গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বাইকে তুলে নিয়ে তরুণীকে ধ’র্ষণ, যুবক গ্রে;প্তার !

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এক তরুণীকে (২২) ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই সাগর সরদার (২৫) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া সাগর সরদার উপজেলার ভোজপুর এলাকার বাসিন্দা।পুলিশ ও ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর পরিবার জানিয়েছে, গতকাল রাতে বাসার সামনে থেকে সাগর ও তাঁর এক সহযোগী ওই তরুণীকে জোর করে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি বাগানে নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে সাগর। একপর্যায়ে তরুণীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা সাগরকে আটক করেন। এ সময় সাগরের সহযোগী পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ওই তরুণীকে উদ্ধারের পর সাগরকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল রাতেই তরুণীকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এ ঘটনায় ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীর বাবা বাদী হয়ে নলছিটি থানায় একটি মামলা করেন।নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্ত সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে।

ধর্ষণের শিকার তরুণীর চিকিৎসার জন্য রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সাগরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান ওসি সাখাওয়াত হোসেন।

ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে গণধ*র্ষণ

ভোলায় ঈদের আগে ষষ্ঠ শ্রেণিতে প*ড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে হাত, পা ও মু*খ বেঁ*ধে গণধ*র্ষণের ঘ*টনায় মা*মলা হয়েছে। সোমবার সকালে মেয়েটির বাবা *বা*দী হয়ে ৩ জনকে আ*সামি করে ভোলা মডেল থানায় মা*মলাটি করেছেন।এ ঘ*টনায় ধর্ষ*ণের সহযোগী স*ন্দেহে মো. জামাল আকরাম (৩০) নামে এ*কজনকে আ*টক করেছে পুলিশ।ভোলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ৩ জনকে আ*সামি করে মা*মলা হয়েছে। এদের মধ্যে আল আমিন ও ম*ঞ্জুর আলম নামে দুইজন রয়েছে।

অন্যজনের নাম মা*মলার তদ*ন্তের স্বা*র্থে বলা যাচ্ছে না।তিনি আরও জানান, এ ঘ*টনায় পুলিশ একজনকে আ*টক করেছে। তাকে জি*জ্ঞাসাবাদ চলছে। এছাড়াও ধ*র্ষণের স*ঙ্গে জ*ড়িতদের গ্রে*ফতারের চে*ষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।ধ*র্ষিতার পরিবার ও পুলিশ জানায়, রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের চর শিপলী গ্রামে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া (১২) এক স্কুলছাত্রী ঈদ উ*পলক্ষে হাতে মেহেদি লাগাতে প্রতিবেশী লিজা বেগমের কাছে যান। এ সময় ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া আল আমিন ও মঞ্জুর আলম তাকে ডেকে একটি ঘরে নিয়ে হাত, পা ও মুখ বেঁ*ধে ধ*র্ষ*ণ করে।

পরে স্থা*নীয়দের সহযোগিতায় ধ*র্ষিতার পরিবারের সদস্যরা মেয়েটিকে অ*চেতন অ*বস্থায় উ*দ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভ*র্তি করে।ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইসলাম ধ*র্ষণের আ*লামত পে*য়েছেন বলে স্বী*কার করে জানান, ধ*র্ষিতার ব*য়স কম হওয়ায় তার অ*বস্থা আ*শঙ্কাজনক। ধ*র্ষিতার প্র*চুর র*ক্তক্ষ*রণ হ*চ্ছে। ডাক্তার না থাকায় সে*লাই দে*য়ার ম*তো অ*বস্থা ভোলায় নেই। মেয়েটিকে উ*ন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

চোখ বেঁধে থানার অপর একটি কক্ষে নিয়ে দেড় ঘণ্টায় ৩ বার ধ’র্ষ’ণ করেন ওসি’ !

