নরওয়েতে প্রতিদিন গড়ে ৮ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছেন!

উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডেনিভিয়ান দেশ নরওয়ে। দেশটিতে যখন ‘স্টপ ইসলামাইজেশন’-এর নামে ইসলাম ও মুসলমানদের নিষিদ্ধের জোর দাবিতে আন্দোলন করছে একটি ইসলাম বিদ্বেষী দল।ঠিক তখনই ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য এসেছে অনেক বড় সুখবর। নরওয়েতে প্রতিদিন গড়ে ৮ জন ভিন্নধর্মী লোক মুসলমান হচ্ছে।ইউরোপের এ দেশটিতে ইসলাম গ্রহণের হার ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশটির জনপ্রিয় দৈনিক ভারডেনস গ্যাঙ্গে-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নরওয়ের সুপ্রাচীন ও সবচেয়ে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অসলো বিশ্ববিদ্যালয়। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের কালচারাল স্টাডিজ অ্যান্ড অরিয়েন্টাল ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের একজন গবেষকের বরাতেভারডেনস গ্যাঙ্গে-এর প্রতিবেদন বলা হয়, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রায় তিন হাজার নরওয়েজিয় নাগরিক ইসলাম গ্রহণ করছে। যা ১৯৯০ সালের সময় থেকে ৬ গুণেরও বেশি।প্রতিবেদনের হিসাবে গড়ে প্রতিদিন ইসলাম গ্রহণকারী মুসলিমের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৮ জনেরও বেশি। ইসলাম গ্রহণকারীর সংখ্যা বাড়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আগে নরওয়ের নারীরা মুসলিম পুরুষদের বিয়ে করতে বেশি আগ্রহী ছিল।

তবে মুসলিম পুরুষদের বিয়ে করার এ প্রবণতা আগের চেয়ে এখন কমে গেলেও নারীদের মধ্যে বেড়ে গেছে ইসলাম সম্পর্কে পরিপূর্ণ অধ্যয়ন ও গবেষণা। যার ফলে আগের তুলনায় ইসলামের দিকে ঝুঁকছে বেশির ভাগ নারী ও পুরুষ।অসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় নরওয়ের ইসলাম গ্রহণকারী ২ নারীর বক্তব্যে ইসলাম গ্রহণের বিষয়গুলো সুস্পষ্ট। তাদের মতে-মনিকা সালমুক নরওয়েজিয় ইসলাম গ্রহণকারী নারী মনিকা সালমুক। ৪ বছর আগে ইসলামসহ বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে গবেষণা ও অধ্যয়ন শুরু করে সে। বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে অধ্যয়নের পর সে নিজের জন্য ইসলামকে বেছে নেয়।

৪২ বছর বয়সী নরওয়েজিয় স্বেচ্ছাসেবী নারী সোলভা নাবিলা স্যাক্সেলিন। নরওয়েতে আশ্রয় নেয়া মুসলিম শরণার্থীদের সাহায্যে তিনি কাজ করেন। মুসলিম শরণার্থীদের সহযোগিতা করতে তাদের সংস্পর্শে গিয়ে ইসলাম গ্রহণের অনুপ্রেরণা পেয়েছেন সোলভা নাবিলা স্যাক্সেলিন।
নরওয়েতে ইসলাম
১৯৫০ সালের দিকে নরওয়েতে মুসলমানের অবস্থান স্পষ্ট ছিল না। ১৯৬০ সালের দিকে দৃশ্যমান হতে থাকে মুসলিমদের অবস্থান। নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ১৯৭৪ সালে প্রথম মসজিদ গড়ে ওঠে।১৯৬০ সালের পরবর্তী সময়ে নরওয়েতে মুসলমানদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ফলে বর্তমানে নরওয়েতে মুসলমানরা দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। গত ২০১১ সালের তথ্য মতে নরওয়েতে মোট জনসংখ্যার ২.৩ শতাংশ মুসলিম।

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের জুন মাসে ‘স্টপ ইসলামাইজেশন’ গ্রুপের এক সভায় ইসলাম, কুরআন ও হিজাবের ব্যাপারে বক্তব্য দিতে গিয়ে পুলিশি প্রহরায় এক জনসমাবেশে প্রকাশ্যে পবিত্র কুরআনুল কারিম ছুঁড়ে ফেলেন অ্যানা ব্রাটেন নামে এক নারী নেত্রী।সেখানে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা কুরআনের কপিটি সংরক্ষণে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে অ্যানা ব্রাটেন পবিত্র কুরআনের কপিটি প্রতিবাদকারী মুসলিমের দিকে ছুড়ে ফেল দেন।

এ ঘটনার ৪ মাসের ব্যবধানে অসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কালচারাল স্টাডিজ অ্যান্ড অরিয়েন্টাল ল্যাঙ্গুয়েজ বিভাগের গবেষণার ফলাফল ও ভারডেনস গ্যাঙ্গে-এর প্রতিবেদনটি ইসলাম ও মুসলমানদের জন্য অনেক বড় সুসংবাদ।

স্ত্রী পরকিয়ায় লিপ্ত কাতার প্রবাসী স্বামীকে বলে ভাল না লাগলে ছেড়ে দেন কিন্তু টাকা ১৫ লক্ষ !

