যে কারণে প্রতিদিন এক গ্লাস দুধের মধ্যে খেজুর ভিজিয়ে এক সঙ্গে খাবেন !

রোজ তিনটা করে খেজুর খান। চালিয়ে যান এক সপ্তাহ। তারপর আরও কয়েকটা দিন। অভ্যাস হয়ে গেল তো? এটা আর ছাড়বেন না। ফলটা কী?

আপনি যদি দিনে তিনটা করে খেজুর এক সপ্তাহ খান, তাহলে সাত দিনে আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হারিয়ে যাবে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে। খাবারের রুচি বাড়বে। আর বাড়াবে আপনার হজমক্ষমতাও। শরীর অবশকারী যেকোনো ধরনের রোগে খেজুর হলো মোক্ষম দাওয়াই।

এ ছাড়া অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিশ্বস্ত ও সেরা সৈনিকের নাম খেজুর। খেজুর কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের এক গবেষণায় জানা যায়, নিয়মিত খেজুর খেলে কোলন স্বাস্থ্য ভালো থাকে। খেজুর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো কোলন ক্যানসারের জন্য দায়ী কোষগুলোকে মেরে ফেলে।

যেসব পুরুষ বা মহিলা শারীরিক দুর্বল তারা প্রতিদিন এক গ্লাস দুধের মধ্যে কয়েকটা খেজুর ভিজিয়ে খেতে পারেন এটি পুরুষের যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে !

চিকেন পক্স প্রতিরোধ করবে যেসব খাবার

ঋতুরাজ বসন্তে একটি ভয়াবহ রোগ হচ্ছে চিকেন পক্স। চিকেন পক্স অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ। ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ, হাঁচি-কাশি এবং ব্যবহৃত জিনিসপত্রের মাধ্যমেই এটি বেশি ছড়ায়। তাই চিকেন পক্স থেকে বাঁচতে হলে সচেতন হতে হবে।

অনেকের ধারণা, এই রোগ একবার হলে দ্বিতীয় বার আর হয় না। এটি মোটেও ঠিক নয়। এ রোগ একাধিকবার হতে পারে।

বায়ুবাহিত এই রোগ সহজেই সংক্রমণ ছড়ায়। তাই সর্তকতাই হতে পারে এই রোগ প্রতিরোধের অন্যকম উপায়। কারণ রোগ হওয়ার চেয়ে রোগ প্রতিরোধ ভালো। কিছু খাবার আছে যা খেলে চিকেন পক্স প্রতিরোধ করা যায়।আসুন জেনে নেই এমনি কিছু খাবার-
নিমপাতা
বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময়ে নিমপাতার জুড়ি নেই। গোসলের সময় হালকা গরম পানি নিমপাতা দিয়ে গোসল করে অসুক ভালো হয়ে যায়। ভ্যারিসেল্লা ভাইরাসেরর আক্রমণে সাধারণ বসন্ত রোগ হয়। নিমপাতা জীবাণুনাশক এ ভ্যারিসেল্লা ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

সজনে ফুল
সজনে দেখতে সবুজ রঙের লম্বা আকৃতির থাকে। আর ফুলগুলো হয় হলুদ রঙের । সজনের কচিপাতা, ফুল, ও সজনে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। সজনের তরকারি খেতে খুবই সুস্বাদু। খাবার সঙ্গে ভর্তা করে খেতে পারেন সজনে ফুল। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সজনে ফুল অত্যন্ত উপকারী। তাই প্রতিদিন ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন।
বাঁধাকপি

শীত শেষ হলেও বাজারে পাওয়া যায় বাঁধাকপি। থাইরয়েডের সমস্যা না থাকলে খেতে পারেন বাঁধাকপি। বাঁধাকপি রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল যা বায়ুবাহিত প্রতিরোধ করে।
গাজর
বাজারে সারা বছরই গাজর পাওয়া যায়। গাজর বিটা ক্যারোটিন অক্সিড্যান্ট হিসাবে কাজ করে ও সংক্রমণের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।
টকদই
টকদই শরীরের টক্সিন দূর যা শরীর পরিষ্কার করে রোগ প্রতিরোধে সক্ষম করে। দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান শরীরে সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।

বিয়ের পরেও শারীরিক ভাবে সবল থাকতে ৭টি খাবার

পুরুষ মানুষ নাকি দুই প্রকার জীবিত আর বিবাহিত। বিয়ের পর প্রত্যেকের জীবনেই শারিরিক পরিবর্তন দেখা দেয়। এটি মূলত হরমোনজনিত কারণে হয়ে থাকে। এ কারণে শরীর ফিট রাখতে খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদেরা।

বিষয়টি নিয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, বিবাহিত জীবনে ফিট থাকতে হলে আপনাকে দৈনন্দিন খাবারের প্রতি পূর্ণ মনোযোগী হতে হবে। কারণ সুখী দাম্পত্য জীবনের জন্য স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকার পাশাপাশি দরকার স্বাস্থ্যকর দৈহিক সম্পর্ক। প্রাকৃতিকভাবে দৈহিক শক্তি বর্ধক খাদ্যই অনেক বেশি কার্যকরী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে আজকাল। তাই বিয়ের পরও সুস্থ থাকতে কিছু নিয়ম বা খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা জরুরী।

কেননা, বিয়ের পর শারীরিক-মানসিক নানা পরিবর্তন আসে। খাদ্যাভাস ও পরিবেশের পরিবর্তন, পরিবর্তিত জীবনযাত্রাসহ অনেক কিছই এর জন্য দায়ী। এ ছাড়া দীর্ঘদিন পর ঠিকানা বদলের কারণে মানসিক পরিবর্তনও আসে। তবে হতাশ হবেন না। বিয়ের পরও শরীর ফিট রাখতে কিছু বিশেষ খাদ্যাভ্যাসের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
দেখে নিন কী কী খাবার খাবেন:

কলা :

