কৃত্রিম ‘কিডনি’ তৈরি করে চমক দেখালেন বাঙালি বিজ্ঞানী !

কিডনি রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে কিছু কিডনি রোগ আছে, সময়মতো উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে কিডনি ফেইলুর হয়ে যায়। অর্থাৎ কিডনি তার স্বাভাবিক কাজ করতে পারে না।

কিডনি ফেইলুরের অন্যতম কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস রোগ। মেডিসিন বা অন্য চিকিৎসার পাশাপাশি কিডনি ফেইলুরে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সময়মতো চিকিৎসা করা না হলে কিডনি রোগের শেষ পরিণতি দীর্ঘস্থায়ী হয়। পাঁচটি ধাপে কিডনি বিকলের দিকে অগ্রসর হয়। প্রথম চারটি ধাপ পর্যন্ত চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময় অথবা যে গতিতে কিডনি ক্ষয় হচ্ছে তা অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব।

কিন্তু একবার পাঁচ নম্বর ধাপে চলে গেলে তখন বেঁচে থাকার উপায় হলো ডায়ালাইসিস অথবা কিডনি সংযোজন। এসব পদ্ধতি এতটাই ব্যয়বহুল, আমাদের দেশের শতকরা ১০ ভাগ লোকের পক্ষে এ ধরনের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
আর সে দিক িবেচনা করেই আধুনিক লাইফস্টাইলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই কিডনি সমস্যার সমাধানে দারুণ সাফল্য অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিজ্ঞানী। তিনি কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেন।

নতুন এই আবিষ্কারটির সফল পরীক্ষাও চালিয়েছেন তিনি। হয়তো ২০১৯ সাল নাগাদ বাজারে আসবে কৃত্রিম কিডনি।

কিছুদিন আগে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে ব্যাপক হৈচৈ ফেলে দেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী শুভ রায়। তার আবিষ্কৃত এই কৃত্রিম কিডনি আসল অঙ্গের মতোই কাজ করতে সক্ষম। এই কিডনি রক্তের বিষাক্ত পদার্থ ছাঁকা থেকে শুরু করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ও ভিটামিন ডি তৈরি, সব কাজই করতে পারবে।
আধুনিক জীবন জেট গতির লাইফস্টাইল। ফাস্টফুডের প্রতি তীব্র ভালোবাসা। পরিণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীর রোগের ডিপো। বারোটা বাজছে হার্ট, ফুসফুস, লিভার, কিডনির। ক্রনিক হচ্ছে কিডনির রোগ। ডায়ালাইসিসের জন্য হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকতে হয় ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এসব সমস্যার সমাধানই হলো কিডনি প্রতিস্থাপন।

প্রাথমিক শিক্ষকদের সন্তানরা পড়তে পারবে না ‘কিন্ডার গার্টেনে’ : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আজ মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেছেন, ‘মানসম্মত কাজ করার জন্য সবাইকে একহয়ে কাজ করতে হবে।’প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সন্তান কিন্ডার গার্টেনে পড়তে পারবে না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, শিগগিরই প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে সহকারী শিক্ষকদের বেতন সমন্বয় করা হবে। এ ছাড়া প্রতিটি স্কুলের পাঠদানের বিষয়সূচি একই হবে। প্রতিটি স্কুলে স্কাউট গঠনেরও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

অবসরে যাওয়ার দুই মাসের মধ্যে শিক্ষকরা যেন পেনশনের টাকা পান সরকার সেই ব্যবস্থা নিচ্ছে বলেও আশ্বস্ত করেন প্রতিমন্ত্রী।

কেমন কাটবে আজকের দিনটি ,জেনে নিন !

এই মুহূর্তে দেশে ও দেশের বাইরে যে যেখান আছেন সবাইকে “আমার বাংলাদেশ”এর পক্ষ থেকে স্বাগতম ! আজ ১৪ জানুয়ারি ২০১৯, আপনার রাশি অনুযায়ী দিনের শুরুতেই জেনে নিন আপনার আজকের দিনটি কেমন যাবে!

মেষ: আপনার কোনও কটু কথার জন্য অশান্তি বাড়তে পারে। আজ আপনি নতুন কোনও সংগঠনমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। পারিবারিক দিকে সুখ শান্তি বজায় থাকবে। কারও প্ররোচনায় পা দেবেন না। সকালের দিকটা ভাল চললেও বিকেলটা খুব একটা ভাল নয়।

বৃষ: পারিবারিক ব্যাপারে কোনও চাপ আসতে পারে। কর্মে অন্য দিনের তুলনায় আজ পরিশ্রম একটু বেশি হতে পারে। ভুল বোঝাবুঝির জন্য পারিবারিক শান্তি নষ্ট। বাড়িতে নতুন কোনও অতিথি আসতে পারে। অতিরিক্ত অর্থ লাভের আশায় ঝামেলার সৃষ্টি হতে পারে।

মিথুন: কোনও উচ্চাশা পূরণ না হওয়ার জন্য মানসিক যন্ত্রণা বৃদ্ধি। ভ্রমণের পরিকল্পনায় বাধা আসার সম্ভাবনা। সম্পত্তির অধিকার চাওয়ায় ঝামেলার সম্মুখীন হতে পারেন। জলপথে বিপদ। উচ্চশিক্ষার সুযোগ আসতে পারে।

