বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে ভালো শুরু বাংলাদেশের, লাইভ দেখুন !!

৩০ ওভার পর্যন্ত ম্যাচ বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণেই ছিল। শিমরন হেটমায়ারের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে পরের ১০ ওভারে ৯২ রান তুলে এগিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শেষের দিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে লক্ষ্যটা নাগালে রাখতে পেরেছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।

৫০ তম ওভারের শেষ বলে ড্যারেন ব্রাভোকে বোল্ড করে নিজের তৃতীয় উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৮ উইকেটে করে ৩২১ রানে।জিততে রেকর্ড গড়তে হবে বাংলাদেশকে। বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বোচ্চ ৩১৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করে গত আসরে জিতেছিল স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।

বাংলাদেশের ইনিংসঃ

বাংলাদেশ: ৪০/০ ৭ ওভার শেষে। তামিম ১১ ও সৌম্য ২২ রানে ব্যাট করছে। সংক্ষিপ্ত স্কোর:ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৫০ ওভারে ৩২১/৮ (গেইল ০, লুইস ৭০, হোপ ৯৬, পুরান ২৫, হেটমায়ার ৫০, রাসেল ০, হোল্ডার ৩৩, ব্রাভো ১৯, টমাস ৬*; মাশরাফি ৮-১-৩৭-০, সাইফ ১০-১-৭২-৩, মুস্তাফিজ ৯-০-৫৯-৩, মিরাজ ৯-০-৫৭-০, মোসাদ্দেক ৬-০-৩৬-০, সাকিব ৮-০-৫৪-২)।

আরব আমিরাতের আজমান মসজিদের এক এশিয়ান ইমামকে ধর্ষণের দায়ে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে।

আজমানে ফৌজদারি আদালত ১২ বছর বয়সী এক আরাবিক ছেলেকে এক মসজিদের ৩০ বছর বয়সী এশিয়ান ইমাম তার ঘরে কয়েকবার ধর্ষণের দায়ে অভিযুক্ত করে তাকে পাঁচ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত করেছে ।

পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, আল জারফ এলাকায় মসজিদের কাছে অবস্থিত তার ঘরে ঈশার নামায পড়ার পর মসজিদের ইমাম ছেলেটির সাথে যোগাযোগ করে রাজি করতো।ছেলেটির বাবা পুলিশকে বলেছিলেন যে, তার আচরণে পরিবর্তন দেখা দেওয়ার পর ছেলেটির মা অত্যন্ত চিন্তিত ছিলেন এবং লক্ষ্য করলেন যে তিনি নামাজের পর দেরিতে আসে কেন ।

তার মা তাকে জোর দিয়ে জিজ্ঞাসা করলে , ছেলেটি তাকে বলেছিল যে ইমামের রুমে তার সাথে মোট ৯ দিন যেসব হয়েছিল । তিনি তাঁর মাকে বলেছিলেন যে, ইমাম তাকে ঘরে তাকে ৫ দিরহাম দেয় এবং তাকে বলেছিলেন যে, যদি তার অর্থের প্রয়োজন হয় তবে ইশার নামাজের পরে যে কোন সময় তার কাছে আসতে পারে ।

ফরেনসিক পরীক্ষাগার কর্তৃক জারি করা এই প্রতিবেদনটি প্রমাণ করে যে ছেলেটি বেশ কয়েকবার নির্যাতিত হয়েছে। পুলিশ ইমামকে গ্রেপ্তার করে তাকে পাবলিক প্রসিকিউশন তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় । সূত্র : খালিজ টাইম। বিদ্রুপ : এশিয়ান লোক বলতে কোন দেশি লোক বুঝিয়েছেন তা উল্লেখ করে নাই তবে ইন্ডিয়ান , পাকিস্তান অথবা বাংলাদেশী এর যেকোন এক দেশি ইমাম হতে পারে ।

সুনামগঞ্জে দুই শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী অতঃপর ঘটলো ভয়াবহ কান্ড !

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে দুই শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে এক স্কুলছাত্রী। টাকার বিনিময়ে ঘটনাটি শেষ করার চাপ দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথপুরের খাসিলা পূর্বপাড়া গ্রামের ওই কিশোরী স্থানীয় আটপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। পাশাপাশি বাড়ি বাপ্পা ও কিশোরীর। সৈয়দ আইডিয়াল গার্লস হাইস্কুলের শিক্ষক মিশন সেন বাপ্পা ওই কিশোরীকে বাড়িতে প্রাইভেট পড়াতো।প্রাইভেট পড়ানোর সুবাধে বাপ্পা প্রায় সময় মেয়েটিকে কু-প্রস্তাব দিতো। এমনকি প্রেমেরও আবেদন জানায়। কিন্তু ওই কিশোরী কখনোই বাপ্পার প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি।

গত ৪ মার্চ ওই কিশোরী জেএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন করতে স্কুলে যায়। স্কুল থেকে ফেরার পথে কলকলি বাজারের কাছে ব্রিজের ওপর ওঠামাত্র বাপ্পা কাউছার ড্রাইভারের সিএনজি অটোরিকশাতে জোরপূর্বক তুলে নেয়।ছাতক উপজেলার চানপুরে তার বন্ধু আব্দুস সামাদ আজাদের বসতঘরের দোতলায় প্রথমে বাপ্পা এবং পরে আজাদ ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। প্রায় তিন ঘণ্টা তারা ওই ঘরে বন্দি রেখে ধর্ষণের পর মোবাইল ফোনে সেটির ভিডিও ধারণ করে। এরপর আবার সিএনজি অটোরিকশাযোগে বাপ্পা তাকে জগন্নাথপুরে নিয়ে আসে।

