যেভাবে শনা*ক্ত ধshoর্ক মজনু

কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধsh*ণের অভিযোগে গ্রে*ফতার মজনুর সামনের দাঁত ভাঙা। আর এই ভা*ঙা দাঁ*তের সূত্র ধরেই প্রথমে মজনুকে শনাক্ত করে র‌্যাব। বুধবার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক সারোয়ার বিন কাসেম।

ব্রিফিংয়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারোয়ার বিন কাসেম জানান, ধsshর্ক মজনুর সামনের দাঁত ভাঙা— এটিই ছিল তাকে শনাক্ত করার প্রধান ক্লু। ১২ বছর আগে ট্রেন থেকে পড়ে দাঁত ভেঙে যায় তার। আর এটিই আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল।

র‌্যাব বলছে, ৭ জানুয়ারি রাতে কুরাতলী এলাকা থেকে নি*র্যা*তিত শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন উ8দ্ধা*র হয় খাইরুল নামে এক রিকশা চালকের কাছ থেকে। খাইরুল সেটি কেনেন অরুনা নামে এক নারীর কাছ থেকে।

অরুনার কাছে ফোনটি বিক্রি করে মজনু। এই তথ্যের ভিত্তিতে গ্রে*ফতার করা হয় তাকে। উ8দ্ধা*র হয় শিক্ষার্থীর ব্যাগ, মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য সামগ্রী।

র‌্যাব কর্মকর্তা কাসেম জানান, নি*র্যা*তিতা মেয়েটির দেয়া তথ্য এবং অরুনার দেয়া তথ্য মিলিয়ে বোঝা যায় যে, ধর্ণshকারী ও অরুনার কাছে মোবাইল বিক্রিকারী একই ব্যক্তি। দুজনের বর্ণনাতেই সামনে দাঁত না থাকা, নোয়াখালীর স্থানীয় ভাষায় কথা বলা, চুল কোঁ*কড়া এবং খর্ব*কায় একজন ব্যক্তির কথা উঠে আসে।

সংবাদ সম্মেলনে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, অরুনার দেওয়া তথ্য ও ভিকটিমের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে বুঝতে পারি উভয়ই একই ব্যক্তি। পরবর্তীতে বেশ কয়েকবার ভিকটিমের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে, আমি নিজেও কথা বলেছি। ভিকটিম বলেছেন, পৃথিবীর সব চেহারা ভুলে যেতে পারি, এই লোককে ভুলবো না।

তিনি আরো জানান, র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে মজনু ধ shণের কথা স্বী*কার করেছে। স্বী*কার করেছে সে একাই ছিল, ভিকটিমও তেমনই বলেছে।

কাসেম বলেন, মজনু জানিয়েছে, স্ত্রী মা*রা যাওয়ার পর তার অবস্থার কারণে সে আর বিয়ে করতে পারেনি। এরপর থেকে সে বিভিন্ন প্রতিবন্ধী নারী এবং ভিক্ষুককে ধর্ণsh করেছে।র‌্যাবের দাবি, হাতিয়ার নোয়াখালীর মজনু দশ বছর আগে জীবিকার সন্ধানে ঢাকায় আসে। হকারের কাজ ছেড়ে এক পর্যায়ে ছি*নতাই শুরু করে। হয়ে পড়ে মাদকাসক্ত। কাসেম আরো বলেন, সে পেশায় দিনমজুর ও হকার বললেও এর পাশাপাশি ছিনতাই ও চু*রি করে। ঘটনার দিন কুর্মিটোলা হাসপাতালের কাছ থেকে অনুসরণ করে শিক্ষার্থী*টিকে।

র‌্যাবের দাবি, ভবঘুরে এই ছিনতাইকারী ঘটনার দিন রাতে এয়ারপোর্ট রেলস্টেশন থেকে ট্রেনে চেপে চলে যায় নরসিংদী। পরে ফেরত আসে ঢাকায়। ঘুরতে থাকে বনানী রেলস্টেশনে। বুধবার (৮ জানুয়ারি) ভোরে এখান থেকেই তাকে গ্রে*ফতার করে র‌্যাব।

এর আগে গত রোববার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নামার পর এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ণsh করে অজ্ঞা*ত এক যুবক। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মা*মলা করেন। মা*ম8লায় অজ্ঞাত ৩০-৩৫ বছরের এক ব্যক্তি আসামি করা হয়।

দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় ঘোষণা করল আদালত

পিলখানা হ’ত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। আজ বুধবার (৮ জানুয়ারি)

সকালে সংশ্লিষ্ট কোর্টের বিচারপতিদের স্বাক্ষরের পর রায়টি প্রকাশিত হয়। সর্বোচ্চ আদালতের ওয়েবসাইটে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত এ ২৯ হাজার ৫৯ পৃষ্ঠার রায় প্রকাশিত হবে।

সেই ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বি’দ্রোহের সময় পিলখানায় সংঘটিত হ’ত্যা’যজ্ঞের মা’মলায় প্রায় দুই বছর আগে হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করলেও পূর্ণাঙ্গ রায়

প্রকাশ করার কথা থাকলেও নানাবিধ কারণে প্রকাশিত হয়নি। তবে আজ বুধবার সকালে (৭

জানুয়ারি) এই রায় প্রকাশিত হয়েছে বলে আ’দালত সুত্রে জানা গেছে।

এ রায় প্রকাশ নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানিয়েছেন, “আজ পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলো। রায়ের পর্যালোচনায় একাধিক দিকনির্দেশনা রয়েছে। রায়ে পিলখানায় ৫৭ সেনা

কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হ’ত্যার দায়ে অন্যতম পরিকল্পনাকারী ডিএডি তৌহিদসহ ১৩৯ আসামির মৃ’ত্যুদ’ণ্ডের আদেশ বহাল রাখা হয়। পাশাপশি ১৮৫ জনকে যা’বজ্জীবন এবং

১৯৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কা’রাদণ্ড দেওয়া হয়। খালাস পান ৪৯ আসামি।”

এদিকে সুত্রে জানা যায়, যারা খালাস পেয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করা হবে।

উল্লেখ্য , পিলখানায় সংঘটিত ওই ঘটনায় ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ প্রা’ণ হারান মোট ৭৪ জন।

সিসিটিভি ফুটেজে ভবন থেকে যুবককে ছুঁড়ে ফেলার দৃশ্য

কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ার ছড়ার খুরুশকুল সড়কের নিমার্ণাধীন একটি ভবন থেকে যুবককে ছুঁড়ে ফেলার অভিযোগের ভিত্তিতে একটি সিসিটিভি ফুটেজ সময় সংবাদের হাতে এসেছে।পুলিশ জানায়, নির্মাণাধীন ওই ভবনের সামনের একটি বিল্ডিং থেকে ওই সিসিটিভি ফুটেজটি সংগ্রহ করা হয়েছে।

কক্সবাজার শহরের তারাবনিয়ার ছড়ার খুরুশকুল সড়কের নিমার্ণাধীন একটি ভবন থেকে ওই যুবককে ছুঁড়ে ফেলার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন ওই যুবক। নিহতের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
কক্সবাজার সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থলের পাশের একটা বিল্ডিং থেকে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি।

ফুটেজ থেকে এতটুকু নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, পাশের একটা নির্মাণাধীন বিল্ডিং থেকে লাশটা পড়েছে। আমরা সিসিটিভি ফুটেজে তার পড়ার দৃশ্যটা দেখছি, কিন্তু যেখান থেকে পড়েছে সেটা আমরা এখনো নিশ্চিত হতে পারি নাই যে তাকে আদৌ কেউ ফেলে দিয়েছে, নাকি সে নিজে লাফ দিয়ে পড়ে গেছে। আমরা অন্যান্য বিল্ডিং থেকে আরো ফুটেজ নেয়ার চেষ্টা করছি।এ ঘটনায় ওই ভবনের নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ৮ শ্রমিককে আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আয়কর কার্যালয় সংলগ্ন ৯ তলা বিশিষ্ট ওই ভবনের নির্মাণ কাজ চলছে। ভবনটির মালিক আবদুল মজিদ, তিনি সদরের খরুলিয়া এলাকার বাসিন্দা। ওই ভবন থেকে হঠাৎ করে এক যুবককে রাস্তায় ছুঁড়ে দেয়া হয়। ওই যুবককে ঘিরে ধরে প্রত্যক্ষদর্শীরা। সে সময়ই তাকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।কক্সবাজার সদর থানার ওসি তদন্ত খাইরুজ্জামান জানান, ঘটনার সময় ওই ভবনের নির্মাণ কাজ করছিল শ্রমিকরা। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৮ জন শ্রমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সড়কে ৮০ বছরের বৃদ্ধের আকুতি: ‘বাবাজি, ওজন মেপে যান’

