পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি বিক্রি করলেই জ,রিমানা !

পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি বিক্রি করলেই বিক্রেতাকে জরিমানা করা হবে বলে ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দিয়েছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা শশী।একই সঙ্গে পেঁয়াজের দাম বেশি রাখায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ইউএনও। এ সময় অতিরিক্ত পেঁয়াজ মজুত রাখায় দুই ব্যবসায়ীর গুদাম সিলগালা করে দেন তিনি।

অভিযান শেষে শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের ডেকে চুনারুঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও নুসরাত ফাতিমা শশী বলেন, পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি রাখলেই জরিমানা করা হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আপনারা পেঁয়াজের দাম ৫৫ টাকার বেশি রাখতেপারবেন না। পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখার হুঁশিয়ারি দিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের ইউএনও বলেন, কোনো অবস্থাতেই ৫৫ টাকার বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করবেন না, করলে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। প্রতিটি দোকানে পেঁয়াজের মূল্য তালিকা টাঙাতে হবে,

পেঁয়াজ ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। কোনো ক্রেতার সঙ্গে কোনোভাবেই প্রতারণা করা যাবে না। পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্য বৃদ্ধি করলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেব না আমরা। ইউএনওর হুঁশিয়ারিতে পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকা কার্যকরের জন্য একদিনের সময় নেন ব্যবসায়ী নেতারা। কারণ হিসেবে ইউএনওকে তারা বলেছেন, বেশি দামে পেঁয়াজ কেনা আছে এবং মজুত রয়েছে।
এসব পেঁয়াজ বিক্রি শেষ হলেই ৫৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করব আমরা।

উপজেলা ভূমি অফিসের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- চুনারুঘাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল সালাম তালুকদার, সেক্রেটারি মাসুদ আহম্মেদ, ক্যাব চুনারুঘাট উপজেলা সেক্রেটারি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান তাহের ও মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আজগর আলী প্রমুখ।
এর আগে চুনারুঘাট বাজারে অভিযান চালান ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা শশী। এ সময় পেঁয়াজ কেনার রশিদ না থাকা এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে

পেঁয়াজ বিক্রি করায় স্বপন স্টোরকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত রাখায় স্বপনের গুদাম ও এবং সোহেলের গুদাম সিলগালা করে দেয়া হয়।

আবহাওয়া অফিস নতুন যে খবর দিল

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের অগ্রভাগ উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান করছে। বাতাসের গতিবেগ কিছুটা কমেছে।শনিবার (৯ নভেম্বর) মধ্যরাতে যেকোনো সময় আ ঘাত আনতে পারে এটি। ইতোমধ্যে উপকূলের ২১০ কিলোমিটারের মধ্যে প্রবেশ করেছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল।শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের যুগ্ম পরিচালক আয়েশা খানম সংবাদমাধ্যম এ তথ্য তুলে ধরেন। উপকূল পার হয়ে বুলবুল বয়ে যাবেদেশের মধ্যাঞ্চলের ওপর দিয়ে। একমাত্র

রংপুর জেলা ছাড়া সব জেলাতেই বইবে ঝ ড়ো হাওয়া ও সাথে থাকবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। আগামী ২৪ ঘণ্টা পুরো বাংলাদেশে এর প্র ভাব থাকবে।
উপকূলীয় সব জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনশ ক্তিশা লী ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রান্তসীমায় ঢু কে পড়ার খবর পাওয়া গেছে। বুলবুল’র ক্ষ তি কমিয়ে আনতে সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় সব জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (৯ নভেম্বর) সাড়ে আটটার সময় এ ঘোষণা দেয়া হয়।
এর আগে, মংলা-পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর ম হাবি পদ সং কে ত জা রি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ধারণা করা হচ্ছে আজ শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার আগে

