অভিনব প্রযুক্তি নিয়ে আসছে হুয়াওয়ে

হাতের মুঠোয় রাখা মোবাইল ফোনটি কিন্তু এখন আর শুধু দূরালাপনী নয়। বরং এক একটি মোবাইল ফোন মানে ব্যক্তির রুচি, পেশা ও প্রয়োজনের সমন্বয়ে বিশেষজ্ঞ ডিভাইস। তাই আপনি যেমন তেমনি হবে আপনার মোবাইল ফোনের বিশেষত্ব।
সম্প্রতি মালয়েশিয়ার সানওয়েসিটির কনভেনসন সেন্টারে বিশ্বের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস প্রস্তুতকারী ব্র্যান্ড হুয়াওয়ে তাদের পি ৩০ বিশেষজ্ঞ ফোনটি উদ্বোধন করে।

হুয়াওয়ে পি৩০ ফোনটির এ সময়ের হাইএন্ড ফোনগুলোর যাবতীয় অগ্রগতিকে ধারণ করে কিন্তু এর বিশেষত্ব মূলত ফটোগ্রাফিতে। সানওয়ে সিটিন প্রদর্শনীকেন্দ্রের মধ্যে দুটি ডার্করুম বসিয়ে হুয়াওয়ে হাতেনাতে দেখিয়ে দিলেন যে অন্ধকার ঘেঁটে ঠিক ঠিক স্পষ্ট আলোকচিত্র করতে পারে এই পি৩০ ফোনটি।শুধু মোবাইল ফোনের ক্যামেরার সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে অন্ধকারের ছবি তুলতে পারাই নয়, বরং একটি প্রফেশনাল ক্যামেরার যাবতীয় গুণাবলীকে হাতের মুঠোয় তুলে দেয়ার চেষ্টা করেছে হুয়াওয়ে তার এই বিশেষজ্ঞ ফোনে। এবং স্লোগান করেছে, ‘আলোকচিত্রের নিয়ম-কানুনের নতুন ধারা’।

হুয়াওকে আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষরা এখনও কেবল মোবাইল ফোন কোম্পানি হিসেবেই জানেন। কিন্তু বিশ্বের অন্যতম ইনোভেটিভ টেকনোলজির এ প্রতিষ্ঠান কিন্তু ইতিমধ্যেই তাদের প্রযুক্তির বিচরণ ক্ষেত্রে বিস্তার ঘটিয়েছে আরও অনেক ক্ষেত্রে। কুয়ালালামপুরের পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারের পাশের এলিট টাওয়ারে হুয়াওয়ের এশিয়ার সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড শপটিতে গেলেই দেখতে পাবেন তার প্রমাণ। ঘড়ি, ল্যাপটপ, নোটবুক, ট্যাব, সাউন্ডসিস্টেম, একসেসরিজ, চমকপ্রদ সব গেজেটসহ কী নেই এখানে!

আরও মজার বিষয় হচ্ছে, মাল্টিন্যাশনাল প্রবৃদ্ধির যুগে, হুয়াওয়েও জোট বেঁধেছে বিশ্বের আরও নামিদামি গেজেট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে। ফলে হুয়াওয়ের ব্র্যান্ডশপে ফিলিপস থেকে শুরু করে আরও অনেকেই যুক্ত হয়েছেন এই বৃহৎ জোটে।
হুয়াওয়ের কনজ্যুমার বিজনেস গ্রুপ বাংলাদেশের জিটিএম ডিরেক্টর বিয়ন্ড ঝেং ও পাবলিক রিলেশন ম্যানেজার সুমন সাহা যখন হুয়াওয়ের এই কনসেপ্ট শপটি ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিলেন, আর আমরা বাংলাদেশ থেকে আসা ক’জন প্রযুক্তি সাংবাদিক খ্যাতিমান এই ব্রান্ডের অভিনব উপস্থাপনে বিস্মিত হচ্ছিলাম, তখন চূড়ান্ত বিস্ময়কর ঘোষণা দিলেন হুয়াওয়ে বাংলাদেশের এই দুই তরুণ কর্মকর্তা।

জানালেন, হুয়াওয়ে বাংলাদেশ অচিরেই দেশে ব্র্যান্ডশপ করার পরিকল্পনা করছে। একই সঙ্গে শুধু মোবাইল ফোন নয়, ব্র্যান্ডটির আস্থা নিয়ে আরও অভিনব ও আধুনিক জীবনযাপনের সহযোগী প্রযুক্তি বাংলাদেশিদের কাছে তুলে ধরতে এ আয়োজনটি অচিরেই আসছে বলে জানালেন। এবং সম্ভাব্য হিসেবে যমুনা ফিউচার পার্ক বা এমনই কোনো একটি ভেন্যুতেই হতে যাচ্ছে এমন আয়োজন, সে ধারণাও দিলেন মি: ঝেং।

বাইকপ্রেমীদের জন্য সুখবর…

বিশ্বখ্যাত টু-হুইলার ও থ্রি-হুইলার নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান টিভিএস মোটর কোম্পানি বাংলাদেশে উদ্বোধন করলো তাদের উৎপাদিত ৫টি নতুন মোটরসাইকেল। মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে রয়েছে টিভিএস অ্যাপাচি আরটি আর ১৬০ ফোর-ভি সিঙ্গেল ডিস্ক, টিভিএস ম্যাক্স ১২৫ সিসি, টিভিএস মেট্রো ১০০ সিসি স্পেশাল এডিশন (কে-এলএস ও ই-এলএস) এবং টিভিএস এক্সএল ১০০ আই-টাচ।

