ব্যারিস্টার সুমনের বি*রুদ্ধে যে মামলার প্রস্তুতি !

এবার সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে পৃথক আইনে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন আরেক আইনজীবী। হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি এ আইনজীবীর নাম সুমন কুমার রায়।ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেই বিষয়টি জানিয়েছেন। পরে মামলার প্রস্তুতির বিষয়টি তিনি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন বলেন, পৃথক দুটি ধারায় এ মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সুমন কুমার রায় বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে একটি এবং মানহানির অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুটি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে দুই ধরনের অভিযোগ আনার সুযোগ আছে। একটি ২৯৫ (ক) ধারায়। অপরটি ফেসবুক লাইভে মানহানি করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধিত ধারায় অভিযোগ আনা হবে।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন জাগো নিউজকে বলেন, ‘মামলা করা একটি সাংবিধানিক অধিকার। যে কেউ কারো বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। এটাই বাংলাদেশের নিয়ম হওয়া উচিত।’

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের করা মামলা খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

পেনাল কোডের ১২৩ (এ), ১২৪ (এ) ও ৫০০ ধারায় মামলাটি আমলে নেয়ার জন্য ব্যারিস্টার সুমন আদালতে আবেদন করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পরে খারিজের আদেশ দেন।

এর আগে গত শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে মামলা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার সুমন। সেদিন তিনি বলেন, ‘আমি তার বিরুদ্ধে অবশ্যই মামলা করব, আপনারা আমার পাশে থাকবেন।’ সূএঃ জাগো নিউজ

মিন্নি নয় রিফাত হ’ত্যার পিছনে চেয়ারম্যানের স্ত্রী সামসুন্নাহার খুকি !

বরগুনার আ*লোচিত রিফাত হ*ত্যাকা*ণ্ড নিয়ে একের পর এক বেরিয়ে আসছে চা*ঞ্চল্যকর সব তথ্য। শুরুতে নিহ*ত রিফাতের স্ত্রী মিন্নি এই হ*ত্যা মামলার প্রধান সা*ক্ষী থাকলেও পরবর্তীতে তিনিই হয়ে যান আ*সামি। প*রকীয়াই এই হ*ত্যাকাণ্ডে*র মূল কারণ বলে জানিয়েছিল পুলিশ। তবে এবার বেরিয়ে এসেছে আরেক তথ্য। স্থানীয় কয়েকটি সূত্র বলছে, রিফাত হ*ত্যার নে*পথ্যে থাকতে পারেন বরগুনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের স্ত্রী সামসুন্নাহার খুকি। তিনি রিফাত হ*ত্যার অন্যতম দুই আ*সামি রিফাত ফরাজি ও রিশান ফরাজির খালা।

গত ২৬ জুন সকালে বরগুনার কলেজ রোডে প্র*কাশ্যে স্ত্রী মিন্নির সামনে রিফাত শরীফকে যারা কু*পিয়ে হ*ত্যা করেন তাদের অ*গ্রভাগে ছিলেন রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজী। ওইদিনের ঘ*টনার প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ছোট ভাই রিশান পেছন দিক থেকে রিফাত শরীফকে জা*পটে ধরে ছিলেন। আর বড় ভাই রিফাত ফরাজি দা* দিয়ে কো*পাচ্ছিলেন। বড় ভাইয়ের সেই দা*য়ের আ*ঘাতে রিশানের হাতও অনেকটা কে*টে গিয়েছিল। রিফাত হ’*ত্যার প্রধান আসামি ছিলেন নয়ন। নয়ন-রিফাত দ্ব*ন্দ্বের কারণ হিসেবে রিফাতের স্ত্রী মিন্নির স*ঙ্গে নয়নের প*রকীয়াকে দা*য়ী করা হচ্ছিলো।

ভাবা হচ্ছিলো, মিন্নির কা*রণেই রিফাতের ওপর ক্ষু*ব্ধ ছিলেন নয়ন। কিন্তু রিফাতকে কো*পানোর সময় ফ*রাজি ভাইরাই কেন সবচেয়ে বেশি নৃ*শংস হয়ে উঠেছিলেন সেই প্রশ্ন উঠছেই। স্থানীয়দের স*ঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ঘ*টনার পেছনে জ*ড়িয়ে আছে আরেক কা*হিনী।রিফাত ফরাজি ও রিশান ফরাজির বাসা শহরের ধানসিড়ি রোডে হলেও তারা থাকতেন শেখ রাসেল স্ক*য়ার লা*গোয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বাসায়। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী শামসুন্নাহার খুকী তাদের খালা হন। খুকীর একমাত্র প্র*তিবন্ধী ছেলে কয়েক বছর আগে পানিতে ডুবে মারা যায়। তখন থেকেই দুই ভাই রিফাত ও রিশান তাদের খালা চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে মা বলে ডেকে আসছিলেন।

