বিদেশ থেকে পেঁয়াজ এনেছেন প্রবাসীরা

পেঁয়াজ এখন সোনার হরিণ। হাতে পাওয়া খুবই দুষ্কর বললে ভুল হবে, হাতে নেয়ার উপায়ই নেই। পেঁয়াজের দাম এখন রীতিমত আকাশ ছোয়া।এরমধ্যেই দেখা গেল একজন তার বন্ধুর বিয়েতে পেঁয়াজ গিফট করেছে। পেঁয়াজ নিয়ে এমনখবর প্রায়ই আসছে পত্র-পত্রিকায়।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে

চলছে ট্রল। পেয়াজ নিয়ে ট্রল। সেটাও খুশিতে নয়, বরং দুঃখে।এরমধ্যেই ফেসবুকে একটি ছবি ভাইরাল হল। বিদেশ থেকে এক প্রবাসী পেয়াজ নিয়ে এসেছেন দেশে। সত্য বা মিথ্যা বুঝার উপায় নেই, কিন্তু এই ছবিটি ভাইরাল হয়েছে।বিদেশ থেকে যেখানে বিভিন্ন গিফট সামগ্রী আনার কথা সেখানে এনেছেন পেয়াজ। এই জাতিকে এখন খুশি করার জন্য পেঁয়াজই যথেষ্ট।

দেশে ফিরে নি,র্যাতনের বর্ণনা দিলেন সেই সুমি

প্রতি রাতেই শরীরের ওপর চলত নির্যাতন। প্রতিবাদ করলেই মা,রধ,র। একপর্যায়ে অজ্ঞা ন হয়ে পড়তাম। কিন্তু তাতে তারা থে মে যেত না। ওই অব স্থায়ই শ রীরের ওপর ঝাঁ পিয়ে পড়ত।জ্ঞান ফিরলে বুঝতে পারতাম সেটা। আমি প্রথমে যেই বাসায় ছিলাম, সেই বাসার মালিক চালাত এমন নি র্যা তন। একপর্যায়ে ওই মালিক আমাকে বি ক্রি করে দেয় আরেক বাসায়।ওই বাসায় গিয়ে পড়ি আরেক বি প দে। সেখানেও শা রী রিক নি,র্যা,তন। নতুন মালিক বলল, বাংলাদেশি প্রায়

৪ লাখ টাকায় আমাকে কিনেছে সে।আ ত্মর ক্ষায় প্র তিবাদ করলে নতুন মালিক বলে, “তোকে কিনে এনেছি। তোর স ঙ্গে যা ইচ্ছা তা-ই করব।” এভাবে প্রতি রাতে আমার ওপর চলত নি,র্যা,তন।’শুক্রবার দেশে ফিরে এভাবেই নি র্যা তনের ব র্ণনা দিয়েছেন সৌদিতে যাওয়া নারী শ্র মিক সুমি আক্তার। তার বাড়ি পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপীর ইউনিয়নের বৈরাতী গ্রামে। গতকালসকাল ৭টা ১৫ মিনিটে এয়ার অ্যারাবিয়ার একটি ফ্লাইটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান।তার সঙ্গে দেশে ফিরেছেন নির্যাতনের শিকার আরও ৯১ নারী গৃহকর্মী। এ সময় ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ডের পরিচালকও উপসচিব মো. জহিরুল ইসলাম বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে বিমানবন্দরের

আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নে সহযোগিতা করেন।বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সুমিকে ভিআইপি টার্মিনাল দিয়ে বের করে নিয়ে আসা হয়। এরপর বোর্ডের নিজস্ব গাড়িতে সুমিকে তার বাড়ি পঞ্চগড়ের উদ্দেশে পাঠানো হয়। স্বামীনুরুল ইসলাম বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকলেও তার কাছে সুমিকে হস্তান্তর করা হয়নি।পঞ্চগড়ের বোদায় তার বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদচেয়ারম্যান হুমায়ূন কবীর প্রধানের উপস্থিতিতে হযরত শাহজালাল
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহকারী পরিচালক আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং বোদা উপজেলানির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদ হাসান

