ছিঃ ছিঃ রুচি, নার্সারির ছাত্রীকে ধর্ষণে হত্যা !!

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের শরীফপুর সোন্ডা এলাকার একটি কাশবন থেকে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় নার্সারি শ্রেণির এক ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিশুটিকে ধর্ষণের পর ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

নিহত শিশুর নাম তাফান্নুম তাহি (৫)। সে শরীফপুর সোন্ডা এলাকার হুমায়ুন কবিরের মেয়ে। তাহি স্থানীয় মাতৃছায়া কিন্ডারগার্টেনের নার্সারি শ্রেণির ছাত্রী ছিল।গাজীপুর মহানগরের গাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কবির উদ্দিন ও স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে শরীফপুর সোন্ডা এলাকায় নিজ বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন বরিশালের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির।

তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। তাঁর স্ত্রী মাতৃছায়া কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক। তাদের দুই মেয়ের মধ্যে তাফান্নুম তাহি ছোট। গতকাল বেলা ১১টার দিকে গোসল করার জন্য পাশেই তার নানা আমির হোসেনের বাড়িতে যায় তাহি। এরপর দুপুর হয়ে গেলেও সে বাসায় ফিরে না এলে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বিকেলে বাড়ির কাছের একটি কাশবনে তাহির লাশ দেখতে পান তাঁরা।

খবর পেয়ে পুলিশ সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

এসআই কবির উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুটিকে কৌশলে ওই কাশবনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে কোনো ব্যক্তি। পরে বিষয়টি জানাজানির ভয়ে ইট দিয়ে মাথা থেঁতলে শিশুটিকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায় সে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৬ শিক্ষার্থীর ওপর মোটরসাইকেল উঠিয়ে দিল দুই বখাটে !

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ইভটিজিং করে পালিয়ে যাওয়ার সময় ছয় শিক্ষার্থীর ওপর মোটরসাইকেল উঠিয়ে দিল দুই বখাটে।

রোববার সকাল ১০টায় উপজেলার হাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।এ ঘটনায় গুরুতর আহত এক ছাত্রী ও এক ছাত্রকে কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় হৃদয় নামে এক বখাটেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।

উপজেলার হারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণির শিলা আক্তার, নার্গিস আক্তার, শায়েলা আক্তার, স্মৃতি আক্তার, ষষ্ঠ শ্রেণির ইতি আক্তার ও এসএসসি পরীক্ষার্থী শাওন সকাল ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল।

এ সময় একই এলাকার চানপুর গ্রামের জবেদ আলীর ছেলে হৃদয় ও তার সহযোগী শিশির মোটরসাইকেলযোগে ওই স্কুল শিক্ষার্থীদের ইভটিজিং করে মোটরসাইকেল নিয়ে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এতে হারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছয় শিক্ষার্থী আহত হয়।

এদের মধ্যে শাওন ও শিলার পা ভেঙে গেছে। তাদের কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনতা বখাটে হৃদয়কে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। বখাটে শিশির পালিয়ে যায় বলে শিলার বড় ভাই মো. এরশাদ মিয়া জানিয়েছেন।

হারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আলীম বলেন, হৃদয় এই বিদ্যালয়ের ছাত্র হলেও সে বখাটে প্রকৃতির। হৃদয় ও অপর বখাটে শিশির প্রায় প্রতিদিন রাস্তায় ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে বলে তিনি জানান।

মির্জাপুর থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম জানান, স্কুলছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে মোটরসাইকেল নিয়ে ওই দুই বখাটে পালিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের ওপর উঠিয়ে দেয়। স্থানীয় জনতা হৃদয় নামে এক বখাটেকে আটক করে খবর দিলে তাকে থানায় আনা হয় বলে তিনি জানান।

দরজা ভেঙ্গে দুই সন্তানের গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে ধর্ষণ করল প্রতিবেশী যুবক !

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার বালিয়াদাহ এলাকায় দুই সন্তানকে আটকে রেখে এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতিত গৃহবধূকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত মনিরুল সরদার (৩০) বালিয়াদাহ গ্রামের আফছার আলী সরদারের ছেলে। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গৃহবধূর স্বামী বরিশালে একটি ইটভাটায় কাজ করেন। স্বামী বাড়ি না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী লম্পট ও মাদক ব্যবসায়ী মনিরুল তাকে প্রায়ই উত্যক্ত করতো।

রোববার রাত ২টার দিকে মনিরুল ওই গৃহবধূর বাড়ির দরজা সাবল দিয়ে ভেঙে তার দুই সন্তান সুমনা (৭) ও সোহানাকে (আড়াই বছর) ছুরি দিয়ে হত্যা করার ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।এ বিষয়ে তালা থানা পুলিশের ওসি মেহেদী রাসেল বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে ধর্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

হঠাৎ স্কুলে দুদক চেয়ারম্যান, ৮ শিক্ষকের ৭ জনই অনুপস্থিত !