পরে ঝড়টি ১৫০কিলোমিটার বেগে উপকূলীয় অঞ্চলে আ ঘাত হানতে পারে। এর আগে, দু র্যো গ ব্য ব স্থাপনা ও ত্রা ণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান ঘূর্ণিঝড় বুলবুল নিয়ে সংবাদ স ম্মে লনে জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের মুখে বাংলাদেশের অ তিঝুঁ কিপূর্ণ জে লাগুলো হলো- খুলনা, সাতক্ষীরা, বরগুনা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, পিরোজপুর ও ভোলা।

বঙ্গোপসাগরে ১৫ জেলেসহ ট্রলার নিখোঁজ

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আজ শনিবার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূলে আঘাত হানতে পারে। মোংলা ও পায়রা বন্দরে দেয়া হয়েছে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত।এছাড়া খুলনা ও বরিশালের ৯ জেলায় দেখানো হয়েছে ১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেত। ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ৭ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস
হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানায় আবহাওয়া অধিদফতর।এ মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকা বঙ্গোপসাগরে একটি ট্রলারসহ বরগুনার ১৫ জেলে নিখোঁজ

হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার সকালে নারিকেল বাড়িয়ায় বঙ্গোপসাগরে ইঞ্জিননষ্ট হয়ে যাওয়ার পর কোনো এক সময় ট্রলারটি নিখোঁজ হয়। বরগুনা জেলা ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তাফা চৌধুরী জানান,পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরে এসে সগির হোসেন নামে ওই ট্রলারের এক মাঝি তাকে এই তথ্য জানিয়েছেন। সগির তাকে জানান, বরগুনা সদরের নলী গ্রামের নজরুল ইসলামের মালিকধীন ‘তরিকুল’ নামের ট্রলারটি নিয়ে ১৬ জন জেলে গত বৃহস্পতিবার বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান।

সকাল ৭টার দিকে ঝড়ের কবলে পড়ে বঙ্গোপসাগরে নারিকেল বাড়িয়া এলাকায় ট্রলারটির ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়।
এ সময় জেলে সগির হোসেন অন্য ট্রলারে উঠে তীরে ফিরে অন্য একটি ট্রলার নিয়ে নষ্ট ট্রলারটি উদ্ধারের জন্য সেই এলাকায় যান। তারা গিয়ে ট্রলারটি আর খুঁজে পাননি।

শাহ আমানতে বিমান ওঠানামা বন্ধ সমুদ্র বন্দর খালি করা হচ্ছে

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর প্র ভাবে এরই মধ্যে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরের ১০টি ফ্লাইট বা তিল করা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৪টার পর সব বিমান ওঠানামা ব ন্ধ রাখা হবে। শাহ আমানত বিমানবন্দরের ব্য বস্থাপক কমো ডর সরোয়ার ই জাহান দুপুরে এ কথা জানান।

এদিকে শনিবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দর ক র্তৃপ ক্ষের মিলনায়তনে জ রুরি সভা করে ঘূর্ণিঝড় মো কাবি লায় প্র স্তুতির কথা জানিয়েছেন চেয়ারম্যান কমোডর জুলফিকার আজিজ। তিনি বলেন, বন্দরের জেটি এলাকার ১৮টিসহ বহির্নোঙরে থাকা ৩১টি জাহাজ কক্সবাজারের দিকে নি রাপ দে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বন্দরের আশপাশে থাকা লাইটারেজ জাহাজগুলোকে কর্ণফুলী নদীর আশপাশে নি রাপ দ জায়গায় পাঠানো হয়েছে।

বন্দরের নিয়ন্ত্রণ ক ক্ষের তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জানান, বন্দরের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

বাড়ছে পানি বাড়ছে আতঙ্ক

গতিবেগ বেড়েছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের। বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়টি। বর্তমানে বাংলাদেশের উপকূল থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল।এদিকে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে খুলনায় দমকা হাওয়ার সঙ্গে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।বৃহত্তর খুলনার দাকোপ-কয়রা-পাইকগাছা-সাতক্ষীরা-মংলা উপকূলের লক্ষাধিক মানুষ ঝড়ের আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে।যে কোনো মুহূর্তে

ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতের আশঙ্কা করছেন অনেকে। কেউ কেউ আবার আশ্রয়কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে ছুটছেন।শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অঞ্চলের আকাশে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উপকূলের নদীগুলোতে পানির উচ্চতা বেড়েই চলেছে।পানির উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক। উপকূলীয় এসব অঞ্চলের মানুষের ভয়, পানি বাড়লেই যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে যেতে পারে।তাই উপকূলীয় এসব এলাকার অনেকেই প্রাণের মায়ায় নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছেন। স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন কেউ কেউ।খুলনার জেলা প্রশাসক হেলাল হোসেন

বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবিলায় ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকরা প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপকূলের বাসিন্দাদের সতর্ক করছেন।এতসব আয়োজনের পরেও আশ্রয় কেন্দ্রে মানুষ যেতে চাচ্ছেনা। তাই উপজেলা প্রশাসন ও সিপিপি এর সদস্যরা স্থানীয়দের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে।দুর্যোগ পরবর্তী প্রস্তুতি হিসেবেও শুকনো খাবার, টিআর চাউল, নগদ অর্থ ও ঢেউটিন মজুদ রয়েছে। মাঝি ও উপকূলবাসীদের সতর্ক করতে চলছে মাইকিং।জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা আজিজুল হক জোয়ার্দার বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় জেলার ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া উপকূলীয়

উপজেলা কয়রা, দাকোপ ওপাইকগাছায় ২৪ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেবার জন্য সব ধরণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।খুলনা জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলায় ৩৪৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা রাখা আছে।জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি এবং নয়টি উপজেলায় নয়টি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। স্থানীয় লোকজনকে সতর্ক করতে উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত মেডিকেল টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।পটুয়াখালী জেলা সংবাদদাতা: ঘূর্নিঝড়

বুলবুলের প্রভাবে পটুয়াখালী জেলার সর্বত্র গুমোট আবহাওয়া সহ দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়া বিরাজ করছে।গতকাল দিনভর গুড়ি বৃষ্টির পর মধ্যরাত থেকে একটানা বর্ষন শুরু হলেও আজ সকাল থেকে থেমে থেমে মাঝারী ভারী বৃষ্টি চলছে।এ দিকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারী হওয়ার পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় চরাঞ্চলের ঝুকিপূর্নএলাকার লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোড় চেষ্টা করা হলেও অধিকাংশ লোকজনই আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে কিছুটা অনীহা প্রকাশ করছে।এ দিকে ঘূর্নিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সবচেয়ে বেশী ঝুকির মধ্যে থাকা কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া

ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো: শওকত হোসেন বিশ্বাস জানান, নেওয়াপাড়াথেকে পশরবুনিয়া পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার ভেড়ীবাধহীন এলাকার কমপক্ষে ১০ থেকে ১৫ হাজার লোকের বসবাস,দীর্ঘবছর পর্যন্ত ভেড়ীবাধহীন অবস্থায় পড়ে রয়েছে ঐ এলাকা। ঐএলাকায় ৯ টি সাইক্লোন সেল্টার রয়েছে, এতে সর্বোচ্চ ৭ হাজার লোক আশ্রয় নিতেপারবেন।আজ দুপুর ১ টা পর্যন্ত সিমীত আকারে লোকজন আশ্রয় নিয়েছেন ,প্রশাসনের পক্ষ থেকে লোকজন কে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার জোড় চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে তিনি আশা করেন সন্ধ্যার মধ্যে সব লোকজনকে নি রাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসতে পারবেন।

সন্নিকটে ঘূর্ণিঝড় রাত যে সময়ের মধ্যে আঘাত হানতে পারে ‘বুলবুল

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এখন বাগেরহাটের মোংলা থেকে ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অ বস্থান করছে বলে জানান দুর্যো গ ব্য বস্থাপনা ও ত্রা ণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।শনিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে তিনি সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মে লন কক্ষে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মো কাবিলায় আ য়োজিত বৈঠক শেষে

সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।তিনি আরো জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ শনিবার রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আ ঘাত হা নতে পারে।ব্রি ফিংয়ে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় সাতটি জেলায় ১০ নম্বর ম হাবি পদ সং কেত দেওয়া হয়েছে। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী,ভোলা ও পিরোজপুরের প্রায় তিন লাখ মানুষকে স রিয়ে আনা হয়েছে। দুপুরের মধ্যে আরো ১৫ লাখ মানুষকে সরিয়ে আনা হবে।
তিনি আরো বলেন, এসব এলাকার মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছে ড়ে আসতে চায় না।

জো র করে হলেও তাদের নি রাপদে স রিয়ে নেওয়া হবে।এনামুর রহমান বলেন, ‘উপদ্রুত এলাকাগুলোতে পাঁচ থেকে সাত ফিট জ লোচ্ছ্বা স হতে পারে বলে আমরা আ শ ঙ্কা করছি।এরই মধ্যে এসব এলাকার প্রতি জেলায় দুই হাজার করে মোট ১৪ হাজার ব্যা গ শুকনো খাবার পাঠানো হয়েছে। যার একটি প্যাকেটের খাবারে একটি পরিবার এক সপ্তাহ চলতে পারবে।

ডালিয়ার শ’রীরে খু’ন্তির ছ্যাঁ’কায় কালো দা গ পড়ে গেছে

ডালিয়ার শ রীরের এমন কোনো স্থান নেই যেখানে খু’ন্তি র ছ্যাঁ কার জ’খম নেই। অনেক দিনের পু রনো জ’খমের স্থা নগুলোতে প চ ন ধ রে গেছে। আবার কোনো কোনো স্থান ফু লে কা লো হয়ে টিউমা’রের মতো হয়ে আছে।এ ছাড়া হাত-পা, বুক ও পি ঠে খু’ন্তির ছ্যাঁ কায় বসন্ত রো গের মতো কা লো দা গ পড়ে গেছে। কারণে-অকারণে গৃহপরিচারিকা ডালিয়াকে প্রায় ১৫ মাস সর্বা ঙ্গে নি’র্যাতন করা হয়।

এ সব অ’ভিযো গের ভি ত্তিতে বুধবার দুপুরে ফতুল্লার দেলপাড়া পেয়ারাবাগান এলাকার একটি ৫তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে ডালিয়াকে উ’দ্ধার করে হাসপাতালে প্রে রণ করে পু’লিশ।এ সময় ওই বাড়ির গৃহকর্ত্রী সেলিনা বেগমকে (৩৫) গ্রে’ফতার করা হয়। গ্রে’ফতারকৃত সেলিনা বেগম পে য়ারাবা গান এলাকার সৌদি আরব প্রবাসী মো. বাবু মিয়ার স্ত্রী’।অ’পরদিকে নি’র্যাতনের শি কার গৃহকর্মী ডালিয়া চাঁদপুরের ছে ঙ্গারচর কলাকান্দা ইউনিয়নের শানিরপাড় গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিনের মে’য়ে।এলাকাবাসী জানান, পে য়ারাবা গান এলাকায় সৌদি প্রবাসী বাবু মিয়ার নিজস্ব ৫তলা বাড়ি। এ বাড়িতে বাবুর স্ত্রী’

সেলিনা দুই মে’য়ে ও এক ছে’লে সন্তান নিয়ে দ্বিতীয় তলায় একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। প্রায় দুই বছর আগে গৃহপরিচারিকা ডালিয়াকে তার গ্রামের বাড়ি থেকে নানা প্র লো’ভন দেখিয়ে সেলিনা তাদের বাসায় নিয়ে আসেন।এরপর কারণে-অকা রণে গ রম খু’ন্তি দিয়ে শ রীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁ কা দিয়ে নি’র্যাতন করে। ওই সময় চি’ৎকার শু নে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে সেলিনার ফ্ল্যাট থেকে ডালিয়াকে উ ’দ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়ভাবে আপো ষ মী মাংসা করে ডালিয়াকে তার বাবার হাতে তুলে দেয়।পরে ৬ মাস না যেতেই সেলিনা আবারও চাঁদপুর গিয়ে ৪ হাজার টাকা বেতন, ভালো খাবার দেয়াসহ নানা প্রলো’ভন দেখিয়ে ডালিয়াকে নিয়ে আসে তাদের বাসায়। এরপর আবারও পূর্বের মতোই গ রম খু’ন্তি দিয়ে ডালিয়ার শরী রে ছ্যাঁ কা দেয়া শুরু করে

