ছোট ছেলেকে নিয়ে ঢাকা ছাড়ার আগে যা বলে গেলেন আবরারের বাবা !

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নি* হত ছাত্র আবরার ফাহাদের একমাত্র ছোট ভাই আবরার ফায়াজ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ভর্তির আবেদন করেছেন। নিরাপত্তা শঙ্কায় তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ছাড়পত্র নিয়েছে।মঙ্গলবার(১৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা কলেজ কর্তৃপক্ষ অনাপত্তি ছাড়পত্র দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেন ফায়াজের পিতা বরকত উল্লাহ।কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কাজী মনজুর কাদির জানান, গত রবিবার আবরার ফায়াজ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে ভর্তির আবেদন করেন।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই কলেজ কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে তাকে ভর্তি করে নেওয়ার জন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এখন অপেক্ষায় আছি ঢাকা কলেজ থেকে ছড়পত্রের কপি হাতে পেলেই ফায়াজের ভর্তির প্রাথমিক কাজ সম্পন্ন হবে।আবরার ফায়ারের পিতা রব কত আল্লাহ জানান, দুই ছেলের একজন আমাদের ছেড়ে চলে গেছে, এই অবস্থায় সার্বক্ষণিক নিরা’প’ত্তা জনিত অজানা শঙ্কা মাথা’য় নিয়ে জীবন যাপন আরও কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে। এসব বিষয় ভেবে ওর মা এবং পরিবারের অন্যান্য স্বজনদের ইচ্ছায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলো। এছাড়া, এক সন্তানকে হারিয়ে ফায়াজের মা রোকেয়া খাতুনের একাকি’ত্বও বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজও দেশের উল্লেখযোগ্য কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম। ফায়াজ ছোট, ওকে দেখেশুনে আগলে রাখার জন্য বড় ভাই ফাহাদ ছিল। যেখানে ফাহাদই যখন চরম নৃ’শংসতার শি* কার হলো, সেখানে আর কার ভরসায় বা ওকে (ফায়াজকে) ঢাকায় রাখব? আমি বিশ্বাস করি ফায়াজ কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ থেকেও পড়ালেখা করে ভালো রেজাল্ট করবে। সেই সঙ্গে ওর মাকেও সঙ্গ দিতে পারবে। তাতে নতুন করে ফায়াজের জন্য ওর মা কিছুটা হলেও দুশ্চিন্তামুক্ত থাকবে।

ছাড়পত্র নিয়ে ঢাকা কলেজ ছাড়লো আবরারের ছোট ভাই !

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফায়াজ ঢাকা কলেজ পড়তে চান না। মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকা কলেজ থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন তিনি। ফায়াজ ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ঢাকা কলেজ ছেড়ে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে পড়বে ফায়াজ।ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কলেজ শাখার এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, আবরারের ছোট ভাইয়ের ছাড়পত্র হয়ে গেছে। সে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজে পড়বে। বিশেষ ব্যবস্থায় সে আজকে আবেদন করেছে এবং আজকেই তার ছাড়পত্র মঞ্জুর করা হয়েছে।

গত ৬ অক্টোবর শেরে-ই- বাংলা হলে আবরারকে পি* টিয়ে হ* ত্যা করেন বুয়েট ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মী। আবরার বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের (১৭তম ব্যাচ) ছাত্র ছিলেন। ভাইয়ের এ ঘটনার পর আবরার ফায়াজ ঢাকায় পড়তে অনীহা প্রকাশ করে।১২ অক্টোবর কুষ্টিয়ায় নিজ বাড়িতে সাংবাদিকদের তিনি জানান, ভাইকে হারিয়ে সে একা হয়ে পড়েছে। ভাই তার সব বিষয়ে খেয়াল রাখত। ভাই নেই, তাই সেও ঢাকায় থাকবে না।

পাঁচ মাস ধরে শিকল দিয়ে মাকে বেঁধে রেখেছিল গোয়াল ঘরে !