তারা দুই ভাই ওই বাসায়ই থাকতেন। এমনকি চেয়ারম্যানের স্ত্রী তার ভাগ্নে*দের সব অ*পকর্মেই প্র*শ্রয় দিতেন বলেও জানা যায়।রিফাতের বি*রুদ্ধে চা*রটি মা*মলা রয়েছে। তিনি এ*কাধিকবার গ্রে*ফতারও হয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই তার খালা চেয়ারম্যানের স্ত্রী খুকি প্র*ভাব খাটিয়ে তাকে জা*মিনে ছা*ড়িয়ে আনেন। দেলোয়ার হোসেনের বাসার সামনেই রয়েছে তার মালিকানাধীন দোকান। সেটি ভাড়া নিয়ে এক ব্যবসায়ী খাবারের হোটেল ‘মাটিয়াল ক্যাফে অ্যান্ড মিনি চায়নিজ’ করেছেন। রিফাতকে কু*পিয়ে হ’*ত্যার ঘ*টনার আগে গত ৫ মে মিন্নি তার স্বামীকে নিয়ে ওই ক্যা*ফেতে গিয়েছিলেন। রিফাত শরীফ তার মোটরসাইকেল চেয়ারম্যানের বাসার একেবারে সামনে সড়কের পাশে রাখার চেষ্টা করেন।

তখন সামসুন্নাহার খুকি বা*ধা দেন। এ নিয়ে খুকির স*ঙ্গে রিফাতের উ*ত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। রিফাত তার স*ঙ্গে বাজে ব্যবহার করেন। তখন রিফাতকে দেখে নেওয়ার হু*মকি দিয়েছিলেন খুকি। ধারণা করা হচ্ছে, এর জে*র ধরেই রিফাত শরীফের ওপর ক্ষু*ব্ধ হয়ে তাকে হ*’ত্যার প*রিকল্পনা করেছিলেন রিফাত-রিশান।মিন্নি তার সংবাদ স*ম্মেলনেও এ বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বরগুনা সরকারি কলেজ ফটকের সামনে তার স্বামীকে রিশান ফরাজি প্রথম পথ রোধ করেছিলেন। রিশান তখন দাবি করেছিলেন, রিফাত শরীফ তার মাকে (খুকি) অ*কথ্য ভা*ষায় গা*লাগা*ল করেছেন। কেন করেছেন সেটা জানতে চান রিশান।

ঠিক একই সময় রিফাত ফরাজী বলেন, ‘তুই (রিফাত) আমার চোখের দিকে তাকাইয়া ক, মাকে কেন তুই গা*লি দিয়েছো।’ তখন রিফাত-রিশানের স*ঙ্গে থাকা অন্য আ*সামিরা রিফাতের কাছে অ*’স্ত্র আছে বলে চি*ৎকার করে এবং ধ*র *ধ*র বলে তাকে কি*লঘুষি মা*রতে শুরু করে।রি*ফাত হ’*ত্যার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, তাকে বরগুনা সরকারি কলেজের ফটক থেকে ধরে আনার আগে থেকেই রিফাত ফরাজি কলেজ ফটকে অ*বস্থান করছিলেন এবং তার স*হযোগীদের নানা নি*র্দেশনা দিচ্ছিলেন।

পুরো বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের স*ঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি হ’*ত্যার স*ঙ্গে নিজের এবং শামসুন্নাহার খুকির জ*ড়িত থাকার কথা অ*স্বীকার করেন। রিফাতের স*ঙ্গে তার স্ত্রীর কোনো ক*থাকাটাকাটির ঘ*টনা ঘ*টেনি বলেও জানান তিনি। সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল, কালের কণ্ঠ

এরশাদের শূন্য আসনে ছেলেকে প্রার্থী চান রওশন !

জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দলটির নতুন চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের (জি এম কাদের)।শনিবার দুপুরে রওশন এরশাদের গুলশানের বাসভবনে এ বৈঠক হয়। সেখানে তারা একসঙ্গে দুপুরের খাবারও খেয়েছেন। বৈঠকে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জ্যেষ্ঠপুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদসহ জাতীয় পার্টির কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, বৈঠকে জিএম কাদেরের মাথায় হাত বুলিয়ে আর্শীবাদ করেছেন তার ভাবি ও দলের সিনিয়র-কো চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ।
বৈঠকে উপস্থিত জাপার একজন নেতা জানান, জি এম কাদের তার সদ্য প্রয়াত ভাই এরশাদের (পার্টির ভবিষ্যৎ চেয়ারম্যান পদের বিষয়ে) সিদ্ধান্ত পুনরায় রওশন এরশাদকে অবহিত করেন এবং রওশন এরশাদকে জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতার ভূমিকায় থাকার প্রাথমিক প্রস্তাব করেন।তবে এ বিষয়ে রওশন তার সিদ্ধান্তের কথা জানাননি।

