ধর্ষণের পর লাশ গাছে ঝুলালেন মোয়াজ্জিন !!

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে তাকমিনা (২০) নামে এক যুবতীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত তাকমিনা পাড়াভরট গ্রামের আব্দুল মতিনের মেয়ে।

পরিবার সুত্রে জানা যায়, নিহত তাকমিনার সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মো. আশিকুল নামে এক মুয়াজ্জিনের সাথে। আশিকুল স্থানীয় আঠারদানা জামে মসজিদের মোয়াজ্জিন ও পাড়াভরট গ্রামের জামিয়া আরাবিয়া কাসেমুল উলুম কওমী মাদ্রাসার কিতাব বিভাগের ছাত্র।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, আশিকুল সোমবার (২৩ মার্চ) দিবাগত রাত তিনটার দিকে তাকমিনাকে মোবাইল করে পালিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে কিছুটা দুরে নিয়ে আসে। কৌশলে সেখানে তাকমিনাকে ধর্ষণ করে আশিকুল। পরে সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে ছিল তার দুই। তার দুই বন্ধু আশিকুল তিন জন মিলে তাকমিনার হাত পা মুখ বেধে ফেলে। হাত পা বাধার পর আশিকুল তার মাথার পাগড়ী দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করে। পরে টেনে হিচড়ে তাকমিনার লাশ একটি জাম গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখে।

এর কিছুক্ষণ পর ফজরের আজান দেয়ার সময় হলে আশিকুল মসজিদে গিয়ে ফজরের আজান দেয়। ওই দিন মসজিদের ইমাম না আসার কারনে ফজরের নামাজে ইমামতি করেন আশিকুল। এ সময় তার দুই বন্ধুও তার পিছনে নামাজ পড়েন।

নামাজ শেষে মুসল্লিরা মসজিদ থেকে বের হওয়ার পর তাকমিনার লাশ একটি জামগাছের ডালে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। তাকমিনার লাশ গাছে ঝুলানো থাকলেও পা মাটিতে লেগে ছিল। পাশেই পড়েছিল তাকমিনার মোবাইল।

মুসল্লিরা লাশটি দেখতে পেয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম রিয়েলকে জানায়। পরে রিয়েল গফরগাঁও থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার।

আঠারদানা জামে মসজিদের মুসল্লী ও পাড়াভরট গ্রামের খাহে আলী মন্ডল বলেন, মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) ভোররাতে ফজরের নামাজের আজান দেয় মুয়াজ্জিন আশিকুল। ওই দিন ইমান সাহেব না থাকায় ফজরের নামাজের ইমামতিও করেন আশিকুল। এর পর থেকে মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিন আশিকুলকে আর দেখা যায়নি।

তাকমিনার ছোট বোন সুমাইয়া বলেন, তাকমিনা রাতে তার সঙ্গেই ঘুমিয়েছিল। সে কখন উঠে চলে যায় আমি টের পাইনি। তবে, তাকমিনা গোপনে মোবাইল ব্যবহার করতো। সেই মোবাইল ফোনটি হয়তো আশিকুলের দেয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

গফরগাঁও সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলী হায়দার চৌধুরীর সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে আমরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি । তবে বাকী জড়িতদের গ্রেফতারের স্বার্থে এখন কিছু বলা যাবে না। পরে ব্রিফিং করে সাংবাদিকদের বিস্তারিত বলা হবে বলেও জানান তিনি।

এর মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার পাড়াভরট গ্রামের একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকমিনার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই দিন বিকালে তাকমিনার বাবা আব্দুল মতিন বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা আসামী করে গফরগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, অপমানে দশম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা !

রাজশাহীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে ওই ছাত্রী। সহপাঠী, শিক্ষক ও স্বজনরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীর বাবা ফজলে জোয়ার্দার জানান, রাজশাহী কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জামিউল ইসলাম জয় তার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জামিউল তাতে অস্বীকার করেন। এতে লাঞ্ছনা সইতে না পেরে সেদিনই বাড়ি ফিরে সবার অগোচরে কীটনাশক পান করে ওই ছাত্রী। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়। ছাত্রীর গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মারিয়া গ্রামে। সে স্থানীয় মারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এদিকে, ধর্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনসহ স্কুলের শিক্ষক ও সহপাঠীরা।

এক শিক্ষক বলেন, আমরা এই ঘটনার ন্যায় বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেনো এমন ঘটনা আর না ঘটে।

এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আপাতত রাজপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

১৫ পারা কুরআনে হাফেজা সা’দিয়াকে ধ’ র্ষণের পর নৃ’শংস ভাবে হ ’ত্যা করল ন’রপশুরা !