মাকে মানসিক রোগী আখ্যা দিয়ে কোমরে শিকল দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন সন্তানরা। গেল পাঁচ মাস ধরে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের চরধুপতি এলাকার ওই বৃদ্ধার দিন নাকি কেটেছে গোয়াল ঘরেই। সেই সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) বরগুনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহর নির্দেশে খবিরুন্নেসা (৭৫) নামের ওই বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে তার মেয়ের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মূলত পৈত্রিক জমি-জমা ভাগ বাটোয়ারা হওয়ায় পরে ছেলেদের কেউ বৃদ্ধা মায়ের যত্ন নিতে রাজি নন। এ কারণে তাকে অবহেলায় গোয়াল ঘরে ফেলে রাখা হয়েছে।

কোথাও যেন যেতে না পারেন সে কারণে কোমরে লোহার শেকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। ওই গোয়াল ঘরেই দিনে একবার তাকে খাবার দেয়া হয়।প্রতিবেশীরা জানান, গেল পাঁচ মাস ধরে মা খবিরুন্নেসাকে (৭৫) গোয়াল ঘরে বিছনা পেতে গরু বাঁধার দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। একদিন দড়ি খুলে তিনি মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে ফের তাকে ছেলেরা ধরে আনেন। পরে একই স্থানে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। শেকল বাঁধা অবস্থায় প্রায় পাঁচ মাস ধরে তিনি গোয়াল ঘরেই জীবনযাপন করছেন।

বয়সের ভারে কানে একটু কম শুনলেও খবিরুন্নেসা মানসিকভাবে স্বাভাবিক বলে জানান প্রতিবেশীরা। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর বরগুনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ওই বাড়িতে গিয়ে বৃদ্ধাকে উদ্ধার করেন। এসময় তাকে পোশাক ও টাকা দিয়ে মেয়ে তাসলিমার জিম্মায় দেয়া হয়।

সুনামগঞ্জে শিশু তুহিনকে হ* ত্যা, বাবা ও দুই চাচা রিমান্ডে

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পাঁচ বছরের শিশু তুহিনকে হ* ত্যার ঘটনায় বাবা আবদুল বাছির এবং দুই চাচা আবদুল মছব্বির ও জমশেদ মিয়ার তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সুনামগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শ্যাম কান্তি সিনহা এ রিমান্ডে মঞ্জুর করেন।এ ছাড়া শিশু তুহিনের আরো দুই স্বজন বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. খালেদ মিয়ার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। তবে তাদের নাম এখনো জানা যায়নি।

আদালতে জবানবন্দি শেষে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।হত্যার ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতেই তুহিনের মা মনিরা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন।গত রোববার গভীর রাতে দিরাইয়ের রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামের বিভৎসভাবে পাঁচ বছরের শিশু তুহিনকে হ* ত্যা করে গাছের ডালে ঝুলিয়ে রাখা হয়। শিশুটির লি* ঙ্গ ও কান কেটে, পেটে ছুরি মে* রে হ* ত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকার মানুষ হতবিহ্বল হয়ে পড়েছে। এমন নৃশংস হ* ত্যাকাণ্ড এর আগে কেউ দেখেনি।

ঘটনার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নি* হত শিশু তুহিনের বাবা আবদুল বাছির, চাচা আবদুল মছব্বির, জমশেদ মিয়া, নাছির ও জাকিরুল, তুহিনের চাচি ও চাচাতো বোনকে থানায় নিয়ে আসা হয়।

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ‘থানায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে তুহিনের পরিবারের তিন সদস্য হ* ত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বিস্তারিত জানার জন্য আমরা আরো জিজ্ঞাসাবাদ করব।’নি* হত শিশু তুহিনের বাবা এলাকার অন্য একটি হ* ত্যা মামলাসহ কয়েকটি মামলার আসামি। মামলার কারণে তাদের পরিবারের লোকজন এমন কাজ করতে পারে বলে জানান পুলিশ সুপার।

ময়মনসিংহে রাস্তার পাশ থেকে নবজাতক উদ্ধার !

ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ঢোলাদিয়া এলাকা থেকে এক নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে।আজ মঙ্গলবার ভোরে নবজাতককে উদ্ধার করেন কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সামিউল।বদরুল আমিন নামের স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী বলেন, ঢোলাদিয়ার একটি মসজিদ ও বেকারির মাঝখানের খালি জায়গায় নবজাতককে রাখা হয়েছিল।

ভোরে মুসল্লিরা নামাজ থেকে বেরিয়ে নবজাতকটির কান্না শুনতে পান। পরে তাঁরা পুলিশকে খবর দেন।উদ্ধারের পর শিশুটিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানান এসআই সামিউল। চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি আরো বলেন, নবজাতক এখন সুস্থ আছে।

ভারতে পালানোর সময় আবরার হ’ত্যার আরেক আ*সামি সাদাত গ্রে*ফতার

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পি’টিয়ে হ’ত্যার ঘ*টনায় দা*য়ের করা মা*মলার এ*জাহা*রভু*ক্ত আ*সামি এ এস এম নাজমুস সাদাতকে গ্রে*ফতার করেছে ঢাকা মহানগর গো*য়েন্দা পুলিশ। ঘ*টনার পর থেকে তিনি প*লাতক ছিলেন। গ্রে*ফতার এ*ড়া*নোর জন্য তিনি দিনাজপুর

জেলার হিলি সী*মান্ত দিয়ে ভারতে পা*লানোর চে*ষ্টা করছিলেন।
বিষয়টি নি*শ্চিত করে ডিএমপির মিডিয়া অ্যা*ন্ড পা*বলিক রিলেশন্স বিভাগের ডিসি মাসুদুর রহমান জানান, দিনাজপুরের বিরামপুর থানার কাটলা বাজার এলাকা থেকে সোমবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে গ্রে*ফতার করা হয়।

নাজমুস সাদাত বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি জয়পুরহাটের কালাই থানার কালাই উত্তরপারার হাফিজুর রহমানের ছেলে।

ঢাকা ছাড়ছেন আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ

ঢাকায় পড়তে চান না আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফায়াজ। ঢাকা কলেজ থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেছে ভর্তি হওয়ার জন্য। আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকা কলেজ থেকে ছাড়পত্র নেন ফায়াজ। তিনি ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণিতে পড়ছিলেন।
কেন এমন সিদ্ধান্ত সেই প্রশ্নের জবাবে গণমাধ্যমকর্মীদের ফায়াজ বলেন, ভাইকে হারিয়ে আমি একা হয়ে পড়েছি। ঢাকায় থাকার এখন কোনো মানে হয় না।

তিনি বলেন, ‘ফাহাদ ভাই আমার অভিভাবক ছিলেন। আমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে যে সম্পর্কটি ছিল তা এক কথায় প্রকাশ করা যাবে না। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক এমন ছিল যে মা–বাবার কথা তেমন মনেই হতো না। আর সেই ভাই এখন নেই। কার জন্য তা হলে ঢাকায় পড়ে থাকব। বড় ভাইকে হারিয়ে মা-বাবা এমনিতেই দিশেহারা। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঢাকা আর না, কুষ্টিয়াতে পড়াশোনা করব। এটিই পরিকল্পনা।’
প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে।

ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে গত ৫ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ।
এর জের ধরে পর দিন ৬ অক্টোবর রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আরব আমিরাত এসে পৌঁছালেন ।

সংযুক্ত আরব আমিরাত এসে পৌঁছালেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন । রাজধানীর রাস্তাগুলি উভয় দেশের পতাকা উত্তোলন করে রেখেছে, এবং আমিরাত প্যালেসে সংযুক্ত আরব আমিরাত-রাশিয়া সপ্তাহে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে।রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন ১২ বছর পর সংযুক্ত আরব আমিরাত আসছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশচারী রাশিয়া থেকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সফল মিশনের পরে ফিরে আসার কয়েকদিন পরেই এই সফর শুরু করল , যা দুই দেশের চুক্তির ফলাফল ।রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারী রাষ্ট্রীয় সফর করতে আসছেন।
সফরকালে, রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি হাইনেস শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর উপ-সর্বোচ্চ কমান্ডারের সাথে বৈঠক করবেন।

উভয় দেশের পক্ষে একাধিক খাত জুড়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করবে । সংযুক্ত আরব আমিরাতে পুতিনের এই সফর রাশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কৌশলগত অংশীদারিত্বের ঘোষণার কাঠামোর মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে ।

বিনা খরচে সাড়ে ৩ লাখ দক্ষ কর্মী নেবে জাপান,যেতে পারবে বাংলাদেশীরা ! ভিডিও সহ

বিনা খরচে জাপানে ১৪টি খাতে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ বিশেষায়িত দক্ষ কর্মী নিবে। আর এই কর্মীদের খরচ বহন করবে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জাপানের বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দেশটির জাতীয় পরিকল্পনা এজেন্সির মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সহযোগিতা স্মারক অনুযায়ী, একজন দক্ষ কর্মীর মাসিক বেতন হবে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা থেকে দেড় লাখ টাকা।সম্প্রতি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।সূত্রে জানা গেছে, জাপান দু’টি ক্যাটাগরিতে ১৪টি সেবা, কৃষি, শিল্প ও নির্মাণখাতে বিশেষ দক্ষ ও জাপানিজ ভাষায় পারদর্শী কর্মীদের নিয়োগ দেবে।এই ১৪ খাত হলো—নার্সিং কেয়ার, রেস্টুরেন্ট, কনস্ট্রাকশন, বিল্ডিং ক্লিনিং, কৃষি, খাবার ও পানীয় শিল্প, সেবা খাত, ম্যাটারিয়ালস প্রেসেসিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি,

ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি, জাহাজ নির্মাণ শিল্প,মৎস্য শিল্প, অটোমোটিভ যন্ত্রাংশ তৈরি শিল্প এবং এয়ারপোর্ট গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং অ্যান্ড এয়ারক্রাফট মেনটেইনেন্স (এভিয়েশন)।প্রথম ক্যাটাগরিতে জাপানি ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও নির্দিষ্ট কাজে দক্ষতা থাকলে পরিবার ছাড়া জাপানে পাঁচ বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ পাবেন।তবে জানতে হবে জাপানি ভাষা এবং দক্ষতা ছাড়া কর্মী জাপানের যেতে পারবে না। আর দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে যাদের জাপানি ভাষা ও নির্দিষ্ট কাজে দক্ষতা প্রথম ক্যাটাগরির কর্মী থেকে বেশি থাকে, তারা পরিবারসহ অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাজ করার সুযোগ পাবেন।

ভিসা ক্যাটেগরি-১জাপান সরকারের স্পেসিফায়েড স্কিল ভিসা ক্যাটেগরি-১ অনুযায়ী ১৪টি খাতের কর্মীরা ৫ বছরের জন্য ভিসা পাবেন। আবেদনকারীকে এই ক্যাটেগরির ভিসার জন্য জাপানি ভাষায় পরীক্ষা এবং দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হবে।এই ভিসার আওতায় কর্মীরা তাদের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবে না। এই ক্যাটেগরির ভিসা সীমিত সময়ের জন্য নবায়ন করা যাবে কিন্তু দ্বিতীয় ক্যাটেগরির ভিসায় পরিবর্তন করার জন্য সময় বাড়ানো হবে না। জাপানের ইমিগ্রেশন বিভাগ বলছে, প্রথম বছরে এই ক্যাটেগরিতে ৪৭ হাজার ৫৫০টি ভিসা দেওয়া হবে।বাকিগুলো আগামী ৫ বছরব্যাপী দেওয়া হবে। এছাড়া, এই ক্যাটেগরিতে শুধু নার্সিং কেয়ার খাতেই ৬০ হাজার ভিসা দেওয়া হবে।ভিসা ক্যাটেগরি-২দ্বিতীয় ক্যাটাগরির এই ভিসায় আবেদনের জন্য কর্মীর ক্যাটেগরি-১ ভিসা থাকতে হবে। এই ভিসার আবেদন নেওয়া শুরু হবে ২০২১ সাল থেকে।

