পাবনায় ৩য় শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে ধ’র্ষণ অতঃপর ধ’র্ষককে ছেড়ে দিলেন চেয়ারম্যান !

পাবনার সুজানগর উপজেলার ভায়না ইউনিয়নে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রী ধর্ষ’ণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় শিশুটির বাবা সুজানগর থানায় মামলা করেছেন।ভিকটিমের পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত শুক্রবার দুপুরে বাড়ির পাশে বড়ই বাগানে প্রতিবেশী জয়দেব কুমার দাস (৪০) ওই শিশুটিকে একা পেয়ে ধ’র্ষণ করে। এরপর ধর্ষণের কথা কাউকে না বলার জন্য ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

পরে মেয়েটির যৌ’নাঙ্গ থেকে প্রচুর র’ক্তক্ষরণ দেখে তার মা জিজ্ঞাসা করলে ধর্ষ’ণের বিষয়টি জানতে পারেন। মেয়েটির বাবা ঘটনাটি ভায়না ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি মীমাংসার কথা বলে সময়ক্ষেপণ করেন।একপর্যায়ে ঘটনাটি জানাজানি হলে শনিবার সুজানগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অর্জুন সাহা ঘটনাস্থলে তদন্তে এসে জয়দেব কুমার দাসকে আটক করে। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমিন উদ্দিন ও সাবেক ই্উপি সদস্য ইমরুল হোসেন সামাজিকভাবে সমঝোতার কথা বলে জয়দেব দাসকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেন। কিন্তু মেয়েটির দরিদ্র ভ্যানচালক বাবা পুলিশের কাছে যেতে চাইলে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য তাঁকে বাধা দেন।

ঘটনার বিষয়ে শিশুটির মা বলেন, ‘আমার নাবালিকা শিশু বাচ্চা মেয়ের সাথে এই রকম ঘটনায় আমি মর্মাহত। কাউকে কিছু বলতে পারছি না। মেয়ের বাবাসহ পরিবারের সবাই এলাকার চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েছিল। আমরা মেয়েকে ডাক্তারের কাছে নিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু চেয়ারম্যান-মেম্বাররা যেতে দেয়নি। আমরা গরিব মানুষ, আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমার শিশু মেয়ের সাথে যে এই জ’ঘন্য কাজ করেছে আমি তার কঠিন বিচার চাই।’ঘটনার বিষয়ে ভায়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি আমি সামাজিকভাবে বসে ঠিক করার কথা বলেছিলাম। পরে সমাধান করতে পারব না বলে জানিয়েছি ওই পরিবারকে।

মেয়েটির বাবা আমার কাছে এসেছিলেন। আমি তাঁকে আইনগত ব্যবস্থার গ্রহণের কথা বলেছি। ঘটনার পরে পুলিশ ত’দন্তে এসেছিল, তখন অভি’যুক্ত জয়দেব দাস ঘটনাস্থলে পুলিশের সঙ্গে উপস্থিত ছিল। ভিকটিমের পরিবার তখন পুলিশের কাছে কোনো অভি’যোগ করেনি। সেই কারণে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। আমি জয়দেব দাসকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য কোনো ধরনের তদবির করিনি।’সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে ভিকটিমের পরিবার বিষয়টি থানাকে জানাতে চায়নি। আমরা ভিকটিমের পরিবার ও ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলেছি। ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে থানায় ধর্ষ’ণের মামলা করেছেন। আমরা ধর্ষ’ককে গ্রে’প্তা’রের জন্য চেষ্টা করছি।’

এ ব্যাপারে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, এই বিষয়ে একটি অভি’যোগের কথা শুনেছি। সংশ্লিষ্ট থানাকে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য বলেছি। ধ’র্ষ’ক যেই হোক তার বিরু’দ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নারী সহকর্মীর সঙ্গে ডিসির আ’পত্তিকর ভিডিও, যে সিদ্ধান্ত নিলো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ !

এক নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের আ**পত্তিকর ভিডিও প্রকাশের বিষয়ে অবগত আছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। বিভাগের কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।অফিস খুললে বিষয়টি তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করবে মাঠ প্রশাসনের দেখভালের দায়িত্ব থাকা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

শনিবার (২৪ আগস্ট) সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠপ্রশাসন অনুবিভাগ) আ. গাফ্ফার খান গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।জামালপুরের ডিসির একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে ডিসি আহমেদ কবীরের সঙ্গে তার অফিসের এক নারীকর্মীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখা যায়। গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আপত্তিকর ভিডিওটি পোস্ট করা হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টিকে সাজানো দাবি করেছেন জেলা প্রশাসক। ওই ঘটনায় জামালপুরের মানুষের মাঝে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে অতিরিক্ত সচিব গাফ্ফার খান বলেন, ‘বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নলেজে আছে।’তিনি বলেন, ‘তদন্ত কমিটি হবে, এখন দু’দিন বন্ধ যাচ্ছে। অফিস খুললেই এটা হবে। তবে এটা নিয়ে বিভিন্নভাবে তদন্ত হচ্ছে, বিভিন্ন সংস্থা-কর্তৃপক্ষ সেটা করছে। আরও অনেক অথরিটি আছে, তারাও দেখছে।’‘এটা আমাদের নলেজেও আছে। বিষয়টি দেখা হচ্ছে’ বলেন অতিরিক্ত সচিব।

ট্রেনের টয়লেটে ধ’র্ষ’ণের পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলিয়ে রাখে মাদরাসাছাত্রী আসমাকে !

ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে (কমলাপুর) একটি ট্রেনের পরিত্যক্ত বগির টয়লেটের ভেতর থেকে উ’*দ্ধার হওয়া মাদরাসাছাত্রী আসমা আক্তারের (১৭) লা*শের ময়নাত’*দন্ত গতকাল সম্পন্ন হয়েছে।ময়না ত*’দন্তকারী চিকিৎসক জানিয়েছেন, তরুণীকে শ্বা’সরোধে হ**’ত্যা করা হয়েছে। তার আগে তাকে ধ*’র্ষণ করা হয়েছে। তবে এটা গণধ’র্ষণ কি না তা নিশ্চিত হতে আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানানো যাবে।

এ দিকে ঘটনার প্রায় দুই দিন পরও এ ঘটনার সাথে জ’ড়িত কোনো দুর্বৃত্তকে পু*’লিশ গ্রে*’ফতার করতে পারেনি। শুধু পু’লিশ নয়, এ ঘটনার দায়দায়িত্ব বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষও এড়াতে পারে না বলে মনে করছেন রেল সংশ্লিষ্টরা।এ প্রসঙ্গে জানতে গতকাল সন্ধ্যার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মোহাম্ম’দ শামছুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি নয়া দিগন্তকে বলেন, কমলাপুর স্টেশনে কোনো খু’*নের ঘটনা ঘটেছে কি না সেটি আমি এখনো খবর নিতে পারিনি।

আমি এ মুহূর্তে জরুরি কাজে যশোর এসেছি। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে সেটি পু’লিশ দেখবে।গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ম’র্গে আসমা’র লা’শের ময়নাত’দন্ত সম্পন্নের পর ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা: প্রদীপ বিশ্বা*’স সাংবাদিকদের বলেন, ময়নাত’দন্তের সময় মেয়েটির গলায় আম’রা দাগ দেখতে পেয়েছি। তাকে শ্বা’সরো’ধে হ*’ত্যা করা হয়েছে। হ’ত্যার আগে যে তাকে ধ’*র্ষণ করা হয়েছে সে আলামত পেয়েছি।

তবে একাধিক ব্যক্তির ধ’*র্ষণের শিকার হয়েছে কি না সেটি জানতে টিস্যু, (হাই ভ্যাজাইনাল সফ) র’ক্ত ও ভিসেরা সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।গত সোমবার সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনের ওয়াশফিড এলাকার পবিত্যক্ত বলাকা ট্রেনের একটি বগির টয়লেট থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় পু’লিশ আসমা আক্তারের লা’শ উ’দ্ধার করে।