এই সংবাদের সকল তথ্য ভুক্তভোগী আমাদেরকে লিখে পাঠান আমরা হুবহু তা তুলে ধরলাম। পুরো ঘটনা পড়লে কষ্ট লাগে। কি না হয়নাই মামলা শালিস সব তাররপর ও এই কুকর্ম কেন এই মহিলার।ভাল না লাগলে ছেড়ে দেন, আমার জন্য অনেক ছেলেই লাইন ধরে আছে। স্বামীকে পরকিয়ায় লিপ্ত স্ত্রী আকতিয়া। ২০১৬ সালের ৬ জুন প্রবাসী রাশেদের সাথে ১৫ লাখ টাকা

দেনমোহরে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় চট্টগ্রাম ষোলকবহরের জালাল আহম্মদ সওদাগর বাড়ির মোহাম্মদ আলমগিরের মেয়ে আকতিয়া মুবাস্বিরা আলম কাশমীর (২২)।বিয়ের পর কিছুদিন ভালভাবে সংসার করলেও বিয়ের ৩ মাস পর যখন রাশেদ পুনরায় প্রবাসে চলে যায় তখনি আকতিয়ার আসল চেহারা উম্মোচিত হতে থাকে।বেপরোয়া চলাফেরা রাত জেগে পরপুরুষের সাথে ভিডিও কলে কথা বলা, শ্বশুর শ্বাশুড়ি স্বামী কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে যখন তখন ঘরের বাহিরে চলে যাওয়া ও পর পুরুষের সাথে দেখা করা অতিষ্ঠ করে তোলে সবাইকে।

বিষয়গুলো আকতিয়ার মা বাবাকে জানালে তারাও মেয়ের পক্ষ নিয়ে উল্টো কাবিনের ১৫ লাখ টাকা নগদ দিয়ে তাদের মেয়েকে তালাক দিয়ে দিতে বলে।এত কিছুর পরও পারিবারিক লজ্জা আর আকতিয়ার গর্ভে রাশেদের সন্তানের কথা বিবেচনা করে রাশেদের পরিবার বিষয়গুলো সমাজের কারো সাথেই শেয়ার করেনি কিন্তু আকতিয়াকে অন্তত তার গর্ভের সন্তানের কথা চিন্তা করে হলেও ভাল হয়ে যেতে বলে।এমতাবস্থায় ২০১৭ সালের মে’র ২৫ তারিখ রাশেদ সিংগাপুর থেকে কাতার ট্রান্সফার হবার দরুন ফিংগার প্রিন্ট করতে দেশে আসে।

ফিংগার প্রীন্ট করার পরপরই কোম্পানির পিড়াপিড়িতে তাকে এক সপ্তাহ পর শত অনিচ্ছা স্বত্তেও কাতার চলে যেতে হয়। কিন্তু যাওয়ার আগে বাচ্চার ডেলিভারীর যাবতিয় সবকিছু ঠিকঠাক করে দিয়ে যায় যাতে তার অনুপস্থিতীতে তার স্ত্রী আকতিয়া ও তার পরিবারের কোন সমস্যা না হয়। কাতার যাওয়ার একদিন পরই অর্থাৎ ৩রা জুন নির্দিষ্ট ডেলিভারী তারিখের ৭ দিন আগেই তাদের পরিবারে তাদের ছেলে সন্তান মোহাম্মদ আবিয়ানের জন্ম হয়।মাত্র একটি দিনের জন্যে সে তার সন্তানকে দেখে যেতে পারেনি তবুও হয়তো মনে কিছুটা শান্তনা ছিল যে ৩ মাস পর ছুটি তে এসে নিজ সন্তানকে কোলে নিবে কিন্তু কে জানতো যে এই একদিনের আফসোস ই তাকে সারাজীবন করতে হবে।

সন্তান জন্মের ঠিক ৫ দিন পরই আকতিয়ার পরিবার আক্তিয়াকে তাদের বাড়িতে রেখে দেখাশোনা করবে বলে নিয়ে যায় যা তাদের পূর্বপরিকল্পনা ছিল কিন্তু সেখানে গিয়েই আকতিয়া রাশেদ কে প্রবাসে ফোন করে বলে যে সে আর ওখানে যাবে না এবং আকতিয়ার নামে একাউন্ট করে সেখানে রাশেদের সব টাকা পয়সা জমা রাখতে হবে এবং আকতিয়ার কাছেই টাকা পাঠাতে হবে যদি সংসার করার ইচ্ছা থাকে।আকতিয়ার চরিত্র যেহেতু আগে থেকেই খারাপ ছিল তাই প্রবাসী রাশেদ আকতিয়াকে তাদের বাড়িতে কিংবা আলাদাভাবে ভাড়া বাসায় রাখতে রাজি হয়নি। তাছাড়া এই অন্যায় আবদার মেনে নিতেও রাশেদ রাজি ছিল না।

পরবর্তীতে রাশেদ তাদের এই অন্যায় প্রস্তাবে রাজি না হলে রাশেদ ও তার পরিবারকে মিথ্যা যৌতুকে ও নারী নির্যাতন মামলা এবং বাকি জীবনে রাশেদের সন্তানের মুখ আর দেখাবে না বলে হুমকি দিতে থাকে এবং রাশেদকে imo whatsapp messanger সবকিছু থেকে তার স্ত্রী ও শ্বশুর শ্বাশুড়ি ব্লক করে দেয়। এদিকে নিজ সন্তানকে একটু ভিডিও কলে দেখার জন্য প্রবাসী রাশেদ ও তার পিতামাতা প্রতি নিয়ত উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে।এভাবে দীর্ঘ ২ মাস যাওয়ার পর কোনরকম উপায় না দেখে রাশেদের পিতামাতা বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন BHRC বরাবর একটি অভিযোগ দাখিল করেন। BHRC উভয় পক্ষকে ডেকে মেয়ে ও তার পরিবারকে তাদের অন্যায়ের জন্য কড়া ভাবে শাসিয়ে দিলে।

মেয়ে ও তার পরিবার পরবর্তীতে এ ধরনের কাজ করবে না মর্মে স্বীকারক্তি দিয়ে পুনরায় রাশেদের পরিবারে ফিরে আসে এবং রাশেদ কে ইমুতে আনব্লক করে বাচ্চাকে দেখায়।কিন্তু যে খারাপ সে যেন কখনোই আর ভাল হয় না। নতুন করে রাশেদের বাসায় ফিরে আসার পর এই আক্তিয়া যেন আগের চেয়েও বেশি খারাপ হয়ে যায়। সারারাত ফোনে পরপুরুষের সাথে উচ্চস্বরে শব্দ করেই কথা বলতে থাকে যেন সবাই বুঝতে পারে যে সে রাতজেগে পরপুরুষের সাথে কথা বলছে।সন্তান হবার পরও কেন এসব করছে এবং পরকিয়াই যদি করবে তাহলে কেন রাশেদ কে বিয়ে করলো সন্তানই বা কেন নিলো এ সব প্রশ্ন করলে

