দুবাইতে চলন্ত বাসে নারী কেলেঙ্কারির অভিযুক্ত পাকিস্তানি বাস চালক গ্রেফতার !!

বাসের ভিতরে যাত্রীকে হেনেস্থা করার অভিযোগে দুবাই কোর্টের প্রথম ইনস্ট্যান্সে একটি পাকিস্তানি বাস চালক বিচারের সম্মুখীন হয়েছেন। পাবলিক প্রসিকিউশন রেকর্ড দেখায় যে ২৭ বছর বয়সী পাকিস্তানী লোকটি মেয়েটিকে একা পেয়ে এই সুবিধা গ্রহণ করেছিল যে, এক তাজাকস্তানী সুন্দুরী মেয়ে দোকানে কাজ শেষে বাসায় ফেরার সময় এ ঘটনা ঘটে ।

অন্য সব যাত্রীরা বাস থেকে নেমে গেলে এক মাত্র মেয়েটিই থাকে বাসে তখন ড্রাইভার দূরে একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে থামিয়ে দেয় এবং সেখানে মেয়েটিকে জোর করে  ধsonণ  করে। মেয়েটিকে হotta করার ভয় দেখায় যদি তার সাথে সেx করতে বাধা দেয় । আল মুরাকাবাট থানায় রিপোর্ট করা হয়েছিল যে ২৪ বছর বয়সী তাজাকস্তানি মেয়েটি ওই দিন পাকিস্তানি বাস ড্রাইভার দ্বারা ধrsiত হয় ।

মেয়েটি রিপোর্ট করে যে ” বাসে আসার পথে অন্য সকল যাত্রীরা আগেই নেমে গিয়েছিলো। আমি বাস ড্রাইভারকে দেইরার কাছে এক জায়গায় নামিয়ে দিতে বলেছিলাম। পরে তিনি আল জাফিলিয়ায় একটি বালু মাঠে পার্ক করেন এবং আমাকে বলেছিলেন যে তিনি নামাজে যাবেন তাই এদিকে এসেছে। তিনি আমাকে বাসের পিছনে বসতে বলেছিলেন তখন আমি পিছনে গিয়ে বসেছিলাম ।তখন তিনি মাঠের মধ্যে এদিক ওদিক গিয়ে অবশেষে তিনি আবাসিক ভবন থেকে দূরে পার্ক করে । “লোকটি আমাকে বলতে শুরু করেছিল যে আমি অনেক সুন্দর এবং তিনি আমার সাথে সেx করতে চায় ।

” পরে আমি চিৎকার করার চেষ্টা করি কিন্তু তিনি তার হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে । অবশেষে ড্রাইভার জোর পূর্বক আমার সাথে সেx করে এবং তার বন্ধুদের দিয়েও করার হুমকি দেয় এবং তাকে খুশি না করলে হotta করার হুমকি দেয় । সেx সম্পন্ন হলে, তিনি আমাকে অনুরোধ জানান যে, পুলিশকে রিপোর্ট না করার জন্য এবং যদি আমি তা করি, তাহলে তিনি হotta করবেন” তিনি প্রসিকিউটরকে বলেন।মেয়েটি আরো জানায় পরে তাকে প্রধান রাস্তায় ফেলে রেখে যায় এবং সেখান থেকে ট্যাক্সি নিয়ে তিনি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

একজন পুলিশ লেফটেন্যান্ট, যিনি ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন, তিনি বলেন, তিনি মলের বাস স্টপ থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়েছিলেন। “ড্রাইভারের কথা মেয়েটির সাথে যা ঘটেছে তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।”চালককে পুলিশ সদর দফতরে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ। ফরেনসিক রিপোর্ট দেখিয়েছে, তাকে আটক করা হয়েছে, মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়। ২৩ জুন আদালতের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হবে ।

কালিমা পড়ে সপরিবারে ইসলাম গ্রহণ করলেন নিতাই দাস

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হিন্দু ধর্মাবলম্বী একই পরিবারের ৫ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদে তারা স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

জানা গেছে, ভাটেরা ইউনিয়নের মাইজগাঁও কলোনীতে বসবাসরত নিতাই দাস (৫০) ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সপরিবারে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে আগ্রহী হন।বিষয়টি তিনি ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে জানালে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম তাদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের উদ্যোগ নেন।

ইউনিয়ন পরিষদেই তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে পবিত্র কালিমা পড়ে নিতাই দাসের পরিবারের ৫ সদস্য ইসলাম গ্রহণ করেন।ধর্মান্তরিত হওয়ার পর নিতাই দাসের নাম পরিবর্তন করে ইব্রাহিম, স্ত্রীর নাম রহিমা, ছেলের নাম ইসমাইল এবং মেয়ের নাম কুলছুমা ও ফাতেমা রাখা হয়।

এ ব্যাপারে ভাটেরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারী পরিবারটি বর্তমানে মুসলমানদের সাহায্য ও সহযোগিতা নিরাপদে আছে। ইসলাম ধর্ম গ্রহণকালে তাদের কাপড় চোপড়সহ তাৎক্ষণিক খরচাদির ব্যবস্থা আমরা করেছি।

বাসায় চলছে কোরআন তেলাওয়াত, এরশাদকে দেখতে হাসপাতালে ওবায়দুল কাদের !

