ধর্ষণের পর ভিডিও প্রকাশ করেও ক্ষান্ত হয়নি এবার হত্যার হুমকি দিচ্ছে ! (ভিডিও সহ)

শনিবার সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন করে ওই ছাত্রী। ভিডিওতে সে বলে, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমার সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছে, তার জন্য আমি কোর্টে মামলা করেছি। কিন্তু মামলা করার পরও আমাদের ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কোনো বিচার তো করে নাই। এখন তিনি আমাদের বাড়িতেই থাকতে দিচ্ছেন না।

আমার ভাইকে বাড়ি ফিরতে দেয় না।’ঘটনাটি গত ৫ এপ্রিল রাতের। প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বেরিয়েছিল নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। সে সময় ওত পেতে থাকা মানুষরূপী দুই হিংস্র পশু মেয়েটিকে মুখ চেপে ধরে বাড়ির পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে। শুধু ধর্ষণ করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা। ধর্ষণের চিত্র মোবাইলে ধারণ করে তা আবার ফেসবুকে প্রচার করে।

এমনই ঘটনা ঘটেছে ফরিদপুরের সালথায়। এ ঘটনায় সালথা থানা পুলিশ শাকিল নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।এদিকে এ ঘটনায় মামলা করার পর উল্টো ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের বাড়ি থেকে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে।তাদের অভিযোগ, মামলা করার পরও তারা কোনো ধরনের সহযোগিতা পাচ্ছেন না। উল্টো তাদের বাড়ি ছাড়া করা ও হত্যার হুমকি দিচ্ছেন জড়িতদের স্বজন ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। এর সমাধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

ওই ছাত্রী আরও বলে, ‘আমাদের ওপর যত ধরনের অন্যায় অত্যাচার তিনি করছেন।’এ সময় ভিডিওধারণকারী তাকে প্রশ্ন করেন, ‘তোমার কোন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের?’ ওই ছাত্রী বলে, ‘গট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু।’

এ সময় ভুক্তভোগী আরও বলে, ‘তিনি কোনো বিচার করেন নাই, বিধায় আপনার (ভিডিওধারণকারী) কাছেও বিচারের দাবি জানিয়েছি। কিন্তু আপনাকে বলার পর চেয়ারম্যান আমাদের বাড়িতে থাকতে দিচ্ছে না। আমার ভাইকে মারার জন্য খোঁজে। কাউকে বাড়ি ঘরে থাকতে দিচ্ছেন না।’

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে করে ওই ছাত্রী আরও বলে, ‘এখন বিষয়টি সমাধানে আপনার কাছে বিচার দাবি করছি। আমার তো বাবা নাই, আমার মা আর পরিবারকে মরতে হবে। এ ছাড়া আর কিছু করার নাই।আত্মহত্যা করা ছাড়া পথ খোলা নাই। আপনি যদি ন্যায্য বিচার করেন তো পাবো, নয়তো কিছু হবে না। আমাদের পরিবারের আত্মহত্যা ছাড়া আর কোনো পথ নাই।’

ভিডিওতে এক সিরাজুল শেখ নিজের সমস্যার কথা জানান। ভিডিওধারণকারী তাকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনি তো ওই মেয়েটির সঙ্গে শুরু থেকেই আছেন। আসলে এই মেয়েটি যা বক্তব্য দিয়েছে, তা কতটুকু সত্য?’ উত্তরে সিরাজ বলেন, ‘হ্যাঁ সত্য। এই মানুষগুলো একদম গরিব। ভুক্তভোগীরা আদালতে মামলা
দায়েরের পর তাদের পাশে দাঁড়ানোয় তারা (চেয়ারম্যান ও ধর্ষণে জড়িতদের স্বজন) আমাকেও ঘরে থাকতে দিচ্ছে না। গ্রামের মানুষকে আমাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে দিচ্ছে না।’

