মাত্র ৩টি কাজ করলেই ক্যা’ন্সার থেকে মুক্তি মিলবে, ইনশাআল্লাহ

২০১৭ সালের এক হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে প্রতিবছর ৮২ লাখ মানুষ ক্যা’ন্সারে মৃ’ত্যুবরণ করে। আর প্রতিদিন নতুন করে ৩৩৪ জন মানুষ ক্যা’ন্সারে আ’ক্রা’ন্ত হচ্ছে।এর ব্যয়বহুল চিকিৎসা করতে গিয়ে সর্বশান্ত হয় ৭০ ভাগ মানুষ। অথচ মাত্র ৩টি বিষয়ে সচেতন হলেই ক্যা’ন্সার থেকে অনেকটাই দূরে থাকা সম্ভব বলে মনে করেন ক্যা’ন্সার বিশেষজ্ঞরা।ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যা’ন্সার বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ক্যা’ন্সার কোনো

মর’ণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে।তার মতে, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যা’ন্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:-
১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেন না, শরীরে চিনি না পেলে ক্যা’ন্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে।

২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন।উধাও হয়ে যাবে ক্যা’ন্সার। মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল।

৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যা’ন্সার সেরে যাবে। চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন।ক্যা’ন্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই।উল্লেখ্য, ক্যা’ন্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন। সেই সঙ্গে ডাক্তাররা সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। ডাক্তাররা বলেছেন, “আমরা আমাদের কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।এছাড়া আমাদের রোজকার খাবারে যদি থাকে এই ৭টি খাবার, তাহলে ক্যা’নসার হওয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করতে পারেন ৷

বাদাম: বাদাম ভিটামিন ই এর সবথেকে ভালো উৎস। ভিটামিন ই সমৃদ্ধ চীনাবাদাম কোলন, ফুস’ফুস, যকৃত, এবং অন্যান্য ক্যান্সা’রের ঝুঁ’কি কমায়। সকালে কিংবা বিকালের খাবারে বাদাম রাখুন। এ ছাড়াও এক চামচ বাদামের মাখন লাগানো এক টুকরো পাউরুটি আপনার শরীরকে ক্যা’ন্সার থেকে দূরে রাখতে পারে।বাতাবিলেবু: বাতাবিলেবু, কমলালেবু , ব্রোকলি এই সব কিছুতে রয়েছে ভিটামিন সি। ভিটামিন সি ক্যান্সার হওয়ার জন্য দায়ী নাইট্রোজেন যৌগের গঠন রোধ করে। বাতাবি, কমলালেবু,ব্রকলী এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ অন্যান্য ফল খাদ্যনালী, মূত্রা’শয়, স্ত’ন ক্যা’ন্সার, সার্ভিকাল ক্যা’ন্সার, এবং পেট ও কোলন ক্যান্সা’রের ঝুঁকি কমায়। তাই প্রতিদিন আপনার খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ও শাকসবজি রাখুন।

মিষ্টি আলু: মিষ্টি আলু বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ একটি সবজি। গবেষণায় দেখা যায় উচ্চ মাত্রায় বিটা ক্যারোটিন শরীরে থাকলে তা কোলন, স্তন, পেট ও ফুস’ফুসের ক্যা’ন্সারের ঝুঁকি কমায়। গবেষণায় আরও প্রমানিত হয়, যে মহিলারা মিষ্টি আলুর মত বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ সবজি তাদের খাদ্য তালিকায় প্রতিদিন রাখেন তাদের স্ত’ন ক্যা’ন্সারের ঝুঁকি প্রায় অর্ধেক কমে যায়।

হলুদ: হলুদের মধ্যে বিদ্যমান সবথেকে সক্রিয় একটি উপাদান যা ‘কারকিউমিন’ নামে পরিচিত প্রদাহজনিত সমস্যা বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উভয় হিসাবে কাজ করে। এই অ্যা’ন্টিঅক্সিডেন্ট মানব দেহের টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করে ভেতর থেকে দেহকে ক্যা’ন্সারপ্রতিরোধী করে তোলে। শরীরকে ক্যান্সার প্রতিরোধী করতে চাইলে কাঁচা হলুদ খেতে পারেন অথবা মাছ ও মাং’সের তরকারিতে প্রয়োজন মত ব্যাবহার করতে পারেন।

চা: চায়ে রয়েছে ক্যাটচীন নামক একটি যৌগ। এই যৌগটি মানব’দেহকে ক্যা’ন্সারের আ’ক্রমণ থেকে রক্ষা করে। সম্প্রতি চীনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যারা চা পান করেন তাদের ফুসফুস, প্রস্টেট, কোলন এবং স্ত’ন ক্যা’ন্সারে আ’ক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি যারা চা পান করেন না তাদের থেকে অনেক কম। চায়ের মধ্যে সবুজ চা (গ্রিন টী) ক্যা’ন্সার প্রতিরোধের জন্য সবথেকে কার্যকরী।

