ডঃ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে আবারো যে অভিযোগের মামলা করেছে ভারতীয় এজেন্সী !

ইসলামী প্রচারক ও টেলিভিশনের প্রচারক ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েকের বিরুদ্ধে চলমান তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) 164 মিলিয়ন রুপি (16.40 কোটিরুপি ) এর সম্পত্তি মামলা করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সম্পত্তিগুলি ভারতের মুম্বাই ও পুনে শহরগুলিতে অবস্থিত এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন (পিএমএলএ) এর অধীনে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয় ।

ইডি ২৬ অক্টোবর, ২০১৭ এর মুম্বাইয়ের বিশেষ জজ আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) মামলাটি সংশ্লিষ্ট ৩৪.০৯ কোটি রুপির দুটি অস্থায়ী সংযুক্তি তৈরি করেছে।

ইডি কর্তৃক সংযুক্ত সকল জাকির নায়েক সম্পর্কিত সম্পদের মোট মূল্য ৫০৪.৯ মিলিয়ন ।

ইডি বলেন, তার দুবাই অ্যাকাউন্ট থেকে ভারতের নায়েকের এনআরই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে 49.20 কোটি টাকার তহবিল পাওয়া গেছে।

“এই আমানতের উৎস কোথা থেকে তা অজানা ছিল। এম কে এন্টারপ্রাইজেসের অংশীদার সালিম কোডিয়া, শাহরিয়ার খানের সহযোগী মুনাফ ওয়াদগামা, শামীম খানের সহযোগী, সমীর খান, অংশীদারদের সম্পত্তি ক্রয়ের জন্য 17.65 কোটি রুপি ব্যবহার করে নায়েক। প্যাসিফিক ওরিয়েন্ট জেনেসিস অ্যাসোসিয়েটেস; লাকদাওয়ালা এবং ইশ অ্যাসোসিয়েটসের অংশীদার মুসা লকদওয়ালা, ফাতিমা হাইটস (মুম্বাই); আফিয়া হাইটস (মুম্বাই); ইঙ্গরাশিয়া (পুণ) এবং মুম্বাইয়ের ভান্ডুপে একটি প্রকল্প।

তহবিলের উৎস এবং সম্পত্তির প্রকৃত মালিকানা গোপন করার উদ্দেশ্যে ইডি জানান, নায়েকের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রাথমিক অর্থ ফেরত দেওয়া তার স্ত্রী, ছেলে ও ভাতিজার অ্যাকাউন্টে ফেরত পাঠানো হয়েছিল এবং নামকরণের জন্য আবার বুকিং করা হয়েছিল। নায়েকের বদলে পরিবারের সদস্য!

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইডি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত অর্থের লেনদেন থেকে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।”

এনআইএ চার্জ শীট অনুযায়ী, নায়েক “ইচ্ছাকৃতভাবে এবং দূর্বলভাবে হিন্দু, খ্রিস্টান ও নন-ওয়াহাবী মুসলমানদের, বিশেষ করে শিয়া, সুফি ও বেলারীভিসের ধর্মীয় বিশ্বাসকে অপমান করে, তাদের ধর্মীয় অনুভূতির উদ্দীপনার করে “।

চার্জশিটটি সর্বাধিক বিতর্কিত বক্তৃতায় ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন এবং হারমনি মিডিয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রচারণা চালাচ্ছিল, অভিযোগপত্রের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এই ধরনের কার্যক্রমের জন্য নায়েক ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনের পাশাপাশি অন্য অজানা সূত্র থেকে তহবিল সংগ্রহ করছিলেন।
এনআইএ নায়েকের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছিল – বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছে এবং সেখানে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে – ভারতীয় দণ্ডবিধির এবং অবৈধ আইন (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে।
একটি ক্যাফেতে হামলার সাথে জড়িত কিছু সন্ত্রাসী হামলার নিরাপত্তা সংস্থা দাবি করেন যে তারা তার বক্তৃতা দ্বারা অনুপ্রাণিত।
ভারত নায়েকের মুম্বাই ভিত্তিক এনজিও ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন (আইআরএফ) অবৈধ আইন (প্রতিরোধ) আইন, 1967 এর অধীনে একটি বেআইনী সংগঠন ঘোষণা করে। সূত্র : খালিজ টাইমস

পাওয়া গেল ১০০০ বছরের অক্ষত পবিত্র আল-কোরআন !

পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাগ্রন্থ পবিত্র আল কোরআন। কুরআন শব্দের অর্থ: পাঠ করা, যা পাঠ করা হয়। আর পরিভাষায়-আল্লাহ তা’আলা জিবরাঈল আলাইহিস সালামের মাধ্যমে সুদীর্ঘ ২৩ বছরে মানব জাতির হেদায়াত হিসাবে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কিতাব অবতীর্ণ করেছেন তারনাম আল-কুরআন।

এটি অবতীর্ণ হয়েছে বিশ্বমানবতার মুক্তি, সৎ আর সত্যের পথ দেখানোর জন্য। অন্ধকারাচ্ছন্ন এক বিভীষিকাময় জাহেলি সমাজে কোরআন এনেছিল আলোকময় সোনালি সকাল। কুরআন আল্লাহ্‌র বাণী। সৃষ্টিকূলের ওপর যেমন স্রষ্টার সম্মান ও মর্যাদা অপরিসীম, তেমনি সকল বাণীরওপর কুরআনের মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্ব অতুলনীয়।

উত্তর পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়ার প্রসিদ্ধ শহর খেনচেলাহে এক বাসিন্দার কাছে রক্ষিত আছে হাজার বছরের পুরোনো পবিত্র কুরআনুল কারিমের একটি পাণ্ডুলিপি। এ পাণ্ডুলিপিটি পপিরাস নামক এক ধরনের কাগজে লিখিত। যা হাজার বছরেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

সম্প্রতি আলজেরিয়ার খেনচেলাহ শহরের নিকটবর্তী আল-জাভিয়া অঞ্চলে ‘নূর’ নামক এক ফেস্টিবালে কুরআনের এ পাণ্ডুলিপিটি দর্শনার্থীদের দেখানোর জন্য প্রদর্শন করা হয়।

পপিরাস কাগজে লিখিত পাচীন এ পাণ্ডুলিপি স্থানীয় এক ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে রয়েছে। যা তিনি উত্তরাধিকার সূত্রে পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে পেয়েছেন।প্রদর্শনী শেষে পপিরাস কাগজে লিখিত হাজার বছরের পুরনো এই আল কোরআন ওই ব্যক্তির তত্ত্বাবধানেই থাকবে।

এবার হজ্জের বিমান ভাড়া কমলো ১০ হাজার টাকা !

কমানো হয়েছে হজের বিমান ভাড়া। গত বছর পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি হজযাত্রী প্রতি বিমানভাড়া ১ লাখ ৩৮ হাজার ১৯১ টাকা নির্ধারিত ছিল। এই বছর ১০ হাজার টাকা কমে ১ লাখ ২৮ হাজার ১৯১ টাকা ধার্য করার ঘোষণা দিয়েছেন নতুন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

বৃহস্পতিবার (১৭ জানুয়ারি) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে হজ সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয়ের সভা শেষে গণমাধ্যমের সামনে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

চলতি বছর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে হজ অধিকতর সুচারুভাবে পালনের লক্ষে তার মন্ত্রণালয় থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়কে সর্বাত্মক সহায়তা করা হবে জানিয়ে মো. মাহবুব আলী বলেন, হাজিরা আল্লাহর ঘরের মেহমান।

তাদের যেন কোনো প্রকার কষ্ট না হয়, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় খেয়াল ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। হাজিদের কথা ভেবেই হজ ভাড়া কমানো হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ এ সভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ, ধর্ম সচিব মো.আনিছুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মহিবুল হক, হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি আবদুস সোবহান, মহাসচিব শাহাদাত হোসেন তছলিম উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয়, আটাব ও সিভিল এভিয়েশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারাও ছিলেন।

গত বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় সাত হাজার ১৯৮ ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এক লাখ ২০ হাজার বাংলাদেশি হজ পালন করে। সম্প্রতি সৌদি সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের হজ চুক্তি হয়। গত বছরের মতো এবারও এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন হজ পালন করবেন। তবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত আরও ৩০ হাজার মানুষের হজের কোটা বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনাধীন।

কুরআনের হাফেজ হলেন ৮ বছরের শিশু !

মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন ।ফিলিস্তানের গাজা প্রদেশের নিবাসী ৮ বছরের শিশু “আলা আওয়াজ” সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছেন।আল আওয়াজ গাজা প্রদেশের জাবালিয়া শহরের আল-ওমরী মসজিদে কুরআনের ক্লাসে অংশগ্রহণ করে অতি অল্প সময়ে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছেন।

প্রথমে তিনি কুরআন তিলাওয়াত শুনে প্রতিদিন এক পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করতেন। পরবর্তীতে তিনি প্রতিদিন দুই অথবা তিন পৃষ্ঠা মুখস্থ করা শুর করেন। শেষে দিকে তিনি প্রতিদিন ১৬ পৃষ্ঠা করে মুখস্থ করেন। এছাড়াও প্রতিদিন ৪৫ পৃষ্ঠা করে রিভাইজ করতেন। এছাড়াও তিনি তার বাড়ির নিকটে অবস্থিত আল-ওমরী মসজিদের কুরআন শিক্ষকের সাথে মাঝেমধ্যে সারাদিন থেকে কুরআন মুখস্থ করতেন।

কুরআন হেফজের প্রতি অনেক আকর্ষণ থাকার ফলে তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করতে সক্ষম হয়েছেন।

৮ বছরের এই শিশু মাত্র ৮ মাসে সম্পূর্ণ কুরআন হেফজ করেছেন। আট মাস কুরআন হেফজ করে তিনি গাজা প্রদেশে রেকর্ড করেছেন। কারণ এরপূর্বে এতো অল্প সময়ে কেউ কুরআন হেফজ করেনি।

সম্প্রতি এই ৮ জন হাফেজ বিশ্বর দরবারে ‘বাংলাদেশকে’ তুলে ধরেছেন !

বাংলাদেশের শিশু-কিশোর হাফেজ-কারিরা আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন ও কেরাত প্রতিযোগিতায় বরাবরই সুনাম অর্জন করছে । হৃদয়কাড়া সুর ও সুমধুর তেলাওয়াত নজর কাড়ছে বিশ্ববাসীর। তাদের অনন্য অবদানে প্রায়ই বিশ্বমিডিয়ায় শিরোনাম হচ্ছে ষোলো কোটি মানুষের ‘বাংলাদেশ’।

সাম্প্রতিক সময়ে কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, ভারত, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইনসহ বিভিন্ন দেশে আয়োজিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পুরস্কারপ্রাপ্ত আটজন হাফেজে কোরআনের কথা –

১. হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন: গেল বছর (২০১৭) বিশ্বজয় করেছে হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন। সৌদি আরবের ‘বাদশা আবদুল আজিজ আল সৌদ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা’য় ৭৩টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করেছে সে।

১১ অক্টোবর আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৭৩টি দেশের কিশোর ও তরুণ হাফেজরা অংশ নিয়েছিল। চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। হাফেজ আবদুল্লাহ আল মামুন দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করে। পুরস্কার হিসেবে পায় ক্রেস্ট এবং ১ লাখ ২০ হাজার রিয়াল।হাফেজ মামুন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ কারি নাজমুল হাসান প্রতিষ্ঠিত ঢাকার যাত্রাবাড়ীর তাহফিজুল কোরআন ওয়াসসুন্নাহ মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার হিরাকান্দা তার গ্রামের বাড়ি। বাবার নাম মো. আবুল বাশার।হাফেজ মামুন এর আগেও মিশরের রাজধানী কায়রোয় ৫৫টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে প্রথম স্থান অর্জন করে।২০১৬ সালে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় এবং ২০১৪ সালের জুলাই মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে।

২.হাফেজ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ১০৩টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অধিকার করেছে কুমিল্লা দাউদকান্দির হাফেজ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম। ২০১৭ সনের ১৫ জুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ১০৩ প্রতিযোগীর সঙ্গে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সে।সুমধুর তেলাওয়াত ও মুগ্ধকর সুরে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে সেরা বিজয়ীর খেতাব অর্জন করে তরিকুল। পুরস্কার হিসেবে পায় ২ লাখ ৫০ হাজার দিরহাম (প্রায় ৫৬ লাখ টাকা)। দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্স আহমদ বিন মোহাম্মদ বিন রাশেদ আল মাকতুম তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

