এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে, এমন কি সেটা নায়িকা অপু বিশ্বাসের সাথেও

তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ২০১৭-২০১৮ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই কয়েকটি বিশেষ কারণে সমালোচনা তৈরি হয়।পাশাপাশি ফজলুর রহমান বাবু ও মোশাররফ করিমকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত করায় শুরু হয় বিতর্ক। সেই বিতর্ক আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন
দুই এই অভিনেতা।সম্প্রতি অভিনেতা মোশাররফ করিম পুরস্কার গ্রহণ করবেন না বলে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি ফজলুর রহমান বাবুও গণমাধ্যমে কথা

বলেছেন।মোশাররফ করিমকে সমর্থন জানিয়ে সোমবার (১১ নভেম্বর) ঢাকাই সিনেমা ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।সেখানে তিনি জানান, তার সাথেও এমন ঘটনা ঘটেছে। সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে তিনি লিখেন, কয়েকদিন আগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা
হয়েছে।এবার শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা চরিত্রে পুরস্কার পেয়েছেন মোশাররফ করিম ও ফজলুর রহমান ভাই।কিন্তু কৌতুক অভিনেতা ক্যাটাগরিতে পুরস্কার

দেওয়ায় অনেকে বিস্মিত হয়েছেন। জানতে পারলাম, মোশাররফ করিম ভাই এ পুরস্কার গ্রহণ করবেন না।তিনি আরও লিখেন, এই পরিস্থিতিতে আমার নিজের একটি পুরানো ঘটনা মনে পড়ে গেল। আপনারা সবাই হয়তো জানেন চাষি নজরুল ইসলাম আঙ্কেল পরিচালিত ‘দেবদাস’ চলচ্চিত্রেআমি অপু বিশ্বাস ‘পার্বতী’ চরিত্রে অভিনয় করেছি। ‘পার্বতী’ ছিল প্রধান চরিত্র। যখন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হলো সেখানে চন্দ্রমুখীকে প্রধান অভিনেত্রীর

পুরস্কার দেয়াহয়। তখনই মনটা ভেঙে যায়। আমার বিশ্বাস ছিল, সেদিন চাষি আঙ্কেল বেঁচে থাকলে এর প্রতিবাদ করতেন। অভিনয় করছি দর্শকদের জন্য।
আমার পুরস্কার হলো দর্শক। দর্শকই আমাকে পুরস্কার দিচ্ছেন। এটাই আমার বড় পুরস্কার। এবার যারা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ঝড় তুললো মিথিলার নোং,রা কথা

জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশীদ মিথিলা। বিজ্ঞাপনেও তিনি ব্যাপক প্রশংসিত কুড়িয়েছেন। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথিলার নতুন একটি বিজ্ঞাপন দেখা গেছে।সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে মিথিলার নতুন একটি বিজ্ঞাপন। ওই বিজ্ঞাপনের শুরুতেই মিথিলাবলেন, একটা নোংরা কথা শুনবেন? এরপর
গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য দেন মিথিলা।এরপর তিনি বলেন, নোংরা টয়লেটের কারণে আমাদের প্রায় দুই কোটি বাচ্চা মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। কীরকম

রোগ জানেন? টাইফয়েট, কলেরা, জন্ডিস।তাই আজই যোগ দিন ‘নো মোর নোংরা টয়লেট’ অভিযানে। টয়লেটের পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কথা বলুন, আওয়াজ তুলুন।মিথিলা এভাবেই দর্শককে সচেতন হতে বলেছেন। মূলত এটি একটি টয়লেট ক্লিনারের বিজ্ঞাপন এটি। আগামী ১৯ নভেম্বর বিশ্ব টয়লেট দিবস।
এ উপলক্ষে ‘নো মোর নোংরা টয়লেট’ স্লোগান নিয়ে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের আয়োজন করা হয়েছে।পুলিশ স্টাফ কলেজ মিরপুরে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২.৩০টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের আয়েজন করা হবে।আয়োজক প্রতিষ্ঠান ‘ডমেক্স’-এর ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিশ্বরেকর্ডে

ব্যবহৃত সকল পণ্যদিয়ে আগামী ১ বছর দেশের শত শত স্কুলের টয়লেটের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানা যায়।মিথিলার এই বিজ্ঞাপনটি এখন আলোচনায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে এটি। অনেকেই এই অভিনেত্রীর প্রশংসা করেছেন। আবারও শুনবেন একটা নোংরা কথা বলে ট্রলও করছেন কেউ কেউ।

এই তারকাদের জীবনে ‘প্রথম’ পারিশ্রমিক কত ছিল

মানুষের জীবনে প্রত্যেক ‘প্রথম’ অতীত হলেও এই একটি মাত্র অতীতকে কেউ ভুলতে চান না। জীবনের শেষ পর্যন্তবিভিন্ন সময় এই প্রথম অতীত উঠে আসে তার কথায়। শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও এর ব্যতিক্রম নন। বিভিন্ন সময় সাক্ষাতকারেও বলে ফেলেন সেই প্রথম অতীতের কথা।আজ আয়োজনে থাকছে তারকাদের ‘প্রথম’ পারিশ্রমিক। পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো তারকার জীবনের প্রথম পারিশ্রমিকের গল্প:-

প্রবীর মিত্র:
জীবনের প্রথম পারিশ্রমিক ছিল আড়াই হাজার টাকা। ‘জীবন তৃষ্ণা’ ছবির জন্য সাইনিং মানি পেয়েছিলাম। সম্ভবত টাকাটা দিয়ে ছেলেমেয়ের জন্য উপহার কিনেছিলাম।আর আমার পারিশ্রমিক ভাগ্য খুব একটা ভালো নয়। অনেকের কাজ করেছি কিন্তু পারিশ্রমিক ঠিক মতো পাইনি। অনেকে অনুরোধ করে বলতেন,‘দাদা, টাকাটা কম দিলাম,এটাই রেখে দেন।’ আর কিছু বলার থাকতো না। এমনভাবে অনেককিছুই হারিয়েছি।
আমিন খান:
প্রথম পারিশ্রমিক ছিল এক টাকা। সেই এক টাকা এখনো আমার কাছে আছে। অ্যালবামে আমি সংগ্রহ করে রেখেছি। প্রথম ছবির জন্য সাইনিং মানি পেয়েছিলাম এটা।শুধু যে প্রথম ছবি তা নয়, আমার প্রতিটি ছবির সাইনিং মানি থেকে একটা নোট অ্যালবামে রাখি। এটাও বলতে হবে, প্রথম ছবির জন্য এক টাকা পেলেও আমার সব প্রয়োজন প্রযোজকমিটিয়েছিলেন। আমার পোশাক, জুতা, মোজা সবই কিনে দিয়েছিলেন তিনি। একটা ছেলেকে গেটআপে আনতে যা যা প্রয়োজন ছিল,সবটাই তিনি দিয়েছিলেন আমাকে। তাই কষ্ট ছিল না। সেই জন্যই হয়তো এই নামটা হয়েছে।

সজল:
প্রথম পারিশ্রমিক পেয়েছিলাম ১২ হাজার টাকা। ২০০০ সালে কোকা-কোলার একটা স্টিল ফটোশুট করে টাকাটা পেয়েছিলাম। আমার সঙ্গে ছিল প্রয়াত মডেল তিন্নি। এজন্যও ওইপারিশ্রমিকের অংকটা আমার মনে আছে। ও আমার চেয়ে বেশি পেয়েছিল কিছু। এ নিয়ে মন খারাপ হয়নি। কারণ ও পরবর্তীতে আমার ভালো বন্ধুও হয়। প্রেথম পারিশ্রমিক পেয়ে যে কি খুশি হয়েছিলাম।কারণ এর আগে কেউ কখনো এতগুলো টাকা আমাকে দেয়নি। টাকাটা পেয়ে প্রথমে আমার মা ও বোনের জন্য শাড়ি কিনেছিলাম।বন্ধুদের নিয়ে ধানমন্ডীর একটা রেস্টুরেন্টে খেয়েছি। আমার জন্য জামা-প্যান্ট-জুতা কিনলাম। এত কিছুর পরও কিছু টাকা ছিল আমার কাছে। এসব কথা এখনো ভাবলে বেশ ফূর্তি লাগে।তারকা
কনা:
আমি তখন খুব ছোট। বয়স চার পাঁচ হবে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘এসো গান শিখি’ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতাম। সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান সেই অনুষ্ঠানে আমাদের গান শেখাতেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য শিশুশিল্পীদের তখন২৫০ টাকার একটি চেক দেওয়া হতো। টাকা খরচ করার মতো বয়স তো আর তখন হয়নি। তাই মা আমার পারিশ্রমিকগুলো একটি অ্যাকাউন্টে জমা করে রেখেছিলেন। বড় হওয়ার পরে অনেকগুলো টাকা পেয়েছি সেই একাউন্ট থেকে।