কলায় রয়েছে ভিটামিন এ, বি, সি ও পটাশিয়াম। ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম যৌনরস উৎপাদন বাড়ায়। এ ছাড়া কলায় রয়েছে ব্রোমেলিয়ান যা শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। শুধু তাই নয়, কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা দেহের শক্তি বৃদ্ধি করে। তাই, দীর্ঘসময় ধরে দৈহিক মিলনে লিপ্ত হলেও ক্লান্তি আসবে না।

ডিম:

শরীরের দুর্বলতা এবং ক্লান্তি দূর করে দারুণ সহায়ক ডিম। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অবশ্যই রাখতে হবে। প্রতিদিন সকালে, না পারেন সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন ১টি করে ডিম সিদ্ধ করে খান। এতে দৈহিক দুর্বলতার সমাধান হবে।

দুধ:

ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চান অনেকে। কেউ-কেউ মনে করেন দুধ মোটেই শরীরের পক্ষে ভালো নয়। প্রতিদিন মাখন তোলা দুধ খান। এতে প্রয়োজনীয় খনিজ ও ভিটামিন বিদ্যমান। কিন্তু যদি শরীরে দৈহিক শক্তির হরমোন তৈরি হওয়ার পরিমাণ বাড়াতে চান তাহলে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট জাতীয় খাবারের দরকার। তবে সবগুলোকে হতে হবে প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট।

মধু:
সকালে গরম জলের সঙ্গে পাতিলেবুর রস ও মধু খান। এতে ত্বকও ভালো থাকবে। তাই দৈহিক শক্তি বাড়াতে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ১ গ্লাস গরম পানিতে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে পান করুন।রসুন:
ক্লান্তি দূর করে রসুন। যৌন উদ্দীপনা ধরে রাখে এবং শরীরে রক্ত প্রবাহ ঠিক রাখে এই রসুন। রসুনে রয়েছে এলিসিন নামের উপাদান যা দৈহিক ইন্দ্রিয়গুলোতে রক্তের প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়।

কফি:
কফির মধ্যে থাকা ক্যাফেইন শারীরিক মিলনের ইচ্ছা জাগায়। তাই কফি অবশ্যই পান করুন। ব্ল্যাক কফি পানে অধিক সুফল পাবেন। কফিতে যে ক্যাফেইন থাকে তা মিলনের মুড কার্যকর রাখে।
চকোলেট :
প্রেমর সঙ্গে চকোলেটের অন্য রকম সম্পর্ক রয়েছে। তাই চকোলেট খান এবং ভালোবেসে খান। এগুলো মিলনের উত্তেজনা ও দেহে শক্তির মাত্রা বাড়াতে সহায়ক। পিইএ’র সঙ্গে অ্যানান্ডামাইড মিলে অরগাজমে পৌঁছাতে সহায়তা করে।

স্বাস্থ্য দিবসে ডা. দেবী শেঠীর ২৩ পরামর্শ, সবাই জেনে রাখুন

আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। সারাদেশে পালিত হচ্ছে দিবসটি। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে প্রথমেই আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. দেবী শেঠী। ভারতের নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা তিনি।

হার্ট সুস্থ রাখতে কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের এই চিকিৎসক। স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বিডিভিউ২৪ডটকমের পাঠকদের জন্য পরামর্শগুলো তুলে ধরা হলো-১. খাবারে আমিষের পরিমাণ বাড়াতে হবে।
২. শর্করা এবং চর্বিজাত খাবার কম খেতে হবে।
৩. একটানা বেশি সময় বসে থাকা যাবে না।
৪. সপ্তাহে অন্তত ৫ দিন আধাঘণ্টা করে হাঁটতে হবে।
৫. ধূমপান পরিহার করতে হবে।
৬. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
৭. রক্তচাপ এবং সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৮. শাক জাতীয় নয়, এমন খাবার খাওয়া কমাতে হবে।
৯. ত্রিশোর্ধ্ব সবার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।
১০. জীবনে সবকিছু নিখুঁত হবে, এমন ভাবার কারণ নেই।
১১. জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে।
১২. জগিং করার চেয়ে হাঁটা ভালো।
১৩. জগিং করলে মানুষ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়।
১৪. অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস পরিহার করতে হবে।
১৫. হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার ফল এবং সবজি।
১৬. হৃদযন্ত্রের জন্য যে কোন তেলই খারাপ।
১৭. নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করতে হবে।
১৮. সুগার এবং কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।
১৯. রক্তচাপ পরিমাপও জরুরি।

২০. হার্ট অ্যাটাক হলে রোগিকে প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে।
২১. জিহ্বার নিচে একটি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে।
২২. অ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেটও রাখতে হবে।
৩. দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

বাংলাদেশে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে শুঁটকি ও গরুর মাংসে!

বাংলাদেশে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে শুঁটকি ও গরুর মাংসে। সম্প্রতি চিকিৎসকদের করা একটি গবেষণা থেকে বেরিয়ে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। ক্যান্সারের জন্য খাদ্যাভ্যাসকেই দায়ী করছেন চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, মানুষের মধ্যে শুঁটকি ও গরুর মাংস খাওয়ার প্রবণতা বেশি। শুঁটকিতে নানা ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় শুঁটকি ভালো রাখার জন্য এর সঙ্গে ডিডিটি (ডাইক্লোরোডাইফিনাইলট্রাইক্লোরোইথেন) মেশানো হয়।

ডিডিটি পাউডার ও রাসায়নিক স্প্রে মিশ্রিত শুঁটকি খেলে লিভার, পাকস্থলীসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি তৈরি হয়।আর গরুর মাংস বিক্রেতারা মাংস তাজা দেখানোর জন্য নানা ধরণের কৌশল নিচ্ছেন। মেশাচ্ছেন ভেজাল। মাংস তাজা দেখানোর জন্য বোতলে তুলে রাখা হয় রক্ত। সেই রক্ত পরে মাংসে প্রলেপ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে ক্যান্সার রোগীর হার কেমন ও তারা কী ধরনের ক্যান্সারে বেশি ভুগছে তা জানতে নিয়মিত গবেষণা করে আসছে চিটাগং রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর চিলড্রেন সার্জারি (সিআরআইসিএস) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধীন ল্যাবরেটরি অব ইউক্যারিওটিক জিন এক্সপ্রেশন অ্যান্ড ফাংশন। এর অংশ হিসেবে ২০১৬ সালের ১৫ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ৬০০ রোগীর ওপর একটি গবেষণা চালায় তারা।

গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ক্যান্সারে আক্রান্তের হার সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে কক্সবাজারে, যা চট্টগ্রাম অঞ্চলের মোট রোগীর ৩১ শতাংশ। এরপর ১৫ শতাংশ রোগী পাওয়া গেছে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর, ১৫ শতাংশ সাতকানিয়ার এবং ১৩ শতাংশ পটিয়া, রাঙ্গুনিয়া ও বালুখালীর। কক্সবাজারের ক্যান্সার রোগীদের ২৭ দশমিক ৪২ শতাংশ ভুগছে লিম্ফোমায়। এছাড়া পাকস্থলীর ক্যান্সারে ভুগছে ১১ দশমিক ৮৩ ও শ্বাসতন্ত্রের ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

গবেষকরা বলছেন, চট্টগ্রামের মতো সারাদেশের চিত্রও একই হতে পারে। শুঁটকি ও গরুর মাংস যারা খাদ্যাভ্যাসে রাখছেন তারা এ মরণব্যাধীতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন।২০১৬ সালের ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালেও একই গবেষণা করেছে প্রতিষ্ঠান দুটি। চিত্রও পাওয়া গেছে একই। অর্থাৎ ২০১৬ সালের মতোই সমুদ্র উপকূলীয় এলাকার রোগীদের মধ্যে ক্যান্সার আক্রান্তের হার বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে। একে উদ্বেগজনক বলছেন গবেষকরা।

বিড়ালের মল থেকে তৈরি হয় বিশ্বের সবচেয়ে দামি ১টি খাবার,,,,,,জেনে নিন সেই খাবারের নাম

বিশেষ এক ধরনের বিড়ালের মল থেকে কফি বিন সংগ্রহ করে বিশ্বের আটটি দামি খাবারের একটি তৈরি হয়। বিবিসি বাংলা বিশ্বের সবচেয়ে দামি আটটি খাবার কী দিয়ে তৈরি হয়, কেন এত দাম, তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। চলুন দেখে নিই সেটি।জাফরানের নাম যদি শুনে থাকেন, এটাও নিশ্চয়ই জানেন যে এটি বিশ্বের সবচেয়ে দামি মশলার একটি। প্রতি আউন্স জাফরানের দাম স্বর্ণের দামের চেয়েও বেশি। এ জন্য জাফরানের আরেক নাম ‘লাল স্বর্ণ’।এ রকম দামি খাবার বা খাবারের উপাদান আর কী আছে? কেন এগুলোর দাম এত বেশি? বিবিসির ‘ফুড প্রোগ্রাম টিম’ বিশ্বের সবচেয়ে দামি খাবার বা খাবারের উপদানগুলোর খোঁজ নিয়েছে:
জাফরানআপনার পাতের ভাত যদি হলদে রঙের আভা ছড়ায়, তাহলে বুঝতে হবে এটির ওপর ছিটানো হয়েছে জাফরান।

জাফরান আসলে একটি ফুলের গর্ভমুণ্ড। এটি মূলত ব্যবহার করা হয় খাদ্য রঙিন করতে।যদি ওজনের তুলনা করেন, এটি নিঃসন্দেহে স্বর্ণের চেয়ে দামি। কেন জাফরানের দাম এত বেশি?কারণ খুব সহজ। যে ফুল থেকে এই জাফরান সংগ্রহ করা হয়, সেটি ফোটে মাত্র এক সপ্তাহের জন্য, শরৎকালের শুরুতে। একটি ফুলে মাত্র তিনটি গর্ভমুণ্ড থাকে। খালি হাতে এটি খুব সতর্কতার সঙ্গে সংগ্রহ করতে হয়।এক কিলোগ্রাম জাফরান সংগ্রহ করতে অন্তত দুটি ফুটবল মাঠের সমান জায়গায় এই ফুলের চাষ করতে হবে। বা দরকার হবে প্রায় তিন লাখ ফুল।

ক্যাভিয়ার
ক্যাভিয়ার আসলে এক ধরনের সামুদ্রিক মাছের ডিম। এই ডিমকে নোনা জল ও চাটনিতে রসিয়ে নেয়া হয়। বিশ্বের সবচেয়ে সুস্বাদু খাবারের একটি বলে গণ্য করা হয় একে।
এই ক্যাভিয়ার সংগ্রহ করে প্যাকেটে ভরে বাজারজাত করার কাজটি খুবই দুরূহ। তবে তার চেয়ে বড় কথা হলো ক্যাভিয়ার খুবই বিরল।
বচেয়ে বিখ্যাত ক্যাভিয়ার আসে বেলুজা স্টার্জেন মাছ থেকে। কেবল কাস্পিয়ান সাগর ও কৃষ্ণ সাগরে এই মাছ পাওয়া যায়। কিন্তু এই মাছ এখন বিপন্নপ্রায়। খুব কম মাছের ডিমই এখন বৈধভাবে কেনাবেচা হয়একটি বেলুজা ক্যাভিয়ার পূর্ণবয়স্ক হতে সময় লাগে প্রায় ২০ বছর। এর পরই কেবল এই মাছ ডিম পাড়তে পারে। কিন্তু এই মাছ হত্যা করেই কেবল এর ডিম সংগ্রহ করা সম্ভব।অ্যালবিনো স্টার্জেন মাছের ডিম তো আরও বিরল। এটি এখন বিলুপ্তপ্রায়।
গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের হিসাবে এক কিলোগ্রাম অ্যালবিনো ক্যাভিয়ারের সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল ৩৪ হাজার ৫০০ ডলার।

