১০৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি ! সবাই পাস করেছে ২ হাজার ৫৮৩টি প্রতিষ্ঠানে।

২০১৯ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন শিক্ষার্থী। এবারের এসএসসি ও সমমাসের পরীক্ষায় এবার ১০৭ প্রতিষ্ঠানের সবাই ফেল করেছে। তবে শতভাগ পাস করেছে ২ হাজার ৫৮৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

সোমবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করেন।সকাল সাড়ে ১০টায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এ ফলাফলের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।

এর আগে বোর্ড চেয়ারম্যানরা শিক্ষামন্ত্রীর কাছে ফলের সার-সংক্ষেপ তুলে দেন। এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপস্থিত ছিলেন।প্রথা অনুযায়ী, ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে সাধারণত শিক্ষামন্ত্রী বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ তুলে দেন। এরপর শিক্ষামন্ত্রী সচিবালয়ে ফিরে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করতেন। কিন্তু এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন সফরে থাকায় সেই রেওয়াজের ব্যত্যয় হলো।ফল প্রকাশ উপলক্ষে লন্ডন থেকে পাঠানো প্রধানমন্ত্রীর বাণী পড়ে শোনান শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবার এসএসসি ও সমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৭ লাখ ৪৯ হাজার ১৬৫ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ৮ লাখ ৬৬ হাজার ৯৪১ জন ছাত্র ও ৮ লাখ ৮২ হাজার ২২৪ জন ছাত্রী।
তিনি বলেন, ‘আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ, মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৩ ও কারিগরি বোর্ডে ৭২ দশমিক ২৪ শতাংশ।’

গত কয়েক বছরের মতো এবারও এসএসসিতে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে রাজশাহী বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক ৬৪ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে বরাবরের মতো শীর্ষে রয়েছে ঢাকা বোর্ড। এ বোর্ডে ২৯ হাজার ৬৮৭ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে, তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যাও কমেছে। এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দশ বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ। গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এবার পাসের হার বেড়েছে ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।

মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল এক লাখ ১০ হাজার ৬২৯ জন। এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৫ হাজার ৩৫ জন।গত বছর আট বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭৯ দশমিক ৪০ শতাংশ। পাসের হার মাদরাসা বোর্ডে ৭০ দশমিক ৮৯ ও কারিগরি বোর্ডে ৭১ দশমিক ৯৬ শতাংশ ছিল। বিদেশ কেন্দ্রে পাসের হার ৯১ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

এবার এসএসসিতে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ২৬ ফেব্রুয়ারি। ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়, শেষ ৫ মার্চ।মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ২ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি শেষ হয় এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ৬ মার্চ।

বিশ্বকাঁপানো সেই বিজ্ঞানীও চবির শিক্ষক হওয়ার অযোগ্য!

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্র ড. সাজিদ আলী হাওলাদারের কথা মনে আছে নিশ্চই। ছাত্র অবস্থাতেই তিনি ফেজারভারিয়া আসমতি নামের সম্পূর্ণ নতুন প্রজাতির একটি ব্যাঙ আবিস্কার করেন হৈ-চৈ ফেলে দেন।

বিশ্বের সরীসৃপ প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষেত্রে তিনি বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসেন। একারণে তাকে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ বিজ্ঞানীর খেতাব দেয়া হয়। আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্ট্রির কিউরেটর ড. ড্যারেল ফ্রস্ট বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ বিজ্ঞানী হিসেবে তাকে স্বীকৃতি দেন।
ইতালির বিখ্যাত আন্তর্জাতিক জার্নাল জুট্যাক্সার ২৭৬১ নম্বর ভলিউমে তার প্রথম স্বীকৃতির খবর ছাপা হয়।

