আরব আমিরাতের আবুধাবি বিমানবন্দরে নেমেই ১২ মিলিয়ন দিরহামের লটারি জিতলেন যিনি !

আবুধাবি বিমানবন্দরে নেমেই ১২ মিলিয়ন দিরহামের (প্রায় ২৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা) লটারি জিতেছেন ভারতীয় যুবক মোহাম্মদ ফায়াজ। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ভারতের মুম্বাই থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত গিয়েই এমন বাজিমাত করেছেন পেশায় অ্যাকাউন্টেন্ট এই যুবক।গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমেই বিগ টিকেট র‍্যাফেল ড্র-এর ফলাফলে প্রথম পুরস্কার জেতার খবর পান ২৪ বছর বয়সী ফায়াজ।

দুই বোন ও আরেক ভাইকে নিয়ে টানাপড়েনে চলে অল্প বয়সে মা বাবাকে হারানো ফায়াজের পরিবার। মা-বাবা হারানো পরিবারকে সহায়তা করতে বছরখানেক আগে মুম্বাই আসেন ফায়াজ। মেসের রুমমেটকে সঙ্গে নিয়ে মাস ছয়েক আগে টিকেট কেনা শুরু করেন ফায়াজ।
পরিবার সম্পর্কে ফায়াজ বলছিলেন, ‘কিডনি রোগে আমার মা-বাবা দুজনই মা ‘রা যান। বাবা বহু বছর সৌদি আরবে কাজ করতেন। ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে কিডনি রোগের সঙ্গে লড়াই করেন তিনি। বাবা-মা না থাকার শোক কাটিয়ে আমরা ভাইবোন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। বাড়িতে আমার ছোটবোন আছে। বড়বোন বিবাহিত। বাড়ি করার জন্য জমিও বেচতে হয়েছে কিছুদিন আগে।

এখনো বাড়ির কাজ শেষ হয়নি।’ ফায়াজ আরো বলেন, ‘মুম্বাইয়ে আমার রুমমেট আমাকে বিগ টিকেট কেনার ধারণা দেয়। গত দুই মাস কিনতে পারিনি। তবে এবার সেপ্টেম্বর মাসের শেষদিন টিকেট কিনেছিলাম।’ফায়াজকে পুরস্কার জেতার খবর দেওয়ার জন্য ফোন দিয়ে নম্বর ব্যস্ত পান লটারি কর্তৃপক্ষ কার্যালয়ের কর্মকর্তা রিচার্ড। তাঁর কথা শুনে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি ফায়াজ। তিনি বলেন, ‘প্রথমে আমি অনলাইনে চেক করেছি। আগের রাতে আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম যে এটা আমি জিতেছি। আমার বন্ধুকে আমি বলেছিলামও, বড় ধরনের কিছু ঘটতে যাচ্ছে।’

শুক্রবার খালিজ টাইমসকে এমবিএ গ্র্যাজুয়েট ফায়াজ জানান, এত টাকা দিয়ে কী করবেন তাও ভেবে পাচ্ছেন না তিনি। বলছিলেন, ‘বেচে দেওয়া জমিটা ফিরিয়ে নিতে চাই। বাড়ির কাজটাও দ্রুত শেষ করব। কিছু সামাজিক কাজও করার ইচ্ছে আছে। এর আগে আমি কখনোই সংযুক্ত আরব আমিরাতে আসিনি।’তবে আরো একটা মাস অপেক্ষা করতে হবে ফায়াজকে। আগামী মাসে লটারিতে জেতা টাকা তুলতে পারবেন তিনি।

হঠাৎ বেড়ে গেলো আরব আমিরাতের টাকার রেট ও USডলার রেট !দেখে নিন এই মুহূর্তের রেট ?