এক নারীকে আ*টকে রেখে দেড় ঘণ্টায় ৩ বার ধ*’র্ষণ করেন খুলনা রেলওয়ে (জিআরপি) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উছমান গণি পাঠান। তারপর আরও ৩ জন ধ*’র্ষ*ণ করেন। ধ’*র্ষ*ণের সময় ৫ জনই কনডম (জন্মনিয়ন্ত্রন সামগ্রী) ব্যবহার করেন। ধ’*র্ষ*ণের ঘটনা প্রকাশ করলে ওই নারীর পরিবারের সবাইকে একটার পর একটা মা*মলা দেওয়ারও হু*মকি দেন ধ’র্ষকরা।জিআরপি থানায় পুলিশের হাতে সংঘবদ্ধ ধ*’র্ষ*ণ শি’কার নারীর দায়ের করা মা*মলা এজহারে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতেও ওই নারী এসব কথা বলেন। মামলা দায়েরের পর তা আদালতকে অবহিত করা হলেও এখনও কোনো আসামি গ্রে**ফতার হয়নি।গত ৯ আগস্ট সকালে দায়ের হওয়া মা*মলায় ধ’*র্ষি*তা নারী উল্লেখ করেন, গ্রে**প্তারের পর ডিউটি অফিসারের সহায়তায় ওসি তার উপর ব্যাপক নি*র্যা*তন করেন।তারপর রাত দেড়টার দিকে তাকে চোখ বেঁধে থানার অপর একটি কক্ষে নিয়ে যায় ডিউটি অফিসার। ডিউটি অফিসার ওড়না দিয়ে তার মুখ বাঁধে।

ওসি সেই কক্ষে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দরজা আটকে দেন। তারপর দেড় ঘণ্টা ধরে ওসি ৩ বার ধ*’র্ষণ করেন। ওসি ওই কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর ডিউটি অফিসার প্রবেশ করে।ভেজা গামছা দিয়ে তার শরীর মুছে ডিউটি অফিসারও ধ’*র্ষণ করে। এরপর আরও ৩ জন তাকে ধ’র্ষণ করে।এই বিষয়ে মা*ম*লা দায়ের করার জন্য আদালত থানা পুলিশকে নির্দেশ দেওয়ার পর গত ৯ আগস্ট মা*মলা নেয় জিআরপি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, খুলনা জিআরপি থানার ওসি উছমান গণি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্য ৩ সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধ’*র্ষণ করেছে বলে আদালতে দাঁড়িয়ে ৪ আগস্ট অ*ভিযোগ করেন ওই নারী। খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই নারী এই অ*ভিযোগ করেন। ঘটনা তদন্তে পাকশী রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম গত ৫ আগস্ট তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

ঈদের বাসের যাত্রাবিরতিতে গৃহবধূকে ৬ জনে মিলে ধ’র্ষণ !

হোটেলে ঈদের বাসের যাত্রাবিরতিতে গৃহবধূকে (১৮) ছয়জন মিলে ধ*’র্ষ*ণ করেছে। বাড়ি পৌঁছার আগেই এমন ঘটনার শি’কার হওয়ায় ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে ওই গৃহবধূর। এ অবস্থায় কাঁদছেন ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী।শনিবার ভোররাতে নেত্রকোনার চল্লিশা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে গৃহবধূকে গণধ’র্ষণের ঘটনায় জড়িত চারজনকে গ্রে**ফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, শনিবার ভোররাতে ঢাকা থেকে স্বামীর সঙ্গে নিজ বাড়ি নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় যাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূ। গৃহবধূর স্বামী ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। ঈদের ছুটিতে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি।নেত্রকোনার চল্লিশা এলাকার সারিন্দা হোটেলে যাত্রাবিরতি তাদের বাস। এ সময় হোটেলের বাথরুমে যান গৃহবধূ। তখন কয়েকজন যুবক কৌশলে গৃহবধূর স্বামীকে সারিন্দা হোটেলে আটকে রাখে। পাশাপাশি আরও কয়েকজন যুবক গৃহবধূর বাথরুমের সামনে অবস্থান নেয়।

