রিফাত হ”ত্যার ঘটনা নিয়ে নাটক !

সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত ঘটনা বরগুনায় রাস্তায় প্রকাশ্যে ফি’ল্মি স্টাইলে রিফাত শরীফের খু’ন হওয়া। এর এ আলোচিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হচ্ছে নাটক। নাটকের নাম ‘দোটানায়’। মাহতাব হোসেনের গল্প ও শামীমুল ইসলাম শামীমের চিত্রনাট্যে এটি নির্মাণ করতে যাচ্ছেন আকাশ নিবির।

নাটকে নি”হত রিফাত শরীফের চরিত্রে অভিনয় করবেন অভিনেতা সজল, স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির ভূমিকায় দেখা যাবে মডেল-অভিনেত্রী আনিকা কবির শখকে। আর নয়ন বন্ড হবেন কলকাতার সংগীতশিল্পী রাকিব চৌধুরী। আগামী ২৭ জুলাই ঢাকায় এর শুটিং শুরু হবে।

এ বিষয়ে নির্মাতা আকাশ নিবির বলেন, ‘আগামী ২৭ তারিখ আমরা শুটিং শুরু করবো। এরই মধ্যে আমরা অভিনয় শিল্পীদের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনা করেছি। নাটকের একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন জনপ্রিয় অভিনেতা ডিএ তায়েব। সঙ্গে আরও একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আছে, যেটি থাকছে চমক হিসেবে।’

ইতিপূর্বে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে এটি নির্মাণ সম্ভব হবে কিনা? এ বিষয়ে আকাশ নিবির বলেন, ‘না, আসলে নাটকটি নির্মিত হবে বরগুনার ঘটনার আদলে। গল্পটা আমরা সাজিয়েছি অন্যভাবে। ঘটনার আড়ালে অনেক সত্যই ধা”মাচাপা পরে যায়। তেমনই কিছু ঘটনা এতে উঠে আসবে। তাছাড়া এতে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে উঠে আসা কিছু চিত্রও তুলে ধরা হবে।’

জানা গেছে, এন. আর. মিডিয়ার নিবেদনে নাটকটি প্রযোজনা করছে চৌধুরী এন্টারটেইনমেন্ট। আগামী কোরবানি ঈদে ‘দোটানায়’ নাটকটি প্রচারিত হবে একটি বেসরকারি টিভিতে।

বিয়ে করা মানে নিজের মৃত্যু নিজেই ডেকে আনাঃ সালমান খান

সাংবাদিক কিংবা দেশের জনগণ, মূল প্রশ্ন সলমানকেই একটাই করা হয়, সেটি হল তাঁর বিয়ে। বলিউডে একে একে দীপিকা-রণবীর, প্রিয়াঙ্কা-নিক, সোনম-আনন্দ এছাড়াও একাধিক তারকাদের বিয়ে করতে দেখা গিয়েছে কিন্তু সলমানের বয়স সবার থেকে বেশী হওয়া সত্বেও বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে দেখা যায়নি সলমান খানকে।

যদিও নিজের বিয়ে নিয়ে কোনও চিন্তাভাবনা করতে দেখা যায়নি তাঁকে। এমনকি এই বিষয়ে একাধিক আলোচনা করতে দেখা যায়নি সলমানকে।
সদ্য এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ে নিয়ে বিশেষ কথা বলেছেন সলমান। তিনি জানিয়েছেন, ”আমি বিয়েতে বিশ্বাস করি না, কারণ আমার মতে বিয়েটা আমার কাছে মৃত্যুর সমান। তাই আমি এটাতে বিশ্বাস করি না। কিন্তু কেউ সঙ্গে থাকতে চাইলে সারাজীবন থাকতে রাজি আছি।”

ফের একবার বড়পর্দায় জুটি বেঁধেছেন সলমান-ক্যাটরিনা। আলি আব্বাস জাফরের পরিচালনায় দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত সিনেমা ‘ওড টু মাই ফাদার’ সিনেমার হিন্দি রিমেক ‘ভারত’-এ অভিনয় করতে দেখা যাবে সলমানকে।

আগামীকাল মুক্তি পাবে এই সিনেমাটি। সলমান প্রযোজিত ‘ভারত’ অভিনয় করছেব জ্যাকি শ্রফ, দিশা পাটানি, টাব্বু, সুনিল গ্রুভার ও নোরা ফাতেহিকে। সিনেমাহলে টিকিটের বিক্রির ক্রেজ দেখে আশা করা যাচ্ছে প্রথমদিনে ৩৫-৩৬ কোটি টাকা ব্যবসা করবে বলে জানা যাচ্ছে।

