আবারও ট্রেন দুর্ঘটনা আগুনে পুড়ল রংপুর এক্সপ্রেসের ৫ বগি, আহত ২৫ !

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ‘রংপুর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনসহ লাইনচ্যুত ৮টি বগির মধ্যে পাঁচটি আগুনে পুড়ে গেছে। আতঙ্কিত ট্রেনের যাত্রীরা দ্রুত জানালার কাচ ভেঙে এবং দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন। আহতদের মধ্যে কয়েকজন রেলকর্মীও রয়েছেন।
আহতদেরকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ ও উল্লাপাড়ার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪ টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো যাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

সিরাজগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের উপ-পরিচালক মঞ্জিল হক জানান, দুর্ঘটনার পর ৩০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিছু যাত্রী আহত হয়েছেন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আগুনে নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে কাজ করেন স্থানীয়রা-সমকাল
উল্লাপাড়া ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার নাদির হোসেন বলেন, দুর্ঘটনার পরে প্রথমে রংপুর এক্সপ্রেসের উল্টে যাওয়া ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। আগুন দ্রুত পাশের বগিগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ৩টি বগির ৬০ ভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাকি ২টি বগি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, রেলপথের ত্রুটির কারণে এবং সিগন্যাল ভুলের কারণে ট্রেনটি দুর্ঘটনায় পড়ে। তবে উল্লাপাড়া স্টেশনে দায়িত্বরত সহকারী স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলাম সিগন্যাল ভুলের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি জানান, রেলপথের ত্রুটির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

পশ্চিম রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মো. মিজানুর রহমান বলেন, ট্রেন দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এই মুহূর্তে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে প্রাথমিকভাবে বিভাগীয় ট্রাফিক কর্মকর্তা (ডিটিও) আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর প্রায় ৩০ মিনিট পর বগির আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে-সমকাল
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে উল্লাপাড়া লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনের কয়েকটি বগি দাঁড়িয়ে থাকায় প্রায় ২ ঘণ্টা পাবনা-বগুড়া ও পাবনা-ঢাকা মহাসড়কে সব প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। উল্লেখ্য, রংপুর মিটার গেজের ‘রংপুর এক্সপ্রেস’ ট্রেন বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে লালমনিরহাট যাচ্ছিল। উল্লাপাড়া লেভেল ক্রসিংয়ের ৫০ মিটার দূরে রেলপথ পরিবর্তনের স্থানে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। এতে লাইনচ্যুত ৭টি বগির মধ্যে দুটি বগি মূল রেলপথ থেকে অন্তত ১৫ মিটার দক্ষিণ দিকে চলে যায়। ট্রেনে মোট ১৪টি বগি ছিল।

ঘটনার পরপরই উল্লাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দুর্ঘটনা স্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে সিরাজগঞ্জ ও কামারখন্দ ফায়ার স্টেশনের কর্মীরা আগুন নেভানো এবং উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। উল্লাপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যাত্রীদের মালামাল সংরক্ষণের জন্য ট্রেনটি ঘিরে ফেলে।

পো,স্টমর্টেম ছাড়া ছোট্ট ছোয়া মনিকে দাফনের আবেদন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দু,র্ঘ,টনায় নি,হত তিন বছরের ছোট্ট ছোয়া মনির লাশের ময়নাতদন্ত চান না তার স্বজনরা। কঁচি শরীরে কোনোরকম ছুরি-কাচি চালাতে দিতে নারাজ তারা।এজন্য ময়নাতদন্ত ছাড়াই লা,শ দা,ফনের অনুমতি চেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছেন শিশুটির মামা মো.
জামাল মিয়া।বর্তমানে শিশুটির লা,শ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। শিশুটির বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলায়।শিশুটির মা-বাবাকে