সেলিনা।ফ্ল্যাটের দরজা জানালা ব ন্ধ করে প্রায় ১৫ মাস এভাবে ডালিয়াকে নি’র্যাতন করে সেলিনা। এলাকাবাসী প্রায় সময় ডালিয়ার চি’ৎকার শু নলেও উশৃ ঙ্খল সেলিনার ভ’য়ে কেউ প্র তিবাদ করতে পারেনি। অবশেষে এলাকাবাসী থা’নায় ফোন করে পু’লিশকে জানান।ডালিয়ার বাবা জামাল উদ্দিন জানান, তার তিন মে’য়ে এক ছে’লের মধ্যে ডালিয়া তৃতীয়। দুই মে’য়ে বিয়ে দিয়েছেন। ডালিয়া আর ছোট এক ছে’লে রয়েছে। তার স্ত্রী’ লাইলি বেগম মা নসিক রো গী। সে নিজেও দী র্ঘদিন ধরে অ’সু স্থ হয়ে ঘরেই বসে থাকেন। ভিজিডি কার্ডের চাল দিয়ে কোনোমতে সং সার চালান।নি’র্যাতনের ভুল শি কার করে মা ফ

চেয়ে ৪ হাজার টাকা বেতন ভালো খাবার ও পোশাক দেয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডালিয়াকে নিয়ে আসে সেলিনা। প্রায় ১৫ মাস আগে ডালিয়াকে নিয়ে এসে এভাবে নি’র্যাতন করলেও এ পর্যন্ত এক টাকাও বেতন দেয়নি। বেতন চাইলেই সেলিনা গালাগাল করত।পু’লিশের কাছ থেকে সংবাদ পেয়ে থা’নায় এসে দেখি ডালিয়ার শরীরের কোনো স্থান নেই যেখানে খু’ন্তির ছ্যাঁকা না দেয়া হয়েছে। আমি এ নি’র্যাতনের বিচার চাই।ডালিয়া জানান, একটি কাজের হুকুম দিয়ে মুহুর্তে আরেকটি কাজের হুকুম দিতেন সেলিনা। তা দ্রুত না করতে পারলেই চুলোয় খু’ন্তি গরম দিয়ে আমাকে কাছে ডেকে নিয়ে শরীরে চাপ দিয়ে ধরে

রাখতেন।দে হ থেকে আ ত্মাটা বের হয়ে যেতে চাইলেও সেলিনা আমাকে চি’ৎ কার করতে দিত না। সারাটা রা ত জ্ব রে চি’ৎ কার করলেও একটু ওষুধ এনে দিত না। উ ল্টো সকালে ঘুম থেকে কানে ধ রে টে নে উঠাত থাল-ভাসন ধুতে।ফতুল্লা মডেল থা’নার এসআই ফজলুল হক জানান, এলাকাবাসীর দেয়া সংবাদে ডালিয়াকে উ’ দ্ধার করা হয়েছে এবং বাড়ির গৃহক র্ত্রী সেলিনাকে গ্রে’ ফতার করা হয়েছে।ফতুল্লা মডেল থা’নার ওসি আসলাম হোসেন জানান, এ ঘটনায় ডালিয়ার বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে মা’মলা করেছেন

পেঁয়াজের হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা !

পিরোজপুরে একহালি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০টাকায়। দিন যত যাচ্ছে পিরোজপুরে পেঁয়াজের ঝাঁঝ ততই বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় এ ভোগ্যপণ্যটি। বর্তমানে পিরোজপুরের দোকানগুলোতে ১২০-১৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ।
এতে ক্ষোভ বিরাজ করছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় কেউ কেউ ২৫০ গ্রাম থেকে সর্বোচ্চ ১ কেজি পর্যন্ত পেঁয়াজ ক্রয় করছেন। আবার কেউ কেউ মাত্র এক হালি পেঁয়াজ কিনছেন।

অন্যদিকে অনেক দোকানদার পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ব্যবসায়িকভাবে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। পাইকারি বাজারে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ না থাকায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি তাদের। তবে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের দাবি, সরকার দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

দেড় হাজার টাকায় খামার শুরু, এখন মাসে আয় ২০ লাখ !

গল্পের শুরুটা ২০০২ সালের। তৎকালীন চুয়াডাঙ্গা প্রাণীসম্পদ অফিসারের সহযোগিতায় মাত্র দেড় হাজার টাকায় ২০০টি হাঁসের বাচ্চা নিয়ে খামার গড়ে তোলেন চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুলচারা গ্রামের জাকির হোসেন।জাকির হেসেনের গল্পের শুরুটা সফলতার না থাকলেও বছর কয়েক যেতে না যেতেই ঘুড়ে যায় ভাগ্যের চাকা। ২০০টি হাঁসের বাচ্চার মধ্যে বিভিন্ন রোগ বালাই, প্রতিকূল পরিবেশে মারা যায় ৭৪ টি হাঁসের বাচ্চা।

মাত্র ১২৬টি হাঁসের বাচ্চা নিয়েই প্রতিকূল পরিবেশের সাথে লড়াই চালিয়ে যায় জাকির হোসেন। আজ ১৭বছর পর সেই খামার টি জেলার সবচেয়ে বড় খামারে রূপ নিয়েছে। সফল খামারি হিসেবে দেশরত্ন বঙ্গকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকেও পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরষ্কার।
জাকির জানান- প্রতিদিন ৮হাজারেরও বেশি ডিম সংগ্রহ করেন খামার থেকে। যা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ,

মেহেরপুর সহ আশপাশ সকল জেলার ডিমের চাহিদা মেটানো হয়। প্রতিটি ডিম ১০টাকা দরে প্রতিদিন ৮০হাজার এবং প্রতি মাসে ২৪লাখ টাকা আয় হয় তার এই খামার থেকে। এছাড়াও মাংসের হাঁস বিক্রি করে প্রতি মাসে আয় হয় আরো ৪লাখ টাকার মতো।এখান থেকে প্রতি মাসে হাঁসের খাবার, ওষুধ, কর্মচারীদের বেতনসহ আনুষঙ্গিক ৭ থেকে ৮লাখ টাকার মতো খরচ গুনতে হলেও জমা থাকে ২০লাখ টাকার মতো যার পুরোটাই লাভের অংশ। যা শুনতে স্বপ্নের মতো হলেও বাস্তব।

জাকির হোসেনের খামার এখন শুধু ডিম উৎপাদনে কাজ করে না। তৈরি করা হয়েছে জাকির অ্যান্ড ব্রাদার্স অ্যাগ্রো ফার্ম হ্যাচারী নামের একটি হাঁসের হ্যাচারী। যেখান থেকে হাঁসের বাচ্চা ফোঁটানো হয়। জাকির হোসেনের খামারে এখন ডিম ও মাংসের জন্য ২ ধরনের হাঁস পালন করা হয়। এখানে বর্তমানে ১০হাজার হাঁসের জন্য কয়েক বিঘা জমির উপর ১২টি সেড করা হয়েছে। হ্যাচারী টি দেখাশোনা করার জন্য রাখা হয়েছে ২৪জন বেকার যুবককে যারা সবাই বেতনভুক্ত। জাকির হোসেনের খামারে এখন প্রতিদিন ৮হাজারেরও বেশি ডিম দেয় এবং পাশাপাশি বছরে প্রায় ২লাখের মতো বাচ্চা ফোঁটানো হয় এই হ্যাচারী থেকে।

