প্রিয়া সাহার বিচারের দাবিতে তার নিজ এলাকায় মানববন্ধন

দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা বক্তব্যের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে তার নিজ এলাকার মানুষ পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার জনগণ। সোমবার দুপুরে নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কাছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা তথ্য দিয়েছে প্রিয়া সাহা।

তিনি নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য বিদেশীদের কাছে দেশ বিরোধী মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।

বক্তারা আরো বলেন, নাজিরপুরে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহবস্থান করছে। এখানে কোন হিন্দু নির্যাতন বা গুমের ঘটনা নেই। প্রিয়া সাহা যে মিথ্যাচার করেছে তা রাষ্ট্রবিরোধী। এ কারণে প্রিয়া সাহাকে দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি দাবী করেন তারা।

এ সময় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ খান, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, কনসার্টেড ইম্পিরিয়্যাল ক্লাবের সভাপতি হৃদয় খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

নিজের বি*রুদ্ধে মামলা নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সুমন

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অ*ভিযোগে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমনের বি*রুদ্ধে মামলা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস-শামস জগলুল হোসেনের আদালতে এ মা*মলা করেন রাজধানীর ভাষাণটেকের সমাজসেবক গৌতম কুমার এডবর।

আর তাকে আইনগত সহায়তা করেন বাংলাদেশ হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি আইনজীবী সুমন কুমার। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সঞ্চয় কুমার দে দুর্জয়।

অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় মামলার আবেদন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে।’

মামলার আবেদনে, দণ্ডবিধির ২৯৫ (ক) ও ২৯৮ ধারায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ধর্মীয় পবিত্রতা নষ্টে অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে ৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার আরজিতে জানানো হয়, গত ১৯ জুলাই ব্যারিস্টার সাইয়্যেদুল হক সুমন তাঁর ফেসবুক পেজে বলেন, পৃথিবীর মধ্যে নিকৃষ্ট এবং বর্বর জাতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী, যাদের ধর্মের কোনো ভিত্তি নেই। মনগড়া বানানো ধর্ম। হয়তো দু-একটি খবর নিউজে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া আরো অনেক ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায় তাদের নৃশংসতার আড়ালে।

আরজিতে আরো বলা হয়, ব্যারিস্টার সুমন গত ১৯ এপ্রিল সনাতন ধর্ম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে মিথ্যা, অশ্লীল ও চরম আপত্তিকর মন্তব্য করেন। যার ফলে হিন্দুসমাজ তথা গোটা জাতির মধ্যে এ নিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আসামির এ রকম আচরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অশ্লীল অবমাননাকর ও অরুচিপূর্ণ বক্তব্যর ফলে রাষ্ট্র ও হিন্দুসমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে।

v

আসামির এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদানের ফলে সাধারণ জনগণ নীতিভ্রষ্ট, অসৎ হতে উদ্যত হওয়ার ফলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়ার আশঙ্কা আছে।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হলে মামলা দায়ের করা তাঁর সাংবিধানিক অধিকার। ফেসবুকের যে অ্যাকাউন্ট থেকে এটি ছড়ানো হয়েছে, সেটা আমার নামে ভুয়া আইডি ছিল।’

ব্যারিস্টার সুমন আরো বলেন, ‘এ মামলার মাধ্যমে প্রমাণিত, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এ দেশে স্বাধীনভাবে বসবাস করছে এবং আদালতে তারা ন্যায়বিচার পাচ্ছে।’

ফুটফুটে এক কন্যা সন্তানের জননীকে পি*টিয়ে হ*ত্যা*কারী সেই যুবকের পরিচয় মিলেছে

রাজধানীর বাড্ডায় গ*ণপি*টুনি দিয়ে এক নারীকে হ**ত্যার ঘটনায় তিন যুব*ককে আ**টক করেছে পুলিশ। মোবাইল ফোনের ভি*ডিও ফুটেজ দেখে রোব*বার রাতে তাদের আ**টক করা হয়েছে। আ*ট*করা হলেন- জাফর, শাহীন, বাপ্পী।

