বিমানে মধ্য আকাশে জন্ম নিলো শিশু, আজীবন আকাশ ভ্রমণ ফ্রি !

মাঝ আকাশে জন্ম নিয়ে কপাল খুলল শিশুর! সৌদি আরব থেকে ভারত যাওয়ার পথে শিশুটির জন্ম হয় মাঝ আকাশে। আর এতে খুশি হয়ে ওই বিমান কর্তৃপক্ষ শিশুটির জন্য আজীবন বিনামূল্যে আকাশ ভ্রমণের ঘোষণা দিয়েছে। জানা যায়,

শিশু জন্মের সময় বিমানটি মাটি থেকে ৩৫ হাজার ফুট উঁচুতে ছিল।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ আছে। সফলভাবে একটি ছেলের শিশুকে পৃথিবীতে আনতে প্রসবকাজে সহায়তার জন্য বিমানের ওই যাত্রী ও কেবিন ক্রুকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছে জেট এয়ারওয়েজ।

এর আগে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ৪২ হাজার ফুট উঁচুতে এক শিশুর জন্ম হয়েছিল।প্রসঙ্গত, বেশিরভাগ এয়ারলাইন্সের নিয়ম অনুযায়ী, গর্ভবতী নারীদের গর্ভধারণের ৩৬ সপ্তাহ হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের বিমানে চড়তে কোনো বাধা নেই। তবে এক্ষেত্রে গর্ভবতী নারীদের ডাক্তারের স্বাক্ষরসহ একটি চিঠি দেখাতে হয় যে তাদের গর্ভধারণের কত সপ্তাহ পার হয়েছে।

বাড্ডায় তাসলিমা বেগম রেনুকে হ’ত্যার স’ম্পূর্ণ বর্ণনা দিলো দুই ঘা’তক হৃদয় ও রিয়া !

রাজধানীর বাড্ডায় তাসলিমা বেগম রেনু হ’ত্যা’কা’ণ্ডে ‘ছেলেধারা’ প্রচারণাকারী মোছা. রিয়া বেগম ওরফে ময়’না আদালতে তার দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এদিন হ’ত্যা মাম’লার প্রধান অভি’যুক্ত হৃদয় ওরফে ইব্রাহিমও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
জানা গেছে, স্কুলে ভর্তির কথা বলার সময় বাসার ঠিকানা জিজ্ঞেস করায় ‘সন্দেহ’ করে রেনুকে ছেলেধরা বলে চিৎকার করেন রিয়া। পরে অন্যান্যদের সঙ্গে মিলে তাকে নি’র্ম’মভাবে পে’টায় হৃদয়।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মাদ মিল্লাত হোসেন তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে তাদের কা’রাগারে পাঠানো হয়।এর আগে রেনুকে প্রথম ছেলেধ’রা আখ্যা দেওয়া নারী মোছা. রিয়া বেগম ওরফে ময়নাকে (২৭) গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় সাঁতারকুল এলাকায় অভি’যান চালিয়ে গ্রে’প্তা’র করে বাড্ডা থানা পুলিশ।বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রে’প্তার রিয়া বেগমকে ৭ দিনের রি’মান্ড চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে বাড্ডা পুলিশ।

গত ২৪ জুলাই আদালত হৃদয় ওরফে ইব্রাহিমের ৫ দিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তিনি রি’মান্ডে থাকাবস্থায় দোষ স্বীকার করতে রাজী হওয়ায় এবং রিয়া খাতুন গ্রে’প্তারে পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দোষ স্বীকার করতে রাজী হওয়ায় মামলার তদ’ন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার ইন্সপেক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করানোর জন্য আদালতে হাজির করেন।

এ মামলায় জাফর হোসেন নামে আরেক অ’ভিযুক্ত এর আগে গত ২২ জুলাই দোষস্বীকার করে কা’রাগারে রয়েছেন।এ ছাড়া মামলাটিতে মুরাদ মিয়া (২২), মো. সোহেল রানা (৩০), মো. বিল্লাল (২৮), মো. আসাদুল ইসলাম (২২), মো. রাজু (২৩), মো. শাহীন, মো. বাচ্চু মিয়া, মো. বাপ্পি, মো. কামাল হোসেন ও আবুল কালাম আজাদ রি*মান্ডে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই রাজধানীর বাড্ডার কাঁচাবাজারের সামনে বাড্ডা প্রাইমারি স্কুলে সন্তান ভর্তি খোঁজখবর নিতে গিয়ে উচ্চশিক্ষিতা তাসলিমা বেগম রেনু ছেলে’ধ’রা সন্দেহে গণপি’টুনিতে নি’হত হন।