চট্টগ্রামের একটি স্কুলে গিয়ে সেখানকার ৮ শিক্ষকের ৭ জনকেই কর্মস্থলে পাননি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

চট্টগ্রাম মহানগরীর অধিকাংশ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে আসেন না বলে একটি মাধ্যমে খবর পেয়ে রোববার সেখানকার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে আকস্মিকভাবে নিজেই উপস্থিত হন তিনি।

রোববার সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে চট্টগ্রাম পৌঁছে ৯টা ১৫ মিনিটে নগরীর কাট্টলী নুরুল হক চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান তিনি।সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, স্কুলের আট শিক্ষকের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ছাড়া সাতজন শিক্ষকই ছিলেন অনুপস্থিত। আরেক স্কুলে অনুপস্থিত ছিলেন দুই শিক্ষক। বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, যেকোনো মূল্যে শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, দুদক চেয়ারম্যানের কাছে বিশেষ মাধ্যমে খবর আসে, চট্টগ্রাম মহানগরীর অধিকাংশ স্কুলে শিক্ষকেরা নিয়মিত স্কুলে আসেন না। এমন খবরে প্রথমেই কাট্টলী নুরুল হক চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে তিনি দেখেন, স্কুল চলাকালীন ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের আশপাশে আচার-চানাচুর খেয়ে অলস সময় পার করছে।

স্কুল চলাকালীন ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের স্কুলের বাইরে দেখে বিস্মিত দুদক চেয়ারম্যান ঢুকে পড়েন স্কুলে। এসময় অভিভাবকরা দুদক চেয়ারম্যানকে কাছে পেয়ে তাদের সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেন।দুদক চেয়ারম্যান তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, আমাদের সন্তানদের শিক্ষা নিয়ে কাউকেই ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে। প্রয়োজনে দুদক দণ্ডবিধির ১৬৬ ধারা প্রয়োগ করবে।

এরপরই দুদক চেয়ারম্যান সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, ১১ জন শিক্ষকের মধ্যে ২ জন শিক্ষক অনুপস্থিত। তবে এসব শিক্ষকদের অনুপস্থিতির কারণ জানাতে পারেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ। এরপর তিনি যান শীতলপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, নবম শ্রেণিতে এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া ছাত্রছাত্রীদের ২ হাজার টাকার বিনিময়ে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করানো হয়েছে।এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এটা অনৈতিক। শিক্ষাক্ষেত্রে অনৈতিকতার কোনো স্থান নেই।

মাত্র ৪৯ দিনে কোরআনের হাফেজ কুমিল্লার রাফসান !

মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরীফ ।মাত্র ৪৯ দিনে কোরআনের হাফেজ হলো ৯ বছরের এক শিশু।

তার নাম রাফসান। কুমিল্লা শহরের ইবনে তাইমিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের হিফজ বিভাগ থেকে সে এ কীর্তি গড়েছে।কুমিল্লার মনোহরগঞ্জের বিপুলাসার ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের প্রবাসী বাহার উদ্দিনের ছেলে রাফসান।শনিবার রাতে রাফসানের হিফজ বিভাগের শিক্ষক জামাল উদ্দিন যুগান্তরকে জানান, রাফসান দেশের বিস্ময় বালক। তার মেধা সাধারণের চাইতে অনেক বেশি।

রাফসান ৪৯ দিনে কোরানের ৩০ পারাই মুখস্ত করেছে বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘গত বছরের নভেম্বরের ২ তারিখে রাফসানকে কোরআন শরিফের ৩০ তম পারা মুখস্ত করতে দেই। দিন শেষে রাফসান গড়গড় করে ৩০তম পারাটি মুখস্ত বলে দেয়। এতে অবাক হলেও হয়ত আগে থেকেই পারাটি তার মুখস্ত ছিল ভেবে পরের দিন আবার তাকে প্রথম পারা মুখস্ত করতে দেই।

