ফেসবুক বন্ধ করে দিতে বললেন ট্রাম্প !

ফেসবুক ভেঙে (বন্ধ) দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ওভাল অফিসে ওই সাক্ষাৎকারে জাকারবার্গকে ফেসবুক ভেঙে দেয়ার আহ্বান জানান ট্রাম্প।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাকারবার্গের সঙ্গে সাক্ষাতের একটি ছবি টুইটারে পোস্ট করেন। সেখানে দেখা গেছে, হাত মিলিয়ে জাকারবার্গের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করছেন ট্রাম্প। ক্যাপশনে ট্রাম্প লিখেছেন- ওভাল অফিসে দারুণ সাক্ষাৎ হলো ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে ওই সাক্ষাৎকারে জাকারবার্গকে ফেসবুক ভেঙে দেয়ার আহ্বান জানান ট্রাম্প। আর ট্রাম্পের সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যানও করেন মার্ক জাকারবার্গ।

কাশ্মীর ইস্যুতে সৌদি আরবের যুবরাজ সালমানের সঙ্গে এক টেবিলে ইমরান

কাশ্মীর ইস্যুতে সৌদি আরবের যুবরাজ সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। দুই দিনের সরকারি সফরে বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরব যান তিনি।বন্দরনগরী জেদ্দায় পৌঁছে বৈঠকে যুবরাজকে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি অবহিত করেছেন ইমরান খান।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, ইমরান খান কাশ্মীর পরিস্থিতির পাশাপাশি পাকিস্তান ও সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ নিয়েও আলোচনা করেন।
একই সঙ্গে তিনি সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনায় সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানান। ওই হামলার পর সৌদি আরবের প্রতিদিন তেলের উৎপাদন অর্ধেক কমে গেছে।

পার্সটুডে বলছে, এর আগে ইমরান খান জেদ্দার বিমানবন্দরের রাজকীয় টার্মিনালে অবতরণ করলে তাকে অভ্যর্থনা জানান মক্কার গভর্নর খালিদ বিন ফয়সাল আল সৌদ।ইমরান খানের সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী এবং ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল, যার মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি এবং অর্থ উপদেষ্টা আব্দুল হাফিজ শেখ।

পবিত্র কোরআন শিক্ষার সময় স্কুলে ভয়াবহ আগুন, নি’হত ২৭ !

পশ্চিম আফ্রিকার লাইবেরিয়ার একটি স্কুলে ভয়াবহ অগ্নি’কাণ্ডে কমপক্ষে ২৭ শিশুর মৃ’ত্যু হয়েছে। এদের বয়স ১০ বছরের মধ্যে। প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন ইমাম এবং ২ শিশু। তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। বুধবার পুলিশের তরফে একথা জানানো হয়েছে।‘পড়ুয়ারা যখন পবিত্র কোরআন পড়ছিল সে সময় আগুন লাগে’ বলে পুলিশের মুখপাত্র মোসেস কার্টার জানিয়েছেন।

এই অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। তবে বৈদ্যুতিন শর্টসার্কিট থেকে এই আগুন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। গোটা ঘটনার বিশদ তদন্ত করছে পুলিশ।লাইবেরিয়ার প্রেসিডেন্ট জর্জ উইয়া ট্যুইট করে জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে রাজধানী মোনরোভিয়ার উপকণ্ঠে ওই স্কুলটিতে আগুন লাগে। আবাসিক ওই স্কুলটিতে মোট ২৯ জন পড়ুয়া পড়ত।তিনি লিখেছেন, ‘গত রাতে পেনেসভিল্লে শহরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নি’হত শিশুদের পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা।

স্বজনহারা পরিবার এবং সমগ্র লাইবেরিয়ার ক্ষেত্রে এটি খুব কঠিন সময়।’লাইবেরিয়ার বড় শহরগুলিতে বাড়ি ভেঙে পড়া বা ত্রুটিপূর্ণ বিদ্যুৎ পরিবহন ব্যবস্থার কারণে আগুন লাগা কোনও নতুন ঘটনা নয়। তবে এই ধরনের ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে ঘটেনি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সৌদি আরবের দুটি তেলক্ষেত্রে হামলা , বেড়ে যাচ্ছে জ্বালানি তেলের দাম !