সুমিকে তার বাবা রফিকুল ইসলাম ও মা মলিকা বেগমের কাছে হস্তান্তর করেন। এ সময় সুমির স্বজন ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে মেয়ের ওপর নির্যাতনের কথা জানতে পেরে নাওয়া-খাওয়া ভুলে দুশ্চিন্তায় দিন কাটিয়েছেন মা মলিকা বেগম। মেয়েকে দেশে ফিরিয়ে এনে দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অভাব-অনটনের সংসারে কিছু টাকা আয়ের জন্য বিদেশে গিয়েছিল মেয়েটা।

কোনোদিন ভাবতে পারিনি এমন অবস্থার শিকার হবে আমার এই মেয়েটি।’সুমির স্বামী নুরুল ইসলাম জানান, স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের খবর জানতে পেরে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে তিনি বাদী হয়ে সুমিকে সৌদিতে পাঠানো রিক্রুটিং প্রতিষ্ঠান ‘রূপসী বাংলা ওভারসিজের’ মালিক আক্তার হোসেনের নামে পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি যুবককে কু পিয়ে হ’ত্যা

মালয়েশিয়ায় আব্দুল্লাহ আল-মামুন (৩২) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে কু,পিয়ে হ’ত্যা করেছে দুর্ব ত্তরা। মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তাকে কু,পিয়ে হ’ত্যা করা হয়।নি,হ,ত আব্দুল্লাহ আল-মামুন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের রামনগরগ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে।কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, দশ বছর আগে শ্র মিক হিসেবে মালয়েশিয়া যায় মামুন।এর মধ্যে কয়েক বার

বাড়িতেও এসেছেন বেড়াতে। শুক্রবার বিকালের দিকে বাড়িতে সংবাদ আসে মালয়েশিয়ারএকটি দোকানে ক র্মরত থাকা অবস্থায় স ন্ত্রা সীরা তাকে কু পি য়ে হ’ত্যা করে। তবে মালয়েশিয়ার কোথায় এ ঘ টনা ঘ টে ছে সেটি জানাতে পারেনি তার পরিবার।কালিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রা প্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন,ঘটনাটি বিভিন্ন মাধ্যমে শুনেছি। তবে বিস্তারিত কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই। মামুনের পরিবারও থানায় বিষয়টি জানায়নি।

ভুক্তভোগী নারী বলেন:দিনে ঘুমাতে দিলেও সারারাত পুরুষ দিয়ে জ্বা লাতন করত

গত ১০ মাসে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরত এসেছেন ২০ হাজার ৬৯২ বাংলাদেশি শ্র মিক। ফে রত আসা শ্রমিকদের বেশিরভাগেরই অ ভিযোগ, ভিসা ও আকামার মেয়াদ থাকা স ত্ত্বেও জো র করে ফেরত পাঠিয়েছে সৌদি সরকার। সেই সঙ্গে শা রীরিক নি র্যাতন ও কা রাব ন্দি হতে হয়েছে। আর নারী শ্র মিকরা হয়েছেন পা শবিক নি র্যা তনের শি কার।

চোখে স্ব চ্ছল তার স্ব প্ন নিয়ে দেশ ছেড়ে, সৌদি আরবে পা ড়ি জমিয়েছিলেন কুমিল্লার মিলন শেখ । কিন্ত এখন তার দুচোখে ভর করেছে সর্ব স্ব হা রানোর হ তা শা। মি লনের মতো হাজারও বাংলাদেশি শ্রমিক সৌদি আরবে ভা গ্য ফেরাতে গিয়ে, নিঃ স্ব হয়ে দেশে ফিরছেন। এরই ধা রাবা হিকতায় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় সৌদি এয়ারলা ইন্সের এসভি-এইট জিরো ফোর ফ্লাইটে, দেশে ফেরত এসেছেন আরও ৮৭ শ্রমিক।

বাংলাদেশে জো র করে ফেরত পাঠানোর এসব শ্র মিকের অ ভিযোগ, ভিসা ও আকামার মেয়াদ থাকলেও অ জ্ঞা ত কারণে তাদের ফেরত পা ঠানো হয়েছে। পাওয়া গেছে শা রীরিক ও মা নসিক নি র্যাতনের অ ভিযোগও।মিলন শেখ বলেন, ৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা খরচ করে গিয়ে আমি না খেয়ে দেয়ে জে ল খে টে আসলাম।আরেকজন ভু ক্তভো গী নারী বলেন, দিনে ঘুম পাড়িয়ে রাখত, রাতে জা গিয়ে রা খত। রাতে পুরুষরা এসে আমাদের জ্বা লাতন করতো। তখন তাদের কথা না শুনলে মা রত।