বেদানা: বেদানায় রয়েছে ‘এলাজিক অ্যা’সিড’। এই এলাজিক অ্যা’সিড শরীরে ক্যা’ন্সারের জন্য দা’য়ী যৌগকে নি’স্ক্রিয় করে ও ক্যান্সার কোষ বৃদ্ধি বন্ধ করে। যেকোনো উপায়ে পরিবারের সবাইকে আজকে থেকেই বেদানা খাবার জন্য উৎসাহী করুন। সালাদ, জুস, মিল্কশেক অথবা সরাসরি যেকোনো উপায়ে বেদানা খেতে পারেন সবাই।

টমেটো: ক্লি’নিক্যাল অনকোলজি জার্নালে ২০০৯ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায় টমেটো ‘লাইকোপিন’ নামক ক্যা’ন্সার প্রতিরোধকে সমৃদ্ধ। লাইকোপিন দেহকে প্রস্টে’ট ক্যা’ন্সার সহ অন্যান্য ক্যা’ন্সার প্রতিরোধ করে। তাই পুরুষ ও মহিলা প্রত্যেকের সপ্তাহে অন্তত তিনটি টমেটো খাদ্য তালিকায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। ক ‘ডনির পাথর থেকে বাঁচতে হলে শুধু ২টি কাজ করবেন আমাদের দেহের রক্ত পরিশোধনের অ’ঙ্গ কি’ডনি। এছাড়াও শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কি’ডনিতে পাথর হওয়া।কিন্তু ঠিক কি

কি কারণে কি’ডনিতে পাথর হওয়া রোধ করতে পারবেন, জানেন কি? আসুন জেনে নেয়া যাক কি’ডনিতে পাথর হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে, যা হয়তো আপনার জানা নেই।কাচা লবন খাবেন না’ অনেকেই খাবারে লবণ খান যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কারণ লবণের সোডি’য়াম খুব সহজে কি’ডনি দূর করতে পারে না এবং তা জমা হতে থাকে কিডনিতে। এছাড়াও অতিরিক্ত সো’ডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের কারণেও কি’ডনিতে পাথর জমার সম্ভাবনা বাড়ে।পানি

পান করুন কিড’নির কাজ হচ্ছে দে’হের ব’র্জ্য ছেঁকে দেহকে টক্সি’নমুক্ত করা। আরএই কাজটি কি’ডনি করে পানির সহায়তায়। যদি আপনি পানি পরিমিত পান না করেন তাহলে কি’ডনি সঠিকভাবে দেহের বর্জ্য দূর করতে পারে না যা কিড’নিতে জমা হতে থাকে পাথর হিসেবে। সুতরাং পরিমিত পানি পান করুন।-আমাদের সময়।

অতিরিক্ত ডিম খাওয়া ধুমপানের চেয়েও ক্ষ*তিকর!

ডিম কমবেশ অনেকেরই পছন্দের খাবার। অনেকেই সকালের নাস্তায় বা সারা দিনে কোনো একসময় ডিম খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে।তবে এই স্বাস্থ্যকর ডিমেই নাকি ক্ষ*তি! গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা এমন তথ্য সামনে এনেছেন।জার্নাল অব অ্যাথেরসক্লেরোসিস রিসার্চ নামের একটি গবেষণা সংস্থা এই বিষয়টি সামনে

আনে।গবেষকরা জানান, দীর্ঘদিন গবেষণা করে তারা এমন সিদ্ধান্তে এসেছেন। তারা বলছেন, প্রতিদিন ডিম খাওয়া সিগারেটের চেয়েও বেশি ক্ষতিকর!
তাদের তথ্য অনুযায়ী, বেশি ডিম খেলে শরীরে কোলেস্টরেলের মাত্রা বেড়ে যায়। যা হৃদরোগের কারণ হতে পারে।শুধু তাই নয়, ডিম খাওয়ার ফলে আর্থ্রাইটিসের সম্ভাবনাও দেখা যায় বেশি। তবে অনেকেই বলেন, ডিমের সাদা অংশ উপকারী, আর কুসুম খাওয়া ভালো নয়। তাদের এ তথ্যকেএকেবারে
উড়িয়ে দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, ডিমের যে কোনো অংশই অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়।এমনকি বিজ্ঞানীরা বলছেন, কাঁচা ডিমের তুলনায় ওমলেট,

