মৃত্যুর পর বাবার কথাই সত্যি হলো : সুবীর নন্দীর মেয়ে !

পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে গেলেন নন্দিত কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী। সিঙ্গাপুরে গত ৭ মে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। আজ বুধবার, ৮ মে সকালে দেশে পৌঁঁছেছে তার মরদেহ।জাতির পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার সকাল ১১টায় শহীদ মিনারে নিয়ে যাওয়া হয় সুবীর নন্দীর মরদেহ।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে শেষবারের মতো শিল্পীকে শ্রদ্ধা জানাতে আসেন নানা অঙ্গনের তারকা ও আপামর সাধারণ জনতা।এ সময় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বাবার মৃতদেহ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় সুবীর নন্দীর মেয়ে ফাল্গুনী নন্দীকে। তার চোখের দৃষ্টিতে বাবার হারানোর অসহায়ত্ব। মলিন মুখ। পৃথিবীর সেরা প্রিয় মানুষটিকে হারিয়ে তিনি শোকে কাতর।

তবু গণমাধ্যমের অনুরোধে কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে কথা বললেন। ফাল্গুনী বলেন, ‘আমাদের কেউ আর রইলো না। বিশেষ করে আমাকে সারাক্ষণ আগলে রাখতেন বাবা। কলিজার চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন। আমার একটু কষ্ট হলে পাগল হয়ে যেতেন। আমাকে পড়াশোনা করিয়েছেন। কিন্তু আমি যখন চাকরি করতে চাইলাম দিলেন না। বললেন আমার নাকি কষ্ট হবে। এই যে এখন আমাকে রেখে চলে গেলেন আমার এত খেয়াল কে করবে।’

চোখ মুছতে মুছতে ফাল্গুনী আরও বলেন, ‘অবশ্য বাবা জীবনের শেষ দিনগুলোতে আমাকে অনেক কিছু শিখিয়ে গেছেন। লড়াই করা শিখিয়েছেন। শেষ ২৪টা দিন বাবা জীবনের জন্য মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছেন।তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে সেটা খুব কাছ থেকে দেখলাম। তার এই লড়াই যেন তিনি আমার জন্য শিক্ষা হিসেবে রেখে গেলেন। এখন মনে হয় আমি বাবাকে ছাড়াই একা চলতে পারবো। সব করতে পারবো।’

ফাল্গুনী তার বাবার দেশপ্রেমের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘বাবা এই দেশের প্রেমে অন্ধ ছিলেন। তিনি গর্ববোধ করতেন বাংলাদেশি হিসেবে। একবার তার খুব অসুখ। আমেরিকায় উন্নত চিকিৎসার সব বন্দোবস্ত হলো। তিনি গেলেন। কিন্তু চিকিৎসা শুরুর আগেই হাঁপিয়ে গেলেন। আমেরিকা ছেড়ে চলে এলেন।
আমার কানে এখনো বাজছে তিনি বলেছিলেন- সালাম আমেরিকা। আমি নিজের দেশে ফিরে গেলাম। সেখানে চিকিৎসা নেব।

মরলে নিজের মায়ের কোলেই মরবো। তাকে বোঝানো যায়নি। দেশের প্রতি ভালোবাসার তার জেদ আমৃত্যু ছিল।
আমি বলতাম দেশ নিয়ে এত আবেগ কেন তোমার। তিনি বলতেন, এই দেশের মানুষ ভালোবাসতে জানে, সম্মান করতে জানে। তিনি বলতেন কথায় কথায়, ‘দেখিস এই দেশ ও দেশের মানুষ তোর বাবাকে সম্মান করবে। এখানে গুণের কদর আছে।আজ বাবার মৃত্যুর পর রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের মানুষের যে ভালোবাসা আমি দেখছি তাতে বারবার ভাবছি বাবার কথাই তো সত্যি হলো। আজীবন মন থেকে ভালোবাসলে সেটা ফেরত পাওয়া যায়। বাবা পাচ্ছেন।

এই দেশ ও দেশের মানুষ তার অুসস্থ হওয়া থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত হৃদয় উজার করে ভালোবাসা দিচ্ছেন। বাবা সেই ভালোবাসায় শান্তিতে ঘুমান।’
প্রসঙ্গত, নন্দিত কণ্ঠশিল্পী সুবীর নন্দী ৪০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গেয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি গান। বেতার থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রেও উপহার দিয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। ১৯৮১ সালে তার প্রথম একক অ্যালবাম ‘সুবীর নন্দীর গান’

ডিসকো রেকর্ডিংয়ের ব্যানারে বাজারে আসে। তবে চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম গান করেন ১৯৭৬ সালে আব্দুস সামাদ পরিচালিত ‘সূর্যগ্রহণ’ চলচ্চিত্রে।চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করে চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন তিনি। আর চলতি বছরে সংগীতে অবদানের জন্য । বাংলাদেশ সরকার সুবীর নন্দীকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করেছে।

সকল গুঞ্জন উপেক্ষা করে অবশেষে তৃতীয় বিয়ে করেই ফেললো শ্রাবন্তী।

সব গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়ে এবার সত্যিই সাতপাকে বাঁধা পড়লেন ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী। এটি তার তৃতীয় বিয়ে। বেশকিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে বেশ আলোচনা সমালোচনা চলছিল। এবার বিয়ে নিয়ে তিনি নিজেই মুখ খুললেন।

গেল ১৯ এপ্রিল বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রাবন্তী। তবে তা কলকাতায় নয়, চণ্ডীগড়ে। শ্রাবন্তীর বর রোশন সিং জেট এয়ারওয়েজ এর কেবিন ক্রু সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি তিনি কিক ফিটনেস জিমনেশিয়ামের মালিক। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে গত ২৩ এপ্রিল কলকাতায় ফিরেছেন শ্রাবন্তী।

আজ মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) শ্রাবন্তী তার ফেসবুকে নিজের গায়ে হলুদ ও বিয়ের বেশকিছু ছবি প্রকাশ করেছেন। সেখানে বেশ হাস্যোজ্জল থাকতে দেখা যায় এই অভিনেত্রীকে। পারিবারিকভাবেই তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তাদের গায়ে হলুদ ও বিয়েতে পরিবারের সবাই উপস্থিত ছিলেন।
শ্রাবন্তী বলেন, দু’বছর আগে থেকেই কমন বন্ধুদের মাধ্যমে রোশনকে চিনতাম। একটি বিমান সংস্থার কেবিন ক্রু সুপারভাইজার। কিন্তু কথা হয়নি তখন। তারপর একবার বাংলাদেশ থেকে ফেরার পথে প্লেনে তার সাথে দেখা। সেখান থেকেই কথা, পরিচয় তারপর বন্ধুত্ব। আমাদের দুজনের জন্মদিন ও সাল একই বছরে। এছাড়াও আমাদের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। দুই পরিবারের সিদ্ধান্তেই আমরা বিয়ে করি।

তিনি আরও বলেন, আসলে আমি জ্যোতিষে বিশ্বাস করি। আমার জ্যোতিষী, যেখানে জন্ম তার কাছাকাছি বিয়ের অনুষ্ঠান করতে বলেছিলেন। আমার অমৃতসরে জন্ম। তার কাছে চন্ডিগড়ে বিয়ে করলাম। জ্যোতিষী এটাও বলেছিলেন যে, আমি যেন বাঙালি প্রথায় আগুনের সামনে বসে বিয়ে না করি।তাই আমি পাঞ্জাবি রীতিতে বিয়ের কাজ শেষ করেছি। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়েছে। বিয়েতে নজর লেগে যায় তাই লুকিয়েই বিয়ে করেছি। কলকাতায় আমার অনেক শুভাকাঙ্খী আছে। আমি চাইনি আমার জীবনে কেউ হস্তক্ষেপ করুক। তাই লুকিয়ে পাঞ্জাবী রীতিতে বিয়ে করেছি।

তিনি বলেন, কলকাতায় এখনও কোন অনুষ্ঠান করিনি। ‘আরবানা’-তে নতুন একটা ফ্ল্যাট নিয়েছি। এখন ইন্টিরিয়রের কাজ চলছে। সেটা শেষ হলে নতুন ফ্ল্যাটে বন্ধুদের ডেকে একটা ছোট্ট অনুষ্ঠান করব।বিয়ে নিয়ে শ্রাবন্তীর ছেলে ঝিনুকের কোন আপত্তি নেই বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, আমি কখনও ঝিনুকের মতামত ছা়ড়া কাজ করি না। সে অনেক খুশি। ও চায় আমি যেন ভাল থাকি। আর এখন তো রোশন আর ঝিনুকের মধ্যে খুব ভালো সম্পর্ক। বন্ধুর মত মিশে তারা দুজন।

উল্লেখ্য, ২০০৩ সালে নির্মাতা রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে শ্রাবন্তীর প্রথম বিয়ে হয়। রাজীব-শ্রাবন্তীর ঘরে একটি ছেলেও রয়েছে। নাম ঝিনুক। রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে শ্রাবন্তীর বিয়ে করেন মডেল কৃষণ ব্রজকে। বিয়ের কিছু দিনের মধ্যেই শুরু হয় মনোমালিন্য। এই বিচ্ছেদের কারণ অবশ্য কেউই স্পষ্ট করেননি। গত জানুয়ারিতে কৃষণের সঙ্গে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়ে যায় শ্রাবন্তীর।

অবশেষে দ্বিতীয় স্বামীর সাথেই লন্ডনে গেলেন সালমা !

এবার সালমাও অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্বামীর সঙ্গে লন্ডনে পাড়ি দিয়েছেন। গত সোমবার (২৯ এপ্রিল) রাতে লন্ডনের উদ্দেশ্যে রওনা করেন সালমা-সাগর দম্পতি।

এ প্রসঙ্গে সালমা বলেন, ‘চলতি মাসের শুরুর দিকে দেশে আসে সাগর। সে দেশের আসার পর লন্ডনে যাওয়া বিষয়টি ঠিক করি। ঈদের আগে আর দেশে আসছি না।এ সময়টাতে লন্ডনের বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করবো। তবে রোজার মধ্যে খুব একটা সম্ভব হবে না। এ সময়টাতে ইবাদত করতে হবে।‘

প্রথম সংসারে ভাঙনের পর বেশ কঠিন সময় পার করেছেন সালমা। গেলো ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর ফের সংসার সাজিয়েছেন তিনি। তার দ্বিতীয় স্বামীর নাম সানাউল্লাহ নূরে সাগর। বার–অ্যাট–ল ডিগ্রির জন্য যুক্তরাজ্যে আছেন তিনি।তিনি আরও বলেন, ‘কোনো গানের কাজে যাচ্ছি না। তবে সেখানে গিয়ে যদি ভালো কোনো আয়োজনের প্রস্তাব পাই তাহলে গান করতেও পারি।

তবে সেটা অবশ্যই ঈদ আয়োজনে। কবে ফিরবো এখনই ঠিক বলতে পারছি না। ঈদের পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। বিয়ের পরে স্বামীর সঙ্গে এটিই আমার প্রথম লন্ডনযাত্রা।‘

এবার শ্রাবন্তির ৩য় বারের মত যার সাথে বিয়ে হচ্ছে !

ফের বিয়ে করছেন শ্রাবন্তী। তাঁর বর্তমান প্রেমিক রোশন সিংহকেই। শোনা যাচ্ছে, পয়লা বৈশাখ অর্থাৎ গত সোমবারেই বাগদান হয়ে গিয়েছে তাঁদের। তবে একেবারেই চুপিচুপি। কাউকেই কিছু জানাননি শ্রাবন্তী। প্রায় এক বছর সম্পর্কে থাকার পরেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন এই জুটি।

শুক্রবারই বিয়ে করবেন তাঁরা। কিন্তু কলকাতায় নয়। এই সিদ্ধান্ত সম্ভবত গোপনীয়তার কারণেই। ইতিমধ্যেই চণ্ডীগড়ে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা। রোশনের বাড়ি সেখানেই। চণ্ডীগড়েই বিয়ে করছেন শ্রাবন্তী ও রোশন। কলকাতায় ফিরছেন আগামী সপ্তাহের মধ্যেই।

এর আগে দু’বার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে শ্রাবন্তীর। পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর প্রথম বিয়ে হয় ২০০৩ সালে। রাজীব-শ্রাবন্তীর ছেলেও রয়েছে, ঝিনুক। তবে মায়ের সঙ্গেই থাকে ছেলে।রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে শ্রাবন্তীর সম্পর্ক হয় মডেল কৃষণ ব্রজের সঙ্গে। মহাসমারোহে বিয়েও করেন তাঁরা। গত জানুয়ারিতে কৃষণের সঙ্গে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়ে যায় শ্রাবন্তীর।এই বিয়েতে ছেলে ঝিনুকের সায় আছে বলেও অনেকেই বলছেন। কারণ, ছেলের অমতে শ্রাবন্তী বিয়ে করবেন না।

এবার শ্রাবন্তির ৩য় বারের মত যার সাথে বিয়ে হচ্ছে !

ফের বিয়ে করছেন শ্রাবন্তী। তাঁর বর্তমান প্রেমিক রোশন সিংহকেই। শোনা যাচ্ছে, পয়লা বৈশাখ অর্থাৎ গত সোমবারেই বাগদান হয়ে গিয়েছে তাঁদের। তবে একেবারেই চুপিচুপি। কাউকেই কিছু জানাননি শ্রাবন্তী। প্রায় এক বছর সম্পর্কে থাকার পরেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন এই জুটি।

শুক্রবারই বিয়ে করবেন তাঁরা। কিন্তু কলকাতায় নয়। এই সিদ্ধান্ত সম্ভবত গোপনীয়তার কারণেই। ইতিমধ্যেই চণ্ডীগড়ে পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা। রোশনের বাড়ি সেখানেই। চণ্ডীগড়েই বিয়ে করছেন শ্রাবন্তী ও রোশন। কলকাতায় ফিরছেন আগামী সপ্তাহের মধ্যেই।

এর আগে দু’বার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে শ্রাবন্তীর। পরিচালক রাজীব বিশ্বাসের সঙ্গে তাঁর প্রথম বিয়ে হয় ২০০৩ সালে। রাজীব-শ্রাবন্তীর ছেলেও রয়েছে, ঝিনুক। তবে মায়ের সঙ্গেই থাকে ছেলে।রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে শ্রাবন্তীর সম্পর্ক হয় মডেল কৃষণ ব্রজের সঙ্গে। মহাসমারোহে বিয়েও করেন তাঁরা। গত জানুয়ারিতে কৃষণের সঙ্গে বিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়ে যায় শ্রাবন্তীর।এই বিয়েতে ছেলে ঝিনুকের সায় আছে বলেও অনেকেই বলছেন। কারণ, ছেলের অমতে শ্রাবন্তী বিয়ে করবেন না।

আজকের রাশিফল :আজকের দিনটি আপনার কেমন যাবে?

রাশিফল মূলত, পুরাতন জ্যোতিষ শাস্ত্রের এমন একটি ধরণ, যার মাধ্যমে বিভিন্ন সময়কালের ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়। তবে মনে রাখতে হবে, মানুষের কর্মই নিয়ন্ত্রণ করে তার ভাগ্যকে।
আসুন, রাশিচক্র অনুযায়ী জেনে নেয়া যাক আজকের দিনটি আপনার কেমন যাবে?

মেষ রাশি (২১ মার্চ – ২০ এপ্রিল): আজ বকেয়া টাকা আদায় করার চেষ্টা করুন। খুচরা ও পাইকারী ব্যবসায়-বাণিজ্যে ভালো আয় হবে। খাদ্য ও পানিয়ের ব্যবসা শুভ। বাড়িতে আত্মীয়-স্বজনের আগমনের যোগ রয়েছে। কোনো আপ্যায়নে অংশ নিতে পারেন। মিষ্টি ও বেকারী ব্যবসায়ীরা ভালো আয় করবেন।
বৃষ (২১ এপ্রিল – ২১ মে): কর্মস্থলে ও ব্যক্তি জীবনে প্রভাব-প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কর্মস্থলে কোনো নতুন দায়িত্ব পেতে পারেন। রাতে অর্থ রোজগারের যোগ। সঞ্চয়ের প্রচেষ্টায় অগ্রগতি হবে। হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়ার সুযোগ আসবে।

মিথুন (২২ মে – ২১ জুন): দিনটি ব্যয়বহুল থাকবে। প্রবাসীদের জন্য দিনটি সাফল্যের। কর্মস্থলে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন। বিদেশ থেকে ভালো কোনো কাজের সুযোগ পেয়ে যাবেন। আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে অগ্রগতি হতে পারে। ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসায় অগ্রগতি হবে। দূরের যাত্রার যোগ প্রবল।
কর্কট (২২ জুন – ২২ জুলাই): আয়-রোজগার বৃদ্ধির প্রচেষ্টায় সফল হবেন। বকেয়া বিল আদায় হওয়াতে অফিস ভাড়া ও স্টাফদের বেতন দেয়া সম্ভব হবে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে কোনো শুভাকাঙ্ক্ষির সাহায্য কাজে আসতে পারে। রাতে দূরের যাত্রার যোগ রয়েছে। প্রয়োজনে বিদেশ যেতে পারেন।

সিংহ (২৩ জুলাই – ২৩ আগস্ট): কর্মস্থলে প্রভাব-প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পাবে। সরকারি চাকরিতে কোনো নতুন দায়িত্ব লাভের যোগ। বেকারদের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কর্মলাভের সুযোগ রয়েছে। সাংগঠনিক ও সামাজিক কাজে সাফল্য পাবেন। রাতে কোনো বন্ধুর নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে পারেন।
কন্যা (২৪ আগস্ট – ২৩ সেপ্টেম্বর): উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশযাত্রার সুযোগ যেমন পাবেন। জীবীকার জন্যও বিদেশ যাত্রার যোগ আসবে। ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কাজে সাফল্য লাভের যোগ রয়েছে। বৈদেশিক বিনিয়োগে কিছু অগ্রগতি হবে। ফরেক্স এর কাজে ভালো আয়-রোজগার হত পারে।

তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর – ২৩ অক্টোবর): সকালে কোনো আত্মীয়ের মৃত্যু সংবাদ পেতে পারেন। রাস্তাঘাটে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করতে হবে। দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কিছু ঋণ করতে হবে। শেয়ার ব্যবসায়ীরা আশানুরুপ লাভ করতে পারেন।
বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর – ২২ নভেম্বর): ব্যবসায়ীদের জন্য দিনটি ভালো। কোনো বন্ধু বা অংশীদারের পূর্ণ সাহায্য পেতে পারেন। অবিবাহিতদের বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু ঝামেলা দেখা দেবে। জীবনসাথীর শরীর স্বাস্থ্য ভালো যাবে না। রাতে কোনো আইনগত জটিলতায় পড়তে পারেন।

ধনু (২৩ নভেম্বর – ২১ ডিসেম্বর): কর্মস্থলে কোনো ভালো সংবাদ পেতে পারেন। অধীনস্ত কর্মচারী ও সহকর্মীদের দ্বারা লাভবান হওয়ার যোগ রয়েছে। কোনো হারানো দ্রব্য ফিরে পেতে পারেন। গৃহপালিত পশুপাখির সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। কাজের লোকের জন্য কিছুটা ঝামেলায় পড়তে পারেন।
মকর (২২ ডিসেম্বর – ২০ জানুয়ারি): রোমান্টিক বিষয়ের জন্য অনুকূল। শিল্পকলায় জড়িতদের নতুন কাজের সুযোগ আসবে। ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে মিডিয়ায় বিনিয়োগের সুযোগ আসতে পারে। অভিনয় শিল্পীদের কর্মব্যস্ততা বৃদ্ধি পাবে। রাতে শরীর স্বাস্থ্য কিছুটা ভোগাতে পারে। কারও ওপর নির্ভর করলে ঠকার আশঙ্কা প্রবল।

কুম্ভ (২১ জানুয়ারি – ১৮ ফেব্রুয়ারি): দিনটি সাংসারিক বিষয়ে সাফল্যের। প্রত্যাশিত কাজে অগ্রগতি আশা করতে পারেন। জীবনসাথীর সাহায্য লাভের যোগ। মায়ের কাছ থেকে অর্থ, স্থাবর সম্পত্তি পেতে পারেন। যানবাহন কেনার সুযোগ আসবে। কর্মস্থলে কোনো প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে।
মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি – ২০ মার্চ): বিদেশ থেকে কোনো ভালো সংবাদ কর্মদ্দীপনাকে বাড়িয়ে দেবে। গার্মেন্টস শ্রমিক ও মালিকদের আয়-রোজগার বৃদ্ধি পাবে। ছোট ভাই-বোনের পছন্দর বিষয়ে জানতে পারেন। রাতে কোনো পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন।

আমি একদমই পরকালকে বিশ্বাস করি নাঃ সাফা কবির

বর্তমানে বাংলাদেশ বিনোদন জগতে জনপ্রিয় নাম সাফা কবির। ছোটপর্দায় বিভিন্ন নাটকে অভিনয় করায় সর্বস্তরে জনপ্রিয় মুখ এই অভিনেত্রী। মিডিয়া জগতে জশ-খ্যাতি থাকায় প্রায়ই তাকে নিয়ে আলোচনা হয়।

কিন্তু এবার সমালোচনার জন্ম দিয়েই ভক্তদের মাঝে আলোচনায় এসেছেন সাফা কবির।
এদিকে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে দেশের একটি বেসকারকারি রেডিও স্টেশনে এসে সাফা দাবি করেন, তিনি পরকালে বিশ্বাস করেন না। যদিও তিনি মুসলমান ঘরের সন্তান। আর এ নিয়েই সমালোচনা হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

এ সময় অনুষ্ঠানে সাফা কবিরকে এক ভক্ত মেসেজ করেন, আপনি পরকালে বিশ্বাস করেন? করলে তো চলাফেরা এমন হতো না?
এমন প্রশ্নের উত্তরে সাফা কবির বলেন, ‘আমি একদমই পরকালে বিশ্বাস করি না। সত্যিকার অর্থে আমি যেটা দেখিনা। সেটা কখনো বিশ্বাস করিনা।’

এরপর উপস্থাপিকা কথাটিকে অন্যদিকে মোড় দিতে গিয়ে বলেন, ‘একচুয়েলি উনি (মেসেজ দাতা) বৈশাখে একটু বেশি খাওয়া দাওয়ার পর একটু ভাবে চলে গেছেন।’

দুজনেই অবিবাহিত, ২৪ এপ্রিল কী কাণ্ড করতে চলেছেন সালমান-ক্যাটরিনা?

আসছে ২৪ এপ্রিল কী কাণ্ড করতে চলেছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ও আবেদনময়ী অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ, এ নিয়ে চলছে বি-টাউনে জল্পনা। ভক্তদের আর তর সইছে না। কারণ দুজনেই অবিবাহিত।

তবে তেমন কিছুই না। চলতি বছরের ঈদে মুক্তি পাবে সালমানের নতুন সিনেমা ‘ভারত’। এ ছবি দিয়ে ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে পুনর্মিলন হচ্ছে এ মহাতারকার। চলছে প্রযোজনা-পূর্ব কাজ। ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘সুলতান’ ও ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’-এর পর ফের একসঙ্গে কাজ করলেন সালমান। টিজার মুক্তির পর ভক্তকুলে তুমুল সাড়া পড়েছে। সিনেমা দেখার জন্য মুখিয়ে আছেন ভক্তরা। আপাতত ট্রেইলারের অপেক্ষায় তাঁরা। অবশেষ জানা গেল ট্রেইলার মুক্তির তারিখ।

‘ভারত’ নিয়ে কৌতূহলকে আরো একটু উসকে দিলেন ক্যাটরিনা কাইফ। সিনেমার সেটে তোলা নিজের একটি সুন্দর ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার দিয়ে লিখেছেন, সিনেমার ট্রেইলার মুক্তি পাবে আর ১০ দিন পর, অর্থাৎ ২৪ এপ্রিল।

এরপরই নানা বার্তায় ভরে ওঠে ক্যাটের মন্তব্যঘর। কেউ লিখেছেন, ‘আর অপেক্ষা করতে পারছি না।’ আবার কেউ লিখেছেন, ‘ভারত-এর জন্য ভীষণ উত্তেজিত।’ পোস্টটিতে এ পর্যন্ত লাইক পড়েছে আট লাখের বেশি।

এর আগে ‘ভারত’ সিনেমার পরিচালক আলি আব্বাস জাফর টুইটার-বার্তায় জানিয়েছিলেন, সিনেমার ট্রেইলার এপ্রিল মাসের তৃতীয় সপ্তাহে মুক্তি পেতে চলেছে। তবে তিনি নির্দিষ্টভাবে দিনক্ষণ জানাননি।

সালমান-ক্যাটরিনা
সদ্যই ‘ভারত’ ছবির শুটিং শেষ হয়েছে। এতে সালমান-ক্যাটরিনা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে দিশা পাটানি, টাবু, নোরা ফাতেহি, সুনীল গ্রোভার, জ্যাকি শ্রফসহ অন্যদের।

দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র ‘অ্যান ওডে টু মাই ফাদার’-এর রিমেক ‘ভারত’। ষাটের দশকের সার্কাসের ওপর নির্মিত এ ছবি। একজন সাধারণ মানুষের জীবনকে কেন্দ্র করে ভারতের ইতিহাসও বর্ণিত হবে এই ছবিতে। ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’-এর ব্যাপক সাফল্যের পর ফের সালমান ও ক্যাটরিনাকে এক করলেন পরিচালক আলি আব্বাস জাফর। ‘ভারত’ প্রযোজনা করছেন অতুল অগ্নিহোত্রী ও ভূষণ কুমার। ৫ জুন পর্দায় উঠবে ছবিটি।

ছবির শুটিং শেষে কিছুদিন আগে মালদ্বীপে ভ্রমণে যান ক্যাটরিনা কাইফ। ইনস্টাগ্রামে বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার দিয়েছিলেন তিনি। বিকিনি-পরা সেই ছবি আগুন ছড়িয়েছে অন্তর্জালে। এখন অপেক্ষা ট্রেইলার মুক্তির। সূত্র : এনডিটিভি, বলিউড হাঙ্গামা

এ.আর রহমান: আমাকে অনেক ভুল থেকে রক্ষা করেছে ইসলাম

অস্কার বিজয়ী প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ এবং সুরকার এ. আর. রহমান তার জীবনের সকল সফলতার পেছনে ইসলামের অনুপ্রেরণা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। ইসলাম যেভাবে তার জীবনে সফলতা এনেছেন ঠিক একইভাবে কি অন্যদের জীবনেও আনতে সক্ষম কিনা, তাকে প্রায়শই এমন অনেক রকমের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় বলে তিনি জানিয়েছেন। সফল এই সঙ্গীতজ্ঞের জীবনী নিয়ে লিখা একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

‘Notes of a Dream: The Authorized Biography of AR Rahman’ নামক এ. আর. রহমানের জীবনী গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এটি ধর্মান্তরিত হওয়া বা না হওয়ার মত কোনো বিষয় নয়। আপনি কি সঠিক দিক খুঁজে পেয়েছেন কিনা, সঠিক দিকে চলতে পারছেন কিনা, এটি ঠিক এমন ব্যাপার।

সুতরাং আমার দিক থেকে আমি এবং আমার মা আধ্যাত্মিক শিক্ষকদের, সুফি শিক্ষকদের নিকট থেকে এমন কিছু পেয়েছি যা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এটিই সেই বিশ্বাস যা আমরা গ্রহণ করেছি এবং এখনো ধারণ করে চলেছি।’

এই বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ আরো বলেন, ‘ইসলাম আমাকে অনেক ভুল থেকে রক্ষা করেছে কারণ প্রত্যেক সালাতের পরে আমার মনে আসে যে, আমাকে পরবর্তী সালাতও আদায় করতে হবে আর এভাবেই আমি ক্ষতিকর আচরণ থেকে বেঁচে থাকি।’

তার জীবনী গ্রন্থ নিয়ে বলতে গিয়ে সঙ্গীতের এই জীবন্ত কিংবদন্তি বলেন, ‘আমার এই জীবনী গ্রন্থটি আমার জন্য একটি ভ্রমণের মত যা আমাকে আমার জীবনের এমন অনেক দিকে নিয়ে গিয়েছে যেগুলো আমি দীর্ঘ সময় ধরে বুকে লালন করেছি। কৃষ্ণা ত্রিলোকের (এ.আর. রহমানের জীবনী গ্রন্থের লেখক) সাথে আমার অর্থবহ আলোচনার ফলে আমার জীবনের অনেক ব্যক্তিগত এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ দিক উঠে এসেছে যা ইতোপূর্বে অনেকেই জানতো না।’

সূত্রঃ সামা ডট টিভি।

বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক মান্নার শুভ জন্মদিন

বাংলা চলচ্চিত্রের মহানায়ক মান্না। বলা যায় এক অধ্যায়ের নাম। একাধারে তিনি নায়ক, প্রযোজক ও সংগঠক ছিলেন। চলচ্চিত্র থেকে সিনিয়র শিল্পীরা যখন দূরে ছিলেন। ঠিক সেই সময়ে অনেক গুণী সিনিয়র অভিনয় শিল্পীকে তিনি চলচ্চিত্রে ফিরিয়ে এনেছিলেন। ইন্ডাস্ট্রির মানুষ এখনও নায়ক মান্নাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

আজ ১৪ এপ্রিল রবিবার পয়লা বৈশাখ নায়ক মান্নার জন্মদিন। এদিকে উইকিপিডিয়া ও নায়কের পাসপোর্টে আলাদা আলাদা তারিখ উল্লেখ থাকলেও মান্নার স্ত্রী শেলি মান্না জানান পহেলা বৈশাখেই জন্ম নায়ক মান্নার।নায়ক মান্নার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘পাগলি’। গত ১৯৯১ সালে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘কাসেম মালার প্রেম’ ছবিতে প্রথম একক নায়ক হিসেবে কাজ করেন মান্না। ছবিটি ব্যবসাসফল হওয়াতে মান্নাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি।

এরপর কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দাঙ্গা’ ও ত্রাস’ ছবির মাধ্যমে তার একক নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সহজ হয়ে যায়। একে একে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘অন্ধ প্রেম’, মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ‘প্রেম দিওয়ানা’, ‘ডিস্কো ড্যান্সার’, কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দেশদ্রোহী’, ছবিগুলো ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে মান্নার অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।
এরপর গত ১৯৯৯ সালে ‘কে আমার বাবা’, ‘আম্মাজান’, ‘লাল বাদশা’র মতো সুপারহিট ছবিতে কাজ করেন মান্না।

তাছাড়া প্রযোজক হিসেবেও মান্না বেশ সফল ছিলেন। তার প্রতিষ্ঠান থেকে যতগুলো ছবি প্রযোজনা করেছেন প্রতিটি ছবি ব্যবসাসফল হয়েছিল। ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে লুটতরাজ, লাল বাদশা, আব্বাজান, স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ, দুই বধূ এক স্বামী, মনের সাথে যুদ্ধ, মান্না ভাই ও পিতা-মাতার আমানত।এদিকে নায়ক মান্নার জন্ম ১৯৬৪ সালে। ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এই জনপ্রিয় নায়ক মৃত্যুবরণ করেন।