সোমবার রাতে কমলাপুর জিআরপি থানার ওসি রুশো বনিক নয়া দিগন্তকে বলেছিলেন, সকাল ৯টার দিকে স্থানীয়দের দেয়া তথ্য মোতাবেক কমলাপুর রেল স্টেশনের ওয়াশফিড এলাকায় বলাকা ট্রেনের একটি ডেমেজ বগির টয়লেটের ভেতর থেকে ১৭-১৮ বছর বয়সী এক তরুণীর লা’শ উ’দ্ধার হয়েছে। লা’শটি উ’দ্ধারের সময় গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। ধারণা করছি, মেয়েটিকে দু’র্বৃত্তরা শ্বা’সরো’ধে হ’**ত্যা করতে পারে।

তবে এর আগে সে ধ’র্ষিত হয়েছে কি না সেটি ময়নাত’দন্তের আগে বলা যাচ্ছে না। মেয়েটির শরীরের কোথাও আ’ঘাতের চিহ্ন পাইনি। এক প্রশ্নের উত্তরে ওসি বলেন, আম’রা লা’শের পাশ থেকে তার ব্যবহৃত একটি ব্যাগ পেয়েছি। সেই ব্যাগে কিছু কাগজপত্র ছিল।বার্থ সার্টিফিকেট ছিল। সেই অনুযায়ী তার পরিচয় আম’রা নিশ্চিত হয়ে স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করি। আসমা’র গ্রামের বাড়ি পঞ্চগড় সদর উপজে’লার শীলপাড়ায়। তার পিতার নাম আব্দুল রাজ্জাক মিয়া।

তবে আসমা’র চাচা মো: রাজু পু’লিশকে বলেছেন, রোববার সকাল থেকে তার ভাতিজি আসমা নিখোঁজ ছিল। সোমবার পু’লিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে লা’শ শনাক্ত করেন। তিনি আরো জানান, আসমা গ্রামের একটি মাদরাসা থেকে গত বছর এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। ওই গ্রামের একটি ছেলের সাথে তার প্রেমের স’ম্পর্ক ছিল।আসমা নিখোঁজের পর থেকে ওই ছেলেকেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি অ’ভিযোগ করেন, এই হ’ত্যাকা’ণ্ডের সাথে ওই ছেলে জ’ড়িত থাকতে পারে। নি’হত আসমা’র বাবা একজন কৃষক। দুই ভাই, দুই বোনের মধ্যে সে ছিল তৃতীয়।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কমলাপুর জিআরপি থানার ওসি রুশো বনিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। ডিউটি অফিসারের টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে সেটি ফ্যাক্সের লাইনে চলে যায়।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমলাপুর রেলস্টেশনের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা অ’ত্যন্ত দুর্বল। এক কথায় অরক্ষিত। যার কারণে প্রতিদিন স্টেশনে ছোট-বড় অ’প’রাধ সংগঠিত হলেও সেদিকে কারো দৃষ্টি দেয়ার সময় নেই বলে ভু*ক্তভোগীদের কাছ থেকে অ’ভিযোগ পাওয়া গেছে।

আর এসব ছিচকে চো’র থেকে শুরু করে খু’নিরা পর্যন্ত অনেকটা প্রকাশ্যেই স্টেশনে ঘোরাফেরা করলেও পু’লিশ, আনসার ও আরএনবির সদস্যদের সেদিকে তেমন নজর নেই।তারা বেশির ভাগ ব্যস্ত থাকেন বিনা টিকিটের যাত্রীদের কিভাবে স্টেশনে ঢোকানো যায় এবং তাদের কাছ থেকে টাকা কামাই করা যায়। তবে কমলাপুর রেলস্টেশনের একজন দায়িত্বশীল কর্মক’র্তা গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, স্টেশনের মূল ফট’ক ছাড়াও আশপাশ থেকেও যেকোনো লোক স্টেশনের ভেতরে অবাধে প্রবেশ করতে পারে।

যার কারণে তারা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। লোকজনের অবাধে স্টেশনে প্রবেশের কথা বারবার রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মক’র্তাদের জানানোর পরও তারা এ নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাচ্ছেন না।

অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীকে ধ’rর্ষণের পর বিধবা নারীকে বেঁধে সংঘব৮দ্ধ ধ*র্ষণ

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রী (১৩) ও এক বিধবা (৩৫) নারীকে ধ’*৮র্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তারা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার সকালে এ দুটি ঘটনা ঘটেছে।পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃহস্পতিবার রাতে বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে ওই মাদরাসা ছাত্রীর মা তাকে রেখে তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। অপরদিকে তার বাবাও নদীতে মাছ শিকারে যায়।

এ সুযোগে একই এলাকার আব্দুল রশিদের ছেলে মো. সোহাগ তাকে ঘরে একা পেয়ে ধ*’র্ষণ করে। এসময় মেয়েটির বাবা বাড়িতে এলে মেয়ের চি*ৎকার শুনতে পায়। তিনি এগিয়ে গেলে ধ’*র্ষক তাকে মা’*রধ*’র করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা শুক্রবার বিকেলে বোরহানউদ্দিন থানায় একটি মা*ম*লা দায়ের করেছেন। অপর দিকে একই উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ফুল কাচিয়া গ্রামের এক নারী (৩৫) স্বামীর মৃ’*ত্যু*র পর সন্তানদের নিয়ে কষ্ট করে সংসার চালিয়ে আসছেন।

শুক্রবার ভোরের দিকে তিনি তার মুরগির খামারের খাবার দিতে গেলে ওই এলাকার মা’*দক সেবী মাকসুদ, ছালাউদ্দিন ও আলমগীর তাকে পার্শ্ববর্তী গরুর খামারে নিয়ে হাত পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধ’*র্ষ*ণ করে। পরে সকালে স্থানীয়রা তাকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় ওই নারীর বড় বোন বোরহানউদ্দিন থানায় একটি মা*মলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।ভোলা সদর হাসপাতালের সিনিয়র নার্স সারজিনা জানান, ধ’র্ষিতাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। ধ*’র্ষ*ণের আলামতও পাওয়া গেছে।

বোরহানউদ্দিন থানা পুলিশের ওসি মো. এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মাদরাসা ছাত্রীর ধ*’র্ষ*ণের ঘটনায় তার বাবা ৩ জনকে আসামি করে থানায় দায়ের করেছেন। অপর ধ’*র্ষণের ঘটনায় এখনও কোনো অ*ভিযোগ থানায় আসেনি।

ধ*র্ষণে বাধা পেয়ে কলেজছাত্রীকে ১৪তলা থেকে ফেলে দেন সৎভাই !

ধ*র্ষণে বাধা পেয়ে কলেজছাত্রী তানজিনা আক্তার রূপাকে (১৭) গলা টিপে হ*ত্যা করেন সৎভাই যুবায়ের আহম্মেদ সম্রাট। তারপর রাজধানীর মতিঝিলের সিটি সেন্টারের ১৪ তলা থেকে রূপাকে নিচে ফেলে দেন তিনি। গত ১০ আগস্ট এই ঘটনার পর দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন সম্রাট।

আজ শুক্রবার মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক এনটিভি অনলাইনকে এই তথ্য জানিয়েছেন।ওমর ফারুক বলেন, ‘ঘটনার পর রূপার মা দণ্ডবিধি ৩০২ ধারার হ*ত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় আসামি সম্রাটকে গ্রে*প্তার দেখিয়ে ১০ আগস্ট রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ওই রাতেই সম্রাট আমাদের কাছে হ*ত্যার কথা স্বীকার করেন।’ওসি আরো বলেন, ‘হ*ত্যার আগে রূপাকে ধ*র্ষ*ণের চেষ্টা করেন সম্রাট। রূপা বাধা দিলে তাকে গলা টি*পে হ*ত্যা করেন। এই ঘটনা থেকে রেহাই পেতে তাকে ১৪ তলা থেকে নিচে ফেলে আত্মহ*ত্যার নাটক সাজান সম্রাট। জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাটই আমাদের এসব কথা জানিয়েছেন। ঘটনার পরের দিন ১১ আগস্ট সম্রাটকে আদালতে পাঠানো হলে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। এখন তিনি কারাগারে আছেন।’