গু,রুতর আ,হত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগে দুইটি ট্রেনের সং,,ঘর্ষে কমপক্ষে ১৬ জনের মৃ,,ত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হন শতাধিক যাত্রী। তাদের মধ্যে ২৬ জনের অবস্থা গুরুতর।হতাহতের
সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা অভিমুখী তূর্ণা-নিশীথা এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাত্রা করা উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখি সং,,ঘর্ষ হয়। এতে ট্রেন দুুুটির কয়েকটি বগি দুমড়ে মুচড়ে

যায়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ট্রেন দুর্ঘটনাকসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলম জানান: ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার কাজ চালছে।এই দু,র্ঘ,টনার পর চট্টগ্রামের সঙ্গে ঢাকা ও সিলেটের রেলযোগাযোগ ৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সকাল সাড়ে ১০টার পর আবার স্বাভাবিক হয়।

শরীয়তপুরে বাস খাদে পড়ে দুজন নি’ হত, উদ্ধারে গিয়ে আরো একজনের মৃ’ ত্যু

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার খেজুরতলা এলাকার শরীয়তপুর-ডামুড্যা সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ডামুড্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে পাঠিয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) মো. মোহাইমিনুল ইসলাম এ খবর নিশ্চিত করেছেন।

নি’ হত ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার সিড্যা ইউনিয়নের বাসিন্দা ও জীবন বীমা করপোরেশনের শরীয়তপুরের ইনচার্জ কামরুজ্জামান মাহমুদ মুন্সী (৪৫), দক্ষিণ ডামুড্যা গ্রামের বাসিন্দা যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ইয়াকুব পাইক (৮০) ও ডামুড্যা পৌরসভার কুলকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা জুলহাস মোল্যা (২৮)।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন খোকন হাওলাদার (৫০), নুরুল ইসলাম (৫০), নিপা কর্মকার (২৮), মমতা বেগম (৩৮), গোবিন্দ (৪৫), মনির হোসেন (২৬), রোকেয়া (২৮), আয়েশা বেগম (২৫), আবদুল হালিম (৫২), শফিকুল ইসলাম (৬২), খোরশেদ খান (৩৫),

ফজলুল করীম শেখ (৪৭), আবদুর রশিদ মাদবর (৬০), মাইনুদ্দিন মাদবর (৬০), নিপা (১৮) ও রফিক সরদার (৫৫)। আহত অন্যদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ডামুড্যা থানা পুলিশ জানিয়েছে, আজ সকাল সোয়া ৯টার দিকে ডামুড্যা থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস শরীয়তপুর সদরের উদ্দেশে রওনা দেয়। এ সময় খেজুরতলা এলাকার শরীয়তপুর-ডামুড্যা সড়কে পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই নি’ হত হন বাসের যাত্রী কামরুজ্জামান।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান ইয়াকুব পাইক। এর মধ্যে দুর্ঘটনায় নি’ হত ও আহতদের উদ্ধার করতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃ’ ত্যু হয় স্থানীয় জুলহাস মোল্যার।

ট্রেন দু*র্ঘটনায় নিহতের মধ্যে ৬জনই হবিগঞ্জের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় যাত্রীবাহী দুই ট্রেনের মধ্যে মুখোমুখি সং**ঘর্ষে নি**হত ১৬ জনের মধ্যে হবিগঞ্জের নি*হত ৬ জন যাত্রীর পরিচয় পাওয়া গেছে।মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সকালে নিহতের পরিবারের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়। এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে
ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথা ট্রেনের মধ্যে ওই সং**ঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নি**হ*তরা হলেন- হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি আলী মোঃ ইউসুফ (৩৫), নবীগঞ্জ উপজেলার বনগাঁও গ্রামের হারুন মিয়ার পুত্র নজরুল ইসলাম(২৬) বানিয়াচং উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের আইয়ূব হোসেনের ছেলে আল-আমিন (৩৫), চুনারুঘাট উপজেলারউলুকান্দি গ্রামের ফটিক মিয়া তালুকদারের ছেলে রুবেল মিয়া তালুকদার (২২), পীরেরগাঁও গ্রামের সুজন মিয়া (২৪) ও তার সম্পর্কে খালা কুলসুমা বেগম (৪৫)।তবে নি**হত কুলসুমার