সেদিন ছোট মেয়ে তুবাকে স্কুলে ভর্তির জন্য বাড্ডা গিয়েছিলেন রেনু। সেখানে তিনি রিয়া বেগমকে স্কুলের ব্যাপারে বিভিন্ন কথা জিজ্ঞাসা করেন। এক পর্যায়ে ওই অভিভাবকের বাসার ঠিকানা জিজ্ঞাসা করেন তিনি। এ সময় তার কথায় সন্দেহ করে ‘ছেলেধ’রা’ ‘ছেলেধ’রা’ বলে চিৎকার শুরু করেন রিয়া।

এ ঘটনায় তিন নারীকে আটক করে স্থানীয়রা। কিন্তু দুজন পালিয়ে গেলেও গণপি’টুনির শি’কার হন তাসলিমা বেগম রেনু। তাকে নি’র্ম’মভাবে পি’টিয়ে জ’খম করে। গুরুতর আ’হত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ’ত ঘো’ষণা করেন।

ভারতীয়রা কুয়েত যান এক লাখে, বাংলাদেশিদের লাগে ৮ লাখ

যে ভিসায় ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা মাত্র ১ লাখ টাকায় কুয়েত যান। সেই ভিসায় বাংলাদেশিরা দেশটিতে যান ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ করে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভিসার ধরণ না বুঝে দালালদের খপ্পরে পড়ে বাংলাদেশিরা এ টাকা গুণেন। আর বাংলাদেশ ছাড়া অন্য দেশগুলো তাদের এজেন্সির মাধ্যমে কুয়েতে যান। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ ব্যবস্থা নেই। এ ছাড়া ভিসা সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় কুয়েতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন বাংলাদেশিরা

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগ পাওয়ার কারণে বাংলাদেশিদের জন্য সব ধরনের ভিসা বন্ধ করে দিয়েছে দেশটির সরকার। ফলে সরকারিভাবে কুয়েতে বাংলাদেশিদের ভিসা বন্ধ রয়েছে। তবুও গত ৪ থেকে ৫ বছরে লামানার (বিশেষ অনুমতি) মাধ্যমে কুয়েতে প্রায় অর্ধলক্ষাধিকেরও বেশি বাংলাদেশি বিভিন্ন ভিসায় কুয়েতে গিয়েছেন।

শুধু বর্তমানে কুয়েতে সরকারিভাবে আকদ হুকুমা নামে (১৮ নম্বর ) ভিসা চালু রয়েছে। এই ভিসা কুয়েত সরকার কর্তৃক বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। এ ভিসায় কাজ হলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার। বেতন কুয়েতি ৬০ দিনার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৭ হাজার)। এ ভিসায় গেলে মসজিদ, মাদরাসা ও কুয়েতের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ হয়ে থাকে। যাওয়ার দুই বছর পর যে কোম্পানির মাধ্যমে যাওয়া হয় সেই কোম্পানির লোকদের টাকা দিয়ে অন্য সাইটে যাওয়া যায়। অথবা এ ধরনের ভিসায় একই ধরনের অন্য কোম্পানিতে যাওয়া যায়। বেতন-সুযোগ সুবিধা একই।

ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপালি নাগরিকরা শুধু ১ লাখ টাকা খরচ করে ২ বছর মেয়াদি এ ভিসায় কুয়েতে যাচ্ছেন। আর কোম্পানির কিছু কর্মকর্তা ও ভিসার দালালরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাংলাদেশিদের কাছে এই ভিসা নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধার কথা বলে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকায় বিক্রি করছে।