সেদ্ধ কিংবা পোচ খেলে ক্ষতির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন বিজ্ঞানী ভয়ংকর এমন তথ্য সামনে নিয়ে এসেছেন।
অথচ এতদিন চিকিৎসকরা বলেছেন, প্রতিদিন অন্তত একটি ডিম খেলে শরীর ভালো থাকবে।তাহলে এখন ভোক্তারা কী করবেন; চিকিৎসকের পরামর্শ মানবে নাকি বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুসরণ করবেন? সে প্রশ্ন থেকেই যায়।

শীতকালে বিয়ে করার যত সুবিধা

একটা কথা প্রচলিত আছে, দিল্লির লাড্ডু-খেলেও পস্তায়, না খেলেও পস্তায়। অর্থাৎ বিয়ে করলে পস্তাতে হয়, না করলেও তা-ই হয়। তবে যে মহাজন এ প্রবচনটি চালু করেছিলেন, তিনি এর গূঢ়তত্ত্ব ফাঁস করেননি। আর গূঢ়তত্ত্ব ফাঁস না করাতেই এর পক্ষে-বিপক্ষে রয়েছে নানান যুক্তি।তবে এটা ঠিক বিয়ের ক্ষেত্রেও রয়েছে কিছু হিসেব-নিকেশ। অনেকেই বলে থাকেন, শীত আর বিয়ের সঙ্গে মুধুর একটা সম্পর্ক জড়িয়ে আছে। বুদ্ধিমানরা শীতেই বিয়ে করে! তাই যদি হয়, তাহলে শীতে বিয়ে করার কিছু সুবিধার বিষয় জেনে নেয়া যাক-

১. অতিরিক্ত বাজার থেকে মুক্তি : শীত এলেই অনেকের ঠোঁট ফাটার সমস্যা হয়, আবার কারো বাতের সমস্যা থাকলে, তাও প্রকট হয়। অনেকের প্রেসারও আপ-ডাউন শুরু হয়। আর সে কারণে অনেকেই বেশি খেতে পারে না। আর বেশি খেতে না পারলেই বাজারের বাজেট কিছুটা বেঁচে যাবে।

২. মৌসুমী ফল কেনার ঝামেলা নেই : গরম কালের মতো শীতে আম, লিচুর ফলন খুব একটা নেই, তাই ফল কেনার ঝামেলাও নেই। একান্ত দরকার হলে ফল নয় বরং বাম্পার সবজি ফুলকপি নেয়া যায় শ্বশুরবাড়ি। এত বড় সাইজের ফুল পেয়ে কার না মন ভালো হয়? আর পছন্দ না হলেও সমস্যা নেই, রান্না করে খাওয়া তো যাবেই।

৩. কারেন্ট বিল বাঁচায় : শীতকালে ফ্যান চালাতে হয় না। আবার নতুন বউ ঘরে থাকলে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর একটা তাড়া থাকে বলে গুজব আছে। তাই সব লাইট-টিভিও তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। এতে মাসিক বিদ্যুৎ বিল এক্কেবারেই কম হবে।

৪. মশারি টানানোর ক্যাচাল নেই : ঘরের অনেক কাজ করলেও অনেকেই মশারি টানানো বাড়তি ঝামেলা মনে করেন। অলসতা বা অন্য কোনো কারণই হোক না কেন শীতে মশারি টানানো নিয়ে আপনার কোনো টেনশন নেই। কারণ কম্বল মুড়ি দিয়ে ঘুমালে মশা কামড়ানোর কোনো চান্স নেই।

৫. ভরপুর এনার্জি : দাওয়াত, খাওয়া-দাওয়া, প্যান্ডেল- কতো কাজই না করতে হয় বিয়েতে! ৪ থেকে ৫ দিনের ধকল। সবাই মিলে হাত লাগিয়ে সারতে হয়। রাত জাগা, প্রভৃতি উৎপাতে এনার্জি খরচ হয় বিস্তর। তাই শীতই পারফেক্ট সময়। শীতে অনেক কাজ করলেও এনার্জিতে ঘাটতি দেখা যায় না।

৬. সাজগোজে স্বস্তি দেয় : এ দেশের যা আবহাওয়া, শীত বাদে বাকি সময়টায় মেকআপ লাগিয়ে সাজলে মুশকিল। একটু বেশি ঘামলেই গলে গলে পড়ে সব সাজ। তাই কনের সাজ হোক বা বরের, শীতে যেমন খুশি তেমন সাজো। অনেকটা নো টেনশন ডো ফুর্তির মতো! তাই বর-কনে ছাড়া বাকিরাও বিয়েবাড়ির সাজের আনন্দ নিতে পারে চুটিয়ে।

৭. কত ফুল, কত ডেকরেশন : শীতকালে কৃত্রিম ফুলের প্রয়োজনও হয় না। ডালিম, রজনীগন্ধা, অর্কিড, গাঁদা, গোলাপ, জুঁই – সব টাটকা টাটকা পাওয়া যায় প্রায় অর্ধেক দামে।

৮. হানিমুনের চার্ম : বিয়ের পর খুব বেড়ানো যায়। রোদের তাপ নেই, ক্লান্তি নেই। বরের হাত ধরে নতুনের স্বাদটা ভালোই উপভোগ করা যায় শীতে। একেবারে ষোলোকলা পূর্ণ এক হানিমুন!