বাড্ডা থানার বাড্ডা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞা*সাবাদের জন্য তিন যুবককে বাড্ডা থেকে আ**টক করা হয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি *ভাইরাল হওয়া হৃদয় নামের অভিযুক্ত একজনকে এখনো আ*ট*ক করা যায়নি।

গতকাল শনিবার সকালে উত্তর বাড্ডায় ছে*লে*ধরা স*ন্দেহে ওই নারীকে পি*টি*য়ে আ*হত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গু*রু*তর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে ক*ব্যরত চিকিৎসক মৃ*ত* ঘোষণা করেন।

এদিন সন্ধ্যায় ঢামেক হাস*পাতালে নি*হ*তের মরদেহ শনাক্ত করেন তার ভা*গিনা ও বোন রেহানা। তারা জানায়, নি*হ*তের নাম তসলিমা বেগম রেনু। তার ১১ বছরের এক ছেলে ও চার বছর বয়সী এক মে*য়ে রয়েছে। আড়াই ব*ছর আগে তসলিম উদ্দিনের সঙ্গে তার বি*বাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ছে*লে*মেয়েকে নিয়ে মহাখালী ওয়ারলেস এলাকায় একটি বাড়িতে থাকতেন তিনি।

নি*হ*তের ভাগিনা নাসির উদ্দিন বলেন, রেনু মা*ন*সিক রোগে ভুগ*ছিলেন। চার বছর বয়সী মে*য়েকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য তিনি এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে ঘুরছিলেন। এ কা*রণেই হয়তো তিনি বাড্ডার ওই স্কুলটিতে যান।

এ ঘটনায় শ*নিবার বাড্ডা থানায় অজ্ঞাত ৪০০ থেকে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হ*ত্যা* মা*ম*লা করেন নাসির উদ্দিন। মা*ম*লায় বলা হয়েছে, অত*র্কিত*ভাবে ওই নারীকে স্কুলের অভি*ভাবক, উৎসুক জনতাসহ অনেকে গ*ণ*পিটুনি দেয়। এতে তার মৃ*ত্যু* হয়। এ ঘটনায় প্র*ত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আনু*মানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জড়িত।

প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে মামলা করতে আদালতে ব্যারিস্টার সুমন !

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বি*রুদ্ধে মি*থ্যা অ*ভিযোগ করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে মামলা করতে নিম্ন আদালতে গেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।

রোববার সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি আদালতে যান। প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে ব্যারিস্টার সুমন রাষ্ট্রদ্রোহের মা*মলা করবেন বলে জানা গেছে।
এর আগে গত শুক্রবার শুক্রবার (১৯ জুলাই) রাতে ফেসবুক লাইভে এসে মা*মলা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার সুমন। সেদিন তিনি বলেন, ‘আমি তার বি*রুদ্ধে অবশ্যই মামলা করব, আপনারা আমার পাশে থাকবেন।’

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) হোয়াইট হাউসে ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে ১৬টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহাও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান।প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।’

এরপর তিনি বলেন, ‘এখন সেখানে ১ কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খুইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পু**ড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।’ভিডিওতে দেখা গেছে, এক পর্যায়ে ট্রাম্প নিজেই সহানুভূতির সঙ্গে এই নারীর সঙ্গে হাত মেলান।প্রিয়া সাহা আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যকার কথোপকথন প্রকাশ পেলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকেও তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

প্রিয়া সাহাকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন আহমদ শফী !