সিরাজুল আরও বলেন, ‘আমার হাত-পা কেটে ফেলবে বলেও হুমকি দিচ্ছেন তারা। গট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলুও গ্রামে তার লোকদের ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, “সিরাজুলকে যেখানে পাবি তার হাত-পা কেটে ফেলবি।” ভয়ে আমি এখন পালিয়ে আছি।’একই ভিডিওতে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বড় ভাই কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘লাভলু চেয়ারম্যান বলেছেন, তিনি সিরাজ কাকাকে নিজ হাতে মারবেন। আমাদেরকেও খুঁজে বেড়াচ্ছেন। ভয়ে আমরা বাড়িছাড়া। প্রায় ১৫ দিন বাড়ি থেকে পালিয়ে আছি।’

এদিকে অভিযোগের পুরো বিষয়টি বানোয়াট বলে দাবি করেছেন গট্টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান লাভলু। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনার পর মামলা হয়েছে। আমি নিজেও এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিচার দাবি করেছি।

আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা সত্য নয়। আমি ভুক্তভোগীর পরিবারকে কোনো হুমকি দেইনি, এমনকি সিরাজকেও মেরে ফেলার হুমকি দেইনি।’

চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘ঘটনার পর আমি ওই মেয়েটির বাড়িতে গ্রাম্য পুলিশ মোতায়েন করেছি। তারা আমার কাছে এসেছিল, আমি তাদের সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছি।’সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন ধর্ষণের ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় শাকিল ফকির নামের একজনকে গ্রেপ্তারের পর সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়েছে। পরে জেলার মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালত রিমান্ডের শুনানির তারিখ পরে ধার্য করার আদেশ দিয়ে শাকিলকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তবে হুমকি-ধমকির বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ ওসি পাননি বলে জানান দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, ‘হুমকি-ধমকির কোনো অভিযোগ এখন পর্যন্ত আমরা পাইনি। আমাদের এসপি ও ডিসি সাহেবরা এসেছিলেন,তাদের কাছেও কোনো অভিযোগ হয়নি। তবে আমরা জানার চেষ্টা করব। এ ধরনের কোনো অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

লাশ হয়ে ফিরল মালয়েশিয়া প্রবাসী আলামিন !

স্বভাবসুলভ নম্র ও ভদ্র চেহারা। বাড়ির সবার কাছে ছিলেন প্রিয়পাত্র। মিষ্টি মুখের চাহনিতে সহজেই যে কারো মনে জায়গা করে নিতেন। বড় ছেলে হিসেবে অভাবের সংসারের হাল ধরার স্বপ্ন বুকে নিয়ে আলামিন আসেন মালয়েশিয়ায়। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসের শিকার হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তাঁর।

রোববার রাতে ওই দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মধ্যে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের চরভাগল গ্রামের মাওলানা আমির হোসেনের বড় ছেলে আলামিনও রয়েছেন। আমির হোসেনের তিন ছেলের মধ্যে আলামিন সবার বড়। সাত মাস আগে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে আলামিন জীবিকার সন্ধানে কুয়ালালামপুরে আসেন।

দুর্ঘটনার পর সোমবার সকালে আলামিনের মৃত্যুসংবাদ তাঁর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। এ সময় দিশেহারা হয়ে পড়েন পরিবারের লোকজন। আশপাশের প্রতিবেশিরা তাদের সান্ত্বনা দিতে ছুটে আসেন। পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।পরিবারের সদস্যরা জানান, স্বচ্ছলতার জন্য বিভিন্নজনের কাছ থেকে তিন লাখ টাকা ধার দেনা করে আলামিনকে বিদেশ পাঠান তারা। এমন পরিস্থিতিতে আলামিনের অকাল মৃত্যুতে পরিবারের ওপর যেনো আকাশ ভেঙে পড়ে।

গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর আলামিন মালয়েশিয়া আসেন। এর মধ্যে বাড়িতে বেশ কিছু টাকাও পাঠিয়েছেন আলামিন। নিহতের মা আমেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার আলামিনকে তোমরা নিয়ে আসো।’

মুসলমানরা অত্যাচার করে না, সন্ত্রাস করে না, করে বিজেপির নেতারা : মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করে বলেছেন, হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টানরা দাঙ্গা করে না, দাঙ্গা করে বিজেপি। শনিবার হুগলী জেলার পান্ডুয়া-তে এক নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

এসময় মমতা বলেন, ‘বিজেপি হিন্দুদের দল নয়, ওরা হিন্দু ধর্মকে বদনাম করে,আমাদের দেবতাদের অপমান করে, অসম্মান করে আর দেবতাদের রাস্তায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করে। আমরা করি না।’তিনি বলেন, ‘আমরা ঘরের মা-আম্মাকে যেমন সম্মান করে ঘরে রাখি তেমনি দেবতাদেরও তাদের আসনে বসিয়ে পূজা করি, সম্মান জানাই। আমরা দেবতাদের মূর্তি বাইরে ফেলে দিয়ে হিন্দু-মসলমান করি না।

মনে রাখতে হবে যে, হিন্দুরাও দাঙ্গা করে না, মুসলমানরাও দাঙ্গা করে না। খ্রিষ্টান, শিখ, আদিবাসীরাও দাঙ্গা করে না। দাঙ্গা করে নরেন্দ্র মোদির মতো কিছু বিজেপির নেতারা। এরা দাঙ্গা লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তোলে। এটা ওদের চালাকি, ওদের প্ল্যান।’

বিজেপিকে দাঙ্গাবাজের দল বলে আখ্যায়িত করে মমতা বলেন ‘যারা দাঙ্গা করে,

যারা অত্যাচার করে, যারা সন্ত্রাস করে..যারা দেশকে ভালবাসে না..তাদের ক্ষমতায় থাকার কোন অধিকার নেই।’

আজ ২৮/০৪/২০১৯ দেখে নিন বিভিন্ন দেশের টাকার রেট দেখে নিন !

এই মুহূর্তে দেশে ও দেশের বাইরে যে যেখান আছেন সবাইকে “আমার বাংলাদেশ”এর পক্ষ থেকে স্বাগতম !যারা দেশের বাইরে কাজ করছেন তারা দেশের জন্য অত্যান্ত উপকার করছেন । দেশে টাকা পাঠানোর পূর্বে টাকার রেট ভালোভাবে দেখে নিন। আজ ২৮/০৪/২০১৯ তারিখ দিনের শুরুতে দেখে নিন আজকের টাকার রেট !
,

সৌদি রিয়াল (SAR) =22.50৳

মালয়েশিয়ান রিংগিত (MYR) = 20.70৳

দুবাই দেরহাম (AED ) = 23.15৳

বাহরাইন দিনার (BHD ) = 224.42৳

ব্রিটিশ পাউনড (GBP) = 111.95৳

কুয়েতি দিনার (KWD ) = 277.26 ৳

কাতারি রিয়াল(QAR) =23.30৳

সিঙ্গাপুর ডলার ( SGD) = 62.38 ৳

ওমানি রিয়াল (OMR) = 217.15৳

 

