প*রকীয়ার ৬ শাস্তি, দুনিয়ায় ৩টি-আখেরাতে ৩টি আ*শঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে পারিবারিক কলহ

আ*শঙ্কাজনক ভাবে বাড়ছে পারিবারিক কলহ। আমাদের সমাজে নি*ত্যনৈমিত্তিক ব্যা*পার হয়ে দাঁড়িয়েছে প*র*কীয়া। ম*হামারী আকার ধারণ করেছে পরকীয়া। পত্রিকার পাতা খুলতেই চোখে পড়ে প*রকীয়ার খবর।প*রকীয়ার ফাঁ*দে আ*টকা পড়ে আ*ত্মহনন করছেন অগণিত নারী-পুরুষ; ব*লি হচ্ছেন নি*রপরাধ সন্তান, স্বামী অথবা স্ত্রী। প*রকীয়ার পথে বা*ধা হওয়ায় নিজ স*ন্তানকেও নি**র্মম ভাবে হ*ত্যা করছে মম*তাময়ী মা।

প্রতিদিনই স্বামীর হা*তে স্ত্রী, স্ত্রীর হাতে স্বামী, সন্তানের হাতে পিতা-মাতা এবং পিতা-মাতার হাতে স*ন্তানের প্রা*ণ হর*ণের ঘ*টনা ঘ*টছে। বাড়ছে পারিবারিক অ*শান্তি, ভে*ঙে যাচ্ছে সংসার।কোনো না কোনোদিন এর শেষ প*রিণতি হচ্ছে নৃ*শংস ঘট*নার মধ্য দিয়ে। প*রকীয়া মানবতা বি*রোধী একটি অ*পরাধ। বি*কৃত মা*নসিকতা।ইসলাম একটি মানবিক ধর্ম। সর্বশ্রেষ্ঠ জীবন বিধান। কোনো মানবিক গর্হিত কাজকে ইসলাম অনুমোদন দেয়নি। বিবাহিত কোন নারী বা পুরুষ স্বীয় স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির স*ঙ্গে কোনও ধরণের স*ম্পর্ক কিংবা বি*বাহবহি*র্ভত‚ প্রে*ম, যৌ*ন সম্পর্কে লি*প্ত হওয়ার মত গ*র্হিত ক*র্মকে কীভাবে ইসলাম স*মর্থন করতে পারে?

এ বি*কৃত কর্মের অসারতা বিবেকও ধি*ক্কার দেয়। নিজ স্বামী বা স্ত্রী অন্য কারো সঙ্গে অ**বৈধ সম্পর্ক স্থাপন করবে, সুস্থ বিবেকবান কোনো মানুষ এটা মেনে নিতে পারে না। এ ক*র্মের কারণে সমাজ যেমন শৃ*ঙ্খলতা হারায়, তেমনি পারিবারিক বন্ধনেও ধরে ফা*টল। পর্যদুস্ত হয়ে পড়ে সামাজিক সকল রীতিনীতি।এ কাজের বিষফল মানবাজাতি কয়েক যুগ ধরে প্র*ত্যক্ষ ও প*রোক্ষভাবে লক্ষ্য করে আসছে। ইসলাম হলো নীতি ও আদর্শের ধর্ম।ইসলামে প*রকীয়া ও অ*বৈধ সম্প*র্ক থেকে নারী-পুরুষকে ক*ঠোরভাবে স*তর্ক করা হয়েছে।

নারীদের কথার আ*ওয়াজকেও স*তরের অ*ন্তর্ভুক্ত করে অপ্রয়োজনে প*রপু*রুষের সঙ্গে কথা বলতে নি*ষেধ করা হয়েছে। একান্ত প্রয়োজনে কথা বলতে হলেও সুরা আহজাবের ৩২ নং আয়াতে মহান আল্লাহ তায়ালা প*রপু*রুষের স*ঙ্গে কোমল ও আ*কর্ষণীয় ভ*ঙ্গিতে কথা বলতে নি*ষেধ করেছেন।যাতে নারীদের স*ঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কোনো পু*রুষ আ*কর্ষণবোধ না করেন।শুধু নারীদেরই নয়, বরং সুরা নুরের ৩০ নম্বর আয়াতে প্রথমে আল্লাহ তায়ালা পু*রুষদেরকে দৃ*ষ্টি সং*যত রাখার নি*র্দেশ দিয়েছেন। এরপর ৩১ নম্বর আয়াতে মহিলাদেরকে তাদের দৃ*ষ্টি সংযত রাখার পাশাপাশি তাদের গোপন শোভা অনাবৃত করতে নি*ষেধ করা হয়েছে।