দুশ্চিন্তাকে দূরে রাখুন মাত্র ৭টি উপায় মেনে

দুশ্চিন্তা করে না এমন মানুষ বর্তমানে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। কিন্তু এই দুশ্চিন্তা থেকেই উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের জন্ম নেয়। টেনশনকে দূরে রাখা ততটা সহজ না হলেও তবে কিছু কৌশল মেনে চললে দুশ্চিন্তা থেকে দূরে থাকা যায়। দেখে নিন সেই কৌশলগুলো-

১. কখনো কোনও বিশেষ কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা হলে অস্থির হবেন না। যেকোনও সমস্যার গুরুত্বই সময়ের সঙ্গে কমে। কাজেই এই ঘটনার গুরুত্বও কমবে।

২. সবসময় নিজের কাজ করে যান। ফলাফল সবসময় আশানুরূপ নাও হতে পারে। এটা নিয়ে ভেঙে না পড়াই ভালো।

৩. অনেক কিছুই আমাদের হাতে নেই। যেকোনও মুহূর্তে যা খুশি ঘটতে পারে। ওলট-পালট হয়ে যেতে পারে সব। মনকে সেভাবে তৈরি রাখুন।

৪. সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করুন। অন্যের দুঃখে দুঃখী হওয়া, অন্যকে সম্মান করা ইত্যাদি

অভ্যাস রপ্ত করতে পারলে নিজের চেয়ে অন্যকে বেশি সময় দিলে ব্যক্তিগত টেনশন কম থাকবে।

৫. কী পাননি তার হিসাব না করে কী পেয়েছেন তার হিসেব করুন।

৬. আদর্শ হিসেবে সামনে কাউকে পান কি না দেখুন যার জীবনযাপন, লড়াই করার ক্ষমতা, বিপদে অবিচল থাকার শক্তি আপনাকে সাহস যোগাবে।

৭. কেউ কিছু বলেছে শুনলেই উত্তেজিত হবেন না। ভেবে দেখুন, তিনি কি আপনার

শুভাকাঙ্ক্ষী, গুরুত্বপূর্ণ কেউ? তেমন কেউ হলে ভেবে দেখুন কেন এমন হলো। নিজের দোষ খুঁজে তা শোধরানোর মতো হলে শুধরে নিন।

সুন্দরী নারী হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় পুরুষের

সুন্দরী নারীরা পুরুষের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় বলে দাবি করেছেন এক দল গবেষক। সম্প্রতি স্পেনের ভ্যালেন্সিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এমন দাবি করেন। তাদের দাবি, সুন্দরী নারীরা সামনে এলে পুরুষের মানসিক চাপ বাড়ে।

৮৪ জন স্বেচ্ছাসেবীর ওপর ৯ বছরের গবেষণা শেষে তাদের দাবি, এ মানসিক চাপ কখনও কখনও এতটাই বেড়ে যায় যে, এর ফলে হার্ট অ্যাটাক পর্যন্ত হতে পারে!গবেষণায় তারা দেখেছেন, সুন্দরী মেয়েরা কাছে আসার ৫ মিনিটের মধ্যেই ছেলেদের হৃদস্পন্দনের গতি অনেকটাই বেড়ে যায়। এ ৫ মিনিটের মধ্যেই ছেলেদের শরীরে ‘কোর্ট্রিসল’ নামের বিশেষ হরমোনের নিঃসরণ অনেকটা বেড়ে যায়।

এ ‘কোর্ট্রিসল’ হরমোনের মাত্রাতিরিক্ত নিঃসরণের প্রভাবে আমাদের হৃদযন্ত্রের ক্ষতির আশঙ্কা অনেকটাই বেড়ে যায়। এছাড়াও দেখা দিতে পারে ডায়াবেটিস ও নানা রকম স্নায়বিক সমস্যা।

মানবদেহে নতুন অঙ্গের সন্ধান, ক্যান্সার রোগীদের জন্য সুখবর

মানবদেহে নতুন অঙ্গের সন্ধান পেলেন বিজ্ঞানীরা। এর নাম দেয়া হয়েছে ‘ইনস্টারটিটিয়াম। এর অবস্থান শরীরের চামড়ার নিচে। এ ছাড়া ফুসফুস, শিরা ও মাংসপেশির গায়ে থাকা টিস্যু লেয়ারের মধ্যেও থাকে এই অঙ্গ। প্রায় সারা শরীরজুড়ে এটি দেখা যায়।

রিপোর্ট বলছে, এর ভেতর দিয়ে দিয়ে ইনস্টারটিটিয়াল ফ্লুইড যায়। এই প্রথমবার ইনস্টারটিটিয়ামকে পৃথক অঙ্গ বলে গণ্য করা হলো। শক্ত ও ফ্লেক্সিবল দুই ধরনের টিস্যু প্রোটিন দিয়েই তৈরি এই অঙ্গ। আর তার মধ্য দিয়ে বয়ে যায় ইনস্টারটিটিয়াল ফ্লুইড।

মূলত ক্যান্সার রোগীদের দেহ থেকে এই অঙ্গের সন্ধান পান বিজ্ঞানীরা। আর এ থেকেই আবিষ্কার করা সম্ভব হবে যে কেন ক্যান্সার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে।

বিজ্ঞানীরা আরও জানান, লেজার এনকোমাইক্রোস্কপি নামে এক নয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করে লিভিং টিস্যু দেখতে পাচ্ছে। এ ছাড়া টিস্যু দেখার জন্য বিশেষ ক্যামেরাও ব্যবহার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: কলকাতা২৪

৬টি ভয়ং,কর রোগ থেকে বাঁচবেন শাপলা খেলে

ময়মনসিংহের সদর ও তারাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন খাল-বিলে ফোটে বিভিন্ন প্রজাতির শাপলা। এর মধ্যে নয়নাভিরাম মনোমুগ্ধকর লাল শাপলার প্রতি আকর্ষণ সবার চেয়ে বেশী।বর্ষা মৌসুমের শুরুতে এ ফুল ফোটা শুরু হয়ে প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত বিল-ঝিল জলাশয় ও নিচু জমিতে প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় লাল শাপলা। আবহমান কাল থেকে শাপলা মানুষের খাদ্য তালিকায় সবজি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত ছিল। সদর ও তারাকান্দা উপজেলায় বিলাঞ্চলের স্বল্প আয়ের

মানুষেরা অভাবী সংসারে এক সময় শাপলা খেয়েই জীবিকা নির্বাহ করার কথা মানুষের মুখে এখনো শোনা যায়। সাদা ফুল বিশিষ্ট শাপলা সবজি হিসেবে ও লাল রঙ্গের শাপলা ঔষধী গুনে সমৃদ্ধ। ছোটদের কাছে শাপলা ফুল একটি প্রিয় খেলনার পাশাপাশি অনন্ত সৌন্দর্যের আকর্ষণ।ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা আঞ্চলিক সড়কের সদর উপজেলার গাছতলা নামক বাজারে পাশে তিতারপুরী বিল। ওই বাজারের ব্যবসায়ী মোশাররফ বলেন, সকালে তিতারপুরী বিলে লাল শাপলা ফুটে উঠে। এ সময় দুর-দুরান্ত থেকে মানুষ লাল শাপলা দেখতে ভীড় জমায়। তাছাড়া বিলটি রাস্তার পাশে হওয়ায় অনেকেই গাড়ি থামিয়ে এই দৃশ্য দেখে। তিনি বলেন, তিতারপুরী বিল ছাড়াও তারাকান্দায় খেলাপুরী, দুবরাপুরী, বাউশী বিলে আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র ও আশ্বিন মাসে এ সময় লাল শাপলা ও

সাদা শাপলা দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে আগের মত আর লাল শাপলা ফুল দেখা যায় না। তবে কিছু কিছু বিলাঞ্চলে এখনো ফুটে থাকতে দেখা যায়নয়নাভিরাম লাল শাপলা। ওইসব লাল শাপলার বিলে ছুঁটে চলেছেন প্রকৃতি প্রেমীরা। কয়েক বছর আগেও বর্ষা কাল থেকে শরৎকালের শেষ ভাগ পর্যন্ত বিল এলাকায় মাইলের পর মাইল মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকত নয়নাভিরাম রক্ত শাপলা বা লাল শাপলা।বর্ষার শুরুতে শাপলার জন্ম হলেও হেমন্তের শিশির ভেজা রোদমাখা সকালের জলাশয়ে চোখ পড়লে রং-বেরঙের শাপলার বাহারী রূপ দেখে চোখ জুড়িয়ে যেত। মনে হত কোন এক সাজানো ফুল বাগানের মধ্যে শ্রষ্টার শ্রেষ্ট জীব হিসেবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছি।এদৃশ্য চোখে না দেখলে বোঝানো যাবে না। ওইসব লাল শাপলার বিলে ছুঁটে আসতেন