বাংলাদেশের গ্রাহকদের চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে নির্দিষ্ট ডিজাইনের এই মোটরসাইকেলগুলো বাজারে আনা হয়েছে।বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকায় টিভিএস অটো বাংলাদেশ লি. মোটরসাইকেল গ্রাহকদের উপহার দিয়েছে এই ব্লকবাস্টার লঞ্চিং। জাকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই লঞ্চিং ইভেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিঃ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জে একরাম হোসাইন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিইও বিপ্লব কুমার রায়, টিভিএস মোটর কোম্পানির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট-ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস, আর. দিলীপ, রিজিওনাল বিজনেস হেড, এশিয়া নীলাংশু নন্দী, টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিঃ-এর টু হুইলার বিজনেস হেড মৃগেন ব্যানার্জী, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার আতিকুর রহমান, হেড অফ মার্কেটিং আশরাফুল হাসান এবং টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিঃ এর অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

বিদ্যুৎ বিল বেশি হয় ? জানুন উপায়…।

বিভিন্ন কারনে আমাদের বিদ্যুৎ খরচের পরিমান অনেক সময় এতোটাই বেশি হয় যেঁ,সাধারন জনমানুষের সাধ্যোর বাইরে চলে যায়! এর মধ্যও উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয় আজ আপানদেরকে জানাবো, চলুন জেনে নেওয়া যাক…।।

১. ত্রুটিপূর্ণ সংযোগের কারণে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়। এজন্য পেশাদার কোনো ইঞ্জিনিয়ার ডেকে সংযোগ চেক করিয়ে নিন।

২. যখন মেশিন বা ইস্ত্রি ব্যবহার করবেন না তখন প্লাগ খুলে রাখুন। কারণ, প্লাগ না খুলে সুইচ বন্ধ রাখলেও বিদ্যুৎ কিছুটা হলেও খরচ হয়।

৩. যখন ঘরে থাকবেন না অপ্রয়োজনে আলো, পাখা চালিয়ে রাখবেন না। সুইচ অফ করে রাখুন।

৪. গরমকালে এসি চালালে তরতর করে বাড়ে বিদ্যুৎ বিল। অপ্রয়োজনে এসি না চালিয়ে পাখা চালান।

৫. কম্পিউটার যখন ব্যবহার করবেন না তখন বন্ধ রাখুন অথবা স্লিপ মুডে রাখুন। এতে বিদ্যুৎ কম খরচ হবে।

৬. অনেকেই বাড়িতে ডিশ ওয়াশার ব্যবহার করেন। বাসনকোসন হিট ড্রাই না করে বাতাসে শুকিয়ে নিন।

৭. রান্না করতে করতে বারবার ওভেনের দরজা খুলবেন না।

বাইরে থেকেই দেখে বোঝার চেষ্টা করুন। দরজা খুললে তাপমাত্রা কমে যায়। আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ওভেন বেশি বিদ্যুৎ ব্যয় হয়।

৮. এসির খরচ বাঁচাতে ঘর ঠাণ্ডা রাখার অন্য পন্থা নিন। উইন্ডো ব্লাইন্ড ব্যবহার করুন জানালায়।

৯. রান্না করার বেশ কিছুক্ষণ আগে ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে পানিতে রেখে বরফ ছাড়িয়ে নিন। বারবার মাইক্রোওয়েভ চালিয়ে ডিফ্রস্ট করলে বিদ্যুৎ বেশি খরচ হয়

১০. যদি আপনার অল্প-স্বল্প কিছু রান্না করার থাকে তাহলে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের বদলে স্লো কুকার বা টোস্টার ব্যবহার করুন। এতে বিদ্যুৎ কম খরচ হবে।

১১. রেফ্রিজারেটরের তাপমাত্রা রাখুন ২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে।

আর ফ্রিজারের তাপমাত্রা রাখুন -১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে। এতে খাবার সুরক্ষিত থাকবে। বেশি ঠাণ্ডা করে রাখলে বিদ্যুৎ নষ্ট হয়।

১২. ওয়াশিং মেশিন ব্যবহারে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ হয়ে থাকে। খরচ কমাতে চাইলে কখনোই গরম পানির সেটিং ব্যবহার করবেন না। পানি গরম করতে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়। আর ড্রায়ারে কাপড় শুকানোর বদলে বারান্দা বা ছাদে দড়ি টাঙিয়ে নিন। নেহায়েত বর্ষাকাল না হলে ড্রায়ার ব্যবহারের তেমন কোনো যুক্তি নেই।

রেফ্রিজারেটরের কয়েল পরিষ্কার রাখলে তা চলতে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে না। বছরে দু’বার করে একে পরিষ্কার করিয়ে নিলে আপনার বিল কম আসবে। একইভাবে আপনার এসির ফিল্টারও পরিষ্কার রাখুন। এটা ময়লা থাকলে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে।