গত ১০ আগস্ট বিকেল ৪টার সময় ধর্ষণচেষ্টার পর রাজধানীর মতিঝিলের সিটি সেন্টারের ১৪তলা থেকে রূপাকে নিচে ফে*লে দেন সম্রাট। তবে ঘটনার দিন সম্রাট প্রাথমিকভাবে পুলিশকে জানিয়েছিল, ছুটির দিনে সিটি সেন্টারে ঘুরতে এসেছিল রূপা। পরে সম্রাট ও রূপা ৩২ তলার ছাদেও উঠেছিলেন। সেখানে গিয়ে হেলিপ্যাড দেখেন তাঁরা। তারপর ১৪ তলায় নেমে আসেন দুজন। নেমে আসার পর সম্রাট পাশের সিকিউরিটি রুমে যান। সিকিউরিটি রুম থেকে এসে সম্রাট দেখেন সেখানে রূপা নেই। রূপা নিচে পড়ে গেছে। রূপা থাকতেন ঢাকার দক্ষিণ গোড়ানে। আলী আহম্মেদ স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসির শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাইকে তুলে নিয়ে তরুণীকে ধ’র্ষণ, যুবক গ্রে;প্তার !

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক তরুণীকে (২২) ধ*র্ষণ করা হয়েছে বলে অভি’যোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই সাগর সরদার (২৫) নামের এক যুবককে গ্রে’প্তার করেছে পুলিশ।

গ্রে’প্তার হওয়া সাগর সরদার উপজেলার ভোজপুর এলাকার বাসিন্দা।পুলিশ ও ধ’র্ষণের শি”কার ওই তরুণীর পরিবার জানিয়েছে, গতকাল রাতে বাসার সামনে থেকে সাগর ও তাঁর এক সহযোগী ওই তরুণীকে জো’র করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি বাগানে নিয়ে তাঁকে ধ’র্ষণ করে সাগর। একপর্যায়ে তরুণীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা সাগরকে আ’টক করেন। এ সময় সাগরের সহযোগী পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ওই তরুণীকে উ’দ্ধারের পর সাগরকে গ্রে’প্তার করে। গতকাল রাতেই তরুণীকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ ঘটনায় ধ”র্ষণের শিকার ওই তরুণীর বাবা বাদী হয়ে নলছিটি থানায় একটি মামলা করেন।নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অভি”যুক্ত সাগরকে গ্রে’প্তার করেছে।

ধ”র্ষণের শিকার তরুণীর চিকিৎসার জন্য রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাগরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান ওসি সাখাওয়াত হোসেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাইকে তুলে নিয়ে তরুণীকে ধ’র্ষণ, যুবক গ্রে;প্তার !

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক তরুণীকে (২২) ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই সাগর সরদার (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া সাগর সরদার উপজেলার ভোজপুর এলাকার বাসিন্দা।পুলিশ ও ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর পরিবার জানিয়েছে, গতকাল রাতে বাসার সামনে থেকে সাগর ও তাঁর এক সহযোগী ওই তরুণীকে জোর করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি বাগানে নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে সাগর। একপর্যায়ে তরুণীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা সাগরকে আটক করেন। এ সময় সাগরের সহযোগী পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ওই তরুণীকে উদ্ধারের পর সাগরকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল রাতেই তরুণীকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর বাবা বাদী হয়ে নলছিটি থানায় একটি মামলা করেন।নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে।

ধর্ষণের শিকার তরুণীর চিকিৎসার জন্য রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাগরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান ওসি সাখাওয়াত হোসেন।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে গণধ*র্ষণ