প্রকৃতি প্রেমীরা। স্থানীয় কৃষক নইমউদ্দিন বলেন, অনেকে আবার শাপলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছে। স্থানীয়ভাবে সহজলভ্য হওয়ায় এলাকার লোকজন শাপলা তুলে খাদ্য হিসেবে ব্যবহারকরে বিক্রি কম করলেও শহুরে জীবনেও খাদ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। তিনি বলেন, বাড়তি জনগণের চাপের কারণে আবাদী জমি ভরাট করে বাড়ি, পুকুর, মাছের ঘের বানানোর ফলে বিলের পরিমান যেমন কমছে, তেমনি শাপলা জন্মানোর জায়গাও কমে আসছে।তাছাড়া জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের চাষাবাদের কারণে অধিক মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ, জলবায়ু পরিবর্তন, খাল-বিল ও জলাশয় ভরাটের কারনে বিলাঞ্চল থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে লাল শাপলা। এখন খাল-বিল ও জলাশয় থেকে প্রায় হারিয়ে যাচ্ছে লাল শাপলা। অনেকে সৌন্দর্যের জন্য পুকুরেও

চাষ করত লাল শাপলা। তবে ওই সকল পুকুরে কার্প জাতীয় মাছ যেমন- রোবোকার্প, গ্রাস কার্প মাছ চাষের ফলে শাপলার বংশ বিস্তার সমুলে বিনাশ হয়ে যাচ্ছে।জানা যায, সাধারণত শাপলা তিন প্রকারের হয়ে থাকে। এর মধ্যে সাদা, বেগুনী (হুন্দি শাপলা) ও অন্যটি লাল রংয়ের। এর মধ্যে সাদা ফুল বিশিষ্ট শাপলা সবজি হিসেবে ও লাল রঙ্গের শাপলা ঔষধী কাজে ব্যবহৃত হয়। শাপলা খুব পুষ্টি সমৃদ্ধ সবজি। সাধারণ শাক-শবজির চেয়ে এর পুষ্টিগুন অনেক বেশি। শাপলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। শাপলায় ক্যালসিয়ামের পরিমাণ আলুর চেয়ে সাতগুণ বেশি। তিনি আরো বলেন, শাপলা চুলকানী ও রক্ত আমাশয়ের জন্য বেশ উপকারী। তাছাড়া ডায়াবেটিস, বুক জ্বালা, লিভার, ইউরিনারী সমস্যার সমাধানসহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতি ১’শ গ্রাম

শাপলার লতায় রয়েছে খনিজ পদার্থ ১.৩ গ্রাম, এ্যাশ ৮.৭ গ্রাম, খাদ্যপ্রাণ ১৪২ কিলো, ক্যালোরি- প্রোটিন ৩.১ গ্রাম, শর্করা ৩১.৭ গ্রাম, ক্যালশিয়াম ০.৫২ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ০.৩২, ড্রাই মেটার ৮.৪, ক্রুড আমিষ ১৬.৮, ক্রুড ফ্যাট ২.৮ ক্রুড ফাইবার ৬২.৩, নাইট্রোজেন ৩৫.৪,
সোডিয়াম ১.১৯, পটাশিয়াম ২.২৩ ভাগ। ঐতিহাসিক কাল থেকেই শাপলার ফল (ঢ্যাপ) দিয়ে চমৎকার সুস্বাদু খৈ ভাজা যায়। যেটি গ্রামগঞ্জে ঢ্যাপের খৈ বলে পরিচিত।স্থানীয় কৃষকরা দাবি করেন তিতারপুরী বিল ছাড়াও তারাকান্দায় খেলাপুরী, দুবরাপুরী, বাউশী বিল কম করে হলেও ১ হাজার একর জমি দখল করে আছে। অনেকের কাছে শাপলা সৌন্দর্য আর আনন্দের বিষয় হলেও কৃষকের কাছে চরম বিরক্তিকর বলে দাবি করেছেন অনেকে। বোরো মৌসুমের

আগে জমিতে চাষাবাদের জন্য এই শাপলার কারণে জমি পরিস্কার করতে তাদের গুনতে হয় সাধারণের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ। ভাল চাষ না করতে পারলে জমিতে ফলনও কম পাওয়া যায়। তবে প্রকৃতি প্রেমীরা মনে করেন, খাল-বিল ও আবদ্ধ জলাশয়গুলো শুকিয়ে রাখার কারনে শাপলা জন্মানোর ক্ষেত্র নষ্ট হলেও সরকারিভাবে অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রচেষ্টা চালানো প্রয়োজন।

কচু শাক শুধু দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় না, কমায় হৃদরোগের ঝুঁকিও