জানা গেছে, দালালরা বাংলাদেশিদের পার্টটাইম জবের কথা বলে বেতনের ছেয়ে ভালো আয় করার সুযোগ ও সময় থাকে, এমন লোভ দেখায়। এই ভিসায় আসার পর কেউ যদি অন্য কোথাও পার্টটাইম করতে গিয়ে ধরা পড়ে, তাকে দেশে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ভুক্তভোগীরা জানান, বাংলাদেশি শ্রমিকদের কাছে ১৮ নম্বর শোন ভিসার কথাও বলে দালালরা প্রতিটি ভিসা বিক্রি করছে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকায়। আবার এসব ভিসাকে ফ্রি ভিসা বলেও ৭ থেকে ৮ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে। যদিও ফ্রি ভিসা বলে কোনো ভিসা নেই।

কুয়েতের লয় ফার্মের কেইস ম্যানেজার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে কুয়েতে সরকারিভাবে আকদ হুকুমা চালু আছে, যা কুয়েত সরকার বিভিন্ন কোম্পানিকে দিয়েছে। ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কার নাগরিকরা তাদের দেশের এজেন্সির মাধ্যমে এ ভিসায় ১ লাখ টাকা খরচ করে কুয়েতে আসছেন। বাংলাদেশিরা ৭ থেকে ৮ লাখ টাকায় আসছেন। একই কাজে, একই বেতন, একই সুযোগ-সুবিধা। কিন্তু বাংলাদেশিরা লালালদের খপ্পরে পড়ে বেশি টাকা দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমাদের সরকার চেষ্টা করলে এজেন্সরি মাধ্যমে কুয়েত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষকর্মী পাঠাতে পারে, কম খরচে।

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, উচ্চমূল্যে দালালদের কথায় ১৮ নম্বর ভিসার ধরণ সম্পর্কে ধারণা না থাকার কারণে দেশ থেকে গত কয়েক বছরে আসা নতুন শ্রমিকরা নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। যেকোনো দেশে যাওয়ার আগে ভিসার সর্ম্পকে ওই দেশে থাকা পরিচিত কেউ অথবা অবিজ্ঞ লোকদের কাছ থেকে জেনে নিলে এমন সমস্যা সম্মুখীন পড়তে হতো না।

কুয়েতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা ফ্যামেলি ভিসা (২২ নম্বর)। এই ভিসায় গিয়ে কোথাও কাজের জন্য আবেদন বা কাজ করা যায় না। টুরিস্ট ভিসা (১৪ নম্বর)। এই ভিসায় কাজ করার অনুমোতি নেই। মাছনা ভিসা (১৮ নম্বর), মাছুরা সাগিড়া (১৮ নম্বর) হলো ছোট কোম্পানিতে কাজ করার ভিসা। বড় কোম্পানি বা অন্য কোনো ধরনের কোম্পানিতে এ ভিসায় কাজ করা যায় না।

খাদেম ভিসা (২০ নম্বর) রিলিজ দিলে এক কুয়েতির ঘর থেকে অন্য কুয়েতির ঘরে ভিসা লাগাতে হয়। অন্য কোথায়ও ভিসা পরিবর্তন করা যায় না। মাজরা রায় শোন (১৮ নম্বর) ভিসা। এ ভিসায় খামার অথবা বাগানের নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে কাজ করা যায় না। এটি অবৈধ ভিসা। এ ভিসায় গিয়ে চেকে পড়লে যেকোনো সময় গ্রেফতার করতে পারে স্থানীয় প্রশাসন। আহলি (১৮ নম্বর) শোন ভিসা। এ ভিসায় গেলে কোম্পানির চুক্তির নির্দিষ্ট সয়ম শেষ হওয়ার পর অন্য যেকোনো কেম্পানিতে ভিসার লাগানো যায়।

বুকের দুধ বিক্রি করেই লাখপতি নারী

দুই সন্তানের মা তিনি। বয়স ২৪ বছর৷ ব্যবসার কারণেই লাখপতি হয়েছেন তিনি। তবে সাধারন ব্যবসা নয় নিজের বুকের দুধ বিক্রি করেন এই নারী৷ সাইপ্রাসের এই নারীর নাম রাফেলিয়া ল্যামপ্রোউ ৷ যখন তার ছেলে আঞ্জেলিও জন্ম হয়, তখন তিনি দেখেন ছেলেকে দুধ খাওয়ানোর পরেও অনেকটা দুধ বেঁচে যাচ্ছে৷ তখনই নিজের বুকের দুধ দান করার কথা ভাবেন রাফেলিয়া৷

