দুবাইতে বাসে নারী কেলেঙ্কারির অভিযুক্ত পাকিস্তানি বাস চালক গ্রেফতার !!

বাসের ভিতরে যাত্রীকে হেনেস্থা করার অভিযোগে দুবাই কোর্টের প্রথম ইনস্ট্যান্সে একটি পাকিস্তানি বাস চালক বিচারের সম্মুখীন হয়েছেন। পাবলিক প্রসিকিউশন রেকর্ড দেখায় যে ২৭ বছর বয়সী পাকিস্তানী লোকটি মেয়েটিকে একা পেয়ে এই সুবিধা গ্রহণ করেছিল যে, এক তাজাকস্তানী সুন্দুরী মেয়ে দোকানে কাজ শেষে বাসায় ফেরার সময় এ ঘটনা ঘটে ।

অন্য সব যাত্রীরা বাস থেকে নেমে গেলে এক মাত্র মেয়েটিই থাকে বাসে তখন ড্রাইভার দূরে একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে থামিয়ে দেয় এবং সেখানে মেয়েটিকে জোর করে  ধsonণ  করে। মেয়েটিকে হotta করার ভয় দেখায় যদি তার সাথে সেx করতে বাধা দেয় । আল মুরাকাবাট থানায় রিপোর্ট করা হয়েছিল যে ২৪ বছর বয়সী তাজাকস্তানি মেয়েটি ওই দিন পাকিস্তানি বাস ড্রাইভার দ্বারা ধrsiত হয় ।

মেয়েটি রিপোর্ট করে যে ” বাসে আসার পথে অন্য সকল যাত্রীরা আগেই নেমে গিয়েছিলো। আমি বাস ড্রাইভারকে দেইরার কাছে এক জায়গায় নামিয়ে দিতে বলেছিলাম। পরে তিনি আল জাফিলিয়ায় একটি বালু মাঠে পার্ক করেন এবং আমাকে বলেছিলেন যে তিনি নামাজে যাবেন তাই এদিকে এসেছে। তিনি আমাকে বাসের পিছনে বসতে বলেছিলেন তখন আমি পিছনে গিয়ে বসেছিলাম ।তখন তিনি মাঠের মধ্যে এদিক ওদিক গিয়ে অবশেষে তিনি আবাসিক ভবন থেকে দূরে পার্ক করে । “লোকটি আমাকে বলতে শুরু করেছিল যে আমি অনেক সুন্দর এবং তিনি আমার সাথে সেx করতে চায় ।

” পরে আমি চিৎকার করার চেষ্টা করি কিন্তু তিনি তার হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে । অবশেষে ড্রাইভার জোর পূর্বক আমার সাথে সেx করে এবং তার বন্ধুদের দিয়েও করার হুমকি দেয় এবং তাকে খুশি না করলে হotta করার হুমকি দেয় । সেx সম্পন্ন হলে, তিনি আমাকে অনুরোধ জানান যে, পুলিশকে রিপোর্ট না করার জন্য এবং যদি আমি তা করি, তাহলে তিনি হotta করবেন”, তিনি প্রসিকিউটরকে বলেন।মেয়েটি আরো জানায় পরে তাকে প্রধান রাস্তায় ফেলে রেখে যায় এবং সেখান থেকে ট্যাক্সি নিয়ে তিনি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

একজন পুলিশ লেফটেন্যান্ট, যিনি ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন, তিনি বলেন, তিনি মলের বাস স্টপ থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়েছিলেন। “ড্রাইভারের কথা মেয়েটির সাথে যা ঘটেছে তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।”চালককে পুলিশ সদর দফতরে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ। ফরেনসিক রিপোর্ট দেখিয়েছে, তাকে আটক করা হয়েছে, মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়। ২৩ জুন আদালতের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হবে ।

ছাত্রীদের যেভাবে ফাঁদে ফেলতো সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফ !

সর্বত্র আলোচনার ঝড় ব্ল্যাকমেইল করে অক্সফোর্ড হাইস্কুলের ২০-এর অধিক শিক্ষার্থীকে ধrsonর ঘটনা। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ঘটনার মূলহোতা বিদ্যালয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফুল ইসলাম। কীভাবে দিনের পর দিন সে শিক্ষার্থীদের ধrson করেছে, বিষয়টি টের-ই পেলো না কেউ।

এ নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, ধিক্কার, চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবকমহল ও এলাকাবাসীর মধ্যে। চতুর আরিফ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাউকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, কাউকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আবার কাউকে ব্ল্যাকমেইল করে দিনের পর দিন তার শয্যাসঙ্গী করেছে।

এরমধ্যে কারো বিয়ে হয়ে গেছে, কেউ অবিবাহিত। আবার কেউ মেয়ের সর্বনাশের বিষয়টি টের পেয়ে গোপনে মেয়েকে নিয়ে এলাকা ছেড়েছেন। আবার অনেকেই ঘটনা টের পেলেও লোক লজ্জার ভয়ে চুপ থেকেছেন।

আর এই সুযোগটিই কাজে লাগিয়েছে লম্পট আরিফ। শুধু তাই নয়, এ ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। গোপনে আরিফ তাদের ওষুধ খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করেছে। এখানেই শেষ নয়, ঘটনা যাতে প্রকাশ না পায় এ জন্য আপত্তিকর ভিডিও এবং ছবি সংরক্ষণ করে ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে সম্পর্ক বজায় রাখে আরিফ। র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্যই দিয়েছে সে।

এদিকে আরিফের জবানবন্দিতে ধর্ষিতা শিক্ষার্থীদের নাম প্রকাশ পাওয়ার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে অভিভাবক মহলে।
আরিফের লালসার শিকার কয়েক শিক্ষার্থীর ঘটনা:র‌্যাব, এলাকাবাসী, ও অভিভাবকমহলের তথ্যমতে, আরিফের প্রথম শিকার ২০১৪ সালে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রী। তার সঙ্গে পরিচয় হয় আরিফের। এবং ধীরে ধীরে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিভিন্ন সময়ে আরিফ ওই ছাত্রীকে তার ফ্ল্যাটে ১০ থেকে ১২ বার ডেকে নেয়। এরমধ্যে ৪ থেকে ৫ বার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।

এক পর্যায়ে ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক বজায় রাখে আরিফ। দুইবার ওই শিক্ষার্থীর পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে দুইবার পিল খাওয়ায় আরিফ। বর্তমানে ওই ছাত্রীর বয়স আঠারো।আরেক ছাত্রী বর্তমানে বিবাহিত। সে আরিফের দ্বিতীয় শিকার। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে আরিফ। ৯ম শ্রেণিতে পড়াকালীন তার সঙ্গে কৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে আরিফ।

এরমধ্যে ২ থেকে ৩ বার ধrson করে। এক পর্যায়ে সেও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে আরিফ বাসায় তাকে ওষুধ খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করে। তবে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে বিয়ের পরও তিন্নির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে আরিফ।

তমা (ছদ্মনাম)’র বর্তমানে বয়স ১৭। সে অবিবাহিতা। স্কুলে পড়াকালীন তাকে আরিফ ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে। এবং স্কুলের ৩য় তলায় ছাদে নিয়ে প্রায়ই আলিঙ্গন ও চুমু দিতো। মাঝে মধ্যে তমার বাসায়ও যেত আরিফ। এরমধ্যে দুইবার তমাকে ধর্ষণ করে সে।
১৬ বছরের আরেক ছাত্রীকে ২০১৭ সাল থেকে বাসায় গিয়ে পড়াতো আরিফ।এরমধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে অসংখ্যবার ধর্ষণ করেছে সে। এরমধ্যে একবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে তাকে এমএম কিট ট্যাবলেট খাওয়ায় আরিফ। ২০১৮ সালে যাত্রাবাড়ীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে তার গর্ভপাত ঘটানো হয়।

কে এই লম্পট আরিফ: আরিফুল ইসলাম (৩০) মাদারীপুর সদর থানার শ্রীনদী (শিরখাড়া) এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সে সবার বড়। সিদ্ধিরগঞ্জের পশ্চিম মিজমিজি মাদ্রাসা রোড এলাকায় বুকস গার্ডেনে ফ্ল্যাট নিয়ে বসবাস করতো।

২০০৪ সালে মাদারীপুরের হাসানকান্দি ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সি গ্রেডে (জিপিএ ২.৯৪) এসএসসি পাস করে। ২০০৬ সালে ঢাকার সরওয়ার্দী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে।২০১২ সালে কবি নজরুল কলেজ থেকে বিবিএস ও ২০১৫ সালে গুলশানের মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ (এইচআরএম) পাস করে। তবে ২০০৯ সালে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজিতে অক্সফোর্ড হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়। বর্তমানে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক।