একইভাবে সে দ্রুত ওই পারাটিও সবক দিয়ে দেয়। এভাবে কোরআনের পাঁচটি পারা কয়েক দিনের মধ্যে মুখস্ত করে দিলে আমরা নিশ্চিত হই যে রাফসান আর সব শিশু থেকে আলাদা। তার মুখস্তবিদ্যা প্রখর।এভাবে প্রতিদিনই এক পারা করে মুখস্ত করে যেতে থাকে ও পেছনের আয়াতগুলো ঝালিয়ে নিতে থাকে রাফসান।রাফসানের এখন পুরো কোরআন শুনানি চলছে বলে জানান শিক্ষক জামাল উদ্দিন।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাফসানের মা শাহিনা আক্তার ২০১৭ সালে ছেলেকে নুরানি দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি করে। এক বছর রাফসান প্রথম শ্রেণির বই পড়ার সঙ্গে দেখে দেখে কোরআন পড়া শেষ করে।

এর পরই ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে তাকে একই বিদ্যালয়ের হিফজ বিভাগে ভর্তি করা হয় এর আগে ২৯ দিনে কোরআন মুখস্থ করে বিস্ময় সৃষ্টি করেছিলেন জুয়াইরিয়া নামের এক পাকিস্তানি তরুণী।লাহোরের গাজিয়াবাদ কলেজের ছাত্রী জুয়াইরিয়া কলেজ ছুটির ফাঁকে কোরআন মুখস্থ করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন।

সুইজারল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে আসা খোদেজাকে নিজের সন্তান বলে দাবি করলেন !

মা-বাবার খোঁজে সুইজারল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে আসা রওফিকে নিজের সন্তান বলে দাবি করছেন উলিপুর উপজেলার থেতরাই ইউনিয়নের দড়ি কিশোরপুর শেখের খামার গ্রামের বৃদ্ধা রহিতন বেওয়া (৭৭)।এ সময় তিনি ফেসবুকে নিজের সন্তানের শিশু বয়সের ছবি দেখতে পেয়ে হাউ-মাউ করে কেঁদে ওঠেন।

নিজের সন্তান বলে দাবি করা রহিতন বলেন, খোদেজার নাম ছিল শাহেরা খাতুন। সে ছিল তাদের বড় সন্তান। বড় মেয়ে শাহেরা ওরফে খোদেজা, ছোট মেয়ে সাইবেনি ও ছোট ছেলে রফিকুল ইসলাম।

রহিতন কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমার যতটুকু মনে আছে, ৭৪ সালে দূর্ভিক্ষের সময় আমার বড় মেয়ে শাহেরা ওরফে খোদেজা হারিয়ে যায়। শাহেরার চোখের নিচে একটি তিলকের চিহ্ন রয়েছে বলে তিনি জানান।

সে সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ খবর নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। এক পর্যায়ে তিনি কাঁদতে কাঁদতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।তাদের সেই সময়ের প্রতিবেশি বিবিজান (৭০), জহুরা বেওয়া (৮০), শাহিদা বেগম (৬৫) ও লাইলী বেগম (৬৮), সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে শাহেরা ওরফে খোদেজার শিশু বয়সের ছবি দেখে তাকে হারিয়ে যাওয়া খোদেজা বলে দাবি করেন।

গত শুক্রবার (২৫ জানুয়ারী) রহিতন বেওয়া ও তার পুত্র রফিকুল ইসলাম শাহেরার সাথে দেখা করার জন্য কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের বাসভবনে গিয়ে জানতে পারেন খোদেজা ও তার স্বামী ঢাকায় চলেন গেছেন।

এ খবর শুনে রহিতন বাড়িতে ফিরে আসেন এবং মেয়ের জন্য আর্তনাদ করে কাঁদতে থাকেন। এলাকাবাসী অনেকে জানায়, গত ২২ জানুয়ারী খোদেজা তার নিজ গ্রামে এসে তার পিতা-মাতাকে খুঁজে না পেয়ে চলে যান। বর্তমানে খোদেজা ও তার স্বামী ঢাকায় রয়েছেন বলে একটি সূত্র জানা গেছে।

পা নেই, হাতে ভর করে পবিত্র কাবা ৭ বার তাওয়াফ করল এই কিশোর !

ইচ্ছা শক্তি আর ইসলামেরপতি ভালবাসা থাকলে কি না সম্ভব। দুই পা ছাড়া এক চতুর্থাংশ শরীর নিয়ে জন্ম হয়েছিল কাতারের প্রতিবন্ধী কিশোর গানিম আল মুফতার।

এখন সে হুইল চেয়ারে করে চলাচল করে সে।এদিকে পবিত্র কাবা শরীফের কাছে আসলে তিনি ইসলাম ধর্মের প্রতি আবেগঘন ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে। এ সময় তিনি হুইল চেয়ার থেকে নেমে দুই হাতে ভর দিয়ে কাবা শরীফ তাওয়াফ করেছে প্রতিবন্ধী কিশোর গানিম আল মুফতার।