অপু বিশ্বাস:
ছোটবেলায় নাচের অনেক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। তখন পুরস্কার হিসেবে টাকা পেয়েছি। সে কথা স্পষ্ট মনে নেই।তবে পেশাগত জীবনে ‘কোটি টাকার কাবিন’ চলচ্চিত্রে অভিনয় করে প্রথম পারিশ্রমিক পেয়েছিলাম ২৫ হাজার টাকা। টাকাটা পেয়ে মায়ের জন্য স্বর্ণের কানের দুল এবং বাসার জন্য মাইক্রোওভেন কিনেছিলাম। আমার ইলেকট্রনিক জিনিসের প্রতি অনেক আগ্রহ রয়েছে।
বিদ্যা সিনহা মিম:
অভিনয়ের ক্ষেত্রে ‘রহস্য’ নামক একটি নাটকে অভিনয় প্রথম পারিশ্রমিক পাই। পাঁচ হাজার টাকা পেয়েছিলাম।তখনই টাকাটা মায়ের হাতে তুলে দিয়েছিলাম। তখন আমরা কুমিল্লায় থাকি। ওই টাকা দিয়ে মা-বাবার জন্য শাড়ি-পাঞ্জাবিসহ বেশ কিছু উপহার কিনি। বাসায় ছোটখাটো একটা অনুষ্ঠানের মতোও করেছিলাম।
সিয়াম আহমেদ:
প্রথম পারিশ্রমিক ছিল পাঁচ হাজার টাকা। এইচএসসি পড়ার সময় আমি টিউশনি করাতাম। সেখান থেকেই এই পারিশ্রমিক পেয়েছিলাম। আমার স্পষ্ট মনে আছে, টাকাটা পেয়ে বাবা-মাকে দিয়েছিলাম।

ন্যানসি:
এই দিনটা চিরকালই আমার মনে থাকবে। নানা কারণে আমার মনে থাকবে। হাবিব ভাইয়ের বাবা ফেরদৌস ওয়াহিদ অ্যাঙ্কেল হঠাৎ কল দিয়ে বললেন একটু বাসায় আসো। হাবিবতোমাকে দিয়ে সিনেমায় গান করাবে। আমিতো খুশিতে পাগলপ্রায়। মাকে নিয়ে চলে গেলাম হাবিব ভাইয়ের বাসায়। কিন্তু গিয়ে তো যারপরনাই হতাশ।কোথায় কী সিনেমার গান। আমাকে কেবল ‘ভালোবাসবো বাসবো রে’ গানের কোরাস গাইতে দেয়া হল। মনটাই ভেঙে গেল। তবে মজার ব্যাপার হলো, এই অল্প একটু কাজের জন্যইহাবিব ভাই আমাকে একটা পারিশ্রমিকের খাম ধরিয়ে দিয়েছিলেন। এটাই ছিলো প্রথম কাজ। আর রেকর্ডিং করে প্রথম আয়। দুই হাজার টাকা ছিল সে পারিশ্রমিক। শুরুর দিকে এমন অল্প অল্প কাজের জন্য অনেক পারিশ্রমিক পেয়েছি। চুপচাপ বসে থাকতাম গিয়ে।
জিজ্ঞেলের কন্ঠ দিতাম। হাবিব ভাইয়ের একটা বদঅভ্যাস আমাকে কিনা বলতো তুমি দেখো এই সুরটা তুলতে পারো কিনা। একটু আসছি। আর খবর নেই।

অনেকক্ষন পর এসে এক বা দুবারেই ওকে হয়ে যেত রেকর্ডিং। সেও তেমন কিছু বলতো না। একটা খাম ধরিয়ে দিত। চলে আসতাম। সে এতই কম কথা বলতো। কখনো সাহসই হয়নি বলার যে আপনি এমন বসিয়ে কই চলে যান।
শবনম ফারিয়া :
আমার প্রথম পারিশ্রমিক ছিল দুই হাজার টাকা। ফটোশুট করে টাকাটা পেয়েছিলাম। আমার এখনো মনে আছে, টাকাটা দিয়ে আমি হিল কিনেছিলাম। কারণ ফটোশুট করতে তখন হিল দরকার ছিল।

গৌরী : আমার লাগে ২০ মিনিট, আর শাহরুখের ২-৩ ঘন্টা

দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে একস ঙ্গে পথ চলছেন। আজও তাদের দাম্পত্যে এতটুকু চি ড় ধরেনি। অনেকেই তাদের সম্প র্ককে ‘সত্যিকারের ভালোবাসা’ বলেই অ ভিহিত করেন। তাইতো তাদের নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ কম নয়।বলছিলাম, বলিউডডের কিং খান শাহরুখ ও তার স্ত্রী গৌরী খানের কথা। সম্প্রতি এক

অনুষ্ঠানে শাহরুখের একটি গো পন র হস্যে র কথা ফাঁ স করেছেন গৌরী।ভারতের শীর্ষস্থানীয় জিনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শাহরুখ-গৌরীর প্রে মের কা হিনীও অনেকটা বলিউডের সিনেমার গল্পের মতোই। তাই তাদের একস ঙ্গে দেখলে উৎ সাহিত হয়ে পড়েন ভক্তরা। কারণ বলিউডের জন্য শাহরুখ চি রকালের ‘রো ম্যান্টি ক হিরো’। আর তার ব্য ক্তিগ ত জীবনের একমাত্র ‘কুইন’ হলেন গৌরীই।সম্প্রতি মু্ম্বাইয়ের মোস্ট স্টাইলিশ অ্যাওয়ার্ডের অনুষ্ঠানে

গিয়েছিলেন এ তারকা দম্পতি। সেখানেই শাহরুখের একটি বিশেষ অ ভ্যা সের কথা ফাঁ স করেন স্ত্রী।গৌরীর কথায়, ‘একজন বলে যে তিনি নাকি স্টাইল নিয়ে মা থাই ঘা মান না। তবে আমি আপনাদের একটা গো পন কথা বলি, যখন কোনো পা র্টিতে যাওয়ার থাকে, তখন আমি সাধারণত চ টজ লদি রেডি হয়ে নেই, ২০ মিনিটের মধ্যেই রেডি হয়ে যাই। আর ও (শাহরুখ) রেডি হতে সময় নেন ২-৩ ঘণ্টা।’ শাহরুখপত্নী আরও বলেন, ‘আজকে আমি একটু স্টে শা ল, তাই আমি ২-৩ ঘণ্টা সময় নিয়েছি। আর ও ৬ ঘণ্টা।’

এ সময় তার পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন বলিউডের কিং খান। খানিক ল জ্জা পেলেও হা সি থা মাতে পারেননি। স্ত্রীকে থা মিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, আমার মনে হয়, এ কারণেই আজ তোমাকে এত সুন্দর দে খা চ্ছে যে চো খ ফেরানো যা চ্ছে না। শুনে দর্শকসারিতে বসে থাকা সবাই হে সে ওঠেন।

হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন খান দ্বিতীয় বিয়ে করলেন

আবারও বিয়ে করলেন হুমায়ূন আহমেদের প্রথম স্ত্রী গুলতেকিন খান। দুই সপ্তাহ আগে অতিরিক্ত সচিব ও কবি আফতাব আহমেদকে বিয়ে করেন তিনি। ছোট পরিসরে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় গুলতেকিনের বাসায়। এমনই খবর প্রকাশিত হয়েছে বেশকিছু গণমাধ্যমে।জানা গেছে, বিয়ের পর আমেরিকায় চলে গেছেন গুলতেকিন। শিগগিরই সেখান থেকে ফিরে বন্ধু-বান্ধবকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠান করার কথাও রয়েছে। এদিকে বুধবার

সন্ধ্যা থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে, অনেকেই গুলতেকিনকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ৫৬ বছর বয়সে আবারও বিয়ে করায় কেউ কেউ স মা লো চনাও করছেন।প্রায় সাত-আট বছর ধরে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অ তি রি ক্ত সচিব কবি আফতাব আহমেদের স ঙ্গে গুলতেকিনের বন্ধুত্ব। তাদের এই বন্ধুত্ব ধীরে ধীরে প্রে মে গ ড়ায়। সেই প্রে মের প রিণতি বিয়ে।গত মাসের শেষ দিকে গুলতেকিন তার ফেসবুক পেজে যৌ থ ঘো ষণা শিরোনামে ‘এবার বাতাস উ ঠুক তু ফান

ছু টুক’ স্ট্যাটাস দেন। এতে তার প্রিয়জনরা তাকে অ ভি নন্দ ন জানান।এদিকে ৫ নভেম্বর আফতাব আহমেদ তার ফেসবুকে ইংরেজিতে যে স্ট্যাটাস দেন তার অর্থ হলো, ‘তিনি আমাকে তার সামনে বসালেন এবং আমার হাতে হাত রেখে বললেন, প্রত্যেকেরই মৃ ত্যুর স্বা দ পে তে হবে। কিন্তু আমি তোমাকে ছে ড়ে যেতে চাই না। আমি নিঃশ্বা স নিতে চাই। তবে নি শ্চি ত নই ভ বিষ্যৎ কোন নি য়তিতে গাঁ থা।’আফতাব আহমেদ ও তার ব্যারিস্টার স্ত্রীর বি চ্ছে দ ঘ টে ১০ বছর

আগে। তার একমাত্র সন্তান লন্ডনে লেখাপড়া করছেন। অন্যদিকে ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের শিক্ষক হুমায়ূন আহমেদকে বিয়ে করেছিলেন
গুলতেকিন। তাদের বিচ্ছেদ হয় ২০০৩ সালে। তাদের এক ছেলে ও তিন মেয়ে। ২০০৫ সালে শাওনকে হুমায়ূন বিয়ে করলেও গুলতেকিন এতদিন করেননি। হুমায়ূন আহমেদের মৃ ত্যু র সাত বছর পর বিয়ে করলেন তিনি।

ঝগড়াঝাটি করেই এক বছর পার করে দিলেন রনভীর-দীপিকা

দেখতে দেখতে একটা বছর গড়িয়ে গেলো। গেল বছরের নভেম্বর বিয়ে করেছিলেন বলিউড তারকা জুটি দীপিকাপাড়ুকোন ও রনভীর সিং রাজকীয় সাজে মহা ধুমধাম করে ইতালির বিলাসবহুল লেক কোমোতে হয় তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান।আজ (১৪ নভেম্বর) দীপিকা পাড়ুকোন ও রনভীর সিংয়ের প্রথম বিয়ে বার্ষিকী।
এই বিশেষ দিনটি কীভাবে কাটাচ্ছেন তারা?জানা গেল, খুব জাকজমক করে নয়, পরিবারের সঙ্গে সাদামাটা আয়োজনে বিয়ে বার্ষিকী পালন করছেন।খুনসুটি

আর ঝগড়াঝাটিতেই তারা পার করলেন এই এক বছর। বুধবার রাতেই তারা উড়ে গেলন তিরুপতি মন্দির।বুধবার প্রথমে তিরুপতিতে পুজো দিয়ে তারা যাবেন পদ্মাবতী মন্দিরে। সেখান থেকে ১৫ নভেম্বর অমৃতসর হয়ে ফিরে আসবেন মুম্বাই।উড়ে যাওয়ার আগে একান্ত সাক্ষাৎকারে দীপিকা জানালেন বিয়ের আগে আর পরে এমন কিছু পরিবর্তন তার জীবনে আসেনি।কাজ নিয়ে দুজনেই ব্যস্ত থাকেন। তবু এরইমধ্যে সময় বার করে তারা একে অপরের সঙ্গে সময়

কাটান। বহুদিন দুজনে ব্যস্ত থাকলে তারা ঠিক করে রাখেন যে কয়েকদিনের ব্রেকে তারা কোথাও দুজনে ঘুরে আসবেন।তবে যখন ক্যামেরার সামনে তারা অভিনয় করেন তখন মাথায় রাখেন না যে তারা স্বামী-স্ত্রী। নিজেদের সেরাটুকু দিয়ে অভিনয়ের চেষ্টা করেন। আর হ্যাঁ, দীপিকা জানিয়েছেন তারা দুজনেই কাজপাগল। কাজ নিয়েই পাগলামি করতে চান।

এই তরুণীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন সালমান খান!

বলিউড অভিনেতা সালমান খান নতুন করে সম্পর্কে জড়িয়েছেন! শুনতে অবাক লাগছে? তাহলে চলুন বিষয়টি জেনে নেয়া যাক।দাবাং থ্রি-র গান আওয়ারা প্রকাশ্যে আসার পর দেখা গেছে সালমানের সঙ্গে সাই মঞ্জরেকরের রসায়ন।গানটি শুনেই বোঝা যাবে তাদের জীবনের প্রথম প্রেমের রসায়ন গানের মাধ্যমে
সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।জানা যাচ্ছে, দাবাং থ্রি-তে সালমান খানের প্রথম জীবনের ভালোবাসার জায়গায় থাকছেন সাই মঞ্জরেকর। তবে গল্পে কী

টুইস্ট থাকছে, সে বিষয়ে ট্রেলারেই বেশ কিছুটা আভাস দেওয়াহয়েছে। দাবাং এবং দাবাং টু-এর মতো ৩ নম্বর সিক্যুয়েলেও সালমান খানের স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন রাজ্জো অর্থাৎ সোনাক্ষী সিনহা।প্রসঙ্গত, পুলওয়ামা হামলার পর থেকে ভারত, পাকিস্তানের সম্পর্কের মধ্যে উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।
ফলে এই সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানি শিল্পী রাহাত ফতেহ আলি খানের গান। পাশাপাশি দাবাং থ্রি-এর আইটেম নম্বরে এবার দেখা যাবে না মালাইকা অরোরাকেও।

আরবাজ খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরই দাবাং থ্রি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে মালাইকা অরোরাকে। তবে তার জায়গায় এবার কাকে আনা হচ্ছে সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।দাবাং দিয়ে যেমন বলিউডে পা রাখেন সোনাক্ষী সিনহা, তেমনি এবার দাবাং থ্রি দিয়ে বি টাউনে পা রাখছেন মহেশ মঞ্জরেকরের মেয়ে সাই মঞ্জরেকরও।

জাহান্নমের কথা ভেবে শুধরে নিন,তোপের মুখে নুসরাত !

গত কয়েক মাসে যে কোনও উৎসবেই শিরোনামে নুসরাত জাহান। এবার ক্ষোভের মুখে পড়লেন ঈদে মিলাদুন্নবীতে।
শনিবার ছিল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। আর সেদিন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন নুসরাত। সেখানেই পরপর কমেন্টবক্সে নুসরতের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

একাংশের দাবি, নুসরত নাকি অনেক পাপ করেছেন। আর ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর শুভেচ্ছা জানিয়ে সেই পাপ ক্ষয় সম্ভব নয়। তাঁর উচিৎ আল্লার কাছে দ্রুত ক্ষমা চাওয়া।কেউ বলেছেন, ”জাহান্নমের কথা ভেবে নিজেকে সময় থাকতে শুধরে নাও, মনে রেখো মৃত্যুর পর সঙ্গে কিছুই যাবে না।”কেউ আবার বলেছেন, নুসরাতের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ। নুসরাতকে ভন্ড বলেও উল্লেখ করেছেন অনেকে। যদিও অভিনেত্রী এসব কোনও মন্তব্যের জবাবেই মুখ খোলেননি।

সিঁথিতে সিঁদুর ও গলায় মঙ্গলসূত্র পরে লোকসভায় সাংসদ হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন নুসরাত জাহান। তখন থেকেই শুরু হয় কট্টরপন্থীদের ফতোয়া।
তখনই তিনি স্পষ্ট করে দেন তিনি মুসলিমই থাকবেন। কিন্তু অন্যান্য ধর্মের উপরেও তাঁর শ্রদ্ধা থাকবে। কথা মতোই ইস্কনের রথ যাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

প্রথমবারের মতো নানা হলেন ডিপজল

নানা হলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। মা হয়েছেন ডিপজলের মেয়ে ওলিজা মনোয়ার।গত শনিবার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ফুটফুটে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন ওলিজা। নবজাতকের নাম রাখা হয়েছে ওলসায় রহমান।ডিপজল বলেন, ‘নানা হওয়ার আনন্দ মুখে বলে

বোঝানো যাবে না। প্রথম নানা হলাম, আনন্দটা অনেক বেশি।বাসায় উৎসবের মতো একটা পরিবেশ বিরাজ করছে। আল্লাহ’র রহমতে আমার মেয়ে ও নাতি দু’জনই ভালো আছে। সবাই ওদের জন্য দোয়া করবেন।’এদিকে, গত বছরের জুনে বিয়ে করেন ওলিজা মনোয়ার। স্বামী অর্পণ, পেশায় একজন ব্যবসায়ী। পারিবারিকভাবে এই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। আর গেল বছর ২৮ জুন বড় আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।ওলিজা মনোয়ার বিদেশ

থেকে চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, থিয়েটার আর প্রসথেটিক মেকাপেরওপর উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরেই একটি চলচ্চিত্র নির্মাণে হাত দিয়েছিলেন।ঢাকায় ‘ওলিজা মনোয়ার লন্ডন মেকওভার স্টুডিও’ নামে একটি তার একটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

তাহসান: আজ তুমি নেই, আই ডোন্ট কেয়ার

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ঘুরে বেড়াচ্ছে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসানের একটি ভিডিও। যেখানে দেখা যায়, তাহসান ‘দূরে তুমি দাঁড়িয়ে’ গানটি গাইছেন।এর এক পর্যায়ে তাহসান বলে ওঠেন ‘একদিন এই বেইলি রোডে কত ভিজেছি রিকশায়,আজ তুমি নেই অ্যান্ড আই ডোন্ট কেয়ার।’ তার

এমন কথায় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারাও উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।জানা গেছে, গত ৮ নভেম্বর রাজধানীর বেইলি রোডে একটি অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনের ভিডিও এটি। সেখান থেকে ভক্ত-দর্শকরা তার কথার এই অংশটুকু ফেসবুকে প্রকাশ করেছে। গান শেষে তাহসান বলে ওঠেন, ‘তুমি দূরেই দাঁড়িয়ে থাকো।’
তাহসান হয়তো কাউকে উদ্দেশ করে কিংবা বেইলি রোডে তরুণ-তরুণীদেরকেই কথাগুলো বলেছেন। এই সংগীত শিল্পী যে অর্থেই কথাটা বলুক না কেন,

নেট দুনিয়ায় তার এই কথাগুলো ভক্ত-দর্শকদের হৃদয় বেশ নাড়া দিয়েছে। নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে ওই মুহূর্তের ভিডিওটি। সবাই তাকে উৎসাহ, ভালোবাসা দিচ্ছেন।অনেকেই তাহসানকে ‘সুপারড্যাড’ বলেও আখ্যা দিচ্ছেন। কারণ একমাত্র মেয়ে আইরা তাহরিম খানের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সব পরিস্থিতি নীরবে সামলেনিচ্ছেন এই তারকা। ফেসবুকে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘একদিন এই বেইলি রোডে বৃষ্টিতে কত ভিজেছি রিকশায়—কথাটা অন্যরকম

বেদনাদায়ক মনে হলো।’উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা তাহসানের সঙ্গে বিয়ে হয় মিথিলার। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান আইরা। পরে ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।