিনারে যেতে চাইনা একদমই। আমার বড় ইচ্ছা, মসজিদের পাশে কবর চাই এটাও আরেকটি সুপ্ত ইচ্ছা।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি কাহিনী শুনলাম, শুনে চোখ দিয়ে পানি চলে আসল…

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একজন সাহাবা, নাম থা’লাবা (Tha’laba, বাংলায় অনেক সময় সা’লাবা বলা হয়)। মাত্র ষোল বছর বয়স। রাসূল (সা) এর জন্য বার্তাবাহক হিসেবে এখানে সেখানে ছুটোছুটি করে বেড়াতেন তিনি। একদিন উনি মদীনার পথ ধরে চলছেন, এমন সময়
একটা বাড়ির পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তাঁর চোখ পড়ল দরজা খুলে থাকা এক ঘরের মধ্যে। ভিতরে গোসলখানায় একজন মহিলা গোসলরত ছিলেন, এবং বাতাসে সেখানের পর্দা উড়ছিল, তাই থা’লাবার চোখ ঐ মহিলার উপর যেয়ে পড়ল। সঙ্গে সঙ্গে উনি দৃষ্টি নামিয়ে নিলেন।

কিন্তু থা’লাবার মন এক গভীর অপরাধবোধে ভরে গেল। প্রচন্ড দুঃখ তাকে আচ্ছাদন করল। তার নিজেকে মুনাফিক্বের মত লাগছিল। তিনি ভাবলেন, ‘কিভাবে আমি রাসূল (সা) এর সাহাবা হয়ে এতোটা অপ্রীতিকর কাজ করতে পারি?! মানুষের গোপনীয়তাকে নষ্ট করতে পারি? যেই আমি কিনা রাসূল (সা) এর বার্তা বাহক হিসেবে কাজ করি, কেমন করে এই ভীষণ আপত্তিজনক আচরণ তার পক্ষে সম্ভব?’ তাঁর মন আল্লাহর ভয়ে কাতর হয়ে গেল। তিনি ভাবলেন, ‘না জানি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা আমার এমন আচরণের কথা রাসূল সা এর কাছে প্রকাশ করে দেয়!’ ভয়ে, রাসূল (সা) এর মুখোমুখি হওয়ার লজ্জায়, তিনি তৎক্ষণাৎ ঐ স্থান থেকে পালিয়ে গেলেন।

এভাবে অনেকদিন চলে গেল। রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়ালাইহি ওয়াসাল্লাম অন্যান্য সাহাবাদের কে থা’লাবার কথা জিজ্ঞেস করতেই থাকতেন। কিন্তু সবাই জানাল কেউ-ই থা’লাবা কে দেখেনি। এদিকে রাসূল সা এর দুশ্চিন্তা ক্রমেই বাড়ছিল। তিনি উমর (রা), সালমান আল ফারিসি সহ আরো কিছু সাহাবাদের পাঠালেন থা’লাবার খোঁজ আনার জন্য। মদীনা তন্ন তন্ন করে খুঁজেও থা’লাবার দেখা মিলল না। পরে মদীনার একেবারে সীমানাবর্তী একটা স্থানে, মক্কা ও মদীনার মধ্যখানে অবস্থিত পর্বতময় একটা জায়গায় পৌঁছে কিছু বেদুঈনের সাথে দেখা হল তাদের। দেখানে এসে তারা থা’লাবার সম্পর্কে খোঁজ খবর নিতে শুরু করলেন। ‘তোমরা কি লম্বা, তরুণ, কম বয়সী একটা ছেলেকে এদিকে আসতে দেখেছ?’

বেদুঈনগুলো মেষ চড়াচ্ছিল। তারা জবাব দিল, সে খবর তারা জানেনা, তবে তারা জিজ্ঞেস করল, ‘তোমরা কি ক্রন্দনরত বালকের সন্ধানে এসেছ?’ একথা শুনে সাহাবীরা আগ্রহী হয়ে উঠলেন এবং তার বর্ণনা জানতে চাইলেন। উত্তরে ওরা বলল, ‘আমরা প্রতিদিন দেখি মাগরিবের সময় এখানে একটা ছেলে আসে, সে দেখতে এতো লম্বা, কিন্তু খুব দুর্বল, সে শুধুই কাঁদতে থাকে। আমরা তাকে খাওয়ার জন্য এক বাটি দুধ দেই, সে দুধের বাটিতে চুমুক দেয়ার সময় তার চোখের পানি টপটপ করে পড়ে মিশে যায় দুধের সাথে, কিন্তু সেদিকে তার হুঁশ থাকেনা!’ তারা জানালো চল্লিশ দিন যাবৎ ছেলেটা এখানে আছে। একটা পর্বতের গুহার মধ্যে সে থাকে, দিনে একবারই সে নেমে আসে, কাঁদতে কাঁদতে; আবার কাঁদতে কাঁদতে, আল্লাহর কাছে সর্বদা ক্ষমা প্রার্থনা করতে করতে উপরে চলে যায়।

