নিজের বানানো বিমান উড়িয়ে আকাশে কয়েক দফা চক্কর দেন পপকর্ন বিক্রেতা ফয়েজ

নিজের বানানো একটি ছোট বিমান উড়ানোর চেষ্টাকালে সোমবার এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পাকিস্তানের পাঞ্জাব পুলিশ। উড্ডয়নের জন্য গাড়ি চলাচলের রাস্তাকে রানওয়ে হিসেবে ব্যবহার করে ওই বিমান নিয়েই আকাশে ওড়েন মোহাম্মদ ফয়েজ নামের ওই ব্যক্তি। তবে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে আকাশে কয়েক দফা চক্করও দেন ফয়েজ।

পেশায় একজন পপকর্ন বিক্রেতা ও খণ্ডকালীন নিরাপত্তা রক্ষীর কাজ করা ফয়েজ দাবি করে বলেন, যদি সরকার তাকে সাহায্য করে; তাহলে তিনি এ ধরনের আরও বিমান তৈরি করতে পারেন।স্থানীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করেই ওই বিমানটি বানিয়েছেন ফয়েজ। আর এ বিমান তৈরি করতে নিজের জমানো সব অর্থও খরচ করে ফেলেন তিনি।

তবে পুলিশ ফয়েজকে আটক করে তাকে তাদের জিম্মায় নিয়েছে। এসময় তারা ওই বিমানটি থেকে একটি জেনারেটর, ১২-ওয়াটের ব্যাটারি এবং দুটি প্লাস্টিকের কন্টেইনারের রাখা ১০ লিটার পেট্রোলও জব্দ করেছে।এদিকে বিনা অনুমতি বিমান নির্মাণ এবং বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিমান উড়ানোয় ফয়েজের বিরুদ্ধে (ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট) এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ।

স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা মারিয়া বলেছেন, সে বিমান উড়ানোর জন্য যোগ্যতাসম্পন্ন নয়। এমনকি তার বিমানে প্যারাসু্টের মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল না।তিনি জানান, যদি তার বিমানটি বিধ্বস্ত হতো তাহলে শত শত মানুষের জীবন হুমকির মধ্যে পড়ে যেতে পারতো।

অন্যদিকে ফয়েজ বলেন, আমি অনেক পরিশ্রম করে বিমান বানিয়েছি কিন্তু আমার প্রশংসা করার পরিবর্তে আমার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। আমার বিমান এক হাজার ফুট পর্যন্ত উড়তে পারে।তবে শেষপর্যন্ত স্থানীয় একটি আদালতে ফয়েজকে হাজির করা হলে তিন হাজার পাকিস্তানি রুপি দিয়ে মুক্তি পান তিনি।

নামাজ সব ধরনের বদ অভ্যাস থেকে দূরে রাখে

সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য নামাজের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নামাজ মানুষকে মমতা শিক্ষা দেয়। নামাজ সব ধরনের বদ অভ্যাস থেকে দূরে রাখে। নামাজ ভালো মানুষ হওয়ার জন্য উৎসাহিত করে। নামাজ মানুষকে বিনয়ী হতে শেখায়। নামাজ শৃঙ্খলা শিক্ষা দেয়। যেসব ছেলেমেয়ে নামাজ পড়ে, তাদের খাওয়া-দাওয়া, চলাফেরা, পড়াশোনা ও ঘুমানোর মধ্যে এক ধরনের শৃঙ্খলা থাকে।

তাই সন্তানের ভবিষ্যৎ সাফল্য লাভের জন্য দুশ্চিন্তা না করে শৈশব থেকে নামাজের আদেশ দিতে হবে। ইবরাহিম (আ.) তার সন্তানরা যেন নামাজি হয়, সেজন্য তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘হে আমার রব! আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও। হে আমার রব, আর আমার দোয়া কবুল করুন।’ (সূরা ইবরাহিম : ৪০)

পরিবার হলো সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় বিদ্যাপীঠ। মা-বাবা হলেন সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় শিক্ষক। সন্তানের বড় কোনো সাফল্যে যেমন মা-বাবার মুখ উজ্জ্বল হয়, তেমনি সন্তানের অপকর্মের জন্য অনেক মা-বাবাকে জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করতে হয়। যে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মা-বাবা, আত্মীয়স্বজন আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েছিলেন, তারাই আবার সন্তানের বেড়ে ওঠার সময়কালে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন।

