রাত ১১টার দিকে লঞ্চে শা*রীরিক সম্পর্কে রাজি না হওয়ায় আঁখিকে হ.ত্যা করে সুমন !

বিবাহবহির্ভূত শা*রীরিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজি না হওয়ায় শারমিন আক্তার আঁখিকে (২৯) সুরভী-৮ লঞ্চের কেবিনের মধ্যে শ্বা**সরোধে হ**ত্যা করেন কথিত প্রেমিক ফল বিক্রেতা মো. সুমন (৩২)। হ**ত্যার পর সুমন সারারাত কেবিনে অবস্থান করেন এবং ভোরে বরিশাল লঞ্চঘাটে লঞ্চ পৌঁছলে কৌশলে পালিয়ে যান।

সোমবার বেলা দেড়টার দিকে বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে র‍্যাব-৮ এর সদর দফতরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে র‍্যাব-৮ এর উপ-অধিনায়ক মেজর খান সজিবুল ইসলাম জানান, গ্রে**ফতার সুমন ঢাকার সদরঘাটের ১ নম্বর গেটের সামনে ৭-৮ বছর ধরে ফল বিক্রি করে। অন্যদিকে আঁখি নারায়ণগঞ্জের আদমজী এলাকার অনন্ত অ্যাপারেলস লিমিটেডে অপারেটর পদে কর্মরত ছিলেন।

প্রায় ছয় মাস আগে মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে আঁখির সঙ্গে সুমনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্ক স্থাপনের আগে দুইজনই তাদের আগের বিয়ে ও সন্তান থাকার কথা পরস্পরের নিকট গোপন করেন। তারা দুইজন ঢাকার বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার দেখা করেন।তিনি আরও জানান, গত শুক্রবার সন্ধ্যার পর লঞ্চযোগে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার জন্য আখি ঢাকার সদরঘাটে আসেন। আখির জন্য সেখানে অপেক্ষ করছিলেন সুমন। এরপর তারা সুরভী-৮ লঞ্চের নিচতলার একটি স্টাফ কেবিন ভাড়া নেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বরিশালের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছাড়ে।

এ সময় আখি ও সুমন লঞ্চের একই কেবিনে অবস্থান করছিলেন। রাত ১১টার দিকে বিবাহবহির্ভূত শা**রীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আখিকে চাপ দিতে থাকেন সুমন । আখি রাজি না হওয়ায় তাকে ধ**র্ষণের চেষ্টা করেন সুমন।এ সময় ধস্তাধস্তি করতে থাকেন আখি। একপর্যায়ে সুমন আখিকে গলাটিপে শ্বা**সরোধ করে হ**ত্যা করেন। হ**ত্যার পর সুমন সারারাত কেবিনে অবস্থান করেন এবং ভোরে বরিশাল লঞ্চঘাটে লঞ্চ পৌঁছালে সুমন কৌশলে লঞ্চ থেকে নেমে যান।

এরপর সব যাত্রী নেমে গেলেও আখির কেবিনটি আ**টকানো ছিল। লঞ্চের স্টাফরা ডাকাডাকি করে সাড়াশব্দ না পেয়ে নৌ-বন্দর থানা পুলিশকে খবর দেন। শনিবার সকালে নৌ-বন্দর থানা পুলিশ এসে কেবিন থেকে আখির ম**রদেহ উ**দ্ধার করে ।মেজর খান সজিবুল ইসলাম জানান, ম**রদেহ উদ্ধারের বিষয়টি জানতে পেরে র‍্যাব-৮ এর সদস্যরা তদন্তে নামেন। লঞ্চের সিসি টিভির ফুটেজ, তথ্য প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মধ্য দিয়ে আ**ত্মগো**পনে থাকা সুমনকে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থেকে রোববার রাতে গ্রে**ফতার করা হয়।

তিনি আরও জানান জানান, গ্রে**ফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে ফল বিক্রেতা সুমন আখিকে হ**ত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দের আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।নি*হত শারমিন আক্তার আখি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রিশিবপুর ইউনিয়নের পুইয়াউটা গ্রামের বজলু বেপারীর মেয়ে এবং নারায়ণগঞ্জের আদমজী এলাকার অনন্ত অ্যাপারেলস লিমিটেডে অপারেটর পদে কর্মরত ছিলেন।

প্রায় ৪ বছর আগে আখির সঙ্গে তার স্বামীর বিচ্ছেদ ঘটে। আখির একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। কন্যা সন্তানটি নানা বাড়ি বাকেরগঞ্জে থাকে।

