নেদারল্যান্ডসের টিউলিপ গাজীপুরে, চমক দেখালেন দেলোয়ার !

নেদারল্যান্ডসের টিউলিপ এখন গাজীপুরে টিউলিপ ফুল চাষে দেশে খুলল নতুন সম্ভাবনা নেদারল্যান্ডস থেকে চার রঙের টিউলিপ বাল্ব এনে চাষ ২০-২২ দিনে ফুটে টিউলিপ ফুল দৃষ্টিনন্দন টিউলিপ বাগান দেখতে মানুষের ভিড় তুরস্কের জাতীয় ফুলের নাম টিউলিপ। নেদারল্যান্ডসেও টিউলিপ ফুলের ব্যাপক আবাদ হয়।
বর্তমানে নেদারল্যান্ডস টিউলিপ ফুল উৎপাদনকারী প্রধান দেশ। টিউলিপকে নিয়েই সেখানে গড়ে উঠেছে শিল্প। তাই দেশটি প্রতি বছর পালন করে টিউলিপ উৎসব। শীত আবহাওয়ার দেশ ছাড়া এশিয়া মহাদেশের ভারত, আফগানিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ ছাড়া এমন দৃষ্টি জুড়ানো টিউলিপ ফুলের দেখা মেলে না। তবে টিউলিপ ফুলের প্রতি সবার হৃদয়ে রয়েছে অগাধ ভালোবাসা।

দেলোয়ারের বাগানে ফুটেছে টিউলিপ ফুল ছয় ঋতুর বাংলাদেশে একসময় এই ফুল চাষের কথা কল্পনাও করা যেত না। মনের মাধুরী মেশানো এই ফুলের ছোঁয়া পেত না কেউ। তবে এখন দুয়ার খুলে দিয়েছেন গাজীপুরের এক ফুল চাষি। টিউলিপ ফুল ফুটিয়ে দেশজুড়ে চাষের সম্ভাবনা তৈরি করেছেন তিনি।
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ফুল চাষি দেলোয়ার হোসেনের বাগানে ফুটেছে হাজার হাজার
টিউলিপ ফুল। স্বর্গীয় এক অনুভূতি বিরাজমান দেলোয়ারের ফুল বাগানে। ফুলের রাজ্য যেন এক স্বর্গ উদ্যান। দৃষ্টিনন্দন এই টিউলিপ বাগান দেখতে মানুষের বেড়েছে ভিড়। তার বাগানজুড়ে এখন টিউলিপময় ভালোবাসার গল্প। টিউলিপ ফুলের রাজ্য যেন এক স্বর্গ উদ্যান ফুল চাষি দেলোয়ার হোসেন তার টিউলিপ ফুল বাগানের নাম দিয়েছেন ‘মৌমিতা ফ্লাওয়ারস’। এর আগে জার্বেরা, চায়না গোলাপ ও বিদেশি বিভিন্ন ফুল চাষে সফল হয়েছেন তিনি। সফল ফুল চাষি হিসেবে ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক পান দেলোয়ার। দেশে প্রথমবারের মতো ভাইরাসমুক্ত সবজির চারা উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেন তিনি।

বাগানজুড়ে এখন টিউলিপময় ভালোবাসার গল্প ফুল চাষি দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমাদের দেশে ফুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চাহিদা মিটাতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে ফুল আমদানি করা হয়। ফুল চাষে জড়িয়ে আছে কৃষি অর্থনীতির একটি অংশ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ফুল চাষে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠলেও আমরা
পিছিয়ে। অর্থনীতি ও চাহিদার কথা চিন্তা করে বিভিন্ন বিদেশি ফুল দিয়ে আমার স্বপ্নযাত্রা শুরু হয়। নানা প্রতিবন্ধকতার পরও থেমে থাকিনি। এরই মধ্যে পেয়ে যাই একটির পর একটি সফলতা। জার্বেরা, চায়না গোলাপের পর টিউলিপ ফুল ফুটিয়ে এবার পেলাম নতুন সফলতা। পরীক্ষামূলককাজ শেষে টিউলিপ ফুল চাষ সম্প্রসারণের কাজ করব। টিউলিপ বর্ষজীবী ও বসন্তকালীন ফুল হিসেবে পরিচিত। প্রজাতি অনুযায়ী এর উচ্চতাও ভিন্ন।