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশে এ স্বাগতম ,আজ ১৩ অক্টোবর ২০১৯ ইং, বাংলাদেশী সময় রাত ১০:৫০ প্রবাসী ভাইরা জেনে নিন এই মুহূর্তের আরব আমিরাতের দিরহাম এ বাংলাদেশি টাকায় কত ।

আজ ১৩ অক্টোবর রাতের AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.25৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
গত ১০ অক্টোবর  AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.00৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
আজ ১৩ অক্টোবর  রাতের 1 US ডলার = 84.65 ৳
গত  ১০ অক্টোবর 1 US ডলার = 84.20 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি, যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন।আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন।

সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।টাকার রেট উঠানামা করে। দেশে টাকা পাঠানোর আগে ভালোভাবে রেট যাচাই করে নিন। হুন্ডি বা অবৈধ পথে টাকা পাঠাবেন না। তাতে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, দেশ ও উপকৃত হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন , সাথেই থাকুন  ।

কোরআন নিয়ে মহাকাশে সফর শেষে পৃথিবীতে পা রাখলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের হাজ্জাজ !!

পবিত্র আল-কুরআনের একটি কপি নিয়ে প্রথমবারের মতো মহাকাশে নভোচারী পাঠালো সংযুক্ত আরব আমিরাত। আটদিনের মহাকাশ সফর শেষে পৃথিবীতে পা রাখলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশচারী হাজ্জাজ-আল মানসুরি।আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সফর শেষে শনিবার তাকে আমিরাতে স্বাগত জানানো হয়।রাজধানী আবু ধাবিতে বিমানবন্দরে হাজ্জাজ আল মানসুরিকে স্বাগত জানান আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

বিমানবন্দরে হাজ্জাজ আল মানসুরিকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। সে সময় দু’পাশে লাইন ধরে নারী, পুরুষ, শিশুরা দেশের প্রথম নভোচারীকে এক পলক দেখার জন্য ভিড় জমান। এই ভ্রমণে হাজ্জাজ আল মানসুরির সঙ্গে ছিলেন তার সহকর্মী সুলতান আল নিয়াদি।শিশুরা ফুলের তোড়া নিয়ে মানসুরির কাছে দৌঁড়ে গেছে এবং তাকে জড়িয়ে ধরেছে। আর কিছু মানুষকে সে সময় ঐতিহ্যবাহী ইয়োলা নাচে অংশ নিতে দেখা গেছে।

যদিও মানসুরির এই মিশন খুব অল্প সময়ের, মাত্র আট দিনের। তবে এটা আমিরাতের জন্য অনেক বড় গর্বের বিষয়।২০২১ সালের মধ্যে মঙ্গলগ্রহে মনুষ্যবিহীন যান পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে আরব আমিরাতের।

দুবাই সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ (আরটিএ) ২০ অক্টোবরের মধ্যে যে চারটি নতুন বাস রুট চালু করার ঘোষণা দিয়েছে !

দুবাইয়ের সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ (আরটিএ) ২০ অক্টোবরের মধ্যে আরও চারটি নতুন বাস রুট চালু করতে এবং আরও অনেক উন্নত করার জন্য প্রস্তুত করেছে ।রুটগুলি নিম্নরূপ: রুট 321: দুবাই সিলিকন ওসিস হাই বি এর বাস স্টপ থেকে দুবাই সিলিকন ওসিসের লেক পর্যন্ত অফিস টাইমে প্রতি 30 মিনিট পর পর বাস সার্ভিস চালু থাকবে ।

রুট j03: দুবাই স্টুডিও সিটি থেকে ড্যামাক হিলস পর্যন্ত প্রতি ৬০ মিনিট পর পর বাস সার্ভিস চালু থাকবে । রুট J04 : দুবাই স্টুডিও সিটি থেকে রেমরামের মধ্যে সম্প্রদায়ের বাস সংযোগ থাকবে, সময় পরে দেওয়া হবে । রুট F70 (মেট্রো লিঙ্ক পরিষেবা): আল ফাহিদি হেরিটেজ ভিলেজ এবং দুবাই মিউজিয়ামের মতো পর্যটন অঞ্চলগুলি পরিবেশন করতে বুর্জুমান মেট্রো স্টেশন থেকে দুবাই যাদুঘর পর্যন্ত বাস সার্ভিস চালু করবে।

