দেনা ৯ হাজার কোটি টাকা, কিন্তু বাথরুমে তার সোনার কমোড!

ভারতের একজন ব্যবসায়ী তিনি। কিন্তু ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে এখন তিনি দেশ ছাড়া। বলছি ভারতের একজন ব্যবসায়ী বিজয় মাল্যর কথা। ব্যাংক থেকে তিনি ৯ হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। ২০১৬ সাল থেকেই দেশ ছাড়া বিজয় মাল্য। এখন ঘাঁটি গেড়েছেন যুক্তরাজ্যে।

কোটি কোটি টাকার দেনা মাথায় নিয়েও লন্ডনে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। এতো টাকা ঋণ থাকা সত্ত্বেও লন্ডনে বিলাসবহুল জীবন কাটাচ্ছেন বিজয় মাল্য। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাকে দেশে ফেরানোর জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। ক্ষতিপূরণ চেয়ে ব্রিটেনের আদালতে স্টেট ব্যাংকসহ ভারতের ১৩টি ব্যাংক মামলাও করেছে।

জানা গেছে, তার লন্ডনের বাড়িতে রয়েছে বেশ কিছু দামি আসবাব। মহাত্মা গান্ধীর চশমা থেকে টিপু সুলতানের তলোয়ার রয়েছে তার সংগ্রহে। এছাড়াও বিজয় মাল্যর শৌচালয়ে নাকি রয়েছে একটি সোনার কমোড।

সিঙ্গাপুরে লি কুয়ান ইউ স্কুলের অধ্যাপক জেমস ক্রাবট্রি একবার মাল্যর বাড়ির শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি সেই সোনার কমোড দেখতে পান। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের একটি ইভেন্টে তিনি এ তথ্য জানান। তার পরেই এই খবর ছড়িয়ে পড়ে।

অবশেষে ঠিক করা হলো পবিত্র ঈদুল আজহার সঠিক তারিখ,জেনে নিন কবে?

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র জিল হজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ২২ আগস্ট, বুধবার দেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। রোববার (১২ আগস্ট) য়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ও ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান।

হিজরি জিলহজ মাসের ১০ তারিখে মুসলমানরা ঈদুল আজহা পালন করেন।

Related image

সভায় ধর্মমন্ত্রী জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদফতর, মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র, দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী রোববার বাংলাদেশের আকাশে হিজরি ১৪৩৯ সনের জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সোমবার( ১৩ অাগস্ট) থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। ২২ আগস্ট (১০ জিলকদ) বুধবার দেশে ঈদুল আজহা পালিত হবে।

এদিকে গতকাল শনিবার( ১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে ২১ আগস্ট ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

ঈদুল ফিতরের পর ঈদুল আজহা মুসলমানদের দ্বিতীয় বড় ধর্মীয় উৎসব। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত এ উৎসবে মুসলমানরা তাদের প্রিয় বস্তু মহান আল্লাহর নামে উৎসর্গ করে তার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেন। ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ই লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের পবিত্র ভূমিতে হজব্রত পালনরত অবস্থায় থাকেন। হাজিরা ঈদের দিন সকালে কোরবানি দেন।

এবার ঈদে ২১, ২২ ও ২৩ আগস্ট সরকারি ছুটি থাকবে।

‘নারায়ণগঞ্জেও শোলাকিয়ার মতো বৃহৎ ঈদ জামাত হবে: শামীম ওসমান

কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান।[১] প্রতিবছর এ ময়দানে ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদুল আযহা নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

কালের স্রোতে শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানটি পরিণত হয়ে উঠেছে একটি ঐতিহাসিক স্থানে। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় এখানে। এ ময়দানের বিশাল জামাত গৌরবান্বিত ও ঐতিহ্যবাহী করেছে কিশোরগঞ্জকে।

বর্তমানে এখানে একসঙ্গে তিন লক্ষাধিক মুসল্লি জামাতে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শুরুর আগে শর্টগানের ফাঁকা গুলির শব্দে সবাইকে নামাজের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য সঙ্কেত দেওয়া হয়। কিশোরগঞ্জ শহরের পূর্বে নরসুন্দা নদীর তীরে এর অবস্থান।

শোলাকিয়ার মতো নারায়ণগঞ্জে আগামী ঈদুল আযহার নামাজের বৃহৎ জামাতের আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। তিনি আজ রোববার (১২ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক,