র‌্যাবের কাছে যা বলেছে আরিফ: র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ জানায়, ২০০৯ সালে অক্সফোর্ড হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার পর ২০১৩ সাল পর্যন্ত সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা পেশায় জড়িত ছিল সে।

২০১৪ সালে প্রথম এক ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। ধীরে ধীরে সম্পর্কের তীব্রতা বাড়তে থাকে। এবং দু’জন দু’জনকে বিয়ে করার চিন্তা করে। পরে আরিফ ওই ছাত্রীর মায়ের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি নাকচ করে দেন।এর মধ্যে ওই ছাত্রী মাঝে মাঝে আরিফের বাসায় যেত। এবং প্রায় ৪ থেকে ৫ বার তার সঙ্গে  সম্পর্কে জড়ায় আরিফ। মাঝে একবার ছাত্রীর পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়। পরে বড়ি খাওয়ানোর পর পিরিয়ড আবার শুরু হয়।

কিন্তু তার মা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে নিয়ে অত্র এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আরিফ জানায়, আরেক ছাত্রী আমার প্রতি অনেক পাগল হয়। আগের কষ্ট ভোলার জন্য তার সঙ্গে রিলেশন করি।
যেটা দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছিল। এর মাঝে ২ থেকে ৩ বার শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয় আরিফ। একবার অসচেতনাবশত সেx করলে পরের দিন ট্যাবলেট খাওয়াই। এর মাঝে ৯ম শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় ওই ছাত্রীরও বিয়ে হয়ে যায়।আরিফ জানায়, আরো দুই ছাত্রী আমার বাসায় এসে পড়তো। সুযোগ ও সময় পেলে ওদের সঙ্গে শারীরিকভাবে মিলিত হতাম। ২০১৫ সালে তারা বিদ্যালয় থেকে চলে যাওয়ার পর ওদের সঙ্গে আর তেমন দেখা ও কথা হতো না। আরিফ আরো জানায়, এক ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক একেবারে অল্পদিনের।

৪ থেকে ৬ মাসের সম্পর্ক। কিন্তু ও আরেক ছেলেকে ভালোবাসতো বিধায় আমাকে ছেড়ে দেয়। তবে ওর সঙ্গে ১/২ বার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। আর একবার বিদ্যালয়ের ৩য় তলায় গিয়ে কিছু ছবি তুলি এবং আলিঙ্গন ও কিস করি।২০১৭ সালের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত এক ছাত্রীর সঙ্গে রিলেশন আছে। আমরা একে অপরকে বিয়ের প্রস্তাব দেই। এবং দুজনেই তাতে রাজি হই। কিন্তু ওর বয়স কম হওয়ায় বিয়ে করা সম্ভব হয়নি। যদিও আমাকে অনেকবার চাপ দেয় সে। এই ছাত্রী আমার বাসায় প্রাইভেট পড়তো। তাই ওর সঙ্গে অনেকবার শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হই। ওকে ২ বার ওষুধ খাওয়াই।

উল্লেখ্য, সিদ্ধিরগঞ্জে মিজমিজি মাদ্রাসা রোড এলাকায় অক্সফোর্ড হাইস্কুলের ২০-এর অধিক শিক্ষার্থীকে ব্ল্যাকমেইলিং করে ধrsoneর অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফুল ইসলাম ও তাকে সহায়তাকারী প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১।

এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় আরিফ ৬ দিন ও রফিকুল ইসলাম একদিনের রিmaন্ডে রয়েছে। সূত্র: মানবজমিন

প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি না করার দাবি নিক্সন চৌধুরীর !

বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত দক্ষ শ্রমিকের পাশাপাশি অদক্ষ শ্রমিক যাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সরকারিভাবে অনেকে এ সুযোগের আওতায় আসতে না পেরে দালালের মাধ্যমে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে যাওয়া পর এসব শ্রমিকরা যেমন কোনো কাজ পাচ্ছেন না, তেমনি তাদের কারণে শ্রম বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বৈধ প্রবাসীরা।

তাই প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি সহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী। সম্প্রতি নানা বিষয় নিয়ে দেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল সময়’কে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। সাক্ষাৎকারে নিক্সন চৌধুরী বলেন ‘আমার আসন হবে একটা মডেল আসন এবং সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই আমার মূল লক্ষ্য।’

নিক্সন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি জন্যে হুবহু তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: আপনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুই দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং আপনার এলাকার মানুষ আপনাকে অত্যাধিক ভালোবাসে, এর রহস্য কি?
নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব রয়েছে, আমি যদি মানুষের সেবাই না করতে পারি, তাহলে আমার ক্ষমতা দেখানোর জন্য এমপি হয়ে কোনো লাভ নাই। তাই আমি ক্ষমতার জন্য এমপি হইনি। এলাকার জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য, তাদের বিপদে আমি যদি তাদের পাশে না দাঁড়াতে পারি, তাহলে আমি কিসের জনপ্রতিনিধি?