অন্যদিকে গ্রে**ফতার সুমন পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার সিপাহীবাড়ী এলাকার মো. মানিক সিপাহীর ছেলে। সুমন ঢাকার সদরঘাটের ১ নম্বর গেটের সামনে ৭-৮ বছর ধরে ফল বিক্রি করে আসছেন।

মেয়েকে ধ.র্ষণে স্বামীকে সহযোগিতা, সেই মা গ্রে.ফতার

পার্বত্য খাগড়াছড়ির রামগড়ে নিজের মেয়েকে ধ.র্ষণে স্বামীকে সহযোগিতার অভিযোগে মা মনোয়ারা বেগমকে গ্রে.ফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে রামগড় থানায় মামলা দায়েরের পর পু.লিশ মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মনোয়ারা বেগমকে গ্রে.ফতার করে।ধ.র্ষণের শিকার মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। মেয়েটি স্থানীয় একটি মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

শুক্রবার ওই ছাত্রীর চাচা মো. ওমর ফারুক বাদী হয়ে রামগড় থানায় মামলাটি করেন। মামলায় ওই ছাত্রীর বাবা মো. আবুল কাশেমকে ধ.র্ষণে সহযোগিতার জন্য মা মনোয়ারা বেগমকেও আসামি করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত আবুল কাশেম পলাতক রয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করে রামগড় থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনির হোসেন বলেন, অভিযুক্ত আবুল কাশেমকে গ্রে.ফতারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

মেয়েটি জানায়, তার বাবা গত ২ জুলাই রাতে প্রথমবার তাকে ধ.র্ষণ করে। একইভাবে আরও ২/৩ বার ধ.র্ষণের শিকার হয় সে। বাবার পা ধরে ক্ষমা চেয়েও ধর্ষণের হাত থেকে নিজেকে বাঁচাতে পারেনি মেয়েটি।সর্বশেষ গত ১২ জুলাই গভীর রাতে ছোট ভাইবোন নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে আবারও ধ.র্ষণ করতে গেলে সে তার বাবাকে বলে, কাল আমার কোরআন মাজিদ পরীক্ষা। আমার সঙ্গে খারাপ কাজ না করে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলেন। কিন্তু এতেও মন গলেনি বাবা নামধারী ওই পাষণ্ডের।

মেয়েটি আরও জানায়, সে চিৎকার করতে চাইলে মা তার মুখ চেপে ধরত। ধ.র্ষণের কথা প্রকাশ করলে তাকে গলাটিপে হ.ত্যার পর লা.শ বস্তায় ভরে পুঁতে ফেলারও হুমকি দিত তার বাবা। ঘটনাটি প্রথমে সে তার দাদিকে বলে। কিন্তু দাদি কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় মেয়েটি গত ১৪ জুলাই তার চাচাকে বিষয়টি জানায়।

অজ্ঞান করে অসংখ্য তরুণীর সাথে শা*রীরিক স*ম্পর্ক করা ভু*য়া ডাক্তার গ্রে*ফতার !

লাকসামে ডা. মীর হোসেন নামে এক ভুয়া ডাক্তারকে আটক করেছে র‌্যাব। ওই ভু*য়া ডাক্তার লাকসাম শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক। চাকুরি দেয়ার নামে ওই চেম্বারে অসংখ্য মহিলার সাথে শা**রীরিক স*ম্পর্ক করেছেন।

বুধবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ যৌ*ন উত্তে*জক ট্যা*বলেট, ক*নড*মসহ বিভিন্ন অ*বৈধ নে*শাজাতীয় দ্র*ব্যসহ তাকে আ*টক করে। তিনি পৌর শহরের বাইনচাটিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে।সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা র‌্যাব ১১-এ এক জোসনা (ছদ্মনাম) নামে নারী লিখিত অভিযোগ দেন। ওই নারী বলেন, শহরের জংশন এলাকায় ডিজিটাল হেলথ কেয়ারে কর্মরত চার মাস যাবত হেলথ সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলাম।

ওই হেলথ কেয়ারের মালিক ডা. মীর হোসেন চাকুরীর শুরু থেকেই আমাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। কিন্তু আমি চাকুরি রক্ষা ও জীবিকা নির্বাহের স্বার্থে সবকিছু সহ্য করে আসছিলাম।এক পর্যায়ে ডা. মীর হোসেন আমার ইচ্ছার বি*রুদ্ধে আমাকে জোরপূর্বক শা*রীরিক স*ম্পর্ক করে। গত চার মাসে সে আমাকে ৩০ বারের অধিক শা*রীরিক স*ম্পর্ক করে। প্রতিবার শা*রীরিক স*ম্পর্ক করার পর সে আমার শরীরে ব্যথা নাশক অ*জ্ঞান করার একটি ইনজেকশান পুশ করতো। শা*রীরিক সম্পর্ক পর মীর হোসেন আমাকে হু*মকী ধমকি দিয়ে বলেে একথা যদি কেউ জানতে পারে তাহলে আমাকে চাকুরিচ্যুত করে মি**থ্যা মা*মলা দিবে বলে ভ*য় দেখায়।

