মাহাথির সঙ্গে এক সাথে দাঁড়িয়ে রমজানের প্রথম জুমা আদায় করলো বাংলাদেশিরা !

মুসলমানদের আত্মশুদ্ধির মাস রমজান। ১০ মে (শুক্রবার), পবিত্র রমজানের ৫ম দিন, মাহে রমজানের প্রথম জুমার নামাজ। মালয়েশিয়ায় এদিন বিভিন্ন মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামে।

নামাজ শেষে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও বিশ্বে সব অশান্তি থেকে মানবজাতিকে হেফাজতের কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।মাহাথির সঙ্গে এক সাথে দাঁড়িয়ে রমজানের প্রথম জুমা আদায় করলো বাংলাদেশিরা

নামাজ শুরুর অনেক আগেই মুসল্লিদের আগমনে কানায় কানায় ভরে যায় দেশটির জাতীয় মসজিদ (মসজিদ নেগারা) ও চারপাশ।

কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি প্রবাসীর করুন মৃত্যু !

কাতারের আলাদিয়া শহরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুই শ্রমিক। তাদেরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত শ্রমিকদের মধ্যে একজন জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরগোলাবাড়ি গ্রামের মৃত মোকাদ্দেস ফকিরের ছেলে লিটন (২০)। তিনি দুই বছর আগে জীবিকার সন্ধানে কাতার যান। বৃহস্পতিবার নিহত লিটনের বাড়িতে গিয়ে স্বজনদেরকে আহাজারি করতে দেখা যায়। ছোট ছেলের আকস্মিক এমন মৃত্যুতে লিটনের মা মাজেদা বেগম শোকে পাগলপ্রায়।

লিটনের বড়ভাই মোনারুল ইসলাম জানান, বুধবার রাত ১১টার দিকে কাতার থেকে এক আদম ব্যবসায়ী তাকে ফোন করে বাস দুর্ঘটনায় লিটনের নিহতের কথা জানিয়ে ফোন বন্ধ করে রাখে। পরে মোনারুল কাতারপ্রবাসী তার খালাতো ভাই রফিকুল ইসলামের কাছে ফোন করে লিটনের নিহতের খবর শোনেন।

এ সময় রফিকুল ওই দুর্ঘটনায় টাঙ্গাইল ও যশোর জেলার আরও দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন বলে মোনারুলকে জানিয়েছেন। তবে রফিকুল তাদের ঠিকানা জানাতে পারেননি। বৃহস্পতিবার দুপুরে রফিকুল কাতার পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশ রফিককে দু’দিন পর হাসপাতালে গিয়ে লিটনের লাশ দেখে যেতে বলেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো ওমানে ইফতারের আগে খাওয়া কঠিন শাস্তি !

সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো, ওমানে 6 মে তারিখে রমজানের পবিত্র মাস শুরু হয় ।ওমনি আইন অনুযায়ী, রমজান মাসে রোযার সময় সর্বস্থানে খাওয়ার বা পান করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

ভিজিটর ও অমুসলিমদের মনে রাখা উচিত যে, অমুসলিম অতিথিরা তাদের হোটেলগুলিতে খাবার উপভোগ করতে পারে কিন্তু স্থানীয় জনগণের দৃষ্টি থেকে দূরে থাকতে হবে । এটা ঠিক যে দিনের বেলা খোলা রেস্টুরেন্ট খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে হবে ।

৯ বছরের কম বয়সী বা অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের ছাড়া , কেউ যদি ইফতারের আগে পানাহার করে তবে সালতানাতের পেনাল কোড অনুযায়ী গ্রেফতার করা হবে । পেনাল কোড অফ আর্টিকেল 49 অপরাধমূলক দায় বয়সকে সংজ্ঞায়িত করে যা বয়স নয় বছর থেকে শুরু করে, শীর্ষ। আইনজীবী টাইমস অব ওমানে উদ্ধৃত অনুযায়ী ।

“সুলতানতে জনসমাবেশে রোযার সময় যে কেউ খায়, পান করে তার জন্য কমপক্ষে ১০ দিন থেকে ৩ মাসের কারাদন্ডের শাস্তি দেওয়া হবে। ড, মোহাম্মদ ইব্রাহিম আল জাদজালী, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইব্রাহিম আইন ফার্ম ।বাইরে থেকে দৃশ্যমান গাড়ির ভেতরে খাওয়াও নিষিদ্ধ ।