প্রশ্ন: আপনি খুব অল্প সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন দেশে ও বিদেশে, পাশাপাশি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীও রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর, বিভিন্ন সময় হুমকির পরেও কোনো প্রটোকল ছাড়াই একাকী স্বাভাবিক চলাফেরা করেন, এটা কি নিরাপদ মনে করেন?

নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, আমার প্রটোকল আমার জনগণ, মৃত্যুর ভয়ে পুলিশের প্রটোকল নিয়ে কেউ বাঁচতে পারেনি, আর আমার যারা প্রতিদ্বন্দ্বী, তারা সবাই আমার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সুতরাং আমি যদি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে না পারি,

তাহলে বেঁচে থেকে লাভ কি? যতদিন বাঁচবো মানুষের জন্য কাজ করেই যাবো ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্ন: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের হয়রানির বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি?

নিক্সন চৌধুরী: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সব সময় আমার লোক লাগানো আছে। যাদের কাজই হচ্ছে আমার আসনের কোনো রোগী স্বাস্থ্যসেবা নিতে হাসপাতালে যেয়ে যেন হয়রানির শিকার না হয় এবং তাদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা।

শুধুমাত্র ফরিদপুর নয়, ঢাকায়ও যদি আমার এলাকার কেউ আসে চিকিৎসা করাতে, তাহলেও আমি নিজের লোক দিয়ে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করি। আর দালালদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি, কিছুদিন আগেও অনেক দালাল গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রশ্ন: মহান জাতীয় সংসদে আপনি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন এবং দেশের অনেক টেলিভিশনের টকশোতেও বেশ গুরুত্বের সাথে প্রবাসীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, প্রবাসীদের নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?

নিক্সন চৌধুরী: এক নাম্বারে সরকারের কাছে আমার দাবি, প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড করে দেওয়া হউক, এবং দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিস, আদালতে প্রবাসীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের সেবা দেওয়া হউক।
এয়ারপোর্টের হয়রানি অনেক কমেছে আগের চেয়ে। এরপরও আমি এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষকে বলবো, আমার একজন প্রবাসী যেন নিরাপত্তা তল্লাশির নামে হয়রানির শিকার না হয় সেইদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স চালু করবো। প্রবাসীদের জন্য ট্রাভেল ট্যাক্স বন্ধ করার ব্যাপারে মহান সংসদে তুলে ধরবো। প্রবাসীদের বিনা হয়রানিতে এবং দ্রুত সময়ে ভোটার আইডি দেওয়ার ব্যাপারে কাজ করছি এবং আমার এলাকা থেকে কোনো একজন মানুষ যেন অদক্ষ হয়ে প্রবাসে না যায়। সেই জন্য একটা স্কিল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করবো, যেখান থেকে একজন মানুষ কাজের দক্ষতা অর্জন করে বিদেশ যেয়ে বেশি পরিমাণ রেমিটেন্স প্রেরণ করতে পারবে।

প্রশ্নকর্তা: অনেক ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।
নিক্সন চৌধুরী: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আমার অফিসে কষ্ট করে এসে আমার সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য, সবশেষে আমি আপনার মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের সকলের কাছে দোয়া চাই, যেন আমি সৎ ও সুন্দরভাবে আমার এলাকা পরিচালনা করতে পারি।-আমাদেরসময়.কম

স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ায়, যে কবিতা লিখলেন দুবাই’র বাদশা !