সাজিদের ওই কৃতিত্বে আকৃষ্ট হয়ে বেলজিয়ামের ফ্রি ইউনিভার্সিটি অব ব্রাসেলসের জীববিজ্ঞানের প্রবীণ প্রফেসর ফ্রাঙ্কি বসুইট তার অধীনে মাস্টার্স করার আমন্ত্রণ জানান। তবে সেখানে তার যাওয়া হয়নি। তবে ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতনামা প্রফেসর ইয়োহা মারিলা ব্যক্তিগত উদ্যোগে সাজিদকে মাস্টার্স বাদ দিয়ে বিশেষ বিবেচনায় সরাসরি পিএইচডি প্রোগ্রামে নিয়ে নেন। ফলে বয়স ৩০ পেরোনোর আগেই সাজিদ পিএইচডি সম্পন্ন করেন। ড. সাজিদের অধীনে এখন অনেক নামকরা ছাত্র মাস্টার্স করছেন।

এতো কিছুর পরেও বিশ্বকাঁপানো সেই ড. সাজিদকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার সুযোগই দেয়া হয়নি। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে আবেদন করলেও তাকে ভাইভায় ডাকা হয়নি। তিনি মাস্টার্স করেননি এমন অযুহাত দেখানো হয়েছে!

যার অধীনে বিদেশে সেরা সেরা শিক্ষার্থীরা মাস্টার্স করছেন তাকে নাকি মাস্টার্স ডিগ্রি নিয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে হবে। এমন আজব নিয়মের বেড়াজালে ড. সাজিদ আলীর বাংলাদেশে শিক্ষকতার স্বপ্ন ভেঙে গেছে। অথচ ছোটবেলা থেকেই ড. সাজিদ আলীর স্বপ্ন ছিল তিনি শিক্ষক ও গবেষক হবেন। গবেষকের স্বপ্ন পূরণ হলেও তিনি বাংলাদেশে শিক্ষকতার সুযোগ পাচ্ছেন না।

জানা গেছে, ড. সাজিদ আলী চবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগে এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদে আবেদন করেন। তবে মাস্টার্স না থাকায় ভাইভায় তাকে ডাকা হয়নি। বর্তমানে ফিনল্যান্ডের জিভাসকিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজিক্যাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল বিভাগের অধীনে বিবর্তনবাদ শাখায় গবেষক পদে নিযুক্ত আছেন তিনি। সেখানে তার অধীনে অনেক মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রয়েছে। অথচ বাংলাদেশে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে হলে তাকে মাস্টার্স করতে হবে।

বিষয়টি নিয়ে অবাক হয়েছেন ড. সাজিদ আলী। ড. সাজিদ জানান, বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য গোটা ইউরোপের চেয়ে অনেক বেশি। তাই এখানে গবেষণার অনেক সুযোগ রয়েছে। তিনি বাংলাদেশে একটি প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর বানাতে চান। যেখানে প্রাণিবৈচিত্র্যের নমুনা সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গণসচেতনতা সৃষ্টি, নতুন প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদের সন্ধানে মৌলিক গবেষণা হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন জাদুঘর রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাবস্থায় ড. সাজিদকে রাশিয়া একাডেমি অব সায়েন্স এবং চায়না একাডেমি অব সায়েন্স এমন একটি জাদুঘর বানানোর জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি না মেলায় সেটি সম্ভব হয়নি। পরে ব্যাঙ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য ২০০৯ সালে ব্যাঙমেলার আয়োজন করেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আখ্যা দিয়ে এই মেলা বন্ধ করে দেয়। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পাখির অভয়ারণ্য তৈরির চেষ্টা করেছিলেন। সেক্ষেত্রেও তিনি পর্যাপ্ত সহায়তা পাননি।

জানা যায়, বর্তমানে সাজিদের আবিস্কৃত ব্যাঙের সংখ্যা চারটি। এমনকি তিনি জাকেরানা নামে প্রাণীর নতুন একটি গণেরও নামকরণ করেন। এর মধ্যে ‘জাকেরানা ঢাকা’ আবিস্কারের স্বীকৃতি দিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্র্ড। এ ব্যাপারে নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বইয়ের দ্বাদশ পৃষ্ঠায় এর উল্লেখ রয়েছে। এ ছাড়া গবেষণার জন্য ২০১৩ সালে ফিনল্যান্ডের ‘হেলসিঙ্কি কালচারাল ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড-২০১৩’ লাভ করেন তিনি।

একই সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ৭ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডির আমন্ত্রণ পেয়েছেন বাংলাদেশি এই তরুণ!