আকতিয়া সরাসরি রাশেদকে বলে ‘ আমার যা ইচ্ছা তাই করবো তোমার ভাল না লাগলে কাবিনের ১৫ লক্ষ টাকা দিয়ে তালাক দিয়ে দাও, আমার জন্য অনেক ছেলেই লাইন ধরে আছে’।আকতিয়ার এমন বক্তব্যের পর রাশেদ আক্তিয়ার ব্যবহৃত মোবাইলের কল লিস্ট বের করে এবং দেখতে পায় যে ০১৯৯৫৬৮১৩৩৩ একটি নাম্বারে আক্তিয়া সারারাত কথা বলে যা ওবায়দুর রাহমান আরজুর ব্যবহৃত নাম্বার (পিতা আজিজুর রহমান, মাতা নাসিমা বেগম, ওলি মিয়া রোড, মিয়া খান নগর, পূর্ব বাকলিয়া, চট্টগ্রাম)। এই ওবায়দুর রহমান আরজু নামের আকতিয়ার দূর সম্পর্কের আত্বীয়র সাথেই আকতিয়ার অবৈধ সম্পর্ক ছিল।

মূলত আকতিয়ার এই দূশ্চরিএের কারনেই আকতিয়ার পিতামাতা তাড়াহুড়া করে আকতিয়াকে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই কিন্তু আকতিয়া বিয়ের পরও যখন পরিবর্তন হচ্ছিলো না তখন আর্থিকভাবে দূর্বল আকতিয়ার পিতামাতা আকতিয়াকে দেনমোহরের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে রাশেদের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে ঘরজামাই রেখে অন্য্যত্র বিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করে যা আকতিয়ার মা নিজের মুখেই রাশেদের মাকে বলে। কিন্তু আইন সম্পর্কে হয়তো তাদের ধারনা ছিল না। আক্তিয়ার পরিবার যদি জানতো যে আক্তিয়া তালাক দিলেও রাশেদ কে কাবিনের টাকা পরিশোধ করতে হবে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ি তাহলে হয়তো আকতিয়া ২ দিনও সংসার করতো না কারন কাবিনের মোটা অংশের টাকাটা আর পরকিয়া টাই আক্তিয়ার কাছে বড় ছিল।

কিন্তু লোকলজ্জা আর সন্তানের কথা ভেবে রাশেদ ও তার পরিবার যে বেশি কিছু করবে না এটা খুব ভাল করেই বুঝতে পেরেছিল আক্তিয়া ও তার পরিবার। কারন বারবার অপরাধ করার পরও রাশেদের পরিবার তাদেরকে ক্ষমা করে দিয়ে যাচ্ছিল শুধু পরিবারের মান সম্মানের কথা ভেবে।
মুলত আকতিয়া ও তার পরিবার পরবর্তীতে পরিকল্পনা করেছিল রাশেদের টাকা পয়সা আকতিয়ার নামে করে নেয়া নচেৎ তালাক নিয়ে কাবিনের ১৫ লাখ টাকা আদায় করা কারন দুটোতেই লাভ ছিল।তাছাড়া তারা তাদের দুশ্চরিত্রা মেয়ে আকতিয়াকেও সামলাতে পারছিলো না এবং আকতিয়াকে দ্বিতীয় বার অন্যএ বিয়ে দেয়ার মত আর্থিক পরিস্থিতিও তাদের ছিল না।

গত ২৩ অক্টোবর ২০১৭ রাশেদের পিতামাতা তাদের গ্রামের বাড়ি হাটহাজারির মাদার্শা গ্রামে যেতে চাইলে আক্তিয়া অন্য অজুহাত দেখিয়ে উনাদের সাথে তাদের গ্রামের বাড়ি যায় না।রাশেদের পিতামাতা মাদার্শা গ্রামের বাড়ি গেলে আক্তিয়া ও তার পিতামাতা পুর্ব পরিকল্পনা মত আবারো আক্তিয়াকে আক্তিয়ার বাড়ি নিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় আক্তিয়ার কাছে রাখা অলংকার সহ রাশেদের মায়ের আলমারিতে রাখা অলংকারও নিয়ে চলে যায় বলে রাশেদের পরিবার দাবি করে।সন্ধ্যায় রাশেদের পিতা মাতা বাসায় ফিরে আক্তিয়াকে বাসায় না দেখে আকতিয়ার পিতা মোহাম্মদ আলামগির কে ফোন করে।

আক্তিয়ার পিতা রাশেদের পিতাকে আগের মতই পুনরায় বলে আক্তিয়াকে ভাড়া বাসায় আলাদা করে রাখতে হবে এবং টাকা পয়সা আকতিয়ার নামে একাউন্ট করে রাখতে হবে এবং আকতিয়ার কাছেই। টাকা পাঠাতে হবে। এমন পরিস্থিতিতে রাশেদের পিতা কোন উপায় না দেখে আবারও মানবাধিকার কমিশন বরাবর ফোন দিয়ে ঘটনাটি জানালে ততক্ষণাৎ বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন থেকে সাত সদস্যের একটি টীম রাশেদের বাসায় আসে এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে একটি তদন্ত রিপোর্ট পেশ করে যার ভিত্তিতে রাশেদের পরিবার আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪ ধারায় একটি সাধারন ডায়েরি করে।বিগত ২৩/৪/২০১৭ আক্তিয়া ও তার পরিবার রাশেদ ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে (৪ ধারায়) একটি মিথ্যা যৌতুকের মামলা দায়ের করে ( সিআর ২০৪/১৮)।