অপাত্রে সৌ*ন্দর্য প্র*দর্শনকে হা*রাম করে সবটুকু সৌন্দর্য স্বামীর জন্য নিবেদনে উ*ৎসাহ প্রদান করা হয়েছে। কারণ, স্বামী তার স্ত্রীর সৌন্দর্যে মোহিত হলে সংসারের শান্তিই বাড়বে।প*ক্ষান্তরে স্ত্রীর সৌন্দর্য দিয়ে অ*ন্যকে মো*হিত করার পথ অ*বারিত করলে তা কেবল বি*পদই ডেকে আনবে।পুরুষ-মহিলা সবাইকে চ*রিত্র সংরক্ষণের নি*র্দেশ দিয়েছে ইসলাম। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা ব্য*ভিচারের নি*কটবর্তী হয়ো না। এটা অ*শ্লীল কাজ এবং নি*কৃষ্ট আ*চরণ।’ (সুরা বনি ইসরাইল, ৩২) ব্ভি*চারের শা*স্তি হিসেবে আল্লাহ বলেন, ‘ব্য*ভিচারী ও ব্য*ভিচারিণী উভয়কে এক’শ ঘা করে বে*ত্রাঘাত কর।’ (সুরা নুর, ২)

হাদিস শরিফে ব্য*ভিচারের ভ*য়ানক শা*স্তির কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হে মুসলমানগণ! তোমরা ব্য*ভিচার পরি*ত্যা*গ কর। কেননা এর ছয়টি শা*স্তি রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি দুনিয়াতে ও তিনটি আ*খেরাতে প্র*কাশ পাবে।যে তিনটি শা*স্তি দু*নিয়াতে হয় তা হচ্ছে, তার চেহারার ঔজ্জ্বল্য বিনষ্ট হয়ে যাবে, তার আয়ুষ্কাল সংকীর্ণ হয়ে যাবে এবং তার দারিদ্রতা চিরস্থায়ী হবে।আর যে তিনটি শাস্তি আখেরাতে প্রকাশ পাবে তা হচ্ছে, সে আল্লাহর অ*সন্তোষ, ক*ঠিন হিসাব ও জা*হান্নামের শা*স্তি ভো*গ করবে।’ (বায়হাকি, হা নং ৫৬৪)

হজরত সাহল ইবনে সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মু*খ ও ল*জ্জাস্থানের হেফাজতের জা*মিনদার হবে আমি তার বেহেশতের জা*মিনদার হবো।’ (বুখারিঃ ৭৬৫৮) কখনো দেখা যায় দেবরের সাথে জ*মে ওঠে প*রকীয়া।ইসলাম দে*বরের সাথে দেখা-সা*ক্ষাৎ করার লাগাম*কেও টেনে ধরেছে। হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘সা*বধান! তোমরা নি*র্জনে নারীদের কাছেও যেও না।’এক আনসার সাহাবি বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ

দেবর স*ম্পর্কে আপনার নির্দেশ কী? নবীজি (সা.) বললেন, ‘দেবর তো মৃ*ত্যু*র স*মতুল্য।’ (মুসলিম, ২৪৪৫)হাদিসের ব্যা*খ্যায় হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি রহ. ফতহুল বারিতে লিখেছেন, ‘এখানে মৃ*ত্যু*র স*মতুল্যর অর্থ হলো হা*রাম।’ আর ইসলামে এসবের শা*স্তি ভ*য়াবহ।এসবের শা*স্তি হিসেবে রজম ও দোররার নি*র্দেশ এসেছে হাদিসে। যাতে কোনো নারী ও পুরুষ যেন এধরনের ভয়া*বহ ক*র্মে লিপ্ত না হয়।