প্রকাশ্যে আনা হলো সেই ‘ধ’র্ষক’ মজনুকে

কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ’ধ’র্ষ’ণের ঘটনায় সন্দেহভাজন যে ব্যক্তিকে গ্রে’’ফতার

করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) তাকে রাজধানীর কাওরান বাজারের র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আনা হয়েছে।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাতে গাজীপুরে অ’ভিযান চালিয়ে আটকের পর ওই ব্যক্তিকে গ্রে’ফতার

দেখিয়েছে র‍্যাব। সেই ব্যক্তি একজন অটোচালক বলেও জানা গেছে। গ্রে’ফতার যুবকের কাছ

থেকে ওই ছাত্রীর মোবাইল ফোন, চার্জার ও ব্যাগ পাওয়া গেছে।র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারোয়ার বিন-কাশেম বলেন,

গ্রে’ফতার ব্যক্তির ছবি ধ’র্ষ’ণের শিকার ছাত্রীকে দেখানো হয়েছে। তিনি তাকে ধ’র্ষ’ক বলে শনাক্ত করেছেন।

ক্যান্টনমেন্ট থা’নায় করা মা’মলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ধ’র্ষ’কের উচ্চতা ৫ ফুট ৪ ইঞ্চির মতো। গায়ের রং শ্যামলা, গড়ন মাঝারি।

পরনে জিনসের পুরোনো ফুলপ্যান্ট ও ময়লা কালচে ফুলহাতা জ্যাকেট, পায়ে স্যান্ডেল এবং মাথার চুল ছোট করে ছাঁটা।

ইতোমধ্যে সিআইডির ক্রাইম সিন বি’ভাগ ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু আ’লামত সংগ্রহ করেছে। ওই ছাত্রীর চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মেডিকেল বোর্ড গঠন

করেছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর ওই ছা’ত্রীকে ধ’র্ষ’ণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ।

এর আগে গত রবিবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নামার পর এক ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষ’’ণ করে অজ্ঞাত এক যুবক।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় মা’ম’লা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ৩০-৩৫ বছরের এক যুবককে আসামি করা হয়।

১ ঘন্টার ব্যবধানে দু’বার মার্কিন ঘাঁটিতে হা’ম’লা, উর্ধ্বমুখি তেল ও স্বর্ণের দাম

ই’রাকে মার্কি’ন সা’মরিক ঘাঁটিতে এক ঘণ্টার ব্যব’ধানে দু’বার হা’ম’লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববাজারে তে’লের দা’ম বেড়ে গেছে।

অপরিশোধিত তেলের দাম এশিয়ার বাজারে অন্তত ৪ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল

তেল ৬৫ দশমিক ৬৫ ডলারে বিক্রি হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিতে তেলের সরবরাহ

মারাত্ম’কভাবে বিঘ্নিত হতে পারে বলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এছাড়া বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম এবং জাপানি মুদ্রার দামও দ্রুত গতিতে বেড়ে গেছে।একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে শেয়ার

সূচকের মারা’ত্মক দরপতন ঘটেছে। জাপানের বেঞ্চমার্ক নিকির শেয়ার সূচকের পত’ন ঘটেছে ২২৫ পয়েন্ট যা শতকরা ২.৫ ভাগেরও বেশি। পশ্চিমা দেশগুলোতেও একই অবস্থা।

মহানবী (সাঃ) যেভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন সেভাবে পাকিস্তান চলবে : ইমরান খান