মামলার এজাহারে দেখানো হয় এপ্রিলের ১৮ তারিখ ২০১৮ সালে রাশেদ আক্তিয়াকে ৩ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য রাশেদের নিজ কক্ষে প্রচন্ড মারধর করে পরবর্তীতে আক্তিয়ার পিতা আক্তিয়াকে তাদের বাড়ি নিয়ে চলে যায়।অথচ রাশেদ তখন দেশেই ছিলো না।সেই মিথ্যা মামলায় কোন ধরনের তদন্ত ছাড়াই রাশেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরয়ানা জারি করা হয় এরপর রাশেদ ১৫ জুলাই ২০১৮ দেশে আসে এবং ১৬ জুলাই সরাসরি আদালতে গিয়ে তার পাসপোর্ট টিকেট বোর্ডিং পাস দেখায় যে সে দেশেই ছিলো না এবং তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।আদালত রাশেদের উপযুক্ত প্রমানের ভিওিতে তাকে এই মিথ্যা মামলা থেকে অস্থায়ী জামিন প্রদান করে।

কিন্তু এই অস্থায়ী জামিনের কারনে পরবর্তীতে রাশেদ কে প্রতি মাসে দেশে এসে মামলায় হাজিরা দিতে হয় যেটা একটা প্রবাসীর জন্যে আসলেই অসম্ভব ব্যপার। রাশেদের জামিন ও দেশে আসার খবর জানা মাত্রই আক্তিয়া ও তার পরিবার গত ৩০শে জুলাই ২০১৮ সালে

রাশেদের কাছে তালাক নামা পাঠিয়ে দেয় যেখানে লিখা থাকে ২রা জুন ২০১৭ রাশেদ যৌতুকের জন্য আক্তিয়া কে ক্লিনিকে রেখেই কাতার চলে যায় এবং আক্তিয়ার পিতামাতাই আক্তিয়ার যাবতিয় খরচ পাতি বহন করে আর তার পর থেকেই অর্থাৎ ৩রা জুন ২০১৭

থেকেই আক্তিয়া তার বাবার বাড়ি আছে যা তার করা যৌতুকের মামলার সাথে বিন্দূমাত্রও মিল নেই। কারন যৌতুকের মামলায় বলা হয়েছে ১৮ এপ্রিল ২০১৮ সালে রাশেদ আকতিয়াকে যৌতুকের জন্য তার নিজ কক্ষে মারধর করে আর তালাক নামায় উল্লেখ আছে সন্তান জন্মের পর অর্থাৎ ৩ রা জুন ২০১৭ সাল থেকেই সে তার বাবার বাড়ি।তাহলে কোন টা সত্য? ২০১৭ থেকে যদি আকতিয়া তার বাবার বাড়ি থাকে তাহলে ২০১৮ তে রাশেদ তাকে কিভাবে মারলো? এদিকে সন্তান জন্ম দানের যাবতীয় খরচ পাতির কোন প্রমান

ও তারা দিতে পারে নি, দেয়াটাও সম্ভব না কারন সবি মিথ্যা ও তাদের সাজানো নাটক। যার প্রমান হিসেবে চট্টগ্রাম সার্জি স্কোপ ক্লিনিকে বিল পরিশোধের পর রাশেদের পিতার দস্তখত সহ সেই মানি রিসিট যেখানে রাশেদের সন্তান আবিয়ানের জন্ম হয়, একই তারিখে প্রাইম ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন’র ট্রানজেকশন ডিটেইলস সবকিছুই আছে রাশেদের কাছে।দিনের পর দিন এভাবে মানসিক নি*র্যাতনের পর শেষমেশ রাশেদের মা বাধ্য হয়ে পূর্বের সেই সাধারন ডায়েরির ভিত্তিতে আক্তিয়ার পরকিয়া ও অলংকার আৎসাতের জন্য ৪০৬/৪২০/১০৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করে বিজ্ঞ আদালতে। আদালত মামলাটির সুষ্ঠ তদন্তের জন্য
চট্টগ্রাম পিবিআই বরাবর হস্তান্তর করে।

পিবিয়াই অফিসার মোহাম্মদ আলি দুই পক্ষকে পিবিআই অফিসে হাজির করে এবং সেখানে আক্তিয়া তার ওবায়দুর রাহমান আরজুর (২৭)সাথে অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি ও ১০ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার কথা নিজ মুখে স্বীকার করে।পরবর্তীতে পিবিআই অফিসার তার তদন্তের ভিওিতে আকতিয়ার পরকিয়ার স্বীকারক্তি অনুযায়ি মামলাটি ৪০৬/৪২০/১০৯ ধারা থেকে ৩২৩/৫২০ ধারায় তদন্ত রিপোর্ট প্রদান করে। পরকিয়া একটি জঘন্য ও ঘৃন্যতম কাজ যা স্ত্রী কিংবা স্বামী যেই করুক না কেন। অথচ এত বড় অপরাধ হবার পরও আক্তিয়া, মিতুর মত মেয়েরা নির্দিধায় এ ঘৃন্যতম কাজটি করে যাচ্ছে শুধুমাত্র দেশের প্রচলিত আইনে স্ত্রীর কোন শাস্তির বিধান না থাকার কারনে।

আক্তিয়ার পরকিয়ার শাস্তি রাশেদ ও তার পরিবারই বা কেন পাচ্ছে? কেন পরকিয়ার উপযুক্ত প্রমান থাকার পরও এবং নিজ মুখে আক্তিয়া তার পরকিয়া স্বীকার করার পরও তাকে দেনমোহরের টাকা দিতে হবে? স্বামী সন্তান থাকার পরও যে সব মেয়েরা পরকিয়ায় লিপ্ত

থাকে শুধুমাত্র নিজের শারিরীক চাহিদার জন্য তাদের কাছে সন্তানই বা কতটুকু নিরাপদে থাকতে পারে? এমন অনেক মেয়েকেইতো এখন দেখা যাচ্ছে যে পরকিয়ার নেশায় নিজ সন্তানকেই হত্যা করছে, তাহলে পরকিয়ায় লিপ্ত আক্তিয়ার কাছে রাশেদের সন্তান আবিয়ানই বা কতটুকু নিরাপদে আছে?