পরে নিজের বাসায় গিয়ে ওই কিশোরী ধর্ষণের কথা তার পরিবারের কাছে জানায়। এঘটনায় থানায় মামলা করে কিশোরীর পরিবার।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, এ ঘটনার পর ধর্ষিতার পরিবার আইনের আশ্রয় নিতে গেলে স্থানীয় কয়েকজন বিষয়টি সালিসের মাধ্যমে দেখে দেয়ার কথা বলেন।এ সময় তারা ধর্ষিতার পিতার হাতে ১০ হাজার টাকা তুলে দিয়ে কাউকে বিষয়টি না জানানোর জন্য বলেন। এরপর থেকে তারা বিষয়টি নিয়ে টালবাহানা করে।

এদিকে, গত ৭ মে ওই কিশোরী হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় তাকে জগন্নাথপুর থানা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার পরীক্ষা করে জানান, ওই কিশোরী ১০ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা।পরবর্তীতে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ধর্ষিতার পিতাকে ডেকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটানোর জন্য ১১ হাজার টাকা দেন। এতে রাজি না হলে তারা হুমকিও দেন ধর্ষিতার পিতাকে। এমন অভিযোগ উঠেছে কলকলি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিপাল দেবসহ স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে।

তবে কলকলি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিপাল দেব জানিয়েছেন, তিনি এ ঘটনা কিংবা মামলার ব্যাপারে কিছুই জানেন না। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হচ্ছে তা সত্য নয়।এ ঘটনায় গত ২৪ মে জগন্নাথপুর থানায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় আসামি করা হয় খাসিলা পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মিশন সেন বাপ্পা, ছাতকের চানপুরের আব্দুল সামাদ আজাদ ও গাড়ি ড্রাইভার কাউছারকে।স্থানীয় জগন্নাথপুর আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন, বিষয়টি এলাকার সাংসদ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নানকে জানানো হয়েছে। ধর্ষিতা পরিবারকে আইনি সহায়তা দিতে তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি বাপ্পা ও গাড়ি চালক কাউছারকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার জগন্নাথপুর থানার ওসি (তদন্ত) নব গোপাল জানিয়েছেন, প্রধান আসামি বাপ্পা ঘটনা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সিএনজি অটোরিকশাযোগে মেয়েটিকে নিয়ে সে ও আজাদ মিলে ধর্ষণ করে বলে জানায়। এখন দুই আসামি কারাগারে।আব্দুস সামাদ আজাদ নামের আরেক স্কুলশিক্ষক পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রচণ্ড চাপে উইন্ডিজ, ৮ ওভার শেষে দেখুন লাইভ স্কোর

নিজেদের বাঁচা মরার ম্যাচে বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ৩টায় কাউন্টি গ্রাউন্ড টনটনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। এর আগে ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ব্যাট করতে নামা উইন্ডিজের সংগ্রহ ৮ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ২৯ রান। ০ রানে গেইলকে ফিরিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।আগের একাদশ থেকে বাংলাদেশ দলে একটি পরিবর্তন। মোহাম্মদ মিঠুনের জায়গায় একাদশে এসেছেন লিটন দাস। এদিকে, কার্লোস ব্রাথওয়েটের পরিবর্তে উইন্ডিজ একাদশে এসেছেন ড্যারেন ব্রাভো।

বাংলাদেশ স্কোয়াড: মাশরাফি বিন মর্তুজা (অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, লিটন দাস, সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ,মোহাম্মদ মিঠুন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, রুবেল হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, মেহেদি হাসান মিরাজ, আবু জায়েদ রাহি, সাব্বির রহমান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

উইন্ডিজ স্কোয়াড: জেসন হোল্ডার (অধিনায়ক), কার্লোস ব্র্যাথওয়েট, শেল্ডন কোটরেল, ক্রিস গেইল, শাই হোপ (উইকেটরক্ষক), অ্যাশলে নার্স, কেমার রোচ, ওশানে টমাস, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, ড্যারেন ব্রাভো,শ্যানন গ্যাব্রিয়েল, শিমরন হেটমেয়ার, এভিন লুইস, নিকোলাস পুরান, আন্দ্রে রাসেল।

হয়রানী মুক্ত বিমানবন্দর ও পাসপোর্ট অফিস চান প্রবাসীরা !

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের অর্থনৈতিক অবস্থানকে যতটা ক্রমশ শক্তিশালী করে চলেছে, মূলত তার সম পর্যায়ে আর কোনো কিছুই হতে পারেনা। অথচ সেই চরম দুর্ভাগা প্রবাসীরা দেশে ফেরত আসাকালীন সময় প্রতিনিয়ত বিমানবন্দরে কর্মরত কতিপয় কর্মকর্তাদের অসদাচরণ এবং দুর্নীতির মাধ্যমে নানান হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পেছনে তিনটি সেক্টরের বেশি অবদান রয়েছে। এগুলো হলো- গার্মেন্ট, সেবা এবং অভিবাসন খাত। সাধারণভাবে আমরা গার্মেন্টে সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হিসেবে চিহ্নিত করে থাকি। এ খাতের কাঁচামাল আমদানির খরচ বাদ দিলে দেখা যায়, অভিবাসী কর্মীদের পাঠানো রেমিট্যান্স থেকে নেট বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন গার্মেন্টের চাইতে তিনগুণ বেশি।

