বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : মালয়শিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী

বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া’ এমনটাই ই’ঙ্গি’ত দিয়েছেন মালয়শিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম কুলা সেগারান।সোমবার দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী বলেন, নেপালের কর্মী নিয়োগের অনুরূপ চু’ক্তি করা হবে বাংলাদেশের সঙ্গে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চূ’ড়া’ন্ত

পর্যায়ে রয়েছে।তবে ব্যয় ও স্ব’চ্ছ’তা ব্যবস্থার সমাধান হওয়ার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ। রোববার এ কথা বলেছিলেন বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী।তার একদিন পরই বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে শ্রমিক নেয়ার বার্তা এলো মালয়শিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীর কাছ থেকে। স্থানীয় সময় ৭ জানুয়ারি দেশটির মালয়েশিয়াকিনি নামক দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ, মালয়েশিয়ায়

মার্কিন বাণিজ্য নি’ষে’ধা’জ্ঞার ঝুঁ’কি এ’ড়া’নোর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে ‘শূ’ন্য-ব্যয়ে’ কর্মী নিয়োগের প্র’ক্রি’য়া চলছে।উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে অ’বৈ’ধ অ’ভি’বা’সীদের বৈ’ধ হতে সুযোগ সৃষ্টি করে মালয়শিয়ার সরকার। ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট সে সুযোগের মেয়াদ শে’ষ হয়। এ সময়ের মধ্যে বহু বাংলাদেশি বৈ’ধ হন।তবে বৈ’ধ হওয়ার সুযোগ পেয়ে বহু বাংলাদেশি নি’ব’ন্ধিত হয়েও প্র’তা’র’ণার শি’কা’র হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

অপেক্ষার পালা শেষ, এ মাসেই চালু হবে ই-পাসপোর্ট

জেনে নিন বিস্তারিত। ই-পাসপোর্টের পৃষ্ঠাসংখ্যা, মেয়াদকাল, বিতরণের ধরন অনুসারে ভ্যাট ছাড়া সর্বনিম্ন ফি তিন হাজার ৫০০ টাকা….অবশেষে দেশে চালু হতে যাচ্ছে ই-পাসপোর্ট সেবা। চলতি মাসের ২২ জানুয়ারি ই-পাসপোর্ট সেবার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রাথমিকভাবে আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ি এবং উত্তরা

পাসপোর্ট অফিস থেকে ই-পাসপোর্ট সংগ্রহ করা যাবে। পরবর্তীতে অনান্য পাসপোর্ট অফিস থেকে এ সেবা পাওয়া যাবে।এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগের মহাপরিচালক (ডিআইজি) মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ বলেন,আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে ই-পাসপোর্ট বিতরণ উদ্বোধন করতে কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করবেন।তিনি আরও বলেন, এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সকল প্রস্তুতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছে।ই-পাসপোর্টের সূচনা দিয়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া তৈরি করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি।

জানা গেছে, ই-পাসপোর্টের আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বা জন্ম নিবন্ধন সনদ (বিআরসি) অনুযায়ী। অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৮ বছরের কম) আবেদনকারী,যার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তার মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে।
ই-পাসপোর্টের মেয়াদ হবে পাঁচ ও ১০ বছর। পাসপোর্টের পৃষ্ঠাসংখ্যাও হবে দুই ধরনের, ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠা। নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট বিতরণের পদ্ধতি তিন ধরনের—সাধারণ,জরুরি ও অতি জরুরি। ই-পাসপোর্টের পৃষ্ঠাসংখ্যা, মেয়াদকাল, বিতরণের ধরন অনুসারে ভ্যাট ছাড়া সর্বনিম্ন ফি তিন হাজার