পাকিস্তানের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া তেহরিকে ইনসাফ পার্টির চেয়ারম্যান ইমরান খান বলেছেন, নবী মুহাম্মদ (সা:) হলেন আমার অনুপ্রেরণা। মদিনার নগর রাষ্ট্রটিকে তিনি যেমন মানবিকতার ওপর প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন, যা পৃথিবীর ইতিহাসে মানবিকতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত প্রথম রাষ্ট্র। এটিই আমার অনুপ্রেরণা। পাকিস্তান তেমনই একটি মানবিক রাষ্ট্র হওয়া উচিত, যেখানে আমরা আমাদের মধ্যকার দুর্বল মানুষদের

দায়িত্ব গ্রহণ করবো। আমি মদীনা রাষ্ট্রের মতো করে পাকিস্তান গঠনের স্বপ্ন দেখি, মহানবী (সাঃ) যেভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন সেভাবে পাকিস্তান চলবে।

যেখানে বিধবা ও দরিদ্ররা অবহেলিত হবে না, এতিমরাও সরকারের সেবা পাবে। মহানবী (সা:) যেভাবে রাষ্ট্র চালাতেন সেভাবে চলবে পাকিস্তান। দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে

ইমরান খান বলেন, পাকিস্তানের অর্থনীতি এখন ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ সময় পার করছে।

এত বেশি ঋণ কখনো পাকিস্তানের ছিল না। দুর্নীতির কারণে প্রবাসীরা দেশের মাটিতে

বিনিয়োগ করছে না। ফলে চাকরি পাচ্ছে না তরুণরা। এর সমাধান করতে হবে। দুর্নীতি বন্ধে প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা হবে।

আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো হবে আরো শক্তিশালী, যেখানে সবাই জবাবদিহী করতে বাধ্য থাকবে। সবার আগে আমার, তারপর মন্ত্রী ও অধ:স্তন কর্মকর্তাদের জবাবদিহী করা হবে। আমরা

আজ অন্য দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে আছি। কেননা এখানে ক্ষমতাসীন ও সাধারণ

নাগরিকদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা বিদ্যমান। গত তিন বছরে রাজনৈতিক নেতাদের অনেক

ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে। কিন্তু এগুলো সবই এখন অতীত। আমাদের ভিশন এসবের তুলনায় অনেক বিশাল।

ইমরান খান বলেন, কেন আমি রাজনীতিতে এসেছি তা পরিস্কার করতে চাই। রাজনীতি আমাকে কিছু নাও দিতে পারতো। কিন্তু আমি সবসময় পাকিস্তানকে এমন একটি রাষ্ট্র হিসেবে

গড়ে তুলতে চেয়েছি, যার স্বপ্ন দেখেছিলেন আমার মহান নেতা কায়েদে আজম মোহাম্মদ

আলী জিন্নাহ। আমি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর স্বপ্নের পাকিস্তান গড়তে কাজ করবো। আমি

বিশেষ করে বেলুচিস্তানের মানুষদের সাধুবাদ জানাতে চাই। ভয়াবহ সহিংসতা ও মর্মান্তিক ভোগান্তির শিকার হওয়ার পরেও তারা তাকে ভোট দিয়েছেন!

গোটা দেশের পক্ষ থেকে আমি তাদের সাধুবাদ জানাতে চাই। এই নির্বাচনের জন্য অনেক মানুষ ত্যাগ স্বীকার করেছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীকেও আমি ধন্যবাদ দিতে চাই। ইমরান

খান বলেন, আমি পুরো পাকিস্তানকে ঐক্যবদ্ধ রাখবো। আইন ধনী-গরীব সবার জন্য

সমানভাবে কাজ করবে। প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর বিশালাকার প্রাসাদ হবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আর গভর্নর বাড়ি হবে পর্যটন স্থান।

করের টাকা নষ্ট করে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে থাকবো না। সরকার হবে মিতব্যয়ী। সরকারি

অনেক বাসভবনকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হবে। আমি জনগণের আদায়কৃত করের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করছি। সরকারের সকল নীতি হবে গরীবদের