প্রথমে কিছু বাচ্চাদের, যারা মাতৃদুগ্ধ পায়না তাদের মধ্যে নিজের বুকের দুধ বিক্রি করেন৷ তারপর এই কাজটি ব্যবসায় রূপান্তরিত হয়৷

রাফেলিয়া জানায়, প্রতিদিন ২ লিটারেরও বেশি দুধ তৈরি হত তার৷ এত দুধ নিয়ে কী করবেন তিনি ভেবে পাচ্ছিলেননা৷ শেষ পর্যন্ত এক দম্পতিকে তিনি সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন৷ সদ্যোজাতের জন্য ওই মায়ের কাছে মাতৃদুগ্ঘের যোগান ছিল খুবই কম৷

এই সময়ই বেশকিছু বডি বিল্ডার তার কাছে বুকের দুধ কেনার ইচ্ছা প্রকাশ করেন৷ শরীরের গ্রোথের জন্য যেহেতু এই দুধ খুবই উপকারি, সে কারণেই বডি বিল্ডারদের কাছে দিনে দিনে মাতৃদুগ্ধের চাহিদা বাড়তে থাকে৷ এরপর থেকেই রাফেলিয়া বাণিজ্যিকভাবে বুকের দুধ বেঁচতে শুরু করেন৷

ধীরে ধীরে এটাই তার পেশায় পরিণত হয়েছে। প্রতি আউন্স দুধের জন্য ১ ইউরো নিতে শুরু করেন তিনি৷

রাফেলিয়ার স্বামী অ্যালেক্সও তার এই কাজে কখনো বাঁধা দেননি বরং বরাবর তিনি সাপোর্ট করেছেন৷ এখন নিজের একটি ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইট চালান রাফালিয়া৷ সেখানে পরিষ্কার লেখা রয়েছে যে, তিনি মদ খাননা, ধূমপানও করেননা৷ এখন অনলাইনেই নতুন মা বা বডি বিল্ডাররা মাতৃদুগ্ধের জন্য তার কাছে আবেদন করেন৷

ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা ‘প্যাট্রিয়ট’ কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় তুরস্ক

ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্রয়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। তুর্কি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছে।

রাশিয়া থেকে বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র এস-৪০০ ক্রয়ের কারণে তুরস্কের ওপর ক্ষিপ্ত যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই দেশটি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ব্যবস্থা ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্রয়ে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।

২৫ জুলাই এক ব্রিফিংয়ে তুর্কি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তারা বলেন, আমাদের বিমান ধ্বংসী দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের জন্য আলোচনা চালানো হচ্ছে।

প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করায় বরাবরই ওয়াশিংটনের সমালোচনায় মুখর তুরস্ক। দেশটির দাবি, ওয়াশিংটন তাদের কাছে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি না করায় একই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ক্রয় করতে তাদের রাশিয়ার দ্বারস্থ হতে হতে হয়।

কেনিয়ায় গীর্জার পাদ্রী ৬৫ জন অনুসারী নিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন!

কেনিয়ায় এক গির্জার পাদ্রী ৬৫ জন অনুসারী নিয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছে।

পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার ‘গডস কল’ নামক গির্জার সাবেক পাদ্রী ‘চার্লস ওকাওয়ানি’। সম্প্রতি তিনি ‘ওহিয়ে ইলাহি’ নামক গির্জায় প্রার্থনারত ৬৫ জন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীসহ নিজে পবিত্র ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

‘ওহিয়ে ইলাহি’ নামক গির্জার স্থানে বর্তমানে নির্মাণ করেছেন একটি মসজিদ। জানা যায় ইসলাম গ্রহণের পূর্বে ওই স্থানে এক সঙ্গে প্রার্থনা করতেন তারা।

আর তাই ইসলাম গ্রহণের পরও যেন একই স্থানে ইবাদত-বন্দেগি করতে পারেন তাই নির্মাণ করেছেন মসজিদ।