ঢাকা- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে দেখতে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার বেলা সাড়ে ১০টায় এরশাদকে দেখতে সিএমএইচের আইসিইউতে যান তিনি। জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতারা তার সঙ্গে আছেন।রক্তে হিমোগ্লোবিন ও লিভারে দীর্ঘ দিনের সমস্যার পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বুধবার (২৬ জুন) সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি হন এরশাদ। তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল।

গতরাতে এরশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতির খবর পেয়ে হাসপাতালে ভিড় জমাতে শুরু করেন তার পরিবারের সদস্য এবং জাপা’র নেতারা। এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদ, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের,সাবেক মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ, আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, মেজর (অব.) মান্নানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা সিএমএইচএ যান।

রাতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এরশারে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে জিএম কাদের তা নাকচ করেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফেইসবুকে তিনি বলেন, “তার অবস্থা অপরিবর্তিত আছে। তিনি এখনও অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন।এদিকে সোমবার সকালে জাতীয় পার্টি র চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি সুনীল শুভ রায় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এরশাদ সাহেবের যে অবস্থা তার থেকে ফেরার (বাঁচার) আর কোনো আশা নেই। যদি তিনি ফেরেন সেটা হবে মিরাকেল। সকাল বেলা ডাক্তারের সাথে কথা বলেছি, তারা জানিয়েছেন তার অবস্থা অপরিবর্তিত।’

এরশাদের শারীরিক অবস্থা ভালো না জানিয়ে সোমবার সকালে তার ছোট ভাই জি এম কাদের বলেন, ‘দেশের বাইরে নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা তার নেই। দেশেই ভালো ট্রিটমেন্ট (চিকিৎসা) হচ্ছে। এই ট্রিটমেন্টে আমরা সন্তুষ্ট। আশা করি, শিগগিরই তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠবেন। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

এদিকে সোমবার সকাল থেকেই বারিধারায় এরশাদের প্রেসিডেন্ট পার্কের বাসভবনে চলছে কোরআন তেলাওয়াত।

নবী-রাসুলের জীবনী পড়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন ইতালিয়ান নারী !

যুগ যুগ ধরে ইসলামের সোনালী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন অগণিত মানুষ। ধনী-গরিব, উঁচু-নিচু, শিক্ষিত কিংবা অক্ষরজ্ঞানহীন কেউ বাদ যায়নি এ তালিকা থেকে। ইতালির রোমের অধিবাসী নারী মনোবিজ্ঞানী রোক্সানা ইলিনা নেগ্রা।

ইরানের মাশহাদ শহরের বিখ্যাত সাধক ইমাম রাজার সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মনোবিজ্ঞান বিষয়ে ব্যাপক গবেষণা ও নবি-রাসুলদের জীবনাচার পড়েই ইসলামের সুমহান আদর্শে অনুপ্রাণিত হতে থাকেন।পবিত্র কুরআন অধ্যয়ন করে ইসলামের আলোকিত জীবনে নিজেকে সাজাতে উদ্বুদ্ধ হন। আর তাতেই পেয়ে যান ইসলামের সুমহান সত্যের দাওয়াত।

রোক্সানা ইলিম নেগ্রার ভাষায়, ‘আমি মনোবিজ্ঞানের ছাত্র। আমি সব সময় শান্তির জন্য, সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার জন্য এবং অসুস্থতা থেকে নিরাময়ের উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা ও গবেষণা করেছি। সব কিছু সুন্দর সমাধানে ইসলামকেই সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য হিসেবে পেয়েছি। ইসলামেই রয়েছে সব কিছুর সঠিক সমাধান।’তিনি আরো বলেন, ‘ইসলামের প্রধান ইবাদত ‘নামাজ’ অনুশীলন দুনিয়াতে প্রশান্তি লাভের অন্যতম সেরা মাধ্যম।

যা মানুষ আল্লাহর ইবাদতের মাধ্যমে লাভ করে থাকে। নামাজের অনুশীলন পদ্ধতিও তাকে ইসলাম গ্রহণে আরো বেশি উদ্বুদ্ধ করে।
ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করতে করতে তিনি এ কথা বুঝতে সক্ষম হন যে, ইসলামই একমাত্র পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা। শান্তি ও নিরাপত্তায় পরিপূর্ণ সত্য ও সঠিক জীবনাচার।

দুবাইতে বাসে নারী কেলেঙ্কারির অভিযুক্ত পাকিস্তানি বাস চালক গ্রেফতার !!