জেলার ৭ শতাধিক ইমাম ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে এক আলোচনা সভায় এ ঘোষণা দেন। শামীম ওসমান বলেন, ‘মানুষ বড় জামাতে অংশগ্রহণ করতে চেষ্টা করে।

কারণ লাখো মানুষের মধ্যে যদি একটা হাতও আল্লাহ কবুল করেন তাহলে একজনের উছিলায় সবার দোয়া আল্লাহ রাব্বুল আলামীন হয়তো কবুল করে নিবেন। শোলাকিয়াতে লাখ লাখ মানুষের জামাত হয়।

সে কারণে নারায়ণগঞ্জ থেকেও মানুষ ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে যায়। তিনি বলেন, ‘সবাই সম্মতি দিলে আমিও নারায়ণগঞ্জে এমন একটি জামাতের আয়োজন করতে চাই যেখানে দেড় লক্ষাধিক মানুষ একসঙ্গে ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করতে পারবে।’

শামীম ওসমান বলেন, ‘কারো কোনো আপত্তি না থাকলে শহরের পৌর ঈদগাহ ময়দান, ওসমানী স্টেডিয়াম এবং খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে একসঙ্গে একটি বৃহৎ ঈদ জামাতের আয়োজন করা যেতে পারে।

এ ব্যাপারে তিনি জেলার উপস্থিত ৭ শতাধিক মসজিদের ঈমামদের মতামত নেন এবং জেলা প্রশাসক ও সিটি করপোরেশনের কাছে সহযোগিতা চান।

ইমামরা আলোচনা করে সম্মতি দিলে জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া ঈদ জামাতের আয়োজনের ব্যাপারে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।’ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া বলেন, ‘আমি জেলা পুলিশ,

র‌্যাব সহ জেলার আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ও কমিটির সঙ্গে আলাপ আলোচনা করব। সবার সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে সংসদ সদস্যকে এ ব্যাপারে যা যা করা দরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা আমরা করব।’

সংসদ সদস্য শামীম ওসমান আরো বলেন, ‘এই ঈদ জামাতের আয়োজনে প্যান্ডেল বাবদ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকা খরচ হবে তা আমার পক্ষ থেকে আমি দিয়ে দেব। তবে ইচ্ছা করলে যে কেউ এত শরীক হতে পারেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে সুন্দর করে একটা আয়োজন করতে চাই, যেখানে ঢোকার পরে মানুষের মনে এমন একটা অনুভূতি হয়, আল্লাহর এবাদত করতে এসেছি।’

শামীম ওসমান আগামী ঈদুল আযহার এই বৃহৎ জামাতে সব রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের সবাইকে একসঙ্গে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ জানান।

তিনি বলেন, এই মিলনমেলায় এসে আমরা সবাই যদি সবার সঙ্গে বুক মিলাই আল্লাহ সবার মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেবেন। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জবাসীর ওপরও রহমত বর্ষিত হবে।

এই অভ্যাসগুলো ত্যাগ করুন,আপনার জীবনে টাকা পয়সার আর অভাব হবে না !

১।কখনো কোন খাবার খাওয়ার পর, শেষে যদি কোনোকিছু বেশি থাকে বা আমরা যদি কিছুটা খাবার না খেতে পারি তাহলে সেটা কিন্তু আমরা সেই খাবার প্লেটেই ফেলে রাখি। কিন্তু এভাবে নোংরা প্লেটে কখনো মা লক্ষ্মীর দেওয়া প্রসাদকে ফেলে রাখতে নেই। তাতে মা লক্ষ্মী খুবই অসন্তুষ্ট হন। তাই আগে খাবার অল্প নিন,লাগলে পরে আবার নিন কিন্তু নষ্ট করবেননা কখনো।Related image

২। খাওয়ার পর সবসময় নিজের থালা নিজে হাতেই ধুতে ফেলুন। অর্থাৎ ওইভাবে খাওয়ার পর খাওয়ার থালা ফেলে রাখলে তাতে মা অন্নপূর্ণার প্রতি কিছুটা অসম্মান করা হয়। তাই ভুলেও আজ থেকে আর এমনটা কখনোই করবেন না।Related image

