স্ত্রীর কা*টা মা*থা হাতে নিয়ে থানায় হাজির স্বামী

স্ত্রীর কা*টা *মা*থা হা*তে নিয়ে থানায় হাজির হলেন স্বামী। রোববার (১০ নভেম্বর) ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশে। খবর ইন্ডিয়া টুডের।সোমবার (১১ নভেম্বর) সকালে স্ত্রীর কা*টা মা*থা হা*তে নিয়ে পুলিশের কাছে নিজের অ*পরা*ধের কথা স্বী*কার করেছেন ওই ব্যক্তি। আগরার হারি পর্বত পুলিশ স্টেশনের

অধীনে এতমাদুদাউলা এলাকায় রোববার রাতে স্ত্রীকে হ*ত্যা করেন তিনি।স্বামীর নাম নরেশ, পেশায় তিনি একজন টিভি মে*কানিক। নে*শাগ্র*স্ত অ*বস্থায় স্ত্রী ম*দ খেতে বা*ধা দেয়ায় সে এই হ*ত্যাকা*ণ্ড ঘ*টায়। তবে নরেশের অ*ভিযো*গ তার স্ত্রীর প*রকী*য়ায় লি*প্ত ছিল।টিভি মেকানিক নরেশ ১৭ বছর আগে শান্তিকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের তিন মেয়ে এবং এক ছেলে আছে। নরেশ নে*শাগ্র*স্ত। প্রায়ই সে ম*দ খায়। আর এ নিয়েই তাদের মধ্যে দা*ম্প*ত্য ক*লহ চলছিল। রোববার

রাতে নিজ ঘরে ব*সে ম*দ খা*চ্ছিলেন নরেশ। সে সময় তার স্ত্রী তাকে ম*দ খেতে বা*ধা দেন। এ নিয়ে ঝ*গড়া*র এক প*র্যায়ে দা* নিয়ে স্ত্রীর মা*থায় কো*প দে*য় সে। পরদিন সকালে ওই কা*টা মা*থা নিয়েই থানায় হা*জির হয় নরেশ।পুলিশ জানায়, নরেশকে গ্রে*ফতার করে জি*জ্ঞাসা*বা দ করা হচ্ছে।

আবারও চলন্ত গাড়িতে তুলে নিয়ে কলেজছাত্রীকে গণধ র্ষণ

আবারও ভারতে গাড়িতে গ ণধ র্ষ ণের ঘটনা। রাজস্থানের দৌসায় এক কলেজছাত্রীকে জো র করে গাড়িতে তুলে নিয়ে ধ র্ষ ণ করেছে দু র্বৃ ত্তরা। গত শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে এ ঘ টনা ঘটেছে।শুক্রবার সকালে কোচিংয়ে যাওয়ার জন্য বের হয়েছিল দ্বিতীয় বর্ষের ওই কলেজছাত্রী। কিছুদূর যাওয়ার পরই জো র করে তাকে

চ লন্ত গা ড়িতে তুলে নেয় কয়েকজন দু র্বৃত্ত। এরপর গাড়ির মধ্যেই চলে পাশবিক অ ত্যাচা র। চ লন্ত গাড়িতেই চোখ বাঁ ধা অ বস্থায় গ ণধ র্ষণের শি কার হন ১৯ বছরের ওই তরুণী।পরে সকাল ১০টার দিকে লালসোত এলাকায় নি র্যাতি তাকে ফেলে পালিয়ে যায় অ ভি যু ক্তরা। এ বিষয়ে মুখ খুললে বা কাউকে জানালে তাকে খু ন করা হবে বলেও হু মকি দিয়ে গেছে ওই দু র্বৃত্তরা।থানায় অ ভিযো গ দায়েরের পর ধ র্ষণে অ ভিযু ক্ত ৩ জনের মধ্যে ২ জনকে শনা ক্ত করা গেছে। অ ন্যজনকে

এখনও চি হ্নিত করা যায়নি। তবে চারদিন হয়ে গেলেও এই ঘ টনায় এখনও কাউকে গ্রে ফতা র করতে পারেনি পুলিশ। এ বিষয়ে ত দন্ত চলছে বলে পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

আজিজ মোহাম্মদের বাসায় ভিআইপি ক্যাসিনো খেলা হতো ডলারে !