৫০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ফি ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে পাসপোর্টের জরুরি ফি ভ্যাটসহ তিন হাজার ৪৫০ টাকা এবং অতি জরুরি ফি ভ্যাটসহ ছয় হাজার ৯০০ টাকা।বাংলাদেশে আবেদনকারীদের জন্য ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি তিন হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ফি পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি সাত হাজার ৫০০ টাকা এবং১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি পাঁচ হাজার টাকা, জরুরি ফি সাত হাজার টাকা ও অতীব জরুরি ফি ৯ হাজার টাকা।এ ছাড়া ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ফি সাত হাজার ৫০০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ১০

হাজার ৫০০ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি সাত হাজার টাকা, জরুরি ফি ৯ হাজার টাকা ও অতীব জরুরি ফি ১২ হাজার টাকা।উল্লেখ্য, ই-পাসপোর্ট এক ধরনের বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে পাসপোর্টের ডাটা পেজ-এ মুদ্রিত তথ্য সমন্বিত একটি চিপ সংযুক্ত থাকে। কোনো কোনো দেশের ই-পাসপোর্টে দুটি ফিঙ্গার প্রিন্ট সংযুক্ত হয়।

বাঙালির বেতন বছরে ৭২০ দিনার,কোম্পানিকেই দিতে হয় ৫২০ দিনার,তাহলে তারা খাবে কী: মোহাম্মদ

নিজের ভাগ্যর পরির্বতন এর জন্য মানুষ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান। তবে তাদের এই যাত্রা অনেক সময় কষ্টকর হয়। নানা ভাবে তারা বৈষম্যর স্বীকার হয়। সঠিক ভাবে কাজ করে ও প্রকৃত পারিশ্রমিক থেকে তারা বঞ্চিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে কাজের দক্ষতা না থাকার জন্য ও বৈষম্যর স্বীকার হয়ে থাকেন প্রবাসীরা। এর ফলে প্রবাসীদের অনেক বিপদের সম্মুখীন হতে হয়। বিভিন্ন প্রতারক ব্যক্তিরা প্রবাসীদের সাথে প্রতারনা করে থাকে। বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতারক

চক্র সক্রীয় তারা সব সময় উন্মুখ হয়ে থাকে প্রতারনা করার জন্য।কুয়েতের প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামেদ আল-সাবাহকে ক্লিনার কোম্পানি ও সিকিউরিটি কোম্পানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কফিল পন্থা বাতিলের অনুরোধ জানিয়েছেন দেশটির সাংবাদিক মোহাম্মদ আল-মোল্লা। সম্প্রতি এক ভিডিও বার্তায় কুয়েতের প্রবীণ এ সাংবাদিক গরিব শ্রমিক ও তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এ আহ্বান জানিয়েছেন।ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেন, আকদ হুকুমার কোম্পানিগুলো টাকার বিনিময়ে ভিসা বিক্রি করে দেয়। যেসব শ্রমিক তাদের কোম্পানিতে কাজ করেন তাদের মধ্যে জামিয়া (সুপার

মার্কেটে) নিরাপত্তা কাজে নিয়োগিত এক শ্রমিকের বক্তব্য তুলে ধরে সাংবাদিক বলেন, তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে জানান, প্রতিদিন ১৪ ঘণ্টা কাজ করেও মাসে মাত্র ৭৫ দিনার বেতন পান। আবার আকামার টাকাও তাকেই দিতে হয়।ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, কোম্পানিগুলো শ্রমিকদের ব্যাংক কার্ড পর্যন্ত নিয়ে নেয়। কার্ড ব্যবহার করে শ্রমিকের কন্ট্রাকের বেতন কোম্পানিগুলো উঠিয়ে নেয়। ওই নিরাপত্তাকর্মী খাবারের বিষয়ে জানান, খাবারের কথা জিজ্ঞাস করলে বলেন আমি জামিয়া থেকে খেয়ে থাকি। মিশরীয় এই নাগরিক মিশর থেকে ১ হাজার ৪০০ দিনার দিয়ে ভিসা কিনে কুয়েতে এসেছেন। সাংবাদিক মোহাম্মদ