একটা কিংবা দুইটা নয়, যুক্তরাষ্ট্রের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আমন্ত্রণ পেয়েছেন সাবেক বাংলাদেশি সাংবাদিক খায়রুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হচ্ছে, ওয়াশিংটন ডিসির হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটি, পুরডু ইউনিভার্সিটি ইন্ডিয়াপোলিস, জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, উয়েনে স্টেট ইউনিভার্সিটি ইন মিশিগান, সাউদার্ন ইলিনইস ইউনিভার্সিটি ইন কারবনডেলে, বোউলিং গ্রিন স্টেট ইউনিভার্সিটি ইন ওহাইয়ো এবং ইউনিভার্সিটি অব মেমপহিস ইন টেনিসি।

খায়রুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। গবেষণার জন্য তার পছন্দ পাবলিক হেলথ, হেলথ কমিউনিকেশনের মতো বিষয়।
এ ব্যাপারে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে খায়রুল ইসলাম বলেন, ‘একটা সময় যখন আমি স্কুলের গণ্ডি পেরোতে পারবো কিনা তা নিয়ে সন্দেহ ছিল, এখন সেই ছেলে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম সাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তির আমন্ত্রণ পেয়েছি। এটি সত্যিই একটি দারুণ অনুভূতি!’

খায়রুল বলেন, পিএইচডিতে আমি জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ও ভোক্তাদের মধ্যে যে শূন্যতা বিদ্যমান তা পরীক্ষা করবো। তিনি উল্লেখ করেন, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও ভোক্তারা নিজেদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মত শক্তি অর্জন করছে।
তিনি জানান, সহজেই বিশাল তথ্য ভাণ্ডারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ইন্টারনেট স্বাস্থ্যগত তথ্যের এক শক্তিশালী ও প্রকৃত এক উৎসরূপে আর্বিভূত হয়েছে। এসব তথ্য একইসঙ্গে এক ধরনের উদ্বেগেরও সৃষ্টি করছে। যেখানে বিজ্ঞানীরা কোনো স্বাস্থ্যগত উদ্ভাবনের বিষয়ে দালিলিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করেন সেখানে ভোক্তারা ভালো-মন্দ বিচার করতে তাদের কাছে থাকা নিজস্ব তথ্যকে গুরুত্ব দেন।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র গমনের আগে খাইরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি ও স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে পাঁচ বছর ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসে কাজ করেছেন। তিনি ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাস স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে গণযোগাযোগ বিষয়ে মাস্টার অব সাইন্স (এমএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৮ সালে অ্যাডজানক্ট ইনস্ট্রাকটর হিসেবে যোগদান করেন।

জুলাই থেকে স্কুলের রান্না করা খাবার পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা !

দেশের ১৬ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের আগামী জুলাই থেকে দুপুরে রান্না করা খাবার দেয়া হবে। শিশুদের আকৃষ্ট করা, ঝরেপড়া হ্রাস এবং পুষ্টি ও খাদ্য চাহিদা পূরণে প্রাথমিকভাবে এ কর্মসূচি নেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় চালু করা হবে।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯’ শীর্ষক চূড়ান্ত খসড়া নীতিমালা উপস্থাপন করা হয়।প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। সঞ্চালনা করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী।আলোচনায় অংশ নেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন, স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম প্রকল্পের পরিচালক রুহুল আমিন খান এবং বিশ্ব খাদ্য

কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচার্ড র‌্যাগান। মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ।পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্পের জন্য ৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে বলে ধারণাপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। টাকা-পয়সার সমস্যা নয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় সবাই এটাকে সমর্থন করি। কারণ আমাদের যিনি প্রধান, তিনি চান এটা হোক। আমি প্রধানমন্ত্রীর মন বুঝেই এ কথা বলছি।

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয়। তবে স্কুল মিলকে পুষ্টিমানের বিবেচনায় বিচার করতে হবে। খাবার শিশুকে শিক্ষায় মনযোগী করতে সাহায্য করবে। আমি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা দু’জনই পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও বসতে রাজি।পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক বিনিয়োগে লাভ-ক্ষতি থাকে। এ বিনিয়োগে লস নেই। এ বিনিয়োগ সমাজ, পরিবার, ধর্ম, রাষ্ট্র, বিশ্বের জন্য কল্যাণকর। এই শিশুরাই শিক্ষা-দীক্ষায় পরিপূর্ণ হয়ে বেরিয়ে আসবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পটি পর্যায়ক্রমে প্রতিটি স্কুলে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি করা হলে স্কুলে শিক্ষার্থী ঝরেপড়া বন্ধ হবে ও স্কুলে আসার প্রবণতা বাড়বে। তিনি বলেন, আমরা যত বড় বাংলাদেশ বানাই, যত সুন্দর বাংলাদেশ বানাই, ভিত্তি দুর্বল করে ফেললে টিকবে না। শিশুদের পুষ্টিকর খাবার দিয়ে শারীরিকভাবে সুস্থ ও শিক্ষিত করতে এ খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম।সংশ্লিষ্টরা জানান, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মানচিত্র অনুযায়ী ১৬ জেলা চিহ্নিত করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেয়া আছে।

এখন ৩টি উপজেলায় পরীক্ষামূলক চালু আছে। এগুলো হচ্ছে- জামালপুরের ইসলামপুর, বরগুনার বামনা ও বান্দরবানের লামা উপজেলা। জাতীয় স্কুল মিল নীতি প্রণয়ন করতে এর আগে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রথমে আংশিক পরে দেশের সব শিশুর হাতেই বিনামূল্যে বই তুলে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। একইভাবে শিশুদের মধ্যে খাবারও তুলে দেয়া সম্ভব।

খাবারের তালিকা চিহ্নিত করা হয়েছে। ৬ দিনের মধ্যে ৩ দিন রান্না করা খাবার ও ৩ দিন বিস্কুট দেয়া হবে- একদিন পরপর। রান্নার কাজ করা হবে স্থানীয়দের সহায়তায়। প্রতি স্কুলে একজন বাবুর্চি নিয়োগ দেয়া হবে।

শিক্ষার্থী বেশি হলে বাবুর্চির একজন সহকারী নিয়োগ করা হবে। বর্তমানে চলমান বিস্কুট কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীপ্রতি ৮ টাকা করে খরচ হয়। রান্না করা খাবার দেয়া হলে বাজেট ১৮ টাকা হবে। প্রতি খাবারে একজন শিশুর দৈনিকশক্তি চাহিদার ৩০ শতাংশ এবং পুষ্টি চাহিদার ৫০ শতাংশ স্কুলের খাবারে নিশ্চিত করা হবে। এজন্য পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেয়া হবে।

প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা জুলাই থেকে স্কুলে স্কুলে রান্না করা খাবার পাবে