হাফেজ তরিকুল রাজধানীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার ছাত্র। কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাঁও গ্রামে তার জন্ম। বাবার নাম মো. আবু বকর সিদ্দিক।তিনি অবসরপ্রাপ্ত হাইস্কুল শিক্ষক। সাত ভাইবোনের মধ্যে তরিকুল পঞ্চম। হিফজের পাশাপাশি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে জেএসসি পরীক্ষা দিয়েছে তরিকুল। পুরস্কারের অর্থ দিয়ে সেবামূলক কাজ ও বাবা-মাকে হজ করাতে চায় সে।

হাফেজ তরিকুল ২০১৪ সালে মাছরাঙা টেলিভিশনে ‘আল কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয়, ২০১৫ সালে বাংলাভিশনে ‘পবিত্র কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় ষষ্ঠ, ২০১৭ সালে এনটিভিতে ‘পিএইচপি কোরআনের আলো’ প্রতিযোগিতায় পঞ্চম ও ২০১৭ সালে হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশনের ‘জাতীয় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায়’ দ্বিতীয় স্থান লাভ করে।

৩. হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি: বাহরাইনে শায়েখ জুনায়েদ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ৫৪টি দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে বাংলাদেশের কিশোর হাফেজ সাইফুর রহমান ত্বকি। ২০১৭ সালের ২১ নভেম্বর প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হয়। একই বছর কুয়েতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৭২টি দেশের মধ্যে দ্বিতীয় হয় সে।হাফেজ ত্বকির গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানাধীন ডালপা গ্রামে। ২০০০ সালের ৩১ অক্টোবর তার জন্ম।তার বাবা মাওলানা বদিউল আলম। পারিবারিক শিক্ষা শেষে ঢাকার উত্তর যাত্রাবাড়ীর ধলপুর লিচু বাগান হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসায় হিফজ শুরু করে হাফেজ ত্বকি। এখানেই হিফজ শেষ করে। তারপর উচ্চতর শিক্ষার জন্য ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় অধ্যয়ন শুরু করে।২০১৪ সালে বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভিতে প্রচারিত ‘পিএইচপি কোরআনের আলো প্রতিভার সন্ধানে’ কেরাত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতাসহ ২০১৭ সালে হুফফাজুল কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে।

৪. হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ : আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্ব অর্জনকারী আরেক বাংলাদেশি ক্ষুদ্র তারকার নাম হাফেজ ইয়াকুব হোসাইন তাজ। ২০১৭ সালে কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল জিম টিভির কেরাত ও হিফজ রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে ২৮টি দেশের প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে কিশোর এই হাফেজ। হাফেজ ইয়াকুব ঢাকার তানযীমুল উম্মাহ হিফজ মাদ্রাসার পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। ১০ বছর বয়সি এই হাফেজের গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জে। তার বাবার নাম মো. হোসাইন। হাফেজ ইয়াকুব এর আগে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পঞ্চম স্থান লাভ করেছিল। সেবার তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল ৯৬টি দেশের প্রতিনিধি।

৫. হাফেজ নাজমুস সাকিব :আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত হাফেজ নামজুস সাকিব একাধিকবার বিশ্ববুকে বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চাতায় নিয়ে গেছে। শুরুটা ২০১২ সালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত এশিয়া মহাদেশ কেরাত প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে। সেবার ২৭টি দেশকে পেছনে ফেলে প্রথম স্থান অর্জন করে নাজমুস সাকিব।তারপর ২০১৩ সালে দুবাই আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় ৮৬টি দেশের প্রতিযোগীকে টপকে প্রথম স্থান অর্জন করে। ২০১৪ সালে পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় ৭৩ দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করে। ওই বছরই ওমানের রাজধানী মাসকাটে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে।২০১৫ সালে সুদানের রাজধানী খার্তুমে অনুষ্ঠিত আফ্রিকা মহাদেশ কেরাত প্রতিযোগিতায় ৬৫টি দেশের মধ্যে প্রথম হয়। একই বছর কাতারে অনুষ্ঠিত ১৮ দেশের মধ্যে প্রথম হয়।২০১৬ সালে মালয়েশিয়া আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায়ও প্রথম স্থান অর্জন করে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের সম্মান বৃদ্ধি করেছে এই হাফেজে কোরআন।