অ বস্থার উন্নয়নে সরকারকে এ বিষয়ে জোরালো প দক্ষে প নেয়ার তাগিদ দিচ্ছেন, মা নবাধিকার ও উন্নয়ন কর্মীরা।ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম তথ্য কর্মকর্তা আল-আমিন নয়ন বলেন, ১০ মাসে ২০ হাজারের বেশি কর্মী দেশে ফিরেছে। এছাড়া নারী কর্মী ফিরেছে ১২০০ জন।এছাড়াও শুক্রবার সৌদি থেকে দেশে ফেরার অ পেক্ষায় আছেন আরও শতাধিক নারী শ্র মিক।

সৌদি সরকার ২০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বাংলাদেশে ৮টি মসজিদ নির্মাণ করবে

বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স হারকান হুয়াইদাহ বিন শুয়াইয়াহ জানিয়েছেন, ২০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে বাংলাদেশে আটটি মসজিদ নির্মাণ করবে সৌদি সরকার। ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহর সঙ্গে তার সচিবালয়ের কার্যালয়ে সাক্ষাতকালে
তিনি এ তথ্য জানান।হারকান হুয়াইদাহ বিন শুয়াইয়াহ জানান, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত বাংলাদেশের যে আটটি স্থানে মসজিদ নির্মাণ করা হবে সেসব স্থান

সরেজমিন পরিদর্শন করার জন্য একটি টিম বাংলাদেশ সফর করবে।সৌদি সরকারের মসজিদ নির্মাণের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সৌদি সরকার কর্তৃক বাংলাদেশে মসজিদ নির্মাণ নিঃস ন্দে হে একটি আনন্দের বিষয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে নিজস্ব অর্থায়নে সারা দেশে প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের সময়ে বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যকার দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক এক

নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। মুসলিম উম্মার কল্যাণে সৌদি সরকারের সব প্রচেষ্টার সাথে থাকবে বাংলাদেশ।সাক্ষাতকালে ধর্ম সচিব মো. আনিছুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব ড. মোয়াজ্জেম হোসেন, যুগ্ম সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী এবং সৌদি এম্বাসেডর কার্যালয়ের পরিচালক খালেদ আল ওতাইবি উপস্থিত ছিলেন।

মালয়েশিয়ায় নাইট ক্লাবে অভিযান : ৪ বাংলাদেশি নারীর কা*রাদ*ণ্ড

মালয়েশিয়ার আদালতে চার বাংলাদেশি নারীসহ ১৬২ জন নারীকে কা*রাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির আদালত।দ**ণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে চারজন বাংলাদেশি, ১৫২ জন থাইল্যান্ড এবং ৬ জন কোরিয়ান ও লাওসের নাগরিক।বুধবার কুয়ালালামপুরের একটি আদালতের বিচারক হারিদশাম মোহাম্মদ ইয়াসিন তাদের ২৫ থেকে ৩০

দিন পর্যন্ত কারা**দণ্ডের আদেশ দেন।আদালত সূত্র জানায়, গত ৩ আগস্ট স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে জালান কিলাং লামার তিনটি না*ইট ক্লাবে অভিযান চালিয়ে দে**হ ব্যবসার অভিযোগে ১৬২ জনকে আ***টক করা হয়।এদিকে পুলিশের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, মা*নবপাচার চ*ক্রের কবলে পড়ে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের নারীরা মালয়েশিয়ায় এসে দে**হ ব্য*৮বসায় জড়িয়ে পড়ছে। প্রতিদিন কোনো না কোনো স্থানে পুলিশের অভি*যানে ধরা