৩। নিজের বিছানা প্রতিদিন নিজেই পরিষ্কার করবেন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরই সবার আগে নিজের বিছানা টা ঝাড়ুন, তারপর সুন্দর পরিপাটি করে বিছানাটা কে গুছিয়ে রাখুন । বাসি বিছানা একদমই ফেলে রাখবেন না। শাস্ত্র মতে বলে যে বিছানা ও ঘর পরিষ্কার রাখলে মা লক্ষ্মী সবসময় আপনার পরিবারেই বিরাজ করবে।Related image

৪। সন্ধ্যা বেলায় ঘর বাড়ি ঝাড়পোঁছ করা বা মোছামুছি থেকে দূরে থাকুন। কারণ হিন্দু শাস্ত্র মতে বলে সন্ধ্যে বেলা বাড়িতে মা লক্ষ্মী থাকে। তাই সন্ধ্যেবেলা কোন মতেই যেন মা লক্ষ্মী সেখান থেকে বিদায় না নেয় সেটা আপনাদের দেখতে হবে।

দেখে নিন আপনার আজকের রাশিফল শুক্রবার ১০ আগস্ট , ২০১৮

আজকের রাশিফল, কেমন যাবে আপনার দিন জেনে নিন আজকের রাশিফল.Related image

মেষ: আজ শরীরের কোথাও আঘাত লাগার সম্ভাবনা আছে। সংসারে আর্থিক টানা পোড়েন থাকলেও সেটা মিটে যাবে। সারাদিন নির্ঝঞ্ঝাটে কাটবে। আজ অর্থ উপার্জনের ভাগ্য ভাল ও আর্থিক উন্নতি থাকবে। সারাদিন সাংসারিক শান্তি বজায় থাকলেও রাতের দিকে অশুভ যোগ রয়েছে। অযথা কোনও ঝামেলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন। সন্তানদের নিয়ে চিন্তা থাকবে। বাড়তি কোনও ব্যবসার দিকে একটু চিন্তা বাড়তে পারে। আজ ব্যবসায় আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারবেন।

বৃষ: আজ উচ্চবিদ্যা হোক বা নিম্নবিদ্যা কোনও জায়গাতেই ফল ভাল নয়। ব্যবসায় বা অন্য কোনও কাজে বাড়তি বিনিয়োগ না করাই শ্রেয়। মাথা গরম করার ফলে হাতে আশা কাজ ভেস্তে যাবে। পিঠে ব্যাথার সমস্যা দেখা দিতে পারে। আজ সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করলেও আর্থিক অবস্থার খুব একটা উন্নতি হবে না। আজ দাম্পত্য দিক সুখেই কাটবে। বাড়তি কিছু পাওনার আশায় ক্ষতি হতে পারে। সন্তানদের থেকে সাহায্য পেতে পারেন। বিদেশে কোনও বন্ধুর জন্য চিন্তা বাড়তে পারে।

মিথুন: সঞ্চয়ের ব্যপারে বিশেষ নজর দেওয়া উচিৎ। ভিটামিনের অভাবে শরীরে অনেক রোগ সৃষ্টি হতে পারে। আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা হওয়ার সুযোগ হতে পারে। বিদ্যার্থীদের জন্য সময়টা ভাল নয়। স্ত্রীর বেহিসেবি খরচে সংসারে অশান্তি হতে পারে। বন্ধুদের ব্যবহারে মনে দুঃখ পেতে পারেন। নিজের ভাল বুদ্ধি দিয়ে কর্মস্থানে উন্নতি হতে পারে। যানবাহন বা জমি কোনও কিছু কেনার আগে ভাবনা চিন্তা করা প্রয়োজন।

কর্কট: সন্তানদের কর্মের কোনও শুভ খবর আসতে পারে। আজ সারাদিনটা খুব সাহসের সঙ্গে কাটতে পারে। বিদ্যার্থীদের কোনও ফল পেতে গেলে একটু ধৈর্য্য ধরতে হবে। লেনদেনের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। জমি বা সম্পত্তি ক্রয় বিক্রয় করার জন্য শুভ দিন। শেয়ারে বাড়তি লগ্নি, চিন্তার বৃদ্ধি ঘটাতে পারে। সন্তানের কাজে মুখ উজ্জ্বল হবে। পেটের সমস্যায় ভোগান্তি হতে পারে। হাটা চলা খুব সাবধানে করা উচিৎ।