উন্নয়নের জন্য, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সহযোগিতা করার জন্য; কেবল অভিজাত ব্যক্তিদের

জন্য নয়। ধনীদের ‘লাইফ-স্টাইল’ দিয়ে কোনো দেশের জীবনযাত্রার মান নির্ধারিত হয় না। বরং দরিদ্ররাই এতে বড় ভূমিকা রাখে।

ইমরান বলেন, পাকিস্তানে এখনো দুর্বলেরা ক্ষুধায় মারা যাচ্ছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবার অভাবে

আমাদের প্রসূতি মায়েরা অব্যাহতভাবে মারা যাচ্ছেন, সরকার নিরাপদ খাবার পানিও সরবরাহ

করতে পারে না। আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করবো যাতে আমার সরকারের নীতি দুর্বল মানুষদের, শ্রমিক মানুষদের, কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রণীত হয়। তারা সারাটা বছর ধরে কাজ

করেন, কিন্তু তাদের ন্যায্য হক পান না। আমাদের ৪৫ শতাংশ শিশুর শারিরীক বৃদ্ধি পর্যাপ্ত হয় না। ওদের শরীর ও ব্রেইন যথেষ্ট পরিমাণে বাড়ে না।

অনেক দেশে আড়াই কোটি মানুষও বাস করে না। অথচ আমাদের দেশে আড়াই কোটি শিশু

স্কুলে যেতে পারে না। আমার চেষ্টা থাকবে এই মানুষগুলোর জন্য কিছু করা। ইমরান বলেন

, আমাদের সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি হবে মানবসম্পদের উন্নয়ন। আমি চাই পুরো দেশ মিলে আমরা এভাবে ভাববো। আমি চাই পাকিস্তানের সবাই ঐক্যবদ্ধ হবে। নির্বাচনের

আগে আমার বিরুদ্ধে অনেক কিছু বলা হয়েছে। এত খারাপ কথা অন্য কারো বিরুদ্ধে বলা হয়নি। কিন্তু এসবই আমি ভুলে গেছি। তারাও আমার সাথে আছেন। ব্যক্তির চেয়ে আমার লক্ষ্য অনেক গুণ বড়।

ইমরান বলেন, আমরা একটা উদাহরণ তৈরি করতে চাই। কিভাবে জবাবদিহিতা করতে হয়।

আমি শপথ করছি, আমার সরকার কোনো রাজনৈতিক কারণে কাউকে প্রতিহিংসায় জড়াবে

না। রাজনৈতিক কারণে কেউ প্রতিহিংসার শিকার হবে না। আমার সকল নীতি হবে দুর্বলতা কাটিয়ে দেশকে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক নিয়ে পিটিআই প্রধান বলেন, আমরা আমেরিকার সাথে সমঝোতামূলক সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক চাই। ইমরান বলেন, ভারত এক পা এগুলে, আমি দুই

পা এগিয়ে যাব। আমি সৌহার্দ্য চাই। একে অন্যের প্রতি দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই। আমরা সবাই মিলে দারিদ্র্যমুক্ত দক্ষিণ এশিয়া গড়তে কাজ করতে পারি।

ভোট নিয়ে সব অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেছেন, বুধবারের এ নির্বাচন পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে সুষ্ঠু হয়েছে। আপনারা নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে মনে করে থাকলে বা

আপনাদের কোনো সন্দেহ থেকে থাকলে আমরা এর তদন্তে সহযোগিতা করব। আমরা আপনাদের পাশে থাকব।

আমি মনে করি পাকিস্তানের ইতিহাসে এ নির্বাচনই সবচেয়ে সুষ্ঠু। কোনো দলের কোনো সন্দেহ থাকলে আমরা ওইসব আসনগুলোর ভোটের ফল তদন্ত করে দেখার জন্য উন্মুক্ত করে দেব।ইনশাআল্লাহ