আমি দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম হওয়ায় তার এ নি*র্যাতন সহ্য করে আসছিলাম। কিন্তু দিন দিন তার অত্যা*চার নি**র্যাতন বেড়ে চলায় নিরুপায় হয়ে গত সোমবার কুমিল্লা র‌্যাব-১১ তে লিখিত অভি*যোগ করি।স্থানীয়ভাবে জানা যায়, ডা. মীর হোসেন একইভাবে তার চেম্বারে বহু ত*রুণীকে চাকুরি দেয়ার নাম করে স*র্বনাশ করেছে। তার হুম*কী ধমকীর কারণে কেউ মুখ খোলার সাহস করেনি। এছাড়া ভু*য়া ডা. মীর হোসেনকে বেশ কয়েকবার ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে তার কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। কিছুদিন পর আবার সে কৌশলে আবার চেম্বার খুলে তার পুরোনো অ*পকর্ম শুরু করে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কোম্পানী কমান্ডার প্রণব কুমার জানান, ওই নারীর লিখিত অ*ভিযোগ পেয়ে আমরা লাকসাম ডিজিটাল হেলথ কেয়ারের মালিক ডা. মীর হোসেনের চেম্বারে অ*ভিযান চালিয়ে যৌ**ন উ**ত্তেজক ট্যাবলেট, বিপুল পরিমাণ ক**নডমসহ বিভিন্ন অ*বৈধ নে*শাজাতীয় দ্রব্য পাওয়া যায়। তিনি কোন ডাক্তার নন।

তিনি চাকুরি দেয়ার নামে এই চেম্বারে অসংখ্য মহিলাকে ধ**র্ষণ করেছে। তাকে ও তার চেম্বারে কর্মরত অপর এক মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য কুমিল্লা র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামে পুলিশের স্ত্রীকে হোটেলে নিয়ে ধ*র্ষণ করলেন ২ ট্রাফিক পুলিশ !

পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে চট্টগ্রামে এক কনস্টেবলের স্ত্রীকে ধ*’র্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত দুজনকে গ্রে**ফতারর করেছে পুলিশ। এ ছাড়া নির্যাতনের শিকার ওই তরুণীকেও (২২) উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রে**ফতারকৃতরা হলেন, মো. মহব্বত আলী (২৮) ও শাহাদাত হোসেন রাজু (৩১)। তারা সম্প্রতি বরখাস্ত হওয়া ট্রাফিক পুলিশের সদস্য (টিএসআই) কাসেমের ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করতেন।এ তথ্য নিশ্চিত করে ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সদীপ দাশ জানান, চাকরি দেওয়ার কথা বলে রাঙ্গামাটি থেকে ওই তরুণীকে চট্টগ্রাম নিয়ে আসে একটি চক্র। তাকে একটি বাসায় আটকে রেখে ধ**’র্ষণ করা হয়।

ডবলমুরিং থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অর্ণব বড়ুয়া জানান, ওই তরুণী এক পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী। স্বামীর সঙ্গে বিরোধের সুযোগ নিয়ে আসামি শাহাদাত হোসেন রাজু তাকে পুলিশের চাকরিসহ বিভিন্ন লোভনীয় প্রস্তাব দিয়ে তার সঙ্গে নিয়ে আসেন এবং কিছুদিন আগে নগরীর আগ্রাবাদ এলাকার একটি আবাসিক হোটেল নিয়ে ধ’*র্ষণ করেন। পরে শাহাদাত তার বন্ধু মো. মহব্বত আলীর কাছে ওই তরুণীকে রেখে আসেন।

শাহাদাত হোসেন রাজু জানান, মহব্বত আলী ওই তরুণীকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বাসা খুঁজতে থাকেন। গতকাল সোমবার ঈদগাঁ ঝর্ণা পাড়া এলাকায় বাসা খুঁজতে গিয়ে এলাকার নারীদের ওই তরুণী তার কাহিনী বলে দেন। পরে পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ও মো. মহব্বত আলীকে গ্রে**ফতার করে।পুলিশের এ কর্মকর্তা আরো জানান, মহব্বতের স্বীকারোক্তিতে কৌশলে তাকে দিয়ে ফোন করিয়ে রাতে নগরীর ডবলমুরিং থানার চারিয়া পাড়া এলাকা থেকে রাজুকে গ্রে**ফতার করা হয়।

জনসম্মুখে হারুনের একেকটা অঙ্গ কাটা হোক, ওরে বাচিয়ে রেখে তিলে তিলে মা*রা হউক !