দুবাইয়ের বাদশাহ শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে লন্ডনে পালিয়েছেন তার স্ত্রী। সম্প্রতি ধনকুবের বাদশাহ শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গেছে প্রিন্সেস হায়া আল হোসাইনের।

জানা যায়, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন দুবাই’র শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুমের ষষ্ঠ স্ত্রী প্রিন্সেস হায়া বিন্তে আল হুসেইন। পালিয়ে যাওয়ার পর স্বামীকে পাঠিয়েছেন তালাক নোটিশ। স্ত্রী এভাবে ছেড়ে চলে যাওয়ায় কবিতা লিখেছেন দুবাই’র শাসক।

এদিকে তার কবিতায় স্ত্রীর কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। ‘তুমি বাঁচো এবং মরো’ শিরোনামে লিখা কবিতায় স্ত্রী হায়াকে বিশ্বাসঘাতক বলে উল্লেখ করেছেন দুবাই’র শাসক।কবিতার শুরুতে তিনি লিখেন, ‘কিছু ভুল বিশ্বাসঘাতকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত, তুমি সীমা লঙ্ঘন এবং বিশ্বাসঘাতকতা করেছো।’তিনি কবিতায় আরো লিখেন, ‘তুমি বেঈমান, তুমি মহামূল্যবান বিশ্বাসের সঙ্গে বেঈমানি করেছো।’তিনি লিখেছেন, ‘তুমি এখন বেঁচে থাকো বা মরে যাও তাতে আমার যায় আসে না।’

এ ব্যাপারে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রিন্সেস হায়াকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জনসম্মুখে দেখা যাচ্ছিলো না।এমনকি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টগুলো চালু নেই। যেখানে তিনি প্রতিনিয়ত দাতব্য কাজের ছবি পোস্ট করতেন।এদিকে বলা হচ্ছে, তিনি তার কন্যা জালিয়া (১১) ও পুত্র জাভেদকে (৭) নিয়ে জার্মানিতে পালিয়ে গেছেন। জার্মানিতে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন।এ ব্যাপারে আরব মিডিয়া জানাচ্ছে, জার্মান কূটনৈতিক প্রিন্সেস হায়াকে দুবাই থেকে পালাতে সাহায্য করেছে। কেননা দেশ দুইটির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়ান চলছে।

তাদের খবরে আরো বলা হয়, দুবাই’র শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুম তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে জার্মানিকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু জার্মান কর্তৃপক্ষ দুবাই’র শাসকের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।

অনেক বেড়ে গেলো আরব আমিরাতের দিরহামের রেট। দেখে নিন এই মুহূর্তে.. …

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশে এ স্বাগতম ,আজ ৩০ জুন ২০১৯ ইং, প্রবাসী ভাইরা জেনে নিন এই মুহূর্তের আরব আমিরাতের দিরহাম এ বাংলাদেশি টাকায় কত ।

আজ ৩০ জুন রাতের AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.25৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
গত ২৫ জুন  রাতের AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.05 ৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
আজ ৩০ জুন রাতের রাতের 1 US ডলার = 84.55 ৳
গত ২৫ জুন  রাতের 1 US ডলার = 84.05 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি, যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন।আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন।

সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।টাকার রেট উঠানামা করে। দেশে টাকা পাঠানোর আগে ভালোভাবে রেট যাচাই করে নিন। হুন্ডি বা অবৈধ পথে টাকা পাঠাবেন না। তাতে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, দেশ ও উপকৃত হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। অল বিডি সেভেন.কমএর সাথেই থাকুন!”।

রেডিও শুনে শুনেই কুরআন মুখস্ত করলেন জন্মান্ধ ৫ বছরের হোসেন !

জন্ম থেকেই দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হোসেন মুহাম্মদ তাহির। এ কারণে ছেলেটির বাবা মুহাম্মদ তাহিরের অন্তরে সন্তানের জন্য দুঃখবোধ কাজ করতো। ৫ বছরের এ জন্মান্ধ শিশুটিই রেডিও শুনে শুনেই মুখস্ত করে নেন পুরো কুরআন। এমন অলৌকিক ঘটনা ঘটেছে মিয়ানমারে।

মিয়ানমারে জন্ম নেয়া জন্মান্ধ ৫ বছরের শিশু হোসেন রেডিও শুনে মুখস্ত করলেন পুরো কুরআন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ৫ বছরের শিশুর কুরআন হেফজ এক বিরল দৃষ্টান্ত।সৌদি আরবে বসবাসকারী শিশু হোসেন যেভাবে পুরো কুরআন মুখস্ত করলেন তার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিলেন তার বাবা মুহাম্মদ তাহির।মিয়ানমারে জন্ম নেয়া হোসেন মুহাম্মদ তাহির সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থানকারী তার প্রবাসী বাবা মুহাম্মদ তাহিরের কাছে চলে আসে। সে আলোকে বাবা মুহাম্মদ তাহির তার ছেলেকে একটি রেডিও কিনে

দেন এবং ২৪ ঘণ্টা কুরআন তেলাওয়াতের একটি চ্যানেল নির্ধারণ করে দেন। বাবা মুহাম্মদ তাহির চিন্তাও করেননি যে, তার দৃষ্টিহীন ছেলে শিশু হোসেন রেডিও শুনে শুনেই পুরো কুরআন মুখস্ত করবেন।

ঢামেকে ভর্তি শাহিন, রক্ত দিলেন শামসুন্নাহার হল সংসদের ভিপি ইমি !