হুথি বিদ্রোহীরা দাবি করছে সৌদি আরবের দুটি তেলক্ষেত্রে তারা হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি এর পেছনে আছে ইরান। আর ইরান এর সঙ্গে তাদের কোন সম্পর্কের কথা জোর গলায় অস্বীকার করছে।সৌদি আরবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনার ওপর নাটকীয় হামলার পর তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।এর ফলে দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে তেলের দাম ভোগান্তি হচ্ছে জ্বালানি তেল ব্যবহারকারীদের।

সৌদি আরবের এই তেলস্থাপনাগুলো গোটা বিশ্বের তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে খু্বই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এগুলো যে কতটা নাজুক অবস্থায় আছে, এই হামলা সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে।ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যে বিমান হামলা চালাচ্ছে সৌদি আরব, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের মদদ আছে। সৌদি আরবের এসব বিমান সরবরাহ করেছে পশ্চিমা দেশগুলো। বহু দিন ধরে সৌদি আরব হুথি বিদ্রোহীদের বি,রুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।কিন্তু প্রতিপক্ষও যে পাল্টা হামলার ক্ষমতা রাখে, সৌদি তেল স্থাপনার ওপর এই আঘাত তারই প্রমাণ।

তবে এই ঘটনা সেই পুরোনো বিতর্ককে আবার উস্কে দিয়েছে- হুথি বিদ্রোহীদের ইরান কী পরিমাণ সামরিক এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে? মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এমনিতেই অস্থিতিশীল। সেখানে এই সর্বশেষ ঘটনা যেন পুরো অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ করে তুলেছে।কিন্তু এই হামলা একই সঙ্গে ইরানের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি এবং কৌশলের ব্যর্থতাও ফুটিয়ে তুলেছে।সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার ব্যাপারে নানা দাবি এবং পাল্টা দাবির মধ্যে অনেক তথ্য এখনো অজানা। হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিভিন্ন টার্গেটে আগেও ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। কিন্তু ড্রোন হামলা থেকে তারা খুব সীমিত সাফল্যই পেয়েছে।

তবে এবারের যে হামলা সেটা এমন মাত্রার যে তার সঙ্গে আগেরগুলোর কোন তুলনাই চলে না। বহুদূর থেকে যেরকম ব্যাপক মাত্রায় যে ধরনের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করা হয়েছে, তার নজির নেই।ক্ষেপণাস্ত্র নাকি ড্রোন
এই হামলার ব্যাপারে আরেকটি প্রশ্নের উত্তর অমীমাংসিত। হামলায় কি আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকেল (ইউএভি) ব্যবহার করা হয়েছে, নাকি নতুন কোন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র। যদি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেন তার সংকেত পেল না?আরেকটি প্রশ্ন হচ্ছে হামলার পেছনে ইরাকের কোন ইরানপন্থী মিলিশিয়া গোষ্ঠী ছিল, নাকি স্বয়ং ইরানই জড়িত?

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও কিন্তু কোন সময় নষ্ট না করে সরাসরি তেহরানের দিকে আঙ্গুল তুলছেন এই ঘটনার জন্য। এ ব্যাপারে কোন গোয়েন্দা তথ্যের জন্য পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করেননি।কয়েকঘণ্টা পর অবশ্য মার্কিন সূত্রগুলো দাবি করতে থাকে মোট ১৭টি স্থানে এই ড্রোন হামলা হয় এবং প্রতিটি ক্ষেত্রেই এসব হামলা হয়েছে উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে। যুক্তরাষ্ট্র বলতে চাইছে এই হামলা হয়েছে ইরান বা ইরাকের দিক থেকে, দক্ষিণের ইয়েমেন থেকে নয়।যুক্তরাষ্ট্র বলছে, তারা এই হামলার ব্যাপারে আরও বিস্তারিত তথ্য জানাবে। হামলায় ব্যবহৃত যেসব ড্রোন টার্গেট পর্যন্ত যেতে পারেনি, সেগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে।