চলচ্চিত্র পরিচালক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গুলশানের বাসায় অভিযান চালিয়েছে মাদ কদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। রোববার (২৭ অক্টোবার) বিকেল ৫টার দিকে গুলশান ২ নম্বর সেকশনের ৫৭ নম্বর সড়কের দুটি বাড়িতে এ অভি* যান চালানো হয়।অভি যানে বিপুল পরিমাণ মাদ কদ্রব্য ও ক্যাসিনো খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় বাড়ির দুই তত্ত্বাবধায়ক পারভেজ ও নবীনকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের রাজধানীর গুলশানের বাসায় পরিচালিত ক্যাসিনোতে হাইপ্রোফাইল লোকজন জুয়া খেলতে আসতেন বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা।রোববার সন্ধ্যায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম বিষয়টি জানিয়েছেন।

খোরশেদ আলম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজিজ মোহাম্মদ ভাই ও তার ছোট ভাই ওমর মোহাম্মদ ভাইয়ের বাসায় অভিযান চালানো হয়। তবে অভি যানের সময় তারা কেউ বাড়িতে ছিলেন না। আজিজ মোহাম্মদ ভাই দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে আছেন। দুই ভাইয়ের বাসা পাশাপাশি দুটি ভবনে।

তিনি আরো জানান, এখানে ক্যাসিনোর যেসব সরঞ্জাম পাওয়া গেছে তাতে বোঝা যায় সমাজের খুব হাইপ্রোফাইল লোকজন এখানে খেলতে আসতেন। কারণ এখানে জু য়া খেলা হতো ডলার দিয়ে। এখানে এক সেন্ট থেকে ১০০ ডলারের কয়েন পাওয়া গেছে। যা এর আগে পাওয়া কয়েনগুলো থেকে একেবারেই ভিন্ন। আগে যেসব ক্ল্যাব বা বারে ক্যাসিনোর কয়েন পাওয়া গেছে সেগুলোতে খেলা হতো টাকা দিয়ে।

কু-প্র স্তাবে রাজি না হওয়ায় শিক্ষিকাকে পেটাল বখা টেরা কিন্তু মামলা নেয়নি পু লিশ !

কু-প্র স্তাব ও নি র্যাত নের মা মলা করায় মোংলায় এক স্কুল শিক্ষিকাকে দ্বিতীয়বার মা রধর করেছে বখা টেরা। গত ১৫ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার চিলা ইউনিয়নের উ ত্তর হল দিবুনিয়া গ্রামে এ ঘ টনা ঘ টে। এসময় তার বাবা-মাকে মার ধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভি যুক্তরা প্রভা বশালী হও য়ায় থা নায় মা মলা নেয়নি পু লিশ, এমন অভিযোগ ভু ক্তভোগী পরিবারের। আ হত স্কুল শিক্ষিকা প্রণতি মল্লিক জানান,

দী র্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সময় কু-প্র স্তাব সহ নানা রকম হুমকি দিয়ে আসছিল এলাকার কিছু প্রভা বশালী বখাটে যু বক।
এতে সে রাজী না হলে গত বছরের ৭ নভেম্বর দুপুরে রা স্তায় বের হলে ওই শিক্ষিকাকে রবিন, মারিয়া, সুচিত্রসহ বেশ কয়েকজন যুব ক টেনে হেঁচড়ে তাদের বারান্দায় নিয়ে মার ধর ও শ্লী লতা হানি করে।এ ব্যাপারে আদালতের মাধ্যমে থা নায় মা মলাও হয়েছে। এ ঘট নায় প্রতিনিয়ত আ সামি দের ভয়ে ও হুমকির মধ্যে থাকতো ওই শিক্ষিকার পরিবার।