এবার কোরবানির মাংস ফ্রিজে রাখলেই কঠিন শাস্তি

অার মাএ দেড় সপ্তাহ পরেই চলে আসছে ঈদুল আযহা ।সারাদেশে গরুর হাট বসানোর প্রস্তুতি চলছে। নানা জনে নানা রঙ্গের গরু কেনার প্রস্তুতিনিচ্ছে।দেশের খামারে বড় বড় গুর পালন করেছে অনেক খামার মালিকরা।তবে এবার কোরবানির মাংস কিনে পরে বিক্রির জন্য রেস্তোরাঁর ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে সংশ্লিষ্ট মালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন, অনেক গরিব লোক সারাদিন কোরবানির মাংস সংগ্রহ করে সন্ধ্যায় তা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় বিক্রি করে দেন।

রেস্তোরাঁর মালিক এসব মাংস দীর্ঘদিন ফ্রিজে সংরক্ষণ করে ভোক্তাদের পরিবেশন করেন। এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এবার এসব করা যাবে না। ঈদের কয়েকদিনের মধ্যেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রেস্তোরাঁগুলোয় অভিযান চালানো হবে।

তিনি বলেন, যেখানে সেখানে পশুর হাট বসানো, পশুর কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের মাধ্যমে পশু মোটাতাজা করা বন্ধে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পশুর হাটকে কেন্দ্র করে যানজট নিয়ন্ত্রণ, জাল টাকা শনাক্তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

কোরবানিকে কেন্দ্র করে দ্রব্যমূল্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, কোরবানি ঈদে মসলার চাহিদা বেশি থাকে। মসলার বাজারে যাতে দাম ঊর্ধ্বমুখী না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাজার মনিটরিং কার্যক্রম আরও জোরদার করতে হবে।

সভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাবিবুর রহমান, সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি ছালামত আলী, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, ক্যাবের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন প্রমুখ।

তবে, আসলে এমন ঘোষনা বাস্তবে কতটা কার্যকরি হয়ে তা দেখার বিষয় । কেননা হোটেল মালিকরা গরিবদের কাছ থেকে কম দামে মাংস ক্রয় করতে পারছে এ লোভ তারা সামলাতে পারবে না আড়ালে করে যাবে তাদের কাজ।তবে এর জন্য মাঠে পুলিশদের কোঠার নজরদারি থাকতে হবে।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন বাংলাদেশের হোকি কোচ

ইসলাম ধর্মকে বলা হয় শান্তির ধর্ম।ইসলাম ধর্মের প্রেমে পাগল হয়ে অনেক ভিন্ন ধর্মের মানষ ইসলামকে গ্রহন করেছেন। এমনি এক ব্যাক্তি যিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন তার নাম গোবিনাথান কৃষ্ণমূর্তি।যিনি বাংলোদেশের হোকি দলের প্রধান কোচ।জানা গেছে

ফোন রিসিভ করে অথবা দেখা হলে মুসলিম রীতেতে সালাম দিতে ভুল করেন না। আর তা দেখে রীতিমতো সবাই অবাক! কারণ তার নাম যে গোবিনাথান কৃষ্ণমূর্তি। মালয়েশিয়ান এ ভদ্রলোক বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের প্রধান কোচ। কীভাবে তিনি মুসলিম হলেন? জানালেন নিজেই।

গোবিনাথনের দাদার বাড়ি ইন্দোনেশিয়ায়। তবে তার বাবা-মা দু’জনের জম্ম মালয়েশিয়ায়। জম্ম সুত্রে তিনিও মালয়েশিয়ান। অন্ন ধর্মের হলেও গোবিনাথনের চলাফেরা ছিল মুসলিমদের সাথে। তার অনেক মুসলিম বন্ধুও আছে। তাদের সঙ্গে মিশেই এক সময় মনস্থির করেন ইসলাম ধর্ম গ্রহণের। অবশেষে ২০১৪ সালে তিনি মুসলমান হয়েছেন।

ইসলাম ধর্ম গ্রহণে কেউ তাকে উদ্ভুদ্ধ করেননি উল্লেখ করে বাংলাদেশ জাতীয় হকি ফেডারেশনের প্রধান কোচ বলেন,‘আমার বন্ধুদের বেশিরভাগই মুসলমান। তাদের সঙ্গে মিশেই আমার ইসলাম ধর্ম গ্রহণের ইচ্ছে জাগে। তার পর মন স্থির করলাম আমি মুসলিম হব। তার পরেই আমি মুসলিম হই।’