কোন দিক থেকে হামলা ২০০৮ সালে জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞ প্যানেল বলেছিল, হুথি বিদ্রোহীদের কাসেফ-ওয়ান ড্রোনের সঙ্গে ইরানের আবাবিল-টি ড্রোনের ব্যাপক সাদৃশ্য আছে।জাতিসংঘের দলটি তাদের রিপোর্টে বলেছিল, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে যে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা জারি আছে, ইরান সেটি ভঙ্গ করেছে এবং হুথি বিদ্রোহীদের নানা রকম অস্ত্র সরবরাহ করেছে।কাসেফ-ওয়ান কিংবা আবাবিল-টি ড্রোন বড়জোর ১০০ বা ১৫০ কিলোমিটার দূরত্বে যেতে পারে। ইয়েমেনের সীমান্ত থেকে খুরাইস তেল ক্ষেত্রের দূরত্ব প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার। যেসব টার্গেটে হামলা হয়েছে, তার মধ্যে এই তেলক্ষেত্রই ইয়েমেনের সবচেয়ে কাছে। কাজেই ইয়েমেনের দিক থেকে যদি এই হামলা হয়ে থাকে, তাহলে এবারের ড্রোনগুলো নিশ্চিতভাবেই একেবারে ভিন্ন ডিজাইনের, যেগুলো অনেক বেশি দূরত্ব পাড়ি দিতে পারে এবং অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য।

ইরান এবং সম্ভবত হুথি বিদ্রোহীদেরও হয়তো আরও দূরপাল্লার ড্রোন আছে। কিন্তু এ পর্যন্ত ইয়েমেনের যুদ্ধে সেধরনের ড্রোনের ব্যবহার দেখা যায়নি।আরেকটা জল্পনা হচ্ছে, হামলায় হয়তো ক্রুজ মিসাইলও ব্যবহৃত হয়ে থাকতে পারে। হয়তো ইরাক বা ইরান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে। কিন্তু এই দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা তথ্যের দরকার হবে।সর্বাত্মক যুদ্ধের ঝুঁকি কতটাকিন্তু শেষ বিচারে এসব খুঁটি-নাটি তথ্যের কোন মানে দাঁড়ায় না। কারণ কূটনৈতিক ক্ষতি যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরব ইরানের নির্মম শত্রু। ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে মনস্থির করে ফেলেছে। পারস্য উপসাগরে বিভিন্ন জাহাজে হামলার জন্য তারা ইরানকেই দোষী করছে।ইরান তাদের একটি তেলবাহী জাহাজ জিব্রালটারে আটক হওয়ার পর পাল্টা একটি ব্রিটিশ জাহাজ জব্দ করে।ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, সৌদি আরবের তেল স্থাপনার বিরুদ্ধে হুথি বিদ্রোহীদের যত হামলা, তার সবকটিতে ইরানের হাতের ছাপ স্পষ্ট।

কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এ ব্যাপারে তারা কী করবে বা কী করার ক্ষমতা রাখে? এর উত্তর হচ্ছে, সম্ভবত খুব বেশি কিছু করার ক্ষমতা নেই।ইয়েমেনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এমনিতেই শক্তভাবে সৌদি আরবের পক্ষে। কিন্তু এই যুদ্ধের ব্যাপারে মার্কিন কংগ্রেসে অতটা উৎসাহ নেই।কংগ্রেসে এমন মত প্রবল হচ্ছে যে, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে এই সৌদি বিমান হামলার কোন মানে নেই। একটা গরীব দেশের ওপর এই হামলা এক বড় মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করছে।ট্রাম্প প্রশাসন যদিও সৌদি আরবের পক্ষে ব্যাপক সমর্থন জোগাচ্ছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের কথা বলছে, বাস্তবে তেহরানের কাছে তারা কিন্তু নানা ধরনের বার্তা দিচ্ছে।