আজকাল আশপাশের পরিবেশ, বন্ধুবান্ধব, প্রযুক্তির অপপ্রয়োগ ও অপসংস্কৃতির আগ্রাসনের কারণে অনেক ছেলেমেয়ের জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের কেউ কেউ বিভিন্ন অনৈতিক-অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। এক্ষেত্রে নামাজই একমাত্র বখে যাওয়া সন্তানের নৈতিক মূল্যবোধের পরিবর্তন ঘটাতে পারে। কারণ, নামাজ আত্মার বিকাশ ঘটায়। নামাজ মানুষের বোধশক্তিকে জাগ্রত করে। কুরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘নিঃসন্দেহে নামাজ অশ্লীলতা ও মন্দকাজ থেকে বিরত রাখে।’ (সূরা আনকাবুত : ৪৫)

তাই শৈশব থেকে নামাজের প্রতি আদেশদানের জন্য হাদিসেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমর ইবনে শুয়াইব (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমরা তোমাদের সন্তানদের সালাতের জন্য নির্দেশ দাও, যখন তারা সাত বছরে উপনীত হয়। আর ১০ বছর হলে তাকে প্রয়োজনে প্রহার করো, আর তাদের মাঝে বিছানা পৃথক করে দাও।’ (আবু দাউদ : ৪৯৫)।

হাসপাতাল থেকে তাড়িয়ে দিলো , গাছতলায় সন্তান প্রসব !

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বের করে দেয়ার পর হাসপাতালের গাছের নিচে সন্তান প্রসব করেছেন রীনা বেগম (৩০) নামে এক প্রসূতি।ডেলিভারি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে এমন অজুহাতে তাকে ছাড়পত্র দিয়ে জোরপূর্বক হাসপাতাল থেকে বের করে দেয়া হয়।

শনিবার দুপুরে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় রোগীসহ স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ দেখা দেয়। তবে ঘটনার পর অভিযুক্ত নার্সকে তাৎক্ষণিক শোকজ করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।রোগীর পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার গভীর রাতে বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের বালাভিড় গোয়ালপাড়া এলাকার জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী রীনা বেগমের প্রসব ব্যথা ওঠে।

শনিবার সকাল ৮টায় তাকে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। প্রসূতি রীনার আগে একটি সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের কথা শুনে দুপুরের দিকে তাকে ছাড়পত্র দিয়ে পঞ্চগড় অথবা ঠাকুরগাঁও হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন হাসপাতালের নার্স সাবানা বেগম। এ সময় প্রসূতির স্বামী জাহিদুল ইসলাম টাকা ও গাড়ির ব্যবস্থা করছিলেন।
এদিকে, ছাড়পত্র দেয়ার পরও রোগী হাসপাতাল ত্যাগ না করায় রোগীসহ তার স্বজনদের হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন নার্স সাবানা বেগম।কিন্তু স্বামী ফিরে আসার অপেক্ষায় বসেছিলেন ওই প্রসূতি। একপর্যায়ে ওই নার্স হাসপাতাল থেকে তাকে বের করে দেন। সেখানে টিকতে না পেরে প্রসূতি তার ননদ রেজিনাকে নিয়ে হাসপাতালের সামনের একটি গাছের নিচে অপেক্ষা করছিলেন। কিছুক্ষণ পর সেখানেই একটি ফুটফুটে পুত্রসন্তান জন্ম দেন তিনি।

এর আগে দুই সন্তানের প্রথমটি সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হলেও দ্বিতীয় সন্তান নরমাল ডেলিভারিতে হয়েছিল। পরে হাসপাতলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী সোহাগি নবজাতক ও প্রসূতি মাকে হাসপাতালের ওয়ার্ডে নিয়ে যান।

এদিকে, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অমানবিক আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন স্থানীয়রা। মুহূর্তে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতালে ছুটে আসেন জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. আফরোজা বেগম রীনা ও বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসান প্রসূতিকে দেখতে যান। এ ঘটনায় প্রসূতির পরিবারসহ স্থানীয়রা দোষীদের বিচার দাবি করেছেন।

