শিশুকে মসজিদের ভেতর শা*রীরিক সম্পর্ক করে এক লাখ টাকায় আপোষের প্রস্তাব মুয়াজ্জিনের !

কক্সবাজারের উখিয়ায় ৭ বছরের শিশুকে মসজিদের ভেতর ধ**র্ষণের অ*ভিযোগ ওঠেছে মুয়াজ্জিনের বিরু*দ্ধে।এ ঘটনার পর থেকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের ডেইলপাড়া মসজিদের মুয়াজ্জিন হাফেজ নুরুল আমিন পলাতক রয়েছে।

নি**র্যাতিতা শিশুর চাচা বলেন, গত ১১ জুলাই দুপুর ১২ টার দিকে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে দ্বিতীয় শ্রেণির ওই ছাত্রীকে মসজিদ ঝাড়ু দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে যায় মুয়াজ্জিন হাফেজ নুরুল আমিন।

মসজিদের ভেতর ঢুকিয়ে তাকে ধ**র্ষণ করে সে। পরে মেয়েটি র**াক্ত অবস্থায় ঘরে এসে তার মাকে বিষয়টি জানায়। এই ঘটনা পুরো এলাকায় জানাজানি হওয়ায় ধ**র্ষক স্থানীয় মেম্বারের মাধ্যমে সমঝোতার চেষ্টা করে। নি**র্যাতিতার পরিবারকে এক লাখ টাকা দেয়ার জন্যও প্রস্তাব দেন ধ**র্ষক।

কিন্তু নি**র্যাতিতার পরিবার না মানায় তা স্থানীয়ভাবে সমঝোতা হয়নি। পরে শিশুটির পরিবার এই ঘটনার বিষয়ে পুলিশের কাছে অভি*যোগ করে।

উখিয়া থানার ওসি (ত*দন্ত) নুরুল ইসলাম মজুম**দার গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এই ঘটনার বিষয়ে আম*রা অ*ভিযোগ পেয়েছি। ধ**র্ষক মুয়াজ্জিনকে আ***ের জন্য আম*রা সর্বা*ত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

দ্বিতীয়বার ধ*র্ষণের সময় পায়ে ধরে কেঁদেছি, তবুও ছাড়েনি মেয়রপুত্র !
শরীয়তপুর কলেজছাত্রী ধ*র্ষণ মামলায় শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার মেয়র ইউনুছ ব্যাপারীর ছেলে মাসুদ ব্যাপারীকে আবার কা*রাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) দুপুরে শরীয়তপুর আদালতে হাজির হলে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কা*রাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন জেলা ও দায়রা জজ প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস।

মামলার আটদিনের মাথায় ৮ জুলাই একই আদালতের একজন ভারপ্রাপ্ত নারী বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ ব্যাপারীকে অন্তবর্তীকালীন জামিন দেন।মাসুদকে জামিন দেয়ার পর ফুঁসে ওঠে শরীয়তপুরের সুশীল সমাজ। বুধবার শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ ও মানবব*ন্ধন কর্মসূচি পালন করেন তারা।

বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির হলে মাসুদের জামিন বাতিল করে কা*রাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ভি*কটিম ও তার মা-বাবা।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মির্জা হযরত আলী বলেন, ধ*র্ষণ মামলার আসা*মিকে ওই দিন জামিন দেয়ার বিরো*ধিতা করেছে রাষ্টপক্ষ। কিন্তু আদালত তা আমলে নেননি। তখন আদালতের কাছে রাষ্ট্রপক্ষ অসহায় হয়ে পড়ে। গুরুতর অ*পরাধের মামলার আ*সামিকে দ্রুত সময়ে জামিন দেয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়।