রা’মপুরা সালামবাগ মি’ফতাহুল জান্নাত ম’হিলা মাদরাসার শিক্ষার্থী,১৫ পারার কুরআনের হাফেজা শি’শু সা’দিয়া আক্তারকে ধ’র্ষণ করে নৃ’শংসভাবে হ’ত্যাকা’ণ্ডের ঘটনায় দেশবাসীর মাঝে চ’রম উৎ’কণ্ঠা তৈরি হয়েছে। এ ধরণের হ,’ত্যা,,কা’ণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না বলে আজ ২৫ ডিসেম্বর বুধবার এক বিবৃতিতে মন্তব্য করেছেন ই’সলামী যুব আ’ন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর-এর সভাপতি মুফতি মুহাম্মাদ আবু তালহা এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতি মোস্তাফিজুর রহমান৷

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন,দেশব্যাপী অব্যাহত যৌ’ন হ’য়রানী, ধ’র্ষণ ও হ’ত্যা রোধে রাষ্ট্রকেই কার্যকরী উদ্যোগ নিতে হবে৷ দেশে শি’শু ধ’র্ষণ, যৌ’ন হয়রানী ও নৃ’শংস হ’ত্যাকা’ণ্ড এখন নিত্য-নৈমিত্তিক ঘ’টনায় প’রিণত হয়েছে। সম্প্রতি গত ২৩ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জে মা’দরাসা শিক্ষার্থী সা’দিয়াকে ধ’র্ষণ করে নৃ’শংসভাবে হ’ ত্যা দেশবাসীকে চ’রমভাবে ব্য’থিত করেছে। তারা বলেন, এ হ’ত্যাকা’ণ্ডে জড়িত সকল কে গ্রে’প্তার ও স’র্বোচ্চ শা’স্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশে বহু ধ’র্ষক, খু’নী বি’চারের আওতার বাইরে ঘোরাফেরা করার কারণে এসব অ’পরাধ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আমরা চাই সা’দিয়া আক্তারের হ’ত্যাকা’ণ্ডে জড়িত সবাইকে শা’স্তির আওতায় এনে দৃ’ষ্টান্ত স্থাপন করা হোক। উল্লেখ্য গত ২১ ডিসেম্বর’১৯ শুক্রবার ৮ বছর বয়সী ১৫ পারার কুরআনের হাফেজা সা’দিয়া আক্তার তার বড় বাবার সাথে বাসার পাশে অবস্হিত মিফতাহুল জান্নাত ম’হিলা মাদরাসায় যাচ্ছিল। তার বড় বাবা সামনের দিকে ছিল এবং তিনি মনে করেছেন তার পুতি তার পেছনে আছে।
কিন্তু অল্প সময় পরে মাদরাসায় খোঁ’জ নিয়ে জানতে পারেন যে, সা’দিয়া মাদরাসায় আসেনি। মাদরাসার পাশেই মে’য়েটির নানুর বাসা।
তারা মনে করেছিল, হয়তো সে তার নানুর বাসায় গেছে। কিন্তু সেখান থেকেও যখন সংবাদ এলো যে,এখানেও আসেনি।

তখন তারা পেরেশানি হয়ে খুঁ’জতে থাকে। পরবর্তীতে তারা রামপুরা থা’নায় জি’ডি করে এবং পু’লিশ সেখান থেকে স’ন্দেজনক একজনকে গ্রে’প্তার করে। মে’য়েটি শনিবার নি’খোঁজ থাকার পর গত ২৩ ডিসেম্বর রবিবার কেরানীগঞ্জের একটি জ’ঙ্গলে মেয়েটির লা’শ পাওয়ার সংবাদ রামপুরা থা’না পু’লিশ তার পরিবারকে দেয়। পরে তারা সেখানে গিয়ে সা’দিয়ার লা’শ নিশ্চিত করে।পু’লিশ লা’শটিকে ম’য়নাতদন্তের জন্য পাঠায় এবং লা’শের মধ্যে ধ’র্ষণের আলামত পাওয়া যায়। সা’দিয়া হ’ত্যাকা’ণ্ডের বি’চার ও খু’নীদের ফাঁ’সির দাবিতে গত সোমবার এলাকাবাসী রামপুরায় মা’নববন্ধন করেছে।

আগামীকাল ২৬ ডিসেম্বর বৃহষ্পতিবার বাদ আছর রা’মপুরা বাজার সুপার মার্কেটের সামনে ইসলামী যুব আ’ন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে মা’নববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে ৷ উক্ত কর্মসূচিতে যুব নেতৃবৃন্দ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

বিজয় দিবসের রাতে বাড়ি ফেরার পথে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধ ** র্ষণ !