টাঙ্গাইলের বিভিন্ন জায়গায় একটি ওজন মাপার যন্ত্র নিয়ে এক বৃদ্ধকে প্রায়ই বসে থাকতে দেখা যায়। ৮০ বছরের ওই বৃদ্ধের নাম ফজল মুন্সি।আজ মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে তার দেখা মিলল টাঙ্গাইলের শহরের নিরালার মোড়ে। প্রতিদিনের মতো একই যন্ত্র নিয়ে বসে আছেন বৃদ্ধ ফজল মুন্সি।

পথচারীদের ডেকে বলছেন বাবাজি, ওজন মেপে যান। এই সময়ের মধ্যে ৮০-৯০ টাকাউপার্জন হয়েছে। ফজল মুন্সির চেয়ে অনেক কম বয়সী ব্যক্তিরা বসে আছেন ভিক্ষার থলে নিয়ে। অথচ ৮০ বছরের এই বৃদ্ধ বেছে নিয়েছেন ওজন মাপার পেশা।বৃদ্ধ বয়সে এমন পেশা বেছে নেয়ার গল্প সময়ের কন্ঠস্বর’কে জানালেন ফজল মুন্সি। তার বাড়ি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়ার চরে।৪০ বছর আগে তার একমাত্র ছেলে মনিরুলকে জন্ম দেয়ার সময় মা**রা যান তার ফজল মুন্সি

স্ত্রী। সময় পেরিয়ে মনিরুলের ঘরেও এখন দুই সন্তান। ছেলের দিকে তাকিয়ে ফজল মুন্সির দ্বিতীয় বিয়ে করার কথাটি তিনি ভাবেননি।ছেলে ওয়ালটন কোম্পানিতে কাজ করলেও বাবার সঙ্গে তেমন সম্পর্ক না থাকায় ছেলেমনিরুল তার স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় আলাদা বাড়িতে থাকেন।এদিকে বসতবাড়ি নদীগর্ভে চলে যাওয়ায় ফজল মুন্সির রাতের আশ্রয় পশ্চিম আকুর টাকুরপাড়া সংলগ্ন কাগমারা এলাকার একটি মসজিদে। বৃদ্ধ বয়স হলেও এখনও জোটেনি বয়স্ক ভাতা। এ জন্যই এই বয়সে বেছে নিয়েছেন ওজন মাপার পেশা।এ বিষয়ে বৃদ্ধ ফজল মুন্সির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার এই বয়সে অন্য

কোনো কাজ করার শক্তি নেই। তাই ১৫শ’ টাকা দিয়ে ওজন মাপার যন্ত্রটি কিনেছি। প্রতিদিন দুই থেকে আড়াইশ’ টাকা উপার্জন করি। তিন বেলা খাবার খাই হোটেলে। এতে একশ’ টাকালেগে যায়। বাকি এক-দেড়শ’ টাকা ভবিষ্যতের জন্য প্রতিদিন জমা রাখি। রাত হলেই আশ্রই নেই মসজিদে।বনে স্ত্রী হারা, বৃদ্ধ বয়সে ছেলে থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এমনকি ৮০ বছর বয়সেও বয়স্ক ভাতানা পাওয়ায় ওজন মেপে উপার্জন করছে এই বৃদ্ধ। এমন গল্প শুনে ব্যথিত হচ্ছে অনেকেই। বয়স্ক ভাতার জন্য সরকারের প্রতি আকুতি জানান বৃদ্ধ ফজল মুন্সি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহসময়ের কন্ঠস্বর’কে জানান, ফজল মুন্সির বয়স্ক ভাতা না পাওয়ার বিষয়টি আমার জানা ছিল না।তাকে কাগজপত্র নিয়ে আসতে বলেন। সে কাগজপত্র জমা দিলে দ্রুত তার বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

প্রচন্ড শৈত্য প্রবাহের পর এবার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর !

আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র অনুযায়ী, ঢাকায় গত ২০ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি, গত ১৯ ডিসেম্বর ১৩ ডিগ্রি, গত ১৮ ডিসেম্বর ১৬ দশমিক ২ ডিগ্রি, গত ১৭ ডিসেম্বর ১৭ দশমিক ৬ ডিগ্রি, গত ১৬ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গতকাল শনিবার ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সকাল ৬টায় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ। এ সময় তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল।শৈত্যপ্রবাহ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এর ফলে গত কয়েকদিনের জবুথবু অবস্থার কিছুটা উন্নতিও হচ্ছে। আগামী পরশু অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

তবে দুদিন ভাল থেকে আবার এ মাসের শেষ দিকে ২৫ থেকে ২৭ তারিখ পর্যন্ত বৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে অধিদপ্তর। আজ রোববার আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এই শঙ্কার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।সেখানকার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে আজ ঢাকায় সর্বনিম্ন ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোচ্চ ২৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্র রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয় রাজশাহী, পাবনা, যশোর, তেঁতুলিয়া ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা প্রশমিত হতে পারে মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এ ছাড়া অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে আবহাওয়ার সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে

মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে সারা দেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে

কতদিন ব্যবহার করতে পারবেন প্লাস্টিক পণ্য

প্রতিটি প্লাস্টিকের বোতল বা পাত্রের নিচে ত্রিভুজাকৃতি ছাঁচের মধ্যে কিছু নম্বর লেখা থাকে। প্লাস্টিকের তৈরি ওই পাত্রটি কতদিন বা কত বার ব্যবহার করা উচিত তা ওই নম্বর থেকেই জানা যায়। এ জন্য কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখা জরুরি। যেমন-

১. ত্রিভুজের মধ্যে ‘১’ লেখা থাকার অর্থ হল, পাত্রটি পলিথাইলিন টেরেপথ্যালেট জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। অর্থাৎ, এ প্লাস্টিকের পাত্রগুলি মাত্র এক বারই ব্যবহারযোগ্য। একবারের বেশি এগুলি ব্যবহার করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়।

২. যদি পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘২’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, পাত্রটি ঘন, অস্বচ্ছ পলিথিন বা এইচডিপিই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। এ জাতীয় পলিথিন দিয়ে শ্যাম্পু, ডিটারজেন্ট, টয়লেট ক্লিনারের বোতল তৈরি হয়। এগুলিতে খাবার বা কোনও রকম পানীয় রাখা একেবারেই স্বাস্থ্যকর নয়।

৩. পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৩’ লেখা থাকার অর্থ হচ্ছে, এ ধরনের পাত্র পলিভিনিল ক্লোরাইড বা পিভিসি দিয়ে তৈরি। খাবারের শক্ত মোড়ক বা রান্নার তেলের পাত্র এ জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি করা হয়। একবারের বেশি এগুলিও ব্যবহার করা ঠিক নয়।

৪. যদি পাত্রের নিচে ‘৪’ লেখা থাকে তাহলে বুঝতে হবে এ ধরনের পাত্র এলডিপিই জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি। এ ধরনের পাত্রে একাধিকবার পানীয় বা খাবার রাখা যেতে পারে। তবে সপ্তাহখানেকের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।

৫. যদি পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৫’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, এ ধরনের পাত্র ব্যবহার করা একেবারে নিরাপদ। সসের বোতল, পানির বোতল বা সিরাপের বোতল এ জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি।

৬. পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৬’ লেখা থাকলে বুঝতে হবে সেটি পলিস্টিরিন বা স্টাইরোফোম জাতীয় উপাদান দিয়ে তৈরি। এ জাতীয় পলিথিন দিয়ে তৈরি পাত্রে খাবার গরম করা মোটেই স্বাস্থ্যকর নয়। আর বেশি ব্যবহার করাও ঠিক নয়।

৭. যদি পাত্রের নিচে ত্রিভুজের মধ্যে ‘৭’ লেখা থাকে তাহলে তার অর্থ হল, এ ধরনের পাত্র ব্যবহার করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ। এতে খাবার বা কোনও রকম পানীয় রাখা একেবারেই উচিত নয়। সূত্র : জি নিউজ

কুড়িগ্রামে জুতা পায়ে শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ অধ্যক্ষের!