প্রসূতি রীনা বেগম বলেন, ছাড়পত্র দেয়ার পর আমি আমার স্বামীর জন্য অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু নার্স সাবানা আমাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেন। নিরুপায় হয়ে আমি আমার ননদ রেজিনা আক্তারকে নিয়ে হাসপাতালে বাইরের একটি গাছের নিচে আশ্রয় নেই। সেখানেই আমার সন্তান প্রসব হয়।

রীনার স্বামী জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা অমানবিক। আমরা চাই তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। যাতে আর কোনো প্রসূতি মাকে এমন পরিস্থিতির শিকার হতে না হয়।এ বিষয়ে নার্স সাবানা বেগম বলেন, রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছিল। এছাড়া প্রসূতিকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দেয়া হয়েছিল।

বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এসআইএম রাজিউল করিম রাজু বলেন, এ ঘটনায় মিডওয়াইফ নার্স সাবানা বেগমকে শোকজ করা হয়েছে। ঘটনার কারণ জানতে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জাহিদ হাসানকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে তাদের তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসান বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে আমি দ্রুত হাসপাতালে প্রসূতিকে দেখতে যাই। এ সময় তাকে আর্থিক সহায়তাও দেয়া হয়। বিষয়টি যথাযথ নিয়মে স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে।

বরিশালে প্রেমের টানে ছাত্রকে নিয়ে ম্যাডাম উধাও! এলাকায় তোলপাড় !

প্রতিনিয়ত দেশে- বিদেশে ঘটছে প্রেমের ঘটনা। প্রেম কোন বাধা মানে না কোন বয়স মানে না বৃদ্ধ যুবকের সঙ্গে প্রেম ।তরুন যুবতীর সাথে প্রেম আবার শিক্ষক ছাত্রীর সঙ্গে প্রেম ।

এমনকি শিক্ষীকা ছাত্রের সঙ্গে প্রেম এমনি একটি অবাক করার মত ঘটনা ঘটেছে বরিশালে । জানা গেছে

বরিশাল সদরের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম হরিণাফুলিয়া এলাকায় এইচএসসির ছাত্রকে নিয়ে শিক্ষিকার লাপাত্তা হওয়ার ঘটনায় এলাকা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই ২ জন প্রেমের টানে অজানা উদ্দেশে পাড়ি দেয়।সূত্র জানায়, ওই এলাকার শ্রমিক মজিবর হাওলাদারের মেয়ে ও মাস্টার্স শেষ বর্ষের ছাত্রী ঝুমুর আক্তার (২৪) এর কাছে প্রাইভেট পড়ত একই এলাকার দলিল লেখক পলাশ সরদারের এক মাত্র ছেলে ও বরিশাল সিটি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র পাভেল সরদার (১৭)।

পড়াশুনার সূত্র ধরে তাদের মাঝে তৈরি হয় অসম প্রেম। যার পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই দু’জন প্রেমের টানে অজানা উদ্দেশে পাড়ি দেয়।

এ বিষয়ে পাভেলের পিতা হারুন অর রশিদ পলাশ সরদার তার তরুণ ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। পলাশ সরদার বলেন, আমার ১৭ বছর বয়সী ছেলেকে তার চেয়ে ৭ বছরের বড় শিক্ষিকা ঝুমুর ফুসলিয়ে অজানা স্থানে আটকে রেখেছে।

এ ঘটনার ব্স্থাযাপারে স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ৩ বছর ধরে ঝুমুরের কাছে প্রাইভেট পড়ত পাভেল। প্রাইভেট পড়ার মধ্য দিয়েই তাদের মধ্যে গভীর ভালোবাসা ও প্রেমের জম্ম হয়। শিক্ষক-ছাত্রের এই প্রেমের কাহিনী নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে ইতোমধ্যে সৃষ্টি হয়েছে নানা কৌতুহলের।এ ঘটনায় শুক্রবার (২১ সেপ্টেম্বর) বরিশাল নগরী টক অফ দ্যা টাউনে পরিণত হয়।

এদিকে ছাত্র ও ম্যাডামকে উদ্ধারের জন্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান কোতয়ালী মডেল থানায় এক পুলিশ কর্মকর্তা।

রোগীকে মৃত ঘোষণাঃ ৭২ ঘণ্টা পর ‘জেগে উঠল’ সে!