মাগরিব নামাজের সময় সাতবার কাবা তাওয়াফ করে প্রতিবন্ধী গানিম। সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এই তাওয়াফের ভিডিও প্রচারের পর বেশ সাড়া পড়েছে। জানা যায়, কিশোর গানিমের স্বপ্ন ছিল নিজহাতে পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফ করা এবং পবিত্র হাজরে আসওয়াদ পাথরে চুম্বন করা।

আর তার এমন স্বপ্নের কথা জেনে তা পূরণে তার জন্য ওমরা পালনের ব্যবস্থা করেন সৌদি পর্যটন এবং জাতীয় ঐতিহ্য কমিশনের চেয়ারম্যান প্রিন্স সুলতান বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ।এদিকে গানিম প্রতিবন্ধী হওয়ায় কাবা তাওয়াফসহ ওমরা পালনে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজন ছিল। এজন্য একটি বিশেষ টিমের মাধ্যমে গানিম ও তার পরিবারের সদস্যদের মক্কায় পৌঁছানোর পর থেকে ওমরা পালনের শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।

এ সময় মক্কায় গানিমকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান প্রিন্স সুলতান। এছাড়া মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদের ইমাম শেখ মাহের আল-মুয়াকলির পেছনে গানিমদের নামাজ পড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়।এদিকে প্রতিবন্ধী গানিম হাত দিয়ে ভর দিয়ে পবিত্র কাবা তাওয়াফ করতে পারায় দারুণ খুশি। এ জন্য প্রিন্স সুলতান ও শেখ মাহেরে প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে এই কিশোর।

কন্যাসন্তান হলে তার ক্লিনিকের সব ফ্রি !

তিনি একজন গাইনি ডাক্তার। তার হাতে কোন কন্যাসন্তান হলে তিনি আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান। সবাইকে মিষ্টি মুখ করান। কোনো চিকিৎসা ফি নেন না। এমনকি তার ক্লিনিকে কন্যাসন্তানের সব চিকিৎসা ফ্রি।

বলছিলাম মহান নারী ডা. শিপ্রা ধরের কথা।

ভারতের বারানসিতে একটি নার্সিংহোম চালান ডা. শিপ্রা ধর। তার নিজস্ব ক্লিনিকে মেয়ে বাচ্চার জন্ম হলেই সবকিছু সম্পূর্ণ ফ্রি হয়ে যায়। এমনকি অপরেশনের জন্যেও কোনো টাকা পর্যন্ত নেন না তিনি। জানা গেছে, তিনি তার নার্সিংহোমে এই পর্যন্ত ১০০ জন মেয়ে সন্তানের সফল ডেলিভারি করিয়েছেন।

বেশ কিছু দিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বারানসিতে আসেন। তখন শিপ্রা ধরের কাহিনী শুনে বেশ প্রভাবিত হন। মোদির সঙ্গে শিপ্রা ধর দেখাও করেন। প্রধানমন্ত্রী সেই মঞ্চ থেকেই দেশের সমস্ত ডাক্তারের কাছে আবেদন করেন, মাসের ৯ তারিখে সন্তান জন্ম নিলে আপনারা কোনো ফি যেন না নেন।

শিপ্রা ধরের স্বামী মনোজ কুমার শ্রীবাস্তব নিজেও একজন ডাক্তার। তিনিও উৎসাহ দেন স্ত্রীর এই সামাজিক কাজে।

চিকিৎসকের চেম্বারে ধর্ষণের শিকার এবং ভিডিও রেকর্ড নারী সহকারী ! অতঃপর …..

নওগাঁয় চিকিৎসকের চেম্বারে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন নারী সহকারী। পরে বিষপানে আত্মহননের পথ বেছে নেন এক সন্তানের মা (৩০)।

নির্যাতিতা ওই নারী মারা যাবার পর তার ফোন রেকর্ড থেকে ধর্ষণের বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত ডাক্তার হেলাল আহম্মেদ লিটনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।আলোচিত এ ঘটনাটি নওগাঁ শহরের পাটালির মোড় এলাকার। ধর্ষক ডাক্তার হেলাল আহম্মেদের বাড়ি নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার কলাবাড়িয়া শিবপুর গ্রামে। তার বাবার নাম নজরুল ইসলাম সরদার।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল হাই ও মৃতের স্বজনরা জানান, ৫ বছর আগে শহরের পাটালীর মোড়ে জনৈক শাহিন হোসেনের বাসার দুটি রুম ভাড়া নিয়ে সেখানে পাইলস্ কিউর সেন্টার খোলেন হেলাল আহম্মেদ (ডিপিএইচ,মেডিশিন/ ডিএমএফ,ঢাকা)। এখানে গত ৩ সপ্তাহ আগে আয়া কাম চেম্বার সহকারী হিসেবে চাকরি নেন ওই নারী। গত ১৮ জানুয়ারি বিকাল ৫টার দিকে ডাক্তার হেলাল আহম্মেদ তার চেম্বারের ভেতরে তাকে ধর্ষণ করে।