ছিনতাইকারীদের হাতে আহত ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক কিশোর শাহিনকে (১৪) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।শনিবার (২৯ জুন) রাত ৯টা ৫০ মিনিটে শাহিনকে ঢামেকে নিয়ে আসা হয়।

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সাথে সাথে শাহিনের জন্য প্রয়োজন হয় রক্তের। কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। সে সংবাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলে শাহিনকে রক্ত দিতে ছুটে যান শামসুন্নাহার হল সংসদের ভিপি তাসনিম আফরোজ ইমি নিজেই।

ইমি প্রতিনিয়তই রক্ত সংগ্রহ করে বিভিন্ন রোগীদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন। আজ ষষ্ঠ বারের মতো রক্ত দিলেন ইমি।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, বর্তমানে চিকিৎসকেরা শাহিনকে দেখছেন।
হাসপাতালটির নিউরোসার্জারি বিভাগের (৯৮ নং ওয়ার্ড) দায়িত্বরত চিকিৎসক সজীব চন্দ্র সরকার বলেন, শাহিনের মাথায় ধারালো কিছুর আঘাত রয়েছে। যেটি তার মাথার হাড় ভেঙে ব্রেইনে ঢুকে গেছে।এছাড়া আঘাতের স্থল থেকে অনেক রক্তপাত হয়েছে। তার মাথায় অস্ত্রোপচার লাগবে। তাকে ভর্তি রাখা হয়েছে।

এরআগে, বিকেলে খুলনার ২৫০ শয্যা হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কিশোর শাহিনকে ঢাকায় নেওয়া হয়।শুক্রবার (২৮ জুন) বিকেলে যাত্রীবেশে কয়েকজন ছিনতাইকারী সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা থানার ধানদিয়ায় যাওয়ার কথা বলে কিশোর শাহিনের ভ্যানে ওঠে। শাহিন তাদের নিয়ে ধানদিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়।এরপর ধানদিয়া গ্রামের পথে ঢুকে একটি পাটক্ষেতের পাশে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা শাহিনের মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে জ্ঞান ফিরে শাহিন কান্নাকাটি শুরু করলে স্থানীয়রা সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানায় খবর দেয়। সেখান থেকে তাকে খুলনার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি না করার দাবি নিক্সন চৌধুরীর !

বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত দক্ষ শ্রমিকের পাশাপাশি অদক্ষ শ্রমিক যাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সরকারিভাবে অনেকে এ সুযোগের আওতায় আসতে না পেরে দালালের মাধ্যমে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে যাওয়া পর এসব শ্রমিকরা যেমন কোনো কাজ পাচ্ছেন না, তেমনি তাদের কারণে শ্রম বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বৈধ প্রবাসীরা।

তাই প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি সহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী। সম্প্রতি নানা বিষয় নিয়ে দেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল‘সময়’কে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। সাক্ষাৎকারে নিক্সন চৌধুরী বলেন ‘আমার আসন হবে একটা মডেল আসন এবং সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই আমার মূল লক্ষ্য।’

নিক্সন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি জন্যে হুবহু তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: আপনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুই দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং আপনার এলাকার মানুষ আপনাকে অত্যাধিক ভালোবাসে, এর রহস্য কি?
নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব রয়েছে, আমি যদি মানুষের সেবাই না করতে পারি, তাহলে আমার ক্ষমতা দেখানোর জন্য এমপি হয়ে কোনো লাভ নাই। তাই আমি ক্ষমতার জন্য এমপি হইনি। এলাকার জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য, তাদের বিপদে আমি যদি তাদের পাশে না দাঁড়াতে পারি, তাহলে আমি কিসের জনপ্রতিনিধি?