ইউএস ডলার (USD) = 84.25৳

ইউরো (EUR) = 94.45 ৳

মালদ্বীপিয়ান রুপিয়া (MVR ) = 4.95৳

আফগানিস্তান  (AFN) = 1.09 ৳

নিউজিল্যান্ড ডলার(NZD) = 57.80৳

কানাডিয়ান ডলার (CAD) = 62.55৳

ইন্ডিয়া রূপি (INR) = 1.21৳

সাউথ আফ্রিকান রেন্ড (ZAR) =5.51৳

অস্ট্রেলিয়ান ডলার( AUD)=59.40৳

ইরাকি দিনার (IQD) = 0.07৳

দক্ষিণ কোরিয়ান উয়ান(WAN)= 0.074৳

জাপানিজ (YEN) = 0.739৳

চাইনিজ উয়ান ( YUAN) =12.11৳

সোমালিয়া (SOS ) = 0.14 ৳

কিছু কিছু কোম্পানিতে রেট আপডেট করতে সময় নেয় তাই দেশে টাকা পাঠানোর আগে ভালোভাবে রেট যাচাই করে নিন । হুন্ডি বা অবৈধ পথে টাকা পাঠাইয়া নিজে ঝুঁকিতে থাকবেন না । তাতে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, দেশ ও উপকৃত হবে। অবশ্যই লাইক ও শেয়ার দিয়ে ধন্যবাদ !প্রতি মুহূর্তে আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেনের তারতম্যের সাথে সাথে টাকার রেট উঠানামা করে।
বিভিন্ন দেশ থেকে বৈধ পথে বাংলাদেশে টাকা পাঠানোর বিভিন্ন এজেন্ট আছে যেমন মানি গ্রাম , ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন , রিয়া ইত্যাদি ।

যে কারণে ইংল্যান্ডে যাচ্ছেন আশরাফুল এবং দীর্ঘ ৪ মাস অবস্থান করবেন সেখানে।

খবরটা একেবারে চমকে দেওয়ার মতো ! ইংল্যান্ডে হবে এবারের ক্রিকেট বিশ্বকাপ। ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের বাংলাদেশ দলও ঘোষণা করা হয়েছে।
এরই মধ্যে খবর হচ্ছে, ইংল্যান্ডে খেলতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ আশরাফুল।

তবে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপ খেলতে নয়, কাউন্টি দল কেন্ট আয়োজিত প্রিমিয়ার লিগে খেলবেন এই তারকা খেলোয়াড়। গত মৌসুমেও সেখানে খেলেছিলেন ৩৫ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।ইংলিশ কাউন্টির দল কেন্ট নিয়মিতই তাদের নিজস্ব ঘরোয়া প্রিমিয়ার লিগ আয়োজন করে থাকে। গত মৌসুমেও ঘরোয়া এই টুর্নামেন্টে খেলেছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল। গত আসরে টুর্নামেন্টের ৪০ এবং ২০ ওভারের ম্যাচগুলোতে ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ফর্মেও ছিলেন তিনি।

যদিও গত মৌসুমের পুরোটা খেলেননি তিনি, তবে এবার পুরো মৌসুম খেলবেন আশরাফুল। ইংল্যান্ডে অবস্থান করবেন প্রায় সাড়ে চার মাস। আগামী ৪ মে থেকে শুরু হবে টুর্নামেন্টটি।ইংল্যান্ডে খেলতে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশরাফুল নিজেই। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় ডানহাতি ব্যাটসম্যান বলেন, ‘এই বছর আমি ব্ল্যাকহিথ ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে কেন্ট প্রিমিয়ার লিগ খেলতে যাচ্ছি। সেখানে সাড়ে চার মাসের মৌসুম। ওদের মৌসুম শুরু হবে কিছুদিনের মধ্যেই। পুরো মৌসুমই সেখানে খেলব আমি।’

গ্রীষ্মকালে ইংল্যান্ডে সম্পূর্ণ ব্যাটিং সহায়ক উইকেটে খেলা হয়। তাই এই সময়টায় ইংল্যান্ডে ক্রিকেট খেলা বেশ উপভোগ্য মনে হয় আশরাফুলের কাছে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে এই তারকা ক্রিকেটার বলেন, ‘ইংল্যান্ডে জুন-জুলাইতে ব্যাটিং করে অনেক মজা লাগে। অনেকটা আমাদের দেশের মতোই গরম থাকে।’
বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে ৬১টি টেস্ট, ১৭৭টি ওয়ানডে এবং ২৩টি টি-টোয়েন্টি খেলা আশরাফুলের ইংল্যান্ডে ব্যাটিংয়ের কিছু সুখস্মৃতি রয়েছে। কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে স্মরণীয় জয়ের ম্যাচে পাওয়া ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরির পাশাপাশি রয়েছে চমৎকার কিছু ইনিংস।