বাসের ভিতরে যাত্রীকে হেনেস্থা করার অভিযোগে দুবাই কোর্টের প্রথম ইনস্ট্যান্সে একটি পাকিস্তানি বাস চালক বিচারের সম্মুখীন হয়েছেন। পাবলিক প্রসিকিউশন রেকর্ড দেখায় যে ২৭ বছর বয়সী পাকিস্তানী লোকটি মেয়েটিকে একা পেয়ে এই সুবিধা গ্রহণ করেছিল যে, এক তাজাকস্তানী সুন্দুরী মেয়ে দোকানে কাজ শেষে বাসায় ফেরার সময় এ ঘটনা ঘটে ।

অন্য সব যাত্রীরা বাস থেকে নেমে গেলে এক মাত্র মেয়েটিই থাকে বাসে তখন ড্রাইভার দূরে একটি ফাঁকা মাঠে নিয়ে থামিয়ে দেয় এবং সেখানে মেয়েটিকে জোর করে  ধsonণ  করে। মেয়েটিকে হotta করার ভয় দেখায় যদি তার সাথে সেx করতে বাধা দেয় । আল মুরাকাবাট থানায় রিপোর্ট করা হয়েছিল যে ২৪ বছর বয়সী তাজাকস্তানি মেয়েটি ওই দিন পাকিস্তানি বাস ড্রাইভার দ্বারা ধrsiত হয় ।

মেয়েটি রিপোর্ট করে যে ” বাসে আসার পথে অন্য সকল যাত্রীরা আগেই নেমে গিয়েছিলো। আমি বাস ড্রাইভারকে দেইরার কাছে এক জায়গায় নামিয়ে দিতে বলেছিলাম। পরে তিনি আল জাফিলিয়ায় একটি বালু মাঠে পার্ক করেন এবং আমাকে বলেছিলেন যে তিনি নামাজে যাবেন তাই এদিকে এসেছে। তিনি আমাকে বাসের পিছনে বসতে বলেছিলেন তখন আমি পিছনে গিয়ে বসেছিলাম ।তখন তিনি মাঠের মধ্যে এদিক ওদিক গিয়ে অবশেষে তিনি আবাসিক ভবন থেকে দূরে পার্ক করে । “লোকটি আমাকে বলতে শুরু করেছিল যে আমি অনেক সুন্দর এবং তিনি আমার সাথে সেx করতে চায় ।

” পরে আমি চিৎকার করার চেষ্টা করি কিন্তু তিনি তার হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে । অবশেষে ড্রাইভার জোর পূর্বক আমার সাথে সেx করে এবং তার বন্ধুদের দিয়েও করার হুমকি দেয় এবং তাকে খুশি না করলে হotta করার হুমকি দেয় । সেx সম্পন্ন হলে, তিনি আমাকে অনুরোধ জানান যে, পুলিশকে রিপোর্ট না করার জন্য এবং যদি আমি তা করি, তাহলে তিনি হotta করবেন”, তিনি প্রসিকিউটরকে বলেন।মেয়েটি আরো জানায় পরে তাকে প্রধান রাস্তায় ফেলে রেখে যায় এবং সেখান থেকে ট্যাক্সি নিয়ে তিনি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

একজন পুলিশ লেফটেন্যান্ট, যিনি ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন, তিনি বলেন, তিনি মলের বাস স্টপ থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়েছিলেন। “ড্রাইভারের কথা মেয়েটির সাথে যা ঘটেছে তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।”চালককে পুলিশ সদর দফতরে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ। ফরেনসিক রিপোর্ট দেখিয়েছে, তাকে আটক করা হয়েছে, মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়। ২৩ জুন আদালতের চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করা হবে ।

ছাত্রীদের যেভাবে ফাঁদে ফেলতো সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফ !

সর্বত্র আলোচনার ঝড় ব্ল্যাকমেইল করে অক্সফোর্ড হাইস্কুলের ২০-এর অধিক শিক্ষার্থীকে ধrsonর ঘটনা। তবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ঘটনার মূলহোতা বিদ্যালয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফুল ইসলাম। কীভাবে দিনের পর দিন সে শিক্ষার্থীদের ধrson করেছে, বিষয়টি টের-ই পেলো না কেউ।

এ নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, ধিক্কার, চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে অভিভাবকমহল ও এলাকাবাসীর মধ্যে। চতুর আরিফ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাউকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে, কাউকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আবার কাউকে ব্ল্যাকমেইল করে দিনের পর দিন তার শয্যাসঙ্গী করেছে।

এরমধ্যে কারো বিয়ে হয়ে গেছে, কেউ অবিবাহিত। আবার কেউ মেয়ের সর্বনাশের বিষয়টি টের পেয়ে গোপনে মেয়েকে নিয়ে এলাকা ছেড়েছেন। আবার অনেকেই ঘটনা টের পেলেও লোক লজ্জার ভয়ে চুপ থেকেছেন।