১৩. আপনার বাড়িতে এখনো পুরনো ধাঁচের লাইট বাল্ব থাকলে তা বদলে এনার্জি-সেভার বাল্ব ব্যবহার শুরু করুন।

এগুলো ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে আর এদের আয়ুও হয় ছয়গুণ বেশি। শুধু বাল্ব নয় বরং আরও কিছু ইলেক্ট্রনিকস ব্যবহার করা যেতে পারে যেগুলো কম বিদ্যুতেই চলে। এগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

১৪. এসির ফিল্টার পরিষ্কার রাখুন। এটা ময়লা থাকলে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে।

সংবাদটি পড়ার জন্য “আমার বাংলাদেশ”এর পক্ষ থেকে  আপনাকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ!শেয়ার করে জানিয়ে দিন এই তথ্যগুলো আপনার বন্ধুদেরকে…।

প্রতিটি ফেইসবুক ব্যাবহারকারীকেই এই নতুন ফিচারটির সম্পর্কে জানা দরকার !

 

সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না । এই কথাটিকে মাথায়  রেখেই  ‘ইওর টাইম’ নামে নতুন একটি ফিচার চালু করেছে ফেসবুক। এই ফিচারের সাহায্যে ফেসবুকে ব্যয় করা সময়ের পরিমাণ জানা যাবে। অর্থাৎ একজন গ্রাহক ফেসবুকে গড়ে কত সময় ব্যয় করেছেন তা জানতে পারবেন ফিচারটির মাধ্যমে।
ফেসবুকের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামেও ইওর টাইম ফিচার চালু হয়েছে। প্রযুক্তিভিত্তিক কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম গ্রাহকদের অনেকে এখনও এই ফিচার ব্যবহার করতে পারছেন না। তবে শিগগিরই এটা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এ সম্পর্কে ফেসবুক এক ব্লগপোস্টে জানায়, ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে দ্রুতই এই আপডেটটি যুক্ত করা হবে।
ফেসবুকে কতটুকু সময় ব্যয় করেছেন তা জানবেন যেভাবে (যদি আপনি ইওর টাইম ফিচারটি পেয়ে থাকেন)-
*ফেসবুক অ্যাপে প্রবেশ করুন
*সেটিংস অপশনে যান

এবার ইওর টাইমে ক্লিক করতে হবে
এক্ষেত্রে আপনি একটি গ্রাফ দেখতে পাবেন। এই গ্রাফে বার আকারে ব্যয় করা সময়ের পরিমাণ দেওয়া আছে
নির্দিষ্ট একটি দিনে সব মিলিয়ে কতটুকু সময় ফেসবুকে ব্যয় হয়েছে তা জানতে চাইলে ওই দিনের বারে ক্লিক করতে হবে
এই ফিচারে দৈনিক ফেসবুক ব্যবহারের পরিমাণ বা সীমা ঠিক করে দেওয়া যাবে। ওই ‘ঠিক করা সময়’ পার হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত দেবে ইওর টাইম ফিচার।
সূত্র: গেজেটস নাউ

জেনে নিন পাসপোর্ট করার নতুন নিয়ম: ২০১৮ সাল আপডেট (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট)

নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। ব্যবসা, চাকরি, ভ্রমণ, লেখাপড়া যে কারণেই হোক না কেন প্রতিদিনের অনেক প্রয়োজনীয় কাজকর্মে ব্যবহার হয় এ পাসপোর্ট। আজকে,পাসপোর্ট করার নিয়ম: কীভাবে অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করবেন কোন ঝমেলা ছাড়া সেই ধাপ গুলা আলোচনা করবো। ONLINE MACHINE READABLE PASSPORT

বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে পাসপোর্ট অফিসে সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়।

ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া
ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া
প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া
পাসপোর্টের ফিঃ
পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে প্রথম যে ধাপ তা হচ্ছে সরকার নির্ধারিত ফি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া। এটি আপনাকে ব্যাংকে যেয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে কারণ অনলাইনে আবেদন ফর্মে ঐ ব্যাংকের রিসিট নম্বর এবং জমার তারিখ সংযুক্ত করতে হবে।

বাংলাদেশের পাসপোর্ট অফিস কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকের শাঁখাতে আপনি পাসপোর্টের ফি জমা দিতে পারবেন।

সোনালী ব্যাংকের পাশাপাশি আরও ৫টি ব্যাংকে টাকা জমা দিতে পারবেন।

১) ওয়ান ব্যাংক

২) ট্রাস্ট ব্যাংক

৩) ব্যাংক এশিয়া

৪) প্রিমিয়ার ব্যাংক

৫) ঢাকা ব্যাংক।

রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা [৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা]( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট ( Bangladeshi Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা [ ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা]( ১0 দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।