এসব অভিজ্ঞতায় আগামী বিশ্বকাপের উইকেট নিয়ে নিজের ধারণা জানিয়েছেন এই লিটল মাস্টার। ৩৫ বছর বয়সী এই তারকা বলেন, ‘বিশ্বকাপে সাধারণত ব্যাটিং উইকেটই হয় । এবারও খাঁটি ব্যাটিং উইকেটই হবে মনে হচ্ছে। পেস বোলারদের যদি বাড়তি গতি থাকে, তাহলে অনেক কাজে দেবে। আর যদি গড়পড়তা গতি হয়, তাহলে ব্যাটিং করা অনেজ সহজ হয়ে যাবে।’

অনেক বেড়ে গেলো আরব আমিরাতের দিরহামের রেট। দেখে নিন এই মুহূর্তে.. …

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশে এ স্বাগতম ,আজ ২৭ এপ্রিল ২০১৯ ইং, বাংলাদেশী সময় রাত ১১:০৫ প্রবাসী ভাইরা জেনে নিন এই মুহূর্তের আরব আমিরাতের দিরহাম এ বাংলাদেশি টাকায় কত ।

আজ ২৭ এপ্রিল রাতের AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.25৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
গত ২৫ এপ্রিল AED (আরব আমিরাতের দিরহাম) 1 দিরহাম = 23.05 ৳ (তথ্যটি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে)
আজ ২৭ এপ্রিল রাতের 1 US ডলার = 84.35 ৳
গত  ২৫  এপ্রিল 1 US ডলার = 84.05 ৳

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশে বলছি, যখন বৈদেশিক মুদ্রার রেট বৃদ্ধি হয় তখন দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠালে বেশি টাকা পেতে পারেন।আপনারা বিনিময় মূল্য (রেট) জেনে দেশে টাকা পাঠাতে পারেন।

সে ক্ষেত্রে আমাদের ওয়েব সাইট বা আপনার নিকটস্থ ব্যাংক হতে টাকার রেট জেনে নিতে পারেন।টাকার রেট উঠানামা করে। দেশে টাকা পাঠানোর আগে ভালোভাবে রেট যাচাই করে নিন। হুন্ডি বা অবৈধ পথে টাকা পাঠাবেন না। তাতে আপনি যেমন উপকৃত হবেন, দেশ ও উপকৃত হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। অল বিডি সেভেন.কমএর সাথেই থাকুন!”।

আরব আমিরাত সহ বিভিন্ন দেশের আজকের স্বর্ণের রেট দেখে নিন !

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশ এ স্বাগতম ! ধনী থেকে গরিব সবাই চায় এটি কাছে রাখতে । কিন্তু অনেক দাম হওায়র কারনে শুধু ধনী বাক্তিরাই সেটি সংরক্ষন করতে পারে। তবে যারা দেশের বাইরে থাকেন তারাও মাঝে মাঝে ভাল স্বর্ণ কম মূল্যে কিনতে পারে। তার প্রবাসী ভাইদের জন্য এটি বেশ।আজ ২৭ /০৪/২০১৯ আরব আমিরাত সহ বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের রেট দেখে নিন

ভরি =১১.৬৫৪ গ্রাম

বাংলাদেশ: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট)  =  3615  টাকা ।

দুবাই: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  155.70 দেরহাম,  (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 146.60 দেরহাম ।

সৌদি আরব: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  158.40 সৌদি রিয়্যাল, (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 148.60 সৌদি রিয়্যাল ।

কাতার: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 151.15 কাতারি রিয়্যাল ।

সিঙ্গাপুর: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 56.45 ডলার ।

মালয়েশিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 170.20 রিংগিত ।

ইংল্যান্ড: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 30.30 ব্রিটেন পাউন্ড ।

বাহরাইন: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 15.85 দিনার ।

ওমান: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 16.49 রিয়াল ।

অস্ট্রেলিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 58.68 অস্ট্রেলিয়ান ডলার ।

কুয়েত: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 12.23 দিনার ।

কানাডা :  প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  55.28 কানাডিয়ান ডলার ।

আমেরিকা: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 41.43 আমেরিকান ডলার ।

যেকোনো সময় স্বর্ণের রেট উঠানামা করতে পারে।প্রতিদিন আপডেট পেতে আমাদের পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করে এক্টিভ থাকুন। যে যেখানে আছেন নিরাপদে থাকুন, আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন।নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় আমার বাংলাদেশের এর সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ ।

তরুণ এমপি মাশরাফি নিজে রোগী সেজে হাসপাতালে অনুপুস্থিত ডক্টরকে ফোন দিলে যা বলল ডাক্তার :

আসন্ন ২০১৯ বিশ্বকাপের জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগদানের আগে দুদিনের নির্বাচনী এলাকায় সফরে মাশরাফি সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন হাসপাতালকে। গতকাল ২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ৩ টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত টানা ২ ঘন্টা নড়াইল আধুনিক সদর হাসপাতালে ঝটিকা সফর করেন মাশরাফি।

এ সময় নারী ও শিশু ওয়ার্ডে রোগীদের সাথে কথা বলে তাদের কাছ থেকে নানা ধরনের সমস্যা শোনেন। ওই সময় পুরো হাসপাতালে মাত্র একজন ডাক্তারের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মাশরাফি।এ সময় সদর হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে মাত্র ২ জন নার্স দেখে তাদের ডিউটির ব্যাপারে খোজ নেন। জানতে পারেন হাসপাতালে পর্যাপ্ত নার্স থাকলেও ২-১ জন নার্স দিয়েই বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিচালিত হচ্ছে।

ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক নিচে নেমে এসে নার্সিং সুপারভাইজারদের খোঁজ করেন মাশরাফি। নার্সদের কক্ষে তালা দেখতে পেয়ে টেলিফোনে দায়িত্বপ্রাপ্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। একজন সুপারভাইজারের ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং অপরজনের ফোন খোলা থাকলেও রিসিভ করেননি।এ সময় রোগীদের অনুরোধে হাসপাতালের বাথরুম ও তার পরিবেশ নিজে দেখেন এবং মোবাইলে ছবি তুলে নেন। কয়েকটি বাথরুমের দরজা ভাঙ্গা এবং দূর্গন্ধ তাকে অত্যন্ত বিব্রত করে তোলে।

তিনি এ ব্যাপারে জানার জন্য আবাসিক মেডিক্যাল অফিসারকে ফোন করতে বলেন। অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর বিথী খাতুন এসময় অফিসে উপস্থিত থেকে মাশরাফির নানা প্রশ্নের জবাব দেন।এ সময় মাশরাফি জানতে পারেন, হাসপাতালের চিকিৎসক সংকট থাকলেও নার্সের কোনো সংকট নেই। এই মুহূর্তে ৭৩ জন নার্স রয়েছে ওই হাসপাতালটিতে।

এরপর মাশরাফি পুনরায় দোতলায় এসে ডাক্তারদের অবস্থান জানতে চেয়ে হাজিরা খাতা দেখেন। হাজিরা খাতায় সার্জারী চিকিৎসক সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আকরাম হোসেনের ৩ দিনের অনুপস্থিতির প্রমাণ পেয়ে ছুটির আবেদন দেখতে চান। পরে জানতে পারেন ছুটি ছাড়াই সেই ডাক্তার ৩ দিন অনুপস্থিত!
এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে টাইগার ক্যাপ্টেন প্রথমে রোগী সেজে ওই চিকিৎসককে ফোন করলে তিনি রোগীকে অর্থাৎ মাশরাফিকে রবিবার হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিতে বলেন।

এ সময় নিজের পরিচয় দিয়ে মাশরাফি ডাক্তারকে বলেন, ‘এখন যদি হাসপাতালের সার্জারী প্রয়োজন হয় তাহলে সেই রোগী কী করবে?’ এরপর সেই ডাক্তারকে তার কর্তব্যর কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে দ্রুত এলাকায় ফিরে আসার নির্দেশ দেন তিনি।এ সময় মাশরাফির হাসপাতালে আসার খবর পেয়ে ততক্ষণে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. মশিউর রহমান বাবু ছুটে এসেছেন হাসপাতালে। আরেক চিকিৎসক ডা.আলিমুজ্জামান সেতুও চলে এসেছেন।

এসময় চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি বিষয়ে কথা বলে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার কে দিয়ে হাজিরা খাতায় সেই চিকিৎসক ডা. আকরাম হোসেনের ৩ দিনের অনুপস্থিত করিয়ে নেন।

এ সময় হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে বসে মাশরাফি তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুস সাকুরকে ফোন করেন। সে সময় তিনি খুলনায় একটি সভায় অংশগ্রহন করে মাগুরায় বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। স্টেশনে অবস্থান করার কথা জানিয়ে রাতের মধ্যেই তাকে হাসপাতালে চলে আসতে বলেন মাশরাফি। খবর পেয়ে একঘন্টার মধ্যেই সদর হাসপাতালে আসেন তত্ত্বাবধায়ক ডা.আব্দুস সাকুর।

এরপর হাসপাতালের নানা স্থান ঘুরে ঘুরে দেখেন এমপি মাশরাফি। তখন এক অন্য রূপ দেখে সবাই। একজন এমপি যে এমন রুপ ধারণ করতে পারেন এটা না দেখলে হয়তো বিশ্বাসই করত না নড়াইল বাসী। উপস্থিত সাধারণ মানুষের মধ্যে এসময় আনন্দের হাসি দেখা গেলেও হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্তারা নিজেদের দোষ ঢাকতে তখন ব্যস্ত।

এ সময় নড়াইল সদর হাসপাতালের নানা অব্যবস্থাপনা বিষয়ে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা.মশিউর রহমান বাবু বলেন, ‘হাসপাতালের প্রধান সমস্যা হলো চিকিৎসক সংকট। আমরা যে কয়জন আছি তারা প্রত্যেকে যদি একশ ভাগ সেবা দেই তাহলে অবস্থার উন্নতি হবে। পরিচ্ছন্ন কর্মী সংকট এবং পৌরসভার সহযোগিতা না করার কারণে ময়লা-আবর্জনা সরানো সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেন।’

সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা.আব্দুস শাকুর বলেন, ‘আমি এখানে এসেই কয়েকজন চিকিৎসকের গাফিলতি লক্ষ্য করেছি। এমপি সাহেব যেভাবে আজ দেখলেন, আর যা বললেন তাতে আমার কাজটি অনেক সহজ হয়ে গেল। এখন আর কেউ আমার বিরুদ্ধে দল পাকাতে পারবে না।’

এ সময় নিজের পরিদর্শনের ব্যাপারে সংসদ সদস্য মাশরাফি বলেন, ‘সাধারণ মানুষের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের একটি হলো চিকিৎসা। এই সেবার মান নিশ্চিত করতে আমার যা কিছু করার আমি সবই করব। কিছু মানুষের জন্য নিরীহ জনগন কষ্ট পাবে এটা সহ্য করা হবে না।’

সৌদি আরব রমজান উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী ইসলামের সঠিক জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে ৩৫ দেশে ইমাম পাঠাচ্ছেন।

মাত্র এক সপ্তাহ পরেই শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। মহিমান্বিত এই মাসে তারাবি এবং শেষ রাতে তাহাজ্জুদ নামাজের ইমামতির জন্য বিশ্বের ৩৫টি মুসলিম দেশে ৭০ জন ইমাম পাঠাচ্ছে সৌদি আরব।

বিশ্বব্যাপী ইসলামের সঠিক জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে সৌদি আরবের এই উদ্যোগ। এজন্য ইতোমধ্যে ৭০ জন সৌদি ইমামকে অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির ইসলাম ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।এতে করে বিশ্বের মুসলিমদের সঙ্গে সৌদি আরবের নিবিড় এবং দায়িত্বপূর্ণ যোগাযোগ তৈরি হবে বলে মনে করে সৌদি আরব।

মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি আবদুল লতিফ আল আশেইখ বলেন, কুরআনে হাফেজ এই ৭০ জন ইমাম সৌদি আরবের শরিয়াহ কলেজ থেকে বাছাইকৃত। যারা ইসলামের গভীর এবং সঠিক জ্ঞানে জ্ঞানী।এই ইমামগণ বিভিন্ন দেশের মুসল্লিদের সঙ্গে সহজে মিশতে পারবেন, ইসলামের সারল্য এবং এর গভীর ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে ইসলামের গভীরতার বিষয়ে আলোকপাত করাতে পারবেন এবং সুন্দর তিলাওয়াতে কুরআনের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে পারবেন বলে মনে করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।

সুযোগ্য এই ইমামরা মুসলিম দেশগুলোর জন্য একেক জন সৌদি আরবের দূতের মতো। ইসলামের বিষয়ে বিভিন্ন ভ্রান্তি কাটিয়ে ইসলামের নানা বিষয়ে অপব্যাখ্যা দূর করে সঠিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে দেশগুলোর মুসল্লিদের সাহায্য করবেন তারা।

মুসলিম দেশগুলোর প্রতি সৌদি আরব দায়িত্বশীল, ইমামদের মাধ্যমে এই বার্তাও সৌদি আরব পৌঁছে দিতে চায়।তবে কোন ৩৫টি দেশে এই ৭০ জন ইমাম যাচ্ছেন তা এখনও ঘোষণা দেয়া হয়নি।

আরব আমিরাতে ২৮ এপ্রিল থেকে নতুন ট্রাফিক আইনে আজমান রোডে নিষিদ্ধ হলো যেসব গাড়ি !

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আজমান পুলিশ একটি নতুন ট্রাফিক আইন চালু করেছে। আগামীকাল ২৮ এপ্রিল, ২০১৯ থেকে শুরু হওয়া, আজমানের মোহাম্মদ বিন জায়েদ রোডে এবং একই ভাবে

উম্মে আল কুইয়ান দিকে বিপরীত দিক থেকে শরজাহার দিকে সকাল 5.30 থেকে রাত ১২.00 (মধ্যরাত) পর্যন্ত ভারী যানবাহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।
সড়ক দুর্ঘটনায় ট্রাফিক সংকোচনের জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। আজমন পুলিশের ট্র্যাফিক ও পেট্রোলিয়াম বিভাগের পরিচালক লে. সাইফ আব্দুল্লাহ আল ফালাসির মতে, অনুমতি ছাড়া রাস্তায় প্রবেশের অন্য সকল ট্রাকে নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য।

তিনি আরও বলেন যে এই পরিমাপের উদ্দেশ্য দিনের মধ্যে ভারী যানবাহন দ্বারা সৃষ্ট দুর্ঘটনা হ্রাস করা, হালকা যানবাহন (যেমন গাড়ির হিসাবে) কম ট্রাফিক যখন তাদের মূল রাস্তা অ্যাক্সেস করতে পারবে ।এই আইনে মালবাহী সকল লরি , ট্র্যাক ও অন্যন্য ভারী যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

আল ফালাসি ট্রাফিক আইন মেনে চলার জন্য সকল ড্রাইভারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।