পড়ছে এসব নারী।অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেশটির বিভিন্ন সেফ হোমে এ পর্যন্ত আ*৮টক রয়েছেন প্রায় ৩৫বাংলাদেশি নারী। আ*৮টক নারীদের কাছ থেকে পাচারকারীদের পরিচয় জানতে জিঙ্গাসাবাদ করছে পুলিশ।এদিকে, বেতন না দিয়ে দীর্ঘদিন জিম্মি করে রেখে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে এমন ১২ বাংলাদেশিসহ ১৮ জন শ্রমিককে উদ্ধার করেছে মালয়েশিয়ার পুলিশ।দেশটির একটি সবজি ফ্যাক্টরিতে তারা কর্মরত ছিলেন। ওই ঘটনায় ২ জন নারী

মালিককে আটক করা হয়েছে এবং পরে আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে ২ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।পুলিশ জানায়, দীর্ঘ দুই মাস কাজ করলেও কোনো বেতন পাননি তারা। প্রতিদিন সকাল ৮ থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত কাজ করতে বাধ্য করত মালিকপক্ষ।বেতন চাইলেই বিভিন্ন টালবাহানাসহ বলত, যেদিন দেশে যাবি, সেদিন বেতন পাবি। উদ্ধার হওয়া ১৮ জনের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশি এবং ৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক রয়েছেন।

মক্কায় ক্রেন দু,র্ঘটনায় আ,হত নূরকে সোয়া কোটি টাকা দিল সৌদি

সৌদি আরবের মক্কায় মসজিদ আল হারামের নির্মাণকাজে ব্যবহৃত একটি ক্রেন ভে**ঙে পড়ার ঘ*টনায় আ*হতমোহাম্মদ আব্দুল নূর আব্দুল কাইয়ুমকে এক লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৩ মার্কিন ডলার (প্রায় এক কোটি ১৩ লাখ টাকা) ক্ষতিপূরণ দিয়েছে সৌদি সরকার।সৌদি সরকারের দেয়া ক্ষতিপূরণের চেক বুধবার (১৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, জেদ্দার মাধ্যমে আব্দুল কাইয়ুমের নিকট হস্তান্তর করা হয়।অনুষ্ঠানে কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এফ

এম বোরহান উদ্দিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। ক্ষতিপূরণের অর্থ পেয়ে সৌদি সরকার ও কনস্যুলেটের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আব্দুল কাইয়ুম।উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ওই দু**র্ঘ*টনায় নি*র্মাণকাজে ব্যবহৃত ক্রেন ভে**ঙে বিভিন্ন দেশের ১১৮ জন নি**হ*ত ও ৩৯৪ জন আ***হত হয়েছিলেন।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ !

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ছবি ব্যবহার করে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন সম্পর্কে গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে হাইকমিশন।এ ব্যাপারে গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ হাইকমিশন কুয়ালালামপুরের নিজস্ব ফেসবুক পেজে এক বার্তার মাধ্যমে প্রবাসীদের সতর্ক করা হয়।

হাইকমিশনের দেওয়া পোস্টে জানানো হয়, ‘কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনে সেবাপ্রত্যাশীরা বসার জায়গা না পেয়ে বাগানের ভেতর গাছের নিচে বসে আছেন—এমন কিছু বিকৃত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে পোস্টসহ বিভিন্ন বানোয়াট তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। ফলে প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন।’পোস্টে আরো বলা হয়, ‘যারা এসব ভুয়া খবর ছড়াচ্ছে কিংবা তথ্য ও ছবি বিকৃত করার মাধ্যমে কারো সম্মানহানি করছে অথবা কোনো কিছু উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত হাইকমিশনার মো. শহীদুল ইসলামের সঙ্গে রয়্যাল মালয়েশিয়ান পুলিশের আইজির (সিআইডি, ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন, স্পেশাল বিভাগ এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিটের প্রধানদের উপস্থিতিতে) বিশেষ বৈঠকে অনলাইনে (ইউটিউব, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি) অপপ্রচার, চাকরি দেওয়া, বৈধকরণ, ভিসা, পাসপোর্ট, টিপি করিয়ে দেওয়ার নামে শোষণ ও প্রতারণার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। এসব অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ ও ইমিগ্রেশন ডিপার্টমেন্ট।’