আর এই সুযোগটিই কাজে লাগিয়েছে লম্পট আরিফ। শুধু তাই নয়, এ ঘটনায় পাঁচ শিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। গোপনে আরিফ তাদের ওষুধ খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করেছে। এখানেই শেষ নয়, ঘটনা যাতে প্রকাশ না পায় এ জন্য আপত্তিকর ভিডিও এবং ছবি সংরক্ষণ করে ভুক্তভোগীকে ভয় দেখিয়ে সম্পর্ক বজায় রাখে আরিফ। র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্যই দিয়েছে সে।

এদিকে আরিফের জবানবন্দিতে ধর্ষিতা শিক্ষার্থীদের নাম প্রকাশ পাওয়ার আতঙ্ক দেখা দিয়েছে অভিভাবক মহলে।
আরিফের লালসার শিকার কয়েক শিক্ষার্থীর ঘটনা:র‌্যাব, এলাকাবাসী, ও অভিভাবকমহলের তথ্যমতে, আরিফের প্রথম শিকার ২০১৪ সালে ৭ম শ্রেণির এক ছাত্রী। তার সঙ্গে পরিচয় হয় আরিফের। এবং ধীরে ধীরে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। বিভিন্ন সময়ে আরিফ ওই ছাত্রীকে তার ফ্ল্যাটে ১০ থেকে ১২ বার ডেকে নেয়। এরমধ্যে ৪ থেকে ৫ বার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়।

এক পর্যায়ে ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সম্পর্ক বজায় রাখে আরিফ। দুইবার ওই শিক্ষার্থীর পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়। অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে দুইবার পিল খাওয়ায় আরিফ। বর্তমানে ওই ছাত্রীর বয়স আঠারো।আরেক ছাত্রী বর্তমানে বিবাহিত। সে আরিফের দ্বিতীয় শিকার। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত তার সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে আরিফ। ৯ম শ্রেণিতে পড়াকালীন তার সঙ্গে কৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে আরিফ।

এরমধ্যে ২ থেকে ৩ বার ধrson করে। এক পর্যায়ে সেও অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে আরিফ বাসায় তাকে ওষুধ খাইয়ে বাচ্চা নষ্ট করে। তবে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের মাধ্যমে বিয়ের পরও তিন্নির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখে আরিফ।

তমা (ছদ্মনাম)’র বর্তমানে বয়স ১৭। সে অবিবাহিতা। স্কুলে পড়াকালীন তাকে আরিফ ভালোবাসার ফাঁদে ফেলে। এবং স্কুলের ৩য় তলায় ছাদে নিয়ে প্রায়ই আলিঙ্গন ও চুমু দিতো। মাঝে মধ্যে তমার বাসায়ও যেত আরিফ। এরমধ্যে দুইবার তমাকে ধর্ষণ করে সে।
১৬ বছরের আরেক ছাত্রীকে ২০১৭ সাল থেকে বাসায় গিয়ে পড়াতো আরিফ।এরমধ্যে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে অসংখ্যবার ধর্ষণ করেছে সে। এরমধ্যে একবার অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে তাকে এমএম কিট ট্যাবলেট খাওয়ায় আরিফ। ২০১৮ সালে যাত্রাবাড়ীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে তার গর্ভপাত ঘটানো হয়।

কে এই লম্পট আরিফ: আরিফুল ইসলাম (৩০) মাদারীপুর সদর থানার শ্রীনদী (শিরখাড়া) এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সে সবার বড়। সিদ্ধিরগঞ্জের পশ্চিম মিজমিজি মাদ্রাসা রোড এলাকায় বুকস গার্ডেনে ফ্ল্যাট নিয়ে বসবাস করতো।

২০০৪ সালে মাদারীপুরের হাসানকান্দি ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সি গ্রেডে (জিপিএ ২.৯৪) এসএসসি পাস করে। ২০০৬ সালে ঢাকার সরওয়ার্দী কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে।২০১২ সালে কবি নজরুল কলেজ থেকে বিবিএস ও ২০১৫ সালে গুলশানের মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ (এইচআরএম) পাস করে। তবে ২০০৯ সালে সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজিতে অক্সফোর্ড হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেয়। বর্তমানে সিনিয়র সহকারী শিক্ষক।

র‌্যাবের কাছে যা বলেছে আরিফ: র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরিফ জানায়, ২০০৯ সালে অক্সফোর্ড হাইস্কুলে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করার পর ২০১৩ সাল পর্যন্ত সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা পেশায় জড়িত ছিল সে।