কিছুক্ষণ পর গৃহবধূ বাথরুম থেকে বের হলে সারিন্দা হোটেলের ম্যানেজার রাজেন্দ্রপুর গ্রামের ফিরোজ আলী মেম্বারের ছেলে এনামুল হক সম্রাটের (২৭) নেতৃত্বে গৃহবধূকে তুলে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে যায় পাঁচ যুবক। সেখানে গৃহবধূকে পালাক্রমে ধ*’র্ষণ করে ছয়জন।
গৃহবধূকে সংঘ*ব*দ্ধধ*’র্ষ*ণকারী ছয় ব্যক্তি হলো- ফিরোজ আলী মেম্বারের ছেলে এনামুল হক সম্রাট, একই এলাকার কালা মিয়ার ছেলে জিহান (২৭), শামছুল হকের ছেলে রাসেল (৩০), মজলিস উদ্দিনের ছেলে বাশার (২৭), জামাল উদ্দিনের ছেলে রেজাউল করিম পাভেল (২৮) ও শামছুল ইসলামের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৩০)।

খবর পেয়ে এরই মধ্যে শামছুল ইসলামের ছেলে সাইদুল ইসলাম, জামাল উদ্দিনের ছেলে রেজাউল করিম পাভেল, মজলিস উদ্দিনের ছেলে বাশার ও ফিরোজ আলী মেম্বারের ছেলে এনামুল হক সম্রাটকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ গৃহবধূকে সংঘব*দ্ধ’*র্ষ*ণের কথা স্বীকার করেছে তারা।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম আশরাফুল আলম বলেন, এ ঘটনায় ছয়জনকে আসামি করে মা*মলা হয়েছে।

এরই মধ্যে গৃহবধূকে সংঘ*বদ্ধ*ধ’র্ষ*ণে জড়িত চারজনকে গ্রে**ফতার করা হয়েছে।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ*ধ*র্ষ**ণের কথা স্বীকার করেছে তারা। গৃহবধূকে উ’দ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে।

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণ করে পা’লালো স্কুলের দারোয়ান !

এবার চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানার পাঠান*টুলি খান সাহেব আবদুল হাকিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শেণির এক ছাত্রীকে ধ’*র্ষ*ণ করলো সেই স্কুল দারোয়ান।বুধবার দুপুরে স্থানীয়রা স্কুল ঘেরাও করে বিক্ষোভ করলে পুলিশ যাওয়ার আগেই অ*ভিযুক্ত দারোয়ান দীলিপ কুমার পালিয়ে যায়।

ডবলমুরিং থানার অফিসার ইনচার্জ সদিপ কুমার দাশ জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ৭ বছর বয়সী শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অ*ভিযুক্ত পলাতক দারোয়ান দিলীপ কুমারকে গ্রে*প্তা*রের চেষ্ঠা চালাচ্ছে পুলিশ বলেও জানান তিনি।

ফরিদপুরে আপ’ত্তিকর অবস্থায় অন্যের স্ত্রীর সঙ্গে ধ*রা পড়লো পুলিশ কর্মকর্তা !

ফরিদপুরে এক ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে আ*প*ত্তি*কর অবস্থায় ধ*রা পড়েছেন পুলিশের শিক্ষানবিশ উপ-পরিদর্শক (পিএসআই) আল ইমরান। বৃহস্পতিবার রাতে শহরের ঝিলটুলী এলাকায় এঘটনা ঘটে।

ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রী পর*কীয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে। নানাভাবে বুঝিয়েও তাকে এ পথ থেকে ফেরানো যায়নি। এ ঘটনায় নিজে বাদী হয়ে থানায় মা*ম*লা করবেন বলে তিনি জানান।ফরিদপুর কোতয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম নাসিম জানান, অ*ভি*যোগের ভিত্তিতে পুলিশের পিএসআইসহ ব্যাংক কর্মকর্তার স্ত্রীকে আ*ট*ক করা হয়েছে। পরকীয়ার বিষয়টি আ*ট*ক দুইজনই প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে মা*ম*লার প্রস্তুতি চলছে। মা*ম*লা হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এলাকাবাসী ও কোতয়ালি থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর শহরের একটি বেসরকারি ব্যাংকের জনৈক কর্মকর্তার স্ত্রীর সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় ,ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ময়না গ্রামের কাঞ্চন মুন্সীর ছেলে পুলিশের পিএসআই (বর্তমানে রাজবাড়ী থানায় কর্মরত) আল ইমরানের।পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মাঝে মধ্যেই তারা বিভিন্ন স্থানে দেখা-সাক্ষাৎ করতো। ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদপুরে না থাকার সুযোগে তার স্ত্রী বৃহস্পতিবার রাতে ঝিলটুলী এলাকার রেইনবো স্কুলের পাশে তার নিজস্ব ফ্ল্যাটে আল ইমরানকে ডেকে আনেন।

বিষয়টি ব্যাংক কর্মকর্তা জানতে পেরে কৌশলে সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় ফ্ল্যাট থেকে আপ*ত্তিকর অবস্থায় দুইজনকে আ*টক করেন। পরে কোতয়ালি থানা পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পুলিশ সেখান থেকে দুইজনকে আ*ট*ক করে থানায় নিয়ে আসে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলায়। তিনি বেশ কয়েক বছর আগে একই জেলার হাউজিং মহল্লার মাহমুদা রহমান বৃষ্টি নামে ওই নারীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে ৭ বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে।

ধ’র্ষণের বিচার না পেয়ে নিজেই দাঁড়ালেন রাস্তায়

বুধবার ২৪ জুলাই দুপুর। জাতীয় প্রেসক্লাবের মূল ফটকে একটি দশ বছর বয়সী শিশু আর তার ভাইকে ঘিরে বিশাল এক জটলা। মামলার নথি হাতে দাঁড়িয়ে আছে শিশুটি। কাছে গিয়ে জানা যায় ৬ মাস আগে ধ’র্ষনের শি’কার হয়েছে শিশুটি। সেই বিচার চাইতেই বিভিন্ন দ্বার ঘুরে হাজির হয়েছে প্রেসক্লাবের সামনে।

ঘটনা সম্পর্কে জানা যায়, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের ২২ তারিখ সকালে ত্রিশাল থানার সাখূয়া ইউনিয়নের বাবুপুর গ্রামে দশ বছর বয়সী শিশুকে সকালে বাড়ির পাশের দোকানে পাঠায় জিরা আনতে পাঠায় তার মা।কিন্তু পথিমধ্যে ফজলু মৌলভির বাড়ির কাছে পৌছলে চায়ের দোকানদার সুরুজ আলি মন্ডল দশ টাকার লোভ দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে ধ’র্ষণ করে। এ বিষয়ে এলাকার মেম্বার ও চেয়ারম্যানের কাছে বিচার চাইলেও পায়নি। পরে ঐ মাসের ২৫ তারিখ ত্রিশাল থানায় নারী ও শিশু নি’”’তন দমন আইনে মা*মলা করা হয়।

শিশু কণ্যার ভাই অ*ভিযোগ জানায় মা*মলা করা হলেও সে বিষয়ে কোন কার্যকরিতা আসেনি। তার অ*ভিযোগ সুরুজ আলি মন্ডল টাকার জোরে মেডিকেল রিপোর্ট পরিবর্তন করে ফেলেছে । এছাড়াও আসামী পলাতক থাকায় পুলিশ তাকে গ্রে*ফতার করতে পারেনি। পরে চার্যশীট দিয়ে দেয় পুলিশ।

পুকুর পাড়ে শা’রীরিক সম্পর্ক করে, ফেলে রেখে পালালো প্রেমিক !