আল-মোল্লা বলেন, আমি একটি ক্লিনার কোম্পানির বাঙ্গালি শ্রমিকের সাথে কথা বলেছি, তিনি যেটা বললেন, আমি ক্লিনার কোম্পানির আকদ হুকুমায় কাজ করি। আমাদের আকদ পাল্টাতে হলে জনপ্রতি ৫২০ দিনার দিতে হয়।আমি তাকে জিজ্ঞাস করলাম তোমার বেতন কত? বাঙালি বললেন, আমার বেতন মাত্র ৬০ দিনার ও ১২ ঘণ্টা কাজ করি। সাংবাদিক সবার উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, যদি এই বাঙালির বেতন বছরে ৭২০ দিনার হয় আর এই বেতন থেকে ৫২০ দিনার যদি কোম্পানিকেই দিয়ে দিতে হয় তাহলে বলেন, তারা কী খাবে? তাদের পরিবারকেই কী খাওয়াবে? তিনি বলেন, আরো শুনুন, কুয়েতে

সিকিউরিটি কোম্পানি ও ক্লিনার কোম্পানিগুলো তাদের কর্মচারিদের বাইরে কাজ করার জন্য প্রতি আকামায় ১ হাজার দিনার করে নিয়ে থাকে। যদিও তাদের কন্ট্রাক্ট আকদ হুকুমার কন্ট্রাকে।সাংবাদিক বলেন, আমার কথা যাচাই করুন, অনেক কোম্পানি আছে ১ হাজার শ্রমিক এনে জন প্রতি ১ হাজার দিনার করে নিয়ে বাইরে ছেড়ে দিচ্ছে। কী লাভ এতে করে? তাদের এক বছরের আকামা লাগিয়ে পরে আর লাগাচ্ছে না। কারণ তাদের কোন কন্ট্রাক্ট নেই।তিনি সবাইকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, এই গরিব মানুষগুলো সব কিছুর টাকা দিয়েও তাদের সুবিধাগুলো পাচ্ছে না। তাই আমি কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীকে বলতে চাই, মাননীয়

মন্ত্রী, আপনি কুয়েতের কফিল ও আকদ হুকুমার পন্থা উঠিয়ে দিয়ে নিয়োগকারী এবং শ্রমিকের মধ্যে একটি মধ্যস্থতাকারী সংস্থা গঠন করুন। যাতে করে এই গরিব মানুষগুলো তাদের সুবিধাগুলো পেতে পারে। তিনি কুয়েতের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, এমন একটি নিয়ম করে আপনি একটি মানবতার কাজ করুন।বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অসংখ্য বাঙালী কর্মরত রয়েছে বিভিন্ন পেশায়। মধ্যপ্রাচ্য দেশ গুলোতে এই বাঙালী প্রবাসীদের সংখ্যা অনেক। বৈধ-অবৈধ ভাবে

নিজের অবস্থান পরিবর্তন এর জন্য প্র‍তিবছর পাড়ি জমাচ্ছে অনেক বাঙালী। দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের গুরুত্ব অপরিসীম। দেশকে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ কারার জন্য অর্থনৈতিক কর্মকান্ড গতিশীল কারার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রবাসীদের বিশেষ অবদান রয়েছে।

অফিস ড্রেস-সিমেন্ট মাখানো জুতা পরা অবস্থায় ১৭৬ কর্মীকে সৌদি থেকে ফেরত

কয়েকদিন আগেই ১৪১ জনকে ফিরিয়ে দিয়েছিল সৌদি আরব। এর কয়েকদিন না যেতেই গত শনিবার আরও ১৭৬ কর্মীকে ফেরত পাঠাল সৌদি আরব। এ নিয়ে গত চার দিনে দেশে ফিরেছেন ৩১৭ কর্মীকে ফেরত পাঠাল সৌদি।শনিবার গভীর রাতে রাজধানীর শাহজালাল বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান তারা। সৌদি

