যে কারণে ওয়ালটনকে ভেন্টিলেটর তৈরিতে আমেরিকান কোম্পানি সহায়তা করছে

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের এ দুঃসময়ে দেশে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে যাচ্ছে ওয়ালটন। জানা গেছে ওয়ালটনকে সব ধরনের সহায়তা করতে যাচ্ছে নাকি আমেরিকান কোম্পানি মেডট্রনিক (Medtronic)। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন আমেরিকান কোম্পানি ওয়ালটনকে সহযোগিতা করবে। সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে ডিফেন্স রিসার্স ফোরাম এর করা একটি পোস্টে।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকেই ডিফেন্স রিসার্স ফোরামের পেজ থেকে একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে। পাঠকের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।পোস্টটিতে বলা হয়েছে, ফুসফুসের ব্রোংকিউল গুলি যখন ফ্লামেটেড হয় এবং জলীয় পদার্থ জমে তখন শ্বসনের মাধ্যমে নেয়া অক্সিজেন অক্সি হিমোগ্লোবিনে রূপান্তরে বাধা প্রাপ্ত হয়। শুরু হয় শ্বাস কষ্ট এবং নিউমোনিয়া।

এমন সময় শ্বাস স্বাভাবিক রাখতে ভেন্টিলেটর লাগে। এটি তৈরি করা এত সহজ কোনো বিষয় না।আপনারা জেনেছেন ওয়ালটন দেশে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে যাচ্ছে। কিন্তু এত হাইটেক জিনিস তারা কীভাবে বানাবে? বলা হচ্ছে আমেরিকান কোম্পানি Medtronic ওয়ালটন কে সব ধরনের সহায়তা করবে।এখানে প্রশ্ন আসে মেডট্রনিক কেন ওয়ালটনকে এ ক্রান্তিকালে সহায়তা করছে?? এর পেছনে একজন বাঙালির প্রতি কৃতজ্ঞতা না প্রকাশ করলে অন্যায় হবে। তিনি হলে বিশ্বের এক নম্বব মেডিকেল ইকুইপমেন্ট নির্মাতা কোম্পানি মেডট্রনিক এর CEO জনাব ওমর ইসরাক। এ কোম্পানির সম্পদের পরিমাণ $১০০ বিলিয়নের বেশি। সারা বিশ্বে প্রায় ১ লাখ মানুষ কাজ করে এ কোম্পানিতে।ঠিক এরকম একটি কোম্পানির সিইও জনাব ওমর ইসরাক ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করা এবং সেন্ট জোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে পড়া একজন গর্বিত বাঙালি।

তার আরেকটি পরিচয় আছে। ইনটেল কে চেনে না এমন কোনো মানুষ নেই। জনাব ওমর ইসরাক এই ইনটেল কোম্পানির চেয়ারম্যান।ফেসবুকে ভারতীয়রা গর্ব করে নাসায় তাদের অমুক অমুক বিজ্ঞানী আছে, গুগলে আছে ইত্যাদি। কিন্তু আমারা বাংলাদেশিরা কখনো এ দেশের সফল মানুষদের চিনতে চাই না। আগ্রহ পায় না। ডেফ্রেস এর আগে বেশ কয়েকটি পোস্টের মাধ্যমে এ রকম অনেক বাংলাদেশির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

কোভিট-১৯ এর এই দুর্যোগে জনাব ইসরাক মেডট্রনিক (Medtronic) কোম্পানির তৈরি করা PB-560 ভেন্টিলেটর এর স্বত্ব উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যে কেউ চাইলে এখন থেকে ডিজাইন এবং স্পেসিফিকেশন নিয়ে এটি তৈরি করতে পারবে। ওয়ালটনের ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এই মেডট্রনিক কোম্পানি।

নিউইয়র্কে হাজার রোগীর শয্যা নিয়ে আসা জাহাজ দেখতে হাজারো মানুষের ভিড়

নিউইয়র্কে ম্যানহাটনের পিয়ার-৯০–তে আমেরিকান নেভির জাহাজ ইউএসএনএস-কমফোর্ট এক হাজার রোগীর শয্যা নিয়ে নিউইয়র্কে এসেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ দুপুরে সেই জাহাজ দেখতে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করেছিল।
ওই এলাকার কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা রাজুব ভৌমিক বলেন, এটা আসলে মানুষের স্বভাব।
মানুষ জন্মগতভাবেই কৌতূহলপ্রিয়। কিন্তু এই কৌতূহল যেন কারও মৃত্যুর কারণ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ জাহাজ দেখতে আসেন নিউইয়র্কবাসী।সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ জাহাজ দেখতে আসেন নিউইয়র্কবাসী। আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৫৩ জন। নিউইয়র্ক রাজ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় নিউইয়র্কে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৩২৫। এতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৪২ জনের।