তার গ্রামের বাড়ি বৃহত্তর ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া থানাধীন ইতাইল পল্লীতে। বাবার নাম মো. আবুল কালাম আজাদ। মা সালমা বেগম। ২৯ মার্চ ২০০১ সালে তার জন্ম। ২০০৬ সালে ময়মনসিংহের আমলাপাড়া আনোয়ারা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় তার পড়াশোনার হাতেখড়ি হয়। এ মাদ্রাসা থেকেই হিফজ শেষ করে হাফেজ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।২০০৮ সালে ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে অবস্থিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। সেখানে তিন বছর অধ্যয়ন করে বর্তমানে ঢাকার বারিধারা মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত।

৬. হাফেজ আবু রায়হান : বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বলকারী আরেকজন হাফেজের নাম আবু রায়হান। মার্চ ’১৮-এ কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল জিম টিভির একটি রিয়েলিটি শোতে অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অধিকার করে সে। অনূর্ধ্ব পনেরো বছর বয়সিদের নিয়ে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনের পাশাপাশি কেরাত প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অধিকার করে।১২ বছর বয়সি হাফেজ আবু রায়হান মাত্র আট বছর বয়সে কোরআনের হাফেজ হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করে। খুদে এই হাফেজ নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজারে অবস্থিত মুফতি আবদুল কাইয়ুম প্রতিষ্ঠিত বল্লভদী আল ইসলামিয়া একাডেমি শিক্ষার্থী।
বড় হয়ে বিশ্বব্যাপী কোরআনের আলো ছড়াতে চায় সে।

৭. হাফেজ হেলাল উদ্দীন : পবিত্র মসজিদুল হারামে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের সুনাম বয়ে এনেছে হাফেজ মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দীন। ২০১৫ সালের নভেম্বরে মক্কায় আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৮০ দেশের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃতীয় স্থান অর্জন করে সে।পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মক্কার আমির খালেদ আল-ফয়সাল, প্রধান বক্তা ছিলেন, পবিত্র হারাম শরিফের ইমাম আবদুর রহমান আল-সুদাইস। বিজয়ী হাফেজ মুহাম্মদ হেলাল উদ্দীনের হাতে ৭৫ হাজার সৌদি রিয়াল চেক, সনদ এবং ক্রেস্ট তুলে দেন প্রধান অতিথি। হাফেজ মুহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন কারি নেছার আহমাদ আন নাছিরী পরিচালিত মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদি খান উপজেলার গোবরদি বয়রাগাদী (নুরপুর) গ্রামে তার জন্ম। বাবা হাফেজ মাওলানা মো. মঈনুদ্দীন। মা আলেমা মারুফা।

৮. হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া :  ‘কুয়েত অ্যাওয়ার্ড’ নামে আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের সুনাম বয়ে আনে কিশোর হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া। ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল কুয়েতের আওকাফ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৫৫টি দেশের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক কেরাত ও হিফজ প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অর্জন করে।প্রতিযোগিতাটি উদ্বোধন করেন কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল আহমাদ আল জাবের আল সাবাহ। হাফেজ জাকারিয়া ৩০ পারা কোরআন হিফজ গ্রুপে চতুর্থ স্থান অর্জন করে ৭ হাজার কুয়েতি দিনার ও সম্মাননাপত্র লাভ করে। কুয়েতে অনুষ্ঠিত কোনো প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এটাই সর্বোচ্চ সফলতা।এর আগে ২০১৫ সালের এপ্রিলে মিশরের কায়রোয় আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে ৫০ হাজার পাউন্ড জিতে নেয় হাফেজ মুহাম্মদ জাকারিয়া।একই বছর সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক শহর দুবাইয়ে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় ৮০টি দেশের প্রতিযোগীকে হারিয়ে তৃতীয় ও সুর ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান লাভ করে। এছাড়াও কাতার, জর্ডান ও মিশরের কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখে জাকারিয়া।