বাড়ি চাদপুর জেলায় বলে অপর একটি জানিয়েছে। তারা সবাই উদয়ন ট্রেনের যাত্রী ছিলেন।এদিকে সকালে নিহতের বাড়িতে খোজ নিয়ে জানা যায়, আত্বীস্বজনদের কান্নায় এলাকার বাতাস ভারি হয়ে ওঠছে।নি*হ*ত রুবেল একটি কোম্পানীতে চাকুরি করতো। পারিবারিক কাজে উদয়ন ট্রেনে করে চট্রগ্রাম যাচ্ছিল। নি**হত সুজন লেখাপড়া করতো। তার খালার সাথে বেড়ানোর জন্য চট্রগ্রাম যাচ্ছিল।মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার জাকির হোসেন

চৌধুরী বলেন, সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি এক নম্বর লাইনে ঢুকছিল। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তুর্ণা নিশীথাকে আউটারে থাকার সিগনাল দেয়া হয়েছিল।কিন্তু সেই সিগনাল অমান্য করে মূল লাইনে ঢুকে পড়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নারায়ণগঞ্জে ভবন ধসে নিখোঁজ স্কুলছাত্র এখনো উদ্ধার হয়নি !

নারায়ণগঞ্জ শহরের ১ নম্বর বাবুরাইল এলাকায় চারতলা ভবন ধসে খালে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এক স্কুলছাত্র নিখোঁজ রয়েছে।জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসককে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল সার্ভিসের কর্মীরা গতকাল রোববার বিকেল থেকে বিরামহীন উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন।১৮ ঘণ্টা পার হয়ে গেলেও এখনো নিখোঁজ ওয়াজেদকে উদ্ধার না করতে পারায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানায়, ভবনটির একটি অংশ খালের ওপর ছিল, আশপাশের আরো ভবন ঝুঁকিপূর্ণ। এসব ভবন থেকে লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।উদ্ধারকাজে কোনো ত্রুটি নেই বলে দাবি করেন তদন্ত কমিটির সদস্য সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার সাঈদুজ্জামান হিমু জানান, ভবনটির একটি অংশ খালের ওপর ছিল। একটি অংশ পানি এবং ময়লার ভেতর দেবে গেছে। এ কারণে উদ্ধারকাজে বিলম্ব হচ্ছে।সাত সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ৬ নভেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেবে বলে জানা গেছে।

প্রবাসী বাবু মিয়ার এই ভবনটি কয়েক বছর আগে তিনতলা পর্যন্ত নির্মাণ সম্পন্ন করে বসবাস শুরু করা হয়। সম্প্রতি চারতলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়। গতকাল রোববার বিকেলে হঠাৎ বিকট শব্দ করে ভবনটির ভিত ধসে পাশের হাজামজা খালে পড়ে যায়।

ট্রেনে সিলিন্ডার বি স্ফোরণে ৪৬ যাত্রী নি হত

ট্রেনে একটি গ্যাস সিলি ন্ডার বিস্ফো রণের পর অগ্নি কাণ্ডে ৪৬ যাত্রী নি হত হয়েছে। পাকিস্তানের লিয়াকতপুর শহরের কাছে তেজগাম নামের ট্রে নে বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) জেলা কমিশনার রাহিম ইয়ার খান এমন তথ্য দিয়েছেন।খবরে বলা হয়েছে, নিহ তদের মধ্যে নারী ও শিশু রাও রয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে শ নাক্ত করা সম্ভব হয়নি। হতা হতদের লিয়াকতপুরের ডিএইচকিউ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আন্তর্জাতিক একটি পত্রিকা জানায়, ট্রেনটি