ঝিনুকঝিনুক এখন বিলাসী খাবার হিসেবে বিবেচিত হলেও আগে কিন্তু তা ছিল না। উনিশ শতকের শুরুতে ঝিনুক ছিল খুব সস্তা। উপকূলীয় এলাকার শ্রমজীবী লোকজনের অন্যতম প্রধান খাবার ছিল এটি।
কিন্তু অতিরিক্ত ঝিনুক আহরণ এবং সমূদ্রদূষণের ফলে ঝিনুকের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। ফলে এর দাম বেড়ে গেছে
বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দামে বিক্রি হয় ঝিনুক। কিন্তু লন্ডনের কোনো দামি রেস্তোঁরায় এক ডজন ঝিনুক খেতে আপনাকে অন্তত ৬৫ ডলার খরচ করতে হবে।
তারপরও এর কদর কমছে না। অনেকে তো মনে করে ঝিনুকের মধ্যে আছে যৌনশক্তি বর্ধক উপাদান।

সাদা ট্রাফলসাদা ট্রাফল বিশ্বের সবচেয়ে দুর্লভ ছত্রাকগুলোর একটি। এটি জন্মায় মাটির নিচে। তাও আবার কেবল উত্তর ইটালির পাইডমন্ট অঞ্চলের কিছু গাছের শেকড়ের মধ্যে।
সাদা ট্রাফলের মধ্যে আছে এক দারুণ সুগন্ধ। এবং খুবই তীব্র এক স্বাদ।সাদা ট্রাফলের চাষ করা যায় না। এটি নিজে থেকে হয়। অনেকে এই ট্রাফলের চাষ করার চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন।
এ কারণেই সাদা ট্রাফলের দাম এত বেশি।ম্যাকাওয়ের এক ক্যাসিনো মালিক স্ট্যানলি হো একটি মাত্র সাদা ট্রাফলের জন্য ২০০৭ সালে ৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার খরচ করেছিলেন। সেই ট্রাফলটির ওজন ছিল দেড় কেজি।মাটির নিচে জন্মানো দেড় কেজি ছত্রাকের জন্য বেশ চড়া মূল্যই বলতে হবে।

ইবেরিকো হ্যাম
একটা প্রবাদই আছে। পৃথিবীতে দুই ধরনের হ্যাম আছে। হ্যাম, আর ইবেরিকো হ্যাম।এই বিশেষ ধরনের শূকরের মাংস আসে কেবল স্পেন আর পর্তুগালের একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে। সেখানে ওক গাছের জঙ্গলে ঘুরে বেড়ায় কালো ইবেরিয়ান শূকর ।ওক গাছ থেকে ঝরে পড়া ফল খেয়ে বাঁচে এই শূকর। ইবেরিয়ান হ্যাম আসে এই শূকর থেকে। প্রায় তিন বছর ধরে এই শূকরের মাংস প্রক্রিয়াজাত করা হয়। কখনো কখনো চার বছর।গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের হিসাবে সবচেয়ে দামি ইবেরিয়ান শূকরের একটি পা সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০ ডলার দামে বিক্রি হয়েছিল।ওয়েগু বিফওয়েগু বিফ মানে আসলে জাপানি গরুর মাংস। চার ধরনের জাপানি গরুর যে কোনোটি থেকেই আসতে পারে এই মাংস।

এই গরুর মাংসের পরতে পরতে থাকে চর্বি। যখন রান্না করা হয়, তখন এই চর্বি গলে মাংসে মিশে যায়। ফলে মাংসটা থাকে খুবই নরম। মুখে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে মনে হবে মাংসটা যেন গলে যাচ্ছে।এর দাম এত বেশি হওয়ার কারণ, এসব গরু পালতে খরচ অনেক। ওয়েগু মাংস হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য এই গরুগুলিকে কঠোর নিয়ম-নীতি মেনে পালতে হয় এবং বড় করতে হয়। যাতে তাদের পেশীর পরতে পরতে চর্বি জমে সেজন্যে বাছুরগুলোকে একেবারের শুরু থেকেই বিশেষ ধরণের খাবার খাওয়ানো হয়।জাপানে সবচেয়ে দামি ওয়েগু বিফ হচ্ছে ‘কোবে বিফ’। প্রতি কেজির দাম ৬৪০ ডলার।কোপি লুয়াক কফিএক কাপ কফি কেন দামি খাবারের তালিকায়, সে প্রশ্ন উঠতে পারে। কিন্তু এটি যেমন-তেমন কফি নয়। এই কোপি লুয়াক কফির দাম প্রতি কেজি ৭০০ ডলার।যে কফি বিন থেকে এই কফি তৈরি হয়, সেই বিনগুলো এক ধরনের বিড়ালকে খাওয়ানো হয়। এশিয়ান পাম সিভেট নামের এই বিড়াল কফি বিনগুলো খাওয়ার পর সেগুলো তার পাকস্থলীর এসিডে জারিত হয়।এরপর বিড়ালের মলের সঙ্গে বেরিয়ে আসে এই কফি বিন। সেই বিন থেকে তৈরি হয় কফি।
আশা করি এই প্রক্রিয়ার কথা শুনে কফি খাওয়ার বাসনা আপনার উড়ে যায়নি!

যারা এই কফির ভক্ত, তাদের যুক্তি, বিড়ালের পেটেই আসলে এই কফির সঙ্গে যুক্ত হয় ভিন্ন এক ফ্লেভার।
ফোয়া গ্রা
ফোয়া গ্রা একটি দামি খাবার। মূলত হাঁস বা রাজহাঁসের লিভার বা যকৃৎ দিয়ে তৈরি করা হয় এই খাবার। এই হাঁস বা রাজহাঁসের লিভার স্বাভাবিক আকারের চাইতে প্রায় দশ গুণ পর্যন্ত বড় করা হয় বেশি করে খাইয়ে।
এ কারণে এই লিভারের স্বাদ অনেক বেশি।যারা এই খাবারের ভক্ত, তারা এর জন্য যেকোনো মূল্য দিতে রাজি। তবে মানুষের এই লোভের বলি হচ্ছে হাঁস। কারণ তাদের জোর করে বেশি খাইয়ে মেদবহুল করে তোলা হচ্ছে।গলা দিয়ে টিউব ঢুকিয়ে এসব হাঁসকে জোর করে খাওয়ানো হয়। উদ্দেশ্য তাদের লিভারকে স্বাভাবিকের চেয়ে বহুগুণ বড় করে তোলা।
এই প্রথা নাকি চালু আছে কয়েক হাজার বছর ধরে।তবে এখন অনেক দেশে ফো গ্রা উৎপাদনের বিরুদ্ধে আইন করা হয়েছে। কিন্তু বিশ্বের অনেক জায়গায় এখনো এই খাবার ভীষণ জনপ্রিয়।