প্রবাসীদের জন্য সুখবর নিয়ে বাংলাদেশ সফরে আসছেন মাহাথির

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ চলতি বছরের দ্বিতীয় অংশে বাংলাদেশ সফর করবেন। তার সফর নিয়ে ঢাকা-কুয়ালালামপুর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ বিষয়ে সারাবাংলা’কে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে চলতি বছরের দ্বিতীয় অংশে বাংলাদেশ সফর করবেন মাহাথির। এ জন্য ঢাকা-কুয়ালালামপুর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

তিনি আরও জানান, চলতি মাসে ওআইসি’র (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন) একটি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে মাহাথিরের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকের পর তার বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।

ঢাকার কূটনৈতিকরা জানাচ্ছেন, মাহাথিরের বাংলাদেশ সফরে ঢাকার পক্ষ থেকে চারটি বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এগুলো হচ্ছে, শ্রম বাজার, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও রোহিঙ্গা ইস্যু।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, ১৯৭৬ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত মোট ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬৬ বাংলাদেশি শ্রমিক মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে কাজ করতে যান। যা বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক শ্রম বাজারের ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

অন্যদিকে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২৩ কোটি ৩২ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ মুদ্রার রেমিটেন্স মালয়েশিয়া থেকে পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত, একাধিক কারণে গত বছর থেকে বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারের দুয়ার বন্ধ রয়েছে।

প্রবাসীরা বাংলাদেশের জন্য কিনা করে, প্রয়োজনে তাদের জন্য রাজপথে নামব : এমপি নিক্সন চৌধুরী !

প্রবাসী বাংলাদেশিরা সব জায়গায় অবজ্ঞা নতুন কিছু নয়। কিন্তু কেনই বা এমনটা হয়? প্রবাসীরা বাংলাদেশের জন্য কিনা করে। দেশের মোট জাতীয় আয়ের প্রায় ১৫ শতাংশই প্রবাসীদের অবদান।

দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে এদের সক্রিয় অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই। প্রবাসীদের রেমিট্যান্স কমে গেলে বাংলাদেশে হাহাকার লেগে যায়। অর্থনীতিতে চরম নেতিবাচক অবস্থা সৃষ্টি হয়।ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে আজ সবার প্রিয় হয়ে উঠেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে বলেও জানান নিক্সন চৌধুরী।

প্রবাসীদের সুবিধা-অসুবিধা এবং তাদের জন্য রাজপথে লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন নিক্সন চৌধুরী। দীর্ঘদিন থেকে প্রবাসীদের ভিআইপি আইডি কার্ড প্রদান ও বিমানবন্দরে হয়রানিসহ নানা সমস্যা নিরসনে কাজ করছেন এ তরুণ নেতা।তিনি জাতীয় সংসদসহ টেলিভিশনে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছেন ও নিরসনেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রবাসীদের নিয়ে করণীয় ও রাজপথে নামার বিষয়ে কথা হয় জাগো নিউজের ওমান প্রতিনিধি বাইজিদ আল-হাসানের সঙ্গে।

প্রবাসীদের সমস্যা নিয়ে নিক্সন চৌধুরী বলেন, ‘সরকারের কাছে আমি দাবি জানিয়েছি সব প্রবাসীকে ভিআইপি আইডি কার্ড করে দেয়ার জন্য। দেশের সরকারি-বেসরকারি অফিস-আদালতে তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেবা দেয়া উচিত বলে আমি মনে করি। বিমানবন্দরে হয়রানি অনেকটা কমেছে। এরপরও আমি কর্তৃপক্ষকে বলবো, ‘কোনো প্রবাসীকে যেন নিরাপত্তার নামে তল্লাশি না করা হয়।’