একসাথে কোরআনের হাফেজ চার জমজ বোন

একসাথে চার বোন কোরআনের হাফেজ হয়েছে ফিলিস্তিনে। এই চার বোনের বয়সই তো ১৮ বছর। তারা চারজনই জমজ।

মজার ব্যাপার হল, একসঙ্গে যেমন তাদের জন্ম, তেমনি একসঙ্গেই তারা বেড়ে উঠছে। একই শ্রেণিতে পড়ছে। এমনকি মাধ্যমিক স্কুল পরীক্ষায় চার বোনের স্কোরও সমান। একই সাথে তারা চারজনও একই সাথে কোরআনের হাফেজ হয়েছে।

কোরআন
এই চার বোনের নাম দিমা, দিনা, সুজানা, রাজানা। তাদের জন্ম জেরুজালেম নগরীর উম্মে তুবা গ্রামে। একটি দরিদ্র পরিবারে তাদের জন্ম। তবে দরিদ্র পরিবারে জন্ম হলেও মেয়েদের শিক্ষায় কোন অভাব রাখেনি বাবা মা। একই সাথে ধর্মীয় শিক্ষাতেও পিছিয়ে থাকুক সেটাও চাননি তারা।

কসঙ্গে শুরু করে একই সঙ্গে কোরআনের হিফজ সমাপ্ত করে তারা। মানিকজোড়ের মতো একই সঙ্গে থাকে তারা। তাদের ব্যাপারে বলা হয়, যেন এমন উজ্জ্বল একটি হার, যার পুঁতি ও পাথরগুলো পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ। তবে পৃথক হলে স্বতন্ত্র চারটি হার হয়ে উঠবে।

স্ত্রী মিন্নি নয়, তবে রিফাত হ’ত্যার নেপথ্যে কি চেয়ারম্যানের স্ত্রী?

বরগুনার আলোচিত রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ড নিয়ে একের পর এক বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। শুরুতে নিহ’ত রিফাতের স্ত্রী মিন্নি এই হ’ত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী থাকলেও পরবর্তীতে তিনিই হয়ে যান আসামি।

পরকীয়াই এই হ’ত্যাকাণ্ডের মূল কারণ বলে জানিয়েছিল পুলিশ। তবে এবার বেরিয়ে এসেছে আরেক তথ্য। স্থানীয় কয়েকটি সূত্র বলছে, রিফাত হ’ত্যার নেপথ্যে থাকতে পারেন বরগুনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের স্ত্রী সামসুন্নাহার খুকি। তিনি রিফাত হ’ত্যার অন্যতম দুই আসামি রিফাত ফরাজি ও রিশান ফরাজির খালা।

গত ২৬ জুন সকালে বরগুনার কলেজ রোডে প্রকাশ্যে স্ত্রী মিন্নির সামনে রিফাত শরীফকে যারা কুপিয়ে হ’ত্যা করেন তাদের অগ্রভাগে ছিলেন রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজী। ওইদিনের ঘটনার প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ছোট ভাই রিশান পেছন দিক থেকে রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে ছিলেন। আর বড় ভাই রিফাত ফরাজি দা দিয়ে কোপাচ্ছিলেন। বড় ভাইয়ের সেই দায়ের আঘাতে রিশানের হাতও অনেকটা কেটে গিয়েছিল।

রিফাত হ’ত্যার প্রধান আসামি ছিলেন নয়ন। নয়ন-রিফাত দ্বন্দ্বের কারণ হিসেবে রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সঙ্গে নয়নের পরকীয়াকে দায়ী করা হচ্ছিলো। ভাবা হচ্ছিলো, মিন্নির কারণেই রিফাতের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন নয়ন। কিন্তু রিফাতকে কোপানোর সময় ফরাজি ভাইরাই কেন সবচেয়ে বেশি নৃশংস হয়ে উঠেছিলেন সেই প্রশ্ন উঠছেই। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ঘটনার পেছনে জড়িয়ে আছে আরেক কাহিনী।

রিফাত ফরাজি ও রিশান ফরাজির বাসা শহরের ধানসিড়ি রোডে হলেও তারা থাকতেন শেখ রাসেল স্কয়ার লাগোয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বাসায়। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী শামসুন্নাহার খুকী তাদের খালা হন।