গত ১৫ অক্টোবর দুপুরে স্কুল থেকে ওই শিক্ষিকা বাড়ি ফেরার পথে দিলিপ, পিয়াস, দিপ্ত, জেমস, এলভিস সহ ৮/১০ জনের একটি দল তার বাড়ির সামনে তাকে আ টকায়,এতে সে বাধা দিলে যুব করা তাকে মার ধর ও শ্লী লতা হানি করে। র ক্তা ক্ত অব স্থায় ওই শিক্ষিকাকে স্থানীয়রা উ দ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকার মুক্তি যো দ্ধা পরিবার মোংলা থানায় গেলেও প্রভাবশালীদের চাপের মুখে মা মলা করতে পারেনি বলেও জানান তারা।এ ব্যাপারে মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, ১৫ অক্টোবর দুপুরে একটি মারামারির ঘটনায় এক পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে।

তবে প্রণতি মল্লিক গত বছরের ৭ নভেম্বর থানায় একটি মামলা দয়ের করেন। এ বিষয় আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।তবে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে ১৫ তারিখের ঘটনায় মিশনের পুরোহিত ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মি মাংসার চে ষ্টা করছেন। সূএঃবিডি২৪লাইভ

আসল ঘটনা ফাস: মিন্নি নয়, রিফাত হ*ত্যার নেপথ্যে কি চেয়ারম্যানের স্ত্রী

বরগুনার আলোচিত রি ফাত হ’ত্যা কা’ণ্ড নিয়ে একের পর এক বেরিয়ে আসছে চা ঞ্চল্য কর সব তথ্য। শুরুতে নিহ’ত রিফাতের স্ত্রী মিন্নি এই হ’ত্যা মা মলা র প্রধান সাক্ষী থাকলেও পরবর্তীতে তিনিই হয়ে যান আ সামি।
পর কীয়াই এই হ’ত্যা কা ণ্ডের মূল কারণ বলে জানিয়েছিল পুলি শ। তবে এবার বেরিয়ে এসেছে আরেক তথ্য। স্থানীয় কয়েকটি সূত্র বলছে, রিফাত হ’ত্যা

রনেপথ্যে থাকতে পারেন বরগুনা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের স্ত্রী সামসুন্নাহার খুকি। তিনি রিফাত হ’ত্যা র অন্যতম দুই আ সামি রিফাত ফরাজি ও রিশান ফরাজির খালা।
গত ২৬ জুন সকালে বরগুনার কলেজ রোডে প্রকাশ্যে স্ত্রী মি ন্নির সামনে রিফাত শরীফকে যারা কু পিয়ে হ’ত্যা করেন তাদের অগ্রভাগে ছিলেন রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজী। ওইদিনের ঘট নার প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়,ছোট ভাই রিশান পেছন দিক থেকে রিফাত শরীফকে জা পটে ধরে ছিলেন।
আর বড় ভাই রিফাত ফরাজি দা দিয়ে কোপাচ্ছিলেন। বড় ভাইয়ের সেই দায়ের আ ঘা তে রি শানের হাতও অনেকটা কেটে গিয়েছিল।রিফাত হ’ত্যার প্রধান

