মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির ডাক আরব আমিরাত , ইরাক-কাতারের, আবর দেশগুলো কী করবে ?

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের ডাক দিয়েছে আরব আমিরাত, ইরাক ও কাতার। সোমবার দেশ দুটি শান্তির ডাক দেয়।
ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-হাকিম টেলিফোনে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল-থানির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।

দুই দেশের কূটনৈতিক আলাপের পর ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, সঙ্কটের সময় এ অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছানো।২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে প্রভাবশালী ছয়টি দেশের সঙ্গে পরমাণু সমঝোতা চুক্তি হয়। গত বছর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ চুক্তি থেকে বের হয়ে গেল দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এরপর তেহরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়।

এদিকে মঙ্গলবার মার্কিন নেতৃত্বাধীন ইরানবিরোধী পারস্য উপসাগরের কাছাকাছি জলসীমা থেকে স্পেনের ফ্রিগেট তুলে নেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার স্পেন এক আদেশে তাদের এ রণতরী সাময়িকভাবে তুলে নেয়।এ সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে তারা বলছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পটভূমিতে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে।প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাগ্রারিটা রবলেস আদেশ দিয়েছেন,

সাময়িকভাবে তাদের রণতরী মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবহরের সঙ্গে যাচ্ছে না।তাদের বহর ইতিমধ্যে বাব এল-মানদেব প্রণালী অতিক্রম করেছে, যেটি আরব উপদ্বীপের ইয়েমেন অঞ্চলে রয়েছে। এই প্রণালী ভারত সাগর থেকে লোহিত সাগরকে যুক্ত করেছে।

মার্কিন নেতৃত্বাধীন বহর হরমুজ প্রণালীতে রয়েছে। উত্তেজনার মধ্যে গত সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র এবং নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছে।মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানি ও তাদের ছায়া বাহিনীর সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির প্রতিরোধক হিসেবে এই রণতরী ও বোমারু বিমান মোতায়েনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বোল্টন হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের কোনো হামলা হলে কঠোর শক্তি প্রয়োগ করে জবাব দেয়া হবে।
এছাড়া ইরানের হুমকির জবাবে কাতারের মার্কিন ঘাঁটিতে বি-৫২ স্ট্রাটোফোরট্রেস বোমারু বিমান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ সপ্তাহে দুটি সৌদি তেলের ট্যাংকার ও একটি নরওয়েরসহ চারটি জাহাজ রহস্যজনকভাবে ওমান উপসাগীয় এলাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে কাছে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এই অঞ্চলটি জাহাজ চলাচলে ব্যস্ততম এলাকা। এর আগে ইরান এ প্রণালী বন্ধের হুমকি দিয়েছিল।