তালাকের পর আবিয়ানকে দেখার ও নিরাপত্তার জন্য রাশেদ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে আদালতে। দেশ বিদেশ থেকে ক্রয় করা আবিয়ানের জন্য সমস্ত জিনিসপত্রই রাশেদের বাসায় পড়ে আছে। আকতিয়ার পরিবারকে ফোন করে এসব দিতে চাইলে আকতিয়ার মা কামরুন নাহার বলে ‘ ওগুলা ওখানে রেখে দেন, আবিয়ানের জন্য টাকা পাঠান আমরা কিনে দেব।একটা মাসুম বাচ্চাকে জিম্মি করে তার পিতাকে রীতিমত ব্লাকমেইল করছে। কিন্তু আইনের ধরাবাঁধা নিয়মের কাছে অসহায় হয়ে পড়ে আছে এই হতভাগা পিতা রাশেদ।

এখন শুধু এই

অপেক্ষাতেই আছে কবে আদালত তাকে তার সন্তান আবিয়ান কে দেখার সুযোগ করে দিবে, আবিয়ান তার সমস্ত জিনিসপত্র নিজেই তার বাবার হাত থেকে তুলে নিবে, আবিয়ান আর তার বাবার কোন কিছু থেকেই বঞ্চিত হবে না।রাশেদ এমনই এক হতভাগা পিতা যে নিজ সন্তান আবিয়ানকে জন্মের পর হতে দেখেছে শুধুমাত্র ১ বার তাও আবিয়ানের জন্মের ১৯ মাস পর যখন পিবিআই অফিসে তদন্তের জন্য দুই পরিবারকে ডাকা হয়েছিলো তখন তা না হলে হয়তো এখনো নিজ সন্তান আবিয়ান কে দেখা হত না তার। সেদিন কখনো না দেখা বাবাকে চিনতে না পেরে আবিয়ান রাশেদের কোলে পর্যন্ত যেতে চাইছিল না। এ সব কিসের শাস্তি রাশেদের?

কি অপরাধ রাশেদের? বিয়ে করাটাই কি তাহলে পাপ ছিল? এসব প্রস্নের উত্তর না পেয়েই হয়তো আকাশের মত ছেলেরা সবশেষে আত্বহত্যার মত কঠিন পথ বেছে নিচ্ছে। রাশেদ হয়তো আকাশের মত আত্বহত্যা করেনি কিন্তু বেঁচে থেকেও তো মরে আছে সে। সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সংকিত রাশেদ সবসময় আতংকের মধ্যে থেকে প্রবাসে দিন যাপন করছে অন্তত এতটুকু বিশ্বাস নিয়ে যে দেশের আইন হয়তো একদিন আক্তিয়ার পরকিয়ার উপযুক্ত বিচার করে তার সন্তান আবিয়ান কে তার কাছে ফিরিয়ে দেবে।

এ ছাড়া আর কিছুই তার চাওয়ার নেই। পরিশেষে, এ সব আকতিয়া, মিতুর পরকিয়ার বিচার যদি না হয় তাহলে সামনে আরো লাখো আকতিয়া, মিতুর জন্ম হবে এ দেশে। আরো লাখো আবিয়ান এতিম হবে এবং হয়তো আরো ঝরে যাবে ডাঃ আকাশের মত আরো তরতাজা প্রাণ।

ভোলায় বেরিয়ে এলো ৫০ বছর আগের সাদা কা*ফন পরা অক্ষত লা’শ !

ভোলার মনপুরায় নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়া ক’বর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে ৫০ বছরাধিক সময়ের পুরনো অক্ষত লা’শ।১৮ই সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার হাজীর হাট ইউনিয়নের চরজ্ঞান গ্রামে অবস্থিত সাবেক চেয়ারম্যান আঃ লতিফ ভূইয়ার বাড়ি জামে মসজিদ সংলগ্ন গোরস্থানের নদী ভাংতি যায়গা থেকে এই অক্ষত লা’শটি উদ্ধার করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মসজিদ সংলগ্ন গোরস্থানটি বেশিরভাগ অংশ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। মসজিদটিও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বুধবার ফজরের নামাজের পর মুসল্লীরা অক্ষত লা’শটি দেখতে পান।পরে কবর খুড়ে লা’শটি উপরে তুলে আনেন স্থানীয়রা। লা’শটি দেখে সবাই হতবাক হয়ে যান। লা’শের পরনের কাপড়টি ধবধবে সাদা।

বাঁধনসহ পুরো কাপড়টি এখনো শক্ত, মনে হয় যেন একদম নতুন। স্থানীয় বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ ছালাউদ্দিন জানান, আমি কবর খুড়ে লা’শটি উপরে তোলায় সাহায্য করেছি।আল্লাহতায়ালার কি রহমত, ক’বরের ভিতর গাছ-গাছালির অসংখ্য শিকড় থাকলেও লা’শের গায়ে কোন আ’ঘাত বা প্রতিব’ন্ধকতার সৃষ্টি করেনি।

এদিকে অক্ষত লা’শ পাওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শতশত উৎসুক মানুষ ঐ মসজিদ প্রাঙ্গনে এসে ভীড় করেন। স্থানীয়রা ধারনা করেন, এই লা’শ ৫০ বছরের অধিক সময়ের পুরনো হবে। পরে উত্তোলন করা এই লা’শটিকে স্থানীয় উত্তর চর যতিন জামে মসজিদ সংলগ্ন গো’রস্থানে পুনরায় দা’ফন করা হয়।প্রত্যক্ষদর্শী অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে(ফেইসবুক) অভিব্যক্তি ব্যাক্ত করে স্ট্যাটাস দিয়েছেনে। মাও. মোঃ ইউনুস লিখেছেন, মনপুরা উপজেলাধীন হাজীর হাট ইউনিয়নের অধীনে চরজ্ঞান মসজিদের কাছে একটি লা’শ দেখা যায়।