অনেকে ভাবে আমার বয়স বেশি ! ১২ বছর হতে সিনেমায় কাজ শুরু করি

অনেকেই ভাবে আমার বয়স বেশি। কারণ দিলদার ভাইয়ের সাথে অনেক কাজ করেছি। কিন্তু আমার বয়স মোটেও বেশি নয়। ১২ বছর বয়সে সিনেমায় কাজ শুরু করি। দিলদার ভাইয়ের তখন বয়স ৫২ বছর। তখনই তার সাথে কাজ শুরু আমার।

সম্প্রতি এফডিসিতে ‘আদম’ নামে একটি চলচ্চিত্রের মহরতে উপস্থিত থেকে নিজের বয়স নিয়ে এভাবেই কথা বলেন অভিনেত্রী নাসরিন।অনেকদিন ধরে চলচ্চিত্রে কাজ করছেন না এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘আদম’ চলচ্চিত্রে কাজ করতে যাচ্ছেন তিনি। নাসরিন বলেন, সিনেমায় কেমন করে দেখবেন আমাকে? এখন কি আর সেই দিন আছে!

যখন আমরা কাজ করতাম তখন আমাদের অভিনয় দেখে পরিচালক এবং প্রযোজকরা ডাকতো। আর এখন অভিনয় জানে না তারাই বেশি কাজ করছেন। বলেন এরকম যদি হয় তাহলে আমাদের জায়গা হবে কোথায়?‘অগ্নিশথপ’ ছবির মাধ্যমে নাসরিনের রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় ১৯৯২ সালে।

তারপর নাসরিনের পরিচিতি আসে প্রয়াত দিলদারের সঙ্গে জুটি বেঁধে। দিলদার মারা যাবার পর কাবিলার সঙ্গেও জুটি বেঁধে নতুন করে আলোচনায় ছিলেন তিনি। বেশকিছু ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রেও তাকে দেখা গেছে।

বিয়ের কয়েকদিন না যেতেই কষ্টটা এখন কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে নুসরাতকে !

সুদূর তুরস্কের মাটিতে একটা রূপকথার জন্ম হয়েছিল ৷ পূর্ণতা পেয়েছিল একটা স্বপ্ন ৷ গত ১৯ জুন সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন নিখিল-নুসরাত।ঘটা করে বিয়ে সেরে কলকাতায় ফিরেই অবশ্য নিজের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন সদ্য নির্বাচিত তারকা সাংসদ নুসরাত। দিল্লিতে গিয়ে শপথ নিয়েছন ৷ পাশপাশি নিজের কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজেও ব্যস্ত ছিলেন নুসরাত।

শেষমেশ গত ৪ জুলাই কলকাতার একটি অভিজাত হোটেলে রিসেপশনের আয়োজন করেছিলেন নবদম্পতি ৷ সেখানে উপস্থিত ছিলেন বহু হেভিওয়েট তারকা।বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতেই রয়েছেন। পাকা গৃহিণীর মতো সুখে ঘরকন্না করছেন ৷ নুসরাত রান্না করতে খুব ভালবাসেন ৷ মাঝেমধ্যেই তাই নিজের হাতে রেঁধে খাওয়াচ্ছেন নতুন পরিবারের সদস্যদের।

তবে নতুন নিখিল-নুসরাতের নতুন ফ্ল্যাটের কাজও চলছে জোরকদমে। সেই কাজ শেষ হলেই নতুন করে সংসার পাতবেন দুই লভবার্ডস। সব মিলিয়ে নতুন সংসার চুটিয়ে এনজয় করছেন এই তারকা দম্পতি।তবে তারমধ্যেও কখনও সখনও মন খারাপের মেঘ জমা হচ্ছে বুকের মধ্যে। তার কারণ একটা। সমস্ত মেয়েকেই এই পর্বটার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। নিজের জায়গা, নিজের পরিবার, নিজের শিকড় ছেড়ে চলে যাওয়াটা সব সময়ই কষ্টের।