দেশে প্রবাহিত বৈদেশিক সাহায্যের তুলনায় এটি ছয়গুণ এবং ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্টের বারো গুণ বেশি তাই এই কথা বলতে বাধা নেই যে ‘অভিবাসীর ঘামের টাকা সচল রাখছে দেশের চাকা’।বিদেশে কর্মরত শ্রমিকরা প্রতিবছর দেশে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার পাঠায়। প্রতিবছর এ মুদ্রা পাঠানো বৃদ্ধি পাচ্ছে। ‘২০০৫-০৬ অর্থবছরে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং চলতি অর্থবছরে এটি ৯ গুণ বেড়ে ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।’

দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ১৩ জুন, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘২০০৫-০৬ অর্থবছরে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং চলতি অর্থবছরে এটি ৯ গুণ বেড়ে ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।’বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৪ দশমিক ২২৮ বিলিয়ন ডলার; ২০১৪-১৫ অর্থবছরে দেশে আসে ১৫ দশমিক ৩১৬ বিলিয়ন ডলার; ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আসে ১৪ দশমিক ৯৩১ বিলিয়ন ডলার; ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে ১২ দশমিক ৭৬৯ বিলিয়ন ডলার; ২০১৭-১৮-তে আসে ১৪ দশমিক ৯৮১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১০ মাসে প্রবাসীরা দেশে অর্থ পাঠিয়েছে ১৩ দশমিক ৩০৩ বিলিয়ন ডলার।

কিন্তু দেশে পাঠানো এই অর্থের দ্বিগুণ অর্থ অবৈধ চ্যানেল হুন্ডির মাধ্যমে পাঠানো হয়। ফলে অন্য দেশে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়ে যায়। হুন্ডির মাধ্যমে প্রবাসী আয় দেশে আসার ক্ষেত্রে ওই দেশে বসে থাকা হুন্ডির এজেন্টরা প্রবাসীদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেয়। আর দেশে অবস্থানরত অপর এজেন্ট প্রবাসীদের পরিজনদের কাছে টাকা দিয়ে দিয়ে।এর ফলে প্রবাসীর পরিজনরা দেশে টাকা পেলেও প্রবাসী আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। এ ছাড়া দেশে টাকা না পাঠিয়ে বিদেশে পাঠানোর ঘটনাও ঘটছে। নতুন অর্থবছরের (২০১৯-২০) বাজেটে প্রবাসীদের জন্য বীমা সুবিধার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগের কোনো বাজেটেই ছিল না।

এর মধ্য দিয়ে রেমিট্যান্স-যোদ্ধাদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি পূরণ হচ্ছে। এর আওতায় বীমাকারী মারা গেলে, দুর্ঘটনাজনিত স্থায়ী ও সম্পূর্ণ অক্ষমতা বা পঙ্গুত্ববরণ করলে মূল বীমার শতভাগ পরিশোধ করার বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের ভিত্তিতে দাবি পরিশোধ করা হবে।
এবারের বাজেটে প্রবাসীদের জন্য দেয়া হয়েছে আরেকটি সুখবর- এটিও এবারই প্রথম। বৈধপথে দেশে টাকা পাঠালে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা পাবেন তারা। বৃহস্পতিবার বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, প্রবাসী আয় পাঠানোর ক্ষেত্রে বাড়তি ব্যয় কমানো এবং বৈধপথে অর্থ প্রেরণ উৎসাহিত করতে প্রস্তাবিত বাজেটে ৩ হাজার ৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

ফলে বৈধপথে প্রবাসী আয় আসার পরিমাণ বাড়বে এবং হুন্ডি ব্যবসা নিরুৎসাহিত হবে বলে আশা করছি। প্রস্তাবে বলা হয়েছে, বীমা নীতিমালার আওতায় প্রবাসী কর্মীদের জীবন বীমা সুবিধা প্রদান করা হবে। সাধারণত মৃত্যুর ক্ষেত্রে বীমা সুবিধায় প্রিমিয়াম হার ও বীমা অঙ্ক বীমা গ্রহীতাদের বয়সভেদে পার্থক্য হয়ে থাকে।
তবে প্রবাসী কর্মীদের একটি গ্রুপ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বীমা প্রকল্পটি বা পলিসি সহজীকরণের লক্ষ্যে বীমা গ্রহীতাদের বয়স নির্বিশেষে অভিন্ন প্রিমিয়াম হার আরোপ করা হবে।এদিকে প্রবাসীরা বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠালে একই সঙ্গে দেশ ও প্রবাসীদের পরিজনরা উপকৃত হন। প্রবাসীরা যখন বৈধ পথে দেশে অর্থ পাঠান তখন ব্যাংকগুলো বাংলাদেশি মুদ্রায় ওই অর্থ স্থানান্তর করে দেশে অবস্থানরত পরিজনদের কাছে হস্তান্তর করে। আর ওই বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ অর্থ হিসাবে জমা থাকে।

কিছু অর্থ বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোও জমা রাখে। এ অর্থ বৈদেশিক বাণিজ্য ও ঋণ পরিশোধে ব্যবহৃত হয়। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ আকারে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা থাকলে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহজ শর্তে বৈদেশিক ঋণ পেতে পারে। আমদানির ক্ষেত্রে এলসি (ঋণপত্র) খুলতে দেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানো রোধ ও প্রশিক্ষিত করে শ্রমিকদের বিদেশে পাঠাতে পারলে প্রবাসী আয় ৩৩ বিলিয়ন ডলারের কোটা থেকে কয়েক বছরের মধ্যে ৪০ বিলিয়নে উত্তীর্ণ হওয়া অসম্ভব নয়।