দিনাজপুরে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফেরার পথে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে গণধrsoণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী তিন যুবকের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতাকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বেশ কয়েকজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করলেও এখনও কাউকে গ্রে ফতার করতে পারেনি পুলিশ।

১৬ ডিসেম্বর রাতে বিজয় দিবসে নিজ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফিরছিল ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রী। সদর উপজেলার সুন্দরা মাঝাডাঙ্গা গ্রামের আলতাফের দোকানের কাছে পৌঁছালে জলকাপাড়া সুন্দরা গ্রামের মোকসেদুল টুকুলের নেতৃত্বে তিন যুবক তার পথ আটকায়। তাকে জোরপূ
র্বক তুলে নিয়ে মুখ বেঁধে

পাঠানপাড়া পুকুরপাড়ে গণধrsoণ করে পালিয়ে যায় তারা। পরিবারকে বিষয়টি জানালে হtta করার হু *মকি দেয় অভিযু** ক্তরা।
ভুক্তভোগীর মা বলেন, মোকসেদুল ও তার সঙ্গীরা বলেছে যে আমরা যদি কাউকে বলি তাহলে হtta করা হবে।

পরে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন পরিবারের সদস্যরা।
এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সহকারী পরিচালক ডা. ফজলুর রহমান বলেন, শরীরে কিছু দাগ আছে, ব্যথা আছে। পরবর্তীতে আমরা এটা রিপোর্টার আকারে জানাব।

এ ঘটনায় মোকসেদুল টুকুলরসহ বেশ কয়েকজনকে আসামি করে বুধবার কোতোয়ালি থানায় একটি ধrsoণ মামলা করেন নি*** র্যাতিতার মা। তবে এখনও কাউকে গ্রে** ফতার করতে পারেনি পুলিশ।

কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক বজলুর রশিদ বলেন, ধrsoণের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে ধরার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

স্কুলছাত্রী নি** র্যাতনের ঘটনায় ধrsoকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।

৪ বছরের শিশু ধ**র্ষণচেষ্টা, ন**গ্ন করে হাঁটানো হল ব্যাংককর্মীকে !

চার বছরের এক শিশুকে ৩৫ বছরের এক যুবককের বিরুদ্ধে ধ**র্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ফলে সেই যুবককে ন**গ্ন করে রাস্তায় হাঁটিয়েছে জনতা। রোববার (০১ ডিসেম্বর) ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের পারদি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এনডিটিভির খবর।

ধ**র্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠা যুবকের নাম জওহর বৈদ্য। তিনি শহরের একটি কো-অপারেটিভ সোসাইটি ব্যাংকের দৈনিক অর্থ সংগ্রহের (ক্যাশ কালেকশন) এজেন্ট হিসেবে কাজ করেন।

পুলিশ জানায়, চার বছরের শিশুকে ধ***র্ষণের চেষ্টা করেন জওহর বৈদ্য। এই ঘটনায় স্থানীয় লোকজন জওহর বৈদ্যের ওপর চড়াও হয়। তাঁকে মা***রধর করে একপর্যায়ে তাঁর দুই হাত রশি দিয়ে বেঁধে ফেলা হয়। পরে তাঁকে ন***গ্ন করে রাস্তায় হাঁটানো হয়। এরপর তাঁকে পুলিশে দেয় জনতা।

স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেন, অর্থ সংগ্রহ করতে জওহর বৈদ্য প্রতিদিনই ওই শিশুটির বাড়িতে যেতেন। গতকাল সন্ধ্যায় শিশুটি বাড়িতে একা ছিল। তাঁকে একা পেয়ে ধ***র্ষণের চেষ্টা করেন জওহর বৈদ্য। হঠাৎ করে শিশুটির মা বাসায় ফেরেন। তিনি সতর্কসংকেত (অ্যালার্ম) বাজিয়ে দেন। প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তাঁরা জওহর বৈদ্যকে ধরে ফেলেন।

ধ***র্ষণচেষ্টার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আরও লোকজন জড়ো হন। তাঁরা জওহর বৈদ্যকে মা**রধর করেন। পরে তাঁকে ন***গ্ন করে রাস্তায় হাঁটান। এরপর তাঁকে পুলিশে দেওয়া হয়। জওহর বৈদ্যের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় মামলা হয়েছে।

চাচা শ্বশুরের নামে ধর্ষ* ণের মিথ্যা মামলা করে অবশেষে গৃহবধু কারাগারে !