স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েও এলাকায় দু-দুইবার নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া এলাকার লোকজন আপনাকে খুব ভালোবাসে- কারণ জানতে চাইলে নিক্সন বলেন, ‘জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার একটা দায়িত্ব রয়েছে। আমি যদি মানুষের সেবাই না করতে পারি, তাহলে আমার ক্ষমতা দেখানোর জন্য এমপি হয়ে কোনো লাভ নেই।’‘ক্ষমতার জন্য এমপি হইনি, আমার এলাকার জনগণের সেবা করাই আমার মূল লক্ষ্য। জনগণের বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থাকতে চাই।’

খুব অল্প সময়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন দেশে-বিদেশে, পাশাপাশি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীও রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর ব্যক্তি। এত কিছুর পরও কোনো প্রটোকল ছাড়াই চলাফেরা করেন। হুমকি আসে কি?নিক্সন চৌধুরী বলেন, ‘আমার প্রটোকল জনগণ, মৃত্যুর ভয়ে পুলিশের প্রটোকল দিয়ে কেউ বাঁচতে পারেনি। আর আমার যারা প্রতিদ্বন্দ্বী তারা সবাই আমার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সুতরাং আমি যদি মানুষের কল্যাণে কাজ করতে না পারি, তাহলে বেঁচে থেকে লাভ কি? যতদিন বাঁচবো মানুষের জন্য কাজ করেই। যা হয় হবে।’

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে অনেক অভিযোগ শোনা যায়। কাঙ্খিত স্বাস্থ্যসেবা না পাওয়া, দালালদের দৌরাত্ম, হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা ও নানা অনিয়ম এবং হাসপাতালের মূল গেটের পাশেই রয়েছে একটা ময়লা আবর্জনার স্তূপ রয়েছে। এ নিয়ে কি ভাবছেন?
‘ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সবসময় আমার নিজস্ব লোকজন থাকে। স্বাস্থ্যসেবা নিতে হাসপাতালে গিয়ে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হয় সেগুলো দেখাশোনা করার জন্য।’

‘শুধু ফরিদপুর নয় চিকিৎসা করাতে ঢাকায়ও যদি আমার এলাকার কেউ আসে তাহলে আমি নিজের লোক দিয়ে তাদের সবধরনের সহযোগিতা করি। আর দালালদের বিরুদ্ধে আমরা প্রতিনিয়ত অভিযান চালাচ্ছি, কিছুদিন আগেও বেশকিছু দালাল গ্রেফতার করা হয়েছে।’‘ময়লা আবর্জনার স্তূপের বিষয়টা আমি খেয়াল করিনি। তবে এটা অবশ্যই এখান থেকে সরানো উচিৎ বলে আমি মনে করি। আমি ডিসিকে অনুরোধ করবো এটা সরানোর জন্য। ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ, সুতরাং তিনি কখনোই এমন অনিয়ম মেনে নেবে না। আর ফুটওভার ব্রিজ অবশ্যই দরকার, এই বিষয়টি আমি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবো বলে আশ্বাস দেন।’

‘এ ছাড়া ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ডেক্স চালু করবো। প্রবাসীদের জন্য ট্রাভেল ট্যাক্স বন্ধ করার ব্যাপারে সংসদে তুলে ধরবো। প্রবাসীদের বিনা হয়রানিতে এবং দ্রুত সময়ে ভোটার আইডি দেয়ার বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি।’‘আমার এলাকা থেকে কোনো একজন মানুষ যেন অদক্ষ হয়ে প্রবাসে না যায়, সেইজন্য একটা স্কিল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করার ইচ্ছা আছে। যেখান থেকে একজন মানুষ কাজের দক্ষতা অর্জন করে বিদেশ গিয়ে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠাতে পারে।’

মনে রাখতে হবে দেশের অর্থনীতির যেসব খাত নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি, তার একটি হচ্ছে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। দেশের প্রতি টান ও ভালোবাসা সবারই থাকে। কিন্তু প্রবাসীরা সেই টান-ভালোবাসা, পরিবার-পরিজনের মায়া ত্যাগ করে পাড়ি দেন বিদেশে।

একটু ভালো উপার্জনের আশায় তারা বছরের পর বছর বিদেশে পড়ে থাকেন। তাদের উপার্জনের ওপর নির্ভর করে দেশে থাকা পরিবারের ভরণপোষণ। শুধু তাই নয়, আমাদের আকাশচুম্বী চাওয়া-পাওয়ার অনেকটাই নির্ভর করে প্রবাসীদের ওপর ভরসা করে। তারা সাধ্যমতো হাসিমুখে তাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে যান পরিবার ও দেশকে।সূত্র: জাগো নিউজ

সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত “এগারো” জন প্রবাসী

সৌদি আরবে গতকাল বৃহস্পতিবার মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন চারজন। তাঁদের মধ্যে দুজনকে উন্নততর চিকিৎসার জন্য রিয়াদে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুজন স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর বাইরে আরো দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরব থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, গতকাল সৌদির রাজধানী রিয়াদ থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার দূরের সাকরা শহরে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশিদের বহনকারী ওই গাড়িতে চালকসহ মোট ১৭ জন যাত্রী ছিল।

সাকরা শহরের প্রবেশপথে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। সাকরা জেনারেল হাসপাতাল ১১ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে। নিহতরা সবাই বাংলাদেশি বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাঁদের মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

হতাহতদের ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের একটি দল সাকরা শহরে গেছে। দুর্ঘটনার একটি ছবিতে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া একটি গাড়ি দেখা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, গাড়িটি বড় মাইক্রোবাস বা মিনিভ্যান ছিল।

সৌদি আরবে মারাত্মক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেলো ১১ বাংলাদেশির !

সৌদি আরবের মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরো ৪ জন।

গাড়িতে চালকসহ মোট ১৭ জন ছিলেন বলে জানা গেছে। নিহতদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
দেশটির রাজধানী রিয়াদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের শহর সাগরাতে যাবার সময় এই দুর্ঘটনার ঘটনাটি ঘটে।

সাগরা প্রবেশ পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি দুর্ঘটনা কবলিত হয়।সাগরা জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে ১১ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে প্রবাসীর করুন মৃত্যু!

মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন আবদুল কাদের।পারিবারিক আর সামাজিকভাবে অপমানিত হওয়ায় ভয়ে আর দেশের মাটিতে পা রাখেননি তিনি। ঘটনার প্রায় এক বছর পার হওয়ার পর বুধবার জেদ্দায় নিজ বাসায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আবদুল কাদের।

নিহত আবদুল কাদের ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার মোকামিয়া গ্রামের মরহুম মৌলভী আবদুস সালামের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের জেদ্দায় ট্যাক্সি চালাতেন।নিহতের রাশেদা আক্তার সুমাইয়া (৭) এবং কাউছার (৫) নামে দুই ছেলে মেয়ে রয়েছে। পাঁচ ভাই চার বোনের মধ্যে কাদের দ্বিতীয়।

নিহতের মামা মো. সেলিম জানান, বুধবার দুপুরে আবদুল কাদের তার মায়ের সঙ্গে নিজ এবং পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। বিকালেই হার্ট অ্যাটাক করে তিনি মারা যান বলে তার এক বন্ধু বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছেন।তিনি জানান, বেসরকারি মাদ্রাসায় উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে আবদুল কাদের প্রায় ১৮ বছর আগে সৌদি আরব যান। ১৪ বছর আগে উপজেলার উত্তর সতর গ্রামের সালেহ আহমদের মেয়ে কহিনুর আক্তারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়।

বিয়ের পর ৫-৬ বার তিনি দেশে আসা-যাওয়া করেন। এরই মধ্যে তার স্ত্রী পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাচ্চু মিয়ার ছেলে নুরুন্নবীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। গত বছরের ২২ মে তার স্ত্রী কহিনুর আক্তার সন্তান রেখে প্রেমিকের সঙ্গে ঘর ছেড়ে পালিয়ে বিয়ে করেন।সেই থেকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন আবদুল কাদের। তিনি সবসময় মোবাইল ফোনে স্বজনদের কাছে হাহুতাশ করতেন। পারিবারিক মানসম্মান এবং অবুঝ সন্তানদের কথা বলে কান্নাকাটি করতেন।