গত পাঁচ বছরে কর্ম উদ্দেশ্য নিয়ে বিদেশে যাওয়া অভিবাসীর সংখ্যায় এক ধরনের স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের শ্রমবাজার মূলত সাত থেকে দশটি দেশের মাঝে সীমাবদ্ধ। তার ওপরে আবার একেক বছরে একেকটা দেশে প্রায় ৫০ ভাগের অধিক কর্মী গিয়ে থাকেন।গত সাত বছর ধরে বাংলাদেশ সৌদি আরবে পুরুষ শ্রমিক প্রেরণ করতে পারছিল না। কুয়েতে দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসান প্রায় বন্ধ। জি-টু-জির ব্যর্থতার কারণে গত চার বছরে মালয়েশিয়াতেও খুব অল্প সংখ্যক লোকই যেতে পেরেছিল।রেমিট্যান্স আহরণের ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, মানি লন্ডারিং-এর ওপর আন্তর্জাতিক নজরদারি ব্যাংকসমূহের উৎসাহে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণের হার বেড়েছে। তবে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত এই তিনটি দেশ থেকে পাঠানো রেমিট্যান্সের অনেকটাই এখনও হুন্ডির মাধ্যমে হচ্ছে।

সিঙ্গাপুর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে আমদানি-রফতানি ব্যবসায় নিয়োজিতরা ‘আন্ডার ইনভয়েসিং’ এবং ‘ওভার ইনভয়েসিং’ করে ট্যাক্স ফাঁকি দেয়ার কাজে হুন্ডির টাকা ব্যবহার করে। স্বর্ণ পাচারকারীরাও হুন্ডি ব্যবহার করে থাকে ফলে এই দেশ গুলো হতে বৈধ পথে রেমিট্যান্স বেশ কম আসছে।
অভিবাসন বাংলাদেশের গ্রামীণ সমাজে দারিদ্র্য বিমোচনেও ভূমিকা রেখেছে। সমীক্ষা থেকে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক অভিবাসী পরিবারে মাত্র ১৩ ভাগ দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করেন। অনভিবাসী পরিবারগুলো প্রায় ৪০ ভাগই দারিদ্র্যসীমার নীচে বাস করছেন।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন হয় না এমন এলাকার তুলনায় অভিবাসন হয় এমন এলাকায় মজুরি বেশি, স্থানীয় বাজারের সম্প্রসারণ বেশি, প্রযুক্তি নির্ভর বিশেষায়িত পণ্যর ব্যবহার বেশি, কৃষি আধুনিকীকরণে বিনিয়োগ বেশি। অর্থাৎ অভিবাসীরা স্থানীয় অর্থনীতিতে পরোক্ষভাবে অবদান রাখছেন ‘মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট’ তৈরি করে।এদিকে সাম্প্রতিক কালে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে বিমান বন্দরে দুর্নীতি, চোরাচালান ও যাত্রী হয়রানির মতো ইত্যাদি ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটে চলেছে। বিদেশ প্রত্যাগত বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য এবং মালয়েশিয়া প্রত্যাগত শ্রমিকদের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বিভিন্নভাবে হয়রানি করে থাকে।

আর পাসপোর্ট অফিসের সীমাহীন হয়রানীর কথা সকলের জানা। প্রয়াসীরা চান এ দুটি বিষয়ে সরকারি নজরদারি আরো জোরালো করা উচিত। যাতে কোন প্রবাসী হয়রানীর শিকার না হন।মালয়েশিয়ার ইসলামিক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এসএম আবাদুল কুদ্দুছ (পিএইচডি) বলছেন, ২০১৪ সালের শুরুতে আমরা দেখেছি অবৈধ সমুদ্র পথে অভিবাসনে প্রলুব্ধ করেছে কিছু মানবপাচারকারী গোষ্ঠী। থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ার জঙ্গলে গণকবরে শুয়ে আছেন বহু নাম না জানা অভিবাসী।
১০ হাজার টাকায় তাদের মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়া হবে বলে নৌকায় তুলে মাঝ পথে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। না দিতে পারলে তাদের অনেককেই সমুদ্রে ফেলে দেয়া হয়েছে। অনেক সময় মনে হয়েছে দোষী ব্যক্তিদের শাস্তি দিতে প্রশাসন দ্বিধাগ্রস্ত ক্রস ফায়ারে পরে গেছেন নীচের দিকের কিছু দালালেরা। যথাযত আইনে মামলা রজু হয়নি। বৈধ অভিবাসনের পথ সচল রাখতে হলে অবৈধ অভিবাসন পরিচালনাকারীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

মাহাসা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ডা: আবুল বাসার বলছেন, অভিবাসনকে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রবৃদ্ধি এবং সমতা অর্জনের লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে অভিবাসী পরিবারগুলো কীভাবে সম্পৃক্ত হবে তার দিক নির্দেশনা দেওয়া প্রয়োজন।
মানবাধিকার কর্মী হারুন আল-রশিদ বলছেন, ২০০০ সালের শুরু থেকে বিভিন্ন সরকার অভিবাসনে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নজর দিয়েছেন। নতুন মন্ত্রণালয় খোলা হয়েছে, নীতি এবং আইন তৈরি হয়েছে, সহজ শর্তে ঋণদানের জন্যে প্রবাসী ব্যাংক খোলা হয়েছে কিন্তু অভিবাসন এমন একটি জটিল বিষয় যে এখানে সুফল ধরে রাখা বেশ কঠিন। বিশ্বায়ন থেকে ছুড়ে দেওয়া বিভিন্ন সমস্যা মোকাবেলায় নিত্যনতুন পদক্ষেপ গ্রহণ প্রয়োজন।