কচু দক্ষিন এশিয়া ও দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার সুপরিচিত একটি সবজি। এর কাণ্ড সবজি এবং পাতা শাক হিসেবে খাওয়া হয়।কচুর কাণ্ড ও পাতা-সবকিছুতেই প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে।কচু শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিণ, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ডিটারেরী ফাইবার, শর্করা, বিভিন্ন খনিজ ও ভিটামিন রয়েছে।
নিয়মিত কচু শাক খেলে যেসব উপকারিতা পাওয়া যাবে-

১. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে । এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কচু শাক খেলে কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধ করা যায়। আরেক গবেষণা বলছে, কচু শাক স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে দারুন কার্যকরী।

২. কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এ কারণে এটি দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া চোখ সম্পর্কিত জটিলতা কমায়।

৩. কচু শাকে থাকা স্যাপোনিনস,টেনিনস, কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্লাভোনয়েড উচ্চ রক্তচাপ কমায়।নিয়মিত কচু শাক খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে।

৪. যেহেতু কচু শাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে এ কারণে এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৫. কচু শাক রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে নিয়মিত এই শাকটি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

৬. কচু শাক হজমশক্তি বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।

৭. অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরী ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকায় কচু শাক যেকোন ধরনের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।

৮. যারা রক্তস্বল্পতায় ভূগছে তারা নিয়মিত কচু শাক খেতে পারেন। কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে যা রক্তশূন্যতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কচু শাক খেলে কারও কারও অ্যালার্জির সম্ভাবনা বেড়ে যায় । শরীরে র্যা শ দেখা দেয়, চুলকানি হয়।এ কারণে যাদের এ ধরনের সমস্যা আছে তাদের এই শাক খাওয়ার ব্যাপারে বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নেয়া উচিত। সূত্রঃ স্কাই বোল্ড

নামাজ পড়লে মানুষ সুস্থ থাকবে : মার্কিন গবেষণা !

মুসলমানরা দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে। এর মাধ্যমে মূলত আল্লাহ তায়ালার একটি আদেশ পালন হয়। সেই সাথে আল্লাহর সাথেও সাক্ষাত হয়। একটি হাদিসে এসেছে, নামাজ হচ্ছে মুমিনের মেরাজ। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, তারপর তোমরা নামাজ শেষ করার পর দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে সব অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ করতে থাকো। আর মানসিক প্রশান্তি লাভ করার পর পুরো নামাজ পড়ে নাও।

আসলে নামাজ নির্ধারিত সময়ে পড়ার জন্য মুমিনদের ওপর ফরয করা হয়েছে। (সুরা নিসা: ১০৩) নামাজের এই বিধানটি মু’সলমানদের জন্য অনেকভাবেই উপকারী। বিশেষভাবে নামাজ মানসিক চাপ থেকে মুক্তি দেয়। যেই মানুষিক চাপগুলো আমাদের দৈনন্দিনের জীবনে তৈরি হয়। নামাজ বিশেষভাবে মহান আল্লাহর সাথে বান্দার স’ম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। কেননা নামাজের মাধ্যমেই আল্লাহর সাথে বান্দার স’ম্পর্ক বৃদ্ধি পায়।

যুক্তরাষ্ট্রের বিংহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা এটা প্রমাণ করেছে যে, দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার মাধ্যমে মানুষ স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও উপকৃত হতে পারে এবং শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে পারে। গবেষকরা বলেছেন, নামাজের সময় শারীরিক যে ক্রিয়া হয়ে থাকে এটা যদি নিয়মিতভাবে ও নির্ধারিত সময়ে হয় তবে অন্য সকল চিকিৎসা থেকে পিঠের ব্যথা কমানোর ক্ষেত্রে বেশি ভূমিকা পালন করবে এই নামাজ।

শারীরিক এই উপকার ছাড়াও নামাজ আল্লাহর সাথে মানুষের সম্পর্ক বৃদ্ধি করে। আর এই সম্পর্ক মানুষের আত্মাকে প্রশান্ত করে। নিয়মিত নামাজ শরীরের উপর এই ঝিম প্রভাব, রক্তচাপ এবং হৃদস্পন্দন কমাতে পারে, পরিণামে পেশী শিথিল করতে সাহায্য করে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, তারাই এ ধরনের লোক যারা রাসূল (স.)-এর দাওয়াত গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর স্ম’রণে তাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিংহ্যাম্পটন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখিয়েছেন, যদি কেউ ঠিক মতো রুকু করতে পারে তাহলে তার পিঠে কোন ব্যাথা থাকবে না। কেননা রুকুর সময়ই পিঠ সময় হয়ে থাকে। এই গবেষণায় মূলত নামাজ পড়লে শারীরিক যে উপকারগুলো হবে সেই বিষয়গুলোকেই বড় করে তুলে ধ’রা হয়েছে।
রুকুর দ্বারা নীচের পিঠ, উরু এবং ঘাড়ের পেশীগু’লি সম্পূর্ণভাবে প্রসারিত হয়। রক্ত শরীরের ওপরের অংশে প্রবাহিত হয়। সিজদার দ্বারা হাড়ের জোড়ার নমনীয়তা বাড়ে। মাথা নামানোর সময় মস্তিকে রক্ত সঞ্চালন হলে রক্তচাপও কমে, এবং মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। সিজদার পুনরাবৃত্তি শরীরে ভারসাম্য এনে দেয়।