যার শরীর থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে করোনা খোঁজ মিলল তার

মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ১৯৯টি দেশ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৭ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু বরণ করেছেন ৩৬ হাজার ২২৬ জন মানুষ। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। এক্ষেত্রে তারা হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন সেই রোগীকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীকে। তারা মনে করেন ‘পেশেন্ট জিরো’ রোগীকে ভালভাবে পরীক্ষা করলে প্রতিরোধের উপায় এবং ভ্যাকসিন বের করা সহজ হবে। অবশেষে মিলেছে সেই পেশেন্ট জিরো রোগী।

ইন্ডিয়া টাইমস জানায়, প্রথম করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে ৬৭ বছর বয়সী এক চীনা মহিলা। নাম ওয়েই গুইশিয়ান। তিনি চীনের উহান শহরের বাজারে চিংড়ি মাছ বিক্রি করতেন।এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ওয়েই গুইশিয়ান গত বছরে ১০ ডিসেম্বর হুনান সি ফুড মার্কেটে চিংড়ি বিক্রির সময় অসুস্থ হয়েছে পরেন। প্রথমে ফ্লুয়ের মতো উপসর্গ নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে যান ওয়েই। প্রথমে তাঁকে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু দিনের পর দিন ক্রমশ দুর্বল হতে থাকেন গুইশিয়ান। দিন দুয়েক পরই উহানের ইলেভন্থ হাসপাতালে যান। সেখানেও ধরা পড়েনি এই মারণ-ভাইরাস। ১৬ ডিসেম্বর ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় উহান ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান গুইশিয়ান। আর সেই হাসপাতালেই তাঁকে বলা হয় যে, শরীরে কঠিন রোগ বাসা বাঁধছে।

এরপরই ওই হাসপাতালে বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা, যাদের সবার শরীরেই একই ধরনের উপসর্গ। গুইশিয়ানের দেখাদেখি ওই হাসপাতালে ছোটেন হুনান মার্কেটের আরও অনেক মানুষ। এমনকি অনেক ক্রেতাও আক্রান্ত হয়ে পড়েন ওই রোগে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে ওয়েই গুইশিয়ানকে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়। তাঁর শরীরে মেলে COVID-19 ভাইরাসের উপস্থিতি মেলে। সে সময় ডাক্তারদের ধারণা, উহানের ওই সামুদ্রিক খাবার বিক্রির মার্কেট থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

চীনের চিকিৎসকরা মনে করেন, উহানের ওই মার্কেটের টয়লেট ব্যবহার করাতেই তাঁর শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়।

উহান মিউনিসিপ্যাল হেলথ কমিশনের তরফে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে যে, প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন যে ২৭ জন রোগী তাঁদের মধ্যে প্রথমেই ছিলেন ওয়েই গুইশিয়ান।

ব্রেকিং নিউজ:মা’রা গেলেন সালমান খানের ভাইপো

চলে গেলেন সালমানের ভাইপো আবদুল্লা খান। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই জীবন যু’দ্ধে পরাজিত হলেন মুম্বাইয়ের একজন জনপ্রিয় বডি বিল্ডার। ভাইপোর মৃ’ত্যুতে শো’ক প্রকাশ করেন সালমান। আবদুল্লার ছবি প্রকাশ করে তিনি জানান, ‘আমরা তোমাকে সব সময় ভালোবাসব’।

শ্বাসনালীতে সং’ক্রমণ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতাল ভর্তি ছিলেন আবদুল্লাহ। সোমবার রাতে ওই হাসপাতালেই মৃ’ত্যু হয় তাঁর। এদিকে করোনা সং’ক্রমণ রুখতে প্রধানমন্ত্রী মোদির ডাকা ২১ দিনের লকডাউনে বর্তমানে পানভেলের বাগান বাড়িতে রয়েছেন সালমান খান। বাবা, মা, ভাই, বোনদের নিয়ে সেখানেই আপাতত রয়েছেন বলিউড ভাইজান। ফলে আবদুল্লার শেষকৃ’ত্যে সালমান হাজির হবেন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানান যায়নি।

৩৮ বছরের আবদুল্লা খানের মৃ’ত্যুতে শো’ক প্রকাশ করেন সালমানের রোমানিয়ান বান্ধবী ইউলিয়া ভন্তুর। আবদুল্লার পুরনো স্মৃতি উসকে ইউলিয়া লেখেন, তাঁর কথা সব সময় মনে রাখবেন তিনি। জীবনের চলার পথে বাধা বিপত্তি টপকে কীভাবে এগিয়ে চলতে হয়, আবদুল্লাহর কাছ থেকে শিখেছিলেন তিনি। সালমানের ভাইপোর মৃ’ত্যুর খবরে শোক প্রকাশ করেন বলিউড অভিনেত্রী ডেইজি শাহও।