মৃ’ত্যুর আগে ৬ বার ‘আল্লাহ’র নাম লিখেছিলেন সোলেইমানি

মার্কিন বিমান হাম’লায় নিহ’ত হওয়ার আগে ইরানের জেনারেল কাসেম সোলাইমানি

অসাধারণ কিছু কথা লিখে গেছেন।যেখানে ৬ বার আল্লাহর নাম উল্লেখ ছিল।নিহ’ত হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে তিনি কথাগুলো লিখে যান।

সোলাইমানি বৃহস্পতিবার সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক থেকে ফ্লাইটযোগে বাগদাদে যাওয়ার আগে আধ্যা’ত্মিক কথাগুলো লিখে যান। আবাসিক কক্ষে তিনি কাগজটি রে’খে যান। যেখানে তার

একটি প্রার্থনা লেখা ছিল। জেনারেল সোলাইমানির আধ্যাত্মিক কথাগুলো নিচে তুলে ধরা হল:-

“হে আল্লাহ! আমাকে একা ছে’ড়ো না # হে আল্লাহ! আমাকে গ্রহণ করো # হে আল্লাহ!

আমি তোমার সাথে সাক্ষাৎ পছন্দ করি #সেই একই সাক্ষাৎ যা নবী মূসাকে (আ.) দাঁড়াতে ও শ্বাস নিতে অক্ষ’ম করেছিল # হে আল্লাহ! আমাকে গ্রহণ করো #

সকল প্রশংসা ও কৃতজ্ঞতা আল্লাহর প্রতি যিনি বিশ্বজগতের প্রভু # হে আল্লাহ! আমাকে বিশু’দ্ধরূ’পে গ্রহণ করো।”

ট্রাম্পকে ফোন করে পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন মোদি

ইরানের শীর্ষ সামরিক কমা’’ন্ডা’র কাসেম সোলাইমানির হ’’ত্যা নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চরম উ’ত্তেজনা বিরাজ করছে।

’হু’মকি-পাল্টা হু’মকির মধ্যে দুই দেশের মধ্যে যু’দ্ধের আবহ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আশ্বাস দিলেন,

আগের মতোই একসঙ্গে কাজ করতে চান তিনি। দুই দেশ একসঙ্গে পাশাপাশি থেকে কাজ করবে। খবর ইন্ডিয়া টুডের

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) সকালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘‌ট্রাম্প এবং তার পরিবারকে নতুন বছরের

শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেই সঙ্গে মোদি আরও বলেছেন, ভারত–মার্কিন

সম্পর্ক এখন ক্রমে মজবুত থেকে আরও মজবুত হচ্ছে।‌ সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে, বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ব্যাপারে কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে।

পাশাপাশি মোদি এবং ভারতবাসীকেও নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ট্রাম্প। তবে

স’ন্ত্রা’সবাদ, পাকিস্তান বা ইরান–মার্কিন সম্পর্ক নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।

আগামীকাল অস্ট্রেলিয়ায় ১০ হাজার উট গু’লি করে মা’রা হবে

আগামীকাল ৮ জানুয়ারি বুধবার অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ১০ হাজারেরও বেশি উট গু’লি করে মা,রার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের আনানজু পিতজানৎজাতজারা ইয়ানকুনিৎজাতজারা ল্যান্ডস (এওয়াইপি) এলাকার এক আদিবাসী নেতা এ নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে এক আদিবাসী নেতার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আদেশ আসার পর উটগুলো মা’রা’র সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। বুধবার হেলিকপ্টার থেকে বন্য এ উটগুলোকে গু’লি করে মারার প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রশিক্ষিত শুটার দিয়ে এ উটগুলো মা’র’তে কয়েকদিন সময় লেগে যেতে পারে বলে জানা গেছে। তবে এত গুলো উট একসঙ্গে মা’রার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চল খুবই খরাপ্রবণ এলাকা। যে কারণে এ অঞ্চলে পানির খুব সংকট রয়েছে। বন্য এই উটগুলো খুব