হাফেজ জাকারিয়ার গ্রামের বাড়ি মানিকগঞ্জ। তার বাবা হাফেজ মাওলানা ফয়েজ উল্লাহ মানিকগঞ্জ হরিরামপুরের একটি মসজিদের ইমাম। হাফেজ জাকারিয়ার সাফল্যের যাত্রা শুরু হয় ২০১৩ সালে বাংলাদেশের বেসরকারি টিভি চ্যানেল বাংলাভিশন আয়োজিত হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করার মধ্য দিয়ে।সেবার দেশের বাছাইকৃত প্রায় ৩০ হাজার হাফেজের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার পায় সে।

মাত্র ২৯ দিনে কোরআন মুখস্থ করলেন এই কলেজছাত্রী !

গাজিয়াবাদ কলেজের এই মেধাবী ছাত্রী অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। দৃঢ় সংকল্প ও ইচ্ছার সুবাদে এক মাসেরও কম সময়ে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।জুয়াইরিয়ার পিতা ছোটখাটো ব্যবসায়ী। তাদের সংসার চলে ভীষণ অর্থকষ্টে। নিজে বেশি পড়ালেখা করতে না পারলেও দুই মেয়েকেই শিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলতে চান বাবা।গত মাসে কলেজ ছুটির ফাঁকে তিনি কোরআন মুখস্থ করার উদ্যোগ নেয় এবং অল্প সময়ে নিজের লক্ষে পৌঁছাতে পেরেছেন। মাত্র ২৯ দিনে কোরআন হেফজ করে নিজেকে ধন্য মনে করছেন তিনি।

মেয়ের এমন কীর্তিতে ভীষণ খুশি জুয়াইরিয়ার বাবা। লাহোরের শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, পাকিস্তানি এই ছাত্রীর কোরআন মুখস্থের রেকর্ডটিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বুকে নথিভুক্ত করার আবেদন জানানো হবে। খবর আন্তর্জাতিক কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা।মাত্র ২৯ দিনে কোরআন মুখস্থ করে অনন্য রেকর্ড গড়েছেন পাকিস্তানের লাহোর প্রদেশের গাজিয়াবাদ কলেজের এলাকার বাসিন্দা জুয়াইরিয়া।

মহাকাশ থেকে মক্কা আর মদিনা ছাড়া পৃথিবীর আর কিছুই দেখা যায় না : সুনিতা উইলিয়াম

একটি নভোযান পাঠানো হলো বরাবরের মতোই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা থেকে। ২০০৬ সালের কথা। যে অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছিল মহাকাশের খোঁজখবর সংগ্রহ করাই। অন্য গবেষকদের সঙ্গে সে নভোযানে অবস্থান করছিলেন সুনিতা উইলিয়াম। মহাকাশ গবেষণাযানটি যখন পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ২৪০ মাইল উপরে, হঠাৎ নিচের দিকে চোখ আটকে যায় সুনিতার। পৃথিবী পৃষ্ঠে তারার মতো তিনি দুটি আলো জ্বলতে দেখলেন।তখন চিন্তায় পড়ে গেলেন সুনিতা; ভাবলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠে তো কোনো আলোকশিখা থাকার কথা নয় এভাবে জ্বলে থাকার মতো। সঙ্গীদের ডেকে দেখালেন এবং টেলিস্কোপের সাহায্যে আলো দুটিকে নির্ণয় করার চেষ্টা চালালেন। তবে এই আলোকরশ্মি দুটি কি? নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হলো সুনিতার। আরো কাছে, আরো পরিষ্কারভাবে দেখলেন, আলো দুটির কেন্দ্রস্থল পৃথিবীর মক্কা ও মদিনা। মহাকাশমুখি এই আলোকরশ্মি দুটি বিকিরিত হচ্ছে মক্কা শহরের কেন্দ্রস্থল ও মদিনা শহরের কেন্দ্রস্থ থেকে।ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুনিতা উইলিয়াম ১৯৬৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ায়ো অঙ্গরাজ্যের ‘ইউক্লিডে’ জন্মগ্রহণ করেন। বাবা দীপক পাণ্ডে ও মা বনি পাণ্ডে উভয়ই ছিলেন ভারতীয় হিন্দু। সব জল্পনা-কল্পনা এবং সন্দেহ-কানাকানির ইতি টেনে গত রমজান মাসে ওমরাহ পালন করতে এসে নিজের মুসলমান হওয়ার ঘোষণা দিলেন সুনিতা উইলিয়াম এবং গর্ব করে বললেন, ‘আমি এখন একজন মুসলমান, এটা ভাবতেই আমার ভালো লাগছে।’