ফেরত শহিদ মিয়া জানান, আড়াই বছর আগে সাড়ে চার লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। তিনি সৌদি আরবে টাইলস ফিটিংয়ের কাজ করতেন। কর্মস্থল থেকে ঘরে ফেরার পথে তাকে পুলিশ আটক করে। তার গায়ে অফিস ড্রেসও ছিল। পায়ে ছিল টাইলস লাগানোর সিমেন্ট মাখানো জুতা। ওই অবস্থাতেই তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।দেশে ফিরেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেলিনা আক্তার ও শামিমা বেগম। তিনি গৃহকর্মী হিসেবে সৌদি আরব

গিয়েছিলেন। তারা নিয়োগ কর্তার মারধরের শিকার হন। পরে তাদের দেশে পাঠানো হয়।এছাড়াও নারায়ণগঞ্জের সোনিয়া আক্তার ও খাদিজা, সিরাজগঞ্জের রাশেদাসহ ১৫ নারী প্রতারণার শিকার হয়েছে সেখানে। পরে তারা পালিয়ে আশ্রয় নেন জেদ্দায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সেইফ হোমে। সেখান থেকে শনিবার তাদের দেশে পাঠানো হয়।

ভাগ্য এতটাই খারাপ যে কর্মস্থল থেকে কাজের পোশাকে পরা অবস্থায় দেশে ফেরত

গৃহক*র্তার নি*র্যাতন ও পুলিশের ধরপাকড়ের শি*কার হয়ে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫ নারীসহ আরও ১০৬ বাংলাদেশি। শনিবার রাত ১১টা ২০ ও ১টা ৩০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইটযোগে দেশে ফেরেন এসব কর্মী। এ নিয়ে চার দিনে ২৪৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।ফেরত আসা নারীকর্মীদের গল্প আগে ফিরে আসা নারীদের মতোই। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেলিনা আক্তার ও শামিমা বেগম জানান, গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে সৌদি আরব গিয়ে

নিয়োগকর্তা কর্তৃক নির্যাতনের শিকার হতে হয় তাদের। নির্যাতন সইতে না পেরে সেখান থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেন জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সেফহোমে।একই সমস্যা নিয়ে হোমে থাকা নারায়ণগঞ্জের সোনিয়া আক্তার ও খাদিজা, সিরাজগঞ্জের রাশেদাসহ ১৫ নারীর সঙ্গে দেশে ফিরেন। শহীদ মিয়া (৪০) আড়াই বছর আগে সাড়ে চার লাখ টাকা খরচ করে টাইলস ফিটিংয়ের কাজ নিয়ে গিয়েছিলেন সৌদি। ভাগ্য এতটাই খারাপ যে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে তাকে ধরে কাজের পোশাকেই দেশে ফেরত পাঠানো হয়।মাত্র চার মাস আগে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হানিফ গিয়েছিলেন সৌদি আরবে।

সৌদিতে তার পাসপোর্টের তিন মাসের এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ শেষ হলে মালিক আর আকামা তৈরি করেননি। কর্মস্থল থেকে রুমে ফেরার পথে পুলিশ ধরলে দেশে পাঠানো হলো তাকে। একইসঙ্গে ফিরেছেন টাঙ্গাইলের হামিদুল্লাহ, কুমিল্লার তোফাজ্জল, সিলেটের শুভ দেবনাথ।দেশে ফেরা কর্মীদের অভিযোগ করেন, আকামা তৈরির জন্য কফিলকে (নিয়োগকর্তা) টাকা প্রদান করলেও কফিল আকামা তৈরি করে দেয়নি। পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর কফিলের
সঙ্গে যোগাযোগ করলেও দায়-দায়িত্ব নিচ্ছে না বরং কফিল প্রশাসনকে বলেন ক্রুশ (ভিসা বাতিল) দিয়ে দেশে পাঠিয়ে দিতে।বরাবরের মতো গতকালও

ফেরত আসাদের মাঝে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়।ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, ২০১৯ সালে ২৪ হাজার ২৮১ বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়। আর নতুন বছরের শুরুর চার দিনে ফিরলেন ২৪৭ জন। ফেরত আসাদের বর্ণনা প্রায় একই রকম। প্রায় সবাই খালি হাতে ফিরেছেন।তিনি বলেন, যারা কয়েক মাস আগে গিয়েছিলেন