ভারতে ভয়াবহ হচ্ছে করোনা, একদিনেই শনাক্ত ২৩০

ভারতে ভয়াবহ হচ্ছে করেনা পরিস্থিতি। সোমবার দেশটিতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন। এমন তথ্য জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, দেশটিতে সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ২৫১ জন। আর মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২।

দেশটির রাজ্যগুলোর মধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে কেরালা। সেখানে এরিমধ্যে ২০২ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর রয়েছে মহারাষ্ট্র। রাজ্যটিতে ১৯৮ জন শনাক্ত হয়েছেন। তবে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে মহারাষ্ট্রে। ওই রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৮। অন্য দিকে কর্ণাটকে ৮৩ জন এবং উত্তরপ্রদেশে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৭৫ জন।

অন্য দিকে, রোববার রাতে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে তিন জন করোনা আক্রান্ত হন। এ রাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ২২ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যেই রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সূত্র: somoynews.tv

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় ২৯ বাংলাদেশির প্রাণহানী

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় সোমবার (৩০ মার্চ) একদিনে ছয় বাংলাদেশিসহ ৫৭৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২০ হাজার। এ নিয়ে দেশটিতে মারা গেলেন ২৯ বাংলাদেশি।

যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজারের বেশি। এ অবস্থায় নিউইয়র্কে প্রবাসীদের জরুরি চিকিৎসায় বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি প্যানেল গঠন করেছে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট।

করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিউইয়র্কে পৌঁছেছে নৌবাহিনীর এক হাজার শয্যার ভাসমান হাসপাতাল। পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম অবস্থায় ম্যানহাটনের সেন্ট্রাল পার্কে স্থাপন করা হয়েছে আরও একটি হাসপাতাল।

এমন পরিস্থিতিতেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশব্যাপী লকডাউনের পরিকল্পনা নাকচ করে দিয়েছেন।

করোনার সংক্রমণ শুরুর পর সোমবার, যুক্তরাষ্ট্রে একদিনে রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে। এদিন আক্রান্ত ও মারা গেছেন বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিও। এ অবস্থায় প্রবাসীদের জরুরি চিকিৎসায় একটি আপদকালীন প্যানেল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট।

এরইমধ্যে অন্তত আট বাংলাদেশি চিকিৎসক প্রবাসীদের চিকিৎসায় স্বেচ্ছায় এগিয়ে এসেছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং কনস্যুলেটের ওয়েব সাইটে এই চিকিৎসকদের নাম ও ফোন নম্বর পাওয়া যাবে বলেও জানানো হয়।

নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বাংলাদেশিদের আক্রান্ত হওয়ার বিভিন্ন খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। এ সংখ্যাটি নেহায়েত কম নয়। সোমবার করোনায় নিউইয়র্কে ও মিশিগানে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিও মারা গেছেন। এরমধ্যে একজন আলোকচিত্র সাংবাদিক।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে কোভিড -১৯ এর কারণে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ৩ মাস বাড়াল !

সংযুক্ত আরব আমিরাত মন্ত্রিপরিষদ কোভিড -১৯ মহামারীর প্রভাবকে রক্ষার জন্য সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে নতুন সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে । নতুন সিদ্ধান্তগুলি জনগণের স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা রক্ষা এবং সকল খাতে ব্যবসায়ের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করবে।

এই প্রসঙ্গে, মন্ত্রিপরিষদ সকল প্রবাসীদের ১লা মার্চ হইতে শেষ হওয়া আবাসিক ভিসা মেয়াদ অতিরিক্ত ফি ছাড়াই তিন মাসের নবায়নযোগ্য মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি বর্তমান দুঃসময় বিবেচনা করে বাসিন্দাদের সম্পর্কিত দায়বদ্ধতাগুলি রক্ষা করার উদ্দেশ্যে।

ফেডারাল কর্তৃপক্ষের পরিচয় ও নাগরিকত্ব প্রদান এবং মন্ত্রিসভা কর্তৃক অনুমোদিত পরিষেবাগুলি সম্পর্কিত লঙ্ঘনের সাথে জড়িত প্রশাসনিক জরিমানাও মন্ত্রিসভা মওকুফ করেছে। সিদ্ধান্তটি প্রথম এপ্রিল থেকে কার্যকর তিন মাসের নবায়নযোগ্য সময়ের জন্য বৈধ হবে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বিচারিক লেনদেনের সুবিধার্থে এবং মামলা-মোকদ্দমা এবং বিচার বিভাগীয় বিভাগের সমস্ত লোকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নোটারি পাবলিকের সেবার জন্য ডিজিটাল লেনদেন পরিচালনার সমাধান সংক্রান্ত একটি প্রকল্পের জন্য অস্থায়ী লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছে।