নাসার প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক সুনিতার ইসলাম গ্রহণ করা বিষয়ে তাঁকে চেনেন বা জানেন এমন অনেকের মন্তব্য ছিল অনেকটাই এরকম- ‘আর কারো পক্ষে সম্ভব হলেও সুনিতার পক্ষে এটা কখনো সম্ভব নয়। কারণ সে ছিল ইসলাম বিদ্বেষী’।আর আমি এখন একজন মসলমান।’ ইসলাম গ্রহণ করা নিয়ে শত জল্পনা-কল্পনার ইতি টেনে ওমরাহ পালন করতে আসা সুনিতা উইলিয়াম জেদ্দার হোটেল হিলটনে বসে এভাবেই ব্যক্ত করছিলেন তাঁর ইসলাম গ্রহণ করার কাহিনী।আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ অনেক ভাবে আমাদের বঝানর চেষ্টা করেছেন চারিদিকের উদাহরণ দিয়ে তিনি কি পারেন আর না পারেন। কিন্তু তারপরেও অনেক মানুষই সেই সৃষ্টিকর্তাকে উপলব্ধি করতে পারে না।যেমনটি মহাকাশ অঙ্গনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা সম্পর্কে সুনিতা উইলিয়াম নিজেই বলেছেন যে, ‘আমি যখন পৃথিবী থেকে প্রায় ২৪০ মাইল উপরে উঠলাম, তখন পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে পৃথিবীপৃষ্ঠে দুটি তারা (আলো) দেখতে পেলাম। এর পর একটি টেলিস্কোপের মাধ্যমে আলো দুটি দেখার চেষ্টা করলে দেখি, একটি আলোর অবস্থান মক্কায় আর অন্যটি মদিনায়। এই দৃশ্য দেখার পর আমি প্রচণ্ডভাবে অভিভূত হই এবং তখনই ইসলাম গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিই। পরে ইসলাম গ্রহণ করি ফিরে এসে।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ধর্ম হবে ইসলাম : আমেরিকান গবেষণা সংস্থা

ইসলাম শব্দটি এসেছে আরবি س-ل-م শব্দটি হতে যার দু’টি অর্থ। ১▪ শান্তি ২▪ আত্মসমর্পণ করা। ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম। এর মত শান্তির ধর্ম এই পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। সংক্ষেপে ইসলাম হলো শান্তি (প্রতিষ্ঠা)’র উদ্দেশ্যে এক ও অদ্বিতীয় ঈশ্বর (আল্লাহ)-এর কাছে আত্মসমর্পণ করা।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আল্লাহর নির্দেশ অনুসারে জীবনযাপন করা।
২০৭০ সালের মধ্যে ইসলাম ধর্ম পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ধর্মে পরিণত হবে৷ ইউরোপ ও আমেরিকায় আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে এই ধর্ম৷ একটি সমীক্ষা রিপোর্টে উঠে এসেছে এমনই তথ্য৷ বহু আগে ফরাসি ব্যক্তিত্ব নসট্রাদামুস ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিশ্বে ক্রমশ শক্তিশালী হবে ইসলাম৷ মার্কিন সংস্থার রিপোর্টে সেরকমই তথ্য ধরা পড়েছে৷ ভবিষ্যতের কথা বলে যাওয়া নসট্রাদামুসের কথা ফলবে কি ? এমনই প্রশ্ন তুলে দিয়েছে মার্কিন সংস্থার গবেষণা রিপোর্ট৷
আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন আইনের বলে আমেরিকায় সাতটি মুসলিম অধ্যুষিত দেশের নাগরিকরা প্রবেশ করতে পারবেন না৷ এ নিয়ে বিশ্বজোড়া প্রতিবাদ শুরু হয়েছে৷ তারই মাঝে ইসলামকে আগামী দুনিয়ার সর্ব বৃহৎ ধর্ম হিসেবে রিপোর্টে তুলে ধরেছে ওয়াশিংটনের গবেষণা সংস্থা Pew Research Center.মধ্য ও পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ক্রমাগত নাশকতা ও জঙ্গি হানার জেরে বাড়ছে শরণার্থীর সংখ্যা৷ একই অবস্থা আফ্রিকাতেও৷ এশিয়া থেকে স্থলপথে ইউরোপে ঢুকছেন বহু শরণার্থী৷ অন্যদিকে ভূমধ্যসাগর পার করে আফ্রিকা থেকে ইউরোপে প্রবেশের পালা চলছে৷ ওয়াশিংটনের গবেষণা সংস্থাটি জানাচ্ছে, মুসলিমদের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রবণতার হার বেশি৷ তাই পাঁচ দশকেই বিশ্বের সবথেকে বৃহত্তম ধর্ম হিসেবে চিহ্নিত হবে ইসলাম৷

এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে থেকে ইউরোপ চলে আসা শরণার্থীদের বেশিরভাগ মুসলিম ধর্মাবলম্বী৷ তাদের কারণেই ইউরোপে ইসলামের প্রভাব বাড়বে৷

মহানবী (সাঃ)’কে দেখে, ফুঁপিয়ে-ফুঁপিয়ে কেঁদেছিলো এক উট ! কিন্তু কেন জানুন

আমরা অনেকেই আজকাল পশু পাখি এমন কি আমাদের বাড়ির কাজের লোককে ও ক্ষুধায়-কাজে কষ্ট দেই অভিযোগ করলে আরো কষ্ট দেই তার উপর অত্ত্যচার করি আমরা ভয় করলে চাইনা আল্লাহকে, একদিন এর হিসাব দিতে হবে।
বর্ণিত আছে যে, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসারীর বাগানে প্রবেশ করে সেখানে একটা উট দেখতে পেলেন। উটটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগলো এবং তার চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে লাগল।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কাছে এসে তার কুঁজে এবং কানের পিছনের অংশে হাত ফিরালেন, ফলে সে শান্ত হলো। তারপর তিনি বললেন, এই উটের মালিক কে? এই উটটা কার? অতঃপর আনসারদের এক যুবক এসে বলল, ‘এটা আমার হে আল্লাহর রাসুল!’

তিনি বললেন, তুমি কি এই পশুটার ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো না, আল্লাহ তোমাকে যার মালিক বানিয়েছেন? কারণ, সে আমার নিকট অভিযোগ করছে যে, তুমি তাকে ক্ষুধায় রাখ এবং (বেশি কাজ নিয়ে) ক্লান্ত করে ফেলো!’’[মুসলিম ৩৪২, ২৪২৯, আবু দাউদ ২৫৪৯, ইবন মাজাহ ২৪০, আহমদ ১৭৪৭, দারেমি ৬৬৩, ৭৫৫]

সৌদিআরবে আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার ‘মূল পর্বে’ বাংলাদেশের হাফেজ হোসাইন

ইন্টারন্যাশনাল কুরআন নিউজ এজেন্সি সূত্রে জানা যায়, প্রতিযোগিতার প্রধান পর্ব ৬ অক্টোবর মদিনার মসজিদে নববীতে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল-সন্ধ্যা দুই বেলা আলাদাভাবে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতা তিন দিন অব্যাহত থাকবে।
মোট ৪টি বিভাগে প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হোসাইন আহমদ তাজবিদসহ সম্পূর্ণ কোরআন হেফজ গ্রুপে অংশ নিয়েছে।এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৮২ দেশের মোট ১১৫ জন অংশগ্রহণ করেছে। ১০ অক্টোবর (বুধবার) রাতে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হবে।সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মদিনা মোনাওয়ারায় ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ৪০তম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বে সন্তোষজনক ফলাফল অর্জন করে মূল পর্বে উত্তীর্ণ হয়েছেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি হাফেজ হোসাইন আহমাদ।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) থেকে পবিত্র নগরী মক্কায় প্রতিযোগিতাটি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশি হাফেজ হোসাইন আহমদের গ্রামের বাড়ি সিলেটের গোয়াইনঘাটে। তার বাবার নাম মুখলেসুর রহমান। সে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদরাসার ছাত্র।জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর রাতে হোসাইন ও মারকাজুত তাহফিজের পরিচালক হাফেজ কারি নেছার আহমদ নাছিরি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।