জি এম কাদের সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার পিতৃতুল্য বড় ভাই ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের প্রয়াণে ভাবির (রওশনের) মানসিক অবস্থা ভালো না।তিনি এখনো শোক কাটিয়ে উঠতে পারেননি। তাই আমি আমার মা*তৃ*তুল্য ভাবির সঙ্গে দেখা করতে যাই। এটা আমাদের পারিবারিক আলোচনা বৈঠক ছিল, রাজনৈতিক না।স্বাভাবিকভাবেই ভাবি আমার সঙ্গে স্নেহশীল মনোভাব নিয়ে কথা বলেছেন এবং আমার মাথায় হাত বুলিয়ে আশীর্বাদ করেছেন।’

এদিকে রওশন এরশাদের ঘনিষ্ট একটি জানিয়েছে, জিএম কাদেরকে দলের চেয়ারম্যান পদে মেনে নিতে আপত্তি নেই এরশাদপত্নীর। অন্যদিকে রওশন এরশাদকেও বিরোধীদলীয় নেতা করতে রাজি জিএম কাদের।

তবে এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য রংপুর-৩ আসনের উপনির্বাচনে ছেলে সাদ এরশাদকে প্রার্থী করতে চান রওশন, এবিষয়টি জিএম কাদেরকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

অপরাধীদের বাঁচাতে আমার নির্দোষ মেয়েকে ফাঁসানো হচ্ছে : মিন্নির বাবা

বরগুনায় আলোচিত*প্তার ও রিমান্ড প্রসঙ্গে তাঁর বাবা বলেন, আমার মেয়ে নির্দোষ। আমার মেয়ে ও পরিবারকে নিয়ে বরগুনার প্রভাবশালী একটি মহল ষ*ড়যন্ত্র করছে। খু*’নি(**দের বাঁচাতে আমার মেয়েকে ফাঁ*সা*নো হয়েছে।আজ বুধবার মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন এসব কথা বলেন।

তিনি সঠিক তদন্ত করে যারা প্রকৃত দোষী তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মিন্নির বাবা বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে পুলিশ এসে আসামি শনাক্ত করার জন্য মিন্নিকে পুলিশ লাইনসে নিয়ে যায়। আমি সঙ্গে যাই। এরপর আমাকে নাশতা খেতে দিয়ে বাইরে বসিয়ে রেখে মেয়েকে পুলিশ লাইনসের ভেতরে নিয়ে যায় পুলিশ।

আমি রাত ১০ টা পর্যন্ত মেয়ের জন্য বাইরে অপেক্ষা করি। এরপর আমাকে জানানো হয় মিন্নিকে গ্রে*প্তা**র করা হয়েছে। কী জন্য আমার মেয়েকে গ্রে*প্তা*র করা হয়েছে, সেসব বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। আমার মেয়ে এই মামলার ১ নম্বর সাক্ষী। গত ২৬ জুন প্রকাশ্য দিবালোকে রিফাতকে যখন স’*ন্ত্রাসী*রা কো’পাচ্ছিল,তখন আমার মেয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁর স্বামীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। সে নিজের জীবনের দিকে তাকায়নি। কিন্তু দুর্ভাগ্য। আমরা কিসের বলি হলাম? স্বামীকে স’*ন্ত্রাসীরা কু*’পিয়ে খু’*ন করার পর থেকে আমার মেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আমি জানি না এখন তাঁকে কোথায় রাখা হয়েছে, কীভাবে আছে, তাও জানতে পারছি না।

মিন্নির বাবা অ*ভিযোগ করেন, মামলাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য মিন্নিকে গ্রে*প্তার করা হয়েছে। এই খু’*নের নেপথ্যে যারা আছেন তারা খুবই ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী। তাদের কাছে দুনিয়ার সবই হার মেনে যাবে।আমরা খুবই সাধারণ মানুষ, তাদের কাছে খুবই সামান্য। আমরা তাদের হাতে যেকোনো সময় শেষ হয়ে যেতে পারি। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার দাবি, আমাদের এই ষড়যন্ত্র থেকে বাঁচান।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুলাই মিন্নি তাঁর বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি অ*ভি*যোগ করেন, যারা বরগুনায় ‘বন্ড ০০৭’ নামে স’ন্ত্রাসী গ্রুপ সৃষ্টি করিয়েছিলেন, তারা খুবই ক্ষমতাবান ও বিত্তশালী। এই ক্ষমতাবানেরা বিচারের আওতা থেকে দূরে থাকা এবং এই *হ**ত্যা মাম*লাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য তাঁর শ্বশুরকে চাপ দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করিয়েছেন। এরপর ১৬ জুলাই মিন্নিকে পুলিশ লাইনসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে গ্রে**প্তার করা হয়।

এদিকে মিন্নিকে গ্রে*প্তা*রের ঘটনায় বরগুনার বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে এ ঘটনায় পুলিশ বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান। আবার অনেকে বলছেন, এ ঘটনার মধ্য দিয়ে মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত।

এরশাদের জাপার ভবিষ্যৎ বলে দিলেন গোলাম মাওলা রনি !