একদিকে মনে হচ্ছে ট্রাম্প যেন ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে একটা মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চান। তিনি মাত্রই তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনকে বরখাস্ত করেছেন। জন বোল্টন হচ্ছেন সেরকম একজন কট্টরপন্থী, যিনি কিনা যে কোন পন্থায় ইরানের রাষ্ট্রক্ষমতায় পালাবদলের পক্ষে।ইরান এবং হুথি বিদ্রোহীরা যুদ্ধে যে ধরনের কৌশল নিয়েছে, সেটা শক্তিমানের বিরুদ্ধে দুর্বলের লড়াইয়ের চিরাচরিত কৌশল। বেশিরভাগ কৌশল যেন রুশদের কাছ থেকে ধার করা- যে কোন কিছু অস্বীকার করা, ছায়াযুদ্ধ, সাইবার হামলা এবং প্রপাগান্ডা যুদ্ধ।

তেহরান ভালো করেই জানে, ট্রাম্প মুখে যত কথাই বলুন, আসলে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন কোন যুদ্ধে জড়াতে চান না, বরং যুদ্ধ থেকে বের করে আনতে চান। এর ফলে ইরানই বরং এখন পাল্টা সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছে।কিন্তু যে কোন মূহূর্তে যে কারও একটা ভুল হিসেবের কারণে একটা সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার আশংকা আছে, যেটা আসলে কেউই চায় না।##বিবিসির কূটনৈতিক প্রতিবেদন জোনাথন মার্কাসের লেখা কলাম।

ভারত মহাসাগরে চীনের ৭ যু,দ্ধজাহাজ, উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি !

ভারত মহাসাগরে ভারতীয় জলসীমা থেকে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে টহল দিচ্ছে সাতটি চীনা যুদ্ধ জাহাজ। ভারতীয় নৌবাহিনীর নজরদারি বিমানে সেই যুদ্ধজাহাজগুলোর ছবি ধরা পড়েছে।ভারতীয় সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, এডেন উপসাগরে জলদস্যু দমনের নামে ভারত মহাসাগর অঞ্চলে কৌশলে প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে চীন। সম্প্রতি ভারতীয় নৌবাহিনীর হাতে যে তথ্যপ্রমাণ এসেছে তাতে সেই আশঙ্কাই জোরালো হচ্ছে।

নৌবাহিনীর বরাতে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, ভারত মহাসাগরে ভারতীয় বিশেষ ব্যবসায়িক এলাকা (এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন) ও আঞ্চলিক জলসীমার কাছাকাছি চীনাযুদ্ধ জাহাজগুলোকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছে নৌবাহিনী। ভারতের পি-৮১ অ্যান্টি সাবমেরিন নজরদারি বিমানের মাধ্যমে এর ছবিও হাতে পেয়েছে তারা।যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে ল্যান্ডিং প্ল্যাটফর্ম ডক ও উভচর যানও রয়েছে চীনের টহল দলে। মালাক্কা প্রণালী হয়ে ভারত মহাসাগর এলাকার ২২ দেশ নিয়ে তৈরি ইন্ডিয়ান ওশিয়ান রিমঅ্যাসোসিয়েশন বা আইওআরএ-র জলসীমায় ঢোকার সময়ই চীনা যুদ্ধ জাহাজগুলো শনাক্ত করতে সক্ষম হয় ভাতীয় নৌবাহিনী।

ভারতীয় জলসীমার কাছে এভাবে যুদ্ধজাহাজ টহলের ঘটনা নিয়ে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে চীনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।চলতি বছরে প্রতি তিন মাস অন্তর বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামান সাগরে নজরদারি চালাতে দেখা গিয়েছে চীনের নৌবাহিনীকে। ফেব্রুয়ারিতেই আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপের মাঝ দিয়ে দক্ষিণ চীন সাগরের হাইনান নৌঘাঁটিতে পৌঁছেছিল তিনটি চীনা যুদ্ধজাহাজ।
ভারত মহাসাগরে আন্দামান সীমান্তের খুব কাছে এত ঘন ঘন চীনের নৌবাহিনীর আগমনে ব্যাপক চিন্তায় রয়েছে নয়াদিল্লি।

৩৯ দিন পর কাশ্মীর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল মোদি সরকার !