নানান ধরণের অনা্কাংক্ষিতঘটনা প্রতিনিয়তই ঘটে চলেছে। তবে, কিছু কিছু ঘটনা আসলেই চোখে পড়ার মতই। আসলে আগুলো মিথ্যা মনে হলেও আমাদের মেনে নিতে হয়। তেমনি একটি ঘটনা ঘটেছে চীনে। সেখানে একটি হাস্পাতালে মৃত ঘোষণার ৭২ ঘণ্টা পর জেগে ফেরজেগে উঠেছে এক নারী!

জানা যায়, হাসপাতালের বিছানায় তিনদিন ধরে পড়ে ছিল নারীর নিথর দেহ। আশা ছেড়ে দিয়েছিলে ডাক্তাররাও। এরমধ্যে হঠাৎ করেই জেগে উঠলেন সেই নারী (২৬)। ঘটনাটি ঘটেছে চীনের পূর্ব ফুজিয়ান প্রদেশে। সেই নারী এক সন্তানের মা। তবে তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
জানা গেছে, বছরের প্রথম দিন আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। রাত ৮টা নাগাদ স্ত্রীকে পিঠে বয়ে জিয়ামেন ইউনিভার্সিটি অনুমোদিত একটি হাসপাতালে হাজির হন তার স্বামী।

তড়িঘড়ি শুরু হয় চিকিত্সা। কিন্তু শত চেষ্টার পরও ওই নারী হৃদস্পন্দন খুঁজে পাননি তারা। তড়িঘড়ি আইসিইউ-তে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানে ২০ মিনিট ধরে সিপিআর দেওয়া হয়। তাতেও লাভ হয়নি। যার পর এক্সট্রা কর্পোরিয়েল মেমব্রেন অক্সিজেনেশন (ইসিএমও) প্রযুক্তিতের সাপোর্ট দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে হৃদযন্ত্র কাজ না করলেও যন্ত্রের মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাস চালু রাখা যায়।
সেই অবস্থায় তিনদিন থাকলেও, পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। কোনোভাবেই সাড়া দেননি ওই নারী। চিকিত্সকরা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, মারা গিয়েছেন ওই নারী। হাসপাতালে পড়ে ছিল তার নিথর দেহ। কিন্তু অল্পবয়সে একজন এভাবে চলে যাবেন, তা মেনে নিতে পারেননি হাসপাতালেরই কয়েক জন চিকিত্সক। তাই চেষ্টা ছাড়েননি তারা। অবশেষে তাতেই কাজ দেয়।

৭২ ঘণ্টা পর হঠাৎ ওই নারীর হৃদযন্ত্র আংশিকভাবে কাজ করতে শুরু করে। তার পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হয়। কথা বলতে না পারলেও, চোখ খোলেন তিনি।
কোনওরকম কৃত্রিম সাহায্য ছাড়াই ৭ জানুয়ারি থেকে হৃদস্পন্দন কাজ করছে তার। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, এখন আর খাইয়ে দিতে হচ্ছে না তাঁকে। তবে শারীরিকভাবে এখনও দুর্বল ওই নারী। নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারছেন না। হাসপাতালে চিকিত্সকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি

ব্রেকিংঃ হঠাৎ সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন ড. কামাল হোসেন !

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন আগামী ২০ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর সফরে যাচ্ছেন !

গণফোরামের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, ড. কামাল হোসেন নিয়মিত চেকআপের জন্য মাঝেমধ্যে সিঙ্গাপুর যান। তবে গত ৩০ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে প্রায় দুই মাস তিনি শারীরিক চেকআপ করাতে যেতে পারেননি।

আগামী ২০ জানুয়ারি স্ত্রী হামিদা হোসেনসহ তিনি সিঙ্গাপুর যাবেন। শারীরিক চেকআপ শেষে ২৫ বা ২৬ জানুয়ারি ব্যাংকক হয়ে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

সিঙ্গাপুর থেকে ড. কামাল হোসেন লন্ডন যাবেন কিনা জানতে চাইলে ঐক্যফ্রন্টের গণমাধ্যম বিষয়ক সমন্বয়ক লতিফুল বারী হামিম বলেন, তিনি বিভিন্ন কাজে নানা দেশ সফর করেন। তবে লন্ডনে যাবেন কিনা- তা আমার জানা নেই। এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর স্ত্রী হামিদা হোসেন নিয়ে থাইল্যান্ড গিয়েছিলেন ড. কামাল।

তথ্য- সূত্র: যুগান্তর, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর। 

 

 

গাজীপুরে এক বস্তা চালের বিনিময়ে সন্তান দিয়ে দিলেন মা !

