রিজিকের চাকা আপনারও ঘুরে যাবে এই সূরা পড়লে…

কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৪টি এবং এর রূকুর সংখ্যা ১টি। আল ইখলাস সূরাটি ম’ক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরাটিকে ইস’লামের শেষ পয়গম্বর মুহাম্ম’দ (সা:) বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন।তাৎপর্যের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এই আয়াতে আল্লাহ্‌র অস্তিত্ব ও সত্তার সবচেয়ে সুন্দর ব্যাখ্যা রয়েছে।

এটি কুরআনের অন্যতম ছোট একটি সূরা হিসেবেও বিবেচিত হয়ে থাকে। এই সূরাটি কোরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান।
আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সূরা) ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ স’ম্পর্কে বলেছেন, “সেই মহান সত্তার শপথ, যার হাতে আমা’র প্রাণ আছে, নিঃসন্দেহে এটি কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল।”

অ’পর এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীগণকে বললেন, ‘তোম’রা কি এক রাতে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে অ’পারগ?’প্রস্তাবটি তাঁদের পক্ষে ভারী মনে হল। তাই তাঁরা বলে উঠলেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! এ কাজ আমাদের মধ্যে কে করতে পারবে?’ (অর্থাৎ কেউ পারবে না।)তিনি বললেন, “ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ, আল্লাহুস স্বামাদ’ (সূরা ইখলাস) কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল।” (অর্থাৎ এই সূরা পড়লে এক তৃতীয়াংশ

কুরআন পড়ার সমান নেকী’ অর্জিত হয়) (বুখারী) [1] [1] সহীহুল বুখারী ৫০১৫, ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫, নাসায়ী ৯৯৫, আবূ দাউদ ১৪৬১, আহমাদ ১০৬৬৯, ১০৭৩১, ১০৭৯৭, ১০৯১৩, ১০৯৯৯, মুওয়াত্তা মালিক ৪৭৭, ৪৮৩ হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
উক্ত সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহু আরও বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি কোন লোককে সূরাটি বারবার পড়তে শুনল। অ’তঃপর সে সকালে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তা ব্যক্ত করল।
সে সূরাটিকে নগণ্য মনে করছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমা’র প্রাণ আছে, নিঃসন্দেহে এই সূরা (ইখলাস) কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।” (বুখারী) [1] [1]

সহীহুল বুখারী ৫০১৫, ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫, নাসায়ী ৯৯৫, আবূ দাউদ ১৪৬১, আহমাদ ১০৬৬৯, ১০৭৩১, ১০৭৯৭, ১০৯১৩, ১০৯৯৯, মুওয়াত্তা মালিক ৪৭৭, ৪৮৩ হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সূরা) ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ স’ম্পর্কে বলেছেন, “নিঃসন্দেহে এটি কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমতুল্য।”
(মু’সলিম) [1] [1] মু’সলিম ৮১২, তিরমিযী ২৮৯৯, ২৯০০, ইবনু মাজাহ ৩৭৮৭, আহমাদ ৯২৫১, দারেমী ৩৪৩২ হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নিবেদন করল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি এই (সূরা) ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ ভালবাসি।’ তিনি বললেন, “এর ভালবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে।”(তিরমিযী হাসান সূত্রে, বুখারী বিচ্ছিন্ন সনদে) [1] [1] সহীহুল বুখারী ৭৭৪ নং হাদীসের পরবর্তী বাব। তিরমিযী ২৯০১, আহমাদ ১২০২৪, ১২১০৩, দারেমী ৩৪৩৫ হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
প্রতিদিন অজুর সাথে ২০০ বার সুরা ইখলাস পাঠ করার দ্বারা ০৯ টি উপকার লাভ হবে।
(১) আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত অ’সুন্তুষ্টির ৩০০ টি দরজা বন্ধ করে দিবেন। যেমন: শত্রতা, দূর্ভিক্ষ, ফিতনা ইত্যাদি।

(২) রহমতের ৩০০ টি দরজা খুলে দিবেন।

(৩) রিজিকের ১০০০ টি দরজা খুলে দিবেন। আল্লাহ তায়ালা পরিশ্রম ছাড়া তাকে গায়েব থেকে রিজিক দিবেন।