তেজগাম থেকে রাওয়ালপিন্ডিতে যাচ্ছিল। তখন এক যাত্রীর গ্যাস সিলি ন্ডারের বিস্ফো রণে এই দুর্ঘ টনা ঘটেছে।জেলা পুলিশ কর্মকর্তা সর্দার মুহাম্মদ আমির তৈমুর খান প্রথমে নিহ তের সংখ্যা ২৫ উল্লেখ করলে, পরে ৪৬ জনে গিয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানান।পাকিস্তান রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলেন, একটি গ্যাস সিলি ন্ডার বিস্ফো রণে এই হতা হতের ঘটনা ঘটেছে। যে কোচে বিস্ফো রণটি ঘটেছে, সেটি তাবলীগ জামাতের এক লোক বুকিং নিয়েছিলেন।
সকালের নাস্তা তৈরিতে তিনি গ্যা স স্টোভে ডিম সিদ্ধ করছিলেন, তখনই বিকট বিস্ফো রণে চারপাশে আ গুন ছড়িয়ে পড়ে। পাকিস্তানের রেলওয়েমন্ত্রী শেখ

রশিদও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।এতে ট্রেনে আরও দুটি কোচ গ্রাস করে নেয় আগুন। ইমার্জেন্সি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধা র কাজ চালাচ্ছে বলে খবরে বলা হয়েছে। পাকিস্তানের আইএসপিআরের এক বিবৃতিতে জানা গেছে,আহ তদের উ দ্ধার করতে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারও মুলতান থেকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।জেলা রেসকিউ সার্ভিসের প্রধান বাকির হুসেইন বলেন, এছাড়াও ১৫ ব্যক্তি আ হত হয়েছেন। আ গুনেথেকে বাঁচতে ট্রেন থেকে ঝাঁ প দিয়েও অনেকে মা রা গেছেন। নি হতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও তিনি জানান।

সিলিন্ডার বিস্ফোরণ:কারও হাত-পা নেই, কারও পেটের নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে গেছে

রাজধানীর রূপনগর আবাসিক এলাকায় বেলুন ফোলানোর সি*লিন্ডার বি*স্ফো*রণে পাঁচ শি’শুর মৃ’ত্যু হয়েছে। এই দু*র্ঘ’টনায় আরও চারজন গু*রুতর আ’হত হয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে এই দু*র্ঘ’টনা ঘটে। রূ*প*নগর থানার ভা*রপ্রা*প্ত ক*র্মক’র্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ *গ*ণমা*ধ্যম*কে এ খব*র নি*শ্চি*ত ক*রে*ছেন।

নি’*হতরা হ*লেন- নূপুর, জান্নাত, শাহীন, রমজান ও ফারজানা। নি’*হত দুই জনের লা*’শ সোহরাওয়ার্দী হা*স*পাতালে রাখা হয়েছে।
জ*রুরি সে*বা ৯৯৯ ও পু’লিশ কর্মক’র্তাদের কা*ছ থেকে ফোন পেয়েই ঢাকা মহানগর অ্যা*মুলে*ন্স অ্যা*সো*সিয়ে*শনের এ*ক কর্মক’র্তা ঘ*টনাস্থ*লের ব*র্ণনায় বলেন, ‘কা*রও হা*ত নেই, কারও পা নে*ই, কারও না*ড়িভুঁ*ড়ি বে*রিয়ে গেছে। কারও চেহা*রা ঝ*লছে গেছে। ছো*প *ছো*প কা*লচে তা’জা র’*ক্ত রা*স্তায় গ*ড়া*চ্ছে। আ*নুমা*নিক ৬-১৪ বছর বয়সী ১০-১২ জন ক্ষু*দে শি’শু মা*টিতে লু*টিয়ে প*ড়ে*ছিল। উ*ফ! বী*ভৎস ও ম’র্মা’ন্তিক সেই দৃ*শ্য দে*খে বু*ক আঁ*তকে ও*ঠে।’

ফা*য়ারসা*র্ভিস সা*র্ভিসের ক*ন্ট্রো*ল রু*মের ডি*উটি অ*ফিসার মো*হাম্ম’দ রাসেল বলেন, গ্যা*স সি*লি*ন্ডার বি*স্ফো*রণে পাঁ*চ শি’শুর মৃ’ত্যুর খ*বর পাওয়া গেছে। আ’*হত আ*ছেন বে*শ ক*য়েকজন। ফা*য়ার সা*র্ভিসের তিনটি ইউনিট সেখানে আছে।

বেলুনের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৪ শিশুসহ নি’ হত ৫ জন , বেশিরভাগ শিশুই আহত !