এসব ব্যাপারে কোনো কিছু যাচাই না করে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত উসকানিতে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে আরো জানানো হয়, বাংলাদেশ হাইকমিশনের পাসপোর্ট কার্যালয়ে আসা সেবাপ্রত্যাশীদের অপেক্ষা করার জন্য কার্যালয়ের ভেতর যথেষ্ট জায়গা রাখা হয়েছে। সেখানে তাঁরা অপেক্ষা করতে পারেন, যতক্ষণ তাঁদের কাজ শেষ না হয়। এসব গুজবের ব্যাপারে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত সব প্রবাসীকে সতর্ক করেছে মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশন।

দেশে ফেরার অপেক্ষায় লিবিয়ায় আটক ১৭০ প্রবাসী বাংলাদেশি !

লিবিয়ার দুটি আটক কেন্দ্রে থাকা ১৭০ বাংলাদেশি দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। গত ৩০ অক্টোবর তাদের ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল থেকে উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময়ে সব মিলিয়ে ২০০ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছিল । আরব নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর আ স ম আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, ‘সব বাংলাদেশি অভিবাসীর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেছে এবং নভেম্বরের শেষের দিকে প্রত্যাবাসন শুরুর প্রত্যাশা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘লিবিয়ায় চলমান যুদ্ধের কারণে ত্রিপোলিতে বিমানবন্দরগুলো অরক্ষিত রয়ে গেছে। এ কারণে বাংলাদেশি অভিবাসীরা ৩০০ কিলোমিটার দূরের মিসরাতা বিমানবন্দর থেকে উড়াল দেবে। বর্তমানে কোনও আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা লিবিয়া থেকে বাংলাদেশে বিমান চালাতে রাজি ছিল না, তাই দূতাবাস অভিবাসীদের প্রত্যাবাসনের জন্য একটি ফ্লাইট চার্টার করার পরিকল্পনা নিয়েছে।’

লিবিয়ার জাঞ্জুর ও আবু সলিমের আটক কেন্দ্রে যে সব বাংলাদেশি বন্দী রয়েছেন তাদের দেশে ফেরত আনতে সব ব্যয়ভার বহন করবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।সম্প্রতি বছরগুলোতে মানব পাচারকারীরা ইতালি এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশে অবৈধ অভিবাসীদের পাঠানোর জন্য লিবিয়াকে একটি প্রবেশদ্বার হিসেবে ব্যবহার করেছে। ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা- ফ্রন্টেক্স জানায়, গত দশকে ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশি অভিবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, সম্প্রতি বছরগুলোতে বাংলাদেশ অন্যতম একটি দেশ যেখান থেকে সবচেয়ে বেশি অবৈধ অভিবাসীরা ইউরোপে প্রবেশের চেষ্টা করেছে।

সূত্র : আরব নিউজ

সৌদি সরকার প্রবাসীদের শেষ সুযোগটিও ব ন্ধ করে দিলো

অ’বৈধ অবস্থায় ধ’রা পড়ে, বা যে কোনভাবে জে’ল খেটে দেশে গেলে, ৫ বছর পড়ে আবার সৌদি আরব আসার একটি সুযোগ ছিল। সে সুযোগ বর্তমানে আর রইলো না।এখন থেকে জে’ল খেটে দেশে গেলে তারা আর সৌদি আরব আসতে পারবেন না।২০১৮-২০১৯ এর পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, সৌদি আরবে জে’ল খেটে দেশে যাওয়া শতকরা ১০০ জন লোকের মধ্যে ২১জন লোক আবার সৌদি আরবে আসার চেষ্টা করতো। এবং ১১% লোক সৌদি আরবে

আবার যেতো।নতুন নিয়মের ফলে এখন জে’ল খেটে দেশে যাওয়া ১জনও আর সৌদি আরবে পুনরায় যেতে পারবেন না।উল্লেখ্য, জে’ল খেটে দেশে যাওয়ার সময় সৌদি সরকার ফিঙ্গারপ্রিন্ট, পাসপোর্ট, ভিসাসহ আরো কিছু স্প’র্শ কাতর তথ্য রেখে দেয়। যার ফলে পুনরায় সেই ব্যাক্তি যাবার চেষ্টা করলে সৌদি আরব তাদের সনাক্ত করে ফেলে।
সূত্র : জাওজাত