(৪) আল্লাহ পাক নিজস্ব ইলম থেকে তাকে ইলম দিবেন, নিজের ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য এবং নিজের বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।

(৫) ৬৬ বার কুরআন শরীফ খতম করার সাওয়াব দান করবেন।

(৬) তার পঞ্চাশ বছরের গোনাহ মাফ করে দেয়া হবে।

(৭) আল্লাহ পাক জান্নাতে ২০টি মহল দান করবেন। যেগুলো ইয়াকুত, মা’রজান,জম’রুদ দ্বারা নির্মিত হবে এবং প্রত্যেকটি মহলে ৭০,০০০ দরজা হবে।

(৮) ২০০০ রাকাত নফল পড়ার সাওয়াব অর্জিত হবে।

(৯) যখন ‍মৃ’ত্যু বরন করবে তখন তার জানাযায় এক লক্ষ দশ হাজার ফেরেশতা অংশগ্রহন করবেন।

আল্লাহর অলৌকিক নিদর্শন দেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি,আব্দুর রহমান !

২২ বছর পূজা করেছি কিন্তু কিছুই হয় নাই মাত্র ১ দিন আল্লাহর আয়াত “আয়াতুল কুরছি ” পড়েছি ইনশাল্লাহ ভালো হয়েছি। দয়াকরে তার নিজের মুখে পুরো ভিডিও টি শুনুন। কেন , কিভাবে সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে।আল্লাহর অলৌকিক নিদর্শন দেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি,আব্দুর রহমানআল্লাহর অলৌকিক নিদর্শন দেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি,

আব্দুর রহমানআল্লাহর অলৌকিক নিদর্শন দেখে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি , দয়াকরে পুরো ভিডিও টি শুনুন

বিপদে সবাই মুখ ফিরিয়ে নিলেও আল্লাহপাক মুখ ফিরিয়ে নেননা

আল্লাহপাকের কোনো শরিক নেই, তিনি কাউকে জন্ম দেননি, কারও থেকে জন্ম নেননি। তার সমকক্ষ কেউ নেই, তিনি চিরঞ্জীব এবং চিরস্থায়ী। এই বিশাল পৃথিবী, চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ, বৃক্ষলতা, মানব-দানব, পশু-পাখি, সাগর-পাহাড় সবকিছু তিনি সৃষ্টি করেছেন।সৃষ্টি জগতের সবাইকে আল্লাহর ওপর ঈমান আনতে হয়। মুসলমান হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো-

আল্লাহতায়ালার একত্বকে মুখে স্বীকার করা এবং অন্তর দিয়ে বিশ্বাস করা। তিনি ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই এটা মনেপ্রাণে ধারণ করা।
কোরআন-হাদিসের শিক্ষা মতে ঈমানের দাবি হলো- সবকিছুকে বর্জন করে শুধু আল্লাহর প্রতি দৃঢ় প্রত্যয় স্থাপন করা, তাকে ভালোবাসা, ভয় করা। প্রয়োজনে শুধু আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা, সর্বাবস্থায় তার ওপর ভরসা রাখা। সেই সঙ্গে সর্বদা মনে রাখা, একদিন তার কাছে সবাইকে ফিরে যেতে হবে এবং ভালো বা মন্দ পরিণতি তার ফয়সালার ওপর নির্ভরশীল। ঈমানদাররা কিয়ামতের দিন মহান প্রভু আল্লাহতায়ালার দিদার লাভ করে ধন্য হবেন।

এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিনিই একমাত্র আল্লাহ। তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি দৃশ্য-অদৃশ্য এবং উপস্থিত-অনুপস্থিত সব বিষয়ে পূর্ণ জ্ঞান রাখেন। -সূরা হাশর: ২২অন্যত্র বলা হয়েছে, তিনি সেই আল্লাহ যিনি আসমান ও জমিন এবং এর মধ্যবর্তী স্থানের সব কিছুর সৃষ্টিকারী। তিনি আলিমুল গায়েব। তিনি সব জায়গায় বিরাজমান। তিনি প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব কিছুই দেখেন ও খবর রাখেন।