হার্ট অ্যাটাক হলে দ্রুত এই ৪টি কাজ করুন

হার্ট অ্যাটাক হলে প্রত্যেকেরই কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কেও ধারণা থাকা দরকার। আপনি একা থাকা অবস্থায় যদি আপনার হার্ট অ্যাটক হয় কিংবা অন্য যে কোন সময় যদি হার্ট অ্যাটাক হয় তাহলে আপনি কি করবেন ? নিচের বর্ণনা থেকে জেনে নিন এর বিস্তারিত –

টাকের সাধারণ লক্ষণ বুকের বাম দিকের একেবারে মাঝে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়। হার্ট অ্যাটাকের এটাই সবচেয়ে প্রাথমিক লক্ষণ। সাধারণভাবে প্রায় ২০ মিনিট ব্যথা থাকে। ধীরে ধীরে তা উপরে বাম দিকের হাত ও কাঁধের সংযোগস্থল, ঘাড় ও চোয়ালে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রচণ্ড ঘাম হওয়া এ সময় প্রচণ্ড ঘাম হয় ও ধীরে ধীরে চারদিক অন্ধকার মনে হতে থাকে। একা থাকলে এমন লক্ষণ বুঝলে কখনই অবহেলা করবেন না। তাই পরিচিতদের খবর দিয়ে রাখুন। হার্টের রোগীরা সবসময় অ্যাম্বুলেন্সের মতো জরুরি পরিসেবার নম্বর হাতের কাছে রাখবেন। বাইরে রাস্তায় থাকলে সঙ্গে সঙ্গে পাশের কারও সাহায্য নিন।

১। অ্যাসপিরিন সঙ্গে রাখুন হার্ট অ্যাটাকের সময় অ্যাসপিরিন নিলে অনেকটা উপকার হয়। একা থাকা অবস্থায় অ্যাসপিরিন নিলে প্রাথমিক অবস্থায় অনেকটা সমস্যা কাটিয়ে ওঠা যায়।। জোরে শ্বাস নিন বহুকাল ধরেই এই ব্যাপারটি চলে আসছে। চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন, জোরে জোরে শ্বাস নিলে হার্ট অ্যাটাকের সময় অনেকটা উপকার হয়।

৩। বুকে চাপ দিন হার্ট অ্যাটাকের সময় চিকিৎসকরা অনেক সময়ে দুই হাত দিয়ে হার্টের উপরে চাপ দেন, যাতে হৃকম্পনের স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে। বাড়িতে একা অবস্থায় নিজে থেকে এই পদ্ধতির ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪। কাশতে থাকা পুরনো হলেও এই টোটকা দারুণ কাজে দেয়। যদিও বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোনো ব্যাখ্যা নেই। তবে অনেক সময় হার্টের সমস্যায় জোরে জোরে কাশলে কোনো জায়গায় সামান্য ব্লক থাকলে তা খুলে যায়।

জেনে নিন পুদিনা পাতার বিস্ময়কর উপকারিতা,,,,যা এই গরমে আপনাকে রাখবে সতেজ

পুদিনা পাতা আমাদের সকলের কাছেই পরিচিত। পুদিনা একটি সাধারণ আগাছা ধরনের গাছ। কাণ্ড ও পাতা বেশ নরম। কাণ্ডের রঙ বেগুনি, পাতার রঙ সবুজ। ছোট গুল্ম জাতীয় এই গাছের পাতা ডিম্বাকার, পাতার কিনারা খাঁজকাটা ও সুগন্ধীযুক্ত হয়। পাতা কিছুটা রোমশ ও মিন্টের তীব্র গন্ধযুক্ত। পুদিনা পাতার মূল, পাতা, কান্ড সহ সমগ্র গাছই ওষুধীগুনে পরিপূর্ণ । বিশ্বের অনেক দেশেই পুদিনার গাছ জন্মে। এর পাতা সুগন্ধি হিসাবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়।

১) গরমে ত্বকের জ্বালাপোড়া ও ফুসকুরি সমস্যায় কয়েকটি পুদিনার পাতা চটকে গোসলের জলতে মিশিয়ে স্নান করলে ভালো কাজ হয়।২) মুখের দুর্গন্ধ দুর করতে পুদিনা পাতা জলের সাথে মিশিয়ে কুলি করুন।উপকার পাবেন।৩) পুদিনা পাতা হজম শক্তি বাড়ায়,মুখের অরুচি ও গ্যাসের সমস্যা দুর করে, কর্মক্ষমতা বৃদ্বি করে ও শরীর ঠান্ডা রাখে।৪) পুদিনা ত্বকের যে কোনো সংক্রমণকে ঠেকাতে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। শুকনো পুদিনা পাতা ফুটিয়ে পুদিনার জল তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিন। এক বালতি জলতে দশ থেকে পনেরো চামচ পুদিনার জল মিশিয়ে স্নান করুন। এর ফলে গরমকালে শরীরে ব্যাকটেরিয়া জনিত বিশ্রী দুর্গন্ধের হাত থেকে রেহাই পাবেন, কেননা পুদিনার অ্যাস্ট্রিঞ্জেন্ট গুণ অতুলনীয়। ঘামাচি, অ্যালার্জিও হবে না।

৫) পুদিনা পাতার রস তাত্‍ক্ষণিক ব্যথানাশক উপাদান হিসেবে কাজ করে। পুদিনা পাতার রস চামড়ার ভেতর দিয়ে নার্ভে পৌঁছে নার্ভ শান্ত করতে সহায়তা করে। তাই মাথা ব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথা উপশমে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা যায়। মাথা ব্যথা হলে পুদিনা পাতার চা পান করতে পারেন। অথবা তাজা কিছু পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টে ব্যথায় পুদিনা পাতা বেটে প্রলেপ দিতে পারেন।৬) পুদিনা পাতার চা শরীরের ব্যাথা দুর করতে খুবই উপকারি।৭) মাইগ্রেনের ব্যাথা দুর করতে নাকের কাছে টাটকা পুদিনা পাতা ধরুন।এর গন্ধ মাথাব্যাথা সারাতে খুবই উপকারি।৮) কোন ব্যাক্তি হঠাত করে অগ্গান হয়ে গেলে তার নাকের কাছে পুদিনা পাতা ধরুন।সেন্স ফিরে আসবে।