আ সামি ছিলেন নয়ন। নয়ন-রিফাত দ্বন্দ্বের কারণ হিসেবে রিফাতের স্ত্রী মিন্নির সঙ্গে নয়নের পরকীয়াকে দায়ী করা হচ্ছিলো। ভাবা হচ্ছিলো, মিন্নির কারণেই রিফাতের ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন নয়ন।কিন্তু রিফাতকে কোপানোর সময় ফরাজি ভাইরাই কেন সবচেয়ে বেশি নৃশংস হয়ে উঠেছিলেন সেই প্রশ্ন উঠছেই। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই ঘটনার পেছনে জড়িয়ে আছে আরেক কাহিনী।
রিফাত ফরাজি ও রিশান ফরাজির বাসা শহরের ধানসিড়ি রোডে হলেও তারা থাকতেন শেখ রাসেল স্কয়ার লাগোয়া জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের বাসায়।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী শামসুন্নাহার খু কী তাদের খা লা হন। খুকীর একমাত্র প্রতি বন্ধী ছেলে কয়েক বছর আগে পানিতে ডুবে মারা যায়।
তখন থেকেই দুই ভাই রিফাত ও রিশান তাদের খালা চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে মা বলে ডেকে আসছিলেন। তারা দুই ভাই ওই বাসায়ই থাকতেন। এমনকি চেয়ারম্যানের স্ত্রী তার ভাগ্নেদের সব অপকর্মেই প্রশ্রয় দিতেন বলেও জানা যায়।
রিফাতের বি রুদ্ধে চারটি মা মলা রয়েছে। তিনি একাধি কবার গ্রে ফ তারও হয়েছেন। কিন্তু প্রতিবারই তার খালা চেয়ারম্যানের স্ত্রী খুকি প্রভাব খাটিয়ে তাকে

জামিনে ছাড়িয়ে আনেন। দেলোয়ার হোসেনের বাসার সামনেই রয়েছে তার মালিকানাধীন দোকান।সেটি ভাড়া নিয়ে এক ব্যবসায়ী খাবারের হোটেল ‘মাটিয়াল ক্যাফে অ্যান্ড মিনি চায়নিজ’ করেছেন। রিফাতকে কু পিয়ে হ’ত্যা র ঘটনার আগে গত ৫ মে মিন্নি তার স্বামীকে নিয়ে ওই ক্যাফেতে গিয়েছিলেন।
রিফাত শরীফ তার মোটরসাইকেল চেয়ারম্যানের বাসার একেবারে সামনে সড়কের পাশে রাখার চেষ্টা করেন। তখন সামসুন্নাহার খুকি বাধা দেন। এ নিয়ে খুকির সঙ্গে রিফাতের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। রিফাত তার সঙ্গে বাজে ব্যবহার করেন। তখন রি ফাতকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন খুকি।ধারণা করা হচ্ছে, এর জের ধরেই রিফাত শরীফের ওপর ক্ষু ব্ধ হয়ে তাকে হ’ত্যা র পরিকল্পনা করেছিলেন রিফাত-রিশান।

মিন্নি তার সংবাদ সম্মেলনেও এ বিষয়টি জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বরগুনা সরকারি কলেজ ফটকের সামনে তার স্বামীকে রিশান ফরাজি প্রথম পথ রোধ করেছিলেন। রিশান তখন দাবি করেছিলেন, রিফাত শরীফ তার মাকে (খুকি) অকথ্য ভাষায় গালা গাল করেছেন। কেন করেছেন সেটা জানতে চান রিশান।ঠিক একই সময় রিফাত ফরাজী বলেন, ‘তুই (রিফাত) আমার চোখের দিকে তাকাইয়া ক, মাকে কেন তুই গালি দিয়েছো।’ তখন রিফাত-রিশানের সঙ্গে থাকা অন্য আ সামিরা রিফাতের কাছে অ’স্ত্র আছে বলে চিৎকার করে এবং ধর ধর বলে তাকে কিল ঘুষি মা রতে শুরু করে।
রিফাত হ’ত্যা র একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, তাকে বরগুনা সরকারি কলেজের ফটক থেকে ধরে আনার আগে থেকেই রিফাত ফরাজি কলেজ

