ফুটফুটে এক কন্যা সন্তানের জননীকে পি*টিয়ে হ*ত্যা*কারী সেই যুবকের পরিচয় মিলেছে

রাজধানীর বাড্ডায় গ*ণপি*টুনি দিয়ে এক নারীকে হ**ত্যার ঘটনায় তিন যুব*ককে আ**টক করেছে পুলিশ। মোবাইল ফোনের ভি*ডিও ফুটেজ দেখে রোব*বার রাতে তাদের আ**টক করা হয়েছে। আ*ট*করা হলেন- জাফর, শাহীন, বাপ্পী।

বাড্ডা থানার বাড্ডা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞা*সাবাদের জন্য তিন যুবককে বাড্ডা থেকে আ**টক করা হয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি *ভাইরাল হওয়া হৃদয় নামের অভিযুক্ত একজনকে এখনো আ*ট*ক করা যায়নি।

গতকাল শনিবার সকালে উত্তর বাড্ডায় ছে*লে*ধরা স*ন্দেহে ওই নারীকে পি*টি*য়ে আ*হত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গু*রু*তর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে ক*ব্যরত চিকিৎসক মৃ*ত* ঘোষণা করেন।

এদিন সন্ধ্যায় ঢামেক হাস*পাতালে নি*হ*তের মরদেহ শনাক্ত করেন তার ভা*গিনা ও বোন রেহানা। তারা জানায়, নি*হ*তের নাম তসলিমা বেগম রেনু। তার ১১ বছরের এক ছেলে ও চার বছর বয়সী এক মে*য়ে রয়েছে। আড়াই ব*ছর আগে তসলিম উদ্দিনের সঙ্গে তার বি*বাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ছে*লে*মেয়েকে নিয়ে মহাখালী ওয়ারলেস এলাকায় একটি বাড়িতে থাকতেন তিনি।

নি*হ*তের ভাগিনা নাসির উদ্দিন বলেন, রেনু মা*ন*সিক রোগে ভুগ*ছিলেন। চার বছর বয়সী মে*য়েকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য তিনি এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে ঘুরছিলেন। এ কা*রণেই হয়তো তিনি বাড্ডার ওই স্কুলটিতে যান।

এ ঘটনায় শ*নিবার বাড্ডা থানায় অজ্ঞাত ৪০০ থেকে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হ*ত্যা* মা*ম*লা করেন নাসির উদ্দিন। মা*ম*লায় বলা হয়েছে, অত*র্কিত*ভাবে ওই নারীকে স্কুলের অভি*ভাবক, উৎসুক জনতাসহ অনেকে গ*ণ*পিটুনি দেয়। এতে তার মৃ*ত্যু* হয়। এ ঘটনায় প্র*ত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আনু*মানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জড়িত।