যে রুটগুলি উন্নত করা হবে: আল কুসাইস শিল্প অঞ্চল 2 থেকে বিজনেস বে এমএসের রুট X22 এর পথটি হ্যাপিনেস স্ট্রিটের পাশ দিয়ে যেতে হবে। সোনার সউক স্টেশন এবং জেবেল আলী বাস স্টেশনের মধ্যে 91 রুটের যাত্রাপথটি উভয় দিকে বিজনেস বে এমএসের জন্য পরিবর্তন করা হবে।আল কোজ বাস স্টেশন থেকে সাতওয়া রুটে 98E রুটেও পরিবর্তন দেখা যাবে এবং পরিষেবাটি সাতওয়া বাস স্টেশনে প্রবেশ করবে না। এই রুটে রাইডারদের কাছে সাতওয়া বাস স্টেশনের কাছাকাছি বাস স্টপ ব্যবহার করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

আরটিএ আল-কোজ বাস স্টেশন থেকে 7 নম্বর রুটের পথও প্রসারিত করবে এবং পরিষেবাটি সাতওয়া বাস স্টেশনে প্রবেশ করবে না। রাইডার্সকে নিকটস্থ আল বিদা’আ বাস স্টপ ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
রুট 34 বৃহস্পতিবার, শুক্র ও শনিবার কার্যকর হবে এবং বাস পরিষেবাটি 30 মিনিট পর পর হবে। রুট 95 এ এবং রুট 56 সমস্ত সপ্তাহের দিনগুলিতে চলবে এবং পরিষেবা প্রতি 120 মিনিট পর পর হবে।

আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশচারী আটদিন মহাকাশ সফর শেষে পৃথিবীতে পা রাখলেন !

আটদিনের মহাকাশ সফর শেষে পৃথিবীতে পা রাখলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম মহাকাশচারী হাজ্জাজ-আল মানসুরি। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে সফর শেষে শনিবার তাকে আমিরাতে স্বাগত জানানো হয়।রাজধানী আবু ধাবিতে বিমানবন্দরে হাজ্জাজ আল মানসুরিকে স্বাগত জানান আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

বিমানবন্দরে হাজ্জাজ আল মানসুরিকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেয়া হয়। সে সময় দু’পাশে লাইন ধরে নারী, পুরুষ, শিশুরা দেশের প্রথম নভোচারীকে এক পলক দেখার জন্য ভিড় জমান। এই ভ্রমণে হাজ্জাজ আল মানসুরির সঙ্গে ছিলেন তার সহকর্মী সুলতান আল নিয়াদি।
শিশুরা ফুলের তোড়া নিয়ে মানসুরির কাছে দৌঁড়ে গেছে এবং তাকে জড়িয়ে ধরেছে। আর কিছু মানুষকে সে সময় ঐতিহ্যবাহী ইয়োলা নাচে অংশ নিতে দেখা গেছে।

যদিও মানসুরির এই মিশন খুব অল্প সময়ের, মাত্র আট দিনের। তবে এটা আমিরাতের জন্য অনেক বড় গর্বের বিষয়। ২০২১ সালের মধ্যে মঙ্গলগ্রহে মনুষ্যবিহীন যান পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে আরব আমিরাতের।

আরব আমিরাতে গাওয়া চেম্পিয়নে অংশগ্রহণের জন্য ৩১অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধন করতে হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হওয়া ঐতিহ্যবাহী গাওয়া (আরবি কফি) উৎসব উদযাপন প্রথমবারের মতো সংস্কৃতি ও পর্যটন বিভাগ আবু ধাবি (ডিসিটি আবু ধাবি) গাওয়া চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করছে।এটি ৯ ডিসেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী চ্যাম্পিয়নশিপগুলি এই অঞ্চলের F&B এবং hospitality fair’ SIAL Middle East 2019, একই সাথে বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বিভিন্ন বিভাগে প্রতিযোগীদের দক্ষতা এবং জ্ঞান পরীক্ষা করবে এর মধ্যে গাওয়ার (আরবি কফি) ইতিহাস, মটরশুটি নির্বাচন, জ্ঞান প্রস্তুতকরণ এবং পরিবেশনের প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
চ্যাম্পিয়নশিপগুলিতে পাঁচটি পৃথক বিভাগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: হালকা রোস্ট / মাঝারি রোস্টের জন্য সানে ‘আল গাওয়া চ্যাম্পিয়নশিপ, বিজয়ীর জন্য 12,5,000 দিরহাম এবং প্রতিটি বিভাগের রানার-আপের জন্য Dh 40,000 পুরস্কার রয়েছে ;