মৃতের জা আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ধর্ষণের শিকার হয়ে প্রাণচঞ্চল জা নিরব পাথর হয়ে যান। তার হঠাৎ করে নিরব হয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানার জন্য তারা জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, ডাক্তার তাকে ধর্ষণ করেছেন। এ লজ্জায় স্বামী, সন্তান বা অন্য কারও দিকে তাকাতে পারছেন না। এক পর্যায়ে তার স্বামীর গৃহে গত ২০ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বিষপান করলে প্রথমে নওগাঁ সদর হাসপাতালে এবং পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এই হাসপাতালে গত ২২ জানুয়ারি মধ্যরাতে মারা যান তিনি।

মৃতার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম জানান, ময়নাতদন্ত শেষে ২২ জানুয়ারি তার স্ত্রীকে দাফনের পর তার মোবাইল ফোনে ওই ডাক্তার একাধিকবার ফোন করেন। কিন্ত আমি ফোন ধরিনি। কৌতুহলবশত ফোন চেক করতে গিয়ে ফোনে একটি রেকর্ড পাওয়া যায়। সেখানে ধর্ষণের বর্ণনা দিয়ে গেছেন আমার স্ত্রী।

তিনি জানান, পরে বিষয়টি নওগাঁ সদর থানায় অবহিত করলে পুলিশ মৃতের বাবাকে বাদী করে এ বিষয়ে একটি মামলা নিয়ে শুক্রবার ডাক্তার হেলাল আহম্মেদকে গ্রেফতার করেন।নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি আব্দুল হাই বলেন, মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ শুক্রবার ভোরে হেলাল আহমেদকে তার পাটালীর মোড়ের চেম্বার থেকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন হেলাল আহম্মেদ।

জোড়া শতকে মাশরাফির রংপুরের রেকর্ড সংগ্রহ !!

লড়াইটা দুই ফেভারিট দলের, চলমান আসরের সবচেয়ে ভালো পারফর্ম করা চিটাগং ভাইকিংস ও গতবারের চ্যাম্পিয়ন রংপুর রাইডার্সের। দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা এই ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে মাশরাফির রংপুর গড়েছে রানের পহাড়। নির্ধারিত ওভারে তারা করে ২৩৯ রান।

আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ইংলিশ ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স হেলস ও দক্ষিণ আফ্রিকার রাইলি রুশোর অসাধারণ দুটি সেঞ্চুরির ওপর ভর করে এই বিশাল সংগ্রহ গড়ে রংপুর। এটি শুধু এবারের আসরেই নয়, বিপিএলেরও সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

এর আগে বিপিএলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ঢাকা ডায়নামাইটসের। ২০১৩ সালে এই রংপুরের বিপক্ষে ২১৭ রান করেছিল তারা। এবারের তাদের ছাড়িয়ে গেছে রংপুর।

আর এবারের আসরে সবচেয়ে বড় সংগ্রহ ছিল চিটাগং ভাইকিংসের। মুশফিকুর রহিমের দল করেছিল ২১৪ রান, খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে। তাই রংপুর এই বিশাল সংগ্রহ গড়ে অনেকগুলো রেকর্ড ভেঙেছে।

আর তা সম্ভব হয়েছে দুই বিদেশি ব্যাটসম্যানের চমৎকার দুটি সেঞ্চুরিতে। মাত্র ৪৮ বলে ১০০ রানের একটি ঝড়ো ইনিংস খেলেন অ্যালেক্স। যাতে ১১টি চার ও পাঁচটি ছক্কার মার রয়েছে।

তারপরই তিন অঙ্কের কোটায় নিজের নাম লেখান রুশো। দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ৫১ বলে ১০০ রান করেন। আসরে এর আগে প্রথম শতক হাঁকিয়েছিলেন রাজশাহী কিংসের ইংলিশ ব্যাটসম্যান লরি ইভান্স।

চিটাগংয়ের বোলাররা এদিন ছিলেন অনেকটাই অসহায়। এক আবু জায়েদ রাহি ছাড়া কোনো বোলারই রংপুর ব্যাটসম্যানদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি। রাহি দুই উইকেট নিয়েছেন।