এটা সত্য যে নামাজ শারীরিক উপকারের জন্য পড়তে হয় না। নামাজ পড়তে হয় মহান আল্লাহর আদেশ পালন করার জন্য। বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত নামাজ পড়ে থাকেন তারা শারীরিক অনেক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকেন। এবং তাদের রোগ ব্যাধির হওয়ার সম্ভাবনাও কম থাকে।

রাত জেগে থাকা মানুষদের অকাল মৃ,ত্যুর সম্ভাবনা বেশি

জীবনে নানা প্রয়োজনে আমাদের প্রায় সবাইকে কখনও না কখনও রাত জাগতে হয়। রাত জাগায় আপনি যদি অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন বা অসুবিধা মনে না হলেও এর বেশ কিছু নেতিবাচক দিক রয়েছে।যুক্তরাজ্যের এক গবেষণায় জানা গেছে, যারা রাতে সময়মতো ঘুমাতে যান এবং ভোরে ঘুমথেকে উঠেন এমন মানুষদের চেয়ে যারা রাতে দেরি করে ঘুমাতে যান এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন তাদের কম বয়সে মৃ,,ত্যুবরণের সম্ভাবনা ১০ শতাংশ বেশি। এ

ছাড়া ওই গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, রাত জাগা মানুষদের বিভিন্ন রোগের বেশি ঝুঁকি থাকে।সায়েন্স ডেইলির এক প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্যের নর্থওয়েস্টার্ন মেডিসিন এবং ইউনিভার্সিটি অফ সারে’র এই গবেষণাটির তথ্য প্রকাশিত হয়।ইউকে বায়োব্যাঙ্ক নামের একটি দীর্ঘমেয়াদি জরিপের প্রায় ৫ লাখ অংশগ্রহণকারীর তথ্য নিয়েএই গবেষণা করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠা মানুষ বা ‘ভোরের পাখিদের’ তুলনায় রাতজাগা বা ‘প্যাঁচা’ ধরনের মানুষের মৃ**ত্যু হয় আগে। ওইগবেষণার রাতজাগা মানুষদের মাঝে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের আগামী সাড়ে ছয় বছরের মাঝে মৃ**ত্যুর

সম্ভাবনা আছে বলে জানানো হয়।গবেষণার সহ-লেখক ক্রিস্টেন নাটসন জানিয়েছেন, পৃথিবীতে ভোরে ঘুম থেকে ওঠে এমন মানুষের সংখ্যাই বেশি। এমন একটা পৃথিবীতে রাতজাগা মানুষের জীবনযাপনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে।রাতজাগা মানুষ এবং ভোরে ঘুম থেকে ওঠা মানুষের মাঝে তুলনা করে ডায়াবেটিস এবং
হৃদরোগের ঝুঁকি নিয়ে গবেষণা হয়েছে। তবে মৃ**ত্যুর সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা এই প্রথম হলো।ইউনিভার্সিটি অফ সারে’র ক্রনোবায়োলজি বিষয়ের অধ্যাপক ম্যালকম ভন শান্টজ জানিয়েছেন, যারা রাত জাগেন তাদের কর্মক্ষেত্রেও এ ব্যাপারটি মাথায় রেখে কাজের সময়নির্ধারণ করে দেওয়া উচিত। তারা দেরি করে

কাজ শুরু এবং দেরিতে শেষ করার সুযোগ পেলে তা উপকারী হবে বলে মনে করেন তিনি।রাত জাগার এমন প্রবণতার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে বলে মনে করেন নাটসন। তিনি জানান, এর পেছনে থাকতে পারে মানসিক চাপ,ভুল সময়ে খাদ্য গ্রহণ, যথেষ্ট ব্যায়াম না করা, ঘুম কম হওয়া, জোর করে রাত জাগা, মাদক গ্রহণ বা মদ্যপান।নতুন এই গবেষণায় দেখা গেছে, রাতজাগা মানুষের ডায়াবেটিস, মানসিক সমস্যা এবং স্নায়বিক রোগের ঝুঁকি বেশি।গবেষণায় বলা হয়েছে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাতজাগা মানুষও সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন জরুরি।