ভোলায় ঈদের আগে ষষ্ঠ শ্রেণিতে প*ড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে হাত, পা ও মু*খ বেঁ*ধে গণধ*র্ষণের ঘ*টনায় মা*মলা হয়েছে। সোমবার সকালে মেয়েটির বাবা *বা*দী হয়ে ৩ জনকে আ*সামি করে ভোলা মডেল থানায় মা*মলাটি করেছেন।এ ঘ*টনায় ধর্ষ*ণের সহযোগী স*ন্দেহে মো. জামাল আকরাম (৩০) নামে এ*কজনকে আ*টক করেছে পুলিশ।ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ৩ জনকে আ*সামি করে মা*মলা হয়েছে। এদের মধ্যে আল আমিন ও ম*ঞ্জুর আলম নামে দুইজন রয়েছে।

অন্যজনের নাম মা*মলার তদ*ন্তের স্বা*র্থে বলা যাচ্ছে না।তিনি আরও জানান, এ ঘ*টনায় পুলিশ একজনকে আ*টক করেছে। তাকে জি*জ্ঞাসাবাদ চলছে। এছাড়াও ধ*র্ষণের স*ঙ্গে জ*ড়িতদের গ্রে*ফতারের চে*ষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।ধ*র্ষিতার পরিবার ও পুলিশ জানায়, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের চর শিপলী গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া (১২) এক স্কুলছাত্রী ঈদ উ*পলক্ষে হাতে মেহেদি লাগাতে প্রতিবেশী লিজা বেগমের কাছে যান। এ সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া আল আমিন ও মঞ্জুর আলম তাকে ডেকে একটি ঘরে নিয়ে হাত, পা ও মুখ বেঁ*ধে ধ*র্ষ*ণ করে।

পরে স্থা*নীয়দের সহযোগিতায় ধ*র্ষিতার পরিবারের সদস্যরা মেয়েটিকে অ*চেতন অ*বস্থায় উ*দ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভ*র্তি করে।ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম ধ*র্ষণের আ*লামত পে*য়েছেন বলে স্বী*কার করে জানান, ধ*র্ষিতার ব*য়স কম হওয়ায় তার অ*বস্থা আ*শঙ্কাজনক। ধ*র্ষিতার প্র*চুর র*ক্তক্ষ*রণ হ*চ্ছে। ডাক্তার না থাকায় সে*লাই দে*য়ার ম*তো অ*বস্থা ভোলায় নেই। মেয়েটিকে উ*ন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

চোখ বেঁধে থানার অপর একটি কক্ষে নিয়ে দেড় ঘণ্টায় ৩ বার ধ’র্ষ’ণ করেন ওসি’ !

এক নারীকে আ*টকে রেখে দেড় ঘণ্টায় ৩ বার ধ*’র্ষণ করেন খুলনা রেলওয়ে (জিআরপি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গণি পাঠান। তারপর আরও ৩ জন ধ*’র্ষ*ণ করেন। ধ’*র্ষ*ণের সময় ৫ জনই কনডম (জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রী) ব্যবহার করেন। ধ’*র্ষ*ণের ঘটনা প্রকাশ করলে ওই নারীর পরিবারের সবাইকে একটার পর একটা মা*মলা দেওয়ারও হু*মকি দেন ধ’র্ষকরা।জিআরপি থানায় পুলিশের হাতে সংঘবদ্ধ ধ*’র্ষ*ণ শি’কার নারীর দায়ের করা মা*মলা এজহারে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও ওই নারী এসব কথা বলেন। মামলা দায়েরের পর তা আদালতকে অবহিত করা হলেও এখনও কোনো আসামি গ্রে**ফতার হয়নি।গত ৯ আগস্ট সকালে দায়ের হওয়া মা*মলায় ধ’*র্ষি*তা নারী উল্লেখ করেন, গ্রে**প্তারের পর ডিউটি অফিসারের সহায়তায় ওসি তার উপর ব্যাপক নি*র্যা*তন করেন।তারপর রাত দেড়টার দিকে তাকে চোখ বেঁধে থানার অপর একটি কক্ষে নিয়ে যায় ডিউটি অফিসার। ডিউটি অফিসার ওড়না দিয়ে তার মুখ বাঁধে।