তিনি মনে করেন, বিমানবন্দর ও পাসপোর্ট দালালের হয়রানী কমাতে, গ্রহণকারী দেশে সেবা দিতে, ফিরে আসা কর্মীদের পুনর্বাসনে নির্দিষ্ট পলিসি, চাই অর্থ আর রিসোর্স বরাদ্দ করা আর সরকারের দায়বদ্ধতা।প্রবাসী শ্রমিকনেতা শাহ আলম হাওলাদার বলছেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ৭-৯ লাখ মানুষ দেশের বাইরে যায়। বিপুলসংখ্যক জনশক্তি বাইরে গেলেও এর প্রায় পুরোটাই অদক্ষ। ফলে তাদের উপার্জনও কম।

এক্ষেত্রে সরকার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তাদের বিদেশে পাঠাতে চায়। বর্তমানে সীমিত পরিসরে এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা চালু থাকলেও দালালের মাধ্যমে বা অবৈধভাবে বিদেশে যান তারা প্রশিক্ষণ ছাড়াই যান।শাহ আলম আরোও বলছেন, প্রবাসে বৈধ অবৈধ সবাই রেমিট্যান্স যোদ্ধা। বর্তমানে মালয়েশিয়া যারা বৈধ অবৈধ কর্মরত রয়েছেন। কেউই ভালো নয়। কারণ অবৈধরা মালয়েশিয়া সরকারের চলমান অবৈধ শ্রমিক ধরপাকড় অভিযানের ভয়ে ফেরারি হয়ে দিনাতিপাত করছেন। দুই দেশের কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে তাদের বৈধতা বা অবৈধদের একটি শৃঙ্খলার মধ্যে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

আজ ১৭/০৬/২০১৯ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত !!

এই মুহূর্তে দেশে ও দেশের বাইরে যে যেখান আছেন সবাইকে “আমার বাংলাদেশ”এর পক্ষ থেকে স্বাগতম !যারা দেশের বাইরে কাজ করছেন তারা দেশের জন্য অত্যান্ত উপকার করছেন । দেশে টাকা পাঠানোর পূর্বে টাকার রেট ভালোভাবে দেখে নিন। আজ ১৭/০৬/২০১৯ তারিখ দিনের শুরুতে দেখে নিন আজকের টাকার রেট !

সৌদি রিয়াল (SAR) =22.60৳

মালয়েশিয়ান রিংগিত (MYR) = 20.75৳

দুবাই দেরহাম (AED ) = 23.25৳

বাহরাইন দিনার (BHD ) = 225.02৳

ব্রিটিশ পাউনড (GBP) = 111.43 ৳

কুয়েতি দিনার (KWD ) = 278.16 ৳

কাতারি রিয়াল(QAR) =23.35৳

সিঙ্গাপুর ডলার ( SGD) = 62.75 ৳

ওমানি রিয়াল (OMR) = 219.32৳

ইউএস ডলার (USD) = 84.64৳

ইউরো (EUR) = 95.05 ৳

মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া (MVR ) = 5.05৳

আফগানিস্তান  (AFN) = 1.09 ৳

নিউজিল্যান্ড ডলার(NZD) = 55.20৳

কানাডিয়ান ডলার (CAD) = 63.15৳

ইন্ডিয়া রূপি (INR) = 1.21৳

সাউথ আফ্রিকান রেন্ড (ZAR) =5.51৳

অস্ট্রেলিয়ান ডলার( AUD)=59.40৳

ইরাকি দিনার (IQD) = 0.07৳

দক্ষিণ কোরিয়ান উয়ান(WAN)= 0.074৳

জাপানিজ (YEN) = 0.739৳

চাইনিজ উয়ান ( YUAN) =12.11৳

সোমালিয়া (SOS ) = 0.14 ৳

কিছু কিছু কোম্পানিতে রেট আপডেট করতে সময় নেয় তাই দেশে টাকা পাঠানোর আগে ভালোভাবে রেট যাচাই করে নিন ।

হুন্ডি বা অবৈধ পথে টাকা পাঠাইয়া নিজে ঝুঁকিতে থাকবেন না । তাতে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, দেশ ও উপকৃত হবে। যে কোন সময় টাকার রেট উঠা নামা করতে পারে। প্রতিদিন আপডেট পেতে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন।।প্রতি মুহূর্তে আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেনের তারতম্যের সাথে সাথে টাকার রেট উঠানামা করে।বিভিন্ন দেশ থেকে বৈধ পথে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর বিভিন্ন এজেন্ট আছে যেমন মানি গ্রাম , ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন , রিয়া ইত্যাদি ।

আজ ১৬/০৬/২০১৯ আরব আমিরাত ও সৌদি আরব সহ বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের রেট দেখে নিন !