প্রশ্ন: আপনি খুব অল্প সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন দেশে ও বিদেশে, পাশাপাশি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীও রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর, বিভিন্ন সময় হুমকির পরেও কোনো প্রটোকল ছাড়াই একাকী স্বাভাবিক চলাফেরা করেন, এটা কি নিরাপদ মনে করেন?নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, আমার প্রটোকল আমার জনগণ, মৃত্যুর ভয়ে পুলিশের প্রটোকল নিয়ে কেউ বাঁচতে পারেনি, আর আমার যারা প্রতিদ্বন্দ্বী, তারা সবাই আমার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সুতরাং আমি যদি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে না পারি,

তাহলে বেঁচে থেকে লাভ কি? যতদিন বাঁচবো মানুষের জন্য কাজ করেই যাবো ইনশাআল্লাহ।
প্রশ্ন: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের হয়রানির বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি?
নিক্সন চৌধুরী: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সব সময় আমার লোক লাগানো আছে। যাদের কাজই হচ্ছে আমার আসনের কোনো রোগী স্বাস্থ্যসেবা নিতে হাসপাতালে যেয়ে যেন হয়রানির শিকার না হয় এবং তাদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা।

শুধুমাত্র ফরিদপুর নয়, ঢাকায়ও যদি আমার এলাকার কেউ আসে চিকিৎসা করাতে, তাহলেও আমি নিজের লোক দিয়ে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করি। আর দালালদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি, কিছুদিন আগেও অনেক দালাল গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রশ্ন: মহান জাতীয় সংসদে আপনি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন এবং দেশের অনেক টেলিভিশনের টকশোতেও বেশ গুরুত্বের সাথে প্রবাসীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, প্রবাসীদের নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?

নিক্সন চৌধুরী: এক নাম্বারে সরকারের কাছে আমার দাবি, প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড করে দেওয়া হউক, এবং দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিস, আদালতে প্রবাসীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের সেবা দেওয়া হউক।
এয়ারপোর্টের হয়রানি অনেক কমেছে আগের চেয়ে। এরপরও আমি এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষকে বলবো, আমার একজন প্রবাসী যেন নিরাপত্তা তল্লাশির নামে হয়রানির শিকার না হয় সেইদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স চালু করবো। প্রবাসীদের জন্য ট্রাভেল ট্যাক্স বন্ধ করার ব্যাপারে মহান সংসদে তুলে ধরবো। প্রবাসীদের বিনা হয়রানিতে এবং দ্রুত সময়ে ভোটার আইডি দেওয়ার ব্যাপারে কাজ করছি এবং আমার এলাকা থেকে কোনো একজন মানুষ যেন অদক্ষ হয়ে প্রবাসে না যায়। সেই জন্য একটা স্কিল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করবো, যেখান থেকে একজন মানুষ কাজের দক্ষতা অর্জন করে বিদেশ যেয়ে বেশি পরিমাণ রেমিটেন্স প্রেরণ করতে পারবে।

প্রশ্নকর্তা: অনেক ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।
নিক্সন চৌধুরী: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আমার অফিসে কষ্ট করে এসে আমার সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য, সবশেষে আমি আপনার মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের সকলের কাছে দোয়া চাই, যেন আমি সৎ ও সুন্দরভাবে আমার এলাকা পরিচালনা করতে পারি।-আমাদেরসময়.কম

আজ ২৯/০৬/২০১৯ আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের রেট দেখে নিন !

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশ এ স্বাগতম ! ধনী থেকে গরিব সবাই চায় এটি কাছে রাখতে । কিন্তু অনেক দাম হওয়ার কারনে শুধু ধনী বাক্তিরাই সেটি সংরক্ষন করতে পারে। তবে যারা দেশের বাইরে থাকেন তারাও মাঝে মাঝে ভাল স্বর্ণ কম মূল্যে কিনতে পারে। তার প্রবাসী ভাইদের জন্য এটি বেশ।

ভরি =১১.৬৫৪ গ্রাম

বাংলাদেশ: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট)  =  3525  টাকা ।  দুবাই: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  169.75 দেরহাম,  (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 158.50 দেরহাম । সৌদি আরব: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  170.50 সৌদি রিয়্যাল, (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 156.30 সৌদি রিয়্যাল ।

কাতার: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 165.50 কাতারি রিয়্যাল ।

সিঙ্গাপুর: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 61.25 ডলার ।

মালয়েশিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 189.10 রিংগিত ।

ইংল্যান্ড: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 35.70 ব্রিটেন পাউন্ড ।

বাহরাইন: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 15.65 দিনার ।

ওমান: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 15.97 রিয়াল ।

অস্ট্রেলিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 58.68 অস্ট্রেলিয়ান ডলার ।

কুয়েত: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 13.73 দিনার ।

কানাডা :  প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  41.18 কানাডিয়ান ডলার ।

আমেরিকা: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 45.35 আমেরিকান ডলার ।

যেকোনো সময় স্বর্ণের রেট উঠানামা করতে পারে।প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন। যে যেখানে আছেন নিরাপদে থাকুন, আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন।নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় আমার বাংলাদেশের এর সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ ।

গাড়ি থেকে লাফ দিয়ে রক্ষা পেল আইডিয়ালের ছাত্রী !

