এই অস্ট্রেলিয়া দল থেকে বাংলাদেশ সেমি খেলার যোগ্য ছিলো- পিটারসেন

এবারের ওয়ার্ল্ড কাপের আগে বেশ ছন্নছাড়া দল ছিলো অজিরা। দলে অনেকদিন পরে যোগ দেন স্মিথ-ওয়ার্নাররা। অথচ তারা যে অস্ট্রেলিয়া দলে ছিলেন না ১ বছর ধরে। আর ওয়ার্ল্ড কাপের আগেই এই অস্ট্রেলিয়া দল দায়িতব দেয় আ্যরোন ফিঞ্চকে। অথচ যে ফিঞ্চের যে কোন অভিজ্ঞতাই ছিলো না।আর এরপরেই অস্ট্রেলিয়া দল ওয়ার্ল্ড কাপের আগেই ফেরার ইশারা দেয়। এরপরে ওয়ার্ল্ড কাপেও বেশ ভালোই ফর্ম করে। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আবারো ছন্নছাড়া হয়ে যায় দলটি।

তবে আজকেই ম্যাচের আগে ডাগআউটে দেখা যায় কেভিন পিটারসেনকে। সেই সময় ম্যাচের আগেই ফলাফল জানিয়ে দেন কেপি।

কেপি বলেন, এই অস্ট্রেলিয়া দলের কোন যোগ্যতাই ছিলো না সেমি খেলার। তারা ফর্মে ছিলো ইররেগুলার। এই দলের চেয়ে বাংলাদেশ, পাকিস্তান সেমি খেলার চেয়ে যোগ্য ছিলো বলে মনে করেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়াকে কাঁদিয়ে ফাইনালে ইংল্যান্ড
চলতি দ্বাদশ আইসিসি ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ মাঠে নামে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৯ ওভারে ২২৩ রানেই অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২২৪ রানের টার্গেটে ব্যাটিং করতে নেমে ১৭.৫ ওভার হাতে রেখে ৮ উইকেটে জয় পেয়ে যায় ইংলেন্ড। এর ফলে দ্বাদশ বিশ্বকাপের ফাইনাল নিশ্চিত করলো ইংলেন্ড। আগামী ১৪ জুলাই ফাইনালে নিউজলেন্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে ইংলেন্ড।

এদিকে ইংলেন্ড ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে দুই ইংলিশ ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও জেসন রয়। ৫০ বলে ৭ চার ও ২ ছয়ে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রয়। অন্যদিকে ৩৪ রান করে স্টার্কের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাঝঘরে ফিরেন বেয়ারস্টো।

এরপর কি দারুণ ব্যাটিংটাই না করছিলেন! স্কোরকার্ডে জেসন রয়ের নামের পাশে ৮৫ রান। তার সেঞ্চুরির অপেক্ষায় থাকা সমর্থকদের বুকটা হঠাৎ কেঁপে উঠলো প্যাট কামিন্সের বাউন্সে। রয় ফিরে আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনার দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে দেখতে হলো তার আঙুল তোলা। মুখভঙিতে ঘোর আপত্তি জানালেও রিভিউ না থাকায় তাকে বিদায় নিতে হলো।

পরে অবশ্য টিভি রিপ্লেতে দেখা যায়, উইকেটের পেছনে অ্যালেক্স কারির গ্লাভসে যাওয়ার আগে রয়ের ব্যাট ছোয়নি বলটি। এরপর রুট আর মরগানের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের প্রান্তে চলে যায় ইংলেন্ড।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৮৫ রানের ইনিংস খেলেন স্মিথ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন ক্যারি। এছাড়াও স্টার্ক ২৯, ম্যাক্সওয়েল ২২ ও ওয়ার্নার ৯ রান করেন। ইংল্যান্ডের হয়ে ওকস ও রশিদ ৩টি করে, আর্চার ২টি ও উড ১টি উইকেট শিকার করেন।