নিরাপত্তা ও বিশৃঙ্খলা রোধের কারণ দেখিয়ে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরে ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে জানায়, টানা ৩৯ দিন পর জম্মু ও কাশ্মীরে ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে

কাশ্মীর সরকারের জনসংযোগ ও তথ্য অধিদফতর। এবং সেখানে পুনরায় ল্যান্ডলাইন পরিষেবা চালু করা হয়েছে।ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে আংশিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হলেও জীবনযাত্রায় খুব বেশি পরিবর্তন আসেনি। দোকানপাট বন্ধই ছিল, ফাঁকা ছিল স্কুলগুলোও। সড়কগুলোতে খুব বেশি গাড়ি চলাচল করতে দেখা যায়নি। তবে  নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়ার পর চালু হয়েছে ফোন লাইন ও মোবাইল পরিষেবাও।

গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করা হয়। কেড়ে নেওয়া হয় কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার ও বিশেষ মর্যাদা। একটি বিল পাসের মাধ্যমে লাদাখ ও কাশ্মিরকে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়।এই ঘটনায় সকল ধরনের বিক্ষোভ আন্দোলন ঠেকাতে কাশ্মীরে কারফিউ জারিসহ মোতায়েন করা হয় বিপুলসংখ্যক অতিরিক্ত সেনা। কাশ্মীরের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীসহ প্রায় ৪ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পাশে দাড়াল ৫০ দেশ !

কাশ্মীরে ভারত সরকারের দমন নিপীড়নের বিরোধিতা করে এ ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে পাশে দাড়িয়েছে ৫০টি দেশ। মঙ্গলবার চীন-তুরস্কসহ অর্ধশতাধিক দেশ কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান সমর্থন করে যৌথ বিবৃতি প্রদান করে।

এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও আনাদলু এজেন্সির খবরে বলা হয়, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি কাশ্মীরে ভারত সরকারের দমন-নিপীড়নের কথা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরেন।পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগের পর চীন-তুরস্কসহ অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র এক যৌথ বিবৃতিতে কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান।

টুইটারে দেয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে আজ ৫০টিরও বেশি দেশ পাকিস্তানের পক্ষে ঐতিহাসিক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।যৌথ বিবৃতিতে ভারত সরকারের প্রতি পাঁচটি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, জাতিসংঘ সনদ, নিরাপত্তা কাউন্সিলের রেজুলেশন, মানবাধিকারের মান এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে একমত হয়ে ভারত শাসিত জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও তাদের সম্মান রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান থাকা উচিত।

বিশেষত তাদের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা অধিকারের বিষয়ে।কাশ্মীরে যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ ও অবিলম্বে কারফিউ প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে দেশগুলো। পাশাপাশি সেখানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও বন্দুকের ব্যবহার বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বাধাহীন প্রবেশাধিকারের দাবি জানানো হয়েছে।বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবানা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীর সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করছি।

চীন-তুরস্কসহ ৫০টি দেশের সমর্থনের ঘটনাকে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলে পাকিস্তানের ঐতিহাসিক সাফল্য আখ্যায়িত করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।শাহ মাহমুদ কোরেশি বলেন, যৌথ বিবৃতিতে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে জাতিসংঘ এবং ওআইসি-র অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ।

ভারত ও চীন সীমান্তে সেনাদের মধ্যে হা,তাহাতি !

কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতি অব্যাহত। কাশ্মীরের পর এবার ভারত ও চীন সীমান্তে উত্তেজনা বেড়ে গেল। গতকাল বুধবার বিকেলে লাদাখে ভারতীয় সেনা এবং চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মির মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, লাদাখের প্যাঙ্গং লেক ভুবন বিখ্যাত। তার উত্তরের ১৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ তীরবর্তী এলাকার দুই তৃতীয়াংশই চীনের দখলে রয়েছে।

ভারতের দখলে রয়েছে এক তৃতীয়াংশ। মাঝে লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল তথা ভারত-চীনের মূল সীমারেখা।বুধবার বিকেলে ভারতীয় সেনারা সেখানে টহল দেয়ার সময় সময় আপত্তি করে চীনা সেনা। প্রথমে তর্কাতর্কি, তারপর হাতাহাতি বেঁধে যায়। খবর পেয়ে সেখানে দ্রুত আরও সেনা পাঠানো হয় কাছেই ভারতীয় সেনা ছাউনি থেকে।একইভাবে সেখানে সেনা মোতায়েন বাড়িয়ে দেয় চীনও। এভাবে সংঘাতের পরিমাণ যখন বেড়ে যায় তখন দুই দেশে সেনা কমান্ডাররা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে তা থামানোর চেষ্টা করেন।

প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে কাশ্মীরও। উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পর পরই তা নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানায় চীন। এ ব্যাপারে তারা তাদের কৌশলগত বন্ধু দেশ পাকিস্তানের পাশেই দাঁড়িয়েছে। এমনকী জাতিসংঘও কাশ্মীর প্রশ্নে ভারতের বিরুদ্ধেই মত রেখেছে বেইজিং। তাতে উত্তেজনা বেড়েছে বরং কমেনি।তবে নয়াদিল্লির কূটনীতিকদের মতে, সীমান্ত নিয়ে হোক বা কাশ্মীর প্রসঙ্গে- বেজিংয়ের সঙ্গে দ্রুত কোনও নিষ্পত্তির সম্ভাবনা নেই। তা গত তিরিশ বছর ধরেই চলছে।

কাশ্মীর ইস্যুতে ‘জাতিসংঘে’ পাকিস্তানকে ৫০টি দেশের সমর্থন করল

কাশ্মীরে ভারত সরকারের দমন নিপীড়নের বিরোধীতা করে এ ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ৫০টি দেশ। মঙ্গলবার চীন-তুরস্কসহ অর্ধশতাধিক দেশ কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান সমর্থন করে যৌথ বিবৃতি প্রদান করে।

এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও আনাদলু এজেন্সির খবরে বলা হয়, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি কাশ্মীরে ভারত সরকারের দমন-নিপীড়নের কথা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে তুলে ধরেন।পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগের পর চীন-তুরস্কসহ অর্ধশতাধিক রাষ্ট্র এক যৌথ বিবৃতিতে কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে ভারতের প্রতি আহ্বান জানান।টুইটারে দেয়া এক পোস্টে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কাশ্মীর ইস্যুতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে আজ ৫০টিরও বেশি দেশ পাকিস্তানের পক্ষে ঐতিহাসিক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।

যৌথ বিবৃতিতে ভারত সরকারের প্রতি পাঁচটি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, জাতিসংঘ সনদ, নিরাপত্তা কাউন্সিলের রেজুলেশন, মানবাধিকারের মান এবং আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে একমত হয়ে ভারত শাসিত জম্মু-কাশ্মীরের মানুষের মৌলিক মানবাধিকার ও তাদের সম্মান রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান থাকা উচিত। বিশেষত তাদের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা অধিকারের বিষয়ে।কাশ্মীরে যোগাযোগের ওপর বিধিনিষেধ ও অবিলম্বে কারফিউ প্রত্যাহার এবং রাজনৈতিক নেতাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছে দেশগুলো।

পাশাপাশি সেখানে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও বন্দুকের ব্যবহার বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বাধাহীন প্রবেশাধিকারের দাবি জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবানা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জম্মু-কাশ্মীর সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করছি।

পাকিস্তানি ডাক্তাররা নিয়ন্ত্রণ রেখা অ*তিক্রম করে কাশ্মীরিদের চিকিৎসাসেবা দিতে যাচ্ছে –