৯) অনবরত হেচকি উঠলে পুদিনা পাতার সাথে গোলমরিচ পিষে ছেকে নিয়ে রসটুকু পান করুন।কিছুক্ষনের মধ্যেই হেচকি বন্ধ হয়ে যাবে।
১০) গোলাপ, পুদিনা, আমলা, বাঁধাকপি ও শশার নির্যাস একসঙ্গে মিশিয়ে টোনার তৈরি করে মুখে লাগালে তা ত্বককে মসৃণ করে তোলে।
১১) পুদিনা পাতায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোনিউট্রিয়েন্টসের চমত্‍কারী গুনাগুণ যা পেটের যে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে খুব দ্রুত। যারা হজমের সমস্যা এবং পেটের ব্যথা কিংবা পেটের অন্যান্য সমস্যায় ভুগে থাকেন তারা খাবার পর এককাপ পুদিনা পাতার চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। ৬/৭টি তাজা পুদিনা পাতা গরম জলতে ফুটিয়ে মধু মিশিয়ে খুব সহজে পুদিনা পাতার চা তৈরি করতে পারেন ঘরে।

১২) পুদিনাপাতা পুড়িয়ে ছাই দিয়ে মাজন বানিয়ে দাত মাজলে মাড়ি থাকবে সুস্থ, দাত হবে শক্ত ও মজবুত।
১৩) দীর্ঘদিন রোগে ভুগলে বা কোষ্ঠ্যকাঠিন্য থাকলে অনেক সময় অরুচি হয়।এক্ষেত্রে পুদিনা পাতার রস ২ চা চামচ,কাগজি লেবুর রস ৮-১০ ফোটা,লবণ হালকা গরম জলতে মিশিয়ে সকাল বিকাল ২ বেলা খান।এভাবে ৪-৫ দিন খেলে অরুচি দুর হয়ে যাবে।১৪) তাত্ক্ষনিকভাবে ক্লান্তি দুর করতে পুদিনা পাতার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। ক্লান্তি নিমিষেই দুর হয়ে যাবে।

১৫) কফ দুর করতে পুদিনা পাতার রস,তুলসী পাতার রস,আদার রস ও মধু একসাথে মিশিয়ে খান। পুরোনো কফ দুর করতেও এই মিশ্রণ অতুলনীয়।১৬) সুস্থ হার্টের জন্য পুদিনা পাতা অনেক উপকারী। এটি রক্তে কলেস্টরেল জমতে বাধা প্রদান করে। ফলে হার্ট থাকে সুস্থ।১৭) যেকোনো কারনে পেটে গ্যাস জমে গেলে পুদিনা পাতা কার্যকরী ভুমিকা পালন করে। পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবন, কাগজী লেবুর রস ৮/১০ ফোঁটা, হালকা গরম জলর সাথে মিশিয়ে সারাদিন ২-৩ বার খেলে পেটে গ্যাস ভাব কমে আসে।

১৮) পিত্তে শ্লেষ্মার জ্বর, অম্লপিত্ত, আমাশা, অজীর্ণ, উদরশূল, প্রভৃতির কারনে অনেকসময় আমাদের বমি বমি ভাব আসে। এসময় পুদিনার শরবতের সাথে এক চা চামুচ তেঁতুল মাড় ও চিনি মিশিয়ে খেলে বমিভাদ দূর হয়ে যায়।১৯) পুদিনা পাতার রস উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পুদিনা পাতার রস খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে।২০) পুদিনার শেকড়ের রস উকুননাশক হিসেবে খুবই কার্যকরী, এমনকি পাতাও। পুদিনার পাতা বা শেকড়ের রস চুলের গোড়ায় লাগান। এরপর একটি পাতলা কাপড় মাথায় পেঁচিয়ে রাখুন। এক ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দু বার এটা করুন। এক মাসের মধ্য চুল হবে উকুনমুক্ত।

২১) মেয়েদের অনিয়মিত পিরিয়ডের যন্ত্রণা থেকে সেরে ওঠার জন্য পুদিনা পাতা বেশ উপকারী।২২) পুদিনা ত্বককে শীতল করে। খাবারের সঙ্গে নিয়মিত খেলে শরীরের ত্বক সতেজ হয়, সজীব ভাব বজায় থাকে। মৃত কোষকে দূর করে মৃসণ করে তোলে ত্বক। সেজন্য, আধা কাপ পুদিনা পাতা বাটা ও পরিমিত বেসন দিয়ে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে নিলে, উপকার পাওয়া যায়।

২৩) ব্রণ দূর করতে ও ত্বকের তৈলাক্তভাব কমাতে তাজা পুদিনাপাতা বেটে ত্বকে লাগান। দশ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ব্রণের দাগ দূর করতে প্রতিদিন রাতে পুদিনা পাতার রস আক্রান্ত স্থানে লাগান। সম্ভব হলে সারারাত রাখুন। নতুন কমপক্ষে ২/৩ ঘণ্টা। তারপর ধুয়ে ফেলুন। মাস খানেকের মাঝেই দাগ দূর হবে।
২৪) পুদিনা পাতার রস শ্বাস-প্রশ্বাসের নালী খুলে দেওয়ার কাজে সহায়তা করে। ফলে যারা অ্যাজমা এবং কাশির সমস্যায় পড়েন তাদের সমস্যা তাত্‍ক্ষণিক উপশমে পুদিনা পাতা বেশ কার্যকরী। খুব বেশি নিঃশ্বাসের এবং কাশির সমস্যায় পড়লে পুদিনা পাতা গরম জলতে ফুটিয়ে সেই জলর ভাপ নিন এবং তা দিয়ে গার্গল করার অভ্যাস তৈরি করুন।

২৫) পেটের পীড়ায়:- এটি ইরেটেবল বাওয়েল সিন্ড্রোম (আইবিএস) এবং দীর্ঘস্থায়ী বদহজমের বিরুদ্ধে খুবই কার্যকর। এছাড়াও পুদিনা কোলনের পেশী সংকোচন নিয়ন্ত্রন করে।২৬) অ্যাজমা:- পুদিনায় রোজমেরিক এসিড নামের এক ধরনের উপাদান থাকে। এটি প্রাকপ্রদাহী পদার্থ তৈরীতে বাধা দেয়। ফলে অ্যাজমা হয় না। এছাড়াও এ ঔষধি প্রোস্টসাইক্লিন তৈরীতে বাধা দেয়। তাতে শাসনালী পরিষ্কার থাকে।২৭) রোদে পোড়া ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে পুদিনা পাতার রস ও অ্যালোভেরার রস একসঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। পনেরো মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।২৮) পুদিনা পাতা ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। পুদিনা পাতার পেরিলেল অ্যালকোহল যা ফাইটোনিউরিয়েন্টসের একটি উপাদান দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধিতে বাঁধা প্রদান করে।

২৯) পুদিনার তাজা পাতা পিষে মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর যদি তা ধুয়ে ফেলা যায়, তা হলে মুখের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যায়। ব্রণ ওঠাও বন্ধ হয়।৩০) পুদিনার পাতা ভালো করে পিষে তার রস ভালো করে মাথায় ব্যবহার করেন। যাদের চুলে উকুন আছে, তারা খুব উপকার পাবেন।৩১) অরুচিতে রোগে ভোগার পর, পেটে বায়ু জমে ও কোষ্ঠ বদ্ধতায় অরুচি আসে। একই রকম খাদ্য দীর্ঘদিন খেলে অরুচি আসে। এ সব ক্ষেত্রে পুদিনার সরবত ( পুদিনার রস ২ চা চামচ, সামান্য লবন, কাগজী লেবুর রস্‌ ৮/১০ ফোঁটা, হাল্কা গরম জল পোয়া খানিক একত্রে মিশয়ে ) সকাল বিকাল দিনে দুই বার ৫/৭ দিন খেলে অরুচি চলে যায়। পুদিনা পাতা বেটে জলতে গুলে শরবত করা যায়। সে ক্ষেত্রে কাঁচা পাতা ৮/১০ গ্রাম নিতে হবে।

৩২) মুত্রাল্পতায়:- অনেক রোগে প্রস্রাব কম হয়। কিন্তু যে ক্ষেত্রে ঠান্ডা গরমের ফলে সাময়িক ভাবে অল্প অল্প প্রস্রাব হতে থাকে কোনো কোনো সময় দাহ হতে থাকে, সে ক্ষেত্রে পুদিনা পাতা ৮/১০ গ্রাম বেটে তাতে সামান্য লবন ও কাগজী লেবুর রস্‌ পোয়াখানিক ঠান্ডা জল মিশিয়ে শরবত করে দিনে ২/৩ বার খেতে হবে। অন্য কোনো রোগে মূত্রাল্পতা হলে সেক্ষেত্রে এটা ব্যবহার করা যাবে কিনা সেটা নির্ভর করবে রোগের ধরনের ঊপর এবং চিকিত্‍সকের বিচার ধারার উপর।

৩) শিশুদের অতিসারে:- পাতলা দাস্ত, সেই সাথে পেট মোচড় দিয়ে ব্যথা, কোন কোন ক্ষেত্রে অল্প আম -সংযুক্ত দাস্ত, সেই সাথে পেট ফাঁপা, হিক্কা বমি বমি ভাব, প্রস্রাবও সরলি হচ্ছেনা, শিশু কিছুই খেতে চাচ্ছেনা। এক্ষেত্রে পুদিনা পাতার রস্‌ ৮/১০ ফোঁটা আল্প একটু চিনি ও লবন সহযোগে এক ঘন্টা অন্তর কয়েকবার খাওয়াতে হবে। কখন কি ভাবে কতবার খাওয়াতে হবে সেটা নির্ভর করবে রোগীর সুস্থতার ক্রমের দিকে লক্ষ রেখে। বয়স আনুপাতে মাত্রাটা ঠিক করে নিতে হবে।
৩৪)

পুদিনার চা:- বেশী চা খেলে শরীর খারাপ হতে পারে। ঠিক চাএর মত করে চায়ের পাতার বদলে পুদিনা পাতা ও সেই সাথে দুধ চিনি গোল মরিচ ও মৌরি দিয়ে এই চা তৈরী করতে হবে। এই চা খেতে সুস্বাদু এবং খেলে তৃপ্তি হয়।
হাকিমি ও ইউনানি মতে:- পুদিনা পাতা খেলে শরীরে তাপ বাড়ে। শরীরের দূষিত পদার্থ মলের সাহায্যে বেরিয়ে যায়। পাকস্থলি ও বুকের ও কিডনির যাবতীয় গ্লানি ও ক্লেদ দূর হয়।৩৫) যাদের হজমশক্তি কম তারা পুদিনার শরবত ও চাটনি খেলে উপকার পাবেন।
৩৬) পাতলা পায়খানা হলে পুদিনাপাতা বেশ উপকারী।

৩৭) হঠাত্‍ সানস্ট্রোক করলে পুদিনার শরবত খেলে উপকার পাবেন।
৩৮) পুদিনাপাতার সালাদ খেলে পেটে গ্যাস হয় না হজম হয়।
৩৯) পুদিনা মেয়েদের রক্তশূন্যতা পূরণ করে।৪০) মায়ের বুকে দুধ বাড়ে।৪১) যারা প্রস্রাব সমস্যায় ভুগছেন তারা এক গ্লাস জলতে কয়েক ফোঁটা পুদিনাপাতার রস, সামান্য লবণ ও অল্প চিনি দিয়ে শরবত খান প্রস্রাব পরিষ্কার হবে।৪২) মাইগ্রেন বা আধকপালে মাথা ধরায় পুদিনাপাতা বেটে মাথায় লাগালে মাথাব্যথা ভালো হয়।৪৩) যাদের বুক ধড়ফড় করে তারা পুদিনাপাতা খেলে উপকার হবে। সূত্র:ডি.আই.ই