২০১৪ সালে প্রথম এক ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়। ধীরে ধীরে সম্পর্কের তীব্রতা বাড়তে থাকে। এবং দু’জন দু’জনকে বিয়ে করার চিন্তা করে। পরে আরিফ ওই ছাত্রীর মায়ের কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি নাকচ করে দেন।এর মধ্যে ওই ছাত্রী মাঝে মাঝে আরিফের বাসায় যেত। এবং প্রায় ৪ থেকে ৫ বার তার সঙ্গে  সম্পর্কে জড়ায় আরিফ। মাঝে একবার ছাত্রীর পিরিয়ড বন্ধ হয়ে যায়। পরে বড়ি খাওয়ানোর পর পিরিয়ড আবার শুরু হয়।

কিন্তু তার মা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে নিয়ে অত্র এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আরিফ জানায়, আরেক ছাত্রী আমার প্রতি অনেক পাগল হয়। আগের কষ্ট ভোলার জন্য তার সঙ্গে রিলেশন করি।
যেটা দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছিল। এর মাঝে ২ থেকে ৩ বার শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হয় আরিফ। একবার অসচেতনাবশত সেx করলে পরের দিন ট্যাবলেট খাওয়াই। এর মাঝে ৯ম শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় ওই ছাত্রীরও বিয়ে হয়ে যায়।আরিফ জানায়, আরো দুই ছাত্রী আমার বাসায় এসে পড়তো। সুযোগ ও সময় পেলে ওদের সঙ্গে শারীরিকভাবে মিলিত হতাম। ২০১৫ সালে তারা বিদ্যালয় থেকে চলে যাওয়ার পর ওদের সঙ্গে আর তেমন দেখা ও কথা হতো না। আরিফ আরো জানায়, এক ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক একেবারে অল্পদিনের।

৪ থেকে ৬ মাসের সম্পর্ক। কিন্তু ও আরেক ছেলেকে ভালোবাসতো বিধায় আমাকে ছেড়ে দেয়। তবে ওর সঙ্গে ১/২ বার শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। আর একবার বিদ্যালয়ের ৩য় তলায় গিয়ে কিছু ছবি তুলি এবং আলিঙ্গন ও কিস করি।২০১৭ সালের শেষ থেকে এখন পর্যন্ত এক ছাত্রীর সঙ্গে রিলেশন আছে। আমরা একে অপরকে বিয়ের প্রস্তাব দেই। এবং দুজনেই তাতে রাজি হই। কিন্তু ওর বয়স কম হওয়ায় বিয়ে করা সম্ভব হয়নি। যদিও আমাকে অনেকবার চাপ দেয় সে। এই ছাত্রী আমার বাসায় প্রাইভেট পড়তো। তাই ওর সঙ্গে অনেকবার শারীরিক সম্পর্কে মিলিত হই। ওকে ২ বার ওষুধ খাওয়াই।

উল্লেখ্য, সিদ্ধিরগঞ্জে মিজমিজি মাদ্রাসা রোড এলাকায় অক্সফোর্ড হাইস্কুলের ২০-এর অধিক শিক্ষার্থীকে ব্ল্যাকমেইলিং করে ধrsoneর অভিযোগে বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক আরিফুল ইসলাম ও তাকে সহায়তাকারী প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১।

এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলায় আরিফ ৬ দিন ও রফিকুল ইসলাম একদিনের রিmaন্ডে রয়েছে। সূত্র: মানবজমিন

প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি না করার দাবি নিক্সন চৌধুরীর !

বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত দক্ষ শ্রমিকের পাশাপাশি অদক্ষ শ্রমিক যাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সরকারিভাবে অনেকে এ সুযোগের আওতায় আসতে না পেরে দালালের মাধ্যমে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে যাওয়া পর এসব শ্রমিকরা যেমন কোনো কাজ পাচ্ছেন না, তেমনি তাদের কারণে শ্রম বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বৈধ প্রবাসীরা।

তাই প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি সহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী। সম্প্রতি নানা বিষয় নিয়ে দেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল সময়’কে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। সাক্ষাৎকারে নিক্সন চৌধুরী বলেন ‘আমার আসন হবে একটা মডেল আসন এবং সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই আমার মূল লক্ষ্য।’

নিক্সন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি জন্যে হুবহু তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: আপনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুই দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং আপনার এলাকার মানুষ আপনাকে অত্যাধিক ভালোবাসে, এর রহস্য কি?
নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব রয়েছে, আমি যদি মানুষের সেবাই না করতে পারি, তাহলে আমার ক্ষমতা দেখানোর জন্য এমপি হয়ে কোনো লাভ নাই। তাই আমি ক্ষমতার জন্য এমপি হইনি। এলাকার জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য, তাদের বিপদে আমি যদি তাদের পাশে না দাঁড়াতে পারি, তাহলে আমি কিসের জনপ্রতিনিধি?

প্রশ্ন: আপনি খুব অল্প সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন দেশে ও বিদেশে, পাশাপাশি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীও রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর, বিভিন্ন সময় হুমকির পরেও কোনো প্রটোকল ছাড়াই একাকী স্বাভাবিক চলাফেরা করেন, এটা কি নিরাপদ মনে করেন?

নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, আমার প্রটোকল আমার জনগণ, মৃত্যুর ভয়ে পুলিশের প্রটোকল নিয়ে কেউ বাঁচতে পারেনি, আর আমার যারা প্রতিদ্বন্দ্বী, তারা সবাই আমার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সুতরাং আমি যদি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে না পারি,

তাহলে বেঁচে থেকে লাভ কি? যতদিন বাঁচবো মানুষের জন্য কাজ করেই যাবো ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্ন: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের হয়রানির বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি?

নিক্সন চৌধুরী: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সব সময় আমার লোক লাগানো আছে। যাদের কাজই হচ্ছে আমার আসনের কোনো রোগী স্বাস্থ্যসেবা নিতে হাসপাতালে যেয়ে যেন হয়রানির শিকার না হয় এবং তাদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা।

শুধুমাত্র ফরিদপুর নয়, ঢাকায়ও যদি আমার এলাকার কেউ আসে চিকিৎসা করাতে, তাহলেও আমি নিজের লোক দিয়ে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করি। আর দালালদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি, কিছুদিন আগেও অনেক দালাল গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রশ্ন: মহান জাতীয় সংসদে আপনি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন এবং দেশের অনেক টেলিভিশনের টকশোতেও বেশ গুরুত্বের সাথে প্রবাসীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, প্রবাসীদের নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?

নিক্সন চৌধুরী: এক নাম্বারে সরকারের কাছে আমার দাবি, প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড করে দেওয়া হউক, এবং দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিস, আদালতে প্রবাসীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের সেবা দেওয়া হউক।
এয়ারপোর্টের হয়রানি অনেক কমেছে আগের চেয়ে। এরপরও আমি এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষকে বলবো, আমার একজন প্রবাসী যেন নিরাপত্তা তল্লাশির নামে হয়রানির শিকার না হয় সেইদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স চালু করবো। প্রবাসীদের জন্য ট্রাভেল ট্যাক্স বন্ধ করার ব্যাপারে মহান সংসদে তুলে ধরবো। প্রবাসীদের বিনা হয়রানিতে এবং দ্রুত সময়ে ভোটার আইডি দেওয়ার ব্যাপারে কাজ করছি এবং আমার এলাকা থেকে কোনো একজন মানুষ যেন অদক্ষ হয়ে প্রবাসে না যায়। সেই জন্য একটা স্কিল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করবো, যেখান থেকে একজন মানুষ কাজের দক্ষতা অর্জন করে বিদেশ যেয়ে বেশি পরিমাণ রেমিটেন্স প্রেরণ করতে পারবে।

প্রশ্নকর্তা: অনেক ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।
নিক্সন চৌধুরী: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আমার অফিসে কষ্ট করে এসে আমার সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য, সবশেষে আমি আপনার মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের সকলের কাছে দোয়া চাই, যেন আমি সৎ ও সুন্দরভাবে আমার এলাকা পরিচালনা করতে পারি।-আমাদেরসময়.কম

স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ায়, যে কবিতা লিখলেন দুবাই’র বাদশা !

দুবাইয়ের বাদশাহ শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে লন্ডনে পালিয়েছেন তার স্ত্রী। সম্প্রতি ধনকুবের বাদশাহ শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুমের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গেছে প্রিন্সেস হায়া আল হোসাইনের।

জানা যায়, বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩২ কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন দুবাই’র শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুমের ষষ্ঠ স্ত্রী প্রিন্সেস হায়া বিন্তে আল হুসেইন। পালিয়ে যাওয়ার পর স্বামীকে পাঠিয়েছেন তালাক নোটিশ। স্ত্রী এভাবে ছেড়ে চলে যাওয়ায় কবিতা লিখেছেন দুবাই’র শাসক।

এদিকে তার কবিতায় স্ত্রীর কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। ‘তুমি বাঁচো এবং মরো’ শিরোনামে লিখা কবিতায় স্ত্রী হায়াকে বিশ্বাসঘাতক বলে উল্লেখ করেছেন দুবাই’র শাসক।কবিতার শুরুতে তিনি লিখেন, ‘কিছু ভুল বিশ্বাসঘাতকতার দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিত, তুমি সীমা লঙ্ঘন এবং বিশ্বাসঘাতকতা করেছো।’তিনি কবিতায় আরো লিখেন, ‘তুমি বেঈমান, তুমি মহামূল্যবান বিশ্বাসের সঙ্গে বেঈমানি করেছো।’তিনি লিখেছেন, ‘তুমি এখন বেঁচে থাকো বা মরে যাও তাতে আমার যায় আসে না।’