খুলনার ফুলতলায় বিয়ের প্র*লোভন দেখিয়ে এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) ধর্ষ*ণের অ*ভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর কথিত প্রেমিক ধ*র্ষক সোহেল বিশ্বাসকে (২৬) আ*টক করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টায় খুলনা জেলার ফুলতলার দক্ষিণডিহি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

ধ*র্ষক সোহেল বিশ্বাস ওই গ্রামে মজিদ বিশ্বাসের ছেলে। পেশায় তিনি একজন পোল্ট্রি ব্যবসায়ী।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণডিহি গ্রামের মজিদ বিশ্বাসের ছেলে পোল্ট্রি খামারি সোহেল বিশ্বাসের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী এলাকার ওই ছাত্রী প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।সেই সূত্র ধরে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় সোহেল।পরে একটি পুকুর পাড়ে নিয়ে ধ*র্ষণ করে ফে’লে রেখে পালিয়ে যায়।

এতে নিরুপায় ওই কিশোরী সোহেলের বাড়িতে উঠলে সেখান থেকেও তাকে তাড়িয়ে দেয় ধ*র্ষকের পরিবারের লোকজন।পরে কিশোরীর পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে তাকে নিয়ে বুধবার ফুলতলায় থানায় এসে মা*মলা করে। মা*মলার পর পুলিশ ধ*র্ষক সোহেলকে আ’টক করে এবং ভিকটিমকে উ’দ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।

রাত ১১টার দিকে লঞ্চে শা*রীরিক সম্পর্কে রাজি না হওয়ায় আঁখিকে হ.ত্যা করে সুমন !

বিবাহবহির্ভূত শা*রীরিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজি না হওয়ায় শারমিন আক্তার আঁখিকে (২৯) সুরভী-৮ লঞ্চের কেবিনের মধ্যে শ্বা**সরোধে হ**ত্যা করেন কথিত প্রেমিক ফল বিক্রেতা মো. সুমন (৩২)। হ**ত্যার পর সুমন সারারাত কেবিনে অবস্থান করেন এবং ভোরে বরিশাল লঞ্চঘাটে লঞ্চ পৌঁছলে কৌশলে পালিয়ে যান।

সোমবার বেলা দেড়টার দিকে বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে র‍্যাব-৮ এর সদর দফতরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে র‍্যাব-৮ এর উপ-অধিনায়ক মেজর খান সজিবুল ইসলাম জানান, গ্রে**ফতার সুমন ঢাকার সদরঘাটের ১ নম্বর গেটের সামনে ৭-৮ বছর ধরে ফল বিক্রি করে। অন্যদিকে আঁখি নারায়ণগঞ্জের আদমজী এলাকার অনন্ত অ্যাপারেলস লিমিটেডে অপারেটর পদে কর্মরত ছিলেন।

প্রায় ছয় মাস আগে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে আঁখির সঙ্গে সুমনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্ক স্থাপনের আগে দুইজনই তাদের আগের বিয়ে ও সন্তান থাকার কথা পরস্পরের নিকট গোপন করেন। তারা দুইজন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার দেখা করেন।তিনি আরও জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর লঞ্চযোগে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য আখি ঢাকার সদরঘাটে আসেন। আখির জন্য সেখানে অপেক্ষ করছিলেন সুমন। এরপর তারা সুরভী-৮ লঞ্চের নিচতলার একটি স্টাফ কেবিন ভাড়া নেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বরিশালের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছাড়ে।

এ সময় আখি ও সুমন লঞ্চের একই কেবিনে অবস্থান করছিলেন। রাত ১১টার দিকে বিবাহবহির্ভূত শা**রীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আখিকে চাপ দিতে থাকেন সুমন । আখি রাজি না হওয়ায় তাকে ধ**র্ষণের চেষ্টা করেন সুমন।এ সময় ধস্তাধস্তি করতে থাকেন আখি। একপর্যায়ে সুমন আখিকে গলাটিপে শ্বা**সরোধ করে হ**ত্যা করেন। হ**ত্যার পর সুমন সারারাত কেবিনে অবস্থান করেন এবং ভোরে বরিশাল লঞ্চঘাটে লঞ্চ পৌঁছালে সুমন কৌশলে লঞ্চ থেকে নেমে যান।