এ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ সকল দৃশ্য-অদৃশ্য ও উপস্থিত অনুপস্থিত সকল বিষয়ে পুরোপুরি জ্ঞাত। মহান আল্লাহই সব প্রাণীর রিজিকদাতা। কোনো সৃষ্টিকেই তিনি রিজিক থেকে বঞ্চিত করেন না। সকল প্রাণী সৃষ্টির পূর্বেই তিনি তাদের রিজিকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। সব প্রাণীকেই তিনি রিজিক দেন এবং প্রতিপালন করেন।মহান আল্লাহতায়ালা ক্ষমাশীল। অন্যায় বা ভুল করার তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে তিনি ক্ষমা করে দেন। কাউকে তিনি ফিরিয়ে দেন না। পবিত্র কোরআন মজিদে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ গাফুরুর রাহিম। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল।’ –সূরা আলে ইমরান: ৩১

আল্লাহতায়ালা এমনই এক সত্তা যার কাছে কোনো কিছু প্রার্থনা করে কেউ বিফল হয় না। মানুষের যা কিছু প্রয়োজন, তা আল্লাহর নিকটই প্রার্থনা করা প্রয়োজন। পবিত্র কোরআনে এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন কোনো প্রার্থনাকারী আমার কাছে প্রার্থনা করে তখন আমি তার প্রার্থনা কবুল করি।’ –সূ‍রা আল বাকারা: ১৩৬ আল্লাহ বলতে আমরা শুধু অদ্বিতীয় এক সত্তাকে বুঝি। যাকে দেখা যায় না। কিন্তু বিপদে ডাকলে তিনি সাড়া দেন।ঘোর বিপদে যখন কেউ সাহায্য করার ক্ষমতা রাখে না- তখনও তিনি সাহায্য করেন। আল্লাহতায়ালার শান বলে শেষ করা যাবে না।

নরওয়ের প্রিন্সের সঙ্গে হাত মেলালেন না তিন মুসলিম নারী !

সম্প্রতি নরওয়ের প্রিন্স হাকন ম্যাগনাসের সঙ্গে হ্যান্ডশেক না করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছেন তিন মুসলিম নারী। নরওয়ের বারেম শহরের আল-নূর ইসলামিক সেন্টার পরিদর্শনে এলে যুবরাজের সঙ্গে হাত মেলাতে ওই তিন মুসলিম নারী অপারগতা প্রকাশ করেন।এর আগে গত ১০ আগস্ট নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই মসজিদটিতে মুসল্লিদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে বন্দুকধারীরা।

সেসময় উগ্র জাতীয়তাবাদীদের গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন।আর এমন পেক্ষাপটে বারেম শহরের আল-নূর ইসলামিক সেন্টার পরিদর্শন আসেন নরওয়েজিয় যুবরাজ হাকন ম্যাগনাস। এ সময় স্থানীয় মুসলিমদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।মসজিদটি পরিদর্শনকালে উপস্থিত মুসলিম কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে করমর্দনও করেন প্রিন্স। তবে তিন মুসলিম নারী এ সময় তার সঙ্গে হাত মিলাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

প্রিন্সের সঙ্গে এমন আকস্মিক ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে আল-নূর ইসলামিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ। আল-নূর মসজিদের ইনফরমেশন অফিসার ওয়াহিদ আহমদ জানান, প্রিন্সের আগমনের সময় এমন পরিস্থিতির বিষয়টি সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত। একারণে, আমরা প্রিন্সের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি।এ ব্যাপারে ওয়াহিদ আহমদ জানান, প্রিন্স আসার আগে এ বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। হ্যান্ডশেকের বিষয়টি আমাদের চিন্তায় ছিল না, তাই এ নিয়ে আমরা আলোচনা করিনি।যদি আমরা আগে জানতাম নারীরা তার সঙ্গে হ্যান্ডশেক করবেন না, তাহলে আমরা আগেই প্রিন্সকে বিষয়টি অবহিত করতে পারতাম।

আমল ছাড়া ইলমের কোনো মূল্য নেই: আহমদ শফী !