এই কষ্টটাই এখন কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে তাঁকে। মিস করছেন পরিবার আর কাছের মানুষদের। মন ভাল নেই তাঁর।নুসরাত : ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে শেয়ার করলেন বোনের সঙ্গে তোলা ছবি।লিখলেন ‘মিস ইউ’। আর একটি ছবিতে ধরা পড়ল দুই বোনের মিষ্টি কেমিষ্ট্রি। ক্যাপশনে নুসরাত লিখলেন, ‘সব সময় আমার।

অভাবের তাড়নায় রিকশার গ্যারেজ দিয়েছেন চিত্রনায়িকা চম্পা ! রিকশা গার্ল

গাজীপুরের কবিরপুর এলাকায় গড়ে ওঠা বস্তিতে রিকশার গ্যারেজ দিয়েছেন চিত্রনায়িকা চম্পা। তবে কী জীবিকার তাগিদে রিকশার গ্যারেজ দিয়েছেন এক সময়ের পর্দা কাঁপানো এই অভিনেত্রী? বিষয়টি আসলে তা নয়, ছবির প্রয়োজনেই তার এই গ্যারেজ।

অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ‘রিকশা গার্ল’ ছবির জন্যই রিকশা গ্যারেজের মালিক হয়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে এর শুটিং চলছে গাজীপুরের কবিরপুর এলাকার বঙ্গবন্ধু ফিল্ম সিটিতে।চম্পা বলেন, ‘বরাবরই অমিতাভ রেজার কাজের ভাবনা খানিকটা আলাদা, এটা সবারই জানা। আমি ওর কাজের ভীষণ ভক্তও বলা যায়। ছবিতে আমার চরিত্র খুব বেশি বড় না। তবে চরিত্রের গভীরতা আর বৈচিত্র্য অনেক। শুটিংয়ের প্রয়োজনে এখানে পুরো একটি বস্তি তৈরি করা হয়েছে। দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি আসল না শুটিং।’

চম্পা আরও বলেন, ‘এতে আমি ভিন্ন ধারার চরিত্রে অভিনয় করছি। আমার মধ্যে একটু পুরুষালী ভাব আছে। স্বামী মা*রা যাওয়ার পর, তার রিকশা গ্যারেজের দায়িত্ব নিই। দারুণ একটি কাজ হচ্ছে। আশা করি, দর্শকদের ভালো লাগবে।’এদিকে ছবিটি তৈরি হচ্ছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন লেখিকা মিতালি পারকিনসের ‘রিকশা গার্ল’ উপন্যাস অবলম্বনে। এরই মধ্যে ছবির প্রায় ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানান নির্মাতা অমিতাভ রেজা।

চম্পার পাশাপাশি এই ছবিতে আরও অভিনয় করছেন মোমেনা চৌধুরী, নরেশ ভূঁইয়া, নাসির উদ্দিন খান, অ্যালেন শুভ্র, নভেরা চৌধুরী, রূপকথা, অশোক বেপারীসহ অনেকে। জানা গেছে, ছবির অতিথি চরিত্রে অভিনয় করবেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। আগামী বছর শুরুর দিকে ‘রিকশা গার্ল’ মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানান এর নির্মাতা।

বাংলাদেশের মানুষের কাছে এতো ভালোবাসা পেয়েছি সেটা ভোলার নয়: দেব !

বাংলাদেশের মানুষের কাছে এতো ভালোবাসা পেয়েছি সেটা কখনো ভোলার মতো নয় বলে জানিয়েছেন টলিউড সুপারস্টার ও তৃণমূল সাংসদ দেব।
দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে দেব বলেছেন, সারা দুনিয়াতে এমন দেশ নেই, আমি তিনবার গিয়েছি ওই দেশে অভিনেতা হিসেবে এবং সাংসদ হিসেবে। আর প্রত্যেক বার মানুষের সারল্য আর ভালোবাসা আর আতিথেয়তা আমাকে মুগ্ধ করেছে।

দেব বলেন, এমন দেশ কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।কথা প্রসঙ্গে দেব জানান, কিভাবে একবার তার ক্ষুধা নিবারণ করেছিলে অতিথিবৎসল বাংলাদেশের মানুষ।‘আমার এখন একটি ঘটনা খুব মনে পড়ে বুনোহাঁস এর শুটিং চলাকালীন বাংলাদেশের শুটিং ফ্লোরে আমার প্রচণ্ড খিদে পেয়েছিল। আমি আমার প্রোডাকশনকে সেটা জানাই এবং এই সময়ে যে বিল্ডিং এর শুটিং টা হচ্ছিল তার উপরের ফ্লোর থেকে একটি পরিবার আমার জন্য রান্না করে ১০ মিনিটের মধ্যে আমাকে খাইয়ে ছিল। তো, সেই আতিথিয়তা আমি কখনো ভুলব না। এতো ভালোবাসা পেয়েছি সেটা কখনো ভোলার মতো না।’