তাদের কেউই খরচের টাকা তুলতে পারেননি। তারা সবাই ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায়।এইভাবে ব্যর্থ হয়ে যারা ফিরছেন তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। পাশাপাশি এভাবে যেন কাউকে শূন্য হাতে ফিরতে না হয় সে জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে দায়িত্ব নিতে হবে।দূতাবাস ও সরকারকেও বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।

মালয়েশিয়ায় ৯২ বাংলাদেশির বিচারে বসছে বিশেষ আদালত

অ**বৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফিরতে ‘ব্যাক ফর গুড’ কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হতে না হতেই মালয়েশিয়ায় শুরু হয়েছে অভিযান। পাঁচ মাস সুযোগের পরও যারা ফিরতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের গ্রে**প্তার করা হচ্ছে চিরুনি অভিযানের মাধ্যমে।এই অভিযানের অংশ হিসেবে বছরের শুরুর দিনই ৭৮ বাংলাদেশিসহ

২২০ জনকে গ্রে*প্তার করা হয়। এরপর শনিবার রাতে মালয়েশিয়ার পেরলিচের কাংগার এলাকায় কয়েকটি কনস্ট্রাকশন সাইটে অভিযান চালিয়ে ২৫ জনকে গ্রে*প্তার করে অভিবাসন বিভাগ।গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বাংলাদেশের ১৪, ইন্দোনেশিয়ার ৯ এবং মায়ানমারের ২ জন।মোট ৩১৫ অভিবাসীকে গ্রে*প্তার করে রাখা হয়েছে ডিটেনশন ক্যাম্পে। এর মধ্যে ৯২ বাংলাদেশি রয়েছেন। তাদের বিচার করতে সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুটি বিশেষ আদালত বসছে। একটি বসবে দেশটির সেলাঙ্গর রাজ্যের সিমুনিয়ায় অন্যটি কেডা লঙ্কাতে।দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা বার্নামার খবরে বলা হয়েছে, অভিবাসন বিভাগের আইনের ১৯৫৯

ধারায় অবৈধ অভিবাসীদের গ্রে**প্তারের পর বিশেষ আদালতে দ্রুত বিচার পরিচালনা করা হবে।দেশোটির ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, যেসব অবৈধ কর্মী সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নেননি,তাদের আটক করা হবে। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন আটক কর্মীদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছে।ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রধান খায়রুল দাজাইমি দাউদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১ আগস্ট থেকে সরকারের দেয়া সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচির সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন দেশের ১ লাখ ৯০ হাজার ৪৭১ জন দেশে ফিরে গেছেন।এর আগে ২৯ নভেম্বর মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার

সাধারণ ক্ষমার মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আহ্বান জানালেও তা আমলে নেয়নি দেশটির সরকার।মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তান শ্রি মহিউদ্দিন ইয়াছিন সাংবাদিকদের বলেন, অ*বৈধ অভিবাসীদের বিভিন্ন সুযোগ দেয়ার কারণেই অবৈধ অভিবাসীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সরকার আর কোন সুযোগ দিতে চায় না।
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাঁচটি রুপরেখার ভিত্তিতে দেশজুড়ে অ*বৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযান পরিচালিত হবে। আর সেই অভিযানে যারা আ**টক হবে,

তাদের বি*রুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেবে সরকার।তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়াতে অ*বৈধ অভিবাসী সমস্যা একটি জাতীয় সমস্যা যা এখনো সম্পূর্ণভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব হয়নি। এটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।এটি শুধু জাতীয় ও সী*মান্ত নিরাপত্তাকেই বিঘ্নিত করে না বরং দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর ব্যপক প্রভাব ফেলছে।উল্লেখ্য, অবৈধ অভিবাসীদের বৈ*ধ হওয়ার জন্য সরকার ২০১৭ সালে সুযোগ