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী বলেছেন, আপনারা যারা মুমতাজ (জিপিএ ৫) স্তর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাদের আজ পুরস্কৃত করা হচ্ছে। আর যারা হননি, তারাও চেষ্টা করেন আগামীতে মুমতাজ হওয়ার। তখন বোর্ডের পক্ষ থেকে আপনাদেরও এভাবে পুরস্কৃত করা হবে।তিনি বলেন, মনে রাখবেন লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেদের আমল সংশোধন করবেন।

কারণ আমল ছাড়া ইলমের কোনো দাম নেই। তাই ভালোভাবে লেখাপড়া করে নিজেদের ইমান-আমল মজবুত করতে হবে।বৃহস্পতিবার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসা মিলনায়তনে সদ্যসমাপ্ত ২০১৯ সালের আল-হাইআতুল উলইয়া লিল জামিয়াতিল কওমিয়া ও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া’র (বেফাক) কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় (দাওরায়ে হাদিস) জিপিএ ৫ পেয়ে উত্তীর্ণ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া (বেফাক) চট্টগ্রাম জেলা শাখার আয়োজনে এবং মাওলানা ড. নূরুল আবছার ও মাওলানা নূরুল ইসলাম জাদীদের যৌথ সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী, বেফাক মহাসচিব আল্লামা আব্দুল কুদ্দুস, আল্লামা জুবাইর আহমদ চৌধুরী, ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নিজামুদ্দীন নদভি (এমপি)।

অনুষ্ঠানে বেফাকের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গসহ যারা উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবু ইউসুফ, মুফতি নূর আহমদ, আল্লামা শেখ আহমদ, মুফতি জসিম উদ্দীন, মুফতি কিফায়াতুল্লাহ, মাওলানা আনাস মাদানী,

মুফতি হুমায়ুন কবীর, মাওলানা ফুরকান আহমদ, মাওলানা সলিমুল্লাহ, মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক নূর, মাওলানা আব্দুল হক, মাওলানা মীর ইদরীস, মাওলানা শফিউল্লাহ ও মাওলানা মীর কাসেম প্রমুখ।

সৌদি আরবে কোরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় বাংলাদেশের শিহাব !

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় তৃতীয় গ্রুপে বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ শিহাব উল্লাহ।সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় তৃতীয় গ্রুপে (প্রথম ১৫ পারা) বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ শিহাব উল্লাহ।

গতকাল বুধবার বাদ এশা মক্কার মসজিদুল হারামে শিহাবের হাতে পুরস্কার হিসেবে ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল ও সম্মাননা তুলে দেন মক্কার মেয়র খালিদ বিন ফয়সাল।শিহাব উল্লাহ ঢাকার যাত্রাবাড়ীর তাহফিজুল কোরআন আয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসার ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়।কাবা শরিফ মসজিদের নতুন ভবনে আয়োজিত ৪১তম কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন আল শেখ, মক্কার হারাম শরিফের জ্যেষ্ঠ ইমাম ড. শেখ আবদুর রহমান আল সুদাইসও উপস্থিত ছিলেন।১০৩টি দেশের ১৪৬ জন হাফেজ সৌদি আরবে কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এর মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ ১২ জন হাফেজ পুরস্কার পেয়েছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া। তিনিও এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন মক্কার মেয়র ও সৌদি আরবের ধর্মমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশও এ রকম কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। এ সময় তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।

আজ পবিত্র আশুরা; রাসূল (সা.) যেভাবে উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছেন

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র মহররম মাসের চাঁদ দেখা গেছে। গত ১ সেপ্টেম্বর রবিবার থেকে শুরু হয় নতুন বছর ১৪৪১ হিজরি। সে হিসেবে আজ ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার পবিত্র আশুরা পালিত হবে।পবিত্র আশুরায় আমাদের করণীয়ঃ মানব ইতিহাসের সূচনালগ্ন থেকেই আশুরাতে সংঘটিত ঘটনাবলি মানবজাতির জন্য দিকনির্দেশনা হয়ে রয়েছে।

ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের ক্রান্তিকালে করণীয় ও বর্জনীয় অসংখ্য নির্দেশনা এ আশুরার ঘটনাবলিতে বিদ্যমান। প্রতি বছর এ দিনটি যখনই মানুষের কাছে ধরা দেয়, তখনই মনে হয় যেন আশুরা তার শিক্ষার ভাণ্ডার নিয়ে আমাদের নতুনভাবে ডাকছে।এ দিনের আবেদন ফুরানোর নয়। আর তাই আশুরাকে আমাদের সুন্দরভাবে উদযাপন করতে হবে। হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) এ দিনকে যেভাবে উদযাপন করেছেন এবং উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছেন, আমাদেরও ঠিক সেভাবেই উদযাপন করতে হবে।