পাসপোর্ট ফিস সংক্রান্ত তথ্যাবলী

আবেদনের প্রকৃতি বিতরণের ধরণ পাসপোর্ট ফিস (টাকা)
নতুন আবেদনকারী/ হাতে লেখা পাসপোর্ট সমর্পণকৃতদের (সারেন্ডার) জন্য জরুরি ফিস (৭ দিন) ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা
সাধারণ ফিস (২১ দিন) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
অনাপত্তি সনদ (NOC) এর ভিত্তিতে (জরুরি সুবিধাসহ) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
সরকারি আদেশ (GO) এর ভিত্তিতে চিকিৎসা, হজ্জ্ব পালন, তীর্থস্থান ভ্রমণের ক্ষেত্রে (জরুরি সুবিধাসহ) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
সরকারি আদেশ (GO) এর ভিত্তিতে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে (জরুরি সুবিধাসহ) বিনামূল্যে
রি-ইস্যু জরুরি ফিস (৭ দিন) (NOC/GO ব্যতীত) ৬০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৬৯০০.০০ টাকা
সাধারণ ফিস (২১ দিন) ৩০০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫০.০০ টাকা
মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রি-ইস্যুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ফিস (মেয়াদ পরবর্তি প্রতি বছরের জন্য) সাধারণ ফিস ৩০০.০০ + ১৫% ভ্যাট = ৩৪৫.০০ টাকা

Note: প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার
তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই
ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

অনলাইনে ফর্ম পূরণ
অনলাইনে ফর্ম পূরণ
দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ
অনলাইনে আবেদনঃ
আপনি পাসপোর্ট করতে হলে আপনাকে আগে পাসপোর্ট ফরম পূরণ করতে হবে, তাই আপনাকে bangladesh machine readable passport online application এই সাইটে যেতে হবে।

http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Application_Form[Hard%20Copy].pdf
পাসপোর্ট আবেদন ফর্ম প্রতিটি ঘরে সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে। আপনার নামের বানান, পিতা-মাতার নামের বানান সব কিছু আপনার শিক্ষা সনদের সাথে মিল রেখে দিবেন । স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান ঠিকানার ঘর যত্ন সহকারে পূরণ করুণ। আপনার ইমেল আইডি এবং ফোন নাম্বারের ঘরে ঠিক ভাবে তথ্য দিন।

সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন।

Note: অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে ।
সেটা সংরক্ষণ করুন।

এমআরপি(MRP) আবেদন ফরম পূরণের নিয়মাবলী

আবেদনের সঙ্গে যে সমস্ত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে-
– চেয়ারম্যান/ ওয়ার্ড কমিশনার প্রদত্ত সনদ/ ভোটার আইডি কার্ড/ জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা বিদ্যুৎ, গ্যাস/ পানির বিল/ বাড়ির দলিলের ফটোকপি ইত্যাদি।
– বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র/পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
– ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত প্রত্যয়ন পত্র/ পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।
পাসপোর্ট করার সময় লক্ষ্যণীয়
Source: http://www.passport.gov.bd/

১। সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাষিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকুরীজীবি ও তাদের নির্ভরশীল স্ত্রী/স্বামী এবং সরকারি চাকুরীজীবিগণের ১৫ (পনের) বৎসরের কম বয়সের সন্তান, ৫ (পাঁচ)/১০ (দশ) বৎসরের অতিক্রান্ত, সমর্পণকৃত (সারেন্ডারড)দের জন্য একটি ফরম ও অন্যান্যদের ক্ষেত্রে নতুন পাসপোর্টের জন্য ২ (দুই) কপি পূরণকৃত পাসপোর্ট ফরম দাখিল করতে হবে।

২। অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৫ বছরের কম) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আবেদনকারীর পিতা ও মাতার একটি করে রঙিন ছবি (৩০ x ২৫ মিঃমিঃ) আঠা দিয়ে লাগানোর পর সত্যায়ন করতে হবে।

৩। জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক টেকনক্যাল সনদসমূহের (যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ড্রাইভার ইত্যাদি) সত্যায়িত ফটোকপি।

৪। যে সকল ব্যক্তিগণ পাসপোর্টের আবেদনপত্র ও ছবি প্রত্যায়ন ও সত্যায়ন করতে পারবেন – সংসদ সদস্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও কাউন্সিলরগণ, গেজেটেড কর্মকর্তা, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র ও পৌর কাউন্সিলরগণ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষ, বেসরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, নোটারী পাবলিক ও আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত/রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জাতীয় বেতন স্কেলের ৭ম ও তদুর্ধ্ব গ্রেডের গ্রেডের কর্মকর্তাগণ।

৫। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক জিও (GO)/এনওসি(NOC) দাখিল করতে হবে।

৬। কূটনৈতিক পাসপোর্ট লাভের যোগ্য আবেদনকারীগণকে পূরণকৃত ফরম ও সংযুক্তিসমূহ পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে জমা দিতে হবে।

৭। শিক্ষাগত বা চাকুরীসূত্রে প্রাপ্ত পদবীসমূহ (যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ডক্টর, পিএইচডি ইত্যাদি) নামের অংশ হিসেবে পরিগণিত হবে না। ফরমের ক্রমিক নং ৩ পূরনের ক্ষেত্রে, একাধিক অংশ থাকলে প্রতি অংশের মাঝখানে ১টি ঘর শূন্য রেখে পূরণ করতে হবে। আবেদনকারীর পিতা, মাতা, স্বামী/স্ত্রী মৃত হলেও তার/তাদের নামের পূর্বে ‘মৃত/মরহুম/Late’ লেখা যাবে না
Note:

After submission, the system will assign you to your authorized Regional Passport Office. Your application shall remain valid for 15 days from the date of submission. Your record will be removed automatically by the system after 15 days.