ফটকে অবস্থান করছিলেন এবং তার সহযোগীদের নানা নির্দেশনা দিচ্ছিলেন।
পুরো বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি হ’ত্যা র সঙ্গে নিজের এবং শামসুন্নাহার খু কির জ ড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেন।রিফাতের সঙ্গে তার স্ত্রীর কোনো কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটেনি বলেও জানান তিনি।
সূত্র: বাংলাদেশ জার্নাল, কালের কণ্ঠ

পাল্টাপাল্টি হা,মলায় ভারতের ৯, পাকিস্তানে ৭ জন নি,হত

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে উ,ত্তেজনা বিরাজ করছে। নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতের গো,লাবর্ষ,ণে পাকিস্তানের কমপক্ষে ছয় বেসামরিক এবং এক সেনা নি,হত হয়েছেন।পাক সংবাদ মাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজাদ জম্মু-কাশ্মীরে ভারত নির্বিচার ও নি,র্মম হা,মলা চালিয়েছে।

রোববার স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভারতের হামলায় আরও নয় বেসামরিক আহত হয়েছেন।চলতি বছর নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতের গো,লাব,র্ষণে একদিনে এটাই সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।পাকিস্তানের ইন্টার সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, ভারতের সঙ্গে সংঘর্ষে এক সেনা শহীদ হয়েছেন এবং আরও দুই সেনা আ,হত হয়েছেন।

আইএসপিআর-এর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, সীমান্তের জুরা, শাহকোট এবং নওসেরি সেক্টরে বিনা উসকানিতে ভারতের যু,দ্ধবিরতি লঙ্ঘ,নের জবাব দিয়েছে পাক সেনাবাহিনী।এতে ভারতের ৯ সেনা নি,হত হয়েছেন। এছাড়া আরও বেশ কয়েকজন আ,হত হয়েছেন। একই সঙ্গে ভারতের দুটি বাঙ্কার ধ্বং,স হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার সকালের দিকে ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের কুপওয়ারা সীমান্তে অ,স্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে পাক সেনাবাহিনী গু,লি চালালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর দুই সদস্য ও এক বেসামরিক নাগরিক নি,হত হয়।রপরেই পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের ভেতরে স,ন্ত্রাসীদের অন্তত চারটি আস্তানা ও ঘাঁটিতে হা,মলা চালানোর দাবি করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

রোববার সকালের দিকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের তাঙধর সেক্টরের বিপরীত পাশে ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই হামলায় ব্যাপক হ,তাহত হয়েছে বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি।ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই বলছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিলাম ঘাট উপত্যকায় সন্ত্রাসীদের ঘাঁটি ও চৌকিতে হামলা চালিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।এতে পাক সেনাবাহিনীর চার থেকে পাঁচ সদস্য ও জঙ্গিগোষ্ঠী জয়েশ-ই-মোহাম্মদ এবং লস্কর-ই-তৈয়বার অনেক সদস্য হতাহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

গত ৫ আগস্ট ভারত সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ ,মর্যাদা তুলে নেয়। তারপর থেকেই সীমান্তে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে দু’দেশের সেনাবাহিনী।একে অপরের বি,রুদ্ধে বার বার যু,দ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে। দু’পক্ষের সংঘর্ষে দু’দেশের সেনা,বাহিনী ছাড়াও বেসামরিক হতা,হতের ঘটনা ঘটেছে।

৪ তলা ভবনের ছাদ থেকে সন্তানকে ফেলে দিলেন মা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আশফাক জামান জাহিন নামে আড়াই বছরের নিজের শিশু ছেলেকে চার তলা বাড়ির ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে হ*ত্যা করেছে মা*নসিক ভা*রসা*ম্যহীন মা। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পাগলা পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকার আমানউল্লাহ প্রধানের বাড়িতে এ ঘ*টনা ঘটে। তবে পরিবারের অন্য