এরপর সব যাত্রী নেমে গেলেও আখির কেবিনটি আ**টকানো ছিল। লঞ্চের স্টাফরা ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ না পেয়ে নৌ-বন্দর থানা পুলিশকে খবর দেন। শনিবার সকালে নৌ-বন্দর থানা পুলিশ এসে কেবিন থেকে আখির ম**রদেহ উ**দ্ধার করে ।মেজর খান সজিবুল ইসলাম জানান, ম**রদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পেরে র‍্যাব-৮ এর সদস্যরা তদন্তে নামেন। লঞ্চের সিসি টিভির ফুটেজ, তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মধ্য দিয়ে আ**ত্মগো**পনে থাকা সুমনকে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থেকে রোববার রাতে গ্রে**ফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান জানান, গ্রে**ফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ফল বিক্রেতা সুমন আখিকে হ**ত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দের আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।নি*হত শারমিন আক্তার আখি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের পুইয়াউটা গ্রামের বজলু বেপারীর মেয়ে এবং নারায়ণগঞ্জের আদমজী এলাকার অনন্ত অ্যাপারেলস লিমিটেডে অপারেটর পদে কর্মরত ছিলেন।

প্রায় ৪ বছর আগে আখির সঙ্গে তার স্বামীর বিচ্ছেদ ঘটে। আখির একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। কন্যা সন্তানটি নানা বাড়ি বাকেরগঞ্জে থাকে।

অন্যদিকে গ্রে**ফতার সুমন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার সিপাহীবাড়ী এলাকার মো. মানিক সিপাহীর ছেলে। সুমন ঢাকার সদরঘাটের ১ নম্বর গেটের সামনে ৭-৮ বছর ধরে ফল বিক্রি করে আসছেন।

মেয়েকে ধ.র্ষণে স্বামীকে সহযোগিতা, সেই মা গ্রে.ফতার

পার্বত্য খাগড়াছড়ির রামগড়ে নিজের মেয়েকে ধ.র্ষণে স্বামীকে সহযোগিতার অভিযোগে মা মনোয়ারা বেগমকে গ্রে.ফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে রামগড় থানায় মামলা দায়েরের পর পু.লিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মনোয়ারা বেগমকে গ্রে.ফতার করে।ধ.র্ষণের শিকার মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। মেয়েটি স্থানীয় একটি মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

শুক্রবার ওই ছাত্রীর চাচা মো. ওমর ফারুক বাদী হয়ে রামগড় থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ওই ছাত্রীর বাবা মো. আবুল কাশেমকে ধ.র্ষণে সহযোগিতার জন্য মা মনোয়ারা বেগমকেও আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত আবুল কাশেম পলাতক রয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করে রামগড় থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনির হোসেন বলেন, অভিযুক্ত আবুল কাশেমকে গ্রে.ফতারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মেয়েটি জানায়, তার বাবা গত ২ জুলাই রাতে প্রথমবার তাকে ধ.র্ষণ করে। একইভাবে আরও ২/৩ বার ধ.র্ষণের শিকার হয় সে। বাবার পা ধরে ক্ষমা চেয়েও ধর্ষণের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেনি মেয়েটি।সর্বশেষ গত ১২ জুলাই গভীর রাতে ছোট ভাইবোন নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে আবারও ধ.র্ষণ করতে গেলে সে তার বাবাকে বলে, কাল আমার কোরআন মাজিদ পরীক্ষা। আমার সঙ্গে খারাপ কাজ না করে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেন। কিন্তু এতেও মন গলেনি বাবা নামধারী ওই পাষণ্ডের।

মেয়েটি আরও জানায়, সে চিৎকার করতে চাইলে মা তার মুখ চেপে ধরত। ধ.র্ষণের কথা প্রকাশ করলে তাকে গলাটিপে হ.ত্যার পর লা.শ বস্তায় ভরে পুঁতে ফেলারও হুমকি দিত তার বাবা। ঘটনাটি প্রথমে সে তার দাদিকে বলে। কিন্তু দাদি কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় মেয়েটি গত ১৪ জুলাই তার চাচাকে বিষয়টি জানায়।