ছাদ ঘুরিয়ে দেখানোর কথা বলে সামিয়া আফরিন সায়মাকে অষ্টম তলার লিফট থেকে ছাদে নিয়ে যায় হারুন অর রশিদ। সেখানে নবনির্মিত ৯ তলার ফ্ল্যাটে সায়মাকে ধ*র্ষণ করে। এরপর নিস্তেজ অবস্থায় পড়ে থাকে সায়মা।

মৃ*ত ভেবে সায়মার গলায় রশি দিয়ে টেনে রান্নাঘরের সিঙ্কের নিচে রেখে পালিয়ে যায় হারুন।শিশু সায়মা হ*ত্যার ঘটনায় রবিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই রোম*হর্ষক বর্ণনা দেন অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।

রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামের স্কুলছাত্রী সামিয়া আফরিন সায়মাকে (৭) ধ*র্ষণের পর হ*ত্যার ঘটনায় ধ*র্ষক হারুন অর রশিদকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ রবিবার কুমিল্লার তিতাস থানার ডাবরডাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে ধ*র্ষক হারুনের ফাঁসির দাবিতে উত্তাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। দাবি উঠেছে, জনসম্মুখে তার শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।

শিশু সামিয়া আফরিন সায়মাকে ধ*র্ষণ ও হ*ত্যার ঘটনায় মোহাম্মদ সাজিদুর রহমান নামের একজন তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন,২০১২ সালে পর থেকে আমি অনেকবার বলেছি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা নাহলে দেশে অরাজকতা চলতেই থাকবে। আজ সায়মা ভিকটিম হয়েছে কাল আমার সন্তান হবে। এভাবেই কি দেশ চলতে পারে। যে দেশে ধ*র্ষক, ফাঁসির আসামি এবং খু*নি হাইকোর্ট থেকে জামিন পায় সেদেশে এ সব ঘটনা ঘটা অসম্ভব না।

রাতের আধারে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে যদি ভালভাবে আইন প্রতিষ্ঠা করত আমি ব্যক্তিগতভাবে তাদেরকে সর্মথন দিতাম। কিন্তু তারা কি করছে? সুশীল সমাজের প্রতি অনুরোধ, আপনারা চুপ করে বসে থাকবেন না। প্রতিবাদ করেন। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ধ*র্ষকের বিচার হয়েছে। একদিন আপনাদেরকে আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতা করতে হবে। আমরা এধরনে ন্যাক্কারজনক ঘটনা দেখতে চাই না।

সুশাসন দেখতে চাই। সবাই যাতে আইনের সুফল ভোগ করতে পারে। রক্ষক যেন ভক্ষক না হয়। এরকম ঘটনা প্রতিদিন পত্রিকা খুললেই দেখতে পাই। আজ আমরা যারা এরশাদ সাহেবকে স্বৈরশাসক বা জাতীয় বেঈমান বলি তার আমলে ও এরকম ঘটনা নিত্যদিন ঘটে নাই। মুনীরের ফাঁ*সি তার উজ্জ্বল উদাহরণ।দয়া করে সুষ্টবিচার নিশ্চিত করুন। না হলে আগামী প্রজন্ম বর্তমান সরকারকে ঘৃনার চোখে দেখবে।

মো. রাসেল আহমেদ লিখেছেন, কি দোষ ছিল সায়মা নামের বাচ্চাটার তাকেও ধ*র্ষণ ১০ মিনিটের ব্যবধানে একই ভবনে ৮ তলায় হ*ত্যা করা হয়েছে এক কুলাংগার আটক! মা ত এখন পর্যন্ত কিছু খান নাই বাবা সাংবাদিকদের মাধ্যমে বলেছেন কেদে কেদে দেশবাসীর কাছে বলেছেন আপনার আজকের মতো পরের দিন গুলাতে ও লেখালেখি প্রতিবাদ করবেন যাতে দামাচাপা না পড়ে যায় অনেক ঘটনা শেষে দিয়ে দামাচাপা পড়ে যায় ইনশাআল্লাহ এক বিন্দু

রক্ত থাকতে করে যাবে তবে নারীর ক্ষমতায়ন থাকার পরেও সেই দেশে নারী শিশু ধ*র্ষণ হয় তাই আমি এইসমস্ত নারীদের আমার চেড়া জুতা দিয়ে বারি দিতে চাই এমনকি বর্তমান যারা ক্ষমতায় আছেন শুনেছিলাম শিশু ধ*র্ষণে মৃ*ত্যুদণ্ড আইন করেছিলেন বাদেবেটা শুনা যায় ভুয়া তাই আরেকবার দেশবাসীর জুতা দিয়ে বারি মা*রতে চাই। ধ*র্ষক কুলাংগারের ফাঁ*সি চাই।

সৈয়দ লিখেছেন, ধ*র্ষণ হচ্ছে, ধ*র্ষককে ধরা হচ্ছে বিচার হচ্ছে জেল-ফাঁসি দেয়া হচ্ছে কিন্তু ধ*র্ষণ যেন দিন দিন বেড়েই চলছে!ফাঁ*সি নয় জেল নয় এই কুত্তার বাচ্চাকে এমন কোন অমানবিক শাস্তি দেওয়া হউক যাতে একবার ধ*র্ষণের কথা মনে আসলে ১০ বার ওর চেহারা চোখের সামনে ভেসে উঠে! ক্রসফায়ার বা ফাঁ*সি হলে কুত্তার বাচ্চাটা তারাতারি মরে যাবে। ওরে বাচিয়ে রেখে তিলে তিলে মারা হউক, প্রয়োজন হলে দেশের একেকটা বিভাগে একেক দিন ওকে নিয়ে শরীরের একেকটা অঙ্গ কাটা হউক জনসম্মুখে। ধ*র্ষণ বন্ধ হতেই হবে!

সামিয়া রহমান লিখেছেন, ফাঁ*সি চাই।
সৈয়দ ফাহাদ আহমেদ লিখেছেন, পুরো ফেসবুক লালকার্ডময়… আর এদিকে ফুটফুটে মামনি শিশু সায়মাকে-ধ*র্ষণ শেষে গলায় রশি পেঁচিয়ে হ*ত্যা করেছে জানোয়ার- হারুন (গ্রে*প্তার), মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, কিছুদিন আগে আপনি একটি কাগজে শিশু ধ*র্ষণ*কারীদের ফাঁ*সির আদেশে সই করেছিলেন শুনেছিলাম, কতটুকু সত্য জানি না,

তবে এতকিছুর পরও আপনি আওয়ামী লীগ সরকারকে যদি জনগণের কাছে একটি প্রশংসনীয় সরকার হিসেবে তুলে ধরতে চান, এটাই বড় সুযোগ, যত দুর্নাম বাঙালি ভুলে যাবে, বাঙালিদের সামান্যতেই খুশি করা যায়, বেশি কিছু লাগে না। এই মানুষ নামের জানোয়ার গুলোকে-জনসম্মুখে ফাঁ*সি দেয়ার মাধ্যমেই আওয়ামী লীগ সরকারকে মানুষের কাছে নতুন করে উপস্থাপন করতে পারবেন।

আশা করি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে ভবিষ্যতের ধ*র্ষকদের মনে কম্পন সৃষ্টি করবেন।মো. কাজল লিখেছেন, সায়মা ধ*র্ষণ কারি প্রকাশ্যে ফাঁ*সি দেওয়া হোক তাহলে শান্তি পাবে ওর আত্মা। আল্লাহ যেনো সায়মাকে জান্নাতবাসী করুক আমিন।তানিয়া কথা লিখেছেন, আমার পরীর মতো মেয়েটাকে যে কষ্ট দিয়ে মে*রেছে তার ৬ মাসের মধ্যে ফাঁ*সি চাই।

ধ*র্ষ*ণের আলামত মিলছে, মুখে র** ও আঘাতের চিহ্ন, ঠোঁটে কামরের দাগ !

রাজধানীর ওয়ারীতে শিশু সামিয়া আফরিন সায়মাকে (৭) ধ**র্ষ*ণের পরে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাস**রোধ হ** করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহেল মাহমুদ।

শনিবার দুপুরে ওই শিশুর ম**হের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।সোহেল মাহমুদ আরো বলেন, ময়নাতদন্তে তার যৌ** ক্ষত চিহ্ন, মুখে র** ও আঘাতের চিহ্ন, ঠোঁটে কামরের দাগ দেখা গেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

এদিকে ওয়ারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর জানান, এ ঘটনায় শনিবার সকালে শিশুটির বাবা ওয়ারী থানায় মামলা করেছেন। মামলার নম্বর ৪। পরে এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছয়**কে থানা আনা হয়েছে।
সায়মা : প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে রাজধানীর ওয়ারীতে একটি বহুতল ভবনের ৯ তলার খালি ফ্ল্যাট থেকে শিশু সামিয়ার ম**হ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই ভবনের ছয় তলায় নিহত শিশু সামিয়া তার বাবা আবদুস সালামসহ পরিবারের সঙ্গে থাকতো। সন্ধ্যার দিকে খেলা করতে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। তারপর থেকে শিশুটি নি**খোঁজ ছিল। সাত বছরের শিশু সায়মা রাজধানীর সিলভারডেল স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল।

সন্ধ্যায় নিখোঁজ, রাতে লাশ: ধ**র্ষণের পর হ**ত্যার ধারণা পুলিশের !

রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামে নিখোঁজের দু’ঘণ্টা পর একটি খালি ফ্ল্যাট থেকে সামিয়া আফরিন সায়মা নামে আট বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।শিশুটিকে ধ**র্ষণের পর হ**ত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। সামিয়া আফরিন সায়মা সিলভারডেল স্কুলের ছাত্রী ছিল।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পুরান ঢাকার নবাবপুরের ব্যবসায়ী আবদুস সালাম ওয়ারী থানার ১৩৯ বনগ্রামের বাড়ির ৬ তলায় নিজের ফ্ল্যাটে পরিবার নিয়ে থাকেন।শুক্রবার মাগরিবের নামাজের সময় সামিয়া বাসা থেকে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাত সাড়ে ৮টায় একই বাড়ির ৮ তলার একটি খালি ফ্ল্যাটে সামিয়ার লা**শ পাওয়া যায়।

ওয়ারী থানার এসআই হারুনুর রশিদ জানান, শিশু সামিয়ার গলায় দাগ রয়েছে।এছাড়া ঠোঁটে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে র**ক্তাক্ত চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাকে ধ**র্ষণের পর শ্বাসরোধে হ**ত্যা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এছাড়া খবর পেয়ে সিআইডির একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে হ**ত্যার প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানান এসআই হারুনুর রশিদ।

ওয়ারী থানার ওসি আজিজুর রহমান বলেন, ওই ভবনের অষ্টম তলার নির্মাণ কাজ পুরো শেষ হয়নি।সেখানে একটি খালি কক্ষ থেকে মেয়েটির লা**শ উদ্ধার করা হয়। মেয়েটিকে ধ**র্ষণের পর হ**ত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তে মৃ**ত্যুর প্রকৃত কারণ বেরিয়ে আসবে।

নিহত সায়মার বাবা আব্দুস সালাম বলেন, মাগরিবের আজানের সময় আমি নামাজ পড়তে মসজিদে যাই। মসজিদ থেকে ফেরার সময় সন্ধ্যার নাশতা কিনে বাসায় আসি। বাসায় এসে দেখি সায়মা নেই। আমি ও আমার স্ত্রীসহ সায়মাকে খুঁজতে শুরু করি। ছয় তলা ও আট তলায় খুঁজে তাকে পাওয়া যায়নি।পরে আবার আট তলায় তাকে খুঁজতে গিয়ে রান্না ঘরে তার লা**শ পাওয়া যায়।

হাসপাতালে আট বছরের শিশুকে ধর্ষ*ণের শিকার !

রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে আট বছরের শিশুকে ধর্ষ*ণের অভিযোগে সেখানকার ক্যান্টিনের এক কর্মীকে গ্রে*প্তার করেছে পুলিশ।

ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল লতিফ জানান, শিশুটির মা হাসপাতালের সেবিকা। সে মায়ের সঙ্গে প্রায়ই হাসপাতালে আসত।সংবাদ সংস্থা ইউএনবির খবরে বলা হয়, শিশুটি অন্যান্য দিনের মতো বৃহস্পতিবার বিকেলে মায়ের সঙ্গে হাসপাতালে আসে। একপর্যায়ে ক্যান্টিনের কর্মী রায়হান তাকে মোবাইল ফোন দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ক্যান্টিনের সিঁড়িতে নিয়ে ধর্ষ*ণ করে।

ঘটনা টের পেয়ে হাসপাতালের অন্য কর্মীরা রায়হানকে আটক করে ধানমণ্ডি থানা পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রায়হান প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করেছে বলে জানান ওসি লতিফ।

আমার কোন দোষ নেই ! শয়তান আমাকে দিয়ে ১২ ছাত্রীকে অপ*কর্ম করিয়েছে’

আল আমিন’ আরবি শব্দ। বাংলা এর অর্থ দাঁড়ায় বিশ্বাসী। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ইমাম ও মাদরাসা এক শিক্ষকের নাম আল আমিন হলেও তিনি মোটেও বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি ছিলেন যৌ**ন বিকারগ্রস্ত একজন ব্যক্তি।

যার নজরই ছিলো শিশুকন্যাদের দিকে। নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই তিনি শিশুদেরকে প**র্ণ দেখাতেন। এরপর নানা কৌশলে করতেন ধ**র্ষণ। এভাবে একে একে ১২ শিক্ষার্থীকে ধ**র্ষণ করার আলামত পেয়েছে র‌্যাব-১১।বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালের দিকে সদর উপজেলার ফতুল্লা মাহমুদপুর এলাকা থেকে মাওলানা মো. আল আমিনকে আটক করে র‌্যাব-১১। সে ওই এলাকার বায়তুল হুদা ক্যাডেট মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক।

একই সাথে তিনি স্থানীয় একটি মসজিদে ইমামের দায়িত্বও পালন করছেন। পড়তে আসা ছাত্রীদের বিভিন্ন কৌশলে কম্পিউটারে প**র্ণ ভিডিও দেখিয়ে শিশু ছাত্রীদের ধ**র্ষণ করতো।তৃতীয় শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ১২ ছাত্রীকে ধ**র্ষণ অভিযোগে আ**টক মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আল আমিন ধ**র্ষণ করেনি!তার দাবি তার কোনো দোষ নেই, তাকে দিয়ে ‘১২ ছাত্রীকে শয়তান ধ**র্ষণ করিয়েছে!’ আ**টকের পর ওই লম্পট শিক্ষক এমনটাই জানিয়েছে। পাশাপাশি তার ‘ফাঁসি’ দরকার বলেও মনে করেন।

৪ জুলাই সকালে র‌্যাব-১১ এর একটি দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলেপ উদ্দিনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ফতুল্লার মাহমুদপুর এলাকার বায়তুল হুদা ক্যাডেট মাদরাসা থেকে আল আমিনকে আ**টক করে। তিনি এই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ এবং একটি মসজিদের ইমামও।আল আমিন তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে ওই মাদরাসার একটি কক্ষে থাকতেন। স্ত্রী না থাকলেই তিনি শিশুদেরকে প*র্ণ ভিডিও দেখিয়ে ধ**র্ষণ করতো।তার কাছ থেকে বেশ কিছু প**র্ণ ভিডিও উদ্ধার করেছে র‌্যাব-১১ এর ওই অভিযানিক দল। আল আমিন কুমিল্লার মুরাদ নগর উপজেলার ভূইয়া পাড়া এলাকার রেনু মিয়ার ছেলে।

অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া র‌্যাব কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলেপ উদ্দিন জানান, অক্সফোর্ড স্কুলের ঘটনাটি টিভিতে দেখালে ওই মাদরাসার ৩য় শ্রেণির এক ছাত্রী তার মাকে বলে- ‘আমাদের আল আমিন হুজুরও তো আমাদের সাথে এসব করে’। শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনাগুলো জানায়।পরে শিশুটির মা ঘটনাটি র‌্যাবকে জানালে ওই মেয়ের জবানবন্দি নিয়ে তদন্ত শুরু করে র‌্যাব। তদন্তে জানা যায়, শুধু ওই শিক্ষার্থীই নয়, ২০১৮ সাল থেকে অর্থাৎ গত ১ বছর ধরে মাদরাসার ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া অন্তত ১২টি শিশুকে ধ**র্ষণ করে আল আমিন।এই র‌্যাব কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেফতার অধ্যক্ষ আল আমিন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সব ঘটনা স্বীকার করেছে।

সে তার পরিবারসহ মাদরাসার ভেতরেই থাকতো। স্ত্রী কোথাও গেলে বা মাদরাসা ছুটির পর সুযোগ বুঝে শিক্ষার্থীদের সাথে এসব করতো সে। তার দাবি, সে আগে এমন ছিল না, শয়তানই তাকে দিয়ে এসব করিয়েছে। তার নিজের কোনো দোষ নাই।

আল আমিনকে আটকের পর বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে লে. কর্ণেল কাজী শামসের উদ্দিন বলেন, ঘটনার প্রমাণস্বরূপ আল আমিনের মোবাইল ও কম্পিউটারে প্রচুর নোংরা ভিডিও পেয়েছি।কিছু ভিডিও সে নিজেই বানিয়েছে। পড়তে আসা ছাত্রীদের ছবি ভিডিওতে সংযুক্ত করে সেগুলো দেখিয়ে বারবার ধ**র্ষণ করতো।

১২ ছাত্রীকে কৌশলে ধ”র্ষণ করল এই মাদ্রাসা শিক্ষক !

আল আমিন’ আরবি শব্দ। বাংলা এর অর্থ দাঁড়ায় বিশ্বাসী। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ইমাম ও মাদরাসা এক শিক্ষকের নাম আল আমিন হলেও তিনি মোটেও বিশ্বাসী ছিলেন না। তিনি ছিলেন যৌ*ন বিকারগ্রস্ত একজন ব্যক্তি।

যার নজরই ছিলো শিশুকন্যাদের দিকে। নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই তিনি শিশুদেরকে প*র্ণ দেখাতেন। এরপর নানা কৌশলে করতেন ধ*র্ষণ। এভাবে একে একে ১২ শিক্ষার্থীকে ধ*র্ষণ করার আলামত পেয়েছে র‌্যাব-১১।বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালের দিকে সদর উপজেলার ফতুল্লা মাহমুদপুর এলাকা থেকে মাওলানা মো. আল আমিনকে আ*টক করে র‌্যাব-১১। সে ওই এলাকার বায়তুল হুদা ক্যাডেট মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক। একই সাথে তিনি স্থানীয় একটি মসজিদে ইমামের দায়িত্বও পালন করছেন।

পড়তে আসা ছাত্রীদের বিভিন্ন কৌশলে কম্পিউটারে প*র্ণ ভিডিও দেখিয়ে শিশু ছাত্রীদের ধ*র্ষণ করতো। আ*টকের পর র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে নিজ মুখেই এমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন মাদরাসার ল*ম্পট শিক্ষক মাওলানা মো. আল আমিন। একই সাথে তিনি এসব জঘন্য ঘটনার জন্য নিজের ‘মৃ*ত্যুদণ্ড’ হওয়া উচিৎ বলেও জানিয়েছেন।এর আগে র‌্যাব কৌশল অবলম্বন করে একে একে ১২জন ধ*র্ষণ আক্রান্ত তৃতীয় শ্রেণী থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে লম্পট আল আমিনের লাম্পট্যের জবানবন্দি গ্রহণ করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১১ এর সিও লেফটেন্যান্ট কাজী মো. শমশের উদ্দিন।

তিনি জানিয়েছেন, গত ২৭ জুন সিদ্ধিরগঞ্জের কান্দাপাড়ার একটি বেসরকারি স্কুলের ২০ এর অধিক ছাত্রীকে ধ*র্ষণের অভিযোগে সিরিয়াল রেপিস্ট আশরাফুল আরিফকে আমরা গ্রে*ফতার করি।সেই ঘটনা টেলিভিশনে প্রচারিত একটি সংবাদের ভিডিও ক্লিপ ফেসবুকে দেখতে পেয়ে গত দুই দিন পূর্বে বাইতুল হুদা ক্যাডেট মাদ্রাসার ৩য় শ্রেণীর এক ছাত্রীএবং তার মা র‌্যাবকে জানালে বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকাল ১১ টায় সদর উপজেলার ফতুল্লা থানাধীন মাহমুদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই মাদরাসা শিক্ষককে আ*টক করা হয়।

র‌্যাবের এই সিও আরও বলেন, আ*টক মাদরাসা শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে ১২ জন ছাত্রীকে যৌ*ন নির্যা*তন ও ধর্ষ*ণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এদিকে ওই লম্পট মাদরাসা শিক্ষকের ফাঁসির দাবি জানিয়ে নানা ধরনের স্লোগান দেয় এলাকাবাসী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন উপস্থিত অভিভাবকরা।ইমরান আলী সজিব নামে এক অভিভাবক বলেন, এখন প্রায়শই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রীদের যৌ*ন নির্যা*তন ও ধর্ষ*ণের ঘটনার খবর পাওয়া যায়।যেখানে মানুষ হওয়ার জন্য আমরা সন্তানদের পাঠাই। সেখানেই শিক্ষকের লালসার শিকার হয় সন্তানেরা। তাহলে আমরা কোথায়, কার কাছে সন্তা*নদের নিরাপদ বোধ করবো।

এম এ শাহীন নামে আরেক অভিভাবক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই যদি নিরাপদ না হয়, তাহলে আমাদের সন্তানেরাও নিরাপদ নয়। আমরা এসব শিক্ষক নামধারী কুলাঙ্গার ও নরপিচাশদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।