If Acrobat reader is unavailable in your computer, then download acrobat reader from here.
তৃতীয় ধাপ
– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। নিজের চারকপি ছবি , ফিলাপ করা অংশ ছাড়াও কিছু যায়গায় আপনার স্বাক্ষর দিতে বলা আছে সেখানে আপনার স্বাক্ষর দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন।

সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

চতুর্থ ধাপ
– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । সরাসরি আপনার ফর্ম সাথে নিয়ে উপস্থিত সেনা সদস্যকে জানান আজ আপনার ছবি তোলার দিন নির্ধারিত আছে। তিনি আপনাকে দেখিয়ে দিবে কোথায় ফর্ম সহ আপনাকে যেতে হবে। অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।

ছবি তোলা
ছবি তোলা
পঞ্চম ধাপ
– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)

যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই পুলিশ ভেরিফিকেশান হয়ে থাকে।। ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।

আপনার তথ্য সঠিক আছে কিনা পাসপোর্ট যাচাই করে নিন এবং কোন তথ্য ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে জানিয়ে তাৎক্ষণিক পাসপোর্ট সংশোধন করে নিতে পারবেন।

ভুল হয়ে গেলে, পাসপোট(এমআরপি) রি-ইস্যু/তথ্য পরিবর্তন/পাসপোর্ট সংশোধন এর নিয়মাবলী ও আবেদন ফরম. পাসপোর্ট নবায়ন এর জন্য এই ফরমটি পূরণ করে বর্তমান পাসপোর্ট এর ফটোকপি ও ব্যাংকে টাকা জমার রশিদ সংযুক্ত করতে হবে এবং মূল পাসপোর্টটি অবশ্যই সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে।

পাসপোর্ট নবায়ন করতে হলে-. * নির্দিষ্ট আবেদনপত্র পূরণ করে ব্যাংকে নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে রশিদটি ওই আবেদনপত্রের সঙ্গে আঠা দিয়ে লাগিয়ে পাসপোর্ট সহ জমা দিতে হবে।

Info: সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে না। এই পাসপোর্টের রং সবুজ হয় না, নীল রংয়ের হয় এবং উপরে অফিসিয়াল পাসপোর্ট লেখা থাকে।

পাসপোর্ট চেক

অনলাইনে পাসপোর্ট চেক: http://www.immi.gov.bd/passport_verify.php

Source:

মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট(এমআরপি)
http://www.passport.gov.bd/Reports/MRP_Application_Form[Hard%20Copy].pdf

http://www.passport.gov.bd/Contact.aspx

http://www.immi.gov.bd/passport_verify.php

এবার বাজারে আসছে ‘বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড’ ভাড়া নেওয়ার অ্যাপ!

সিনেমা দেখছেন। তাও একা। বোরডম আসছে। নিজেকে ‘এই বেশ ভাল আছি বলে’ আশ্বাস দিচ্ছেন। তবে মনের কোনও একটা কোনায় ধিক ধিক করে বাজছে, একজন সঙ্গী পেলে মন্দ হত না! বন্ধু আছে অনেক।

মনের মতো মানুষ খুঁজে পাচ্ছেন না। সময় বয়ে যাচ্ছে। দুশ্চিন্তা বাড়ছে। ভাবছেন, আদৌ মনের মানুষকে খুঁজে পাবেন তো? নাকি একাই কাটিয়ে ফেলতে হবে জীবনটা! অফ ডে-তে একাই ঘুরছেন শপিং মলে।

তবে কাছের মানুষ নেই। সোজা কথায়, আপনার কোনও বয়ফ্রেন্ড নেই। দুশ্চিন্তার দিন শেষ। পকেট থেকে কিছু কড়ি খসালেই এবার মিলতে পারে বয়ফ্রেন্ড। যাঁকে নিয়ে অফ ডে বা হলি ডে-তে ঘুরতে পারেন যেখানে খুশি।

এমনকী শপিং করতে গিয়ে তাঁর হাতে গচিয়ে দিতে পারেন ব্যাগ। তবে হ্যাঁ, এর জন্য আপনাকে বয়ফ্রেন্ড ভাড়া নিতে হবে। বয়ফ্রেন্ড নেই বলে মন খারাপ করে বসে থাকার দিন শেষ।

ডিপ্রেশন, ফার্স্টেশন, সব কিছু কাটিয়ে ফেলতে পারেন এক ঝটকায়। চিন বা জাপানের পর এবার এদেশেও বয়ফ্রেন্ড ভাড়া পাওয়া যেতে পারে অ্যাপ থেকে। মুম্বাই ও পুণেতে ইতিমধ্যে লঞ্চ করেছে সেই অ্যাপ- রেন্ট আ বয়ফ্রেন্ড।

এদেশে বান্ধবী ভাড়া নিন- বললে লোকে শুরুর দিকে ভালভালে ব্যাপারটাকে নাও নিতে পারে! তাই আপাতত রেন্ট আ বয়ফ্রেন্ড দিয়েই শুরু করলাম।”

২২ থেক ২৫ বছরের এ গ্রেডেড মডেল। এমন বয়ফ্রেন্ড পেতে প্রতি ঘন্টায় ভাড়া দিতে হবে দুই থেকে তিন হাজার টাকা। আম আদমিও ভাড়া পাওয়া যাবে বয়ফ্রেন্ড হিসাবে। ঘন্টায় দিতে হবে মাত্র ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা।

এমন অভিনব অ্যাপ-এর উদ্ভাবক ২৯ বছর বয়সী ভারতীয় কৌশল প্রকাশ। তাঁর বক্তব্য, ”একটা সময় আমি নিজেও গার্লফ্রেন্ড জোগাড় করতে না পেরে হতাশায় ভুগেছি।

কৌশল বলছেন, ”এখানে কোনও বুজরুকি নেই। ঠকবার কোনও জায়গা নেই। আর হ্যাঁ, এখানে কিন্তু যৌনতার কোনও প্রশ্ন নেই। এটা কোনও সস্তার বাজারচলতি বন্ধুত্বের ঠিকানা নয়।

আমার মনে হয়, আমাদের এই অ্যাপ যে কোনও মেয়েকে হতাশা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে।”Related image

এখানে আপনি বয়ফ্রেন্ড ভাড়া করলেন মানে একজন ভাল বন্ধু পাবেন। আমরা প্রতিটা ছেলেকে রীতিমতো ইন্টারভিউ নিয়ে রিক্রুট করেছি। আপনার বয়ফ্রেন্ড আপনাকে মানসিক দিক থেকে সাপোর্ট দেবে।

আপনি কোনও সমস্যায় থাকলে তার থেকে পরামর্শ নিতে পারবেন। মাত্র ক’টা টাকা খরচ করে আপনি শুধু একজন বয়ফ্রেন্ড পাবেন না, পাবেন একজন পরামর্শদাতাও।সুত্রঃ জি নিউজ

ইউটিউবকে টেক্কা দিতে এবার আসছে ,ওয়াচফেইসবুক আয় করতে পারবেন আপনিও!

ফেইসবুকের ভিডিও বিভাগের প্রধান ফিডজি সিমো বলেছেন, ওয়াচ ব্যবহার বেড়েই চলেছে। ভিডিও দেখাটা সামাজিক যোগাযোগ কার্যক্রমের অংশ—এ ধারণা থেকেই ওয়াচ তৈরি করা হয়েছে।

ফেইসবুক ওয়াচফেইসবুক ওয়াচ বিশ্বজুড়ে সবার জন্য ভিডিও সেবা ‘ওয়াচ’ চালু করল ফেসবুক। যুক্তরাষ্ট্রে এক বছর আগেই ইউটিউবকে টেক্কা দিতে এই ভিডিও সেবা নিয়ে এসেছে ফেইসবুক। এতে ইউটিউবের মতো বিভিন্ন ভিডিও দেখা যাবে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সিমো বলেন, প্রতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ কোটি মানুষ ওয়াচে ভিডিও দেখেন এবং কমপক্ষে এক মিনিট করে থাকেন। ২০১৮ সালের শুরুতে এ সেবা চালু করার পর থেকে এ সাইটে সময় কাটানোর হার ১৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

সিমো বলেন, যারা অর্থ আয় করতে চান, তাদের জন্য আরও নানা উপায় নিয়ে কাজ করছে ফেইসবুক। ব্র্যান্ডের কনটেন্ট ও তাদের ফ্যানদের সরাসরি সমর্থন পাওয়ার সাবসক্রিপশন মডেলও থাকবে। ফ্যান সাবসক্রিপশন মডেলটি শিগগিরই চালু হবে।

ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, ওয়াচে ভিডিও নির্মাতারা ৫৫ শতাংশ অর্থ পাবেন। ফেইসবুক নেবে ৪৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ভিডিও নির্মাতারাও এ সুযোগ পান।

অ্যাড ব্রেকে অংশ নিয়ে অর্থ আয় করতে হলে ভিডিও নির্মাতাদের কমপক্ষে তিন মিনিটের ভিডিও তৈরি করতে হবে। দুই মাসে ৩০ হাজার ব্যবহারকারী এক মিনিট করে ভিউ থাকতে হবে। ১০ হাজার ফলোয়ার থাকতে হবে।

সিমো জানান, ওয়াচ ব্যবহার করে বন্ধু, ভক্ত বা ভিডিও নির্মাতার সঙ্গে কথোপকথন চালানো যাবে। এ সেবার মাধ্যমে অর্থ আয়ের সুবিধাও পাবেন ভিডিও নির্মাতারা। ফেইসবুক এতে অ্যাড ব্রেকস নামের বিজ্ঞাপন সুবিধা চালু করবে।

শুরুতে এটি যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে শুরু হচ্ছে। এরপর অন্য দেশে এ সুবিধা চালু হবে।

ফেইসবুকের কর্মকর্তা বলেন, ‘ফেইসবুকের স্বয়ংক্রিয় বিজ্ঞাপন সুবিধার মাধ্যমে ওয়াচ প্ল্যাটফর্ম থেকে বলার মতো মুনাফা করতে পারছেন ভিডিও প্রকাশকেরা।এখানে বিভিন্ন ফিচার শো করছেন তারা। আমাদের কমিউনিটি ও সহযোগীদের জন্য ভালো বিজ্ঞাপন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে কঠোর পরিশ্রম ও দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে।’

মার্কেটে ,বাজাজ পালসারের দাম বাড়ছে …..বিস্তারিত

পালসারের জন্মস্থান ভারতে পালসারের দাম বাড়ছে আট হাজার রুপি। বাজাজের অন্যান্য মোটরসাইকেলেরও দাম বাড়ছে। তবে বর্ধিত দাম এখনই বাংলাদেশে কার্যকর হচ্ছে না।