ইসলাম ধর্ম গ্রহনের পর নিজের নামে পরিবর্তন করেন। নাম রাখেন ইমান। এখন তার পুরো নাম ইমান গোবিনাথন কৃষ্ণমূর্তি। মুসলিম হওয়ার এক বছর পর বিয়ের পিরিতে বসেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ। তার স্ত্রীর নাম জুরা। ২০১৬ সালে গোবিনাথন ও জুরার সংসারে এসেছেন নতুন অতিথি। পুত্রে নাম রেখেছেন আমিন। বাবার নাম ইমান, ছেলের নাম আমিন।

গোবিনাথনের বাবা-মা দু’জনই বেঁছে নেই। বাবা কৃষ্ণমূর্তি মারা গেছেন ১৯৯৯ সালে, মা থাইয়ানায়াগি মারা গেছেন ২০১২ সালে।

ধর্ম বদলালেও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে আগের মতোই সুসম্পর্ক ইমান গোবিনাথন কৃষ্ণমূর্তির। গোবিনাথন থাকেন কুয়ালালামপুর, ভাই-বোনেরা অন্য শহরে। তিন ভাই ও এক বোন আলাদা বাস করলেও যোগাযোগ সেই আগের মতোই আছে তাদের।

মুসলিম হওয়ার পরের বছর বিয়ে করায় জানতে চাওয়া হয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পেছনে স্ত্রীর কোনো হাত রয়েছে কি না? গোবিনাথনের উত্তর ‘না। আমি ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর বিয়ে করেছি। আমার স্ত্রী আগে পরিচিত ছিলেন না। তার কারণে আমি মুসলিম হয়নি। মুসলমান বন্ধুদের সঙ্গে চলাফেরা এবং ইসলাম ধর্ম ভালো লাগার কারণেই আমার এ সিদ্ধান্ত।’

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের মার্চের দিকে বাংলাদেশের প্রধান কোচের দায়িত্ব নিলেও এর আগে ২১০৪ সালেও একবার বোংলাদেশের কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সে বার মাত্র দেড় মাস দায়িত্ব সামলিয়েছেন।

জেনে নিন, জমজমের পানি পান করার ফজিলত

জমজম কুয়া হলো মক্কায় মসজিদুল হারামের অভ্যন্তরে অবস্থিত একটি কুয়া। এটি কাবা থেকে ২০ মি (৬৬ ফুট) দূরে অবস্থিত।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জমজমের পানি যে যেই নিয়তে পান করবে, তার সেই নিয়ত পূরণ হবে। যদি তুমি এই পানি রোগমুক্তির জন্য পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমাকে আরোগ্য দান করবেন। যদি তুমি পিপাসা মেটানোর জন্য পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমার পিপাসা দূর করবেন। যদি তুমি ক্ষুধা দূর করার উদ্দেশ্যে তা পান কর, তাহলে আল্লাহ তোমার ক্ষুধা দূর করে তৃপ্তি দান করবেন। এটি জিবরাইল (আ.)-এর পায়ের গোড়ালির আঘাতে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর পানীয় হিসেবে সৃষ্টি হয়েছে।’ (ইবনে মাজাহ ও আল-আজরাকি)

জম জমের পানি দাড়িয়ে এবং তিন শ্বাসে পান করা সুন্নাহ। পান করার সময় নিম্নের দোয়াটি পাঠ করা-
اللَّهُمَّ إِنِّى أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا, وَرِزْقًا وَاسِعًا, وَشِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ.
(حديث ضعيف/ رواه الدارقطنى وعبد الرزاق والحاكم عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا مَوْقُوْفًا)

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আস’আলুকা ইলমান নাফি’আ, ওয়ারিজকান ওয়াসিয়া, ওয়াশিফা’আন মিন কুল্লি দা।

অর্থ: হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট কল্যাণকর জ্ঞান, প্রশস্থ রিযিক এবং যাবতীয় রোহ থেকে আরোগ্য কামনা করিতেছি। (দারা কুতনী, আব্দুর রাজ্জাক ও হাকেম, বর্ণনায় ইবেনে আব্বাস)

বিজ্ঞান প্রমান করে যে,জমজম কুপের পানি সর্ব উত্তম পানি:

এটাকে স্ফটিকায়ন করতে পারি নি, এমনকি পর্যন্ত পানিটি ১০০০ ভাগ পাতলা করার পরেও।
” অন্য কথায় তিনি ১ ঘন সেন্টিমিটিারকে ১ লিটারে রূপান্তর করেন। তিনি বলেন যে তিনি যখন পানিটি ১০০০ ভাগ পাতলা করেন এবং জমাটবদ্ধ করেন তিনি তখন একটি অনবদ্য আকারের স্ফটিক লাভ করেন। দুইটি স্ফটিক গঠিক হয় একটি অপরটির উপরে, কিন্তু এগুলি একটি অনন্য আকার গ্রহন করে। যখন তিনি তার মুসলিম সহকর্মীকে জিজ্ঞাসা করেন কেন দুটো স্ফটিক হলো তিনি তাকে বলেন যে যেহেতু জমজম দুইটি শব্দ দ্বারা গঠিত, “জম এবং জম”।

মাশারো ইমোটো বলেন, “আমার মুসলিম সহকর্মী পানির উপর কোরআনের আয়াত পাঠ করার প্রস্তাব দেয়”।
সে একটি টেপ রেকর্ডার নিয়ে আসে এবং কতগুলি কোরআনের আয়াত বাজায় এবং আমরা সবচাইতে নিখুত আকৃতির স্ফটিক লাভ করি। তার
পরে সে আল্লাহ (সর্বশক্তিমান) এর ৯৯টি নাম বাজায়। প্রতিটি নাম একটি অনবদ্ধ আকারের স্ফটিক তৈরি করে।

যখন ডাক্তার ইমোটো এইসব পরীক্ষা সম্পন্ন করেন যা ১৫ বছর স্থায়ী হয়েছিল তিনি একটি ৫ খন্ডের বই নির্মান করেন যার নাম হচ্ছে “পানির থেকে বার্তা”।

তিনি লেখেন, “আমি প্রমান করেছি যে পানি, ঐ বিশেষ তরলটি চিন্তা করার, মাপার, বোধ করার, উত্তেজিত হওয়ার এবং নিজেকে প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখে”। ডাক্তার মাশারো ইমোটো নিম্নোক্তভাবে লিখেছেন, জমজম পানির গুণ/বিশুদ্ধতা এই পৃথিবীর অন্য কোথাও পানিতে এর যে গুণ আছে তা পাওয়া যাবে না।
তিনি নানো নামের প্রযুক্তি ব্যবহার করেন, এবং জমজম পানির উপর প্রচুর গবেষনা করেন এবং দেখতে পান যে যদি জমজম পানির ফোটা নিয়মিত পানির ১০০০ ফোটাতেও মিশ্রিত হয় তবুও নিয়মিত পানি জমজম পানির মত সমান গুণ লাভ করবে। তিনি আরো দেখতে পান যে জমজম পানির এক ফোটাতে একটি খনিজ পদার্থের এর নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে যা এই পৃথিবীর অন্যকোন পানিতে পাওয়া যাবে না। তিনি কিছু পরীক্ষাতে দেখতে পান যে জমজম পানির গুণ বা উপকরণ পরিবর্তন করা যায় না, কেন, বিজ্ঞান এর কারণ জানে না। তিনি এমনকি পর্যন্ত জমজম পানির পুন-প্রক্রিয়াজাত করেন, কিন্তু কোন পরিবর্তন হয় নি, এটা বিশুদ্ধ ছিল।

এই বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন যে মুসলমানেরা খাওয়া বা পান করার আগে বিসমিল্লাহ বলে। তিনি বলেন যে নিয়মিত পানিতে বিসমিল্লাহ বলা হলে এর ফলে নিয়মিত পানির গুণে কতগুলি অদ্ভুত পরিবর্তন ঘটে।
এর ফলে এটা সবোর্ত্তম পানি হয়।