হালকা রোস্ট এবং মাঝারি রোস্ট উভয়ের জন্য গাহওয়া রোস্টার চ্যাম্পিয়নশিপ, প্রতিটি বিজয়ীর জন্য 25,000 দিরহাম প্রদান করবে ; এবং একটি গাহওয়া বেভারেজ কনসেপ্ট অ্যাওয়ার্ড বা পুরুস্কার যা সেরা গরম বা ঠাণ্ডা গাহওয়া-ভিত্তিক কনসেপ্ট পানীয়ের বিজয়ীকে 20,000 দিরহাম পুরস্কার হিসাবে স্বীকৃতি দেবে।
চ্যাম্পিয়নশিপের পাঁচটি আলাদা বিভাগের জন্য নিবন্ধকরণ বা রেজিস্টার এখন উন্মুক্ত আছে । সমস্ত আবেদনকারীদের 31 অক্টোবর, 2019 এর আগে নিবন্ধন করতে হবে।

গাহওয়া আরব সংস্কৃতির একটি কেন্দ্রীয় অঙ্গ এবং বহু বছর ধরে উদারতার প্রতীকী কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে, এর প্রস্তুতি ও বিস্তৃত ঐতিহ্য ও আচার-অনুষ্ঠানের দ্বারা চিহ্নিত হয়ে সেবা করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ বেশ কয়েকটি আরব দেশের যৌথ জমা দেওয়ার পোর্টফোলিওর বা সাজানোর পরে আরব সংস্কৃতিতে এর গুরুত্ব প্রতিফলিত করার জন্য ইউনেস্কো ২০১৫ সালে মানবতার অদম্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিনিধি তালিকায় গাওয়াকে শিরোনাম করেছিল।

2018 সালে, ডিসিটি আবুধাবি ঐতিহ্যবাহী গাওয়া প্রস্তুতি এবং উপস্থাপনা এবং এটি আরব আমিরাতের সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য উপাদান হিসাবে নথিভুক্ত ও সুরক্ষার জন্য একটি গবেষণা উদ্যোগ বায়ত আল গাহওয়া চালু করেছে ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবাসীরা পরিবার নিয়ে থাকতে পারবে যে একটি শ*র্তে !!

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। পরিবর্তিত ভিসা আইনে দেশটিতে কর্মরত প্রবাসীরা এখন থেকে দেশে থাকা পরিবারকে আমিরাতে নিয়ে যেতে পারবেন। তবে একটি শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে এ আইনে। নতুন ভিসা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো প্রবাসী যদি পরিবার নিয়ে আসতে চান,সেক্ষেত্রে আমিরাতে তাদের ব্যয়ভার বহনের স*ক্ষমতা থাকতে হবে।

দেশে থাকা পরিবারকে আমিরাতে আনার পর তাদের খরচ বহন-সংক্রান্ত আমিরাতের প্রবাসী ভিসা প্রস্তাবনায় পরিবর্তন আনার এ সি*দ্ধা*ন্ত দেশটির মন্ত্রিসভায় গৃহীত হয়। এক বিবৃতির মাধ্যমে আমিরাতের মন্ত্রিপরিষদ সচিব এই তথ্য প্রদান করেন।
এই বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক মান অনুসারে এই প্র*স্তাবনায় পরিবারের স*দস্যদেরকে নিয়ে থাকতে বিদেশি ক*র্মীদের যে পরিমাণ অ*র্থ প্রয়োজন,