সারাদেশে প্রতিনিয়ত অবকা করার মত কিছু ঘটনা ঘটে যা কল্পনাকে হার মানায় । এমনি একটি ঘটনা ঘটেছে গাজীপুরে জানা গেছে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মোমেন মিয়া। সহায় সম্বল বলতে আছে শুধু একটি ঝুপড়ি ঘর।

গত বছরই দরিদ্র মোমেন মিয়ার পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচজনে দাঁড়ায়।দারিদ্র্যের কাছে হেরে সংসারের ভার নিতে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামেন মোমেন মিয়া। তবে ভিক্ষাবৃত্তির টাকায় আর সংসার চলছিল না। অবশেষে হতাশ হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। এরই মধ্যে আবার অন্তঃসত্ত্বা হন তার স্ত্রী।

একদিকে মোমেন মিয়া অসুস্থ অন্যদিকে স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। এসবের সঙ্গে যোগ হয় সংসারের অভাব। গত কয়েক মাসে প্রায় অর্ধলাখ টাকার ঋণের বোঝা মাথায় পড়ে মোমেন মিয়ার।এসবের মধ্যে মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় একটি হাসপাতালে মোমেন মিয়ার স্ত্রী ষষ্ঠবারের মতো একটি ছেলে সন্তান প্রসব করেন। কিন্তু এই সন্তানের ভরণপোষণের কোনো ব্যবস্থা করতে পারেননি তিনি।

কোনো উপায় না পেয়ে একদিন বয়সী নবজাতককে তুলে দেন স্থানীয় এক নিঃসন্তান দম্পতির হাতে। বিনিময়ে পান চার হাজার টাকা ও এক বস্তা চাল।

বৃহস্পতিবার সকালে কথা হয় মোমেন মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ছোট একটি ঝুপড়ি ঘরে সাতজনের বসবাস। আসলে আমরা সমাজে খুবই অবহেলিত। একদিন ভিক্ষা না করলে চুলায় আগুন জ্বলে না। অবস্থা এতটাই খারাপ যে, ভিক্ষা করে পাঁচ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেয়া কষ্টসাধ্য। একবেলা খেলে অন্যবেলায় না খেয়ে থাকি। আমি অচল মানুষ কিছু করতে পারি না।

মোমেন মিয়ার ভাষ্য, এসবের মধ্যে ঘরে আসে ষষ্ঠ সন্তান। যেখানে আগের সন্তানদের মুখে খাবার দিতে পারি না সেখানে নতুন সন্তানের কি হবে ভেবে বুকে পাথর চাপা দিয়ে অন্যের হাতে তুলে দিয়েছি; অন্তত সেখানে এই সন্তান বাঁচতে পারবে, একটু ভালো থাকতে পারবে- এই আশায়।

এদিকে, একদিন বয়সী নবজাতককে নিঃসন্তান দম্পতির হাতে তুলে দেয়ার পর থেকে কাঁদছেন মোমেন মিয়ার স্ত্রী। কারও সঙ্গে কোনো কথা না বলে শুধুই কাঁদছেন তিনি।

আশুলিয়ায় ট্রাফিক পুলিশের স্ত্রীর লাশ সহ ৪ লাশ উদ্ধার !

ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ায় আজ সকালে চারটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে একজন ট্রাফিক পুলিশের স্ত্রীর লাশও রয়েছে। বাকি তিনটি লাশ অজ্ঞাত যুবকের।

সকালে আশুলিয়া থানা এলাকার খেজুরবাগান, শ্রীপুর, কবিরপুর ও নবীনগর থেকে এসব লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, আশুলিয়ার শ্রীপুর এলাকার ভাড়া বাড়ির একটি কক্ষ থেকে সাভারে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশ আইয়ুব আলীর স্ত্রী রেশমা খানমের (২৬) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

‘অন্যদিকে কবিরপুর, খেজুরবাগান ও নবীনগর থেকে তিন যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ওই তিন যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাঁদের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।’

ওসি আরো জানান, লাশগুলো ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সূত্র : এন টিভি

২ শিশু হত্যায় বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য! মূল আসামিসহ গ্রেফতার ২ !

আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত নানান ধরণের ঘটনা অহরহ ঘটছে। তবে কিছু কিছু ঘটনা কল্পনাকেও হার মানায়। শিরোনামটি শুনে হয়তবা অনেকে অবাক হয়েছেন!

দুই শিশুর লাশের ওপর শুয়ে উচ্চ শব্দে টিভি দেখাও আমাদের দেশে হয়! হুম আসলেই এমন ঘটনা ঘটছে রাজধানীর ডেমরা কোনাপাড়া এলাকায়। সেখানে, শাহজালাল রোডের ‘নাসিমা ভিলা’র নিচতলার ৪ মাস আগে সাবলেট ভাড়াটিয়ার খাটের নিচে গুম করে রাখা হয়েছে দুই শিশুর লাশ!

ভাড়াটিয়ার নাম গোলাম মোস্তফা। জানা গেছে, গত সোমবার দুপুর থেকেই উচ্চ শব্দে টেলিভিশন দেখছিলেন এই পাষণ্ড। দুই শিশুকে হত্যার ঘটনায় মূল আসামিসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আসামিদের ডেমরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মূল আসামি গোলাম মোস্তফা ও আজিজুল বাওয়ানি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ওয়ারী বিভাগের ডিসি ফরিদ উদ্দিন জানান, আসামিদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে জেনেছি ধর্ষণের উদ্দেশ্যে শিশুদের লিপস্টিক দিয়ে সাজানোর কথা বলে ঘরে নিয়ে যায় আসামিরা। তারা রুমের মধ্যে ইয়াবা সেবন করে এবং ধর্ষণের পরিবেশ তৈরি করে। শিশুদের চিৎকার যাতে বাইর থেকে শোনা না যায় সেজন্য জোরে গান ছেড় দেয় তারা। পরে ধর্ষণের চেষ্টা করলে শিশুরা চিৎকার শুরু করে। একপর্যায় আসামিরা শিশুদের গলা টিপে হত্যা করে।

ডিসি আরো জানান, মোস্তফার স্ত্রী বাহির থেকে বাসায় ফেরার পর শিশুদের জুতা দেখে সন্দেহ করেন। আর স্বামী মোস্তফাকে অস্বাভাবিক দেখে স্ত্রী প্রতিবেশিদের সাথে আলাপ করে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, আসামিদের আজই আদালতে পাঠানো হবে। তারা সেখানে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেবেন। আইন অনুযায়ী ঘটনা প্রমাণে আরো যা যা লাগে আমরা সেটা করবো। এছাড়া এ ঘটনায় মোস্তফার স্ত্রী আঁখি খানম ও তার ছেলে জিহাদকে আটক করা হয়।

নরসিংদীতে পরকীয়ার করুন পরিণতি ..অতঃপর,গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা ! স্বামী ও ‘প্রেমিক’ আটক

স্থানীয় সূত্র জানায়, এরশাদুল ইসলাম ডাঙ্গার চরকা টেক্সটাইলে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। প্রায় ছয় মাস ধরে ওই দম্পতির মধ্যে অশান্তি দেখা দেয়। স্ত্রী শাহানাজ আক্তারের বিরুদ্ধে একই গ্রামের ফরহাদ মিয়ার সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগ তোলেন স্বামী এরশাদ।

এ নিয়ে প্রায় সময়ই সংসারে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। সোমবার দুপুরে শাহানাজ আক্তারকে মোবাইলে কথা বলতে দেখে এরশাদ উত্তেজিত হয়ে যায়। ওই সময় ছুরি দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে স্ত্রী শাহানাজকে গুরুতর জখম করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় শাহানাজ আক্তার (২৪) নামের এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের ইসলামপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাহানাজ আক্তার একই গ্রামের এরশাদুল ইসলামের স্ত্রী।

এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর স্বামী ও কথিত প্রেমিককে আটক করেছে পুলিশ।পুলিশ বলছে, পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। নিহত গৃহবধূর স্বামী এরশাদুল ইসলাম ও প্রেমিক ফরহাদ মিয়াকে আটক করা হয়েছে। এ নিয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’