ধারনা করা হচ্ছে ৭০ বছরের পুরনো ক’বর। কাপড় যেরকম ছিল, অবিকল সেরকম ছিল। গায়ে কোন দাগ নেই, এটা ঈমানের আলামত।
মোঃ আইয়ুব আলী লিখেছেন, আল্লাহর গোলাম ক’বরে গেলেও ঘুমায়, কোন জিনিস স্পর্শ করতে পারেনা। আল্লাহ যেন তাদের মাঝে আমাদেরও কবুল করে নেন, আমিন।

চীনে আটক করে মুসলমান নারীদের ব,ন্ধ্যা করে দেয়া হচ্ছে

চীনের নৃতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অন্তরীণ রাখার বিভিন্ন ডিটেনশন ক্যাম্পে মুসলমান নারীদের ব*ন্ধ্যা করে দেয়া হচ্ছে। সাবেক আটকদের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ও জাপানের নিক্কেই এশিয়ান রিভিউ এমন খবর দিয়েছে।গুলবাহার জেলিলোভা নামের এক নারী বলেন, আমাদের শরীরে প্রায়ই ইনজেকশন পুশ করতেন তারা।

সুদূর পশ্চিম জিনজিয়াং অঞ্চলে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নামে এই আটক রাখার ক্যাম্পগুলোতে একবছরেরও বেশি সময় তাকে বন্দী রাখা হয়েছিল।গুলবাহার বলেন, দরজার একটি ছোট্ট ফাঁক দিয়ে আমাদের হাত বাইরে বের করে দিতে হয়েছে। ইনজেকশন দেয়ার পর শীঘ্রই বুঝতে পারলাম যে আমাদের পিরিয়ড বন্ধ হয়ে গেছে।আ*টক হওয়ার পর অধিকাংশ সময় ১০ থেকে ২০ ফুটের একটি ছোট্ট ঘরে অর্ধশতাধিক নারীর সঙ্গে কাটাতে হয়েছে ৫০ বছর বয়সী এই নারীকে। এতে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে তাদের দিন যাপন করতে হয়েছে।

জাপানের টোকিওতে মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের একটি অনুষ্ঠানে ভিডিও কলে ৩০ বছর বয়সী এক যুবতীও এই তথ্য দিয়েছেন।মেহেরগুল তুরসুন নামের ওই উইঘুর নারী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। ২০১৭ সালে তিনি যখন ক্যাম্পে অন্তরীণ ছিলেন, তখন তাকে অজ্ঞাত ওষুধ ও ইনজেকশন দেয়া হয়েছে।মেহেরগুল বলেন, আমি সপ্তাহখানেক ধরে ক্লান্ত বোধ করেছি। স্মৃতি হারিয়ে ফেলেছি এবং বিষণ্ণ হয়ে পড়েছিলাম। মানসিক রোগী হিসেবে শনাক্ত হলে চার মাস পর আমাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি বন্ধ্যা হয়ে গেছেন।ক্যাম্পগুলোতে ১০ লাখের মতো উইঘুর, কাজাখ ও অন্যান্য সংখ্যালঘুকে জোরপূর্বক আটক রেখেছে চীন বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছে।গবেষকদের দাবি, এসব স্থাপনা যুদ্ধকালীন বন্দীশিবিরের মতো। সাংস্কৃতিক গণহ*ত্যা ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য পরিকল্পিত অভিযানের অংশ হিসেবে ডিটেনশন ক্যাম্পে লোকজনকে আ*টকে রাখা হয়েছে।

এসব ক্যাম্পকে বোর্ডিং স্কুল হিসেবে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে চীন সরকার। যেখানে আটকদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। আর নির্যাতনের খবরকে ভুয়া বলে উল্লেখ করছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি।

ইতালিতে নতুন করে প্রায় বিশ হাজার লোকের ইসলাম গ্রহণ!

গোটা ইউরোপে যখন ইসলাম আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে তখন ইসলাম গ্রহণের হার কমেনি। সম্প্রতি ইউরোপে ইসলাম সর্ম্পকে মানুষের জানার আগ্রহ বাড়ছে। বাড়ছে ইসলাম গ্রহণকারীর সংখ্যা।এমন প্রেক্ষাপটে ২০১৬ সালে ইতালির সাবেক একজন পার্লামেন্ট সদস্যর মেয়ের ইসলাম গ্রহণ নিয়ে দেশটিতে সৃষ্টি হয়েছিল তোলপাড়। ম্যানুয়েলা ফ্রাংকো বারবাতো নামের এই তরুণীর এখন নতুন নাম আয়েশা।

ইসলাম গ্রহণের পর ইসলামের অনুশাসন তিনি মানছেন। পূর্ণাঙ্গ হিজাবী এই নারী ইতালির এক সাবেক এমপি ফ্রাংকো বারবাতোর মেয়ে। তিনি তার বাবার খ্রিষ্টধর্ম থেকে ইসলামে দীক্ষিত হয়েছেন।ম্যানুয়েলার এই ইসলাম গ্রহণের ঘটনা এখন ইতালিতে আলোচনার বিষয়। খ্রিষ্টান উগ্রপন্থীরাকঠোরভাবে সমালোচনা করছেন তার। সমালোচনা থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না তার বাবাও। ফ্রাংকো বারবাতোকে হাফিংটন পোস্টের পক্ষ থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনার মেয়ে তো মুসলমান হয়ে গেল, এখন আপনার কেমন লাগছে?