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশ নিয়ে ভয়ংকর মিথ্যাচার করেছেন বাংলাদেশি নারী প্রিয়া সাহা। সে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ নিয়ে সরকারের উচ্চ মহল থেকে শুরু করে দেশের সকল মানুষের মধ্যে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। এবার এ বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন হেফাজত আমীর আল্লামা শাহ আহমদ শফী (দা.বা)।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা সম্প্রতি বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছে তথ্য প্রকাশ করে যে মন্তব্য করেছেন তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও গভীর ষড়*যন্ত্রমূলক।প্রিয়া সাহার এই মন্তব্যটি বাংলাদেশের সর্বোস্তরের তৌহিদী জনতার হৃদয়ে আঘাত করেছে এবং এতে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

শনিবার (২০ জুলাই) বিভিন্ন গণমাধ্যমে হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক মাওলানা আনাস মাদানী কর্তৃক প্রেরিত বিবৃতিতে আহমদ শফী আরও বলেন, বাংলাদেশের একজন নাগরিক এবং সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী সংখ্যালঘু নেত্রীর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মুসলমানদের মৌলবাদী নাম দিয়ে যে কুৎসিত মন্তব্য ও তথ্য দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।

আমি তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। তার মতে বাংলাদেশ থেকে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ৩ কোটি ৭০ লক্ষ লোক (ডিসঅ্যাপিয়ারড) গুম হয়েছে যার কোন সত্যতা ও প্রমাণ তার কাছে নেই।রাষ্ট্রের পদে আসীন হয়েও কিভাবে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন তথ্য ভিন্ন রাষ্ট্রের কাছে তুলে ধরতে পারে তা বোধগম্য নয়। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সম্প্রীতির সঙ্গে সকল ধর্মের লোকেরা একসঙ্গে বসবাস করে আসছে এবং বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে এবং তারা এদেশে নিজেদের সাংবিধানিক অধিকার পরিপূর্ণভাবে ভোগ করে আসছে।

বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরাম, ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকে ফান্ডামেন্টালিস্ট বা মৌলবাদী আখ্যা দেওয়ার মাধ্যমে তাদের প্রতি এদেশের মুসলমানদের যে অবদান, সৌহার্দ্যপূর্ণ ব্যবহার ইত্যাদি অস্বীকার করে ধৃষ্টতাপূর্ণ আচরণ দেখিয়েছে, যাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতার চরম পর্যায় বলে মনে হয়।

আল্লামা আহমদ শাহ শফী কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অনতিবিলম্বে প্রিয়া সাহা’র বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনের আওতায় এনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি। তা নাহলে দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে এধরণের দেশদ্রোহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলাম এ দেশের সর্বস্তরের তৌহিদী জনতাকে সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।

প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করছেন ব্যারিস্টার সুমন

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে মিথ্যা তথ্য দেয়া প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করছেন বলে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন।প্রিয়া সাহার বক্তব্যকে বাংলাদেশের জন্য একটি চক্রান্ত উল্লেখ করে ব্যারিস্টার সুমন বলেন, রোববার আদালত খোলা হলে তিনি প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে মামলা করবেন।

প্রিয়া সাহা নামে বাংলাদেশের এক নাগরিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বলেন, ‘আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে ৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান গুম (ডিসঅ্যাপেয়ার) হয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে রক্ষা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।’

বুধবার ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার বিভিন্ন দেশের ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে ১৬টি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। তখন বাংলাদেশের প্রিয়া সাহাও মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান।ওই সাক্ষাৎকালে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলা প্রিয়া সাহার বক্তব্য ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

ব্যারিস্টার সুমন প্রিয়া সাহার বক্তব্য খণ্ডন করে একে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেন বারবার। সুমন শুক্রবার রাতে তার নিজবাড়ি সিলেটে অবস্থান করছেন বলেও জানান।

ব্যাগে শিশুর কাটা মাথা, গণপিটুনিতে ঘাতক নিহত

নেত্রকোনা জেলা শহরে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যাগে শিশুর কাটা মাথা নিয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখে গণপিটুনিতে মৃত্যু হয় এক যুবকের (২৮)। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বেলা পৌনে ১টার জেলা শহরের নিউটাউন এলাকার অনন্তপুকুর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুটির নাম সজীব মিয়া (৮)। সে শহরের পূর্ব কাটলী এলাকার রিকশাচালক রইছ উদ্দিনের ছেল। আর গণপিটুনিতে নিহত যুবকের নাম রবিন। তার পিতার নাম এখলাসউদ্দিন। সে-ও পেশায় একজন রিকশাচালক এবং মাদকসেবী বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে এক যুবক হাতে একটি ব্যাগ নিয়ে বারহাট্টা রোডের পাশে সুইপার কলোনিতে মদ খেতে যায়। এ সময় ব্যাগে থেকে ফোঁটা ফোঁটা রক্ত পড়তে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।