দেয়। শেষ হয় ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট।এতে বৈধ হওয়ার সুযোগ পেয়ে বহু বাংলাদেশি নিবন্ধিত হয়েও প্রতারনার শিকার হয়েছেন অনেকে। এরপর ২০১৯ সালের ১ আগস্ট থেকে অ*বৈধ অভিবাসীদের নিজ দেশে ফিরতে সরকার ব্যাক ফর গুড কমসুচি চালু করে। আর এ কর্মসূচী শেষ হয়েছে গত ৩১ ডিসেম্বর।

সৌদি আরব থেকে শূন্য হাতে ফিরলেন আরও ১০৬ প্রবাসী বাংলাদেশি

গৃহকর্তার নি/র্যাতন ও পুলিশের ধরপাকড়ের শিকার হয়ে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন ১৫ নারীসহ আরও ১০৬ বাংলাদেশি। শনিবার রাত ১১টা ২০ ও ১টা ৩০ মিনিটে সৌদি এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইটযোগে দেশে ফেরেন এসব কর্মী। এ নিয়ে চার দিনে ২৪৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।ফেরত আসা

নারীকর্মীদের গল্প আগে ফিরে আসা নারীদের মতোই। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সেলিনা আক্তার ও শামিমা বেগম জানান, গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে সৌদি আরব গিয়ে নিয়োগকর্তা কর্তৃক নি/র্যাতনের শিকার হতে হয় তাদের। নির্যাতন সইতে না পেরে সেখান থেকে পালিয়ে আশ্রয় নেন জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সেফহোমে।একই সমস্যা নিয়ে হোমে থাকা নারায়ণগঞ্জের সোনিয়া আক্তার ও খাদিজা, সিরাজগঞ্জের রাশেদাসহ ১৫ নারীর সঙ্গে দেশে ফিরেন। শহীদ মিয়া (৪০) আড়াই বছর আগে সাড়ে চার লাখ টাকা খরচ করে টাইলস ফিটিংয়ের কাজ নিয়ে গিয়েছিলেন সৌদি। ভাগ্য এতটাই খারাপ যে কর্মস্থল থেকে বাসায়

ফেরার পথে তাকে ধরে কাজের পোশাকেই দেশে ফেরত পাঠানো হয়।মাত্র চার মাস আগে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হানিফ গিয়েছিলেন সৌদি আরবে। সৌদিতে তার পাসপোর্টের তিন মাসের এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ শেষ হলে মালিক আর আকামা তৈরি করেননি। কর্মস্থল থেকে রুমে ফেরার পথে পুলিশ ধরলে দেশে পাঠানো হলো তাকে।একইসঙ্গে ফিরেছেন টাঙ্গাইলের হামিদুল্লাহ, কুমিল্লার তোফাজ্জল, সিলেটের শুভ দেবনাথ।দেশে ফেরা কর্মীদের অভিযোগ করেন, আকামা তৈরির জন্য কফিলকে (নিয়োগকর্তা) টাকা প্রদান করলেও কফিল আকামা তৈরি করে দেয়নি। পুলিশের হাতে গ্রেফতারের পর কফিলের সঙ্গে

যোগাযোগ করলেও দায়-দায়িত্ব নিচ্ছে না বরং কফিল প্রশাসনকে বলেন ক্রুশ (ভিসা বাতিল) দিয়ে দেশে পাঠিয়ে দিতে।বরাবরের মতো গতকালও ফেরত আসাদের মাঝে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়।ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, ২০১৯ সালে ২৪ হাজার ২৮১বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়। আর নতুন বছরের শুরুর চার দিনে
ফিরলেন ২৪৭ জন। ফেরত আসাদের বর্ণনা প্রায় একই রকম। প্রায় সবাই খালি হাতে ফিরেছেন।তিনি বলেন, যারা কয়েক মাস আগে গিয়েছিলেন তাদের

কেউই খরচের টাকা তুলতে পারেননি। তারা সবাই ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন দুশ্চিন্তায়। এইভাবে ব্যর্থ হয়ে যারা ফিরছেন তাদের পাশে দাঁড়ানো উচিত। পাশাপাশি এভাবে যেন কাউকে শূন্য হাতে ফিরতে না হয় সে জন্য রিক্রুটিং এজেন্সিকে দায়িত্ব নিতে হবে। দূতাবাস ও সরকারকেও বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। বিশেষ করে ফ্রি ভিসার নামে প্রতারণা বন্ধ করা উচিত।