সদস্যরা বিষয়টি ধা*মাচা*পা দে*য়ার চে*ষ্টা করে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ খবর পেয়ে রোকসানা আক্তারকে গ্রে*ফতার করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ফতুল্লার পাগলা পশ্চিম নন্দলালপুর আমানউল্লাহ প্রধানের বাড়িতে খন্দকার নুরুজ্জামান মারুফ তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকেন। তাদের মধ্যে রোকসানা আক্তার মা*নসিক ভা*রসা*ম্যহীন রো*গী বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানিয়েছেন।

সন্ধ্যার সময় ৪ তলা বাড়ির ছাদ থেকে শিশু জাহিনকে তার মা রোকসানা আক্তার (২৮) ফেলে দেন। তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ক*র্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃ*ত ঘো*ষণা করে।

সিস্টেমটাই আমাদের এমন নি ষ্ঠুর বানিয়েছে: বললেন অনীক

সিনিয়র জুনিয়র যে-ই হোক, আমরা তাদের এভাবে পেটাতাম। আবরার মা রা গেছে দুর্ঘ টনাক্রমে।
আমাদের মতের সঙ্গে না মিললে কাউকে পি টিয়ে বের করে দিতে পারলে ছাত্রলীগের হাই ক মান্ড আমাদের প্রশংসা করত। সিস্টেমটাই আমাদের এমন নি ষ্ঠুর বানিয়েছে।

বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হ ত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমনটি জানিয়েছেন গ্রে ফতার অনীক সরকার।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১২ অক্টোবর) বুয়েট ছাত্রলীগের বহি ষ্কৃত তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনীক স্বী কারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তাতে দেখা যায়, আবরারের মৃ ত্যুর জন্য নিজেকে দায়ী মনে করছেন তিনি। তবে আবরারকে হ ত্যা করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না সে কথাও জানান অনীক।

আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে অনীক বলেন, আবরারের মৃ ত্যুর জন্য সবাই আমাকে দো ষ দিচ্ছে। কিন্তু আমি তো শুধু সিনিয়রদের নির্দেশনামতো কাজ করছিলাম।
সিনিয়ররা আমাকে ভয়ও দেখাচ্ছিল, ব্যর্থ হলে আমাকে এর ফল বহন করতে হবে। বুয়েটে ছাত্রলীগ এভাবেই কাজ করে।

বুয়েট ছাত্রীগের বহি ষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদি হাসান রবিনকে এজন্য দায়ী করলেন অনীক। তিনি বললেন, আমি তো এমন ছিলাম না।
নটর ডে ম থেকে যখন বুয়েটে পড়তে আসি তখন খুব হাসিখুশি ছিলাম। জানি না কীভাবে এমন হয়ে গেলাম।

উল্লেখ্য, শনিবার (৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবরার ফাহাদ বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার চুক্তি নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন।
স্ট্যা টাসের কারণ জানতে রাত আটটার দিকে শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর রুমে নিয়ে আবরারকে বেধরক পে টানো হয়। শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে শেরেবাংলা হলে একতলায় এবং দ্বিতীয় তলার মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় আবরার ফাহাদের নিথ রদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
হ ত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রে প্তার করা হয়। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৫ জন রয়েছেন। পুলি শের তদন্তে নাম আসায় বাকি চারজনকে গ্রে প্তার করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জে বী*ভৎ সভাবে শিশু হ’ত্যায় বাবা-চাচা আ*টক

সুনামগঞ্জে বী*ভৎসভা*বে পাঁচ বছরের শিশু তুহিন মিয়াকে হ’ত্যার ঘ*টনায় তার বাবা ও চাচাসহ সাত স্বজনকে আ*টক করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে তাদের আ*টক করে থা’নায় নিয়ে যাওয়া হয়। নিহত তুহিন উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া কেজাউড়া গ্রামের আটককৃত বছির মিয়ার ছেলে।
আট*ককৃ*ত অন্য স্বজনরা হলেন তুহিনের চাচা আব্দুল মছব্বির, জমশেদ মিয়া, নাসির মিয়া, জাকিরুল এবং চাচি ও চাচাতো বোন। সুনামগঞ্জের পুলিশ