তিনি আরো দেখতে পান যে যদি নিয়মিত পানির উপর কোরআন পাঠ করা হয় তা হলে এটা বিভিন্ন ব্যাধি চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা লাভ করে। সুবহানাল্লাহ! নিশ্চয় আল্লাহর এটা একটি কুদরত। জমজম পানি পর্যায় ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ১০.৬ ফুট নিচে এটা আল্লাহর কুদরত যে জমজম ক্রমাগত প্রতি সেকেন্ডে ৮০০০ লিটার হারে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় ধরে পাম্প করা হয় তখন পানির পর্যায় ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৪৪ ফুট নিচে নেমে যায়, কিন্তু যখন পাম্প করা বন্ধ করা হয় তখন পর্যায় দ্রুত ১১ মিনিট পরে আবার ১৩ ফুট উচ্চতায় ফিরে আসে। প্রতি সেকেন্ড ৮০০০ লিটার অর্থ হল ৮০০০ x ৬০ = ৪,৮০,০০০ লিটার প্রতি মিনিটে, প্রতি মিনিটে ৪,৮০,০০০ লিটারের অর্থ হল ৪,৮০,০০০ x ৬০ = ২৮.৮ মিলিয়ন লিটার প্রতি ঘন্টায় এবং প্রতি ঘন্টায় ২৮.৮ মিলিয়ন লিটার মানে হচ্ছে ২৮৮০০০০০ x ২৪ = ৬৯১.২ মিলিয়ন লিটার প্রতি দিনে।

তাই তারা ২৪ ঘন্টায় ৬৯০ মিলিয়ন লিটার জমজম পানি পাম্প করে, কিন্তু এটা কেবলমাত্র ১১ মিনিটে আবার পূর্ণ হয়।
এখানে দুইটা কুদরত আছে:

প্রথমটি হলো জমজম দ্রুত পুনর্ভর্তি হয় এবং
দ্বিতীয় হলো আল্লাহ অসামান্য শক্তিশালী একুফার ধারণ করেন যা কুপের বাইরে কোন অতিরিক্ত জমজম পানি নিক্ষেপ করে না। অন্যথায় পৃথিবী ডুবে যেত।
আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন যে, “আমরা তাড়াতাড়ি তাদেরকে বিশ্ব ভ্রমান্ডে আমাদের চিহ্ন দেখাব এবং তাদের নিজস্ব আত্মায় আমাদের চিহ্ন দেখাব, যতক্ষণ না পর্যন্ত এটা তাদের কাছে পরিষ্কার হয় যে এটা হচ্ছে সত্য। এটাকি আপনার প্রভু সম্পর্কে যথেষ্ট না যে তিনি সকল জিনিসের উপরে একজন স্বাক্ষী?” (৪১:৫৩)!

জম জম কুপের পানি আল্লাহর রহমতস্বরুপ।শিশু হজরত ইসমাইল ও তার মা’কে যখন আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইব্রাহিম (আঃ) নির্জন মরুভুমিতে পরিত্যাগ করেন। তখন তার পায়ের আঘাতে জমজম কুপের উৎপত্তি হয়।মা হাজেরা কুপের চারপাশে চারটি পাথর দিয়ে সিমানা দিয়ে দেন তা না হলে সারা পৃথিবীতে জমজম কুপ ছড়িয়ে পড়ত।

প্রতিদিন একটি পেয়ারা খাবেন যে কারণে….

পেয়ারা দেখতে যেমন সুন্দর, তেমনই এই ফলটির রয়েছে অনেক উপকারিতা। এর ভিটামিন সি, লাইকোপেন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের প্রতিটি অংশকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খেলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

পেয়ারায় উপস্থিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর জীবাণুদের মারতে শুরু করে। ফলে সব ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়। সেইসঙ্গে শরীরে উপস্থিত সব ধরনের বিষাক্ত উপাদানও বেরিয়ে যায়।

প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ থাকার কারণে নিয়মিত পেয়ারা খেলে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে। সেইসঙ্গে ছানি, ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের মতো রোগও দূরে থাকে।

পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটা মজবুত করে তোলে যে ছোট-বড় কোনো ধরনের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

পেয়ারায় উপস্থিত ভিটামিন বি৩ এবং বি৬ মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেনের কগনেটিভ ফাংশন, অর্থাৎ স্মৃতিশক্তি, বুদ্ধি এবং মনোযোগের উন্নতি ঘটে।

পেয়ারায় উপস্থিত লাইকোপেন, কুয়েরসেটিন, ভিটামিন সি এবং পলিফেনল শরীরে জমতে থাকা ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে ক্যান্সার সেল জন্ম নেয়ার আশঙ্কা অনেক কমে যায়।

jagonews24

পেয়ারায় রয়েছে অধিকমাত্রায় ফাইবার। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রকোপ কমাতে প্রতিদিন একটি করে পেয়ারা খান। কষ্ট একেবারে কমে যাবে।

পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।পেয়ারা খেলে ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে না। তাই ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে এই ফলটি খেতে পারেন।

লাল শাকের এত গুণ! না জানলে এখনই জানুন..

