চিত্রনায়িকা পরীমনি বলল যতদিন বেঁচে থাকব এফডিসিতে কোরবানি দিব –

রঙিন পর্দায় শিল্পীদের অ’ভিনয় দেখে দর্শক বিনোদিত হন। মনে হয়, রঙিন পর্দার মতোই তাদের বা*স্তব জীবন।কিন্তু ক’জন শিল্পীর বাস্ত*ব জীবন রঙিন? পর্দায় হাস্য-রসা*ত্মক দৃ*শ্যের আ*ড়ালে অনেক শিল্পী কলাকুশলী মানবেতর জীবন-যাপন করতে বা*ধ্য হন। অনেকেই হয়তো বিষয়টি জানেন না।

প্রদীপের নিচে অ*ন্ধকার— বিষয়টি উপল*ব্ধি করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। এই উপল*ব্ধি থেকেই ২০১৬ সালে বিএফডিসিতে গরু কোরবানি দেয়া শুরু করেন। তার ইচ্ছে সহকর্মীদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভা*গাভা*গি করে নেয়া। সেই ইচ্ছে থেকেই প্রতিবছর প্রিয় কর্মস্থল বিএফডিসিতে কোরবানি দিচ্ছেন তিনি। এবারো তার ব্য*তিক্রম হয়নি।এ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘কোরবানির ঈদ সবসময় নানু বাড়িতে করতাম। আমি জানতাম না চলচ্চিত্রের অনেক কলাকুশলী এভাবে মানবে*তর জীবন-যা*পন করেন। জানার পর সি*দ্ধান্ত প*রিবর্তন করে এফডিসিতে কোরবানি দিই। যারা কোরবানি দিতে পারেননি, তাদের জন্যই এই উ*দ্যোগ। এফডিসিও আমা’র একটা পরিবার।

এই পরিবারে সবার স*ঙ্গে কোরবানি দিতে পেরে ভালো লাগছে। কাজটি করে আন*ন্দ পেয়েছি। যতদিন বেঁ*চে থাকব এফডিসিতে কোরবা*নি দিব।’এক সময় শিল্পী কলাকুশলীরা ব্য*স্ত সময় পার করেছেন। তখন কাজের অ*ভাব ছিল না। বর্তমানে চলচ্চিত্রের কাজ ক*ম থাকায় অনেক শিল্পী বেকার। তাই অভা*বটা যেন একটু বেশিই চোখে পড়ে। চলচ্চিত্র জ*গৎ ভালোবেসে এ অ*ঙ্গ*নের স*ঙ্গে নিজেদের জ*ড়িয়েছেন তারা। তাই অন্য কাজ না করে সিনেমা’র কাজের স*ন্ধানে প্রতিদিন এফডিসিতে এসে বসে থাকেন।

যাদের ‘নুন আনতে পা*ন্তা* ফু*রায়’ তাদের কাছে প*শু কোরবানি দেয়া অনেকটা স্বপ্নে*র মতো। পরীমনি এফডিসিতে কোরবানি দিয়ে দু*স্থ শিল্পীদের সেই স্বপ্নটাও যেন পূরণ করছেন। শুধু তাই নয়, এই চিত্রনায়িকা নিজে উপস্থিত থেকে শিল্পীদের মধ্যে মাংস বিতরণ করেছেন। পরীমনির এমন ঈদ উদযাপনে খুশি অ*বহেলিত তার সহকারী শিল্পীরাও।