সুপার মিজানুর রহমান বলেন, আটক সাতজনকে জি*জ্ঞাসা*বাদ করা হচ্ছে। সন্দে*হজনক কিছু মনে না হলে তাদের ছে*ড়ে দেয়া হবে।
এর আগে সকালে দিরাইয়ে পেটের মধ্যে দুটি ছু’রি ঢু’*কানো অ*বস্থায় গাছে ঝু’লে ছিল তুহিনের লা’শ। তার ডান হাতটি গ’লার স’ঙ্গে থাকা রশির ভেতরে ঢু’কানো ছিল। বাম হাতটি ঝু’লে ছিল লা’শের স’ঙ্গে। কে’টে নেওয়া হয়েছে শিশুটির কা’ন ও লি’ঙ্গ। সকাল ১০টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ তার ম’রদেহ উ’দ্ধার করে দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ম’র্গে পাঠায়।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউরা গ্রামের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নি’হত তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরের আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এমন নৃ’শং’স ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের ধারণা। তুহিনের পে’টে যে ছু’রিটি বি’দ্ধ ছিল সেখানে দুই ব্যক্তির নাম লেখা রয়েছে। তারা ওই গ্রামের বাসিন্দা ছালাতুল ও সোলেমান। তারা আনোয়ার মেম্বারের লোক।

গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছু*রিতে দুজনের নাম

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পাঁচ বছরের শিশু তুহিন হ**ত্যায় ব্যবহৃত ছু**রিতে দুই ব্যক্তির নাম লেখা রয়েছে। ওই দুটি ছুরি শিশু তুহিনের পে*টে বি**দ্ধ ছিল। তুহিনের ম**রদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
সেই সঙ্গে শিশুটির লি**ঙ্গ ও কান কে*৮টে দেয়া হয়।রোববার রাত ৩টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার ভোরে গাছের সঙ্গে ঝুলানো অবস্থায় শিশুটির মর**দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তুহিনের পে*টে দুটি ধারা*লো ছুরি* বিদ্ধ ছিল। তার পুরো শরীর র*৮ক্তাক্ত, কান ও লি**ঙ্গ কর্তন অবস্থায় ছিল। নি*৮হত তুহিন ওই গ্রামের আব্দুল বাছিরের ছেলে।

শিশু তুহিনের পে*টে বিদ্ধ দুটি ছু**রিতে ওই গ্রামের বাসিন্দা ছালাতুল ও সোলেমানের নাম লেখা রয়েছে। তাদের ফাঁ**সাতে এ ধরনের নৃ*শংস হ*৮ত্যাকাণ্ড ঘটনা হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেজাউরা গ্রামের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নি**হত তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরের আধি*পত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে।

ছালাতুল ও সোলেমান সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের লোক। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এমন নৃ*শংস ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের ধারণা।

এরই মধ্যে এ ঘটনায় তুহিনের বাবাসহ পাঁচজনকে জি*জ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে পুলিশ। তারা হলেন তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা আব্দুল মুছাব্বির, ইয়াছির উদ্দিন, প্রতিবেশী আজিজুল ইসলাম, চাচি খাইরুল নেছা ও চাচাতো বোন তানিয়া।

এ ব্যাপারে রাজানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৌম চৌধুরী বলেন, এমন নৃশং*স হ**ত্যাকাণ্ড দিরাই উপজেলার মানুষ এর আগে দেখেনি।

আমরা এই হ*৮ত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শা*স্তি চাই, ঘটনাটি তদন্ত করে হ*৮ত্যাকারীদের দ্রুত গ্রে*ফ*তার করা হোক।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, শিশু তুহিন হ*৮ত্যার ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ ও সিআইডি।

আমরা পুরো ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখছি। নি*হ*ত তুহিনের বাবাসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে।