একদিনেই ৫৪০ জনের মৃ’ত্যু যুক্তরাষ্ট্রে !!

করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে মা’রা গেছেন পাঁচশ ৪০ জন। দেশটিতে করোনা রোগী শনাক্তের পর গতকালই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ মা’রা গেল। এতে করে করোনা আ’ক্রা’ন্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৃ’তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন হাজার একশ ৬৬ জনে।

সে দেশে এখন পর্যন্ত এক লাখ ৬৪ হাজার দু’শ ৫৩ জন আ’ক্রা’ন্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আ’ক্রা’ন্তদের মধ্যে তিন হাজার পাঁচশ ১২ জনের অবস্থা গুরুতর। পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট নৌ-বাহিনীর ভাসমান হাসপাতাল আশার আলো দেখাচ্ছে নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের।

জানা গেছে, তেলের জাহাজ নতুনভাবে রঙ করে করোনা মোকা’বেলার ল’ড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। জাহাজটি ভেসে যাওয়ার সময় নিউইয়র্ক এবং নিউজার্সির বাসিন্দারা হাডসন নদীর তীরে দাঁড়িয়ে উল্লাস করছিল।

মার্কিন নৌ-বাহিনী বলছে, করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়নি, এমন রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে সেই জাহাজে। যাদের সার্জারি দরকার এবং বিশেষ সেবা দরকার, তাদের ঝুঁকিমুক্ত রাখতে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডে ব্লাসিও বলেন, এটি একটি যু’দ্ধকালীন পরিস্থিতি এবং আমাদের সবাইকে একসাথে ল’ড়তে হবে।

কঙ্গোর সাবেক প্রেসিডেন্ট করোনায় মারা গেলেন

মরণঘাতী করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে কঙ্গোর সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকস জোয়াকুইম ইয়োম্বি ওপাঙ্গো মারা গেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি।জ্যাকস জোয়াকুইম ইয়োম্বি ওপাঙ্গোর পরিবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

জ্যাকস জোয়াকুইম ইয়োম্বি ওপাঙ্গো ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত কঙ্গোর নের্তৃত্ব দেন। ওপাঙ্গোর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।তার ছেলে জ্যাঁ জ্যাকস বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আগে থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।

যে কারণে ওয়ালটনকে ভেন্টিলেটর তৈরিতে আমেরিকান কোম্পানি সহায়তা করছে

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের এ দুঃসময়ে দেশে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে যাচ্ছে ওয়ালটন। জানা গেছে ওয়ালটনকে সব ধরনের সহায়তা করতে যাচ্ছে নাকি আমেরিকান কোম্পানি মেডট্রনিক (Medtronic)। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন আমেরিকান কোম্পানি ওয়ালটনকে সহযোগিতা করবে। সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে ডিফেন্স রিসার্স ফোরাম এর করা একটি পোস্টে।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকেই ডিফেন্স রিসার্স ফোরামের পেজ থেকে একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে। পাঠকের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।পোস্টটিতে বলা হয়েছে, ফুসফুসের ব্রোংকিউল গুলি যখন ফ্লামেটেড হয় এবং জলীয় পদার্থ জমে তখন শ্বসনের মাধ্যমে নেয়া অক্সিজেন অক্সি হিমোগ্লোবিনে রূপান্তরে বাধা প্রাপ্ত হয়। শুরু হয় শ্বাস কষ্ট এবং নিউমোনিয়া।

এমন সময় শ্বাস স্বাভাবিক রাখতে ভেন্টিলেটর লাগে। এটি তৈরি করা এত সহজ কোনো বিষয় না।আপনারা জেনেছেন ওয়ালটন দেশে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে যাচ্ছে। কিন্তু এত হাইটেক জিনিস তারা কীভাবে বানাবে? বলা হচ্ছে আমেরিকান কোম্পানি Medtronic ওয়ালটন কে সব ধরনের সহায়তা করবে।এখানে প্রশ্ন আসে মেডট্রনিক কেন ওয়ালটনকে এ ক্রান্তিকালে সহায়তা করছে?? এর পেছনে একজন বাঙালির প্রতি কৃতজ্ঞতা না প্রকাশ করলে অন্যায় হবে। তিনি হলে বিশ্বের এক নম্বব মেডিকেল ইকুইপমেন্ট নির্মাতা কোম্পানি মেডট্রনিক এর CEO জনাব ওমর ইসরাক। এ কোম্পানির সম্পদের পরিমাণ $১০০ বিলিয়নের বেশি। সারা বিশ্বে প্রায় ১ লাখ মানুষ কাজ করে এ কোম্পানিতে।ঠিক এরকম একটি কোম্পানির সিইও জনাব ওমর ইসরাক ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করা এবং সেন্ট জোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে পড়া একজন গর্বিত বাঙালি।