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশ এ স্বাগতম ! ধনী থেকে গরিব সবাই চায় এটি কাছে রাখতে । কিন্তু অনেক দাম হওয়ার কারনে শুধু ধনী বাক্তিরাই সেটি সংরক্ষন করতে পারে। তবে যারা দেশের বাইরে থাকেন তারাও মাঝে মাঝে ভাল স্বর্ণ কম মূল্যে কিনতে পারে। তার প্রবাসী ভাইদের জন্য এটি বেশ।

ভরি =১১.৬৫৪ গ্রাম

বাংলাদেশ: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট)  =  3535  টাকা ।  দুবাই: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  162.55 দেরহাম,  (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 152.45 দেরহাম । সৌদি আরব: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  163.40 সৌদি রিয়্যাল, (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 149.70 সৌদি রিয়্যাল ।

কাতার: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 151.34 কাতারি রিয়্যাল ।

সিঙ্গাপুর: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 56.45 ডলার ।

মালয়েশিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 170.90 রিংগিত ।

ইংল্যান্ড: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 30.30 ব্রিটেন পাউন্ড ।

বাহরাইন: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 15.85 দিনার ।

ওমান: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 16.49 রিয়াল ।

অস্ট্রেলিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 58.68 অস্ট্রেলিয়ান ডলার ।

কুয়েত: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 12.23 দিনার ।

কানাডা :  প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  55.28 কানাডিয়ান ডলার ।

আমেরিকা: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 41.43 আমেরিকান ডলার ।

যেকোনো সময় স্বর্ণের রেট উঠানামা করতে পারে।প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন। যে যেখানে আছেন নিরাপদে থাকুন, আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন।নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় আমার বাংলাদেশের এর সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ ।

আমি সংসদে দাঁড়ালেই ৩০০ এমপিই উত্তেজিত হন : সংসদে রুমিন !

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি রুমিন ফারহানা দাবি করেছেন, তিনি সংসদে কথা বলার জন্য দাঁড়ালেই সরকারদলীয় তিনশ এমপি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তিনি বলেন, ‘আমি আমার দলের কথা বলব, তারা তাদের কথা বলবেন। কিন্তু আমি উঠে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো সংসদ যদি উত্তেজিত হয়ে যায়, ৩০০ সদস্য যদি মারমুখী হয়ে যান তাহলে আমি আমার বক্তব্য কীভাবে রাখব?’

রোববার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সংসদের সভাপতিত্বে থাকা ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী বলেন, ‘আমি আপনাকে বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করব, আপনি এমন কোনো কথা বলবেন না যেটাতে অপর পক্ষ উত্তেজিত হবে এবং সংসদ পরিচালনায় ব্যত্যয় ঘটবে।’

এরপর রুমিন বলেন, ‘আমরা সংসদে আসার সময় সংসদ নেতা বলেছিলেন, আমরা আমাদের কথা বলতে পারব। সংসদ সদস্যরা ধৈর্যসহকারে সেটি শুনবেন। আমার প্রথম দিনের দুই মিনিটের বক্তব্য এক মিনিটও শান্তিতে বলতে পারিনি। একই ঘটনা আজকেও ঘটছে। যদি তাই হয় তাহলে কোন গণতন্ত্রের কথা আমরা বলি, কোন বাকস্বাধীতার কথা বলি, কোন সংসদের কথা আমরা বলি? এভাবে তো একটা সংসদ চলতে পারে না।’

সম্পূরক বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, একটা সরকারের সক্ষমতা ক্রমশ বাড়ার কথা। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি এ সরকারের সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে আসছে। বাজেটের মাত্র ৭৬ শতাংশ আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি। যে রাজস্ব আদায়ের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় সেই রাজস্ব আমরা কখনই আদায় করতে পারি না।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এ নির্বাচন কমিশন কী ধরনের নির্বাচন করেছে- স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত তা স্পষ্ট হয়ে গেছে। কী ধরনের নির্বাচন হয়েছে, এখানে যে সদস্যরা রয়েছেন তারা আল্লাহকে হাজির নাজির করে বলুক সংবিধান অনুযায়ী জনগণের প্রত্যেক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন কি না।

তিনি বলেন, তারা কয়জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুক। যদি বিবেক থেকে থাকে আপনাদের নিজেদের উত্তর নিজেই পেয়ে যাবেন। কী ধরনের নির্বাচনের মাধ্যমে এ সংসদে এসেছেন। আমাদের কথা দেওয়া হয়েছিল, এ সংসদে আমাদের কথা বলতে দেওয়া হবে। এ জন্য এ সংসদ নির্বাচিত নয় জেনেও আমরা সংসদে যোগ দিয়েছি। কারণ, আমাদের মিটিং করতে দেওয়া হয় না। ভেবেছিলাম সংসদে জনগণ, আমার দল নিয়ে কথা বলতে পারব। কিন্তু আমার দুর্ভাগ্য এ সংসদের সরকারি দলের এমপিদের এতটুকু ধৈর্য নেই আমার কথা শোনার।

রুমিন ফারহানা বলেন, দেশে আইন আছে, আদালত আছে। কিন্তু আইনের শাসন নেই। সে কারণে মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে গত এক বছরে বিচারবর্হিভূত ৪৫০টি হত্যা হয়েছে। এ বিচারবর্হিভূত হত্যা কত জঘন্য ঘটনা, কোনো সভ্য রাষ্ট্রে তা চলতে পারে না। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের রিপোর্ট মতে, গত এক দশকে গুম হয়েছে ৬শ’ এর উপরে। আমার সুযোগ হয়, এ গুম হওয়া পরিবারের সঙ্গে বসার। তারা এখন শুধু লাশ চায়, যাতে একটু কবর দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গত এক মাসে মৃত্যু উপত্যকা বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ১৬৮টি। বাংলাদেশ এখন ধর্ষণের রঙ্গমঞ্চ। আমার দুঃখ লাগে স্পিকার এ সংসদের একজন নারী এমপিও এ নিয়ে কথা বলেন না। বাংলাদেশে এখন এক বছর থেকে শুরু করে ১০০ বছরের বৃদ্ধাও ধর্ষিত হচ্ছে। কিন্তু কোনো বিচার হয় না। কোনো না কোনোভাবে ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত বা সুবিধাভোগী তারাই এ ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত।