ঢাকার কেরানীগঞ্জে গাড়ি থেকে লাফিয়ে পড়ে অপহরণকারীদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মুগদা শাখার এক ছাত্রী।

ফারাবি হুসাইন নামে ওই ছাত্রী আইডিয়াল স্কুলের সামনে থেকে অপহরণের শিকার হয়। সে ওই স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। পরে কেরানীগঞ্জে মাইক্রোবাস থেকে লফিয়ে পড়ে।শনিবার দুপুরে স্কুলের সামনে দাঁড়ানো অবস্থায় একদল দুর্বৃত্ত তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নেয়।

এ সময় অপহরণকারীরা নেশাজাতীয় কিছু দিয়ে মেয়েটিকে অচেতন করে। পরে বিকাল ৪টার দিকে ওই মাইক্রোবাসটি ঢাকা থেকে কেরানীগঞ্জে পৌঁছালে মেয়েটি কৌশলে গাড়ির দরজা খুলে রাস্তায় লাফিয়ে পড়ে দৌড়ে পাশের একটি ফলের দোকানে আশ্রয় নেয়।ফলের দোকানের মালিক দেলোয়ার হোসেন জানান, কদমতলী বাবুবাজার ব্রিজের প্রান্ত থেকে মেয়েটি দৌড়ে এসে তার দোকানের সামনে পড়ে যায়।এ সময় সে ঠিকমতো কথাও বলতে পারছিল না। আমাকে বাঁচান, ওরা আমাকে মেরে ফেলবে বলে অচেতন হয়ে পড়ে।

পরে ওর সঙ্গে থাকা আইডি কার্ড থেকে জানা যায়, মেয়েটি আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মুগদা শাখার দশম শ্রেণীর ছাত্রী। সেবাযত্ন করার পর কিছুটা সুস্থ হলে সে তার বাবার মোবাইল নাম্বারে জানায়। খবর পেয়ে মেয়েটির বাবা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।মেয়েটির বাবার নাম অ্যাডভোকেট সেরনিয়াবাত সেকান্দার আলী। তিনি ঢাকা বারের আইনজীবী। বাসা রাজধানীর বাসাব এলাকায়।
সেকান্দার আলী জানান, সকালে পরীক্ষা দিতে স্কুলে যায় ফারাবি। পরীক্ষা শেষে স্কুলের সামনে সে দাঁড়িয়ে ছিল। তখন একটি মাইক্রোবাস তার সামনে এসে দাঁড়ায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে গাড়িতে তুলে নেয়। এ সময় তাকে অচেতন করে ফেলে দুর্বৃত্তরা।

কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ফারাবি যুগান্তরকে জানায়, ওই গাড়িতে আরও কয়েকটি মেয়ে ছিল। তার মতো ওদেরও অপহরণ করা হয়েছে। অপহরণকারীরা বলাবলি করছিল- বালুর মাঠে নিয়ে গাড়ি থামাবে। এরপর ওদের পাচার করা হবে।ফারাবি আরও জানায়, তাকে গাড়িতে তোলার পর মুখে কিছু একটি চেপে ধরা হয়। এতে অর্ধ অচেতন হয়ে পড়ে সে। তবে মাঝে মাঝে সে অপহরণকারীদে কথা শুনতে পাচ্ছিল। একপর্যায়ে সে গাড়ির সুইচ চেপে দরজা খুলে রাস্তায় লাফিয়ে পড়ে। এরপর কী হয়েছে তার মনে নেই।

কেরানীগঞ্জ থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, মেয়েটি সম্ভবত পাচারকারীদে হাতে পড়েছিল। তবে বুদ্ধির জোরে সে বেঁচে গেছে। খবর পেয়ে মেয়েটির বাবা-মা এলে ওকে তাদের হাতে তুলে দেয়া হয়।ওসি আরও জানান, মেয়েটির বাবা মুগদা থানায় মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। এ বিষয়ে মুগদা থানা পুলিশ চাইলে তাদের সহযোগিতা করা হবে।