তার আরেকটি পরিচয় আছে। ইনটেল কে চেনে না এমন কোনো মানুষ নেই। জনাব ওমর ইসরাক এই ইনটেল কোম্পানির চেয়ারম্যান।ফেসবুকে ভারতীয়রা গর্ব করে নাসায় তাদের অমুক অমুক বিজ্ঞানী আছে, গুগলে আছে ইত্যাদি। কিন্তু আমারা বাংলাদেশিরা কখনো এ দেশের সফল মানুষদের চিনতে চাই না। আগ্রহ পায় না। ডেফ্রেস এর আগে বেশ কয়েকটি পোস্টের মাধ্যমে এ রকম অনেক বাংলাদেশির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

কোভিট-১৯ এর এই দুর্যোগে জনাব ইসরাক মেডট্রনিক (Medtronic) কোম্পানির তৈরি করা PB-560 ভেন্টিলেটর এর স্বত্ব উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যে কেউ চাইলে এখন থেকে ডিজাইন এবং স্পেসিফিকেশন নিয়ে এটি তৈরি করতে পারবে। ওয়ালটনের ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এই মেডট্রনিক কোম্পানি।

নিউইয়র্কে হাজার রোগীর শয্যা নিয়ে আসা জাহাজ দেখতে হাজারো মানুষের ভিড়

নিউইয়র্কে ম্যানহাটনের পিয়ার-৯০–তে আমেরিকান নেভির জাহাজ ইউএসএনএস-কমফোর্ট এক হাজার রোগীর শয্যা নিয়ে নিউইয়র্কে এসেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ দুপুরে সেই জাহাজ দেখতে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করেছিল।
ওই এলাকার কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা রাজুব ভৌমিক বলেন, এটা আসলে মানুষের স্বভাব।
মানুষ জন্মগতভাবেই কৌতূহলপ্রিয়। কিন্তু এই কৌতূহল যেন কারও মৃত্যুর কারণ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ জাহাজ দেখতে আসেন নিউইয়র্কবাসী।সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ জাহাজ দেখতে আসেন নিউইয়র্কবাসী। আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৫৩ জন। নিউইয়র্ক রাজ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় নিউইয়র্কে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৩২৫। এতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৪২ জনের।

করোনা নিয়ে চিন্তিত জার্মানির অর্থমন্ত্রী আত্মহত্যা করেছেন !!

জার্মানির হেসি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী টমাস শ্যাফার আত্মহত্যা করেছেন। করোনাভাইরাসের প্রভাবে ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে কিভাবে মোকাবেলা করবেন সেই দুশ্চিন্তায় তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে জানিয়েছেন রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ভোলকার বাউফিয়ার। অর্থমন্ত্রীর আত্মহত্যা নিয়ে রবিবার তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, অর্থমন্ত্রী গভীর চিন্তিত’ হয়ে আত্মহত্যা করেছেন। করোনাভাইরাসের ধাক্কায় ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে কিভাবে মোকাবেলা করবেন সেটা নিয়ে গভীর চিন্তিত ছিলেন তিনি। শ্যাফার (৫৫) শনিবার (২৮ মার্চ) রেললাইনের কাছে মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন। উইসবাডেন প্রসিকিউশনের কার্যালয় বলেছে যে তারা বিশ্বাস করেন যে তিনি আত্মহত্যা করে মারা গেছে।

বাফিয়ার এক বিবৃতিতে বলেছেন,’আমরা হতবাক, আমরা অবিশ্বাসের মধ্যে রয়েছি এবং সর্বোপরি আমরা চরম দু:খিত।’ হেসির বাড়ি জার্মানির অর্থনৈতিক রাজধানী ফ্র্যাঙ্কফুর্টে। যেখানে ডয়চে ব্যাংক এবং কমার্স ব্যাংকের মতো প্রধান অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির সদর দফতর রয়েছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকও ফ্রাঙ্কফুর্টে অবস্থিত।

চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মেরকেলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী বাউফিয়ার বলেছিলেন, ‘শ্যাফার ১০ বছর ধরে হেসি রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ছিলেন। তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করছিলেন। মহামারি করোনায় ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে কিভাবে পুনরায় দাঁড় করানো যায় সেটা নিয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছিলেন তিনি। আজ আমাদের ধরে নিতে হবে যে তিনি গভীর চিন্তিত ছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই কঠিন সময়ে আমাদের অবশ্যই তাঁর মতো ব্যক্তির প্রয়োজন ছিল।’ জনপ্রিয় এবং সম্মানিত শ্যাফার দীর্ঘদিন ধরে বাউফিয়ারের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসাবে যুক্ত ছিলেন। বাউফিয়ারের মতো, শ্যাফারও মেরকেলের মধ্য-ডানপন্থী সিডিইউ পার্টির সদস্য ছিলেন। তিনি স্ত্রী এবং দুই সন্তান রেখে গেছেন।