কাশ্মীরিদের চিকিৎসাসেবা দিতে নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করার পরিকল্পনা করছে পাকিস্তানি ডাক্তারদের একটি দল। সোমবার ভারত সরকারের অনুমতি নিয়ে সীমান্ত পেরোনোর কথা রয়েছে তাদের। ডাক্তার, নার্স ও প্যারামেডিকদের নিয়ে গঠিত এ দলের সদস্য ৭৫ জন।
রোববার দলটি আজাদ কাশ্মীরের মুজাফফারাবাদ পৌঁছেছে। তবে ভারত সরকারের অনুমতি মিলবে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য ইন্টারন্যাশনাল।

গত ৩০ আগস্ট লাহোরের ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্স (ইউএইচএস) এবং পাকিস্তান সোসাইটি অব ইন্টারনাল মেডিসিন (পিএসআইএম) স্বাক্ষরিত এক চুক্তি অনুসারে কাশ্মীরিদের চিকিৎসাসেবা দিতে যাচ্ছে এ দলটি। ডাক্তারদের এ দলটির সঙ্গে পর্যাপ্ত ওষুধও থাকবে বলে জানিয়েছে দৈনিক ডন।গত ৫ আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নেয় ভারত সরকার। আরোপ করা হয় চলাচলের বিধিনিষেধ। কারারুদ্ধ রাখা হয় কাশ্মীরের নেতাদের। বন্ধ করা হয় মোবাইল, ইন্টারনেট ও ল্যান্ডলাইন সেবা। ফলে অঞ্চলটির চিকিৎসাসেবা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।
হাসপাতালগুলোতে ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘ ৩৬ দিন ধরে চলাচলে কড়াকড়ি থাকায় ডাক্তার এবং নার্সরা হাসপাতালে যেতে সমস্যায় পড়েছে।

রাজধানী শ্রীনগরের প্রধান হাসপাতালের ডাক্তারদের জরুরি অপারেশন থিয়েটারে পাঠানো হলে অবশিষ্ট ডাক্তার দিয়ে প্রাত্যহিক সার্জারির কাজে বিলম্ব হচ্ছে। অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে অনেক রোগীকে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। শ্রীনগরের প্রায় ৩ হাজার ওষুধ বিতরণ কেন্দ্র রয়েছে। কিন্তু কড়াকড়ির মধ্যে হাসপাতালগুলোতে ওষুধ পাঠানো সম্ভব হয়নিকাশ্মীরের এ সংকটময় পরিস্থিতিতে সেখানকার বাসিন্দাদের পাশে দাঁড়াতে চান পাকিস্তানি ডাক্তাররা। কাশ্মীর প্রবেশে ভারত যাতে বাধা না দেয় সেজন্য বিজেপি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইউএইচএসের ভাইস চ্যান্সেলর জাভেদ আকরাম। ডাক্তারদের ওই দলে তিনিও রয়েছেন।জাভেদ বলেন, ‘মুজাফফারাবাদে জাতিসংঘ প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠকের পর আমরা জম্মু-কাশ্মীরে প্রবেশের জন্য লাইন অব কন্ট্রোল (নিয়ন্ত্রণ রেখা) অতিক্রম করব।’

ভারত সরকার তাদের প্রবেশের অনুমতি দেবে কিনা তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি। ভারত বাধা দিলেও মানবিক প্রয়োজনে তাদের অন্তত তিনজন ডাক্তারকে যেন অনুমতি দেয় সেই আহ্বান জানিয়েছেন জাভেদ।এদিকে, ৩৬ দিন অবরুদ্ধ থাকার পর কাশ্মীরের অধিকাংশ স্থানে দিনের কড়াকড়ি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে নিরাপত্তা বাহিনী ও শিয়া মুসলমানদের মধ্যে সংঘর্ষের পর শ্রীনগরের বেশিরভাগ এলাকায় পুনরায় কারফিউ জারি করেছে ভারত।শনিবার সন্ধ্যায় রেইনাওয়ারি ও বাদগ্রামে ওই সংঘর্ষে অন্তত ১২ বেসামরিক নাগরিক এবং ছয় সেনা সদস্য আহত হয়েছেন। এরপরই রোববার সকালে পুলিশ ভ্যান থেকে লাউড স্পিকারে নগরীর লাল চক ও আশপাশের এলাকায় কারফিউ জারির ঘোষণা দেয়া হয়।