সদ্য প্রয়াত হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি নিয়ে ভবিষ্যৎ বাণী করেছেন সম্প্রতি বিএনতি যোগ দেয়া রাজনৈতিক নেতা ও কলাম লেখক গোলাম মাওলা রনি।আজ সোমবার (১৫ জুলাই) নিজের ভেডিরফাইড ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি এ ভবিষ্যৎ বাণী করেন। তার স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

এরশাদের জাতীয় পার্টির ভবিষ্যত নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের উপর ! প্রধানমন্ত্রী যার প্রতি দয়া করবেন – তিনিই হবেন পার্টি চেয়ারম্যান ! অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর করুনা ছাড়া জাতীয় পার্টি সংসদে তাদের নেতা নি*র্বাচন করতে পারবে না !এরশাদের ভাই জনাব জিএম কাদের এবং প্রথম স্ত্রী রওশন এরশাদ উভয়কেই এবার প্রধানমন্ত্রীর নিকট নিজেদের আনু*গত্য প্রমান করতে হবে !

আওয়ামী আদর্শের কোষ্ঠী পাথরে মাথা রেখে তাদেরকে পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে নিজেদের সক্ষমতা প্রমান করতে হবে ! তা না হলে ভাগ্যের সিকা ঝুলবে না ! উল্লেখিত কর্ম করতে গিয়ে আগামী কয়েক দিনে বহু নাটক, বহু সিনেমা এবং পুতুল নাচের মহড়া হবে !

এরশাদের বারিধারার বাসা, বনানী অফিস, কাকরাইল অফিস এবং রংপুর পল্লীনিবাসে হাতা*হাতি বা আরো অনেক ম*ন্দ কিছু ঘটতে পারে ! আর তখন জাতীয় পার্টির লোকজন মর্মে মর্মে বুঝবেন যে জনাব এরশাদ বিগত দিনে কতটা কষ্ট করে দল চালিয়েছেন !
উল্লেখ্য, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় নেতা হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ রবিবার (১৪ জুলাই) মা*রা গেছেন।

এরশাদের হয়ে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইলেন জি এম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) ইনটেনসিভকেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে বলে জানিয়েছেন তার ভাই ও পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের। এরশাদের জন্য দোয়াও চেয়েছেন তিনি।

আজ ৫ জুলাই শুক্রবার জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররম মসজিদে এরশাদের রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে কাদের এ কথা জানান।এ সময় জি এম কাদের বলেন, ‘আমার ভাই এদেশের জন্য অনেক কিছু করেছেন। কাবা ঘরের ভেতরে তার প্রবেশের একাধিকবার সুযোগ হয়েছে।

ইসলামের জন্য তার অনেক অবদান রয়েছে। একটি মানুষ যতো কিছুই করুক না কেন শতভাগ মানুষের সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব নয়।কেউ যদি তার কাজে-কথায় চলাফেরায় বা অন্য কোনো কারণে কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে ক্ষমা করে দেবেন।জি এম কাদের বলেন, ‘আমি দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে, দেশবাসীর কাছে, আপনাদের কাছে, ভক্ত-সমর্থকদের কাছে তার রোগমুক্তি ও সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।’

এর আগে গত ২২ জুন থেকে ৯০ বছর বয়সী এরশাদ সিএমএইচে চিকিৎসাধীন। জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এরশাদ হিমোগ্লোবিন-স্বল্পতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও কিডনির জটিলতায় ভুগছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়।

Share

জিএম কাদেরের কান্না, আলোচনায় এরশাদের কবর !

সিএমএইচে চিকিৎসাধীন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে কোথায় কবর দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে দলটির নীতি নির্ধারণী ফোরাম প্রেসিডিয়ামের জরুরি সভায়।

নেতাদের কেউ বলেছেন, এরশাদকে সেনানিবাস কিংবা সংসদ প্রাঙ্গণে কবর দিতে। অনেকেই আবার এর বিরোধিতা করে বলেছেন, পাবলিক প্লেসে জায়গা কিনে এরশাদকে কবর দিতে।
এজন্য তারা যত টাকা লাগে তা খরচ করার কথাও বলেছেন। নেতাদের কেউ কেউ মোহাম্মদপুরের আদাবরে কিংবা সাভারে নিজস্ব জায়গায় এরশাদকে কবর দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

বুধবার এরশাদের বনানী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়ামের জরুরি সভার এরশাদের শারীরিক অবস্থার পাশাপাশি এরশাদের ‘কবরস্থান’ কোথায় হবে- এ বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পায়।
জাপার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জি এম কাদেরের সভাপতিত্বে সভায় এরশাদের কবর নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হলেও এ নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।এরশাদকে শঙ্কাজনক অবস্থায় সিএমএইচে রেখেই বুধবার বিকালে বৈঠকে বসেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্যরা। এ সময় দলের সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকের শুরুতেই এরশাদের শারীরিক অবস্থা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন জি এম কাদের। একপর্যায়ে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেন তিনি। এ সময় প্রেসিডিয়ামের সদস্যরাও অশ্রু সংবরণ করতে পারেননি। নীরবে চোখের পানি মুছেছেন অনেকেই।দীর্ঘ আলাপে এরশাদের চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা উঠে আসে। সিএমএইচে চিকিৎসা নিয়ে সন্তুষ্টির কথা জানান নেতারা। তারা বলেছেন, দরকার হলে জরুরিভিত্তিতে বাইরে পাঠানো হোক। কিন্তু শারীরিক দুর্বলতার কারণে বাইরে যাওয়ার মত পরিস্থিতি নেই জানানো হলে প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিশ্বমানের চিকিৎসক আনার কথা বলেন নেতারা।

এজন্য তারা যাবতীয় খরচ বহন করতেও রাজি। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশিদ এক পর্যায়ে বলেন, পার্টির চেয়ারম্যানকে জরুরি ভিত্তিতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে বিদেশ পাঠানো হোক। যাবতীয় খরচ আমিই দেব।সূত্র জানায়, প্রেসিডিয়ামের জরুরি সভায় এরশাদের কবর নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। দলের কয়েকজন প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, পার্টির চেয়ারম্যানকে সেনানিবাস অথবা সংসদ প্রাঙ্গণে কবর দিতে।তবে এর বিরোধিতা করে কেউ কেউ বলেন, এসব জায়গায় কবর দেওয়া হলে সর্বস্তরের মানুষ যখন তখন এরশাদের কবরে যেতে পারবে না। সংরক্ষিত জায়গা বাদ দিয়ে ঢাকার নিজস্ব কেনা জায়গায় পাবলিক প্লেসে কবরস্থান ঠিক করতে বলেন নেতারা।

এ সময় সভায় জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সফিকুল ইসলাম সেন্টু মোহাম্মদপুর আদাবরে জায়গা কিনে কবরস্থান কেনার প্রস্তাব দেন।জাপার জ্যেষ্ঠ নেতা অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদ এরশাদের কবরস্থানের জন্য সাভারে তার দুই বিঘা নিজস্ব জমি লিখে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।এ সময় তিনি বলেন, মোহাম্মদপুরের আদাবরে কিংবা অন্যখানে জায়গা পাওয়া না গেলে সাভারে আমার নিজস্ব জায়গা থেকে দুই বিঘা পার্টির চেয়ারম্যানের জন্য ‘কবরস্থান’ লিখে দেব।

জাপা নতুন প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী মামুনুর রশিদ পাবলিক প্লেসে নিজস্ব জায়গায় করার অনুরোধ করেন। এ সময় তিনি বলেন, পার্টির চেয়ারম্যান দেশের সতের কোটি মানুষের জনপ্রিয় নেতা। ঢাকার পরিচিত পাবলিক প্লেসে তার কবরের জন্য জায়গা কেনা হোক। প্রয়োজন হলে কবরস্থানের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে পাঁচ কোটি টাকা দেব।প্রেসিডিয়ামের জরুরি সভায় এরশাদের কবরস্থান ঠিক করা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি।

সভায় বিভাগীয় সাংগঠনিক সভাগুলোর সারমর্ম নিয়ে আলোচনা হয়। বিভাগীয় পর্যায়ে কমিটি গঠনসহ সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বুধবার দুপুর ৩টা থেকে শুরু হয়ে জাপার প্রেসিডিয়াম ও এমপিদের যৌথ অংশগ্রহণে সভা চলে আড়াই ঘণ্টা। সভায় জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ এমপি, দলের জ্যেষ্ঠনেতা ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, ফখরুল ইমাম এমপি, মীর আব্দুস সবুর আসুদসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন না।সভায় দলের মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, এম এ সাত্তার, অ্যাডভোকেট কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, সাহিদুর রহমান টেপা,

গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, আলহাজ্ব মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শেখ মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, হাবিবুর রহমান, সুনীল শুভ রায়, আতিকুর রহমান, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এটিইউ তাজ রহমান, আজম খান, নাজমা আখতার এমপি,ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, অবসর প্রাপ্ত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী, রেজাউল ইসলাম ভুইয়া, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, শফিউল্লাহ মুনির, এসএম ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গির, সৈয়দ দিদার বখত, কাজী মামুনুর রশিদ,

জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, আব্দুস সাত্তার মিয়া, আলমগীর সিকদার লোটন, এমরান হোসেন মিয়া, রওশন আরা মান্নান এমপি, শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি, আহসান আদেলুর রহমান এমপি, নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি,পীর ফজলুর রহমান মেছবাহ এমপি, পনির উদ্দিন এমপি, মিজানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।সূত্র: রাইজিংবিডি ডট কম

প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি না করার দাবি নিক্সন চৌধুরীর !

বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত দক্ষ শ্রমিকের পাশাপাশি অদক্ষ শ্রমিক যাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সরকারিভাবে অনেকে এ সুযোগের আওতায় আসতে না পেরে দালালের মাধ্যমে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে যাওয়া পর এসব শ্রমিকরা যেমন কোনো কাজ পাচ্ছেন না, তেমনি তাদের কারণে শ্রম বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বৈধ প্রবাসীরা।

তাই প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি সহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী। সম্প্রতি নানা বিষয় নিয়ে দেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল সময়’কে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। সাক্ষাৎকারে নিক্সন চৌধুরী বলেন ‘আমার আসন হবে একটা মডেল আসন এবং সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই আমার মূল লক্ষ্য।’

নিক্সন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি জন্যে হুবহু তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: আপনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুই দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং আপনার এলাকার মানুষ আপনাকে অত্যাধিক ভালোবাসে, এর রহস্য কি?
নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব রয়েছে, আমি যদি মানুষের সেবাই না করতে পারি, তাহলে আমার ক্ষমতা দেখানোর জন্য এমপি হয়ে কোনো লাভ নাই। তাই আমি ক্ষমতার জন্য এমপি হইনি। এলাকার জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য, তাদের বিপদে আমি যদি তাদের পাশে না দাঁড়াতে পারি, তাহলে আমি কিসের জনপ্রতিনিধি?

প্রশ্ন: আপনি খুব অল্প সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন দেশে ও বিদেশে, পাশাপাশি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীও রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর, বিভিন্ন সময় হুমকির পরেও কোনো প্রটোকল ছাড়াই একাকী স্বাভাবিক চলাফেরা করেন, এটা কি নিরাপদ মনে করেন?

নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, আমার প্রটোকল আমার জনগণ, মৃত্যুর ভয়ে পুলিশের প্রটোকল নিয়ে কেউ বাঁচতে পারেনি, আর আমার যারা প্রতিদ্বন্দ্বী, তারা সবাই আমার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সুতরাং আমি যদি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে না পারি,

তাহলে বেঁচে থেকে লাভ কি? যতদিন বাঁচবো মানুষের জন্য কাজ করেই যাবো ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্ন: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের হয়রানির বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি?

নিক্সন চৌধুরী: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সব সময় আমার লোক লাগানো আছে। যাদের কাজই হচ্ছে আমার আসনের কোনো রোগী স্বাস্থ্যসেবা নিতে হাসপাতালে যেয়ে যেন হয়রানির শিকার না হয় এবং তাদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা।

শুধুমাত্র ফরিদপুর নয়, ঢাকায়ও যদি আমার এলাকার কেউ আসে চিকিৎসা করাতে, তাহলেও আমি নিজের লোক দিয়ে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করি। আর দালালদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি, কিছুদিন আগেও অনেক দালাল গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রশ্ন: মহান জাতীয় সংসদে আপনি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন এবং দেশের অনেক টেলিভিশনের টকশোতেও বেশ গুরুত্বের সাথে প্রবাসীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, প্রবাসীদের নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?

নিক্সন চৌধুরী: এক নাম্বারে সরকারের কাছে আমার দাবি, প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড করে দেওয়া হউক, এবং দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিস, আদালতে প্রবাসীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের সেবা দেওয়া হউক।
এয়ারপোর্টের হয়রানি অনেক কমেছে আগের চেয়ে। এরপরও আমি এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষকে বলবো, আমার একজন প্রবাসী যেন নিরাপত্তা তল্লাশির নামে হয়রানির শিকার না হয় সেইদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স চালু করবো। প্রবাসীদের জন্য ট্রাভেল ট্যাক্স বন্ধ করার ব্যাপারে মহান সংসদে তুলে ধরবো। প্রবাসীদের বিনা হয়রানিতে এবং দ্রুত সময়ে ভোটার আইডি দেওয়ার ব্যাপারে কাজ করছি এবং আমার এলাকা থেকে কোনো একজন মানুষ যেন অদক্ষ হয়ে প্রবাসে না যায়। সেই জন্য একটা স্কিল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করবো, যেখান থেকে একজন মানুষ কাজের দক্ষতা অর্জন করে বিদেশ যেয়ে বেশি পরিমাণ রেমিটেন্স প্রেরণ করতে পারবে।

প্রশ্নকর্তা: অনেক ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।
নিক্সন চৌধুরী: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আমার অফিসে কষ্ট করে এসে আমার সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য, সবশেষে আমি আপনার মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের সকলের কাছে দোয়া চাই, যেন আমি সৎ ও সুন্দরভাবে আমার এলাকা পরিচালনা করতে পারি।-আমাদেরসময়.কম

প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি না করার দাবি নিক্সন চৌধুরীর !

বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত দক্ষ শ্রমিকের পাশাপাশি অদক্ষ শ্রমিক যাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। সরকারিভাবে অনেকে এ সুযোগের আওতায় আসতে না পেরে দালালের মাধ্যমে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে যাওয়া পর এসব শ্রমিকরা যেমন কোনো কাজ পাচ্ছেন না, তেমনি তাদের কারণে শ্রম বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বৈধ প্রবাসীরা।

তাই প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও এয়ারপোর্টের হয়রানি সহ বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে কাজ করে যাচ্ছেন তরুণ সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী। সম্প্রতি নানা বিষয় নিয়ে দেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল‘সময়’কে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ফরিদপুর-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। সাক্ষাৎকারে নিক্সন চৌধুরী বলেন ‘আমার আসন হবে একটা মডেল আসন এবং সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই আমার মূল লক্ষ্য।’

নিক্সন চৌধুরীর সাক্ষাৎকারটি জন্যে হুবহু তুলে ধরা হলো-
প্রশ্ন: আপনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দুই দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন এবং আপনার এলাকার মানুষ আপনাকে অত্যাধিক ভালোবাসে, এর রহস্য কি?
নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব রয়েছে, আমি যদি মানুষের সেবাই না করতে পারি, তাহলে আমার ক্ষমতা দেখানোর জন্য এমপি হয়ে কোনো লাভ নাই। তাই আমি ক্ষমতার জন্য এমপি হইনি। এলাকার জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য, তাদের বিপদে আমি যদি তাদের পাশে না দাঁড়াতে পারি, তাহলে আমি কিসের জনপ্রতিনিধি?

প্রশ্ন: আপনি খুব অল্প সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন দেশে ও বিদেশে, পাশাপাশি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীও রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর, বিভিন্ন সময় হুমকির পরেও কোনো প্রটোকল ছাড়াই একাকী স্বাভাবিক চলাফেরা করেন, এটা কি নিরাপদ মনে করেন?নিক্সন চৌধুরী: দেখুন, আমার প্রটোকল আমার জনগণ, মৃত্যুর ভয়ে পুলিশের প্রটোকল নিয়ে কেউ বাঁচতে পারেনি, আর আমার যারা প্রতিদ্বন্দ্বী, তারা সবাই আমার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সুতরাং আমি যদি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে না পারি,

তাহলে বেঁচে থেকে লাভ কি? যতদিন বাঁচবো মানুষের জন্য কাজ করেই যাবো ইনশাআল্লাহ।
প্রশ্ন: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী ও স্বজনদের হয়রানির বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি?
নিক্সন চৌধুরী: ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সব সময় আমার লোক লাগানো আছে। যাদের কাজই হচ্ছে আমার আসনের কোনো রোগী স্বাস্থ্যসেবা নিতে হাসপাতালে যেয়ে যেন হয়রানির শিকার না হয় এবং তাদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় সেই ব্যবস্থা করা।

শুধুমাত্র ফরিদপুর নয়, ঢাকায়ও যদি আমার এলাকার কেউ আসে চিকিৎসা করাতে, তাহলেও আমি নিজের লোক দিয়ে তাদের সব ধরনের সহযোগিতা করি। আর দালালদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি, কিছুদিন আগেও অনেক দালাল গ্রেফতার করা হয়েছে।
প্রশ্ন: মহান জাতীয় সংসদে আপনি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেছেন এবং দেশের অনেক টেলিভিশনের টকশোতেও বেশ গুরুত্বের সাথে প্রবাসীদের সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন, প্রবাসীদের নিয়ে আপনার স্বপ্ন কি?

নিক্সন চৌধুরী: এক নাম্বারে সরকারের কাছে আমার দাবি, প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড করে দেওয়া হউক, এবং দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি অফিস, আদালতে প্রবাসীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তাদের সেবা দেওয়া হউক।
এয়ারপোর্টের হয়রানি অনেক কমেছে আগের চেয়ে। এরপরও আমি এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষকে বলবো, আমার একজন প্রবাসী যেন নিরাপত্তা তল্লাশির নামে হয়রানির শিকার না হয় সেইদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স চালু করবো। প্রবাসীদের জন্য ট্রাভেল ট্যাক্স বন্ধ করার ব্যাপারে মহান সংসদে তুলে ধরবো। প্রবাসীদের বিনা হয়রানিতে এবং দ্রুত সময়ে ভোটার আইডি দেওয়ার ব্যাপারে কাজ করছি এবং আমার এলাকা থেকে কোনো একজন মানুষ যেন অদক্ষ হয়ে প্রবাসে না যায়। সেই জন্য একটা স্কিল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করবো, যেখান থেকে একজন মানুষ কাজের দক্ষতা অর্জন করে বিদেশ যেয়ে বেশি পরিমাণ রেমিটেন্স প্রেরণ করতে পারবে।

প্রশ্নকর্তা: অনেক ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য।
নিক্সন চৌধুরী: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আমার অফিসে কষ্ট করে এসে আমার সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য, সবশেষে আমি আপনার মাধ্যমে দেশ ও বিদেশের সকলের কাছে দোয়া চাই, যেন আমি সৎ ও সুন্দরভাবে আমার এলাকা পরিচালনা করতে পারি।-আমাদেরসময়.কম

অসুস্থ’ অর্থমন্ত্রী, বললেন সারা বিশ্বকে ঋণ দেবে বাংলাদেশ !

শনিবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের সমাপনী বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশের সময় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ভয়ানক অসুস্থ হয়ে পড়েন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

তবে ভয়ানক অসুস্থ অবস্থাতেই জাতীয় সংসদে ভাষণ প্রদানকালে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ২০৩০ সাল নাগাদ আমরা আর ঋণ নেব না, আমরা ঋণ দেব ইনশাল্লাহ। সারা বিশ্বের মানুষকে ঋণ দেব আমরা।এ সময় চীনের সাথে তুলনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমরা বেশি ঋণ করি কি না? ঋণের পরিমাণ হিসাব করা হয় জিডিপি দিয়ে। আমরা ঋণ নেই চীনের কাছ থেকে।

চীনের ঋণের পরিমাণ জিডিপির ২৮৪ শতাংশ। ওরা আমাদের ঋণ দেয়। আমাদের ঋণের পরিমাণ জিডিপির ৩৪ শতাংশ।
প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটের সফলতা ২০৩০ সাল পর্যন্ত পাওয়া যাবে দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বাজেটটি শুধু একটি বছরের জন্য নয়। এ বাজেটের ফাউন্ডেশন এ বছর। কিন্তু এ বাজেট থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অর্জন করতে পারব। সেভাবে আমরা বাজেটটি প্রণয়ন করেছি।

আমি বিশ্বাস করি, ২০২৪ সালে আমরা ডাবল ডিজিট গ্রোথে পা রাখব। ২০২৪ সাল থেকে শুরু করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত এ বাজেটের ফলাফল পাব।
এছাড়াও তিনি বলেন, একটা দেশ এবং জাতির সঙ্গে অনেক মিল আছে। মানুষের জীবনে যেমনিভাবে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, ঠিক তেমনিভাবে দেশের ক্ষেত্রেও সেটা সম্ভব হয়। দেশের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় বলেই আমরা আমাদের এ বাজেটে টাইটেল রেখেছি- ‘সময় এবার আমাদের, সময় এখন বাংলাদেশের’- যা ইচ্ছাকৃতভাবে লেখা হয়েছে।

তিনি এ বিষয়ে আরও বলেন, যদি চীন পারে, মালয়েশিয়া পারে, সাউথ কোরিয়া পারে তাহলে বাংলাদেশ অবশ্যই পারবে। আমরা গত ১০ বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নিরলস পরিশ্রম করে সবাই মিলে বাংলাদেশকে যে জায়গায় নিয়ে এসেছি।ট্রেন একবার যখন ট্র্যাকের উপর উঠে যায় তখন আর ট্রেন পেছনের দিকে যায় না। কোনো জাতি নাই আমাদের এখান থেকে গতিচ্যুত করতে পারবে। আমরা এগোবই, এগোবই ইনশাল্লাহ।এছাড়াও অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ডেঙ্গুতে আক্রান্ত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, আমাদের অর্থমন্ত্রী বাজেট পেশ করার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তখন আমি দায়িত্ব নিয়েছিলাম। তিনি এখনও অসুস্থ রয়েছেন। কারণ তার ডেঙ্গু হয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নিজের অসুস্থতার কথা স্বীকার করে বলেন,আমি এখনও অসুস্থ, আস্তে আস্তে সুস্থ হচ্ছি। তবে গতিটা অত্যন্ত ধীর। সেদিন বাজেটে পেশ করতে যেয়ে আমি মনে হচ্ছিল ছিটকে পড়ছি।এর আগে গত ১৩ জুন সংসদে ২০১৯-২০ অর্থ বছরের বাজেট পেশ করার দিন অসুস্থ থাকায় বাজেটের অধিকাংশ পাঠ করেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।……

তখন আমার সহকর্মীরা আমাকে ধরে বসান। আমি যখন চোখে ওষুধ নিয়েও পারছিলাম না, যখন দেখলাম আর চোখে দেখছি না তখন প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করলাম বাজেট বক্তৃতা প্রদানের জন্য। প্রধানমন্ত্রীর এই অবদান আমি সারাজীবন মনে রাখব। আমি কৃতজ্ঞ।