উল্লেখ্য, ইউরোপের দেশ জার্মানিতে করোনাভাইরাস বিধ্বংসী রূপে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটিতে এরই মধ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫৮ হাজার ২৪৭ জনে গিয়ে ঠেকেছে। মৃত্যু হয়েছে ৪৫৫ জনের।

করোনার মধ্যেও সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে

মরণঘাতী করোনা ভাইরাসে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। এরই মধ্যে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ ও দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর জিজানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। গতকাল (২৮ মার্চ) এসব হামলা চালানো হয়। আবর নিউজে প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে রিয়াদের দাবি, তারা এসব হামলা প্রতিহত করতে সমর্থ হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনও গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। রিয়াদের পক্ষ থেকেও কাউকে দায়ী করা হয়নি। তবে সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বরাত দেয়া হয়েছে। এ থেকে প্রতীয়মান হয়, ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত শিয়াপন্থী হুথি বিদ্রোহীরা এ হামলা চালিয়ে থাকতে পারে। ইতোপূর্বেও দফায় দফায় দেশটিতে হামলা চালিয়েছিল হুথি।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দারা একাধিক বিস্ফোরণের কথা নিশ্চিত করেছেন। বিস্ফোরণের পর উত্তরাঞ্চলীয় কয়েকটি জেলায় জরুরি সাইরেন দেয়া হয়।

২০১৫ সালে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদিকে উচ্ছেদ করে রাজধানী সানা দখলে নেয় হুথি বিদ্রোহীরা। পালিয়ে রিয়াদে আশ্রয় নেন সৌদি সমর্থিত হাদি। ২০১৫ সালের মার্চে হুথির বিরুদ্ধে মিত্রদের নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ‘অপারেশন ডিসাইসিভ স্টর্ম’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে রিয়াদ। এ অভিযানে এখন পর্যন্ত নারী ও শিশুসহ ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ঘরছাড়া হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ। দুর্ভিক্ষের মুখে রয়েছে পুরো ইয়েমেন।

চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের মামলা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে এবার চীনের বিরুদ্ধে দায়ের করা হল ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের মামলা। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, চীন ‘যুদ্ধের জৈবিক অস্ত্র’ হিসেবে বানিয়েছিল এই মারণ করোনা ভাইরাস।ল্যারি ক্লেম্যান নামের এক আইনজীবী ও তার আইনি প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম ওয়াচ ও বাজ ফটোজ যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের একটি আদালতে চীনা সরকারের বিরুদ্ধে এই মর্মে একটি মামলা দায়ের করেছে।

ওই আইনজীবীর মামলার অভিযোগে বলেছেন, ‘প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি চীন ‘যুদ্ধের জৈবিক অস্ত্র’ হিসেবে তৈরি করেছে। চীনের ইচ্ছা বা অনিচ্ছা যেভাবেই হোক এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ায় মার্কিন আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি ও নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে।’মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন সেনা অথবা অন্য কোনো দেশ যারা চীনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে, তাদের ধ্বংস করতেই এই মারণ ভাইরাস তৈরি করেছে চীন। মামলাকারীদের দাবি চীনের তৈরি জৈবিক অস্ত্রের ফলাফল হচ্ছে এই মারণ ভাইরাস।

আর তাই তারা ২০ ট্রিলিয়ন ডলার দাবি করেছে চীনের কাছে।মামলাকারীদের বিস্ফোরক দাবি, চীনের উহানের ল্যাবরেটরি থেকে এই ভাইরাস বেরিয়ে পড়েছে। তাদের অভিযোগ, অসংখ্য মানুষকে মারতেই চীন এই মারণ জৈবিক অস্ত্র তৈরি করছিল। এরপরে চীনের ইচ্ছা বা অনিচ্ছা যেভাবেই হোক এটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ায় মার্কিন আইন লঙ্ঘনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি ও নিয়ম লঙ্ঘন হয়েছে।

সৌদি আরবে থুতু ফেলেই শিরচ্ছেদ

সৌদি আরবের একটি বিপণিবিতানে ট্রলিতে থুতু ফেলায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে শিরশ্ছেদ করা হতে পারে। সৌদির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় হাইলে শপিং ট্রলিতে অজ্ঞাত ওই ব্যক্তি থুতু ফেলেন। এমন একসময় তিনি এই অপরাধটি করলেন, যখন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে সৌদি সরকার।