সেটিকে আয়ের মান*দ*ণ্ড হিসেবে ধ*রা হয়েছে। আরো বলা হয়, বিদেশি কর্মীদের পারিবারিক স্থি*তিশী*ল*তা এবং সামাজিক সং*যোগ বা*ড়ানোর ল*ক্ষ্যে এই সি*দ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।আরেকটি লক্ষ্য হলো, পে*শাগত ও ব্য*ক্তিগত জীবনের মধ্যে সা*মঞ্জস্য ব*জায় রাখতে স*ক্ষম এমন দক্ষ কর্মীরা যেন দেশটিতে কাজ করতে আগ্রহী হয়।
বিবৃতিটিতে বলা হয়, দেশের বাসিন্দাদেরকে দেয়ার সেবাগুলোর পরিমাণ ও মান বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি গ*বেষণা পরিচালনার সরকার এই সি*দ্ধান্ত নিয়েছে।

এছাড়া শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং চাকরির বা*জারে বিদেশি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো এসব সেবার অ*ন্তর্ভুক্ত। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে প্রতিভাবানদের সুযোগ সৃ*ষ্টির কেন্দ্রভূমি হিসেবে নি*শ্চিত ক*রতে বিদেশি কর্মীদেরকে এসব সুবিধা দিলো দেশটির মন্ত্রিপরিষদ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে গমনচ্ছুক প্রবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা, একবার হলেও জানুন ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে একজন প্রবাসী তার অভিজ্ঞতার কথা বলছে ,আমি দীর্ঘ ৪ বছর এই দেশে আছি । এই দীর্ঘ ৪ বছর আমার চোখের সামনে অনেক বেদনা দায়ক ঘটনা ঘটেছে। আমি দেখেছি খেটে খাওয়া মানুষের চোখের পানি ঝড়তে।দেখেছি মানুয়ের অসহায়ত্ব । দেখেছি মানুয়ের বেচে থাকার লড়াই। এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশি প্রবাসীদের অবদান কম নয় । বাংলাদেশি ছাড়াও এখানের ইন্ডিয়া, পাকিস্তান, ভূটান, নেপাল, শ্রীলন্কা, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিসর, আরো অনেক দেশের লোকদের সাথে পাল্লা দিয়ে কাজ করে আসছে।

তবে আমার জানা মতে বাংলাদেশিদের চাইতে অন্যান্য দেশের লোকের অবস্থা অনেক ভাল। তারা এখানে বাংলাদেশিদের চাইতে বেশি সুবিধা ভোগ করছে ।বেতনের দিক থেকে বলতে গেলে অন্যান্য দেশের কর্মীর বেতন বেশি পেয়ে থাকে । এর নানা কারন ও আছে।বেশির ভাগ বাংলাদেশী শ্রমিক কোনা কাজ না শিখেই আসে কাজ করতে। কাজ শিখা থাকলেও সেই কাজের ভিসা নিয়ে না আসতে পারাও আর একটি কারণ। এটা কাজ শিখার জায়গা নয়। এটা কাজ করার জায়গা। প্রায় বেশি ভাগ শ্রমিক অপ্রস্তুত অবস্থায় ভিসার নাম শোনেই লাফ দিয়ে চলে আসতে চেষ্টা করে।ফলে এখানে পদে পদে তাকে অবহেলিত হতে হয়।

এই দেশে আসার আগে কোন একটা কাজ শিখে ঐ কাজের ভিসা নিয়ে আসলে সফল হওয়া সম্ভব। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অন্যান্য দেশের দূতাবাস গুলো অনেক সক্রিয়। কিন্তু দু:খের বিষয় আমাদের বাংলাদেশের দূতাবাস এর করুন অবস্থা। সাধারণ বাংলাদেশের প্রবাসিরা দূতাবাস থেকে কোন রকম সাহায্য সহযোগীতা পায়না। যা অন্যান্য দেশের লোকেরা পায়। সমস্যায় পড়ে যদি কেউ দূতাবাসে ফোন করে , তাহলে তাদেরকে অন্যান্য জায়গা দেখিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ আছে।
এই মরুভূমির প্রখর রোধে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে যারা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সচল রেখেছে, তাদের প্রতি সরকারও কোন প্রকার সুনজর দেয়না। তাদের ভাল মন্দের খবর নেয় না। তবুও তারা নানা কষ্ঠে জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।এর মধ্যে অনেকে বলে ফেলে—- “ দু:খে যাদের জীবন গড়া তাদের আবার দু:খ কিসের”

প্রবাসিদের কষ্টার্জিত অর্থে তাদের আত্বীয় স্বজনের হাসি দেখলে সব কষ্ঠ ভূলে য়ায়। এই প্রবাসিদের কষ্ট লাঘব করা আমার পক্ষে সম্ভব না। যাতে এই ধরনের কষ্ট থেকে কিছুটা অবসান পাওয়া যায় সেই পরামর্শ গুলো শেয়ার করার চেষ্টা করবো।কেননা আমি বিগত ২ বছর ধরে একটি টাইপিং এর দোকানে কাজ করি। আমি দেখেছি কিভাবে ভিসা দালালরা সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলে।
ভিসা দালালদের পরিকল্পনা : বাংলাদেশে বেকার সমস্যা তীব্র প্রর্যায় গিয়ে পৌছেছে। ফলে দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য নানা পন্থা অবলম্বন করে থাকে। কেউ বৈধ্য আবার কেউ অবৈধ্য । এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ভিসা দালালরা হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।

দেশের বাড়ি, ভিটা,জমি বিক্রি করে টাকা তুলে দিচ্ছে দালাল দের হাতে।ফলে এখানের এসে পরিস্থিতি হয় উল্টো। খারাপ মানুষ সব জায়গায়, সবদেশে ,সবখানে আছে। এদেশের নাগরিক দের মধ্যেও অনেক খারাপ লোক আছে। এখন আমরা জানবো কিভাবে একজন সাধারণ মানুষ দালালের খপ্পরে পড়ে নি:স্ব হয়।
এখানে কিছু মানুয় ভিসা লাভের আশায় কিছু প্রতিষ্ঠান খুলে বসে আছে। যাদের অতীত এবং ভবিষ্যত কিছুই নেই। দালালরা এইসব প্রতিষ্ঠান থেকে ভিসা নিয়ে সাধারণ মানুষকে বিপদে ফেলে। এর মধ্যে জাল ভিসা ও আছে।প্রথমে দালাল ভিসা পাওয়ার পর দেশে ফোন করে এবং ভিসা ইমেইল করার সময় ভিসার নিচের অংশে মালিকের মোবাইল নং কেটে দেয় ।

যাতে করে কেউ মালিকের সাথে যোগাযোগ করতে না পারে।খুব কম সময়ের মধ্যে গমনিচ্ছুকে এখানে নিয়ে আসা এবং খুব তাড়াতাড়ি টাকা প্রদানে চাপ দেয়। ভিসার টাকা যোগার করার জন্য জায়গা জমি সস্তায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়।গমনিচ্ছু মালিকের থেকে যে সকল সুবিধা পাবে, তার থেকে অনেক বেশি লোভ দেখানো হয়। ফলে এখানে এসে তিনি কিছুই পান না। টিক মতো মাসে মাসে বেতন পর্যন্ত পায় না।এক কাজের কথা বলে এখানে অন্য কাজ দেয়। ফলে অসহায় হয়ে বৈধ পথ ছেড়ে অবৈধ হতে বাধ্য হয়। দুবাই, শারজাহ, আল আইন,আবুধবি, সবখানে চলছে ভিসা দালালের রমরমা ব্যবসা।

ভিসা দালাল দের খপ্পর থেকে বাচার উপায়: ১। আপনি যথা সম্ভব আপনার আত্বীয় স্বজনের মাধমে ভিসা নেয়ার চেষ্টা করুন।
২। ভিসা পেলে ভিসার নিচের অংশে মালিকের মোবাইল নং আছে কিনা তা দেখে নিন।থাকলে কথাবার্তা জানা এমন কোন লোক দিয়ে মালিকের কাছে ফোন করে ভিসার সত্যতা যাচায় করুন।এবং কি কি সুবিধা পাওয়া যাবে জেনে নিন। ৩। ভিসা আসল কিনা যাচায়ের জন্য ভিসার এন্টি নম্বার , ভিসা নং নিয়ে ইন্টারনেটে চেক করুন। ৪। যথা সম্ভব আপনি যে কাজ জানেন সেই কাজের ভিসা নিয়ে আসতে চেষ্ঠা করুন।
৫। আপনার কাজের সম্ভব্য স্থান কোথায় হবে তা নিচ্ছিত হোন।