চাচা শ্বশুরের বিরুদ্ধে ধrsoণ ও ধrsoণের শি*কার হয়ে অন্তঃস ত্ত্বা হয়ে পড়ার মামলা করে উল্টো গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যেতে হয়েছে এক গৃহবধূকে। ফেনীর সোনাগাজী থানায় ২২ নভেম্বর মামলাটি করেছিলেন এক প্রবাসীর স্ত্রী রুনা আক্তার। আদালতের শুনানির আগেই তিনি স্বীকার করেন মামলাটি মি থ্যা। মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) তাকে গ্রেফতারপূর্বক জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।

ফেনী জেলা জজ আদালতের পিপি হাফেজ আহাম্মদ গণমাধ্যমকে জানান, সোনাগাজীর মতিগঞ্জ ইউনিয়নের ছড়াইতকান্দি গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রী রুনা আক্তার। গত ২২ নভেম্বর সোনাগাজী থানায় একটি ধrsoণ মামলা দায়ের করেন। এতে তার চাচা শ্বশুর শফিউল্যাহকে একমাত্র আসামি করা হয়। মামলায় বলা হয়, শফি তাকে বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাব দিতেন এবং এক পর্যায়ে তাকে ধrsoণ করেন। এতে তিনি ৫ মাসের অন্তঃ সত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। মামলা গ্রহণের পর পুলিশ শফিকে গ্রেপ্তার করে।

পিপি জানান, মঙ্গলবার ফেনীর নারী ও শিশু নি* র্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার শুনানী অনুষ্ঠিত হয়। আসামি শফিউল্যাহর পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী। মামলার বাদি রুনা আক্তার আদালতে বলেন, ‘আমি মামলা করতে চাইনি। আমার শাশুড়ি মি থ্যা মামলা করতে বাধ্য করেছেন।’ রুনা আক্তারের বক্তব্য শোনার পর ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ রুনা আক্তারকে মিথ্যা মামলা দায়ের করার অভিযোগে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অভি যুক্ত চাচা শ্বশুর শফির জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

জামিন পাওয়ার পর শফিউল্যাহ শফি বলেন, ‘জমি নিয়ে বিরোধ থাকায় এই মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।’

৭ বছরের শিশুকে প্রলোভনে তার রুমে নিয়ে ধ* র্ষণ গ্রেফতার কবির হোসেন (৪০)

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় ৭ বছরের এক শিশুকে টানা ৫ মাস ধ* র্ষণ করার অভিযোগে ধ* র্ষক কবির হোসেনকে (৪০) গ্রে* ফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ অক্টোবর) গভীর রাতে ধ* র্ষক এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় শিশুর পরিবার ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুলিশ শহরের উত্তর চাষাঢ়া থেকে তাকে গ্রে* ফতার করে।

এ সময় মোবাইলে ধারণকৃত ধর্ষণের ভিডিও চিত্র কবির হোসেনের কাছ থেকে জব্দ করে পুলিশ। গ্রে* ফতার কবির হোসেন চাঁদপুর জেলার উত্তর মতলব থানার উত্তর রামপুরা এলাকার আব্দুল হান্নান ওরফে হান্নু মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় শনিবার (১২ অক্টোবর) সকালে ধ* র্ষণের শি* কার শিশুর বাবা বাদী হয়ে কবির হোসেনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা করেন।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুরের উত্তর মতলব থানার উত্তর রামপুরা এলাকার জনৈক এক ব্যবসায়ী স্বপরিবার নিয়ে ফতুল্লার ভূইগড় খোকনের ভাড়াটিয়া বাসায় বসবাস করে একই এলাকায় একটি দোকান দিয়ে হালুয়া-রুটি বিক্রি করে। তার গ্রামের বাড়ির প্রতিবেশী আব্দুল হান্নান ওরফে হান্নু মিয়ার ছেলে কবির হোসেনকে গ্রামের বাড়ি থেকে এনে হালুয়া-রুটির দোকানে কর্মচারী হিসেবে রাখে।

আর কবিরকে থাকার জন্য একই বাড়িতে একটি রুম ভাড়া নিয়ে দেয়। জনৈক ব্যবসায়ীর ৭ বছরের একটি শিশু কন্যা রয়েছে। আর কাজ করার সুবাধে কবিরের মালিকের পরিবারের সঙ্গে সু-সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে মালিকের ৭ বছরের শিশুর দিকে কু-নজর পড়ে কবিরের। চলতি বছরের মে মাস থেকে কবির শিশুটিকে বিভিন্ন প্রলোভনে তার রুমে নিয়ে ধ* র্ষণ করে এবং ধ*র্ষণের চিত্র মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে।

নার্সকে নির্জনে ডেকে এনে তিন বন্ধু মিলে পালাক্রমে সর্বনাশ, গ্রেফতার দুই !