খামারের ম্যানেজার ইয়াছিন শেখ জানান, তিনি সাত বছর আগে খামারে চাকরি নেন। সে সময় খামারটি এতো বড় ছিল না। ধীরে ধীরে খামার বড় করা হয়েছে। চার মাস বয়স থেকেই হাঁস ডিম দেয়া শুরু করে। একটি হাঁস বছরে ২০০-২৫০টি ডিম দিয়ে থাকে। প্রতিটি ডিম ১০ টাকা দরে বিক্রি হয়। বর্তমানে হাঁসের পাশাপাশি টার্কি মুরগি, কোয়েল পাখি, ছাগল, মাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি চাষ করা হচ্ছে জাকিরের খামারে।

খামারের কর্মী শাহারা বেগম জানান, খামারের প্রতিটি সেড থেকে ডিম তোলেন তিনি। বেতনের টাকায় সন্তানদের লেখাপড়াসহ সংসারও চলে। খামারে অনেক এলাকা থেকে নারীরা কাজ করতে এসেছেন। প্রতিদিনই আশপাশের এলাকা থেকে হাঁসের খামার দেখতে আসেন অনেকে। জাকির হোসেন সকল বেকার যুবকদের খামার করতে পরামর্শ দেন। তার হাঁস পালনে সফলতা দেখে এলাকার অনেক তরুণ স্বল্প পরিসরে খামার গড়ে তুলেছে।

জাকির হোসেন জানান, শুরুটা খুব সহজ ছিল না। ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রমের ফল আজকের এই খামার। তবে স্বল্প পুঁজি নিয়েও হাঁসের খামার করা যেতে পারে। বিশেষ করে পুকুর, ডোবা অথবা খালের পাশে খামার গড়ে তোলা উচিৎ। কিন্তু অনেকে হাঁসের রোগ-বালাই নিয়ে অনেক চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে সঠিক সময়ে চিকিৎসা করলে হাঁসের রোগ নির্মূল করা সম্ভব। হাঁস পালনে মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কথা ভাবছেন তিনি।

নতুন বইয়ের সঙ্গে পোশাক কেনার টাকাও পাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা

নতুন পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে স্কুল ড্রেস, জুতা ও ব্যাগ কেনার জন্য টাকা পাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ২০২০ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বইয়ের সঙ্গে মাথাপিছু ২ হাজার টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)।গত মাসের শেষের দিকে এক সমন্বয় সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সভায় উপস্থিত থাকা ডিপিইর মহাপরিচালক এফ এম মনজুর কাদির। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এসব উপকরণ দেয়ার পরিকল্পনার কথা জানায় মন্ত্রণালয়।

ডিপিইর মহাপরিচালক এফ এম মনজুর বলেন, শিক্ষার্থীদের স্কুলে মনোযোগী করার জন্য নতুন বইয়ের সঙ্গে ২ হাজার টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে নতুন ব্যাগ, স্কুল ড্রেস, জুতাসহ প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারবে। এজন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বাজেটও নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশই দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বছরের শুরুতে এসব শিক্ষার্থীদের হাতে অর্থ তুলে দিলে তারা শিক্ষা উপকরণ কিনতে পারবে। এতে করে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হারও কমবে।’

এর আগে গতকাল শনিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন কুড়িগ্রামে এক অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে বলেন, ‘আগামী বছর শুরুর দিন দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর হাতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি দুই হাজার করে টাকা দেয়া হবে। শিক্ষার্থীদের স্কুলের পোশাক কেনার জন্য এ টাকা দেয়া হবে।’প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করতে সরকারের নানা ধরনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যালয়গুলোকে দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। আকর্ষণীয় করে সাজানো হচ্ছে ক্লাসরুম। আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদান নিশ্চিত করতে এতসব আয়োজন করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য নেয়া বিভিন্ন প্রকল্পে যারা দুর্নীতি করছেন তারা কেউ মাপ পাবেন না। তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে। মনে রাখবেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দুর্নীতির ব্যাপারে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করেছেন।