কর্কট: ভ্রমণের কোনও পরিকল্পনা করতে পারেন। বাড়িতে কোনও খারাপ খবর নিয়ে চিন্তা। দাম্পত্য কলহ বাধতে পারে আজ। আইনি কোনও কাজ থেকে সাবধান থাকুন। নিজের আত্মীয় শত্রুতা করতে পারে।

সিংহ: কোথাও পড়ে যেতে পারেন। প্রিয়জনের কাছ থেকে কোনও আঘাত পেতে পারেন। ব্যবসার জন্য খরচ বাড়তে পারে। পরিশ্রমের উপযুক্ত ফল পাবেন না। শিল্পীদের জন্য খুব ভাল সময়। কোনও আত্মীয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারেন। মিথ্যে অপবাদে ফাঁসতে পারেন।

কন্যা: সকাল থেকে মনে একটা শান্তি অনুভব করবেন। অযথা কোনও ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন। ব্যবসার উন্নতির জন্য কোনও চেষ্টা। প্রেমের ব্যাপারে অশান্তি হতে পারে, সতর্ক থাকুন। শুভ কাজে বাধা আসতে পারে। চাকরির স্থানে কাজের চাপে শারীরিক অসুস্থতা।

তুলা: কোনও অচেনা সুন্দর মহিলা থেকে সাবধান থাকুন। বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা। পুরনো ঋণ শোধ হতে পারে। বাবার শরীর নিয়ে একটু চিন্তা থাকবে। নিজের ভুলের ফলে নানা দিক থেকে অপব্যয় হতে পারে। রাস্তার লোকের সঙ্গে হঠাৎ বিবাদ হতে পারে। ভাই ভাই বিবাদ বৃদ্ধি।

বৃশ্চিক: খাবারের জন্য খরচ হতে পারে। ভ্রমণে কোনও সমস্যায় পড়তে পারেন। ভাইবোনদের সঙ্গে বিবাদ বা বিচ্ছেদ হতে পারে। শত্রুর সঙ্গে চুক্তিতে কাজ সমাধান। প্রেমে নতুন মোড় আসার সম্ভাবনা। আজ সারা দিন বেশ উৎফুল্লতায় কাটবে। বাড়ির লোক আপনাকে বুঝবে না।

ধনু: সকাল থেকে খরচ বাড়তে পারে। কর্মক্ষেত্রে নিজের দোষে খারাপ পরিস্থিতির শিকার হবেন। পরোপকারে সংসারে শান্তি ভঙ্গ। সন্তানের কাজের ফলে আনন্দ ও গর্ববোধ। উচ্চপদস্থ চাকরির যোগ দেখা যাচ্ছে। বাড়িতে শুভ বা মাঙ্গলিক কাজের জন্য খরচ। সম্পত্তির ব্যাপারে আইনি সাহায্য নিতে হতে পারে।

মকর: ব্যবসায় দারুণ অর্থ প্রাপ্তি যোগ আছে। গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে। জলপথে ভ্রমণ না করাই ভাল হবে। লটারিতে হঠাৎ প্রাপ্তি যোগ। চিকিৎসাজনক কাজে সারাদিন অস্থিরতা থাকবে। ব্যবসায় কোনও নতুন চিন্তা ভাবনা আসতে পারে। পিতার সঙ্গে কোনও ছোট কারণে বিবাদ হতে পারে।

কুম্ভ: কাজের ভুলের জন্য উচ্চপদস্থ ব্যক্তির কাছে অপমানিত হতে পারেন। স্ত্রীর দ্বারা ব্যবসায় শুভ কিছু হতে পারে। প্রতিবেশীর সঙ্গে শত্রুতা হওয়ার সম্ভাবনা। ভাল কাজের পরিপ্রেক্ষিতে হতাশা। পরিশ্রম বৃদ্ধিতে শারীরিক অসুস্থতা আসবে। কোনও ব্যাপারে মামলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন। বুদ্ধি বলে জয়।

মীন: সকালের দিকে মাথার যন্ত্রণা বাড়তে পারে। প্রেমে আপনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হতে পারে। স্ত্রীর রাগের জন্য সংসারে অশান্তি। সন্তানদের কর্মের জন্য সাহায্য করতে হতে পারে। ব্যবসায় নতুন কর্মী নিযুক্ত করা ঠিক হবে না। বন্ধু সমাগমে মনে উৎফুল্লতা বৃদ্ধি। অযথা কথা খুব কম বলবেন।
প্রতিদিনই সকল প্রাণীর রাশিফল পরিবর্তন হয়ে থাকে।সুতরাং, আপনি আপনার প্রতিদিনের রাশিফলই জেনে সাবধানতা অবলম্বন করে চলুন!
তাতে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, আপনার পরিবারও উপকৃত হবে। অবশ্যই লাইক ও শেয়ার দিয়ে সর্বদা “আমার বাংলাদেশ”এর সাথে একটিভ থাকুন! ধন্যবাদ।

কুরআনের হাফেজ হলেন ৮ বছরের শিশু !

মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন ।ফিলিস্তানের গাজা প্রদেশের নিবাসী ৮ বছরের শিশু “আলা আওয়াজ” সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছেন।আল আওয়াজ গাজা প্রদেশের জাবালিয়া শহরের আল-ওমরী মসজিদে কুরআনের ক্লাসে অংশগ্রহণ করে অতি অল্প সময়ে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছেন।

প্রথমে তিনি কুরআন তিলাওয়াত শুনে প্রতিদিন এক পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করতেন। পরবর্তীতে তিনি প্রতিদিন দুই অথবা তিন পৃষ্ঠা মুখস্থ করা শুর করেন। শেষে দিকে তিনি প্রতিদিন ১৬ পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করেন। এছাড়াও প্রতিদিন ৪৫ পৃষ্ঠা করে রিভাইজ করতেন। এছাড়াও তিনি তার বাড়ির নিকটে অবস্থিত আল-ওমরী মসজিদের কুরআন শিক্ষকের সাথে মাঝেমধ্যে সারাদিন থেকে কুরআন মুখস্থ করতেন।

কুরআন হেফজের প্রতি অনেক আকর্ষণ থাকার ফলে তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছেন।

৮ বছরের এই শিশু মাত্র ৮ মাসে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছেন। আট মাস কুরআন হেফজ করে তিনি গাজা প্রদেশে রেকর্ড করেছেন। কারণ এরপূর্বে এতো অল্প সময়ে কেউ কুরআন হেফজ করেনি।

বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা ব্যাক্তিগণ !

বাংলাদেশের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাত্র কিছুদিন আগেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে টানা ৩ বার এবং তার ৪র্থ বারের মতো বসেছেন। তার জন্য এটি রেকর্ড।বিশ্বে তার আগে অনেক ব্যাক্তিগণ দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় আসীন ছিলেন। কিন্তু সবচেয়ে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা রাষ্ট্রপ্রধানদের রেকর্ডের কাছে এটি তুচ্ছ। সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা রাষ্ট্রনায়কদের নিয়ে এই আয়োজন।

ক্ষমতায় ৩৯ বছর ; মধ্য আফ্রিকার ছোট্ট দেশ ইকুয়েটোরিয়াল গিনির প্রেসিডেন্ট টিওডোরো ওবিয়াং নগুয়েমা। সেই ১৯৭৯ সালে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন। তারপর থেকে তিনিই সে দেশের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। টিওডোরো ওবিয়াং নগুয়েমার বয়স এখন ৭৪ বছর।

৩৭ বছর পর পতন : সেনা অভ্যুত্থানের মুখে জিম্বাবুয়ের রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হলো রবার্ট মুগাবেকে। আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের দেশ জিম্বাবুয়ে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৮০ সালে। স্বাধীনতার ৩৭ বছর পর ২০১৭ সালে ক্ষমতা হারান প্রেসিডেন্ট মুগাবে।

পল বিয়া, ৩৬ বছর ধরে ক্ষমতায় : পল বিয়া গত ৩৬ বছর ধরে ক্যামেরুনের প্রেসিডেন্ট। প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন ১৯৮২ সালে। তারপর থেকে এ পর্যন্ত তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে দু’টি অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছে। দু’টিকেই ব্যর্থ করে ক্ষমতা আগলে রেখেছেন ৮৫ বছর বয়সি পল বিয়া।

ডেনিস সাসৌ নগুয়েসোর মোট ৩৪ বছর মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গো-ব্রাজাভিলের নাম অনেকেই হয়ত শোনেননি। সে দেশের প্রেসিডেন্ট ডেনিস সাসৌ নগুয়েসো ক্ষমতায় আরোহন করেছিলেন ১৯৭৯ সালে। সেই দফায় ছিলেন ১৯৯২ পর্যন্ত। তারপর পাঁচ বছরের বিরতি। ১৯৯৭ সালে ফেরার পর থেকে ক্ষমতায় আবার তিনি অবিচল।

হুন সেন, কম্বোডিয়া : ১৯৮৫ সাল থেকে হিসেব করলে হু সেন কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন ৩৩ বছর ধরে। ৩২ বছর ধরে ক্ষমতায় সমকামীবিদ্বেষী মুসেভেনি। পূর্ব আফ্রিকার দেশ উগান্ডার প্রেসিডেন্টের নাম ইয়োয়েরি মুসেভেনি। ৩২ বছর ধরে তিনি সে দেশের প্রেসিডেন্ট। ৭৪ বছর বয়সী এই শাসক সমকামীবিদ্বেষী হিসেবেও পরিচিত এবং সমালোচিত।

২৯ বছর ধরে সুদানের শাসক : সুদানের ওমর আল-বাশির রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিলেন ১৯৮৯ সালে। দারফুরে ব্যাপক গণহত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতন চালানোর জন্য ১৯৮৯ সালে তাকে অভিযুক্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। ২৯ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছেন তিনি।

নুর সুলতান নাসারবায়েভ, কাজাখস্তান : ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে কাজাখস্তান। তারপর থেকেই সে দেশের প্রেসিডেন্ট নুরসুলতান নাজারবায়েভ। অর্থাৎ ২৮ বছর ধরে দেশটির প্রেসিডেন্ট তিনি।

শেখ হাসিনা : ২০ বছরের পথে যাত্রা শুরু : আগে মোট তিন মেয়াদে ১৫ বছর দায়িত্ব পালনের পর এবার চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন শেখ হাসিনা। সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীদের তুলনায় তিনি এখনো অনেক পিছিয়ে। তবে চতুর্থ মেয়াদ শেষ করলে তারও ২০ বছর পূর্ণ হবে।

আলি খামেনি, ইরান : সায়িদ আলি হোসেইনি খামেনি হলেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা। ১৯৮১ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসাবে ক্ষমতায় আসেন তিনি। তবে ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। ৩৭ বছর ধরে দেশটির সর্বোচ্চ পদে আছেন আলি খামেনি।`

ক্যান্সারের মত ভয়াবহ রোগের জন্য দায়ী যে ৮ খাবার !

স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইটের দেওয়া তথ্য মতে, ক্যান্সার হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে জিনগত সমস্যা, জীবনযাপন, ধূমপান, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, কিছু নির্দিষ্ট সংক্রমণ, বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদানের কারণে হওয়া বিভিন্ন পরিবেশগত সমস্যা ইত্যাদি অন্যতম।

গবেষণা বলছে, ভুলভাল খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক পরিশ্রমের অভাব- একজন ব্যক্তির ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার অন্যতম প্রধান দুটি কারণ। ভরসার কথা হল বিষয়টা আপনার নিয়ন্ত্রণে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে ধূমপান বর্জন করা ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করা উচিত। যেমন- স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা, পুষ্টিকর খাবার, বিশেষত উদ্ভিদ-ভিত্তিক খাবার খাওয়া ইত্যাদি।

‘ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার রিসার্চ ফান্ড’য়ের মতে, আমেরিকাতে ২০ শতাংশ ক্যান্সার রোগীরই রোগাক্রান্ত হওয়ার কারণ শারীরিক পরিশ্রমের অভাব, মেদ, অতিরিক্ত মদ্যপান ও অপুষ্টি। সবগুলো কারণই মোকাবেলা করা সম্ভব, তাই খাদ্যাভ্যাস থেকে বাদ দিতে কিছু খাবার।

প্রক্রিয়াজাত ও কৃত্রিম চিনি: শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত চিনি ক্যান্সার কোষের প্রিয় খাবারগুলো মধ্যে অন্যতম। অর্থাৎ এটি ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতে সহায়ক। মেডিসিন বিভাগে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্ত জার্মান চিকিৎসক ওটো ওয়ারবার্গ ১৯৩১ সালে প্রথম আবিষ্কার করেছিলেন যে টিউমার ও ক্যান্সার কোষ বেড়ে উঠতে উচ্চ মাত্রায় ‘ফ্রুক্টোজ’যুক্ত চিনির উপর নির্ভরশীল।

তাই প্রক্রিয়াজাত কিংবা কৃত্রিম চিনির পরিবর্তে মধু, গুড়, ম্যাপল সিরাপ ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারেন।

প্রক্রিয়াজাত মাংস: যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াই’য়ের করা এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস অগ্ন্যাশয় ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় প্রায় ৬৭ শতাংশ। এতে থাকে উচ্চমাত্রায় রাসায়নিক পদার্থ ও খাদ্য সংরক্ষক। আরও থাকে নাইট্রেইট, যা এর স্বাদ বাড়ায়। তবে ‘কারসিনোজেন’ ধরনের বিষ হিসেবে এর পরিচিত আছে।

‘স্মোকড মিট’ বা কাঠের ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত মাংস খাওয়াও স্বাস্থ্যের জন্য সুবিধার নয়, কারণ এই ধরনের খাবার তৈরির সময় মাংসে ‘টার’ অর্থাৎ ধোঁয়া থেকে সৃষ্টি বিষাক্ত পদার্থ শোষণ করে নেয়।

তাই খেতে হবে চর্বিহীন মাংস অথবা মাংস ঘরেই রাঁধতে হবে।

চাষ করা মাছ: বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা মাছ যেমন- স্যামন, অত্যন্ত জনাকীর্ণ পরিবেশে বড় হয়। মাছ চাষের ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবির আক্রমণ থেকে বাঁচতে ব্যবহার হয় বিভিন্ন জীবণুরোধকারী ওষুধ, কীটনাষক ও অন্যান্য ‘কারসিনোগেনিক’ রাসায়নিক উপাদান। প্রাকৃতিক মাছের তুলনায় চাষ করা মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণও কম থাকে।

তাই যতটা সম্ভব নদী বা সমুদ্রের মাছ খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।

আচার ও ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত খাবার: এসব খাবারে সাধারণত খাদ্য সংরক্ষক উপাদান যেমন, ‘নাইট্রেইট’ থাকে। দীর্ঘদিন এসব খাবার খেলে ওই খাদ্য সংরক্ষক উপাদানগুলো শরীরে জমা হতে থাকে। ফলে একসময় এই বিষাক্ত উপাদানগুলো কোষের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে এবং ক্রমেই ক্যান্সারের দিকে এগিয়ে যায়।

আবার ধোঁয়ার প্রস্তুতকৃত খাবার উচ্চ তাপমাত্রায় রান্না করা হলে এতে থাকা ‘নাইট্রেইট’ পরিণত হয় আরও বেশি ক্ষতিকর ‘নাইট্রাইটস’য়ে। তাই এ ধরনের খাবার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।

হাইড্রোজেনেইটেড অয়েল বা ট্রান্স-ফ্যাট: মানুষের তৈরি এই উপাদান রাসায়নিক গঠন পরিবর্তন করে দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত করা হয়। আবার এর গন্ধ ঢাকতে ও স্বাদ বাড়াতে ব্যবহার করা হয় রাসায়নিক পদার্থ।

গবেষকরা প্রমাণ করেছেন যে, বাণিজ্যিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করা খাবারে থাকা ‘হাইড্রোজেনেইটেড’ ও আংশিক ‘হাইড্রোজেনেইটেড’ উদ্ভিজ্জ তেল স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় দ্বিগুণ। তাই এর পরিবর্তে ব্যবহার করতে হবে ‘এক্সট্রা-ভার্জিন অলিভ অয়েল’, ‘এক্সট্রা-ভার্জিন কোকোনাট অয়েল’ কিংবা ‘পাম অয়েল’

আলুর চিপস: ‘হাইড্রোজেনেইটেড ভেজিটেবল অয়েল’য়ে ভেজে তৈরি করা হয় এই চিপস, সঙ্গে থাকে অতিরিক্ত লবণ।

‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অফ মেডিসিন’য়ে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন মাত্র ১ আউন্স চিপস খেলেই বছরে গড়ে প্রায় দুই পাউন্ড ওজন বাড়তে পারে। পাশাপাশি এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ট্রান্স-ফ্যাটও থাকে, যা কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। আর লবণে থাকা সোডিয়াম বাড়ায় রক্তচাপ। আলুর চিপসকে মচমচে বানানোর জন্য উচ্চ তাপমাত্রায় ভাজা হয়। এতে ‘অ্যাক্রিলামাইড’ নামক ‘কারসিনোজেন’ ধরনের বিষাক্ত উপাদান তৈরি হয়। যা সাধারণত সিগারেটে মেলে।

এজন্য দোকান থেকে চিপস কেনার পরিবর্তে ঘরেই চিপস বানিয়ে খাওয়া অভ্যাস করতে হবে।

মাইক্রোওয়েভ পপকর্ন: খাওয়া সহজ এবং তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর একটি স্ন্যাকস পপকর্ন। তবে, ঝামেলা হল এর প্যাকেটে। বেশিরভাগ মাইক্রোওয়েভ পপকর্নের প্যাকেটের গায়ে থাকে ‘পারফ্লুরোঅক্টানোইক’ অ্যাসিড নামক রাসায়নিক উপাদান। যা স্তন, বৃক্ক, মুত্রথলি, কোলোরেক্টাল, প্রোস্টেট, ফুসফুস, থাইরয়েড, লিউকেমিয়া এবং লিম্ফোমা ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

পরিশোধিত সাদা আটা:
আটা পরিশোধনের সময় এর প্রায় সকল পুষ্টিগুণই নষ্ট হয়ে যায়। পরে একে ক্লোরিন গ্যাসের সাহায্যে ব্লিচ করা হয় ক্রেতার চোখে আকর্ষণীয় করার জন্য। এই আটার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মাত্রাও অনেক বেশি। অর্থাৎ শরীরে পুষ্টি সরবরাহ ছাড়াই ইনসুলিনের মাত্রা হুট করে বাড়িয়ে দিতে পারে।

তাই পরিশোধিত সাদা আটার পরিবর্তে গম, কাঠবাদাম বা বার্লির আটা খাওয়া ভালো।

অতিরিক্ত ফি নিলে কঠোর ব্যবস্থা : নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি নেওয়া হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নবনিযুক্ত শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ভর্তির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আদায় নিয়মবহির্ভূত কাজ এবং অন্যায়।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, যেসব বিদ্যালয়ে নিয়ম বেঁধে দেওয়া আছে, সে নিয়ম মেনে তাঁরা ভর্তি করবেন। কোনো ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফি আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আজ শুক্রবার চাঁদপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নির্বাচন-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন দীপু মনি।

শিক্ষার মান উন্নয়ন প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, বছরের প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া, প্রতিটি শিশুকে স্কুলমুখী করা এবং ঝরেপড়া রোধসহ শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনসহ যেসব সাফল্য রয়েছে, সেসব সাফল্য এগিয়ে নিতে আগামী পাঁচ বছরে এ ধারা অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া অন্য যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা মোকাবিলা করা হবে।

শিক্ষার মান উন্নয়নে যা কিছু প্রয়োজন, তার সবকিছু করা হবে। আর এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

আপনার গ্যাস্টিক সমস্যা চিরতরে দূর করুন !

আমাদের দেশে গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ছাড়া কোনো লোক খুঁজে পাওয়া যাবেনা। এই সমস্যা মূলত বেশি বেশি ভাজা পোড়া খাওয়ার কারণে প্রধানত হয়।

অনেকের পেট ব্যাথা , বুকের ব্যথা বা বদ হজম এসব খাওয়ার পরে হয়। এই সমস্যা এড়ানোর জন্য, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে, আপনাকে নিম্নলিখিত নিয়মগুলির মধ্যে কোন একটি অনুসরণ করলে হবে।

কাঁচা আদা অর্ধেক ইঞ্চি পরিমাণ নিন। তারপর একটু লবণ মাখিয়ে নিন । আদা খাওয়ার কয়েক মিনিটের পর গরম কাপের এক কাপ কুসুম গরম পানি খান । রাতে আর কোন গ্যাস্ট্রিক সমস্যা হবে না । অথবা, একটি চুলায় একটি হাড়িতে এক গ্লাস পানি নিন । এর আগে, এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে নিন । পানি কমপক্ষে পাঁচ মিনিট গরম করুন তারপর এটা নিচে নামিয়ে নিন ঠান্ডা হলে, এটি খেয়ে নিন দেখুন গ্যাস্টিক পালাবে ।

অথবা, যদি উপরের সমস্ত পদ্ধতি একটি সমস্যা হয় তবে এক গ্লাস পানির সাথে সামান্য মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি পান করুন। রাত্রে কখনো পেটে বা বুকে ব্যাথা থাকবে না।

গ্যাস্ট্রিক লক্ষণগুলি পেটে জ্বালা, অশান্তি, বমি বমি ভাব, বমিভাব, পেট ক্ষুধা, ক্ষুধা হ্রাস, পেটের ভারী অনুভূতি খাওয়ার পরে বেড়ে যায়। গ্যাস্ট্রিক সমস্যাগুলি খাদ্যের কারণে উত্থিত হয়, সময় মত না খাওয়া, বাসি অথবা ভাজা পোড়া খাওয়া, জাঙ্ক ফুট খাওয়া এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির পরিমাণ পান না করা ইত্যাদি । গ্যাস্ট্রিক এর হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে কিছু ঘরোয়া উপায় জানি-

আলু রস- ১ গ্যাস্ট্রিক সমস্যা প্রতিরোধ করার সেরা উপায় হল আলু রস ব্যবহার করা।আলুর অ্যালকালাইন উপাদান গ্যাস্ট্রিক সমস্যা লক্ষণ প্রতিরোধ করে। 2. এক বা দুটি আলু গ্রেট করে নিন।এর পর গ্রেট আলু থেকে রস বের করে নিন। তারপর আলু রস সঙ্গে গরম জল মেশান। এই পানীয় ৩ বার একটি দিন পান করুন। প্রতি বার খাবারের অন্তত ৩০ মিনিট আগে আলু জুস খান। কিন্তু অন্তত 2 সপ্তাহের জন্য এই পানীয় পান করুন তবে ভালো ফল পাবেন ।

আদা -1 জেনেটিকালি সংশোধিত উপাদান গ্যাস্ট্রিক সমস্যা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। আদা বমি সমস্যা হ্রাস করে, বদ হজম , গ্যাস কমে যায়, আপনি আদার রস দিয়ে মধু মিশ্রিত করে পান করতে পারেন । লাঞ্চের আগে এবং ডিনারের খাওয়া ভালো । 3. আদা কুচি করে জলে ভিজিয়ে রাখুন 10 মিনিটের জন্য ঢেকে রাখুন , তারপর চা মত করে একটু মধু যোগ করে পান করুন । বেনিফিট পেতে দুবার বা তিনবার এই পানীয় পান করুন। 4. যদি আপনি চান আস্ত অদা পরিষ্কার করে চিবিয়ে খেতে পারেন ।

দই -1 আপনি প্রতিদিন ২/3 চা চামচ দই খেয়ে নিন। দই হ’ল পাইলরি ব্যাকটেরিয়া থেকে আমাদের পেট রক্ষা করে যা গ্যাস্ট্রিক ক্রিয়াকলাপের মূল কারণ। তাছাড়া, দই আমাদের শরীরের অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি।

সম্প্রতি এই ৮ জন হাফেজ বিশ্বর দরবারে ‘বাংলাদেশকে’ তুলে ধরেছেন !

বাংলাদেশের শিশু-কিশোর হাফেজ-কারিরা আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন ও কেরাত প্রতিযোগিতায় বরাবরই সুনাম অর্জন করছে । হৃদয়কাড়া সুর ও সুমধুর তেলাওয়াত নজর কাড়ছে বিশ্ববাসীর। তাদের অনন্য অবদানে প্রায়ই বিশ্বমিডিয়ায় শিরোনাম হচ্ছে ষোলো কোটি মানুষের ‘বাংলাদেশ’।

সাম্প্রতিক সময়ে কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, ভারত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইনসহ বিভিন্ন দেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত আটজন হাফেজে কোরআনের কথা –

১. হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন: গেল বছর (২০১৭) বিশ্বজয় করেছে হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন। সৌদি আরবের ‘বাদশা আবদুল আজিজ আল সৌদ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা’য় ৭৩টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেছে সে।

১১ অক্টোবর আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৭৩টি দেশের কিশোর ও তরুণ হাফেজরা অংশ নিয়েছিল। চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করে। পুরস্কার হিসেবে পায় ক্রেস্ট এবং ১ লাখ ২০ হাজার রিয়াল।হাফেজ মামুন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ কারি নাজমুল হাসান প্রতিষ্ঠিত ঢাকার যাত্রাবাড়ীর তাহফিজুল কোরআন ওয়াসসুন্নাহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার হিরাকান্দা তার গ্রামের বাড়ি। বাবার নাম মো. আবুল বাশার।হাফেজ মামুন এর আগেও মিশরের রাজধানী কায়রোয় ৫৫টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে প্রথম স্থান অর্জন করে।২০১৬ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালের জুলাই মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে।

২.হাফেজ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ১০৩টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অধিকার করেছে কুমিল্লা দাউদকান্দির হাফেজ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। ২০১৭ সনের ১৫ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ১০৩ প্রতিযোগীর সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সে।সুমধুর তেলাওয়াত ও মুগ্ধকর সুরে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে সেরা বিজয়ীর খেতাব অর্জন করে তরিকুল। পুরস্কার হিসেবে পায় ২ লাখ ৫০ হাজার দিরহাম (প্রায় ৫৬ লাখ টাকা)। দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স আহমদ বিন মোহাম্মদ বিন রাশেদ আল মাকতুম তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

হাফেজ তরিকুল রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাঁও গ্রামে তার জন্ম। বাবার নাম মো. আবু বকর সিদ্দিক।তিনি অবসরপ্রাপ্ত হাইস্কুল শিক্ষক। সাত ভাইবোনের মধ্যে তরিকুল পঞ্চম। হিফজের পাশাপাশি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছে তরিকুল। পুরস্কারের অর্থ দিয়ে সেবামূলক কাজ ও বাবা-মাকে হজ করাতে চায় সে।

হাফেজ তরিকুল ২০১৪ সালে মাছরাঙা টেলিভিশনে ‘আল কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়, ২০১৫ সালে বাংলাভিশনে ‘পবিত্র কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ, ২০১৭ সালে এনটিভিতে ‘পিএইচপি কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় পঞ্চম ও ২০১৭ সালে হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের ‘জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায়’ দ্বিতীয় স্থান লাভ করে।

৩. হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি: বাহরাইনে শায়েখ জুনায়েদ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৫৪টি দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে বাংলাদেশের কিশোর হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি। ২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। একই বছর কুয়েতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭২টি দেশের মধ্যে দ্বিতীয় হয় সে।হাফেজ ত্বকির গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন ডালপা গ্রামে। ২০০০ সালের ৩১ অক্টোবর তার জন্ম।তার বাবা মাওলানা বদিউল আলম। পারিবারিক শিক্ষা শেষে ঢাকার উত্তর যাত্রাবাড়ীর ধলপুর লিচু বাগান হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসায় হিফজ শুরু করে হাফেজ ত্বকি। এখানেই হিফজ শেষ করে। তারপর উচ্চতর শিক্ষার জন্য ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় অধ্যয়ন শুরু করে।২০১৪ সালে বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভিতে প্রচারিত ‘পিএইচপি কোরআনের আলো প্রতিভার সন্ধানে’ কেরাত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতাসহ ২০১৭ সালে হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে।

৪. হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ : আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী আরেক বাংলাদেশি ক্ষুদ্র তারকার নাম হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ। ২০১৭ সালে কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল জিম টিভির কেরাত ও হিফজ রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে ২৮টি দেশের প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে কিশোর এই হাফেজ। হাফেজ ইয়াকুব ঢাকার তানযীমুল উম্মাহ হিফজ মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। ১০ বছর বয়সি এই হাফেজের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে। তার বাবার নাম মো. হোসাইন। হাফেজ ইয়াকুব এর আগে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পঞ্চম স্থান লাভ করেছিল। সেবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ৯৬টি দেশের প্রতিনিধি।

৫. হাফেজ নাজমুস সাকিব :আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ নামজুস সাকিব একাধিকবার বিশ্ববুকে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চাতায় নিয়ে গেছে। শুরুটা ২০১২ সালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত এশিয়া মহাদেশ কেরাত প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে। সেবার ২৭টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করে নাজমুস সাকিব।তারপর ২০১৩ সালে দুবাই আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় ৮৬টি দেশের প্রতিযোগীকে টপকে প্রথম স্থান অর্জন করে। ২০১৪ সালে পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় ৭৩ দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে। ওই বছরই ওমানের রাজধানী মাসকাটে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে।২০১৫ সালে সুদানের রাজধানী খার্তুমে অনুষ্ঠিত আফ্রিকা মহাদেশ কেরাত প্রতিযোগিতায় ৬৫টি দেশের মধ্যে প্রথম হয়। একই বছর কাতারে অনুষ্ঠিত ১৮ দেশের মধ্যে প্রথম হয়।২০১৬ সালে মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায়ও প্রথম স্থান অর্জন করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধি করেছে এই হাফেজে কোরআন।

তার গ্রামের বাড়ি বৃহত্তর ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানাধীন ইতাইল পল্লীতে। বাবার নাম মো. আবুল কালাম আজাদ। মা সালমা বেগম। ২৯ মার্চ ২০০১ সালে তার জন্ম। ২০০৬ সালে ময়মনসিংহের আমলাপাড়া আনোয়ারা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় তার পড়াশোনার হাতেখড়ি হয়। এ মাদ্রাসা থেকেই হিফজ শেষ করে হাফেজ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।২০০৮ সালে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অবস্থিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। সেখানে তিন বছর অধ্যয়ন করে বর্তমানে ঢাকার বারিধারা মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত।

৬. হাফেজ আবু রায়হান : বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বলকারী আরেকজন হাফেজের নাম আবু রায়হান। মার্চ ’১৮-এ কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল জিম টিভির একটি রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে সে। অনূর্ধ্ব পনেরো বছর বয়সিদের নিয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনের পাশাপাশি কেরাত প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অধিকার করে।১২ বছর বয়সি হাফেজ আবু রায়হান মাত্র আট বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করে। খুদে এই হাফেজ নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজারে অবস্থিত মুফতি আবদুল কাইয়ুম প্রতিষ্ঠিত বল্লভদী আল ইসলামিয়া একাডেমি শিক্ষার্থী।
বড় হয়ে বিশ্বব্যাপী কোরআনের আলো ছড়াতে চায় সে।

৭. হাফেজ হেলাল উদ্দীন : পবিত্র মসজিদুল হারামে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের সুনাম বয়ে এনেছে হাফেজ মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দীন। ২০১৫ সালের নভেম্বরে মক্কায় আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৮০ দেশের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃতীয় স্থান অর্জন করে সে।পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মক্কার আমির খালেদ আল-ফয়সাল, প্রধান বক্তা ছিলেন, পবিত্র হারাম শরিফের ইমাম আবদুর রহমান আল-সুদাইস। বিজয়ী হাফেজ মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের হাতে ৭৫ হাজার সৌদি রিয়াল চেক, সনদ এবং ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি। হাফেজ মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন কারি নেছার আহমাদ আন নাছিরী পরিচালিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদি খান উপজেলার গোবরদি বয়রাগাদী (নুরপুর) গ্রামে তার জন্ম। বাবা হাফেজ মাওলানা মো. মঈনুদ্দীন। মা আলেমা মারুফা।

৮. হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া :  ‘কুয়েত অ্যাওয়ার্ড’ নামে আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের সুনাম বয়ে আনে কিশোর হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া। ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল কুয়েতের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৫৫টি দেশের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অর্জন করে।প্রতিযোগিতাটি উদ্বোধন করেন কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহ। হাফেজ জাকারিয়া ৩০ পারা কোরআন হিফজ গ্রুপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ৭ হাজার কুয়েতি দিনার ও সম্মাননাপত্র লাভ করে। কুয়েতে অনুষ্ঠিত কোনো প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এটাই সর্বোচ্চ সফলতা।এর আগে ২০১৫ সালের এপ্রিলে মিশরের কায়রোয় আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে ৫০ হাজার পাউন্ড জিতে নেয় হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া।একই বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক শহর দুবাইয়ে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৮০টি দেশের প্রতিযোগীকে হারিয়ে তৃতীয় ও সুর ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান লাভ করে। এছাড়াও কাতার, জর্ডান ও মিশরের কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে জাকারিয়া।

হাফেজ জাকারিয়ার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ। তার বাবা হাফেজ মাওলানা ফয়েজ উল্লাহ মানিকগঞ্জ হরিরামপুরের একটি মসজিদের ইমাম। হাফেজ জাকারিয়ার সাফল্যের যাত্রা শুরু হয় ২০১৩ সালে বাংলাদেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেল বাংলাভিশন আয়োজিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করার মধ্য দিয়ে।সেবার দেশের বাছাইকৃত প্রায় ৩০ হাজার হাফেজের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার পায় সে।

শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার মাধ্যমে রেকর্ড গড়ছেন দীপু মনি !

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শুরু হয়েছে সরকার গঠন প্রক্রিয়া। মন্ত্রিসভা গঠনে রোববার সম্ভাব্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্যী ও উপমন্ত্রীদের মন্ত্রিপরিষদ থেকে ফোন করে শপথের জন্য প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

এর মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাচ্ছে ডা. দীপু মনি। দীপু মনির শিক্ষামন্ত্রী হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের দেশে ৪৭ বছরের এই প্রথম কোনো নারী শিক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন।

এবারের মন্ত্রিসভার আকার হচ্ছে ৪৬ জন। এর মধ্যে মন্ত্রী ২৪ জন, প্রতিমন্ত্রী ১৯ জন ও উপমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ৩ জন। রোববার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নাম ঘোষণা করেছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।