সাহাবারা বর্ণনা শুনেই বুঝলেন, এ থা’লাবা না হয়ে আর যায় না।
তবে তাঁরা উপরে যেয়ে থা’লাবা ভড়কে দিতে চাচ্ছিলেন না, এজন্য নিচেই অপেক্ষা করতে লাগলেন।

যথাসময়ে প্রতিদিনের মত আজও থা’লাবা ক্রন্দনরত অবস্থায় নেমে আসলেন, তাঁর আর কোনদিকে খেয়াল নাই। কী দুর্বল শরীর হয়ে গেছে তাঁর! বেদুঈনদের কথামত তাঁরা দেখতে পেলেন, থা’লাবা দুধের বাটিতে হাতে কাঁদছে, আর তাঁর অশ্রু মিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। তাঁর চেহারায় গভীর বিষাদের চিহ্ন স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে।

সাহাবারা তাকে বললেন, ‘আমাদের সাথে ফিরে চল’; অথচ থা’লাবা যেতে রাজি হচ্ছিলেন না। তিনি বারবার সাহাবাদেরকে জিজ্ঞেস করতে লাগলেন, ‘আল্লাহ কি আমার মুনাফেক্বী বিষয়ক কোন সূরা নাযিল করেছে?’

সাহাবারা উত্তরে বললেন, ‘না আমাদের জানামতে এমন কোন আয়াত নাযিল হয় নাই।’

উমর (রা) বললেন, রাসূল (সা) আমাদেরকে তোমাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠিয়েছেন। তুমি যদি এখন যেতে রাজি না হও, তাহলে তোমাকে আমরা জোর করে ধরে নিয়ে যাব। রাসূল (সা) এর কথা অমান্য করবেন এমন কোন সাহাবা ছিল নাহ। কিন্তু থা’লাবা এতোটাই লজ্জিত ছিলেন যে ফিরে যেতে চাচ্ছিলেন নাহ। এরপর সাহাবারা তাকে রাসূল (সা) এর কাছে মদীনায় নিয়ে আসেন।

মহানবী (সা) এর কাছে এসে থা’লাবা আবারও একই প্রশ্ন করে, ‘আল্লাহ কি আমাকে মুনাফিক্বদের মধ্যে অন্তর্গত করেছেন অথবা এমন কোন আয়াত নাযিল করেছেন যেখানে বলা আমি মুনাফিক্ব?’ রাসূল (সা) তাকে নিশ্চিত করলেন যে এমন কিছুই নাযিল হয়নি। তিনি থা’লাবার দুর্বল পরিশ্রান্ত মাথাটা নিজের কোলের উপর রাখলেন। থা’লাবা কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, এমন গুনাহগার ব্যক্তির মাথা আপনার কোল থেকে সরিয়ে দিন।’ উনার কাছে মনে হচ্ছিল যেন সে এসব স্নেহের যোগ্য নাহ।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সান্ত্বনা দিতেই থাকলেন। আল্লাহর রহমত আর দয়ার উপর ভরসা করতে বললেন। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে বললেন। এমন সময় থা’লাবা বললেন,

‘হে আল্লাহর রাসূল আমার এমন মনে হচ্ছে যেন আমার হাড় আর মাংসের মাঝখানে পিঁপড়া হেঁটে বেড়াচ্ছে।’

রাসূল (সা) বললেন, ‘ওটা হল মৃত্যুর ফেরেশতা। তোমার সময় এসেছে থা’লাবা, শাহাদাহ পড়’।

থা’লাবা শাহাদাহ বলতে থাকলেন, ‘আল্লাহ ছাড়া ইবাদাতের যোগ্য আর কোন ইলাহ নেই, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল’
উনি শাহাদাহ বলতে থাকলেন… বলতেই থাকলেন… এমনভাবে তাঁর রুহ শরীর থেকে বের হয়ে গেল।
* * *
মহানবী (সা) থা’লাবাকে গোসল করিয়ে জানাজার পর কবর দিতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। আরো অনেক সাহাবা থা’লাবাকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছিলেন। মহানবী (সা) পা টিপে টিপে অনেক সাবধানে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। উমর রাদিয়ালাহু আনহু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, আপনি এভাবে কেন হাঁটছেন যেন ভিড়ের মাঝে হেঁটে চলেছেন.. কতো রাস্তা ফাঁকা পরে আছে, আপনি আরাম করে কেন চলছেন না ইয়া রাসুল?’