এদিকে আশুরার দিন রোজা রাখা খুবই ফজিলতের। তবে তার আগে অথবা পরে আরেকটি রোজা সংযোগ করতে হবে। যাতে ইহুদিদের রোজা প্রথা থেকে মুসলমানদের আশুরা পালন ভিন্ন হয়। আল্লাহর রাসূল (সা) সবসময় বিধর্মীদের অনুকরণ থেকে দূরে থাকতে বলেছেন।আশুরার রোজা সম্পর্কে হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসূল কিছু ইহুদিকে দেখলেন আশুরা দিবসে তারা রোজা পালন করছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, এটি কিসের রোজা? তারা বলল, এদিন আল্লাহ মুসা (আ.) ও বনি ইসরাইল সম্প্রদায়কে সমুদ্রে ডুবে মরার হাত থেকে উদ্ধার করেছেন।

ফেরাউনকে ডুবিয়ে মেরেছেন। তাই মুসা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে এদিন রোজা পালন করেছিলেন।মহানবী (সা.) বললেন, ‘আমি মুসার অনুসরণের বেশি উপযুক্ত এবং এ দিবসের রোজার বেশি হকদার। তিনি তার সাহাবাদের রোজা পালনের নির্দেশ দান করেন।’ -মুসনাদে আহমদতবে তিনি আশুরার রোজাকে ইহুদিদের রোজা থেকে পৃথক করার জন্য বলেছেন- ‘তোমরা আশুরার দিন রোজা রাখ এবং ইহুদিদের থেকে ব্যতিক্রম কর। আশুরার একদিন আগে বা একদিন পরেও রোজা রাখ।’

আশুরার দিন রোজা রাখার ফজিলত সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেন- ‘আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তিনি এক বছর আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।’ -মুসনাদে আহমদ

প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর পছন্দের খাবার ও তার গুণাবলী

প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) .-এর পছন্দের ১২টি খাবার ও তার গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো।এসব খাবার প্রিয়নবী (সা.) আহার করতেন। দেড় হাজার বছর পর আজকের বিজ্ঞান গবেষণা করে দেখেছে নবীজী (সা.) এর বিভিন্ন খাবারের গুণাগুণ ও উপাদান অত্যন্ত যথাযথ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নবীজী (সা.) এর খাবারের মধ্যে রয়েছে বার্লি, খেজুর, ডুমুর, আঙ্গুর, মধু, তরমুজ, দুধ, মাশরুম, অলিভ অয়েল, ডালিম-বেদানা, ভিনেগার ও পানি। এসব খাবারের গুণাবলী এখানে উল্লেখ করা হলো।]
১. বার্লি (জাউ) : এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী।
২. খেজুর : খেজুরের গুণাগুণ ও খাদ্যশক্তি অপরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীল সতেজ রাখে। প্রিয়নবী (সা:) বলতেন, যে বাড়িতে খেজুর নেই সে বাড়িতে কোনো খাবার নেই। এমনকি প্রিয়নবী (সা:) সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

৩. ডুমুর : ডুমুর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণসম্পন্ন যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার।
৪. আঙ্গুর : প্রিয়নবী (সা:) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভালো বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাৎক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন।

৫. মধু : মধুর নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানীয় ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান করা ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী।
৬. তরমুজ : সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। প্রিয়নবী (সা:) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবর্তী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য।

৭. দুধ : দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন প্রিয়নবী (সা:) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদ- সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানিরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।
৮. মাশরুম : আজ বিশ্ব জুড়ে মাশরুম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার এবং মাশরুম নিয়ে চলছে নানা গবেষণা।

অথচ দেড় হাজার বছর আগে প্রিয়নবী (সা:) জানতেন মাশরুম চোখের জন্য ভালো। এটা বার্থ কন্ট্রোলে সহায়ক ও মাশরুমের ভেষজগুণের কারণে এটা নার্ভ শক্ত করে এবং শরীরের প্যারালাইসিস বা অকেজো হওয়ার প্রক্রিয়া রোধ করে।
৯. জলপাই তেল : অলিভ অয়েলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ অনেক। গবেষণায় দেখা গেছে অলিভ অয়েল ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী এবং বয়স ধরে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক বা বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত করে। এছাড়া অলিভ অয়েল পাকস্থলীর প্রদাহ নিরাময়ে সহায়ক।