পরে তারা ব্যাগটি দেখতে চাইলে ওই যুবক দৌড়ে পালাবার চেষ্টা করে। তখন স্থানীয়রা তাকে আটক করে ব্যাগ তল্লাশি করে তার মধ্যে এক শিশুর ছিন্ন মাথা দেখতে পায়। পরে উত্তেজিত জনতা জড়ো হয়ে তাকে এলোপাতারি গণপিটুনি দেয়। গণপিটুনির একপর্যায়ে সে মারা যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবকের লাশ এবং শিশুর ছিন্ন মাথাটি উদ্ধার করে। পরে সজীবের স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে ছিন্ন মাথাটি সজীবের বলে শনাক্ত করে।

সজীবের স্বজনরা জানায়, সকাল সোয়া ১১টার দিকে সে তার বাবার কাছ থেকে পাঁচ টাকা নিয়ে স্থানীয় একটি দোকান থেকে খাওয়ার জিনিস কিনতে যায়। এর পর থেকে তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এদিকে বিকেল ৩টার দিকে কাটলী এলাকার একটি নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের তিনতলার ছাদে সজীবের দেহের বাকি অংশ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ সেটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নেত্রকোনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুল আলম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহজাহান মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ প্রসঙ্গে নেত্রকোনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম আশরাফুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ঘাতক যুবক ও নিহত শিশুটির পরিবার পাশাপাশি থাকে এবং একে অন্যের পরিচিত। সে মাদকাসক্ত এবং নানা ধরনের মাদক সেবন করে। এই দুই পরিবারের মধ্যে কোনো আন্তকোন্দল আছে কি-না এবং এই খুনের মোটিভ কী তা অনুসন্ধানে আমরা কাজ করছি।

পড়ে আছে ফুলসজ্জা, এই ফুলগুলো ছুঁয়ে দেখা হয়নি তাদের..

এই ফুল সজ্জিত বাসর ঘরটি আজ মুখর থাকার কথা ছিল। কথা ছিল আজ এখানকার মধ্যমণি হয়ে থাকবেন তারা দুজনে। সবাই মেতে থাকবে তাদের নিয়ে। কিন্তু এসবের কিছুই আর হয়ে ওঠেনি। মধ্যমণিরা এখন বহু দূরে, আর এ দুনিয়াতে নেই।

ট্রেন দু**র্ঘটনায় বর-কনেকে বহন করা মা*ইক্রোবাস চুর্ণ বিচুর্ণ হয়ে যায়। ওই গাড়িতে বরযাত্রী হিসেবে থাকা ১১ আদম সন্তানের কেউ আর বেঁ**চে নেই এখন। ইতোমধ্যে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় নিজ নিজ বাড়িতে তাদের লা*শ দা*ফন হয়েছে।

কিন্তু বরের বাড়িতে ফুলসজ্জাটি এখনও ওভাবেই আছে। মুখর হয়ে থাকার বদলে বাসর ঘরটি এখন এক নির্জন স্থান। ফুলগুলো আর ছুঁয়ে দেখা হয়নি তারা দুজনার।

গতকাল সোমবার ঘটা দুর্ঘ*ট**নায় নি*৮ৎহতদের মধ্যে বর ও কনের পরিচয় পাওয়া গেছে। বর আযম হোসেন (২৫) সিরাজগঞ্জ জেলা সদরের কান্দাপাড়া গ্রামের আলতাব হোসেনের ছেলে এবং কনে সুমাইয়া খাতুনের (২০) বাড়ি উল্লাপাড়ার চরঘাটিনায়। নিহতদের মধ্যে একজন বরের বোন জামাই সুমন শেখ, বরযাত্রী একই গ্রামের টুটুল শেখ, খোকন মিয়া, শরিফুল ইসলাম শরিফ, ভাষান আলী, আব্দুস সামাদ ও বায়োজিদ হোসেন।