যারা তাদের কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন, তারা এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে, শুধু কনস্ট্রাকশন ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পের কর্মীরা এই সুযোগ পাবেন। এই ভিসার আওতায় কর্মীরা তাদের পরিবারের সদস্যদের জাপানে নিয়ে যেতে পারবেন।এমনকী টানা ১০ বছর সেখানে থাকার পর জাপানে স্থায়ী বসবাসের অনুমতিও পাবেন।১৪টি খাতে যে কয়টি ভিসা দেবে জাপান-নার্সিং কেয়ারে ৬০ হাজার, রেস্টুরেন্ট খাতে ৫৩ হাজার, কনস্ট্রাকশন খাতে ৪০ হাজার, বিল্ডিং ক্লিনিং খাতে ৩৭ হাজার, কৃষি খাতে ৩৬ হাজার ৫০০, খাবার ও পানীয় শিল্পে ৩৪ হাজার,সেবা খাতে ২২ হাজার, ম্যাটারিয়ালস প্রেসসিং খাতে ২১ হাজার ৫০০, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি ৭ হাজার, ইলেকট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি ৪ হাজার ৭০০, জাহাজ নির্মাণ শিল্পে ১৩ হাজার, মৎস্য শিল্পে ৯ হাজার, অটোমোবাইল মেনটেইনেন্স শিল্পে ২১ হাজার ৫০০,

এয়ারপোর্ট গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং অ্যান্ড এয়ারক্রাফট মেনটেইনেন্স (এভিয়েশন) খাতে ২ হাজার ২০০ মিলিয়ে ৫ বছরের মধ্যে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা দেবে জাপান সরকার।প্রসঙ্গত, জাপানের শ্রম আইন অনুযায়ী, একজন কর্মীর ন্যূনতম বেতন বাংলাদেশি মুদ্রায় ঘণ্টায় প্রায় ৭০০ টাকা। প্রত্যেক কর্মী দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। তবে, কিছু কিছু খাতে সপ্তাহে ৪৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করার সীমাবদ্ধতা আছে।সে হিসাবে একজন কর্মীর মাসিক বেতন হবে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,বিদেশি কর্মীদের বেতন জাপানের স্থানীয় নাগরিকদের সমান অথবা বেশি হতে পারে। আর বেতনের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।

বিনা করেছে সাড়ে ৩ লাখ দক্ষ কর্মী নেবে জাপান ! ভিডিও সহ

বিনা খরচে জাপানে ১৪টি খাতে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ বিশেষায়িত দক্ষ কর্মী নিবে। আর এই কর্মীদের খরচ বহন করবে নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং জাপানের বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দেশটির জাতীয় পরিকল্পনা এজেন্সির মধ্যে এ সংক্রান্ত একটি সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সহযোগিতা স্মারক অনুযায়ী, একজন দক্ষ কর্মীর মাসিক বেতন হবে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা থেকে দেড় লাখ টাকা।সম্প্রতি প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।সূত্রে জানা গেছে, জাপান দু’টি ক্যাটাগরিতে ১৪টি সেবা, কৃষি, শিল্প ও নির্মাণখাতে বিশেষ দক্ষ ও জাপানিজ ভাষায় পারদর্শী কর্মীদের নিয়োগ দেবে।এই ১৪ খাত হলো—নার্সিং কেয়ার, রেস্টুরেন্ট, কনস্ট্রাকশন, বিল্ডিং ক্লিনিং, কৃষি, খাবার ও পানীয় শিল্প, সেবা খাত, ম্যাটারিয়ালস প্রেসেসিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি,

ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি, জাহাজ নির্মাণ শিল্প,মৎস্য শিল্প, অটোমোটিভ যন্ত্রাংশ তৈরি শিল্প এবং এয়ারপোর্ট গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং অ্যান্ড এয়ারক্রাফট মেনটেইনেন্স (এভিয়েশন)।প্রথম ক্যাটাগরিতে জাপানি ভাষা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও নির্দিষ্ট কাজে দক্ষতা থাকলে পরিবার ছাড়া জাপানে পাঁচ বছর পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ পাবেন।তবে জানতে হবে জাপানি ভাষা এবং দক্ষতা ছাড়া কর্মী জাপানের যেতে পারবে না। আর দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে যাদের জাপানি ভাষা ও নির্দিষ্ট কাজে দক্ষতা প্রথম ক্যাটাগরির কর্মী থেকে বেশি থাকে, তারা পরিবারসহ অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য কাজ করার সুযোগ পাবেন।