তার উত্তর ছিল, ‘শুধু খারাপ না, খুবই খারাপ লাগছে। কারণ এটি একটি অত্যন্ত কঠোর ধর্ম, খুবই চরমপন্থী, একদম সেকেলে! এই ধর্মটি মৌলবাদী। আমার মেয়ে আমার সাথে থাকাবস্থায় আমি নিজে দেখেছি। প্রতিদিন দেখেছি নামাজের সময় হলে সে সন্তানের কথাও ভুলে যায়!এজন্য আমি তার প্রতি রাগ করতাম। সে যা নিজের জন্য পছন্দ করেছে আমি তাতে খুবই ব্যাথিত।তবে আয়েশা ইসলাম গ্রহণ করতে পেরে খুবআনন্দিত, সন্তুষ্ট। তিনি বলেন, ‘আমার আত্মার পরিশুদ্ধির জন্য আমি গর্বিত।এসব আল্লাহর নিয়ম, আমার অভিযোগ করার কী আছে?’ নিজের হিজাব পরিধান নিয়ে চারপাশে যত কথা। তার উত্তরে আয়েশা বলেন, ‘হিজাব আমার জীবনের অংশ, যা আল্লাহ আমার জন্য পছন্দ করে দিয়েছেন।’

আয়েশা আগে বাবার সাথে থাকলেও প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেয়ার পর তার স্বামীকে নিয়ে ভারতে চলে গেছেন।সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের গ্রাজুয়েশন করছেন। বিবাহিত জীবনে তার দুই শিশু সন্তান রয়েছে। ইতালিতে ১৭ লাখ মুসলমানের বসবাস। ইতালীর সরকারি সংস্থারহিসাবে দেশটিতে প্রায় বিশ হাজার সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অন্যান্য ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।ইতালির এই চিত্র প্রমাণ করে ইউরোপে ক্রমবর্ধমান ধর্ম হিসাবে ইসলামের প্রসার ঘটছে। হাফিংটন পোস্ট অবলম্বনে জুমবাংলানিউজ/এসওআর জার্মান ফুটবলার ওজিলের সঙ্গে এরদোগানের ইফতারের ছবি ভাইরাল। আর্সেনালের জার্মান মিডফিল্ডার মেসুত ওজিলের সঙ্গে ইফতার করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। গেল শনিবার ইস্তানবুলে ইফতার করেন তারা।

এদিন অটোমান যুগের দলমাবাহাস রাজপ্রাসাদে রাজকীয় ইফতার পার্টি হয়। এতে এরদোগানের টেবিলের একপাশে বসেন ওজিল ও তার বাগদত্তা এমিনে গুলসে। এ সময় হাস্যোজ্জ্বল দেখা যায় তাদেরইতিমধ্যে সেই ছবি ভাইরাল হয়ে যায়। শিগগির বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন ওজিল। দীর্ঘদিনের বান্ধবী গুলসের সঙ্গেই গাঁটছড়া বাঁধছেন তিনি। বহুল প্রতীক্ষিত এ বিয়েতে অতিথি হিসেবেও দেখা যেতে পারে এরদোগানকে। ইতিমধ্যে তুর্প্রেসিডেন্টের হাতে বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র তুলে দিয়েছেন ওজিল ও গুলসে।সবাই তুরস্কে ব্যাপক জনপ্রিয়। সেই ছবি নিয়েও সমালোচনা হয়। ওজিল জার্মানির হয়ে খেললেও জাতিতে তুর্কি। তার হবু স্ত্রীও তুর্কি বংশোদ্ভূত। পেশায় মডেল ও অভিনেত্রী গুলসে অবশ্য সুইডেনের নাগরিক।

গেল বছর বর্ণবৈষম্য ও অসম্মানের অভিযোগ এনে জার্মান জাতীয় ফুটবল দল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ওজিল। এর নেপথ্যেও ছিলেন এরদোগারাশিয়া বিশ্বকাপের আগে তুরস্ক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ওজিল। পরে এর একটি ভিডিও ক্লিপ নিজের ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন তিনি। তাতে দেখা যায়, এরদোগানকে আর্সেনালের জার্সি উপহার দিচ্ছেন এ মিডফিল্ডার। বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেননি জার্মানরা।

ডানপন্থী রাজনীতির কারণে এরদোগানের ভাবমূর্তি নিয়ে পশ্চিমাবিশ্বে প্রশ্ন আছে। এমন একজনের সঙ্গে ছবি তোলায় জার্মানদের মূল্যবোধ নষ্টের অভিযোগ তোলা হয় ওজিলের বিরুদ্ধে। তবু তাকে বিশ্বকাপের দলে রাখেন কোচ জোয়াকিম লো।বিপত্তিটি বাধে প্রথম রাউন্ড থেকে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা বিদায় নিলে। ব্যর্থতার দায় এসে পড়ে ওজিলের কাঁধে। ফলে উগ্র সমর্থকদের কাছ থেকে ঘৃণিত বার্তা হতে শুরু করে মৃত্যুর হুমকিও পান তিনি। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে জাতীয় দল থেকে অবসর নেন ২৯ বছরের মিডফিল্ডার।

ইসলাম ধর্ম আমার পছন্দ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ”

ভারতের ক্ষমতাসীন দলের বি’রুদ্ধে প্রবল তোপ দেগে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেছেন, ধ’র্মের নামে মানুষের মধ্যে বিভেদের রাজনীতির খেলায় নেমেছে বিজেপি। তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ধ’র্মকে ব্যবহার করেই বাংলায় মানুষে মানুষে বিভেদ করতে চাইছে তারা।ভারতের চলতি লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বা বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ পশ্চিমবাংলায় এসে যতোই হিন্দুত্বের তাস খেলছেন।

এর মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতিয়ার ধ’র্ম নিরপেক্ষতা। তিনি যে নিজেকে ভারতের মাটিতে সর্বধ’র্ম সমন্বয়ের স্তম্ভ হিসেবে প্রমাণ করতে চাইছেন,তার প্রমাণ দিয়ে চলেছেন বারংবার। মমতা আরও বলেন, ‘আমি যেমন পুজোয় যাই তেমনি রোজায় যাই, ইফতার-ঈদেও যাই। কারণ আমা’র ভাল লাগে। ইস’লাম শান্তির ধ’র্ম আমা’র পছন্দ।

পশ্চিমবঙ্গের লাল মাটির দেশ বাঁকুড়ার রানীবাঁধে এক জনসভায় মমতা হিন্দু ধ’র্মের স্তোত্র পাঠের পাশাপাশি মু’সলিম ধ’র্মের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলে ওঠেন, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সা.)। একইসঙ্গে তিনি খ্রিস্টান ধ’র্মের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।এদিন মমতা সাফ জানিয়ে দেন, ‘আমি হিন্দু ধ’র্মকে শ্রদ্ধা করি তবে আমি মোদি-শাহদের হিন্দুত্বকে মানি না।

তাদের কাছ থেকে হিন্দু ধ’র্ম শিখতে চাই না।’ সম্প্রতি মমতার গাড়িবহরের সামনে কয়েকজন যুবক ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দেওয়ায় বেজায় রেগে যান মমতা। যা নিয়ে জয় শ্রীরাম রাজনীতিতে পশ্চিমবঙ্গ এখন সরগরম।

অল্পের জন্য ভয়া*বহ বজ্রপাত থেকে র*ক্ষা পেল ট্রাম্পের বিমান!