খুকীর একমাত্র প্রতিবন্ধী ছেলে কয়েক বছর আগে পানিতে ডুবে মারা যায়। তখন থেকেই দুই ভাই রিফাত ও রিশান তাদের খালা চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে মা বলে ডেকে আসছিলেন। তারা দুই ভাই ওই বাসায়ই থাকতেন। এমনকি চেয়ারম্যানের স্ত্রী তার ভাগ্নেদের সব অপকর্মেই প্রশ্রয় দিতেন বলেও জানা যায়।

রিফাতের বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। তিনি একাধিকবার গ্রেফতারও হয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই তার খালা চেয়ারম্যানের স্ত্রী খুকি প্রভাব খাটিয়ে তাকে জামিনে ছাড়িয়ে আনেন। দেলোয়ার হোসেনের বাসার সামনেই রয়েছে তার মালিকানাধীন দোকান। সেটি ভাড়া নিয়ে এক ব্যবসায়ী খাবারের হোটেল ‘মাটিয়াল ক্যাফে অ্যান্ড মিনি চায়নিজ’ করেছেন। রিফাতকে কুপিয়ে হ’ত্যার ঘটনার আগে গত ৫ মে মিন্নি তার স্বামীকে নিয়ে ওই ক্যাফেতে গিয়েছিলেন। রিফাত শরীফ তার মোটরসাইকেল চেয়ারম্যানের বাসার একেবারে সামনে সড়কের পাশে রাখার চেষ্টা করেন।

তখন সামসুন্নাহার খুকি বাধা দেন। এ নিয়ে খুকির সঙ্গে রিফাতের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। রিফাত তার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেন। তখন রিফাতকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন খুকি। ধারণা করা হচ্ছে, এর জের ধরেই রিফাত শরীফের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হ’ত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন রিফাত-রিশান।

মিন্নি
মিন্নি তার সংবাদ সম্মেলনেও এ বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বরগুনা সরকারি কলেজ ফটকের সামনে তার স্বামীকে রিশান ফরাজি প্রথম পথ রোধ করেছিলেন। রিশান তখন দাবি করেছিলেন, রিফাত শরীফ তার মাকে (খুকি) অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছেন।

কেন করেছেন সেটা জানতে চান রিশান। ঠিক একই সময় রিফাত ফরাজী বলেন, ‘তুই (রিফাত) আমার চোখের দিকে তাকাইয়া ক, মাকে কেন তুই গালি দিয়েছো।’ তখন রিফাত-রিশানের সঙ্গে থাকা অন্য আসামিরা রিফাতের কাছে অ’স্ত্র আছে বলে চিৎকার করে এবং ধর ধর বলে তাকে কিলঘুষি মারতে শুরু করে।

রিফাত হ’ত্যার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, তাকে বরগুনা সরকারি কলেজের ফটক থেকে ধরে আনার আগে থেকেই রিফাত ফরাজি কলেজ ফটকে অবস্থান করছিলেন এবং তার সহযোগীদের নানা নির্দেশনা দিচ্ছিলেন।

পুরো বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি হ’ত্যার সঙ্গে নিজের এবং শামসুন্নাহার খুকির জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন। রিফাতের সঙ্গে তার স্ত্রীর কোনো কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল, কালের কণ্ঠ

থানার মধ্য হিন্দি গানের সঙ্গে উদ্দাম নৃত্য, চাকরি হারালেন নারী পুলিশ !

থানার ভেতরে হিন্দি গানের তালে নাচের ভিডিও ধারণের পর সেটি ভাইরাল হয়ে যাওয়ায় চাকরি হারালেন এক নারী পুলিশ সদস্য। ওই পুলিশ সদস্যের নাম অর্পিতা চৌধুরী।ভারতের গুজরাট প্রদেশের মেহসানা জেলার ল্যাংনাজ পুলিশ স্টেশনে এ ঘটনা ঘটেছে। ২০১৬ সালে পুলিশ লোক রক্ষক দলে নিয়োগ পান অর্পিতা। ২০১৮ সালে তাকে মেহসানা জেলায় স্থানান্তর করা হয়।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেহসানার ল্যাংনাজ থানার ভেতরে অর্পিতা চৈৗধুরী নামের এক নারী পুলিশ সদস্য ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটকে একটি হিন্দি গান বাজিয়ে নাচেন। থানার লক আপের সামনে নাচের ভিডিও করছেন অর্পিতা।মেহসানা জেলা পুলিশের ডেপুটি সুপার মানজিথা ভানজরা বলেন, ‘অর্পিতা চৌধুরী আইন লঙ্ঘন করেছেন। তিনি ডিউটিতে থাকাকালীন ইউনিফর্ম পরেননি।