ভিসা ক্যাটেগরি-১জাপান সরকারের স্পেসিফায়েড স্কিল ভিসা ক্যাটেগরি-১ অনুযায়ী ১৪টি খাতের কর্মীরা ৫ বছরের জন্য ভিসা পাবেন। আবেদনকারীকে এই ক্যাটেগরির ভিসার জন্য জাপানি ভাষায় পরীক্ষা এবং দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হবে।এই ভিসার আওতায় কর্মীরা তাদের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে আসতে পারবে না। এই ক্যাটেগরির ভিসা সীমিত সময়ের জন্য নবায়ন করা যাবে কিন্তু দ্বিতীয় ক্যাটেগরির ভিসায় পরিবর্তন করার জন্য সময় বাড়ানো হবে না। জাপানের ইমিগ্রেশন বিভাগ বলছে, প্রথম বছরে এই ক্যাটেগরিতে ৪৭ হাজার ৫৫০টি ভিসা দেওয়া হবে।বাকিগুলো আগামী ৫ বছরব্যাপী দেওয়া হবে। এছাড়া, এই ক্যাটেগরিতে শুধু নার্সিং কেয়ার খাতেই ৬০ হাজার ভিসা দেওয়া হবে।ভিসা ক্যাটেগরি-২দ্বিতীয় ক্যাটাগরির এই ভিসায় আবেদনের জন্য কর্মীর ক্যাটেগরি-১ ভিসা থাকতে হবে। এই ভিসার আবেদন নেওয়া শুরু হবে ২০২১ সাল থেকে।

যারা তাদের কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন, তারা এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে, শুধু কনস্ট্রাকশন ও জাহাজ নির্মাণ শিল্পের কর্মীরা এই সুযোগ পাবেন। এই ভিসার আওতায় কর্মীরা তাদের পরিবারের সদস্যদের জাপানে নিয়ে যেতে পারবেন।এমনকী টানা ১০ বছর সেখানে থাকার পর জাপানে স্থায়ী বসবাসের অনুমতিও পাবেন।১৪টি খাতে যে কয়টি ভিসা দেবে জাপান-নার্সিং কেয়ারে ৬০ হাজার, রেস্টুরেন্ট খাতে ৫৩ হাজার, কনস্ট্রাকশন খাতে ৪০ হাজার, বিল্ডিং ক্লিনিং খাতে ৩৭ হাজার, কৃষি খাতে ৩৬ হাজার ৫০০, খাবার ও পানীয় শিল্পে ৩৪ হাজার,সেবা খাতে ২২ হাজার, ম্যাটারিয়ালস প্রেসসিং খাতে ২১ হাজার ৫০০, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিনারি ৭ হাজার, ইলেকট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি ৪ হাজার ৭০০, জাহাজ নির্মাণ শিল্পে ১৩ হাজার, মৎস্য শিল্পে ৯ হাজার, অটোমোবাইল মেনটেইনেন্স শিল্পে ২১ হাজার ৫০০,

এয়ারপোর্ট গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং অ্যান্ড এয়ারক্রাফট মেনটেইনেন্স (এভিয়েশন) খাতে ২ হাজার ২০০ মিলিয়ে ৫ বছরের মধ্যে ৩ লাখ ৬১ হাজার ৪০০ বাংলাদেশি কর্মীকে ভিসা দেবে জাপান সরকার।প্রসঙ্গত, জাপানের শ্রম আইন অনুযায়ী, একজন কর্মীর ন্যূনতম বেতন বাংলাদেশি মুদ্রায় ঘণ্টায় প্রায় ৭০০ টাকা। প্রত্যেক কর্মী দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন। তবে, কিছু কিছু খাতে সপ্তাহে ৪৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করার সীমাবদ্ধতা আছে।সে হিসাবে একজন কর্মীর মাসিক বেতন হবে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়,বিদেশি কর্মীদের বেতন জাপানের স্থানীয় নাগরিকদের সমান অথবা বেশি হতে পারে। আর বেতনের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।