বেশি করে পানি খেয়ে নিচ্ছে। পানির খোঁজে তাদের বিচরণের কারণে সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। এছাড়া মিথেন গ্যাস সৃষ্টির জন্যও দায়ী তারা। এ ব্যাপারে এওয়াইপির নির্বাহী বোর্ডের সদস্য মারিতা বেকার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, ’’আমরা যে অঞ্চলে থাকি সেখানে খুব গরম পড়ে। খুবই অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যে আছি। এর মধ্যে উটগুলোর উৎপাত আমাদের বিষিয়ে তুলেছে। তারা পানির জন্য ঘরবাড়িতে হানা দিচ্ছে, বেড়া ভেঙে দিচ্ছে। ক্ষেত মা’ড়িয়ে এসে ফসলের ক্ষতি করছে।

এদিকে দেশটির জাতীয় বন্য উট ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বিভাগের দাবি, এই উটদের সংখ্যা যদি নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তাহলে প্রতি নয় বছরে সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে যাবে। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির জন্যও উট দায়ী। প্রতি বছর তাদের মলমূত্র থেকে যে পরিমাণ মিথেন গ্যাস বের হয় তা এক টন কার্বনডাই অক্সাইডের সমপরিমাণ।

তাছাড়া কার্বনডাই অক্সাইড নিয়ন্ত্রণে কাজ করা কার্বন ফার্মিং স্পেশালিস্টস রিজেনকোর প্রধান নির্বাহী টিম মুরে বলেন, এক মিলিয়ন উট প্রতিবছর এক টনের সমপরিমাণ কার্বন নিঃসরণেরজন্য দায়ী। অর্থাৎ, ৪ লাখ গাড়ি থেকে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়, সেই পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড সৃষ্টির জন্য দায়ী উট। অবশ্য দেশটির জ্বালানি ও পরিবেশ বিভাগ বলছে, বন্য উটগুলো যে পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ করছে, তা দেশের হিসাবে আসবে না। কারণ তারা গৃহপালিত না।

কুমিল্লায় নজর কাড়ছে আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত দৃষ্টিনন্দন ‍‘আল্লাহু চত্বর’

কুমিল্লার মুরাদনগরে এখন জনসাধারণের আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দু আল্লাহর ৯৯ নাম খচিত দৃষ্টিনন্দন আল্লাহু চত্বর।

উপজেলা সদরের জিরো পয়েন্টে পাথরে খোদাই করে মহান আল্লাহর গুণবাচক ৯৯টি নাম

সম্বলিত দৃষ্টিনন্দন এ ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়েছে। যা দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করেন হাজার হাজার উৎসুক জনতা।

সম্প্রতি কুমিল্লার মুরাদনগরে নির্মিত হয়েছে আল্লাহর ৯৯টি নাম সম্বলিত দৃষ্টিনন্দন এ

ভাস্কর্যটি। সু-বিশাল পিলারে গায়ে খোদাই করে লেখা হয়েছে আল্লাহর ৯৯টি নাম। এছাড়াও

চূড়ায় বড় করে আল্লাহু লেখা থাকায় জায়গাটির নাম দেয়া হয়েছে আল্লাহু চত্বর।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ইউসুফ আব্দুল্লাহ হারুনের নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত ভাস্কর্যটি

এলাকার সৌন্দর্য বর্ধন করায় খুশি স্থানীরা। বাহারি আলোকসজ্জার কারণে দিনের চাইতে রাতে ভাস্কর্যটি সৌন্দর্য বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

যা দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমান দর্শনার্থীরা ।

দৃষ্টিনন্দন এ ভাস্কর্যটি রক্ষণাবেক্ষণে সার্বিক সহযোগিতা করে যাচ্ছে মুরাদনগর থানা পুলিশ।

তেহরানে জেনারেল সো’লাইমানির জা’নাযায় ৭০ লাখ মানুষের উপস্থিতি

তেহরানে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র কুদস ফোর্সের কমান্ডার

লেঃ জেনারেল কাসেম সো’লা’ইমানির জানাযার নামাজে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন।