দ্বিতীয়ত, ল্যাংনাজ পুলিশ স্টেশনের ভেতরে তিনি একটি ভিডিও শুটিং করেছেন। পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ম মেনে চলা উচিত; যা তিনি করেননি। এজন্য তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।’পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, গত ২০ জুলাই এই ভিডিও ধারণ করেছিলেন অর্পিতা চৌধুরী। পরে তিনি এটি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছড়িয়ে দেন। এর ভিডিওটি অনলাইনে ভাইরাল হয়ে যায়।

বাংলাদেশেই মিলল ক্যান্সার প্রতিরোধক ফল

বাংলাদেশে ক্যান্সার রোগীদের জন্য সুসংবাদ। নীলফামারীর ডিমলায় খগাখড়িবাড়ী ইউপির বন্দর খড়িবাড়ী গ্রামে এবার ফলেছে ক্যান্সার প্রতিষেধক ফল করোসল। করোসল অনেক ক্ষেত্রেই ক্যামো থ্যারাপির কাজ করে থাকে।

অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আলমাস রাইসুল গনির বাড়িতে দুই একর জমিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহ করা মানবদেহের উপকারি শতাধিক ঔষধি ফলজ গাছ লাগিয়েছেন।

করোসল গাছটি ২০১১ সালে পশ্চিম আফ্রিকার আইভরিকোস্ট থেকে সংগ্রহ করা হয়। করোসল ওয়েব সাইটে ক্যান্সারের প্রতিষেধক হিসেবে এ ফলের পক্ষে বিশেষজ্ঞদের বহুবিদ মতামত পাওয়া যায়।

অনেক দেশেই এ ফলটি ক্যান্সার প্রতিরোধক ফল হিসেবে পরিচিত। পাঁচ বছর বয়সী ছয়টি গাছের মধ্যে একটি গাছে একটি ফল ফলেছে যার আনুমানিক ওজন ২৫০ গ্রাম।

বাগানটিতে আবু কদু, কোরঞ্জা, কদবেল, আবুথাম, সানফল, অ্যাগফ্রুট, মেংগ্যাসটিন, চেরি, শফেদা, শরিফা, আলু বোখরা, কদবেল, ফসলা, কমলাসহ দুই শতাধিক ফলের গাছ রয়েছে।

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে করোসল চাষ করলে ক্যান্সার রোগীদের ক্যামো থ্যারাপির জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হবে না। বর্তমানে ওই বাগানের ২৫০ গ্রাম ওজনের করোসল ফলটির মূল্য ৪৫ হাজার বলে জানা যায়।

দেশে ক্যান্সার রোগীদের জন্য আরো সুখবর হচ্ছে, বালু মাটিতে করোসলের ফলন হচ্ছে।

আলমাস রাইসুল গনি বলেন, সেনাবাহিনীতে চাকরির কারণে বিভিন্ন দেশে দায়িত্ব পালনের সুযোগ হয়েছিল।

যে দেশেই যেতাম সেখানেই খুঁজে নিতাম মানবদেহের জন্য উপকারী বৃক্ষ এবং তা সংগ্রহ করে বৃক্ষের এ বাগান তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। মানবদেহের উপকারি ঔষধি গাছের বাগানটি বাণিজ্যিক পরিকল্পনায় লাগানো হয়নি।

নীলফামারীর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আফতাব হোসেন বলেন, ক্যান্সার রোগ নিরাময়ে ক্যামোথ্যারাপির জন্য লাখ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়।

দেশের উত্তরাঞ্চলের বেলে-দোঁআশ মাটিতে বাণিজ্যিকভাবে করোসল চাষে ভালো ফল আসবে।