উত্তরে রাসূল (সা) বললেন, ‘হে উমর, আমাকে অনেক সাবধানে চলতে হচ্ছে। সমস্ত রাস্তা ফেরেশতাদের দ্বারা ভরে গেছে । থা’লাবার জন্য এতো ফেরেশতা এসেছে যে আমি ঠিকমত হাঁটার জায়গা পাচ্ছি না’।

সুবহান আল্লাহ !

এই সেই থা’লাবা যে ভুলক্রমে একটা ভুল করার জন্য এতো প্রায়শ্চিত্য করেছেন। গুনাহ-র কাজ করা তো দূরের কথা, গুনাহ না করেও আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে চেয়ে ব্যাকুল হয়েছেন। কত উঁচু ছিলেন তিনি আল্লাহর চোখে যে তাকে নেয়ার জন্য ফেরেশতাদের আগমনে রাস্তা ভরে গিয়েছিল! এই সব ফেরেশতারা নেমে এসেছে শুধু থা’লাবার জন্য, তাঁর জন্য দুআ করার জন্য, তাকে নিয়ে যাবার জন্য। আর আমরা সারাদিন জেনে না জেনে এতো ভুল করেও, এতো গুনাহ করেও অনুশোচনা করি না! উলটা আমাদের পছন্দ মত কিছু না হলেই আল্লাহর আদেশের উপর অসন্তোষ প্রকাশ করতে থাকি, জীবন নিয়ে নালিশ করতে থাকি।

একটা হাদীস আছে, ‘মু’মিন বান্দার কাছে তার গুনাহগুলো এমন যেন এখনই পাহাড় ভেঙ্গে তার মাথার উপর পড়বে; আর একজন দুর্বৃত্তকারীর কাছে গুনাহ এরকম যে মাছি এসে তার নাকের উপর উড়াউড়ি করছে, আর সে হাত নাড়িয়ে সেটা সরিয়ে দিল’।

[বুখারি, বইঃ৭৫, হাদীস নং ৩২০]

আমরা আমাদের গুনাহগুলোকে দেখেও না দেখার ভান করি। স্বীকার করতে চাইনা। কতো রকম যুক্তি দিয়ে জাস্টিফাই করার চেষ্টা করি। একটু ফ্যাশন, শখ, মনের ইচ্ছা পূরণ, মানুষের সামনে বড় হওয়া, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য আমরা গুনাহ-র কাজে জড়িয়ে পরি। কিন্তু আল্লাহর কাছে বিনয়ের সাথে ক্ষমা চাওয়ার কথা ভাবতে পারিনা। আমাদের যুক্তি, অহংকার, শয়তানের মতই আমাদেরকে ক্ষমা প্রার্থনা থেকে বিরত রাখে। কিয়ামতের দিন এক আল্লাহর রহমত আর দয়া ছাড়া কিছুই আমাদেরকে আগুন থেকে বাঁচাতে পারবে না। জান্নাত তাদের জন্যই যারা আল্লাহর কাছে মাথা নত করে। আত্মসমর্পণ করে পূর্ণভাবে। নিজের ইচ্ছা, অহম বোধের কাছে মাথা নত করেনা। তাই ঈমানদার ব্যক্তিই বিনয়ী। তার রবের সামনে কাঁদতে সে লজ্জা পায় না। ভুলের জন্য ক্ষমা চাইতে কুন্ঠাবোধ করে না। সততার সাথে ক্ষমা চেয়ে দৃড়ভাবে সেই কাজ থেকে বিরত থাকে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন, ‘যে তওবা করে এবং ঈমান আনে ও পুণ্য-পবিত্র ক্রিয়াকর্ম করে। সুতরাং তারাই, — আল্লাহ্ তাদের মন্দকাজকে সৎকাজ দিয়ে বদলে দেবেন। আর আল্লাহ্ সতত পরিত্রাণকারী, অফুরন্ত ফলদাতা’।

[সূরাহ ফুরক্বানঃ ৭০]

আল্লাহ আমাদেরকে আমাদের জেনে না জেনে করা গুনাহগুলো থেকে ক্ষমা করে দিক ! আমাদেরকে সঠিকভাবে মনের অন্তঃস্থল থেকে অনুতাপ করার, ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ দান করুক। আমাদেরকে নিজেদের ভুল বুঝার আর স্বীকার করে নিয়ে খারাপ কাজগুলো থেকে দূরে থাকার তওফিক দিক… আমীন।