এ সময় সংসদে ধর্ষণের তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন তিনি। এছাড়া ব্যাংক কোম্পানি আইনের সমালোচনা করেন। মন্দ ঋণের তালিকা প্রকাশের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় বাজেটের টাকা কোথায় যায়, কার হাতে যায় তার তালিকা প্রকাশ করা হোক।বাংলাদেশে থেকে পাচার হয়ে যাওয়া টাকা সম্পর্কে বিএনপির এ সংসদ সদস্য বলেন, এ টাকা দিয়ে মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম তৈরি হয়। এ টাকায় কানাডায় বেগম পাড়া তৈরি হয়। পানামা পেপারে নাম আসে কিন্তু বিচার হয় না। এ দেশে গরিবের সোনা তামা হয়ে যায়। পাথর চুরি হয় যায় কিন্তু বিচার হয় না।

সুস্থ শরীরে প্রবাসে, স্বপ্ন পূরণের আগেই ফিরছেন লাশ হয়ে !!

ভাগ্য বিড়ম্বনার শিকার হয়ে প্রবাসে এসে শামিল হচ্ছেন মৃত্যুর মিছিলে। আর এই আকস্মিক মৃত্যু দিনেদিনে বেড়েই চলেছে। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের তুলনায় ২০১৮ সালে প্রবাসী মৃত্যু বেড়েছে প্রায় ১২ শতাংশ। যদিও এটি দেশে ফেরত আসা বৈধ শ্রমিকের মরদেহের হিসাবমাত্র।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব শ্রমিকের মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ। এদের অধিকাংশেরই বয়স ২৫-৩৫ বছরের মধ্যে। অভিবাসন ব্যয়ের তুলনায় কম আয়ের কারণে মানসিক চাপ ও দীর্ঘদিন স্বজনদের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার ফলে একাকিত্বই প্রবাসী শ্রমিকদের হৃদরোগের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পাশাপাশি দৈনিক ১২-১৮ ঘণ্টা পরিশ্রম, অপর্যাপ্ত খাবার ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গাদাগাদি করে থাকার কারণেও রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা।

তাই মানসিক চাপ কমাতে অভিবাসন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং প্রবাসী শ্রমিকদের মানসিক বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত বিনোদনের ব্যবস্থা তৈরি করার ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা।মালয়েশিয়ার মাহাসা ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ডা. আবুল বাশার বলেন, ‘প্রবাসীরা বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপের মধ্যে থাকায় তাদের মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্তের হার বেশি। এ ছাড়া দেশের বাইরে যাওয়ার পর তাদের খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন আসে, যা হৃদরোগের জন্য দায়ী। আবার অনেকে জানেন না, কোথায় কীভাবে চিকিৎসা নিতে হয়। কোনো ধরনের চেকআপের মধ্যে না থাকায় অনেকে হৃদরোগে ভুগলেও চিকিৎসা না করায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান’

চিরনিদ্রায় শায়িত জীবন যুদ্ধে হারমানা মালয়েশিয়া প্রবাসী রতন (৩৫)। অবুঝ দুই শিশুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগেই চলে গেলেন তিনি। আজ ভোর ৫টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল অন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছলে ছোট ভাই মনি রতনের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গেছেন। বেলা সাড়ে ১১টায় নরসিংদী বেলাবু গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

এ প্রবাসী ২০১৮ সালে কলিং ভিসায় আসারপর মেডিকেলে আনফিট হওয়ার কারণে কোম্পানি ভিসা করতে পারেনি। ফিরতি তাকে কোম্পানি থেকে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হলে সেই সময় রতন কোম্পানি থেকে চলে আসেন। কারণ ধার-দেনা করে স্বপ্নের দেশ মালয়েশিয়ায় এসেছেন পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে।অবৈধ অবস্থায় কয়েকদিন অন্য জায়গায় কাজ করার পর হার্ট স্ট্রোক করলে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব অব মালয়েশিয়ার সভাপতি মনির বিন আমজাদের আর্থিক সহায়তায় ও ভৈরবের মনিরুজ্জামান নরসিংদীর মোক্তার মিয়ার সার্বিক সহযোগিতায় গত ২১ মে সারডাং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিছুদিন চিকিৎসা নেয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সুস্থ করে তুললেও গত ২ জুন উচ্চ রক্তচাপে আবার স্ট্রোক করলে ৫ জুন রতনকে ফের কুয়ালালামপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তার অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। ১১ জুন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন এ রেমিট্যান্স যোদ্ধা।প্রবাসী শাহ আলম হাওলাদার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিবাসী কর্মীরা ঋণ নিয়ে বিদেশে যায়। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার পর যে বেতনের কথা তাদের বলা হয়, সে পরিমাণ তারা পায় না।’