মোকামিয়ার ইউপি সদস্য আবুল হাসেম বলেন, কাদের প্রায় আমাকে ফোন করতেন। বলতেন, স্ত্রী পালিয়ে গেছে – আমি কিভাবে দেশে যাব।এ মুখ কীভাবে আমি মানুষকে দেখাব। ও আমার পরিবারের মানইজ্জত সম্মান সব শেষ করে দিয়েছে। এসব বলে মারাত্মক টেনশন করতেন। ছেলে মেয়েদের দিকে খেয়াল রাখতে আমাকে অনুরোধ করতেন।আবদুল কাদেরের মা নুরজাহান বেগম বৃহস্পতিবার ছেলের কথা বলতে গিয়ে শোকে কাবু হয়ে পড়েন। তিনি জানান যে, আমার হুত (পুত্র) টেনশনে মরি গেছে। অপমানে মরি গেছে।

তিনি আরও বলেন যে, দুপুরের দিকেও তার ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিন্ত বিকালেই খবর পান যে তার ছেলে আর নেই। ছেলের লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কাম্য করছেন তিনি।

সৌদি আরবে বাংলাদেশী প্রবাসীর করুন মৃত্যু ! শোকাহত সকল শিবচরের প্রবাসী !

সৌদি আরবের আল কাসিম শহরে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মো. ফারুক ফকির (৫০) নামে এক বাংলাদেশি মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ফারুক ফকিরের বাড়ি মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায়। তিনি উপজেলার শিরুয়াইল ইউনিয়নের উৎরাইল গ্রামের মইজুদ্দিন ফকিরের ছেলে। সৌদি প্রবাসী সাংবাদিক শিবচরের এসএইচ হেমায়েত জানান, মো. ফারুক ফকির সন্ধ্যার পর কাজ শেষ করে মোটরসাইকেলে করে বাসায় ফিরছিলেন।

পথিমধ্যে পেছন থেকে একটি প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ বর্তমানে সৌদি আরবের আল কাসিম আর রাজ জেনারেল হাসপাতালের হিমাগারে রয়েছে।

এদিকে ফারুক ফকিরের মৃত্যুর খবরে তার পরিবারে চলছে শোকের মাতম। স্ত্রী, দুই কন্যা ও এক ছেলে রয়েছে তার। ২০০৭ সালে ভাগ্যের পরিবর্তন আনতে সৌদি আরব যান ফারুক ফকির।

মালয়েশিয়ায় নিহত পাঁচ জনের পরিবারকে যে সাহায্য দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল মালয়েশিয়ায় রোববার রাত ১১টায় বাস খাদে পড়ে ঘটনাস্থলেই বাংলাদেশিসহ নয়জন নিহত হন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাসচালকসহ মারা যান আরো দুজন।

বাসটি শ্রমিকদের নিয়ে নীলাই, নেগরি সেম্বিলান থেকে এয়ারপোর্ট অভিমুখে যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতদের মধ্যে নেপাল, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিকও ছিলেন।

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশির পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।
গত শুক্রবার মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।শুক্রবার রাতে দেশে আসছে ওই পাঁচজনের মরদেহ। কুয়ালালামপুর বাংলাদেশ দূতাবাস জানায় লাশ হস্তান্তরকালে প্রত্যেক পরিবারকে সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল থেকে দাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

পরে ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রত্যেক পরিবারকে তিন লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। মালয়েশিয়ার যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন ওই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক পরিবারকে পাঁচ হাজার রিংগিত করে দেবে। পরবর্তীতে ক্ষতিপূরণ বাবদ ইনস্যুরেন্সের টাকাও পাবেন নিহতদের স্বজনরা। সম্পূর্ণ বিষয়টি হাইকমিশন তদারকি করছে বলে জানানো হয়।
নিহত পাঁচজনের মধ্যে দুজন চাঁদপুর, দুজন কুমিল্লা ও একজন নোয়াখালীর।

তাঁরা হলেন—চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ থানার দেবীপুরের সোহেল (২৪) ও ফরিদগঞ্জ থানার চরভাগলের আলামিন (২৫), কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানার দুরলবপুর গ্রামের মহিন (৩৭) ও দাউদকান্দি থানার হাসানপুর কলেজপাড়ার ঢাকাগাঁও গ্রামের রাজীব মুন্সি (২৭) এবং নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানার নোয়াখোলা এলাকার গোলাম মোস্তফা।