কুড়িগ্রামের উলিপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু তাহের বিজয় দিবসের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতে ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার বেদিতে জুতা পায়ে উঠে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন অধ্যক্ষ।
এ ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ জনতা ওই দিন দুপুরে অধ্যক্ষের ওপর হামলা ও তার অফিস কক্ষে ভাঙচুর চালায়। হামলায় আহত অধ্যক্ষ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।জানা গেছে, উলিপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে সোমবার সকালে শহীদ মিনারের বেদিতে কলেজের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু তাহেরকে জুতা পায়ে বেদিতে উঠে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ফটোসেশন করতেও দেখা যায়।বেদিতে জুতা পায়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই দিন দুপুরে একদল জনতা কলেজে ঢুকে অধ্যক্ষকে মারধর করে তার অফিস কক্ষ ভাঙচুর করেন।কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু তাহেরের মোবাইল ফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার স্ত্রী ফোন রিসিভ করে জানান, উনি অসুস্থ এখন কথা বলতে পারবেন না।সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এমডি ফয়জার রহমান জানান, বিজয়ের এই দিনে জুতা পায়ে শহীদ মিনারে উঠে শহীদদের অপমান করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

উলিপুর থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অধ্যক্ষ শহীদ বেদিতে জুতা পায়ে ওঠার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে মারপিট করার কথা শুনেছি। এ ঘটনায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। কলেজের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবদুল কাদের বলেন, জুতা পায়ে শহীদ বেদিতে ওঠা দুঃখজনক। বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে।

ঠাণ্ডায় ছিন্নমূলের দুর্ভোগ, দুঃশ্চিন্তায় কৃষক

তীব্র শীত জেঁকে বসেছে উত্তরের জেলা নওগাঁতেও। কনকনে ঠাণ্ডায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। গরম কাপড়ের অভাবে দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমূলের। এদিকে, ঘন কুয়াশার কারণে আলু ও পেঁয়াজ ক্ষেতে রোগ-বালাইয় দেখে দেয়ায় দুঃশ্চিন্তা বাড়ছে কৃষকদের।

প্রান্তিক জনপদের অভাবী মানুষগুলোর কাছে শীত যেন দুর্ভোগ আর যন্ত্রনা হয়ে ফিরে আসে । পৌষের প্রথম দিন থেকেই ঘন কুয়াশা আর তীব্র হাড়কাপানো ঠান্ডা দেখা দিয়েছে নওগাঁয়। ভোর থেকেই ঝরছে কুয়াশা, হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে যানবাহন। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আর কনকনে ঠান্ডায় দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিন্ম আয়ের মানুষেরা।

এদিকে ঘন কুয়াশায় আলু ও পেঁয়াজ ক্ষেতে ব্যাকটেরিয়া জনিত মড়ক দেখা দেয়ায় দুঃশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষক।তবে শীতে খেজুর রস সংগ্রহ আর সুস্বাদু গুড় তৈরির ব্যবসায় আশা জাগায় গাছীদের কাছ।দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে গরম কাপড় সরবরাহে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসন মো. হারুন-অর রশীদ।১১টি উপজেলায় দরিদ্র মানুষকে ৫৫ হাজার পিস কম্বল বিতরণ করা হবে বলে জানায় জেলা প্রশাসন।

ইমার্জিং কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশ !

ইমার্জিং টিম এশিয়া কাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে পা রেখেছে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে নেপালকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে টাইগার যুবারা। টস হেরে শুরুতে ব্যাট করে সব কটি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩৮ রান সংগ্রহ করে নেপাল। জবাবে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা।

বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে দেখে শুনে খেলার চেষ্টা করে নেপালের ২ ওপেনার। সুমন খান ভাঙ্গেন উদ্বোধনী জুটি। তবে গায়ানেনদ্র মাল্লা খেলেন একপাশ আগলে রেখে। কিন্তু ২২ রানে তাকেও ফেরান সুমন। এরপর আসা যাওয়ার মিছিলে ছিলেন বাকি ব্যাটসম্যানরা। শেষ দিকে সম্পাল কামির ৩৮ রানে ১৩৮ রানের সংগ্রহ পায় নেপাল ইমার্জিং দল। ৩টি করে উইকেট পায় সুমন খান এবং মিনহাজুল আফ্রিদি।