তাদের ঘাড়ে ঋণের একটা বোঝা থেকে যায়। এক্ষেত্রে যেটা হয় অনেকেই এই চাপ নিতে পারে না। এতে তাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা কাজ করে, ফলে হার্ট অ্যাটাক করে মারা যায়।’তিনি বলেন, ‘তাই এক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে যে তারা একটি স্ট্যান্ডার্ড কর্ম-পরিবেশে কাজ করছে এবং এটা সরকারকেই করতে হবে। আমি এও মনে করি, অভিবাসনের যে খরচ সেটা না থাকলে তাদের মধ্যে এই টেনশন কাজ করবে না। খরচ তুলে আনার বিষয়ে যে অস্থিরতা তাদের মধ্যে কাজ করে এটা আর থাকবে না।’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে মোট ৩ হাজার ৭৯৩ বাংলাদেশি কর্মীর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। ২০১৭ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৩৮৭। এ ছাড়া ২০১৬ সালে ৩ হাজার ৪৮১, ২০১৫ সালে ৩ হাজার ৩০৭ ও ২০১৪ সালে ৩ হাজার ৩৩৫ জন বৈধ কর্মীর মরদেহ দেশে এসেছিল। অধিকাংশের ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে স্ট্রোক ও হৃদরোগ।২০১৮ সালে ৩ হাজার ৬৭৬ জন বৈধ কর্মীর পাশাপাশি অবৈধভাবে কর্মরত ১১৭ জনের মরদেহও দেশে এসেছে। এর মধ্যে ৩ হাজার ৩৫৩টি মরদেহ এসেছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এ ছাড়া ৩৭৪টি মরদেহ এসেছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৬৬টি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে।

বেশির ভাগ মরদেহই এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি এসেছে সৌদি আরব থেকে। আরবের পর বেশি মরদেহ এসেছে মালয়েশিয়া থেকে।সুস্থ দেহে দেশ থেকে যাওয়ার পরও প্রবাসী শ্রমিকদের স্ট্রোক ও হৃদরোগে মৃত্যু কেন বাড়ছে, তা খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করেন মানবাধিকার কর্মী মো. হারুন আল রশিদ।তিনি বলেন, ‘প্রবাসী শ্রমিকরা বিদেশে পাড়ি দেয়ার আগে মেডিকেল চেকআপ করে যাচ্ছেন। সে সময় কিন্তু হৃদরোগ ধরা পড়ছে না। বিদেশে পৌঁছার পরও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় এ ধরনের কোনো উপসর্গ পাওয়া যাচ্ছে না। এরপরও প্রবাসী শ্রমিকদের অস্বাভাবিক মৃত্যু কেন বাড়ছে, সেটা খতিয়ে দেখা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আর যেসব মৃত্যুর কারণ হিসেবে দুর্ঘটনা বা অন্যান্য রোগের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলো কতটা ঠিক, তাও বিবেচনা করতে হবে। কারণ বিমানবন্দরে মরদেহ আসার পর স্বজনরা প্রকৃত কারণ খোঁজার চেয়ে তাড়াতাড়ি দাফনেই বেশি গুরুত্ব দেন। বেশি ব্যয়ে বিদেশে গিয়ে প্রত্যাশিত আয় করতে না পারার কারণেও মানসিক চাপে থাকছেন অনেকে।’

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অধিকাংশ প্রবাসী শ্রমিকই দালালের প্রলোভনে বেশি ব্যয়ে বিদেশে যাচ্ছেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে বেশিরভাগ সময়ই তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন না, যা তাদের সবসময় মানসিক চাপের মধ্যে রাখছে। আকস্মিক মৃত্যুর অন্যতম কারণ এটি।অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশ, যেমন প্রবাসী ভারতীয় ও নেপালের নাগরিকদের আকস্মিক মৃত্যুর হার কম। কারণ সেসব দেশের অভিবাসন ব্যয় বাংলাদেশের তুলনায় অনেক কম।এ বিষয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিব মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডল বলেন, ‘শুধু যে স্ট্রোকের কারণে প্রবাসীরা মারা যায় তা না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মৃত্যুর কারণ দেখা যায় দুর্ঘটনা, স্ট্রোক বা হৃদরোগ।’

প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসীদের লাশ দেশে ফেরত পাঠানো হয়। ব্যক্তিদের পরিবার লাশ দাফনের জন্য বিমানবন্দরে ৩৫ হাজার এবং পরে যারা বৈধভাবে কোম্পানিতে কাজ করেছেন তারা ৩ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান পায়।
আর যারা অবৈধ অবস্থায় কর্মক্ষেত্রে মৃত্যুবরণ করেন তাদের বেলায় কোম্পানির মালিকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণ আদায়ে দূতাবাস সর্বাত্মক চেষ্টা করে থাকে। পাশাপাশি জনহিতৈইশীদের সহযোগিতাও নেয়া হয়।প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী কর্মীদের পরিবারগুলোকে ২০১৮ সালে ১১৮ কোটি ৯৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা অনুদান দিয়েছে বোর্ড। ২০১৭ সালে এর পরিমাণ ছিল ১০১ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

বাড়লো আরব আমিরাতের দিরহামের রেট !

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশে এ স্বাগতম ,আজ ১৬ জুন ২০১৯ ইং, বাংলাদেশী সময় রাত ৯:৫০ টা প্রবাসী ভাইরা জেনে নিন আরব আমিরাতের দিরহাম এ বাংলাদেশি টাকায় কত জেনে নিন ।

আজ ১৬  জুন AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.23৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
গত  ১৪ জুন AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 22.99৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)

আজ ১৬ জুন রাতের 1 US ডলার = 84.55 ৳
গত ১৪ জুন 1 US ডলার = 84.00 ৳     প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি, যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন।আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন।

সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।টাকার রেট উঠানামা করে। দেশে টাকা পাঠানোর আগে ভালোভাবে রেট যাচাই করে নিন। হুন্ডি বা অবৈধ পথে টাকা পাঠাবেন না। তাতে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, দেশ ও উপকৃত হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। অল বিডি সেভেন.কমএর সাথেই থাকুন!”।