সৌদি আরবে ‘অবৈধ’ বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর

সৌদি আরবে কর্মরত কাগজপত্রহীন ‘অবৈধ’ বাংলাদেশি শ্রমিকরা দেশে ফিরে আসার সুযোগ পাবেন। তবে কর্মস্থল থেকে পলাতক, গৃহকর্মী বা চালকরা এই সুযোগ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।উদ্যোগের অংশ হিসেবে, কাজের অনুমতি শেষ হয়ে যাওয়া প্রবাসীদের সৌদি ছেড়ে আসার ভিসা নিতে সেদেশের শ্রম আদালতে আবেদন করতে হবে। কর্মকর্তারা জানান, আবেদনটি রিয়াদে বাংলাদেশ মিশনের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের শ্রম কল্যাণ শাখায় শ্রমিকদের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা।বাংলাদেশ মিশন থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে শ্রমিকদের দেশে ফিরতে হবে।মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রিয়াদে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্যে দেওয়া আরেকটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে তারা কোনো ফি ছাড়াই এই সুযোগ নিতে পারবেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ মিশন নোটিশটি জারি করেছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অন্যান্য দেশ থেকেও শ্রমিকরা দেশে ফিরে আসার

সুযোগ পাবেন।রিয়াদ শ্রমিক কল্যাণ শাখার মুখ্য সচিব মোহাম্মদ আছাদুজ্জামান জানান, তারা ২২ ডিসেম্বর থেকে আবেদনপত্র পাচ্ছেন।তিনি এই প্রতিবেদককে ফোনে বলেন, “পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে।”প্রায় এক হাজার কর্মী এই সুযোগ নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যে আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা।গত বছরজুড়ে, সৌদি আরব কয়েক হাজার অননুমোদিত বাংলাদেশি শ্রমিককে আটক করে ফেরত পাঠায়।ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ২২ হাজার শ্রমিককে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।তাদের অনেকের কাছে অনুমতি ছিল না, যা স্থানীয়ভাবে ‘আকামা’ নামে পরিচিত।রিয়াদে বাংলাদেশ মিশনের ফেসবুক পেজেও

নোটিশটি পোস্ট করা হয়েছে।খন্দকার ফয়সাল নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন যে, তিনি পাঁচ মাস ধরে সৌদি আরবে রয়েছেন তবে এখনও আকামা পাননি। তিনি লিখেছেন, “আমি দাম্মাম আল জুবাইলে থাকি এবং আমার কফিল (যিনি কাজ দেবেন) কোথায় তা আমি জানি না।”ফয়সালও দেশে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন।নাম প্রকাশ না করে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, একজন অভিবাসী শ্রমিক যখন আকামা নিতে ব্যর্থ হন তখন তারা অবৈধ হিসেবে গণ্য হন এবং শাস্তির মুখে পড়ার ঝুঁকিতে থাকেন।তিনি বলেন, বিদেশি কর্মীদের জন্য আকামার ব্যবস্থা

করা এবং প্রতিবছর এটি নবায়ন করা সৌদি নিয়োগকারীদের দায়িত্ব। নিয়োগকর্তাকে আকামার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে ফি বাবদ একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে হয়।তিনি আরও বলেন, তবে পাঁচ থেকে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তারা এই অর্থ দিতে বা তাদের কর্মীদের আকামাকে নবায়ন করতে চান না।এমন পরিস্থিতিতে নিয়োগকর্তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা সৌদি কর্তৃপক্ষের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।তিনি জানান, সেখানে এমন কর্মীরাও রয়েছেন যাদের আকামার মেয়াদ মাস খানেক আগে শেষ হয়েছে।তবে, তারা কোনোমতে সেখানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের দেশে ফেরার জন্য প্রত্যাবাসন