হাসপাতালেই হবে চিকিৎসকদের প্রাইভেট চেম্বার

চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিস করার জন্য সরকারি হাসপাতালে একটি কর্নার রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে প্রত্যেক হাসপাতালে ডে কেয়ার সুবিধা রাখতে বলেছেন তিনি।মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সভাপতিত্ব করার সময় এই নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন এসব কথা জানান পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

তিনি বলেন, দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসকরা অফিস সময়ের পরে বেসরকারি হাসপাতালে বা আলাদা চেম্বারে টাকার বিনিময়ে চিকিৎসা সেবা দেন। এখন থেকে সরকারি হাসপাতালেই সেই ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যাতে চিকিৎসকদের বাইরে যেতে না হয় এবং রোগীরাও সরকারি হাসপাতালেই সেবা পান।তিনি বলেন, বৈঠকে ডে-কেয়ার সেন্টার, কিডনি, হার্ট, ক্যান্সার ও পক্ষাঘাতগ্রস্তদের জন্য আলাদা আলাদা ব্লক এবং রোগীরা আলো-বাতাস পায় এমনভাবে হাসপাতাল তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন সরকারি হাসপাতালেই যাতে চিকিৎসকরা একটা উইং (শাখা) নিয়ে বসে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে পারে, সেই ব্যবস্থা করতে। যেমন আছে বারডেমে। সেখানে একটা উইং আছে, যেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বসেন।ডে-কেয়ার সেন্টারের বিষয়ে তিনি বলেন, কিছু কিছু নার্স বা সিস্টার আছেন যাদের শিশু সন্তান আছে, এছাড়া কিছু কিছু রোগীও বাচ্চা কোলে নিয়ে আসেন, এদের জন্য একটা ডে-কেয়ার সেন্টার করার জন্য বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘কিডনি, হার্ট, ক্যান্সার ও পক্ষাঘাতগ্রস্তদের জন্য ধাপে ধাপে আলাদা আলাদা ব্লক তৈরি করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এটা কিন্তু রাতারাতি হবে না। তবে করতে হবে এখন থেকেই। এগুলোর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী উইশ করেছেন।’তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন হাসপাতালের ডিজাইন দেখলে মনে হয় বাসা বা ফ্ল্যাট। মানে একটা হোটেল হোটেল ভাব। হাসপাতালকে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন করেন। যাতে রোগীরা একটু আলো-বাতাস পেতে পারে।

ডোন্ট মেক ইট ব্লক অব বিল্ডিং। প্লেনে যারা ঢাকায় এসেছেন, তারা বলেছেন, বন্দর বন্দর মনে হয় ঢাকাকে। উপর থেকে যেন মনে হয় হাজার হাজার কন্টেইনার।’এম এ মান্নান আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এটা পরিবর্তন করুন। ডিজাইনটা একটু সুন্দর করুন। খোলামেলা করুন। রোগীরা যাতে আলো-বাতাস পেতে পারে, সেই ব্যবস্থা করুন।প্রয়োজনে ব্যাংককে, চেন্নাইয়ে বাইরের দেশগুলোতে ভালো ভালো হাসপাতাল আছে, সেগুলো দেখে আসুন, তারা কীভাবে বিল্ডিংগুলো করছে, দেখুন।

মানুষের হার্ট সুস্থ রাখতে ডা. দেবী শেঠির ১৩ পরামর্শ

দেবি শেঠি ভারতের বিখ্যাত চিকিৎসক। বলা হয়, বিশ্বের সেরা ১০ জন সার্জনের একজন তিনি।বাংলাদেশেও তিনি বেশ পরিচিত। ভারতের কর্নাটক রাজ্যের ব্যাঙ্গালোর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে শেঠির নারায়ণা হৃদয়ালয় হাসপাতালটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান হাসপাতাল। হৃদরোগ এড়ানোর জন্য তিনি চমৎকার কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। আসুন প্রশ্ন এবং উত্তরের মাধ্যমে তার পরামর্শগুলো জেনে নেই-

(১) খাবারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। শর্করা এবং চর্বিজাত খাবার কম খেতে হবে। আর আমিষের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে।
(২) সপ্তাহে অন্তত পাঁচদিন আধা ঘণ্টা করে হাঁটতে হবে। লিফটে চড়া এড়াতে হবে। একটানা বেশি সময় বসে থাকা যাবে না।
(৩) ধূমপান ত্যাগ করতে হবে।
(৪) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
(৫) রক্তচাপ এবং সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
(৬) শাক জাতীয় নয়, এমন খাবার (যেমন মাছ) খাওয়া হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারীনয়।

(৭) ত্রিশোর্ধ্ব সবার উচিত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।
(৮) জীবনে সব কিছু নিখুঁত হবে এমন ভাবার কোনও কারণ নেই। তাই জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে।
(৯) জগিং করার চেয়ে হাঁটা ভালো। জগিং করলে মানুষ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়।
(১০) অনিয়মিত খাদ্যাভাস মানুষকে জাঙ্ক ফুডের দিকে ঠেলে দেয়। আর তখনই হজমের জন্য ব্যবহৃত এনজাইমগুলো দ্বিধায় পড়ে যায়। তাই নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভাস, হাঁটাহাঁটি এবং আখরোট খেতে হবে।

(১১) হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার ফল এবং সবজি। আর সবচেয়ে খারাপ তৈলাক্ত খাবার। যে কোনও তেলই খারাপ।
(১২) নিয়মিত রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সুগার এবং কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। তাছাড়া রক্তচাপ পরিমাপও জরুরি।
(১৩) হার্ট অ্যাটাক হলে রোগীকে প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে। এরপর জিহ্বার নিচে একটি এ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে। যদি পাওয়া যায় তবে এ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেটও রাখতে হবে। এরপর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কেননা প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়।সূত্রঃ ইন্ডিয়া টুডে