ভারত সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী এখন থেকে মোটরসাইকেলের উৎপাদনাকারী প্রতিষ্ঠান এটি বিক্রির সময় পাঁচ বছরের জন্য ইন্সুরেন্স করে তারপর গ্রাহকদের হাতে বাইকটি ‍তুলে দেবে। তাই ইন্সুরেন্সের টাকার জন্য বাইকের দাম বাড়াচ্ছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।

১৭ বছর ধরে সড়কে রাজত্ব করছে বাজাজের স্পোটস বাইক পালসার। এই ১৭ বছরে পালসারের বেশ কয়েকটি মডেল বাজারে এসেছে। কিন্তু এর মধ্যে জনপ্রিয় ভার্সন হলো ১৫০ সিসির পালসার। এবার এই বাইকটিকে আপডেটেড করার পরিকল্পনা নিয়েছে ভারতীয় বাজাজ।

প্রতিষ্ঠানটি চাইছে আকর্ষণীয় লুকিং, শক্তিশালী ইঞ্জিনের সমন্বয়ে ১৫০ সিসির বাজার ধরে রাখতে। ২০০১ সালে সর্বপ্রথম পালসার ১৫০ বাজারে আসে। এই কয়বছরে বেশ কয়েকটি আপডেট এসেছে বাইকটিতে। তবে এবারের আপডেটেড ভার্সন হবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও কার্যকর। এর পরিবর্তন সহজেই দৃশ্যমান হবে।

বাজাজ তাদের পালসার ১৫০ কে স্পোর্টস বাইক দাবি করলেও এটি মূলত কমিউটার বাইক।

বাজাজ অটোমোবাইল ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ১৫০ সিসির পালসারে নতুন এক্সহস্ট মাফলার ব্যবহার করা হবে। এতে ১৮০ সিসির এক্সহস্ট মাফলার সংযোজন করা হবে। এতে ব্রাশড মেটাল এবং হিট শিল্ড থাকছে। এছাড়াও বাইকটিতে নতুন ফুট পেগ এবং পেডেলে নতুনত্ব থাকছে।

নতুন ভার্সনের পালসার ১৫০ তে পাওয়ারট্রেইন ১৪৯ সিসিই থাকছে। তবে নতুন ভার্সনের বাইকে ইঞ্জিনের ঝাঁকুনি অনেক কম হবে। সম্প্রতি বাংলাদেশের বাজারে পালসার এনএস ১৬০ বাজারে আসে। এটি এখন তরুণদের দখলে। স্বাচ্ছন্দ্যে সড়ক দাঁপাচ্ছে এনএস ১৬০।

ফেসবুকে যেকোনো স্ট্যাটাস পোস্ট দেয়ার আগে সতর্ক হোন নিম্নোক্ত বিষয়গুলোতে,নতুবা আপনিও যেতে পারেন জেলে!

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে ফেসবুক হচ্ছে সব থেকে জনপ্রিয় মাধ্যম। আমরা সাধারণ জনগণ সব থেকে বেশি অ্যাক্টিভ থাকি ফেসবুকেই। তাই ফেসবুকেই  সব কিছু বেশি শেয়ার করে থাকি। দুঃখ-কষ্ট, সুখ-আনন্দ সব কিছুই শেয়ার করি থাকি পোস্ট বা স্ট্যাটাসের মাধ্যমে। কিন্তু অনেক বিষয় স্ট্যাটাস দেয়ার আগে অবশ্যই আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত। কারণ আমাদের একটা পোস্ট অন্য কারো ক্ষতি বা আমাদের নিজেদেরই ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

সত্যতা যাচাই করুন
অনেক সময় যেকোনো ঘটনার কথা শুনেই পোস্ট করে দেন অনেকে। সেটি ঘটনা না রটনা, সেদিকে নজর দেন না। এর ফলাফল ইতিবাচক হয় না সব সময়। কারণ অনেক সময় ‘আবেগে’ আমরা অনেক কিছু শেয়ার করে থাকি। পরে দেখা যায়, ঘটনার সত্যতা নেই। তখন এর দায়ভার এসে পড়ে পোস্টদাতার ওপরে। তাই আবেগে নয়, কোনোকিছু পোস্ট করার আগে এর সত্যতা যাচাই করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে
কিছু একটা ভালো লাগলে তা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতেই পারে। কিন্তু ফেসবুকে এমন কিছু শেয়ার করা উচিৎ নয়, যা পরবর্তীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। তাই কোনো কিছু শেয়ার বা পোস্ট দেওয়ার আগে একবার হলেও ভাবুন, ওই পোস্টের কারণে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে কিনা! একই সঙ্গে ফেসবুকে এমন কিছু দেখলে পোস্টদাতা বন্ধুকে সতর্ক করুন।

কুরুচিকর মন্তব্য
কাউকে নিয়ে যদি অভিযোগ থাকে বা কাউকে অপছন্দ হয়। তবে তাকে নিয়ে ফেসবুকে বাজে পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। বাজে পোস্টের কারণে আপনার রুচির বিকৃতরূপ প্রকাশ পেতে পারে। যা পরবর্তীতে আপনার জন্য বিপদের কারণ হতে পারে।