উদ্যোগ সহজ বিকল্প হবে।দেশে ফিরে আসার পর তারা ভিসা নিয়ে আবার যেতে পারবেন। বাংলাদেশ মিশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ২০ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত।ফোনে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ মুনিরুস সালেহীন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, মন্ত্রণালয় প্রত্যাবাসন উদ্যোগের বিষয়ে অবগত রয়েছে।

কাতারে নতুন শ্রমনীতি : কপাল খুললো বাংলাদেশি প্রবাসীদের

এই মাস থেকেই নতুন এ শ্রম আইন কার্যকর হবে….সম্প্রতি কাতারে নতুন শ্রমনীতি সংস্কারের কথা ঘোষণা দেয়া হয়েছে। আর সুখবর পেলেন কাতারে বাংলাদেশি প্রবাসীরা।আর শ্রমনীতি সংস্কার হলে সরাসরি উপকৃত হবেন প্রবাসীরা। বৈষম্যহীন মজুরি ও শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে সেখানে।কাতারে বাংলাদেশ

দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, নতুন আইনটি বাস্তবায়ন হলে অভিবাসী শ্রমিকরা নিজেদের পছন্দমতো চাকরি পরিবর্তন করতে পারবেন।এ ছাড়া তাদের দেশে বেড়াতে যেতে অনুমতির কড়াকড়ির বিষয়টি অনেকটা শিথিল হবে। সবচেয়ে বড় সুবিধাটি হলো- ন্যূনতম মজুরির বৈষম্যতা দূর হবে।কাতারে কাফালা ব্যবস্থায় অভিবাসী শ্রমিকদের চাকরি পরিবর্তন করতে নিয়োগকর্তার কাছ থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) গ্রহণ বাধ্যতামূলক ছিল। আর সেই অনাপত্তিপত্র প্রবাসীদের

কাছে প্রায় সোনার হরিণের মতোই।১৯৫০ সালে করা সেই শ্রমনীতি আইনের সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে কাতার সরকার। সামরিক বাহিনী বাদে অন্য কর্মস্থলের শ্রমিকদের চাকরি পরিবর্তন ও বহির্গমনের জন্য অনাপত্তিপত্র বাধ্যতামূলক নয় মর্মে কাতারের মন্ত্রিসভায় একটি ডিক্রি অনুমোদন করেছে।এ ছাড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে বৈষম্যহীন ন্যূনতম মজুরি কাঠামো প্রতিষ্ঠার জন্য নতুন নীতিমালাও অনুমোদন দেয়া হয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যে কাতারেই প্রথম এ ধরনের আইন কার্যকর হতে

যাচ্ছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকেই নতুন এ শ্রম আইন কার্যকর হবে।কাতারে বিভিন্ন পেশায় ৪ লাখের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছে। এদের মধ্যে ৭৫ শতাংশই নির্মাণশিল্পে জড়িত।

ইরাকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার নির্দেশ

ইরাকে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে বাগদাদের বাংলাদেশ দূতাবাস।গতকাল শুক্রবার দূতাবাস থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ইরাকের চলমান নিরাপদহীন ও অস্থিতিশীল পরিবেশের কথা বিবেচনা করে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত

ইরাকের সকল প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিশেষ প্রয়োজনে কর্মস্থল ও বাসস্থান ছাড়া সভা সমাবেশস্থল, গোলযোগপূর্ণ পরিবেশ এড়িয়ে চলতে অনুরোধ করা হয়েছে।বাংলাদেশি নাগরিকদের সেবা দেওয়ার জন্য দূতাবাসের সেবা ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে বলেও দূতাবাস জানিয়েছে।সম্প্রতি ইরাকের পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে

উঠেছে। এছাড়া গতকাল ইরাকের রাজধানী বাগদাদের বিমান বন্দরে মার্কিন হা**মলায় ইরান রেভ্যুলশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অভিজাত বাহিনী কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেমানি নি**হ**ত হওয়ায় আঞ্চলিক উ*ত্তে*জনা আরো বেড়ে গেছে।