এদিকে, দুর্ঘ**টনার খবর শুনে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ছেলে সুমনের লা**শ দেখে স্ট্রোক করে মৃ**ত্যুর কো*লে ঢলে পড়েন বাবা মুছা শেখ।

স্থানীয়রা জানান, বর**যাত্রীসহ মাইক্রোবাসটি উল্লাপাড়ার ঘাটিনা থেকে সিরাজগঞ্জ জেলা সদরের কান্দাপাড়ায় যাচ্ছিল। সলপ স্টেশনের উত্তরে পঞ্চক্রোশী আলী আহম্মদ উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে উন্মুক্ত লেভেল ক্রসিং পারাপারের সময় মাইক্রোবাসটির সঙ্গে ট্রেনের ধাক্কা লাগে। এতে ১০ জন মা**রা গেছেন বলে জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জ জিআরপি থানার ওসি হারুন মজুমদার।

বরের বাড়িতে বাসরঘর সাজানো হয়। কিন্তু নিয়তির নি*র্ম**ম পরিহাস সেই ঘর সেভাবেই পড়ে ছিল। আসেননি নববধূ, বর।

অরক্ষিত রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং-এর কারণেই এ দুর্ঘ**টনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন উল্লাপাড়া থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. গোলাম মোস্তফা। তিনি জানান, উন্মুক্ত লেভেল ক্রসিং পারাপার হওয়ার সময় বিয়ের গাড়িবহরের একটি মাইক্রোবাসে ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন মা**রা যান। রেলওয়ে লেভেল ক্রসিং-এ কোনও ব্যারিয়ার বা বার্জ ছিল না। এমনকি সেখানে রেল বিভাগের কোনও পাহারাও ছিল না। ঘটনা*স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়।

পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগের পাকশীর বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মিজানুর রহমান জানান, এটা রেল বিভাগের নির্ধা**রিত কোনও লেভেল ক্রসিং নয়। স্থানীয় লোকজন নিজেদের স্বার্থে চলাচলের জন্য সেখানে উন্মুক্ত রেখেছে। দুর্ঘ**টনার পর দেড়ঘণ্টা দেরিতে ট্রেনটি ছেড়ে ঢাকার দিকে গেছে।

হঠাৎ ‘বুড়োদের’ দখলে ফেসবুক!

ঠাৎ করেই বুড়োদের দখলে ফেসবুক! শুনে অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। সম্প্রতি মাত্র দু’এক দিনের ব্যবধানে টকবগে যুবক-যুবতীদের পরিণত হতে দেখা যাচ্ছে বৃদ্ধ-বৃদ্ধায়। প্রথম দেখাতে সফটওয়্যারের কারসাজি বোঝা মুশকিল।

‘ফেসঅ্যাপ’ নামের একটি অ্যাপের কারসাজি এগুলো। এই অ্যাপে নিজের ছবি এডিট করার পর কাছের মানুষগুলোর কাছেও অপরিচিত মনে হবে।

ফেসবুক, টুইটার বা ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে ব্যবহারকারীদের এই অ্যাপ ব্যবহার করে ছবি শেয়ার করতে দেখা গেছে। ব্যবহারকারীরা নিজেদের একক বা যৌথ ছবি অ্যাপের মাধ্যমে মোডিফাই করে পোস্ট করছেন।

ফটো এডিটিং বিভিন্ন অ্যাপের মাঝে ভীষণ জনপ্রিয় একটির নাম ফেসঅ্যাপ। ২০১৭ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে এই অ্যাপটি। জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে নিয়মিত নানারকম ফিল্টার, ইফেক্ট আর মাস্ক যোগ, বিয়োগ আর আপডেট করছে ফেসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।