১০. ডালিম-বেদানা : বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে। প্রিয়নবী (সা:) বলেছেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে।
১১. ভিনেগার : ভিনেগারের ভেষজ গুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা:) অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে ভিনেগার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। আজকের এই মর্ডান ও বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্যের যুগে বিশ্বের বড় বড় নামি-দামি রেস্টুরেন্টে বিশেষ করে এলিট ইটালিয়ান রেস্টুরেন্টে অভিল অয়েল ও ভিনেগার এক সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা হয়।

১২. খাবার পানি : পানির অপর নাম জীবন। পানির ভেষজগুণ অপরিসীম। প্রিয়নবী (সা:) পানিকে পৃথিবীর সেরা ড্রিংক বা পানীয় হিসাবে উল্লেখ করেছেন। সৌন্দর্য চর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য রক্ষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা আজ প্রচুর পানি পান করতে বলেন।

হাজার হাজার সাহাবি শুয়ে আছেন পবিত্র মদিনার জান্নাতুল বাকিতে !

সৌদি আরবের জেদ্দায় সড়ক দু’র্ঘটনায় হরজুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি নি’হত হয়েছেন। এ সময় অ’জ্ঞাত আরেক বাংলাদেশি গু’রুতর আহ’ত হয়। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার সকালে। হরজুল ইসলাম গফরগাঁও উপজেলার যশরা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের মৃ’ত আব্দুল মোতালেবের ছেলে হরজুল ইসলাম প্রায় ১৫ বছর যাবৎ সৌদি আরবের জেদ্দার আলগাসিম বুরাইদাহ নামক স্থানে চাকরি করতেন।আজ শুক্রবার সকালে হরজুল ইসলাম অন্য সহকর্মীদের সঙ্গে মাইক্রোবাসে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় পেছন দিক থেকে একটি গাড়ি এসে মাইক্রোবাসটিকে ধা’ক্কা দেয়। এতে হরজুল ইসলাম ঘটনাস্থলে নিহ’ত হন।

এ সময় অন্য এক অ’জ্ঞাত বাংলাদেশি গু’রুতর আহ’ত হয়। পরে আহ’তকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহ’ত হরজুল ইসলামের স্ত্রী রীমা আক্তার বলেন, আমার স্বামী প্রায় ১৫ বছর ধরে সৌদি আরবে চাকরি করলেও অল্প টাকা বেতন পাওয়ায় কোনো সঞ্চয় করতে পারেননি। যা বেতন পেতেন তা দিয়ে দুই সন্তান নিয়ে কষ্ট করে সংসার চালাতে হতো।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রীসহ ৫৮ ওলামাকে মসজিদে নববীতে উষ্ণ অভ্যর্থনা !

বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে ৫৮ সদস্যের ওলামা-মাশায়েখকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছে মসজিদে নববী কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকালে মদিনা মুনাওয়ারায় পবিত্র মসজিদে নববী ও মসজিদে নববীর আঙিনা-প্রাঙ্গন পরিদর্শনে গেলে তাদের অভ্যর্থনা জানানো হয়।

এ সময় মসজিদে নববীর প্রধান কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল খুদাইরি বলেন, অতীতে বাংলাদেশের এতো বড় আলেম প্রতিনিধি দল এখানে আসেনি।বাংলাদেশের শীর্ষ আলেমদের কাছে পেয়ে আমরা আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ করেন।বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন তার কন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সৌদি আরবের সঙ্গে তিনি সুসম্পর্ক বজায় রাখছেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মুসলিম বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সৌদি আরবের নেতৃত্বকে সমর্থন জানাবে বাংলাদেশ।অভ্যর্থনা পর্ব শেষে বাংলাদেশের ওলামা-মাশায়েক ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর রওজা মোবারকে সালাম ও দুরুদ পেশ এবং রিয়াজুল জান্নায় নামাজ পড়ার সহজ-সুন্দর ব্যবস্থা করে দেন মসজিদে নববী কর্তৃপক্ষ।