লাল শাক তো আমরা সবাই চিনি। লাল শাক অন্য শাকের থেকে অনেক বেশি আলাদা। তার সব থেকে বড় কারণ শাকের রঙ। সব শাকের রঙ সবুজ হলেও লাল শাকের রঙ লাল হওয়া একটু ভিন্ন এবং এর নামও লাল শাক। তবে লাল শাকের যে এত পুষ্টিগুণ যা জানলে অবাক হবেন আপনি।

হজম শক্তির উন্নতি হয়
এতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপও হ্রাস পায়।

কিডনি ফাংশনের উন্নতি ঘটে
একাধিক সমীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত লাল শাক খেলে একদিকে যেমন কিডনির কর্মক্ষমতা বাড়ে, তেমনি অন্যদিকে রক্তে উপস্থিত একাধিক ক্ষতিকর উপাদান শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। ফলে রক্ত পরিশুদ্ধ হয়। ফলে নানাবিধ রোগের প্রকোপও কমে।

অ্যানিমিয়ার চিকিৎসায় কাজে লাগে
লাল শাক খেলে রক্ত বাড়ে শরীরে- এই কথাটা নিশ্চয় আপনিও ছোট বেলায় শুনেছেন? হ্যাঁ শুনেছি তো! কিন্তু পাতা থেকে কীভাবে রক্ত তৈরি হয়, তা যদিও আজ পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারিনি! আসলে বন্ধু পাতা থেকে রক্ত তৈরি হয় না। বরং লাল শাকে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরে লোহিত রক্ত কণিকার মাত্রা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো অ্যানিমিয়া রোগীদের এই শাকটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। প্রসঙ্গত, ২ আঁটি লাল শাককে পিষে রস সংগ্রহ করে তার সঙ্গে ১ চামচ লেবুর রস এবং ১ চামচ মধু মিশিয়ে যদি নিয়মিত খেতে পারেন, তাহলে শরীরে কখনও রক্তের অভাব হবে না।

দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে
লাল শাকের মূল দিয়ে দাঁত মাজার পর নুন জল দিয়ে কুলকুচি করলে দাঁতের হলুদ ভাব কেটে যায়। সেই সঙ্গে পোকা লাগা সহ মাড়ি এবং দাঁত সম্পর্কিত নানাধিক রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

চুল পড়া কমে
এক আঁটি লাল শাঁক ভাল করে বেটে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। তারপর তাতে ১ চামচ নুন মিশিয়ে ভাল করে নারান। যখন দেখবেন দুটি উপাদান ঠিক মতো মিশে গেছে, তখন মিশ্রনটি ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এমনটা প্রতিদিন করলে চুল পড়ার হার অনেক কমবে।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়
লাল শাকে উপস্থিত ভিটামিন সি রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা চোখে কম দেখেন বা পরিবারে গ্লকোমার মতো রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই লাল শাক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই উপকার পাবেন।

ক্যান্সারকে দূরে রাখে
লাল শাকে উপস্থিত অ্যামাইনো অ্যাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, পটাশিয়াম এবং ভিটামিন সি শরীরে উপস্থিত একাধিক টক্সিক উপাদানের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে ক্যান্সার সেল যাতে জন্ম নিতে না পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এই মারণ রোগ শরীরে বাসা বাঁধার কোনও সুযোগ পায় না।

জ্বরের প্রকোপ কমায়
ওয়েদার চেঞ্জের কারণে যারা জ্বরে ভুগছেন, তারা এই ঘরোয়া পদ্ধতিটির সাহায্য নিতে পারেন। এক্ষেত্রে একটা প্যানে পরিমাণ মতো জল নিয়ে তাতে এক মুঠো লাল শাক ফেলে দিন। তারপর জলটা ফোটাতে শুরু করুন। যখন দেখবেন ফুটতে ফুটতে জলের পরিমাণ অর্ধেক হয়ে গেছে, তখন আঁচটা বন্ধ করে দিন। এরপর জলটা ঠাণ্ডা করে সেটা পান করুন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন জ্বর দে ছুট লাগিয়েছে।