ওসি সেই কক্ষে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেন। তারপর দেড় ঘণ্টা ধরে ওসি ৩ বার ধ*’র্ষণ করেন। ওসি ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ডিউটি অফিসার প্রবেশ করে।ভেজা গামছা দিয়ে তার শরীর মুছে ডিউটি অফিসারও ধ’*র্ষণ করে। এরপর আরও ৩ জন তাকে ধ’র্ষণ করে।এই বিষয়ে মা*ম*লা দায়ের করার জন্য আদালত থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়ার পর গত ৯ আগস্ট মা*মলা নেয় জিআরপি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, খুলনা জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য ৩ সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধ’*র্ষণ করেছে বলে আদালতে দাঁড়িয়ে ৪ আগস্ট অ*ভিযোগ করেন ওই নারী। খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই নারী এই অ*ভিযোগ করেন। ঘটনা তদন্তে পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম গত ৫ আগস্ট তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

ঈদের বাসের যাত্রাবিরতিতে গৃহবধূকে ৬ জনে মিলে ধ’র্ষণ !

হোটেলে ঈদের বাসের যাত্রাবিরতিতে গৃহবধূকে (১৮) ছয়জন মিলে ধ*’র্ষ*ণ করেছে। বাড়ি পৌঁছার আগেই এমন ঘটনার শি’কার হওয়ায় ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে ওই গৃহবধূর। এ অবস্থায় কাঁদছেন ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী।শনিবার ভোররাতে নেত্রকোনার চল্লিশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে গৃহবধূকে গণধ’র্ষণের ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রে**ফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শনিবার ভোররাতে ঢাকা থেকে স্বামীর সঙ্গে নিজ বাড়ি নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় যাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূ। গৃহবধূর স্বামী ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ঈদের ছুটিতে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি।নেত্রকোনার চল্লিশা এলাকার সারিন্দা হোটেলে যাত্রাবিরতি তাদের বাস। এ সময় হোটেলের বাথরুমে যান গৃহবধূ। তখন কয়েকজন যুবক কৌশলে গৃহবধূর স্বামীকে সারিন্দা হোটেলে আটকে রাখে। পাশাপাশি আরও কয়েকজন যুবক গৃহবধূর বাথরুমের সামনে অবস্থান নেয়।

কিছুক্ষণ পর গৃহবধূ বাথরুম থেকে বের হলে সারিন্দা হোটেলের ম্যানেজার রাজেন্দ্রপুর গ্রামের ফিরোজ আলী মেম্বারের ছেলে এনামুল হক সম্রাটের (২৭) নেতৃত্বে গৃহবধূকে তুলে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যায় পাঁচ যুবক। সেখানে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধ*’র্ষণ করে ছয়জন।
গৃহবধূকে সংঘ*ব*দ্ধধ*’র্ষ*ণকারী ছয় ব্যক্তি হলো- ফিরোজ আলী মেম্বারের ছেলে এনামুল হক সম্রাট, একই এলাকার কালা মিয়ার ছেলে জিহান (২৭), শামছুল হকের ছেলে রাসেল (৩০), মজলিস উদ্দিনের ছেলে বাশার (২৭), জামাল উদ্দিনের ছেলে রেজাউল করিম পাভেল (২৮) ও শামছুল ইসলামের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩০)।

খবর পেয়ে এরই মধ্যে শামছুল ইসলামের ছেলে সাইদুল ইসলাম, জামাল উদ্দিনের ছেলে রেজাউল করিম পাভেল, মজলিস উদ্দিনের ছেলে বাশার ও ফিরোজ আলী মেম্বারের ছেলে এনামুল হক সম্রাটকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ গৃহবধূকে সংঘব*দ্ধ’*র্ষ*ণের কথা স্বীকার করেছে তারা।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে মা*মলা হয়েছে।

এরই মধ্যে গৃহবধূকে সংঘ*বদ্ধ*ধ’র্ষ*ণে জড়িত চারজনকে গ্রে**ফতার করা হয়েছে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ*ধ*র্ষ**ণের কথা স্বীকার করেছে তারা। গৃহবধূকে উ’দ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে।