সংযুক্ত আরব আমিরাত এই পর্যন্ত যে ৫ জন বাংলাদেশী ১০ বছরের গোল্ডেন ভিসা পেলেন !

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এই পর্যন্ত সর্বমোট ৫ জন বাংলাদেশী ১০ বছরের গোল্ডেন ভিসা পেয়েছে , একই পরিবার ও একই সংস্থা আল হারামাইন গ্রুপ অফ কোম্পানির তিনজন বাংলাদেশী এম. মাহতাবুর রহমান, এম ওলিউর রহমান এবং এম এমাদুর রহমানকে আরব আমিরাতের ১০ বছরের গোল্ডেন ভিসা দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবার রিপোর্ট অনুযায়ী ।

মহতাবুর রহমান হলেন আল হারামাইন গ্রুপের চেয়ারম্যান, আল হারামাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান এম ওলিউর রহমান এবং আল হারামাইন গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম,এমাদুর রহমান। অন্য দু’জন হলেন দুবাই-ভিত্তিক শিল্পপতি মাহবুবুল আলম মানিক এবং রিয়েল এস্টেট -খুচরা কার্যক্রমে আগ্রহী, রাস আল খাইমাহ ভিত্তিক ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন।

বাংলাদেশী নাগরিকরা সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৫০,০০০ এরও বেশি ব্যবসায়ের মালিক এবং ১ লক্ষ ৫০ হাজারেরও বেশি লোককে নিয়োগ দিয়েছে – এগুলি সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৃহত্তম ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি ।আল হারামাইন গ্রুপ সংযুক্ত আরব আমিরাতে উপস্থিতির 38 বছর উদযাপন করার পরে এই বৃহত্তম ব্যবসায়িক স্বীকৃতিটি পেলো । সূত্র : খালিজ টাইমস

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আরব আমিরাতের সকলকে বিশেষ সতর্কবার্তা দিয়েছে ,না মানলে ১০,০০০ দিরহাম জরিমানা !

সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ সকল নাগরিকদের বিশেষ সতর্ক বার্তা দিয়েছে না মানলে ১০,০০০ দিরহাম জরিমানা। ঈদুল আজহার সময় আতশবাজি ও ফায়ার ফাটানোর ঝুঁকির বিরুদ্ধে বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে। অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে এবং তাদের বাচ্চাদের আতশবাজি ফাটানো থেকে সতর্ক করার জন্য অনুরোধ করেছে।

পুলিশ বলেছে যে আতশবাজি নিয়ে খেলা কেবল শিশুদের জন্যই ঝুঁকি নয়, আশেপাশের মানুষ ও সম্পদের জন্যও বিপদ ডেকে আনে। আগের দিনের আতশবাজি সম্পর্কিত প্রচুর করুণ ও মর্মা*ন্তিক কাহিনী রয়েছে। কিছু লোক তাদের হাতের আঙ্গুল বিচ্ছিন্ন হয়েছিল এবং কিছু ক্ষেত্রে “এমন কিছু লোক আছে যারা পুরোপুরি দৃষ্টি হারিয়ে ফেলেছিল,

” পুলিশের সুরক্ষা ও বন্দর বিষয়ক দফতর এবং বি*স্ফোরক বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার সালেম হামাউদ আল ব্লোশি বলেছিলেন এই বিষয়ে বিশেষ সতর্ক করেছে ।তিনি জনসাধারণকে নিরাপদ উপায়ে পবিত্র ঈদ উদযাপন করার আহ্বান জানিয়ে এবং তাদের জীবন ও অন্যদের জীবন বিপন্ন না করে এমন ধরণের কাজ কর্ম থেকে বিরত থাকার আহ্বান করেছে। ।   সূত্র : খালিজ টাইমস

আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত পাকিস্তানের প্রতি যা বললেন !

সংযুক্ত আরব আমিরাত উপমহাদেশের উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, কাশ্মীর বিবাদ নিয়ে উভয় দেশের সংযমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে যে এটি জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নয়নের বিষয়টি উদ্বেগের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সং*ঘাতের সব পক্ষকে সংঘাত বন্ধ করে মীমাংসায় যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, ওয়াম আজ বৃহস্পতিবার প্রতিবেদনে একথা জানিয়েছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বৈদেশিক বিষয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডঃ আনোয়ার বিন মোহাম্মদ “এজম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে শান্তি, সুরক্ষা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সংলাপের ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।”

সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের নেতৃত্বের বুদ্ধি ব্যবহার করে যোগাযোগ ও গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে এই সঙ্কট সং*ঘাত কাটিয়ে ওঠার জন্য দক্ষ নেতাদের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেন। কাশ্মীরের সংকটের হাত থেকে রক্ষা করতে এবং বর্তমান পরিস্থিতি উন্নয়ন করতে ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের নেতাদের সংলাপের অনুরোধ করেছে।

আরব আমিরাতে সড়ক দু’র্ঘ’টনায় বাংলাদেশি একই পরিবারের দু’বোনই চিরবিদায় নিল !

আরব আমিরাতের শারজায় সড়ক দুর্ঘ*টনায় বাংলাদেশি একই পরিবারের দুই বোনের মৃrত্যু হয়েছে। নি*হতরা হলেন, তাসফিয়া (১৬) ও তাজু (৬)।স্থানীয় সময় মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় একটি ল্যান্ড ক্রুজার গাড়ির ধাক্কা*য় দুই বোনের মৃtu হয়। শারজাহ আল গোবাইবা (আবাসিক) এলাকায় একটি ল্যান্ডকুজারের ধা*ক্কায় দুই মেয়েকে হা*রালেন প্রবাসী মোহাম্মদ ইকবাল।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এ দুrghoটনা ঘটে বলে জানান নিhoতের মামা আরব আমিরাতের প্রবাসী মো. হামিদুর রহমান বাহাদুর।জানা যায়, সারজা প্রবাসী মোহাম্মদ ইকবালের চার মেয়ের মধ্যে এই দুই মেয়ের একজন ছিল সবার বড় তাসফিয়া। সে শারজা পাকিস্হানি স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। আরেকজন ছিল সবার ছোট তাজু। তাদের নিজ বাড়ি চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদের বটতলা এলাকায় এবং তাদের বাবা মোহাম্মদ ইকবাল শারজায় ব্যবসা করেন।

প্রতিদিনই তারা রাস্তা পার হয়ে টিউশনিতে যায় কিন্তু মঙ্গলবার শারজায় বাংলাদেশ সমিতির খুব কাছাকাছি পাকিস্হানি সিগনালে গাড়ির ধা*ক্কায় দুইবোন গুরু*তর আ*হত হয়।পরে তাদের হাসপাতাল নেওয়ার পথে মাra যায়।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মর্মা**ন্তিক এই দু*র্ঘ*টনার সময় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিল ড্রাইভার। সেসময় তিনি গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি ফলে এই দু*র্ঘ*টনা ঘটে। ড্রাইবার বর্তমানে স্থানীয় পুলিশ হেফা*জতে রয়েছেন।

আরব আমিরাতে সড়ক দু*র্ঘ’টনায় দুই মেয়েকে হা’রালেন বাংলাদেশি প্রবাসী ইকবাল !

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ আল গোবাইবা (আবাসিক) এলাকায় একটি ল্যান্ডকুজারের ধা*ক্কায় দুই মেয়েকে হা*রালেন প্রবাসী মোহাম্মদ ইকবাল।স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এ দু’র্ঘ’টনা ঘটে বলে জানান নি*হতের মামা আরব আমিরাতের প্রবাসী মো. হামিদুর রহমান বাহাদুর।

নিহত তাজবিয়া (১৬), তাউজিয়া (৬) প্রবাসী মোহাম্মদ ইকবালের সন্তান। ব্যবসায়ী ইকবাল চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার দক্ষিণ মাদার্শা ইউনিয়নের ফতেয়াবাদ বটতলী এলাকার মৃ*ত কবির আহাম্মদ শেঠের ছেলে।বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হামিদুর রহমান বাহাদুর যুগান্তরকে বলেন, ঘটনার দিন চার বোন প্রতিদিনের মতো রাস্তা পারাপার হয়ে প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় বেপরোয়া গতির একটি ল্যান্ডকুজার ধা’ক্কা দেয়।

এতে তাজবিয়া ও তাউজিয়া রাস্তায় ছিটকে প’ড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃ’*ত্যু হয়।এ ঘটনায় সংযুক্ত আরব আমিরাত পুলিশ ল্যান্ডকুজারের ঘাতক চালককে আ*টক করেছে।বুধবার স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় নি*হতদের জানাজা শেষে শারজাহ এলাকার সরকারি কব*রস্থানে দা*ফন করা হয়।নিহতের স্বজন স্বজন জানান, মঙ্গলবার বিকেলে শারজাহ বাংলাদেশ সমিতির কাছে একটি গাড়ি ধাক্কা দেয় এবং তারা দুজন ঘটনাস্থলেই মা*রা যায়।

আরব আমিরাতে পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে ট্রাফিক জরিমানা ছাড় ঘোষণা করেছে !

দুবাইয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চালকরা যারা সাবধানে গাড়ি চালিয়েছেন তাদের জন্য ছোটখাট অপরাধের ক্ষেত্রে ট্রাফিক জরিমানা ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করেছে ।দুবাই পুলিশের কমান্ডার ইন চিফ, মেজর জেনারেল আবদুল্লাহ খলিফা আল মারি বলেছেন যে সব ড্রাইভাররা বেশ কয়েক মাস ধরে নিয়ম-নীতিমালা মেনে চলার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়েছে বা

অন্য চালকদের বা রাস্তায় ক্ষতি না করে এমন ছোটখাটো অপরাধের ক্ষেত্রে তাদের ট্রাফিক জরিমানা ছাড় দেওয়া হবে ।
তিনি আরও যোগ করেন যে উদ্যোগটি গাড়ি চালকদের ট্রাফিক আইন মেনে চলতে এবং দুর্ঘটনা থেকে তাদের এড়াতে উৎসাহিত করে ।
এই বছরের শুরুর দিকে দুবাই পুলিশ একটি উদ্যোগ নিয়েছিল, যার মতে যেসব চালকরা গত তিন মাস ধরে কোনও অপরাধ না করে চালক আগের জরিমানার চেয়ে ২৫ শতাংশ ছাড় পেতে পারেন।

যাদের ছয় মাসের জন্য পরিষ্কার রেকর্ড রয়েছে তারা 50 শতাংশ ছাড় পেতে পারেন। একইভাবে, নয় মাস এবং 12 মাসের জন্য পরিষ্কার রেকর্ড থাকা ব্যক্তিরা যথাক্রমে 75 শতাংশ এবং 100 শতাংশ ছাড় পাবেন। পবিত্র ঈদ উপলক্ষে আরব আমিরাতের ট্রাফিক বিভাগ এই ঘোষণা দিয়েছে।

পাকিস্তানের পক্ষে চীন, ভারতের পক্ষে সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্র !

কাশ্মীর ইস্যুতে যখন পাকিস্তান মুসলিম বিশ্বের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই ভারতের পক্ষে দাড়িয়েছে সৌদি আরব ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে চীন।জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা এমন পদক্ষেপের ফলে জম্মু ও কাশ্মীরে সামাজিক ন্যায়বিচার হবে।

এর ফলে সরকারের উপর মানুষের আস্থাও বাড়বে। লোকসভায় জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল পেশের বিষয়ে আমরা জানি। এছাড়াও কেন্দ্র থেকে মোদী সরকারের দ্বারা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা হলে কাশ্মীরে আর্থসামাজিক স্থিরতা ও শান্তি বাড়বে।অন্যদিকে সৌদী আরবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ৩৭০ ধারা বিলোপ ও জম্মু-কাশ্মীর ভাগ করে লাদাখ গঠনের সিদ্ধান্ত ইতিবাচকই হবে। এছাড়াও ভারতের পক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মরগান ওরতেগাস এক বিবৃতিতে বলেন, কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সিদ্ধান্ত সে দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

জম্মু ও কাশ্মীরে যা হচ্ছে তা নজরে রাখছি আমরা। জম্মু ও কাশ্মীরকে ভাগ করা ও তাদের সাংবিধানিক অধিকার বিলোপ করার বিষয়টি নজরে রয়েছে।অপরদিকে বেইজিংয়ে পাকিস্তান ও চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত বৈঠকে পাকিস্তানকে তার আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ় সমর্থন দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে চীন। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বেইজিংয়ের ওই বৈঠকে, কাশ্মীরের ‌‘দ্রুত অবনতিশীল’ পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নয়াদিল্লিকে তার নীতিমালা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান।

চীনের রাজ্য কাউন্সিল ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ি বলেন, কাশ্মীরের পরিস্থিতি যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন পাকিস্তানকে তার স্বাধীনতা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও মর্যাদাকে সমর্থন করে এবং সমর্থন করবে।চীন সবসময় বিশ্বাস করে যে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা এই অঞ্চলের যৌথ স্বার্থে রয়েছে। এছাড়াও পাকিস্তান ও ভারতকে সংলাপের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ উপায়ে সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন ওয়াং।সূত্র : বিবিসি, আরব নিউজ, দ্য ন্যাশনাল

আরব আমিরাতের নতুন ওয়ার্ক পারমিট আইনে যারা আবেদন করতে পারবে ?

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবসম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রনালয় (এমওএইচআরই) বাস্তবায়িত একটি নতুন বিধি অনুসারে পুরুষরা যারা তাদের পরিবারের স্পন্সরের রয়েছেন তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওয়ার্ক পারমিটের জন্য যোগ্য এবং আবেদন করতে পারবে ।

গত কাল শনিবার মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পরিবার স্পনসর করে যোগ্য পুরুষ কর্মী নিয়োগের জন্য আগ্রহী নিয়োগকারীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট প্রদান আরম্ভ করেছে ।এই পদক্ষেপটি হ’ল কাজের অনুমতি প্রদান সংক্রান্ত বিধিবিধি সম্পর্কিত মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ বিষয়ক মন্ত্রী নাসের বিন থানি আল হামলি সম্প্রতি জারি করা একটি প্রস্তাবের বাস্তবায়ন।

এই নতুন স্কিম সম্পর্কে কিছু মূল তথ্য এখানে দেওয়া হল:প্রশ্ন: কে ওয়ার্ক পারমিটের যোগ্য ? সব পুরুষ যারা তাদের পরিবারের স্পনসরশিপে আছেন তারা যোগ্য।প্রশ্ন: এর মধ্যে কি এমন পুরুষদেরও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে যারা তাদের স্ত্রীর মাধ্যমে স্পনসর আছেন ? হ্যাঁ, তাদের স্ত্রী দ্বারা স্পনসর করা পুরুষরা ওয়ার্ক পারমিট পেতে পারেন। প্রশ্ন: পুরুষ / পিতৃপুরুষেরা তাদের সন্তানদের দ্বারা স্পনসর আছে তারা কি যোগ্য?
হ্যাঁ, সমস্ত পুরুষ – পিতা, তরুণ স্নাতক – যোগ্য। প্রশ্ন: সমস্ত শ্রমজীবী ​​মহিলা কি তাদের পুরুষ পরিবারের সদস্যদের স্পনসর করার যোগ্য ? অথবা এটি নির্দিষ্ট পেশার জন্য উপযুক্ত ?নতুন নিয়মটি সকল পেশার মহিলাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে সর্বনিম্ন বেতনের প্রয়োজনীয়তা প্রযোজ্য হবেন ।

প্রশ্ন: সমস্ত বয়সের পুরুষরা কি তাদের মহিলা আত্মীয়দের মাধ্যমে স্পনসর করতে পারেন?
পেশাদাররা ছাড়াও কিশোর শিক্ষার্থীদের জন্যও ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া যায়। 15 থেকে ১৮ বছর বয়সের কিশোরীদের ওয়ার্ক পারমিট এবং ১২ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়ার্ক পারমিট রয়েছে।প্রশ্ন: এই জাতীয় কাজের অনুমতি কোথায় পাওয়া যাবে?
MoHRE এর সব কেন্দ্রে। প্রশ্ন: সরকার কখন পারমিট কার্যকর করতে শুরু করবে? ২৮ জুলাই রবিবার থেকে কার্যকর হয়েছে ।

প্রশ্ন: পূর্ববর্তী স্পনসরশিপ বিধিগুলির তুলনায় এই কাজের অনুমতি কেমন আলাদা? পূর্বে, কেবল স্বামী বা বাবার দ্বারা স্পনসর করা মহিলা কেবলমাত্র কাজের অনুমতি পেতে পারতেন। পুরুষদের বাদ দেওয়া হয়েছিল। প্রশ্ন: এই নতুন নিয়মটি কীভাবে সংস্থাগুলি / নিয়োগকারীদের উপকার করবে ?সংস্থাগুলি এখন কর্মসংস্থান ভিসার ব্যয় ছাড়াই স্থানীয়ভাবে কর্মীদের নিয়োগ করতে পারে।

আরব আমিরাতে ঈদ উপলক্ষে ৬৬৯ জন কারাবন্দিদের মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিয়েছে !

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রপতি শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ৬৯৯ জন কারাবন্দীদের জেল থেকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।শেখ খলিফা মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দীদের আর্থিক জরিমানা বাধ্যবাধকতাও নিষ্পত্তির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

কারাবন্দীদের মুক্তি এবং তাদের নতুন জীবন শুরু করার মাধ্যমে পরিবারের দুর্দশা কাটাবার জন্য রাষ্ট্রপতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে ।সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এক প্রতিবেদনে জানায়, আমিরাতে প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এরইমধ্যে ৬৬৯ জন কারাবন্দিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদেশ দিয়েছেন।

কারাবন্দিদের মুক্তি দেওয়ার পর তাদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতেও সাহায্য করবেন শেখ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, ফুজাইরা ও আজমানের শাসকরা আলাদাভাবে এসব কয়েদির মুক্তির নির্দেশ দেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম কয়েদিদের মুক্তি দিতে আদেশ জারি করেন। ঈদুল আজহাকে সামনে রেখেই মূলত এদের মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে দুবাইয়ের অ্যাটর্নি জেনারেল ও চ্যান্সেলর ইসাম ইসা আল হুমাইদান বলেন, শেখ মোহাম্মাদ কয়েদিদের মুক্তির আদেশ দিয়েছেন। যাতে করে কয়েদিরা পরিবারের জন্য আনন্দ উপহার দিতে পারে। আবারো সমাজে নতুনভাবে জীবন শুরু করতে পারে।এর আগে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের আদেশক্রমে দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে কয়েদিদের মুক্তি দেওয়া হয়। বিভিন্ন অপরাধের জন্য সাজা ভোগ করা এসব বন্দির অর্থদণ্ডও মওকুফের নির্দেশ দেন শেখ খলিফা।

এ ছাড়া সুপ্রিম কাউন্সেল সদস্য ও সারজাহর শাসক ড. শেখ সুলতান বিন মোহাম্মাদ আল কাশিমির আদেশক্রমে সেখানকার বিভিন্ন কারাগারের ১১৭ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।ভালো আচরণ ও দুবাইয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষে দেশটির সুপ্রিম কাউন্সিলের সদস্য ও ফুজাইরার শাসক শেখ হামাদ বিন মোহাম্মাদ আল শারকিও এই ঈদের আগে ৪৭ জন কয়েদিকে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।

আজমানের শাসক শেখ হুমাইদ বিন রাশিদ আল নুয়াইমি ৯২ জন কয়েদি মুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।বিভিন্ন দেশের কয়েদিদের দেশে ফেরত পাঠানো, পুনর্বাসনও সমাজে নতুন ভাবে ফিরে যেতে মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই মুক্তি দেওয়া হচ্ছে।

উচ্চ আদালতে আকুতি প্রিন্সেস হায়ার দুবাই শাসকের নিপীড়ন থেকে বাঁচার

দুই সন্তানের অভিভাবকত্ব চেয়ে ও নিজের প্রতি নি*পীড়ন ব*ন্ধের আদেশ দিতে লন্ডনের একটি আদালতে আবেদন করেছেন দুবাইয়ের শা*সক শেখ মোহাম্মদ আল মাখতুমের স্ত্রী হায়া বিনতে আল হুসেন। মঙ্গলবার লন্ডনের উচ্চ আদালতের পরিবার বিভাগে এই আবেদন করেন তার আইনজীবী। এর বি*রোধিতা করে সন্তানদের দুবাইয়ে ফে*রত পাঠানোর আর্জি জানিয়েছেন সেখানকার শা*সক। দুই দিনের শুনানির পর আগামী ১১ নভেম্বর পূ*র্ণাঙ্গ বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

২০০৪ সালে ধনকুবের শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুমকে বিয়ে করে তার ষষ্ঠ এবং ক*নিষ্ঠতম স্ত্রী হন জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহর বৈমাত্রেয় বোন হায়া বিনতে আল হুসেন। এ বছরের শুরুতে জার্মানি পা*লিয়ে গিয়ে রাজনৈতিক আ*শ্রয়ের আবেদন করেন তিনি। পরে লন্ডনে পা*লিয়ে গিয়ে একটি বিলাসবহুল বাড়িতে উঠে নিজের জীবন নিয়ে শ*ঙ্কা প্র*কাশ করেন তিনি। দুবাইয়ের শা*সকের একাধিক স্ত্রীর ঘরে মোট ২৩টি সন্তা*ন রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়।

হায়া বিনতে হুসেনের ঘরে রয়েছে তার দুই সন্তান। দুবাই থেকে পা*লিয়ে এসে তারাও মায়ের স*ঙ্গে বসবাস করছেন। মঙ্গলবার লন্ডনের উচ্চ আদালতের পরিবার বিভাগে সন্তান ও নিজের প্রতি নি*পীড়ন বন্ধে*র আবেদন করেন হায়া। অপরদিকে সন্তানদের দুবাইয়ে নিজের কাছে ফি*রিয়ে নিতে আদালতে আবেদন করেছেন শেখ মোহাম্মদ আল মাখতুম।দুই দিনের শুনানির পর বৃহস্পতিবার আগামী নভেম্বরে এই বিষয়ে পূ*র্ণাঙ্গ বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে এই শুনানিতে দুবাইয়ের ধ*নকুবের এ শা*সক আদালতে উ*পস্থিত ছিলেন না এবং তার প্রতিনিধিরাও এ নিয়ে মন্তব্য করতে অ*স্বীকৃতি জানিয়েছেন।

একই স*ঙ্গে এই মা*মলার খুব সামান্য ত*থ্যই প্রকাশের অনু*মতি দিয়েছেন আদালত। ব্রিটিশ বার্তা সং*স্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দুই সন্তানের মধ্যে এক সন্তানের জো*রপূর্বক বিয়ে ঠে*কানোর আবেদন করেছেন হায়া। আরেক বার্তা সং*স্থা পিএ জানিয়েছে, দুই সন্তানেরই অভিভাবকত্ব চেয়ে আবেদনের পাশাপাশি নিজের প্রতি নি*পীড়ন ব*ন্ধের আ*দেশ দেওয়ার আবেদন করেছেন দু*বাই শা*সকের ৬ষ্ঠ স্ত্রী। লন্ডনের আদালতে আইনি ল*ড়াই শুরুর পর শেখ মোহাম্মদ আল মাখতুম ও হায়া বিনতে আল হুসেনের এক বি*বৃতিতে নি*শ্চিত করা হয় এই মামলা তাদের সন্তানদের নিয়ে। ওই বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো দুই সন্তানের বিয়ে বিষয়ক কল্যাণ। এর সঙ্গে বি*চ্ছেদ বা অর্থনৈতিক লেনদেনের কোনো স*ম্পর্ক নেই।

যুক্তরাজ্যের পারিবারিক আদালতের বিষয়াবলী নিয়ে তথ্যপ্রকাশের ক্ষে*ত্রে কঠোর বিধিনি*ষেধ রয়েছে। কোনো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে আদালত ক*ক্ষে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হয় না। তবে এই মামলায় মানুষের আগ্রহ বিবেচনায় নিয়ে সামান্য তথ্য প্রকাশের অনুমোদন দিয়েছেন লন্ডনের উচ্চ আদালতের পারিবারিক বিভাগের প্রেসিডেন্ট স্যার অ্যান্ড্রু ম্যাক ফারলেন।