রান্না করা খাবার পাবে- দেশের ১৬ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের আগামী জুলাই থেকে দুপুরে রান্না করা খাবার দেয়া হবে। শিশুদের আকৃষ্ট করা, ঝরেপড়া হ্রাস এবং পুষ্টি ও খাদ্য চাহিদা পূরণে প্রাথমিকভাবে এ কর্মসূচি নেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সব উপজেলায় চালু করা হবে।বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে জাতীয় কর্মশালায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় স্কুল মিল নীতি-২০১৯’ শীর্ষক চূড়ান্ত খসড়া নীতিমালা উপস্থাপন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। বিশেষ অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। সঞ্চালনা করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী।
আলোচনায় অংশ নেন- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন, স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম প্রকল্পের পরিচালক রুহুল আমিন খান এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর রিচার্ড র‌্যাগান। মূল আলোচনা উপস্থাপন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) গিয়াসউদ্দিন আহমেদ।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্পের জন্য ৮ হাজার কোটি টাকা লাগবে বলে ধারণাপত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। টাকা-পয়সার সমস্যা নয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় সবাই এটাকে সমর্থন করি। কারণ আমাদের যিনি প্রধান, তিনি চান এটা হোক। আমি প্রধানমন্ত্রীর মন বুঝেই এ কথা বলছি।
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয়। তবে স্কুল মিলকে পুষ্টিমানের বিবেচনায় বিচার করতে হবে। খাবার শিশুকে শিক্ষায় মনযোগী করতে সাহায্য করবে। আমি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছি।

আমরা দু’জনই পরিকল্পনামন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও বসতে রাজি। পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক বিনিয়োগে লাভ-ক্ষতি থাকে। এ বিনিয়োগে লস নেই। এ বিনিয়োগ সমাজ, পরিবার, ধর্ম, রাষ্ট্র, বিশ্বের জন্য কল্যাণকর। এই শিশুরাই শিক্ষা-দীক্ষায় পরিপূর্ণ হয়ে বেরিয়ে আসবে।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পটি পর্যায়ক্রমে প্রতিটি স্কুলে বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি করা হলে স্কুলে শিক্ষার্থী ঝরেপড়া বন্ধ হবে ও স্কুলে আসার প্রবণতা বাড়বে। তিনি বলেন, আমরা যত বড় বাংলাদেশ বানাই, যত সুন্দর বাংলাদেশ বানাই, ভিত্তি দুর্বল করে ফেললে টিকবে না। শিশুদের পুষ্টিকর খাবার দিয়ে শারীরিকভাবে সুস্থ ও শিক্ষিত করতে এ খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মানচিত্র অনুযায়ী ১৬ জেলা চিহ্নিত করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের প্রস্তাব দেয়া আছে।
এখন ৩টি উপজেলায় পরীক্ষামূলক চালু আছে। এগুলো হচ্ছে- জামালপুরের ইসলামপুর, বরগুনার বামনা ও বান্দরবানের লামা উপজেলা। জাতীয় স্কুল মিল নীতি প্রণয়ন করতে এর আগে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, প্রথমে আংশিক পরে দেশের সব শিশুর হাতেই বিনামূল্যে বই তুলে দেয়া সম্ভব হচ্ছে। একইভাবে শিশুদের মধ্যে খাবারও তুলে দেয়া সম্ভব।

খাবারের তালিকা চিহ্নিত করা হয়েছে। ৬ দিনের মধ্যে ৩ দিন রান্না করা খাবার ও ৩ দিন বিস্কুট দেয়া হবে- একদিন পরপর। রান্নার কাজ করা হবে স্থানীয়দের সহায়তায়। প্রতি স্কুলে একজন বাবুর্চি নিয়োগ দেয়া হবে। শিক্ষার্থী বেশি হলে বাবুর্চির একজন সহকারী নিয়োগ করা হবে।

বর্তমানে চলমান বিস্কুট কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীপ্রতি ৮ টাকা করে খরচ হয়। রান্না করা খাবার দেয়া হলে বাজেট ১৮ টাকা হবে। প্রতি খাবারে একজন শিশুর দৈনিক শক্তি চাহিদার ৩০ শতাংশ এবং পুষ্টি চাহিদার ৫০ শতাংশ স্কুলের খাবারে নিশ্চিত করা হবে। এজন্য পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেয়া হবে।\

-বাংলাদেশ টুডে

বিশাল সুখবর পাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা !

প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিশাল সুখবর নিয়ে আসছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণ বিনামূল্যে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মন্ত্রণালয়টি। এর মধ্যে রয়েছে- পাঠ্যবইয়ের সঙ্গে খাতা, কলম, জামা (স্কুল ড্রেস) ও জুতাসহ বেশ কিছু ‍উপকরণ।

মূলত শিশু শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ, শিক্ষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি, স্কুলের প্রতি মনোযোগী হওয়া এবং উপকরণের অভাবে যাতে কোনও শিক্ষার্থীর লেখাপড়া বন্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পরিকল্পনা হাতে নিয়ে সরকার।

মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা, কলম, জামা ও জুতাসহ প্রয়োজনীয় শিক্ষা ও আনুষঙ্গিক উপকরণ দিতে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা তৈরি করা হচ্ছে। বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার জন্য শিশুদের যা প্রয়োজন হবে, তার সবই দেওয়া হবে বছরের শুরুতে নির্দিষ্ট একটি সময়ে।সূত্র আরো বলছে, প্রাথমিক শিক্ষা সবার জন্য বাধ্যতামূলক। তাই দেশের একটি শিশুও যেন প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বাদ না পড়ে সেটিই হচ্ছে সরকারের লক্ষ্য। আর এটির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য সামনে রখে।

এ বছরই প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে ২০২০ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের এসব উপকরণ সরবরাহ করা হবে।
তবে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলছেন, এখন পর্যন্ত সবই পরিকল্পনার মধ্যেই রয়েছে, কোনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।
সূত্র: আমাদেরসময়.কম

প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাবেন যেভাবে

আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে প্রাথমিকের ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিইপি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এবার আবেদনকারী বেশি হওয়ায় তিন-চার ধাপে পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এবার নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে।

তাই নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষার আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। শুধু পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে।এবার সারাদেশে ১২ হাজার পদের বিপরীতে ২৪ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ফলে এবারই প্রথমবারের মতো লিখিত পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।

যে জেলার পরীক্ষা আগে শেষ হবে; সে জেলায় আগেই ফল প্রকাশ করে মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।এবারও প্রার্থীদের ৮০ নম্বরের লিখিত ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে। বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ২০টি করে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে।

লিখিত পরীক্ষার ১০ দিন আগে প্রার্থীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে তারিখ জানানো হবে। তাই এ মুহূর্তে প্রার্থীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রবেশপত্র সংগ্রহ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রার্থীরা dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।-জাগো নিউজ

কড়া নজরদারিতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষা

শিঘ্রহই শুরু হতে যাচ্ছে প্রাথমিকের ‘সহকারী শিক্ষক’ নিয়োগ পরীক্ষা। এবার এই পরীক্ষা নিয়ে নেয়া হয়ে বেশ কিছু নতুন পদ্ধতি। আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে প্রাথমিকের ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিইপি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এবার আবেদনকারী বেশি হওয়ায় তিন-চার ধাপে পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এবার নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে। তাই নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষার আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। শুধু পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে।

এবার সারাদেশে ১২ হাজার পদের বিপরীতে ২৪ লাখের বেশি আবেদন জমা পড়েছে। ফলে এবারই প্রথমবারের মতো লিখিত পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। যে জেলার পরীক্ষা আগে শেষ হবে; সে জেলায় আগেই ফল প্রকাশ করে মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।

এবারও প্রার্থীদের ৮০ নম্বরের লিখিত ও ২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। লিখিত পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে। বাংলা, গণিত, ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান থেকে ২০টি করে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন থাকবে।

লিখিত পরীক্ষার ১০ দিন আগে প্রার্থীর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে তারিখ জানানো হবে। তাই এ মুহূর্তে প্রার্থীদের প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রবেশপত্র সংগ্রহ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রার্থীরা dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

হাজী মুহসিন প্রতিষ্ঠিত বন্ধ হয়ে যাওয়া ২০০ বছরের পুরনো মাদরাসাটি আবারো চালু করছেন মমতা