এ খবর দিয়েছেন ইরানের ইসলামি প্রচার বিষয়ক সমন্বয় পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নুসরাতুল্লাহ লুতফি। সোমবার রাতে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ইরানি জনগণ হাজি কাসেম

সোলাইমানিকে কতটা ভালোবাসে তার কিছুটা প্রমাণিত হয়েছে সোলাইমানির জানাযার নামাজে।

সোমবার তেহরানে জেনারেল সোলাইমানি, আল-মুহানদিস এবং অপর চার ইরানি ক’মা’ন্ডারের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

আল-মুহানদিসের মরদেহ দা’ফ’নের উদ্দেশ্যে ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শালামচে সীমান্ত দিয়ে ইরাকে পাঠানো হবে।

এর আগে, শনিবার ইরাকের কাজেমাইন, বাগদাদ, কারবালা ও নাজাফ শহরে আলাদা

আলাদাভাবে মা’র্কিন হাম’লায় নি’হ’ত’দের নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এসব নামাজে ইরাকের লাখ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার সকালে, ইরানের রাজধানী তেহরানের তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নি’হ’ত ক’মান্ডা’রদের জানাযার নামাজ পড়ান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খোমেনী।

এরপর বিকালে, জেনারেল সোলাইমানিসহ বাকি কমান্ডারদের ম’র’দেহ তে’হরা’নের দক্ষিণে

অবস্থিত কোম নগরীতে নেয়া হয়। সেখানকার জানাযায়ও লাখ লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

মঙ্গলবার, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কেরমান শহরে জেনারেল সোলাইমানির জন্মস্থানে তার শেষ জানাযা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর তার ম’র’দেহ দা’ফন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে বি’মান হা’মলা চালিয়ে

এখানেই স,র্ব*নাশ করে ঢাবি ছাত্রীর, পড়ে আছে বই-ব্যাগ-জুতা-ঘড়ি

গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর কুর্মিটোলায় বান্ধবীর বাসায় যেতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাস থেকে নামলে এক শিক্ষার্থী ধ’র্ষ’ণের শিকার হন। কুর্মিটোলার সেই ঘটনাস্থলে চলছে অনুসন্ধান। এই এলাকাতেই অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ওই শিক্ষার্থীর মুখ চেপে ধরে রাস্তার পাশের নির্জন স্থানে নিয়ে ধ’র্ষ’ণ করে। পড়ে থাকতে দেখা গেছে একটি ব্যাগ, হাতঘড়ি, কলম ও একটি প্যান্ট।

আজ ৬ জানুয়ারি সোমবার বেলা একটার দিকে ঘটনাস্থলে দেখা যায়, সেখানে অনুসন্ধান চালাচ্ছে পুলিশ। ক্রাইম সিনের দল কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে আসবে বলে জানান তারা।এ সময় সেখানেই পড়ে থাকতে দেখা গেছে একটি ব্যাগ, হাতঘড়ি, কলম ও একটি প্যান্ট।এগুলো গত রাতের ওই ধ’র্ষ’ণ ঘটনার আলামত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।জানা গেছে, ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণের সব আলামত রয়েছে। তাঁর চিকিৎসার জন্য একটি কমিটি

গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। ছয় সদস্যের ওই কমিটির নেতৃত্বে আছেন গাইনি বিভাগের অধ্যাপক সালমা রউফ।
জানা যায়, দ্বিতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একটি হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। গতকাল কুর্মিটোলায় বান্ধবীর বাসায় যেতে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে ওই ছাত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ওঠেন। বাস থেকে তিনি নামার পর অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন তাঁর মুখ চেপে ধরে। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।
এরপর তাঁকে ধ’র্ষ’ণ করা হয়। রাত ১০টার দিকে চেতনা ফেরার পর তিনি সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ে বান্ধবীর বাসায় যান। পরে রাত ১২টার দিকে ওই ছাত্রীকে ঢামেক হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করান তার সহপাঠীরা।