রাজধানীর মিরপুরে রূপনগর আবাসিক এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পাঁচজন নি’ হত হয়েছে। নিহ’ তদের মধ্যে চারজনই শিশু। ওই ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন।আজ বুধবার বিকেল ৪টার দিকে রূপনগর আবাসিক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি এনটিভি অনলাইনকে জানিয়েছেন। গ্যাস বেলুনের সিলিন্ডার বি’ স্ফোরণ হয়ে ওই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

নি’ হতদের মধ্যে চার শিশুর নাম পাওয়া গেছে। শিশুরা হলো, রমজান (৮), নূপুর (৭), শাহীন (৯) ও ফারজানা (৬)।
ওসি আবুল কামাল আজাদ বলেন, ‘বিকেল ৪টার দিকে রূপনগর আবাসিক এলাকার ১১ নম্বর রোডের পূর্ব মাথায় মনিপুর স্কুলের পাশে ঘটনাটি ঘটে। এতে পাঁচজনের মৃ’ ত্যু হয়েছে। ঘটনাস্থলেই চারজন মা’ রা যান। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে আরো একজন মৃ’ ত্যৃ বরণ করেন।’
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার মো. রাসেল এনটিভি অনলাইনকে বলেন, নি’ হতদের মধ্যে চারজন শিশু আছে।

১০ জন আহত হওয়ার খবর আমরা পেয়েছি। এদের ভেতরে মিরাজ আর ফারুক নামের দুজনের নাম পেয়েছি আমরা। বেলুন ফোলানোর জন্য যে গ্যাস ব্যবহার করা হয়, সেই গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়েছে।’ওবায়দুর রহমান নামে রূপনগরের এক বাসিন্দার দাবি ওই ঘটনায় ২৭ জন আহত হয়েছে। সবাইকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আমাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের প্রতিনিধি জানিয়েছেন বিকেল সোয়া ৫টার মধ্যে আহত ১১ জনকে ওই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে সাতজনই শিশু।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল খান জানান, আহত ১১ জনের মধ্যে চার-পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর। এরমধ্যে পাঁচ বছর বয়সী একটি শিশুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন লেগেছে

রাজধানীর ধানমন্ডি-৬ এর ১২তলা একটি আবাসিক ভবনের তৃতীয় তলায় আগুন লেগেছে। নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোলরুম থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, ‘আমরা আগুন লাগার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ৩টি ইউনিট পাঠিয়েছি। তবে এখনও আগুন লাগার কারণ বা হতাহতের কোন খবর আসেনি।’

বিকট শব্দে টেলিভিশন বিস্ফোরণ হয়ে পুড়ে ছাই হলো বাড়ি !

বগুড়ার ধুনট পৌর এলাকার পশ্চিম ভরনশাহী গ্রামে টেলিভিশন বিস্ফোরণে একটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।ইউএনবি এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মৃ’ ত ফজলুল হক টুনুর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানায়, ফজলুল হক টুনুর স্ত্রী রহিমা বেগম ও তাঁর ছোট ছেলের পরিবার টিভি চালু রেখেই ঘুমিয়ে পড়েন। রাত দেড়টার দিকে টেলিভিশন বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়।

বিস্ফোরণের শব্দে তাঁদের ঘুম ভেঙে যায়। এসময় তাঁরা আগুনের ফুলকি গ্যাসের সিলিন্ডারের পাইপ লাইনের ওপর দেখতে পেয়ে দ্রুত ঘর থেকে বেরিয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয় দমকল বাহিনী আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।

প্রায় দেড় ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানান ধুনট ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ শামীম রেজা।রহিমা বেগম বলেন, অগ্নিকাণ্ডে ঘরে থাকা নগদ অর্থ, পাঁচটি ছাগল, ধান ও সংসারের প্রয়োজনীয় সকল জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।