সম্প্রতি দেব প্রযোজনার কাজ শুরু করেছেন।‘আমি মাধ্যমে এটাই বলতে চাই যৌথ প্রযোজনায় একটি ভালো স্ক্রিপ্ট যদি আমার কাছে আসে তাহলে আমি সেটা নিয়ে কাজ করতে চাই’
দেবের ধারণা যৌথ প্রযোজনায় কাজ যত বেশি হবে তত দুই দেশের সংস্কৃতি আদান-প্রদান বাড়বে।দেবের সাথে আলাপের সময় দেব বললেন, বাংলাদেশে অনেক ভালো কাজ হচ্ছে কিন্তু নানা জটিলতার কারণে কলকাতার মানুষ সেই ভালো কাজ দেখতে পান না।

‘আমি চাই আরো কাজ হোক। আমি আমার প্রযোজনা করা ছবি ককপিটে বাংলাদেশ অভিনেতা রোশনকে নিয়েছিলাম ভবিষ্যতে আরও বাংলাদেশের অভিনেতা অভিনেত্রীদের সাথে কাজ করতে চাই।’ বলেন দেব।

বিয়ের পর সিঁদূর পরলেও আমার ঈমান ঠিক আছে : নুসরাত

পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরপরই বিয়ে করেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। তার স্বামীর নাম নিখিল জৈন। গত মাসে বিয়ে হয় তুরস্কে। বিয়ের পর মাথায় সিঁদূর নিয়ে দেশে ফেরার পর মুসলিম এই অভিনেত্রীকে নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়। এবার সেই সমালোচনার জবাব দিলেন তিনি।

গত ১৯ জুন সন্ধ্যায় তুরস্কের রোমান্টিক শহর হিসেবে পরিচিত বোদরুমের সিক্স সেন্সেস কাপলাঙ্কায়া রিসোর্টে অগ্নিসাক্ষী রেখে বিয়ে করেন নুসরাত ও নিখিল। পরদিন একই স্থানে খ্রিষ্টান রীতিতে বিয়ে হয় তাদের।নুসরাতের বিয়ের পর এক আলেম বলেন, ‘নুসরাত আর কোনোভাবেই মুসলিম নেই। সে একজন জৈন ধর্মাবলম্বীকে বিয়ে করেছে এবং মাথায় সিঁদূর পড়েছে। যা হিন্দু মতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’ ইসলামের প্রতি বিশ্বাস ছিল না বলে তিনি নুসরাত এমন কাজ করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতের জনপ্রিয় টিভি অনুষ্ঠান ‘আপ কি আদালতে’ নুসরাতকে আলেমের এমন মন্তব্যের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মমতার বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস থেকে প্রথমবারের মতো এমপি হওয়া নুসরাত বলেন, ‘আমার ধর্ম এবং বিশ্বাস (ঈমান) কেড়ে নেয়ার অধিকার কারো নেই।’নুসরাত জাহান আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, ‘আমার সঙ্গে আল্লাহর সরাসরি কোনো যোগাযোগ নেই, তাই আমি মনে করি অন্যান্যদেরও প্রত্যক্ষ কোনো যোগাযোগ (আল্লাহর সাথে) নেই। ধর্ম হলো বিশ্বাসের ব্যাপার আর আমার বিশ্বাস পাক্কা। সিঁদূর এবং মঙ্গলসূত্র পরে আমি আমার বিশ্বাস হারাইনি।’

সম্প্রতি রথযাত্রার সময় ‘মঙ্গল আরতি’ সম্পন্ন হয়েছে নুসরাত জাহানের। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নুসরাতের দল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাপধ্যায়। আর উপস্থিত ছিলেন টলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং লোকসভার সদস্য মিমি চক্রবর্তীসহ অন্যান্যরা।নুসরাত জাহান বলেন, ‘আমি একবার রথযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছিলাম। তখন চারপাশে গুঞ্জন উঠেছিল আমি নাকি ধর্মান্তরিত হয়েছি। তখন আমি বিবাহিত ছিলাম না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমি এটা বিশ্বাস করি যে, ধর্ম মানুষের মন থেকে আসে, মস্তিষ্ক থেকে নয়।

তৃণমূল দলীয় ওই এমপি আরও বলেন, ‘ইসলাম আমার ধর্ম, যা আমি আমার বাবা এবং আমার পরিবার থেকে পেয়েছি। আমি হাদিস এবং পবিত্র কোরআন পড়েছি। আমার বাবা আমাকে শিখিয়েছেন, ধর্ম আসে মানুষের মন থেকে।

ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় কমেডি অভিনেতা দিলদারের মৃ*ত্যুবার্ষিকী আজ !

তিনি ছিলেন ঢাকাই সিনেমার ব্র্যান্ড। যতো বড় নায়ক-নায়িকারই ছবি হোক না কেন পোস্টারে দিলদার ছিলেন অবধারিত। ইন্ডাস্ট্রির মানুষেরা তাকে সিনেমার ‘পোস্টারম্যান’ হিসেবেও সম্মান দেখাতেন।সিনেমাতে তার উপস্থিতি মানেই বাড়তি বিনোদনের আহ্বান। গল্পে আর চরিত্রে তিনি দুঃখ ভুলানো মানুষ। ছবি দেখতে দেখতে কষ্ট-বেদনায় মন যখন আচ্ছন্ন হয়ে থাকতো তখনই তিনি হাজির হতেন হাসির সুবাস ছড়িয়ে।

বাস্তবতার দৈনন্দিন ঘানি টানা শেষে ক্লান্ত শরীরে সাধারণ দর্শক যখন তার অভিনয় দেখতেন, তখন তারা মুগ্ধ হতেন, প্রাণ খুলে হাসতেন, ভুলে যেতেন সারা দিনের সব কষ্ট। তার হাঁটা-চলা, বাচন ভঙ্গি, অভিনয়ের সাবলীলতার পরতে পরতে থাকতো আনন্দের ছড়াছড়ি।শুধু তাই নয়, তার অভিনীত চলচ্চিত্রের কাহিনিতে কিংবা নায়ক-নায়িকার অভিনয় দক্ষতায় ঘাটতি থাকলেও দর্শক সেটি দেখতে এতটুকু বিরক্ত হননি। এমনকি অনেক চলচ্চিত্রের শেষ দৃশ্যে তার সংলাপ দিয়েই কাহিনির শেষ হওয়াটা স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছিল এই ইন্ডাস্ট্রিতে।

তিনি দিলদার। একটা সময় ছিলো যখন, কেউ কাউকে হাসালেই তাকে ‘দিলদার’ উপাধি দেয়া হতো। বলা চলে প্রবাদে পরিণত হয়েছিলেন এই অভিনেতা। আশি-নব্বই দশকের চলচ্চিত্রে দিলদার আর কৌতুক হয়ে ওঠেছিলো সমার্থক।অনেকদিন হলো তিনি আর বেঁ*চে নেই। তাকে আর মনেও পড়ে না তেমন করে। নিরবেই চলে যায় এই অভিনেতার জন্ম-মৃ*ত্যুদিন। আজ ১৩ জুলাই দিলদারের ১৬তম মৃ*ত্যুবার্ষিকী। আজও সিনেমাপাড়ায় তেমন কোনো আয়োজন চোখে পড়েনি তাকে নিয়ে।

২০০৩ সালের এই দিনে ৫৮ বছর বয়সে তিনি জীবনের মায়া কাটিয়ে চিরদিনের মতো পৃথিবী ত্যা*গ করেন। এতগুলো বছর পেরিয়েও দর্শকের মনে দিলদার থেকে গেছেন অসংখ চলচ্চিত্রে তার দু*র্দান্ত অভিনয়ে; কৌতুক অভিনেতার কিংবিদন্তি হয়ে।

১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন দিলদার। তিনি এসএসসি পাশ করার পর পড়াশোনার ইতি টানেন।১৯৭২ সালে ‘কেন এমন হয়’ নামের চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয় জীবন শুরু করেন দিলদার। আর পেছনে ফিরে তাকাননি তিনি। অভিনয় করেছেন ‘বেদের মেয়ে জোসনা’ ‘বিক্ষোভ’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘কন্যাদান’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘সুন্দর আলীর জীবন সংসার’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘আনন্দ অশ্রু’, ‘শান্ত কেন মা*স্তান’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে।দিলদারের জনপ্রিয়তা এতটাই তুঙ্গে ছিল যে, তাকে নায়ক করে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘আব্দুল্লাহ’ নামে একটি চলচ্চিত্র। নূতনের বিপরীতে এই ছবিতে বাজিমাত করেছিলেন তিনি। দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো ছবিতে ঠাঁই পাওয়া গানগুলো।

সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে ২০০৩ সালে ‘তুমি শুধু আমার’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুবাদে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও লাভ করেন। জীবনভর অভিনয় করে যে বছর সেরার স্বীকৃতি পেলেন সে বছরই তিনি দেশ বিদেশে বাংলা ছবির কোটি কোটি দর্শককে শোক সাগরে ভাসিয়ে চলে গেলেন আর না ফেরার দেশে।তার মৃ*ত্যুর পর আরও অনেক কৌতুক অভিনেতাই এসেছেন, আবার সময়ের স্রোতে হারিয়েও গেছেন। কিন্তু কেউই দিলদারের অভাব পূরণ করতে পারেননি।নন্দিত এই অভিনেতাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে। সূত্র: জাগো নিউজ

বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন শ্রদ্ধা কাপুর! পাত্র তার শ্রেষ্ঠ বয়ফ্রেন্ড !

আগামী বছরই নাকি বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন শ্রদ্ধা কাপুর! খবরটা শুনেছেন? বহুদিন ধরেই সেলিব্রিটি ফটোগ্রাফার রোহন শ্রেষ্ঠার সঙ্গে শ্রদ্ধা কাপুরের প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। শোনা যাচ্ছে, রোহনের সঙ্গেই নাকি সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন শক্তি কাপুর কন্যা।

ফারহান আখতারের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার পর বি-টাউনে বহুদিন ধরেই শ্রদ্ধা-রোহনের সম্পর্কের কথা শোনা যাচ্ছিল। ২০১৮ থেকে নাকি সম্পর্কে রয়েছেন তাঁরা। যদিও বিয়ের বিষয়ে মুখ খোলেননি দুজনের কেউই। উপরন্তু শক্তি কাপুর পুরোটাকেই গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।

মেয়ের বিয়ের বিষয়ে শক্তি কাপুরের বক্তব্য, “এ খবরই মিথ্যে। আগামী ৪-৫ বছর বিয়ের কথা ভাবছেই না শ্রদ্ধা। এই মুহূর্তে প্রচুর ছবি রয়েছে ওর হাতে। আগামী ২ বছর পর্যন্ত ওর শিডিউল ভর্তি।” অপরদিকে আবার শোনা যাচ্ছে শ্রদ্ধার মা শিবাঙ্গী কাপুর মেয়ের বিয়ের ব্যপারে অনেক কিছু ভেবে রেখেছেন।

ইতিমধ্যেই বিয়ের তোড়জোড়ও নাকি শুরু হয়ে গিয়েছে কাপুর বাড়িতে। ফারহানের সঙ্গে সম্পর্কে ভাঙার পর শ্রদ্ধা আর দেরি করতে চাইছেন না। শ্রদ্ধা চাইছেন দেরি না করে রোহনের সঙ্গে এবার বিয়েটা সেরে ফেলতে। তবে শ্রদ্ধাও নাকি ঠিক করেছেন অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মতো বিয়ের পরেও অভিনয় বজায় রাখবেন।

এর আগে শ্রদ্ধার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে রোহন বলেছিলেন, “গত ৯ বছর ধরে আমাদের খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু আমি ওকে ডেট করছি না। একটা পার্টিতে আমি প্রথম ওকে দেখি। প্রথম দেখাতেই খুব মিষ্টি লেগেছিল ওকে। কিন্তু আমরা শুধুই ভাল বন্ধু।”প্রসঙ্গত, রোহন শ্রেষ্ঠা হয় খ্যাতনামা ফটোগ্রাফার রাকেশ শ্রেষ্ঠার ছেলে। রোহন নিজেও একজন সেলিব্রিটি ফটোগ্রাফার। এবছরের শেষে কিংবা ২০২০র প্রথমেই রোহন ও শ্রদ্ধা সাত পাকে বাঁধা পড়বেন বলে খবর শোনা যাচ্ছিল।

শ্রদ্ধা কাপুর
এদিকে সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে প্রভাস ও শ্রদ্ধা কাপুর অভিনীত ‘সাহো’র টিজার ও প্রথম গান। এটি শ্রদ্ধার প্রথম দক্ষিণী ছবি। এছাড়াও আগামী বছর মুক্তি পাবে ‘স্ট্রিট ডান্সার 3D’ ও ‘বাঘি 3’ সহ শ্রদ্ধার বেশ কয়েকটি ছবি।

এবার যে চমক দিতে দেশে ফিরছেন শাবনূর !

শাবনূর। ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সফল নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম একজন তিনি। শাবনূর পরবর্তী সময়ে আর কোনো নায়িকা তার সমান জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেনি। চলচ্চিত্রে সালমান শাহ্‌র অকাল মৃত্যুর পর রিয়াজ, শাকিল খান, ফেরদৌস ও শাকিব খানের সঙ্গে জুটি হয়ে অসংখ্য হিট ছবি উপহার দিয়েছেন শাবনূর। তার অভিনীত বেশির ভাগ ছবিই ব্যবসা সফলতা পায়।

এমনকি নাম ভূমিকায় একাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ইন্ডাস্ট্রিতে চাউর আছে অনেক নায়কই শীর্ষে যেতে পেরেছেন কেবল শাবনূরের বিপরীতে নায়ক হওয়ার কারণেই। বর্তমানে এ অভিনেত্রী অস্ট্রেলিয়াতে রয়েছেন। কাজ শুরু করবেন বলেও নানা কারণে অনেকদিন কাজ থেকে দূরে তিনি। মুঠোফোনে সম্প্রতি বর্তমান ইন্ডাস্ট্রির হালচাল নিয়ে কথা বলেছেন শাবনূর।

তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে এখন অনেকে বেশ ভালো কাজ করছেন। নতুনদের বেশি বেশি সুযোগ দিতে হবে। নতুন অভিনয়শিল্পী তৈরি করতে হবে আমাদের। সেক্ষেত্রে প্রযোজকদের অবদান অবশ্যই অন্যতম।আর পরিচালক তো শিল্পী তৈরির কারিগর। এখন একটা বিষয় শুনে আমার আফসোস হয় যে, একজন শিল্পীর সঙ্গে অন্য শিল্পীর ভাতৃত্ববোধ কমে গেছে। আবার দু’-একটি হিট ছবি দিয়েই পারিশ্রমিক দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে কারো কারো।

এটা ইন্ডাস্ট্রির জন্য শুভদিক না। অবশ্যই পারিশ্রমিক বাড়বে একজন শিল্পীর। তবে তারও একটা সীমা থাকা উচিত। শাবনূর আরো জানান, আগে ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচাতে হবে। তারপর তো পারিশ্রমিকের বিষয়। এখন ছবির সংখ্যা খুবই কম। তাই সকলের বিষয়টিতে নজর দেয়া উচিত। শুধু কোনো নায়িকা না, নায়কদেরও ইন্ডাস্ট্রিতে এক হয়ে কাজ করতে হবে। সকলে মিলে কাজ করলেই ইন্ডাস্ট্রি ঘুরে দাঁড়াবে।

শাবনূর বলেন, আমি অস্ট্রেলিয়ায় আমার ছেলে আইজানকে নিয়ে ভালো আছি। অস্ট্রেলিয়ায় বেশিদিন থাকতে ইচ্ছা করে না। কয়েকদিন পরই দেশে ফিরব। দেশে এলে সিনেমা দেখা হয় আমার।এই যেমন জয়া আহসান, সিয়াম, পূজার অভিনীত ছবিগুলো মাঝে দেখেছি। মাঝে মাহির অভিনীত ছবিও দেখেছি। তাদের কাজ ভালো লেগেছে আমার। বর্তমানে ভালো কাজ হচ্ছে। এখন তো বাংলা সিনেমা বিদেশেও মুক্তি পাচ্ছে। দর্শক বেড়েছে।

সবশেষ মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত ‘এত প্রেম এত মায়া’ ছবিতে গান গেয়েছেন শাবনূর। এ ছবির কিছু অংশের কাজ হয়েছে। বাকি কাজও শেষ করার কথা রয়েছে তার। অভিনয়ের বাইরে পরিচালনাও করার ইচ্ছা আছে বলে জানান তিনি। তবে সে বিষয়ে ঘটা করে সামনে ঘোষণা দিতে চান।