বলতে বাধা নেই যে, ফেসঅ্যাপ নামক অ্যাপটি বর্তমানে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে। তা না হলে বিষয়টি এত ভাইরাল হত না।

ছবি এডিট করে চেহারা বদলে ফেলা, বয়স বাড়ানো-কমানো, ছেলে থেকে মেয়ে বা মেয়ে থেকে ছেলে হওয়া, চুল বা চোখের রঙ বদলে ভিন্নরকম হয়ে যাওয়া, এমনকি চুলের স্টাইলই অন্য কিছু বানিয়ে সবাইকে চমকে দেয়া- এমন অ্যাপ এখন ভার্চুয়াল সমাজে অসংখ্য।
তবে ফেসঅ্যাপ সম্প্রতি নতুন একটি ‘ওল্ড’ ফিল্টার যোগ করেছে।

এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশার যু**দ্ধ ঘোষণা!

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ চলে গেছেন পৃথিবীর মায়া ছেড়ে। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (১৪ জুলাই) সকাল ৭টা ৪৫ মিনিটে তিনি মা**রা যান।

হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ দীর্ঘ ৯ বছর আঁকড়ে থাকার পর নব্বইয়ে গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন। এর পরেও নানাভাবে আলোচিত ছিলেন সাবেক এই সেনা প্রধান।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদে জানা গেছে, চলতি একাদশ সংসদের বিরোধী দলীয় মরহুম নেতা হুসেইন মহম্মদ এরশাদকে ঢাকায় নয়, রংপুরে তার বাসভবন পল্লী নিবাসেই দা*ফন করা হবে বলে দলের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, রংপুরের মানুষের ভালোবাসায় শ্রদ্ধা রেখে রংপুরে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে দাফন করার অনুমতি দিয়েছেন বেগম রওশন এরশাদ। পাশে রওশন এরশাদের জন্য ক(*বরের জায়গা রাখার অনুরোধও করেছেন তিনি।

এদিকে এরশাদ ও বিদিশা দম্পত্তির একমাত্র সন্তান এরিক এরশাদকে কাছে পেতে মা বিদিশা সিদ্দিক এবার যু**দ্ধ ঘোষণা করলেন। বিদিশা সিদ্দিক তার ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, ‘এবার শুরু ছেলেকে উ*দ্ধার করা যু*দ্ধ’।

এরশাদ-বিদিশার চূড়ান্ত বিবাহ বিচ্ছেদ হবার পর থেকেই এরিক প্রশ্নে আইনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হন বিদিশা এবং এরশাদ। অবশেষে বিষয়টি উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় এরিক মা এবং বাবার সান্নিধেই থাকার সিদ্ধান্ত দেয় আদালত।

আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপোষ-রফার মাধ্যমে পালা করে মা বিদিশা এবং বাবা এরশাদের কাছেই পালা করে থাকতেন এরিক। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বেশির ভাগ সময়ই বাবা এরশাদের সান্নিধ্যেই ছিল এরিক।

এরশাদ মা**রা যাবার আগে বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কেই ছিলো এরিক। এদিকে, এরশাদের মৃ**ত্যুর পর বিদিশা সিদ্দিক ভারতের আজমীর থেকে ছুটে আসেন সাবেক স্বামীর মুখদর্শনে। কিন্তু জাপার নেতা-কর্মীদের প্রবল বাঁধার মুখে তিনি এরশাদের ম**রদেহ দেখতে পাননি। এমনকি একমাত্র পুত্র এরিকের সাথেও কোন প্রকার যোগাযোগ করতে পারেননি বিদিশা।

বিদিশা সিদ্দিক বলেন, আমার সন্তান আমার কাছেই নিরাপদ। এতোদিন বাবা জীবিত ছিলো তাই আমার প্র*তিবন্ধী ছেলেকে বাবা*র কাছেই নিরাপদ মনে করেছি। এখন আমি আমার সন্তানকে একা রেখে শান্তি ও স্বস্তি পাচ্ছিনা। আমার শেষ চাওয়া আমার সন্তান আমার কাছেই