এ ব্যাপারে প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রিন্সেস হায়াকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জনসম্মুখে দেখা যাচ্ছিলো না।এমনকি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অ্যাকাউন্টগুলো চালু নেই। যেখানে তিনি প্রতিনিয়ত দাতব্য কাজের ছবি পোস্ট করতেন।এদিকে বলা হচ্ছে, তিনি তার কন্যা জালিয়া (১১) ও পুত্র জাভেদকে (৭) নিয়ে জার্মানিতে পালিয়ে গেছেন। জার্মানিতে তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন।এ ব্যাপারে আরব মিডিয়া জানাচ্ছে, জার্মান কূটনৈতিক প্রিন্সেস হায়াকে দুবাই থেকে পালাতে সাহায্য করেছে। কেননা দেশ দুইটির মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়ান চলছে।

তাদের খবরে আরো বলা হয়, দুবাই’র শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুম তার স্ত্রীকে ফেরত পেতে জার্মানিকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু জার্মান কর্তৃপক্ষ দুবাই’র শাসকের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।

রাখাইনকে বাংলাদেশের অংশ করলেই রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে

মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির এশিয়া সম্পর্কিত উপ-কমিটিতে ১৩ জুন ‘দক্ষিণ এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ এবং অর্থ বছর ২০২০ বাজেট সম্পর্কিত শুনানিতে এই উপ-কমিটির চেয়ারম্যান কংগ্রেসম্যান (ডেমক্র্যাট-

ক্যালিফোর্নিায়া) ব্র্যাড শারমেন (Brad Sherman) বলেছেন, ‘লাখ লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ আশ্রয় দেওয়ায় আমি বাংলাদেশকে অভিবাদন জানাচ্ছি। আমি কংগ্রেসের এই কক্ষে এর আগেও বলেছি, এখনও বলতে চাই,মিয়ানমার অথবা বার্মা সরকার যদি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী রক্ষায় সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী না হয়, রাখাইন স্টেটের উত্তরাঞ্চলের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর লোকজনকে নিরাপত্তা দিতে না চায় অথবা অপারগ হয় তাহলে ওই স্টেটের (প্রদেশের)

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত এবং ওই এলাকাকে বাংলাদেশের কাছে স্থানান্তর করতে (বাংলাদেশের অংশ করতে) যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন দেওয়া উচিত, যা ওই এলাকার মানুষও চাচ্ছে।’উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন, ‘রোহিঙ্গারা এমন একটি সরকারের অধীনে থাকতে চায়, যারা তাদেরকে নিধন নয়, সুরক্ষায় আন্তরিক অর্থে কাজ করবে।’শারমেনের বক্তব্যের পর মন্ত্রণালয়ে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ভারপ্রাপ্ত সহকারী মন্ত্রী এ্যাম্বাসেডর এ্যালিস ওয়েলস এবং ইউএস এইডের ভারপ্রাপ্ত সহকারী প্রশাসক গ্লোরিয়া স্টিলি নিজ বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তবে তারা উপরোক্ত আলোকে কোন মন্তব্য/মতামত ব্যক্ত করেননি।

ব্র্যাড শারমেনের এমন প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে নিউইয়র্ক স্টেট ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক মাহফুজ আর চৌধুরী বলেছেন, ‘এ প্রস্তাবের হান্ড্রেড পার্সেন্ট সমর্থন জানাতে চাই। এর বাইরে অন্য কিছুতেই রোহিঙ্গা ইস্যুর শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে না। কারণ, মিয়ানমার প্রশাসনের মধ্যে গণতান্ত্রিক উদারতা একেবারেই ছিল না।তবে এমন প্রস্তাবেও সম্মতি লাগবে চীনের। চীন ছাড়া সম্ভব নয়’-উল্লেখ করেন এই রাষ্ট্র বিজ্ঞানী। এজন্যে বিশ্বজনমত তৈরি করতে হবে, চীনকে এ বাপারে রাজি করতে।

নিউইয়র্ক সফররত ঢাকার অঙ্কুর প্রকাশন’র পরিচালক মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এ প্রস্তাবের যুক্তি থাকলেও বাস্তবতা নেই। একটি অঞ্চলকে স্বাধীন করা যতটা সহজ, অন্য দেশের সঙ্গে একিভূত করা ততটাই কঠিন।এর আগে মালয়েশিয়া থেকে ছোট্ট একটি দ্বীপ সিঙ্গাপুরও স্বাধীন হয়েছে। রাখাইনের মুসলিম সম্প্রদায় সব সময়ই অবহেলিত, উপেক্ষিত মিয়ানমারের বৌদ্ধ সম্প্রদায় কর্তৃক। তাই তাদেরকে ঘুরে দাঁড়াতে চাই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অকুন্ঠ সমর্থন।