সূত্র জানায়, আটকের পর ওই ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কিন্তু কী উদ্দেশ্যে তিনি এমনটি করেছেন, তা এখনও পরিষ্কার হওয়া সম্ভব হয়নি। সৌদি অনলাইন ওয়েবসাইট আজেলের খবরে বলা হয়, ‘বিপণিবিতানে থুতু ফেলা সৌদিতে বড় ধরনের অপরাধ। এ ধরনের কাজ ধর্মীয় ও আইনগতভাবে নিন্দনীয়।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে পত্রিকাটি বলছে, তার এই আইন লঙ্ঘনকে সমাজে ইচ্ছাকৃতভাবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে দেয়া ও জনমনে আতঙ্ক উসকে দেয়ার অপচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কাজেই এই অপরাধের সাজা হিসেবে ওই ব্যক্তির শিরশ্ছেদও হতে পারে। উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৌদিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আর দেশটিতে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১২ জনে, যাদের মধ্যে ২৩ চিকিৎসাকর্মীও রয়েছেন।

এবার উদ্বিগ্ন চীন লক্ষণ বিহীন নতুন রোগীদের নিয়ে

চীনের উহানে প্রথম করোনায় হানা দেয়। সেখান থেকে নিজেদের অনেকটা গু’ছিয়ে নিয়েছিল চীন। নতুস করে করোনায় আকান্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা নেমেছিল শূন্যে। এ যেন চীনের এক অভাবনীয় সাফল্য। তবে নতুন করে করোনায় আক্রা’ন্ত হচ্ছে চীনে। তবে এসব রোগীদের মধ্যে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে না। যার জন্য এ ধরনের রোগীদের নিয়ে নতুন করে উদ্বি’গ্ন সৃষ্টি হয়েছে চীনে। এসব রোগী নতুন করে সংকটের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।নিজেদের অসুস্থতার কথা না জেনেই তারা ফের ভাইরাসটি ছড়িয়ে দিতে পারে বলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, এখন

পর্যন্ত এ ধরনের রোগী ৪০ হাজারের বেশি নতুন সংক্রমণ গোপন না করতে দেশের জনগণ ও কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাণঘাতী রোগ কোভিড-১৯ এর নিয়ন্ত্রণে উপসর্গবিহীন আক্রান্তরাই সবচেয় বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে হাজির হতে পারে। তাদেরকে শনাক্ত করতে না পারলে রোগটির সংক্রমণ বন্ধও কঠিন হয়ে যাবে।চীনে এ ধরনের উপসর্গবিহীন আক্রান্তের সংখ্যা গোপন রাখা হয়েছে, তাদেরকে আক্রান্তের মোট সংখ্যায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অপ্রকাশিত কিছু নথির সূত্র ধরে সাউথ চায়না

মর্নিং পোস্ট দেশটিতে উপসর্গবিহীন আ’ক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজারেরও বেশি হতে পারে বলে ধারণা দিয়েছে।মঙ্গলবার পর্যন্ত চীন মোট ৮১ হাজার ২১৮ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্তের কথা জানিয়েছে। মৃত্যুর খবর দিয়েছে তিন হাজার ২৮১ জনের।উপসর্গবিহীন এ আক্রান্তদের খোঁজ বের হচ্ছে মূলত শনাক্ত হওয়া ব্যক্তির ‘সংস্পর্শে আসা’ ব্যক্তিদের পরীক্ষার মাধ্যমে। পরীক্ষায় যাদের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলছে, উপসর্গ থাকুক না থাকুক, তাদের স্থান হচ্ছে কোয়ারেন্টিনে।

নিউজিল্যান্ড কেউ মা’রা না গেলেও জরু’রি অবস্থা জারি করলো

নিউজিল্যান্ডে জ’রুরি অব’স্থা ঘো’ষনা করা হয়েছে। দেশটির সরকার করোনা ভাইরাসের প্রা’দুর্ভা’ব ঠে’কাতে এই পদক্ষে’প নেয় বলে জা’নিয়েছে সিএনএন।এর আগে, মঙ্গলবার আগাম স’তর্ক’তা অবল’ম্বন করে এক মাসের লকডাউন ঘোষণা দিয়ে জনগণকে ঘরে থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আর্ডার্ন।

নিউজিল্যান্ডে একদিনে ৪০ জন আক্রা’ন্ত হলে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫৫ জনে। তবে এ পর্যন্ত ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি।জরুরি অবস্থা ঘোষনার পর দেশটির নাগরিক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পেনি হেনারে এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘জরুরি অবস্থা হালকাভাবে নেয়ার জন্য করা হয়নি। আমরা সবাই যদি নিজের পক্ষ থেকে কাজ করে ঘরে বসে থাকি তবে আমদের প্রাণ রক্ষা হবে।