বৃহস্পতিবার মাসুদ আদালতে হাজির হলে জামিনের বিরো*ধিতা করে রাষ্টপক্ষ। তখন দায়রা ও জজ আদালতের বিচারক জামিন বাতিল করে মাসুদকে কা**রাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পুলিশ জানায়, গত ২৯ জুন রাতে ওই কলেজছাত্রী ধ**র্ষণের শি*কার হন। জাজিরার মুলনা ইউনিয়নের একটি গ্রামে তাদের বাড়ি। তিনি পড়ালেখার পাশাপাশি স্থানীয় একটি রোগ নির্ণয় কেন্দ্রে কাজ করেন। জাজিরা পৌর এলাকার আক্কেল মাহমুদ মুন্সিকান্দি মহল্লার বাসিন্দা মাসুদ ব্যাপারী (৩১) কলেজছাত্রীর দুঃস*ম্পর্কের আত্মীয়।

২৯ জুন বিকেলে মাসুদ তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে ওই ছাত্রীকে বাড়িতে আসতে বলে। ওই ছাত্রী রোগ নির্ণয় কেন্দ্রের কাজ শেষ করে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাসুদের বাড়িতে যান। সেখানে মাসুদের পরিবারের কাউকে না দেখে ওই ছাত্রী ফিরে আসার চেষ্টা করেন। তখন মাসুদ তাকে ঘরে আট*কে রাখেন।

এরপর দুই দফা তাকে ধ*র্ষণ করা হয়। ধ**র্ষণের পর শ্বা*সরোধ করে ওই ছাত্রীকে হ**ত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে ওই ছাত্রী সেখান থেকে পালিয়ে আসেন। মাসুদের বাড়ি থেকে বের হয়ে চিৎ*কার করলে ওই মহল্লার কয়েকজন নারী তাকে উ*দ্ধার করেন।

তার পরিবারের সদস্যরা রাত ১০টার দিকে তাকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা করান। রাতেই তাকে বাড়ি নেয়া হয়। ৩০ জুন দুপুরে জাজিরা থানায় মাসুদের বি**রুদ্ধে ধ**র্ষণের অভিযোগে মা*মলা করেন ওই ছাত্রী।

১ জুলাই আদালতের মাধ্যমে মাসুদ ব্যাপারীকে শরীয়তপুর জেলা কা**রাগারে পাঠানো হয়। ৭ জুলাই তার জামিনের আবেদন করা হয় শরীয়তপুর জেলা আমলি আদালতে। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাতদিনের রি*মান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

আমলি আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন জামিন ও রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী জয়নব আক্তার ইতি পরদিন জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিস আপিল করেন। তিনি ওই দিনই আরেক আবেদনে আসামিরা জামিন প্রার্থনা করেন।

জেলা ও দায়রা জজের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মরিয়ম মুন মঞ্জুরি জামিন মঞ্জুর করে আসামিকে কা**রাগার থেকে মুক্তি দেয়ার আদেশ দেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে মাসুদ ব্যাপারী আদালতে হাজির হয়। পরে শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ তাকে জামিন নামঞ্জুর করে কারা*গারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ভু*ক্তভোগী কলেজছাত্রী বলেন, মাসুদ আমার আত্মীয় হন। তারপরও ধ**র্ষণ করতে পিছপা হননি। আমি তার পায়ে ধরে কেঁদেছি, তারপরও রেহাই পাই*নি। মামলা করার পর থেকেই চাপে রয়েছি। এরই মধ্যে মাসুদ জামিন পেয়ে যায়। এতে আমার শ*ঙ্কা বেড়ে যায়। আমাকে মে*রে ফেলে কি-না তা নিয়ে আমি হুম*কিতে আছি। তাকে আবার কা**রাগারে পাঠানোর ফলে কিছুটা শ*ঙ্কামুক্ত আছি। আমি তার উপযুক্ত বিচার চাই।

এ বিষয়ে পারিবারিক নি*র্যাতন প্রতিরোধ জোটের শরীয়তপুরের সদস্য সচিব অমলা দাস বলেন, ভয়**ঙ্কর একটি অ*পরাধের মামলার আসামি দ্রুত সময়ের মধ্যে জামিনে মুক্ত হওয়া ল*জ্জা ও শ*ঙ্কার বিষয়। এতে ভু*ক্তভোগী ও সাধারণ মানুষ ক্ষ*তিগ্রস্ত হয়। আস্থার সং*কট সৃষ্টি হয়। অ*পরাধী মাথা উঁচু করে চলার সুযোগ পায়, সমাজে অ*বরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।