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে এক নার্সকে গণধrsoণের ঘটনায় দু’জনকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন- কামারখন্দ উপজেলার কুটিরচর গ্রামের আশরাফুল ইসলাম এবং একই এলাকার নাইমুল হক।

কামারখন্দ থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল ইসলাম জানায়, পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে বেসরকারি হাসপাতালের ওই নার্সকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে উল্লাপাড়া থেকে কামারখন্দে ডেকে আনে আশরাফুল।পরে ওই নার্সকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে পালা*ক্রমে ধrsর্ষণ করে পালিয়ে যায়। সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নি*র্যাতিতাকে উ*দ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ঘটনায় নির্যাতিতার ভাই বাদী হয়ে গতকাল দুপুরে অভি*যুক্ত চারজনের নাম উল্লেখ ও ২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে কামারখন্দ থানায় মামলা করেন। এরপরই অভি*যান চালিয়ে দু’জনকে গ্রে’ফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ থানার অফিসার ইনচার্জ হাবিবুল ইসলাম।

গৃহবধূ ধ’র্ষণ মামলায় যশোরে তিন আসামি রিমান্ডে !

যশোরে আসামির স্ত্রীকে গণধর্ষ’ণের মামলায় গ্রে’প্তা’র তিন আসামিকে তিন দিন করে রি’মান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যশোরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুদ্দিন হুসাইন শুনানি শেষে এ রি’মান্ড মঞ্জুর করেন। এ ছাড়া এ ঘটনায় গঠিত পুলিশের ত’দন্ত কমিটির আজ প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও তাঁরা তা জমা দিতে পারেনি।

এ জন্য তাঁরা নতুন করে সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছেন। মামলার ত’দন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই ইন্সপেক্টর শেখ মোনায়েম হোসেন জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আসামিদের প্রত্যেককে পাঁচ দিন করে রি’মান্ড চাওয়া হয়েছিল। আদালত আজ শুনানি শেষে তিন দিন করে রি’মান্ড মঞ্জুর করেছেন। আজই তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হবে বলে জানান পিবিআই কর্মকর্তা। এদিকে, পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধ’র্ষ’ণের অ’ভি’যোগ ওঠায় গত ৩ সেপ্টেম্বর ত’দন্তের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে একটি কমিটি করা হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত তিন দিন শেষে আজ তাঁদের প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও তাঁরা তা দেননি।

তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাহউদ্দিন শিকদার জানান, ঘটনার গুরুত্ব অনুধাবন এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সুপারের কাছে আরো সাত দিন সময় বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর গ্রামের এক গৃহ’বধূ স্থানীয় গোড়পাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ও তাঁর সোর্সের বিরু’দ্ধে ধ’র্ষ’ণের অভিযোগ করেন। পরে এ ঘটনায় অভি’যুক্ত এসআই খায়রুল আলমের নাম বাদ দিয়ে শার্শা থানায় মা’মলা হয়। পুলিশ এ মামলায় তিনজনকে আ’টক করে।

স্কুলের স্টোর রুম থেকে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীসহ বিবস্ত্র শিক্ষক আটক

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধ’র্ষণ চেষ্টার অভিযোগে নীলকান্ত বর্মণ (৫০) নামে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার বুড়িরদিঘী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আটক নীলকান্ত বর্মণ উপজেলার বুড়িরদিঘী এলাকার বসন্ত কুমারের ছেলে এবং ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে স্কুল চলাকালে স্কুলের স্টোর রুম থেকে মেয়েটির চিৎকারে শুনে অন্য শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ছুটে যান। সেখান থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার ও লম্পট শিক্ষককে বিবস্ত্র অবস্থায় আটক করা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা ওই শিক্ষককে প্রায় দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ওই ছাত্রীকেও থানায় নেয়া হয়েছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ বলেন, নীলকান্তের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন থেকে ছাত্রীদের যৌ’ন হয়রানির অভিযোগ ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও তিনি শোধরাননি।আমরা তার উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি। আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। লম্পট শিক্ষক ও মেয়েটি পুলিশ হেফাজতে ।