জর্জিয়া অঙ্গরাজ্য পার্লামেন্টে ডেমক্র্যাট সিনেটর বাংলাদেশি আমেরিকান শেখ রহমান বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুর শান্তিপূর্ণ সমাধান চাই। এজন্য যা করলে ভালো হয় সেখানেই আমার সমর্থন থাকবে। কংগ্রেসম্যান ব্র্যাড শারমেনের প্রস্তাবেও আমি একমত। এক্ষেত্রেও মিয়ানমারের সামরিক জান্তাকে বাধ্য করতে জনমত তৈরি করতে হবে।আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ওপর খোঁজ-খবর রাখেন এমন প্রবাসীরা বলেছেন, এর আগে ১৯৭৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার প্রশাসন কর্তৃক পূর্ব তিমুরে গণহত্যার পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকা একটি স্বাধীন ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছে।

এরপর একইভাবে দক্ষিণ সুদানের উৎপত্তি ঘটেছে। রাখাইন এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় মোটেও আগ্রহী নয় মিয়ানমারের বুদ্ধ-প্রশাসন, তাই তাদেরকে স্বাধীন একটি ভূখণ্ডের অধিবাসী হবার ক্ষেত্রে প্রস্তুত অথবা ওই এলাকাকে বাংলাদেশের অংশে পরিণত করাই শ্রেয়। তাহলেই রোহিঙ্গারা শান্তিপূর্ণভাবে জীবন-যাপনে সক্ষম হবে।কংগ্রেসম্যানের এমন প্রস্তাব নিয়ে আমেরিকায় প্রবাসীরাও সরব। অধিকাংশরাই চাচ্ছেন রাখাইনের স্বাধীনতা।খুব কমসংখ্যক বাংলাদেশের সঙ্গে রাখাইনকে যুক্ত করার পক্ষে। তবে প্রায় সকলেই আশা করছেন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি বসতভিটায় ফিরে সম্মানের সঙ্গে বসতি শুরু করতে সক্ষম হয়-এমন পরিবেশ তৈরি হোক।

এদিকে, প্রতিনিধি পরিষদে পররাষ্ট্র সম্পর্কিত মূল কমিটির চেয়ারম্যান নিউইয়র্কের কংগ্রেসম্যান এলিয়ট এঙ্গেল (ডেমক্র্যাট) এবং এ কমিটিতে রিপাবলিকান (ওহাইয়ো) কংগ্রেসম্যান স্টিভ স্যাবট যৌথভাবে ২০ জুন আরেকটি বিল উত্থাপন করেছেন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে অবরোধ আরোপের দাবিতে।রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে গণহত্যার জন্য মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীকে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে এই বিলে। এটি পাশ হলে মিয়ানমারের প্রশাসনের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, মিয়ানমার ভ্রমণ এবং অর্থনৈতিক

লেনদেনের ওপর কঠোর শর্ত আরোপিত হবে। আর এর ভিকটিম হবে মিয়ানমারের শীর্ষ পর্যায়ের রাজনীতিক, প্রশাসক, সেনা কর্মকর্তারাও।
এ প্রসঙ্গে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে এ কমিটির চেয়ারম্যান এলিয়ট এঙ্গেল বলেছেন, ২০১৭ সালে বার্মার সামরিক বাহিনী কর্তৃক রোহিঙ্গা নিধনের যে বর্বরতা শুরু হয়েছে, তার বিচারের জন্যে আরও কিছুদিন অপেক্ষার প্রয়োজন নেই।সহিংসতা থেকে রোহিঙ্গাদের মুক্তি পাওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে এবং যারা এহেন মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্যে দায়ী, সোজা কথায় রোহিঙ্গাদের গণহত্যার জন্যে দায়ী তাদেরও কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর সময় হয়েছে।’

শিগিগিরই এটি প্রতিনিধি পরিষদে পাশ হলেও উচ্চকক্ষ সিনেটে পাশের কোনই সম্ভাবনা নেই বলে বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন। কারণ, সিনেট কমিটির রিপাবলিকান চেয়ারম্যান সিনেটর (কেন্টাকি) মিচ ম্যাককনেল হচ্ছেন অং সান সু চি’র ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

অনেক বেড়ে গেলো আরব আমিরাতের দিরহামের রেট। দেখে নিন এই মুহূর্তে.. …

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশে এ স্বাগতম ,আজ ৩০ জুন ২০১৯ ইং, প্রবাসী ভাইরা জেনে নিন এই মুহূর্তের আরব আমিরাতের দিরহাম এ বাংলাদেশি টাকায় কত ।

আজ ৩০ জুন রাতের AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.25৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
গত ২৫ জুন  রাতের AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.05 ৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
আজ ৩০ জুন রাতের রাতের 1 US ডলার = 84.55 ৳
গত ২৫ জুন  রাতের 1 US ডলার = 84.05 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি, যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন।আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন।

সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।টাকার রেট উঠানামা করে। দেশে টাকা পাঠানোর আগে ভালোভাবে রেট যাচাই করে নিন। হুন্ডি বা অবৈধ পথে টাকা পাঠাবেন না। তাতে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, দেশ ও উপকৃত হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। অল বিডি সেভেন.কমএর সাথেই থাকুন!”।