এবার ভয়ংকর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে আসছে ফাইভ-জি

গত কয়েক বছর ধরে ফাইভ-জি সেবা চালু করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে নিউইয়র্কভিত্তিক টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান ‘ভেরিজন’। অবশেষে সেই চেষ্টা সফলতার মুখও দেখতে যাচ্ছে। সেবা বলা হলেও এই ফাইভ-জি প্রযুক্তির রয়েছে নানাবিধ স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি। কোম্পানিগুলো সেদিকটায় নজর না দিয়ে তথ্য গোপন করে ব্যবসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

১৯৯৬ সালেই চলমান এই থ্রি-জি ও ফোর-জি সেলুলার নেটওয়ার্ক নিয়ে গবেষণা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান ফেডারেল টেলিকমিউনিকেশন কমিশন (এফসিসি)। গবেষণায় এসব দ্রুত গতির নেটওয়ার্কের ক্ষতিকারক দিকগুলা ভেসে উঠলেও ব্যবহারযোগ্য বলে বাজারে চালিয়ে দেয়া হয়েছে। বর্তমান সময়ের কিছু গবেষণা থেকে আসন্ন ফাইভজি নেটওয়ার্কের ক্ষতিকারক দিকগুলো তুলে ধরেছে কিছু গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এই নেটওয়ার্কের ক্ষতিকারক মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি জটিল বক্ষব্যাধি থেকে শুরু করে প্রাণহানিও ঘটাতে পারে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। যা কখনোই হেসে উড়িয়ে দেয়ার মত নয়।

মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি যেভাবে ক্ষতি করে–
১ মিলিমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এই ফাইভ-জি নেটওয়ার্কের ক্ষতিকর দিক বিজ্ঞানীদের নানা গবেষণায় উঠে এসেছে। তারা ধারণা করেন ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘের এই নেটওয়ার্ক থেকে ক্ষতিকর তরঙ্গ বিচ্ছুরিত হয়।

এসব তরঙ্গ বিচ্ছুরণের ফলে মানব শরীরে নানাবিধ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যেমন- মাথা ব্যথা, চোখের দৃষ্টি ঘোলা হয়ে যাওয়া, স্বল্প নিদ্রা, হৃদরোগসহ নানা জটিল রোগের জন্ম দেয়। শুধু সেলুলার নেটওয়ার্কই নয়, রাউটার ও ওয়াইফাই টাওয়ারের ব্যবহৃত তরঙ্গ থেকেও এমন শক্তিশালী রেডিয়েশন উৎপন্ন হয় যা মানবদেহের জন্য বেশ ক্ষতিকর।

রেডিয়েশন এন্টেনার যত কাছে থাকে তত শক্তিশালী, এবং দূরত্ব বাড়লে দূর্বল হয়ে পড়ে। তাই অপ্রয়োজনীয় কারণে রাউটার ও ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক থেকে দূরে থাকা উচিৎ।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে লক্ষাধিক ফাইভজি টাওয়ার স্থাপন
ফাইভজি সেবার একটা গুরুত্বপুর্ণ দিক হচ্ছে এটি ফোর-জির চেয়ে প্রায় চারগুন দ্রুতগতিসম্পন্ন। এর গতি হতে পারে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০০ মেগাবাইটের কাছাকাছি। আর এই সেবাকে গ্রাহকের কাছে সুন্দরভাবে পৌছে দিতে দেশটির কিছু টেলিকম কোম্পানি প্রতি ৫০০ ফুট অন্তর অন্তর একেকটি ফাইভজি টাওয়ার স্থাপনের উদ্যোগ নিচ্ছে। টাওয়ারে ভূসংযুক্ত ইলেক্ট্রিসিটি ও সাথে প্রায় রেফ্রিজারেটর আকৃতির একটি করে ইলেক্ট্রিক বক্স থাকতে পারে। তাই ইলেকট্রিসিটির বহুল ব্যাবহার ও মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সির ছড়িয়ে পড়াকেই আপাত দৃষ্টিতে ক্ষতিকারক দিক হিসেবে চিহ্নিত করছেন গবেষকরা।

তাই যুক্তরাষ্ট্রের এফসিসি (ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশন) এই ফাইভজি টাওয়ার স্থাপনকে স্বাস্থ্য ঝুঁকির দরুণ অবাঞ্চিত ঘোষণা করলেও টেলিকম কোম্পানিগুলো আইনি প্রক্রিয়ার মাধমে এই প্রক্রিয়াকে বাস্তবায়নের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ১১টি শহরে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে পঞ্চম-প্রজন্মের এই ওয়্যারলেস সেবা। কিছুদিন আগে এমনই একটি ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। একেবারে প্রান্তিক অঞ্চল থেকে শুরু হবে ফাইভজি সেবা।

ভেরিজনের মতে, প্রাথমিকভাবে মিশিগান, আটলান্টা, বার্নার্ডসভিলে, নিউ জার্সি, ব্রকটন, ম্যাসাচুয়েটস, ডালাস, ডেনভার, হস্টন, মিয়ামি, সিয়াটল, ওয়াশিংটন ডিসি ও সাকরামেন্টো শহরের গ্রাহকরা এই সেবা পাবেন।