৬। কখনো অতিরিক্ত টাকা খরচ করে আসবেন না। আপনার খরচ এর সাথে আপনার মাষিক বেতন কত হবে তা নিরুপণ করুন।
৭। আপনার ভিসা কোম্পানির হলে কোম্পানির অতীত সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। দরকার হলে কোম্পানির নাম নিয়ে ইন্টারনেটে র্সাচ করে জেনে নিন।
৮।Travel agency থেকে ভিসা নিতে সাবধান হোন। এতে ৮০% ধোকাবাজ। তারা টাকার লোভে কোনরকমে শ্রমিক দের এদেশে পাঠিয়ে দেয়। সম্প্রতি, ঢাকা থেকে প্রচুর লোক Al – Barari, Forest Management, এ এসেছিল ও আসছে। যারা এসেছিল তাদের কাছ থেকে travel agency গুলো অনেক অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।

আরব আমিরাত আগামী 15 ই অক্টোবর যেকারণে আসছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ।

রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন আগামী মঙ্গলবার, 15 ই অক্টোবর সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারী রাষ্ট্রীয় সফর করতে আসবেন ।
সফরকালে, রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি হাইনেস শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর উপ-সর্বোচ্চ কমান্ডারের সাথে বৈঠক করবেন।

উভয় দেশের পক্ষে একাধিক খাত জুড়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও উন্নয়নের পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনা করবে ।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পুতিনের এই সফর রাশিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের কৌশলগত অংশীদারিত্বের ঘোষণার কাঠামোর মধ্যে স্বাক্ষরিত হবে ।

আরব আমিরাতের নতুন ওয়ার্ক পারমিট এখন মাত্র দুই কার্যদিবসের মধ্যে দেওয়ার ঘোষণা করেছে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের নতুন ওয়ার্ক পারমিট এখন মাত্র দুই কার্যদিবসের মধ্যে গ্রহণ করা যাবে, মানব সম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রণালয় (এমএইচআরই) সোমবার ঘোষণা করেছে।”কোম্পানির মালিকরা স্মার্ট কমিটি সার্ভিসের মাধ্যমে ওয়ার্ক পারমিট পেতে পারেন, যা প্রতিষ্ঠানের আবেদনটি ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে কার্যকর করে,”মানব সম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রণালয় একথা বলেছে ।

খালিজ টাইমস প্রতিনিধি আরব আমিরাতের গাইটেক্স প্রযুক্তি সপ্তাহে এই মন্ত্রণালয় স্ট্যান্ড পরিদর্শন করেছেন একজন কর্মচারী বর্ণনা করেছে যে নিয়োগকর্তা বা তার প্রতিনিধিকে শারীরিকভাবে সেখানে যেতে হবে না এখন তারা মানব সম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রণালয় (এমএইচআরই) -র ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন জমা দিতে পারবেন।

অনলাইন পরিষেবা সপ্তায় ৭ দিন ২৪ ঘন্টা পাওয়া যায় । এটি নিয়োগকর্তা কর্মচারী কোটা অতিক্রম না করেছে কিনা তা ম্যানুয়ালি পরীক্ষা করার প্রক্রিয়াটি কেটে দেয়। যদি সমস্ত প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন হয়, তবে মাত্র 48 ঘন্টাের মধ্যে কাজের অনুমতি পত্র বা ওয়ার্ক পারমিট পাওয়া যাবে।সংযুক্ত আরব আমিরাতে, ওয়ার্ক পারমিট মানব সম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রণালয় অফ রেসিডেন্সি এবং বিদেশী বিষয়ক অধিদপ্তরের অন্তর্ভুক্ত যেখানে একজন ব্যক্তি নিযুক্ত আছেন।

প্রক্রিয়াটি শেষে মানব সম্পদ ও এমিরেটাইজেশন মন্ত্রণালয় থেকে ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ শুরু হয়। ওয়ার্ক পারমিট হোল্ডারকে ইস্যুর তারিখ থেকে দুই মাসের জন্য কর্মসংস্থানের প্রবেশ করতে এবং দেশে থাকতে অনুমোধন দেয়।