মন্ত্রিসভা অতিরিক্ত ১ লা এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে তিন মাসের পুনর্নবীকরণযোগ্য মেয়াদে ১লা মার্চ থেকে মেয়াদ শেষ হওয়া সরকারী পরিষেবাগুলির মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি , অনুমতি, লাইসেন্স এবং বাণিজ্যিক রেজিস্টার সহ সমস্ত ফেডারেল সরকারী পরিষেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সূত্র : খালিজ টাইমস

কুয়েতে করোনায় আক্রান্ত ৩ বাংলাদেশি শনাক্ত

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ২০ জনের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি শনাক্ত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে দেশটির স্থানীয় এক পত্রিকা। আক্রান্তদের মধ্যে ৬ জন কুয়েতি নাগরিক সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করে এসেছেন, একজন সৌদি আরব থেকে এবং কোয়ারেন্টিনে থাকা বাকি ১৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে

এদের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও ৯ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বলে জানায় কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কুয়েতে বর্তমানে সর্বমোট করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫৫ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬৭ জন, আইসিইউতে রয়েছেন ১২ জন। কুয়েত সরকার দেশের বাইরে

থাকা তাদের নাগরিকরা ফিরে আসার পর তাদের আলাদাভাবে কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করেছে। এ ছাড়া করোনা বিস্তার ঠেকাতে ও মোকাবেলায় কুয়েত সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি কড়া নজরদারি রেখেছে।

কাইশ্যা চরিত্রের অভিনেতা করোনা আক্রান্তের ৭ দিন পরই মারা গেলেন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জাপানের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা শিমুরা। তার প্রতিভা সংস্থা ইওয়া অফিস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে গেল ২০ মার্চ থেকেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এর তিনদিন পর করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে বাংলাদেশে কাইশ্যা নামে পরিচিত এই অভিনেতার।

এই ভাইরাসের কারণেই রোববার (২৯ মার্চ) ৭০ বছর বয়সী এই অভিনেতা মারা যান। জাপান টাইমস জানিয়েছে, কেন শিমুরা ২০ মার্চ নিউমোনিয়া সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে ভর্তি হন। পরবর্তীতে পরীক্ষার পর ২৩ তারিখ তার শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। জাপানের বিনোদন জগতের লোকদের মধ্যে তারই প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হন।

শিমুরা তার কাজের জন্য বিশ্বজুড়েই প্রশংসা পেয়েছেন। জাপানি এ অভিনেতা বাংলাদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়। বাংলায় তার ডাবিং ভিডিওগুলোও কাইশ্যা নামে পরিচিত হওয়ায় মূল নামে চাইতে কাইশ্যা নামেই তাকেই লোকজন বেশি চেনেন। জীবিত অবস্থায় তিনি বলেছিলেন, তার কমেডিয়ান হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন আমেরিকান কমেডিয়ান জেরি লুইস।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমাতে ছুটির সময় বাড়ছে

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমাতে ২৬ মার্চ থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে সরকার। এছাড়া সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৯ এপ্রিল বন্ধ দেয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ছুটি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকার মনে করছে, করোনা নিয়ন্ত্রণে ছুটি ভালো ফল দিয়েছে। গত দুদিন নতুন করে কোনো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।

৪ তারিখ আসতে আরও কয়েকদিন বাকি এর মধ্যে পরিস্থিতি বোঝা যাবে।গতকাল রোববার (২৯ মার্চ) স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে জানিয়েছেন, বাধ্যতামূলক ছুটি শেষে পরিস্থিতি বুঝে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ সফলভাবে সীমিত রাখা গেছে। ৪ এপ্রিল সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার পর যখন জনগণ গ্রাম থেকে ফিরবেন তখন যাতে আবারো করোনা সংক্রমণ না ঘটে, সে বিষয়ে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত জানাবেন প্রধানমন্ত্রী।এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় ছুটি হয়তো বাড়তে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো আমরা জানি না।’ছুটি বাড়ানো হলে তা ১১ এপ্রিল কিংবা ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত হতে পারে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমাদের আবেদন থাকবে ছুটি আরও কিছু দিন বাড়ানো হোক। এতে আমরা আরও নিশ্চিত হতে পারব, আরও ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারব।’এর আগে ২৩ মার্চ সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। এর মধ্যে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। গতকাল (২৯ মার্চ) থেকে ২ এপ্রিল পাঁচ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আর ৩ ও ৪ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় মোট ১০ দিনের ছুটিতে থাকবে সারা দেশ।