হুগলিতে হাজী মুহসিনের প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাটি দীর্ঘদিন শিক্ষা দফতরের অধীনেই ছিল। ২০০৮ সালে সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১২ সালে এ মাদরাসাটি মাদরাসা শিক্ষা দফতরের অধীনে আনা হয়। এরপর সেখানে পড়ালেখার কার্যক্রম শুরু হলেও চলছিল খুড়িয়ে খুড়িয়ে। ২০০ বছরের পুরনো এই মাদরাসাটি নতুন করে শুরু করতে চাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এজন্য গত ২৫ জুলাই সংখ্যালঘু বিষয়ক দফতর ও মাদরাসা শিক্ষা দফতরের সচিব পিবি সেলিমকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পাঠান তিনি। কীভাবে এই পুরনো মাদরাসাকে স্বমহিমায় ফেরানো যায় সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে তাকে পাঠানো হয়। তিনি শিক্ষক-পড়ুয়াদের কথাও শোনেন। মুখ্যমন্ত্রী হুগলি মাদরাসা চালু করতে চাইছেন। সব কিছু ঘুরে দেখেছি। ২০০ বছরের পুরনো এই মাদরাসাকে চালু করার চেষ্টা হচ্ছে।

ভারতের হুগলিতে ১৮১৭ সালে মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন হাজী মুহাম্মদ মুহসিন। সেই মাদরাসায় পড়ালেখা করেছেন সৈয়দ আমির আলী, ফুরফুরার পীর আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ অনেক খ্যাতনামা ব্যক্তি। মাদরাসাটিতে পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো।

মাদরাসা শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, রাজ্যে ৪৪টি মাদ্রাসা আছে তাদের অধীনে। আর ৬১৪টি মাদরাসা রয়েছে মাদরাসা পর্ষদের আওতায়। হুগলি মাদরাসা দীর্ঘদিন শিক্ষা দফতরের অধীনেই ছিল। ২০০৮-এ সেটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১২ সালে তাকে মাদরাসা শিক্ষা দফতরের অধীনে আনা হয়। কী ভাবে এই পুরনো মাদরাসাকে স্বমহিমায় ফেরানো যায়, চেষ্টা চলছে।

মাদরাসা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন ফুরফুরা শরিফের সঙ্গেও যুক্ত। তিনি জানান, ১৮১৭ সালে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন হাজি মহম্মদ মহসীন। ক্রমশ পড়ুয়া কমতে থাকে। এখন প্রায় বন্ধ ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ৬১৪টি মাদরাসার উন্নয়ন করেছেন। এটার জন্য কিছু করবেন নিশ্চয়ই।

৪৫০ জন শিক্ষার্থীসহ বিক্রি হবে স্কুল! ফেসবুকে ভাইরাল বিজ্ঞাপন

আমাদের এই সমাজে প্রতিনিয়তই ঘটে চলেছে নানান ধরণের অনাকাংখিত ঘটনা। যার সকল ঘটনা আমাদের কাছে না আসলেও কিছু কিছু ঘটনা আমাদের কাছে চলে আসে মিডিয়ার কল্যাণে। ঠিক তেমনি একটি ঘটনা এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাম্প্রতি ভাইরাল হতে দেখা যায়।

আর তা হচ্ছে,প্লে থেকে দশম-চলমান। ৪৫০ জন ছাত্র-ছাত্রীসহ। বিক্রয় হইবে, হাই স্কুল। এমনই একটি বিজ্ঞাপন। ফেসবুকে এই ছবি শেয়ার করে অনেকে নানা মন্তব্য করছেন। তারা তুলে ধরছেন বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার হালহাকিকত।

সেখানে আরো বলা হয়েছে, প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৯১৬৮০২৭০০ এই নাম্বারে। বিজ্ঞাপনে প্রদর্শীত নাম্বারে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। অনলাইনে ‘ট্রু কলারে’র সাহায্যে নাম্বারটি সম্পর্কে জানার চেষ্টা করলে দেখা যায়, নাম্বারটি ‘ওয়াহিদ রামপুরা’ নামে সেইভ করা রয়েছে।