জবাবে নাঈম শেখ আর সৌম্য মিলে শুরুটা ভালই করেন। তবে আগের ম্যাচে দুর্দান্ত খেলা সৌম্য এদিন ফিরেন মাত্র ১১ রানে। নাঈম করেন ৪৫ রান। নাজমুল হোসেন শান্ত আর ইয়াসির আলী মিলে নির্বিঘনে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছান। অধিনায়ক শান্ত করেন ৫৯ রান। আর ইয়াসির আলী অপরাজিত থাকেন ১৮ রানে। ফলে ৮ উইকেটের জয় দিয়ে অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে পা রাখলো বাংলাদেশ।

সন্তানকে বীভ*ৎস*ভাবে মারছে গৃহকর্মী, ক্যামেরায় দেখছেন বাবা (ভিডিও)

‘বাসায় ফিরে আমার সন্তানকে জড়িয়ে ধরেছি, কোলে তুলে নিয়েছি, অনেক আদর করেছি। কিন্তু অন্য দিনের মতো চিৎকার করে বাবা বাবা করে ডাকে নাই। বাচ্চাটা মার আর লাথির ভয়ে এতটাই ভীত হয়ে পড়েছিল যে ‘বাবা’ বলতে যেন ভুলেই গিয়েছিল! আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সেইসঙ্গে আমাদের মতো দম্পতিরা যেন সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হয়। সবাই দোয়া করবেন আমার নিষ্পাপ বাচ্চাটার জন্য’— কথাগুলো বলছেন এক শিশু সন্তানের বাবা।

দুইবছর একটি শিশুকে ৪০ বছর বয়সী গৃহকর্মীর ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। এই ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। টাইমলাইনে ঘুরতে থাকা এ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে— এটিকে অমানবিক, লোমহর্ষক ও বীভৎস ঘটনা বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুরে ওই ঘটনাটি ঘটে। এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মো. আল আমিন সরকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শিশুটির মা লুৎফুন্নাহার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এই দম্পতির একমাত্র শিশু আবদুল্লাহ আবতাই আয়াতের বয়স মাত্র দুই বছর। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরি করায় আয়াত থাকত বাসায় গৃহকর্মীর কাছে।

কিছুদিন ধরেই সন্তানকে দেখে এমনই কিছু একটা আশংকা হয়েছিল বাবার। যে কারণে তিনি দ্রুত নিজের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন। আইপি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ তিনি নিজের স্মার্টফোনেই লাইভ দেখতে পারতেন। যে কারণে নিজের সন্তান চোখে চোখেই থাকত।

অবশেষে এল ১৪ নভেম্বর ২০১৯! অফিসে বসে ভয়ংকর এক দৃশ্য চোখে পড়ল আল আমিন সরকারের। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে গৃহকর্মী দ্বারা সন্তানকে নির্যাতনের দৃশ্য! বাথরুম থেকে ঘরের ভেতর ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওইটুকু শিশুকে একের পর এক লাথি মারতে থাকে সেই গৃহকর্মী!

অতঃপর ক্রন্দনরত শিশুকে সেভাবে ফেলে দিয়েই আবারও নিজের কাজে মন দেয় সে। প্রযুক্তির কল্যাণে অফিসে বসে কলিজার টুকরা সন্তানের ওপর এই ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে চিৎকার করা ছাড়া বাবার তখন কীইবা করার ছিল! সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ছোটেন বাসার দিকে। গৃহকর্মীর হাত থেকে উদ্ধার করেন নিজের সন্তানকে।

এই ঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর রাত সোয়া ৯টার দিকে শাহজাহানপুর থানায় শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) এর ৭০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন আল আমিন সরকার।

অভিযুক্ত গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা আল আমিন সরকার বলেন, ‘আমি একজন অসহায় বাবা, যাকে দেখতে হয়েছে ২ বছরের সন্তানকে বীভৎস মারের দৃশ্য! এই নির্যাতনের দৃশ্য দেখেও কিছু করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছি আমি। দেখা ছাড়া কিছু করার ছিল না আমার!’ (সূত্র: কালের কণ্ঠ)