অল্পের জন্য বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অফিশিয়াল বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান প্লেন’। সোমবার নর্থ ক্যারোলাইনার চেরি পয়েন্টের মেরিন এয়ার স্টেশনে এ ঘটনা ঘটেছে।ক্যামেরায় ধরা পড়া বজ্রপাতের এই দৃশ্যের একটি ছবি টুইট করেছেন ট্রাম্প।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ জানায়, মেরিন এয়ার স্টেশনে অপেক্ষমাণ ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিমান। এসময় বিমানটির পাশেই আঁচড়ে পড়ে ভয়াবহ এক বজ্রপাত। বজ্রপাতের ছবি দেখে মনে হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের বিমানের মাঝ বরাবর পড়েছে বজ্রপাতটি।

ঝড়ের কারণে বিমানের বাইরে ছিলেন ট্রাম্প। বজ্রপাতের সময়কার বিমানের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, দিস ইস অ্যামাজিং!মার্কিন সংবাদ মাধ্যম জানায়, ভয়াবহ হারিকেন ডোরিয়ানের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের যাওয়ার কথা থাকলেও ঝড়ের কবলে সফর পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হয়েছিল।এদিকে ট্রাম্পের ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে নানা হাস্যরসাত্মক মন্তব্য। একজন বলছেন, ট্রাম্পের বিমানে বজ্রপাত ‘ঈশ্বর মিস করেছে’। কেউ কেউ বলছেন এই বজ্রপাত ট্রাম্পকে দ্বীপরাষ্ট্র বাহামায় আঘাত হানা ভয়াবহ হারিকেন ডোরিয়ানের ব্যাপারটি মনে করিয়ে দিয়েছে।

গত সপ্তাহে ভয়াবহ হারিকেন ডোরিয়ানের আঘাতে দ্বীপরাষ্ট্র বাহামায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাঁচ মাত্রার এ হারিকেনের তাণ্ডবে অন্তত ৪৩ জন নিহত হয়েছেন বলে সরকারি ভাষ্যে বলা হয়েছে।ডোরিয়ান ঘণ্টায় একটানা সর্বোচ্চ ৩০০ কিলোমিটার বাতাসের বেগ নিয়ে বাহামাসের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপগুলোর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় সেখানে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসও আঘাত হানে।

সুন্দরী জুঁইয়ের ভয়াবহ প্রতারণা বাদ যায়নি স্বামী ও ভাই !

নাম জুঁই। দেখতে সুন্দরী। কে বলবে এই সুন্দর চেহারার আড়ালেই লুকিয়ে ছিল ভয়ংকর এক চরিত্র। তার ভয়ংকর আচরন থেকে বাদ যায়নি নিজের আপন ভাই ও স্বামী। সর্বস্বান্ত হয়েছেন ভাই ও দুই স্বামী। প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে আপন ভাই ও দুই স্বামীর ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে তার বিরুদ্ধে।এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে খুলনার আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) খুলনায় পাঠানো হয়েছে।

এর আগে ৩রা সেপ্টেম্বর খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নালিশি মামলার আমলি আদালতে (দৌলতপুর থানা) মামলাটি দায়ের করেন ওই যুবতীর বড় ভাই মোস্তফা ফয়সাল। তিনি নগরীর গোয়ালখালী মেইন রোড এলাকার এসএম বাবর আলীর ছেলে। এছাড়াও মামলায় একাধিক পুরুষের সঙ্গে জুই’র অনৈতিক সম্পর্কের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে।আদালতের সূত্র জানান, বাদীপক্ষে সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল মালেক আদালতে মামলাটি দাখিল করেছেন। শুনানি শেষে মহানগর হাকিম মো. শাহীদুল ইসলাম মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআই খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বরাবর প্রেরণের নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে আগামী ১৫ই অক্টোবর মামলার পরবর্তী দিন ধার্যসহ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দিয়েছেন। এজাহারে বাদী মোস্তফা ফয়সাল উল্লেখ করেন, তিনি ২০১২ সালে সরকারিভাবে চাকরি পেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় যান।

যাওয়ার প্রাক্কালে তার বোন ফারহানা নাসনির জুই বিদেশ থেকে অর্জিত অর্থ তার নামে প্রেরণ করতে বিভিন্নভাবে ফয়সালকে উদ্বুদ্ধ করেন। এমনকি বলেন, ‘বাবা ও মায়ের নামে টাকা পাঠালে তারা সব টাকা খরচ করে ফেলবে, দেশে ফিরে কিছুই পাবে না’। এ ধরনের কথায় বিশ্বাস স্থাপন করে তিনি ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত চার বছরে বিভিন্ন সময়ে ইসলামী ব্যাংক দৌলতপুর শাখায় জুই’র নিজস্ব ব্যাংক হিসেবে ৬০ লাখ টাকা পাঠান। ২০১৬ সালে দেশে ফিরে তিনি জুই’র কাছে নিজের প্রেরিত টাকা ফেরত চান। কিন্তু সে আজকাল করে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করে।

বিষয়টি নিয়ে পরিবারে অশান্তি তৈরি হয়। এ নিয়ে পারিবারিকভাবে একাধিকবার আলোচনা হলেও নানা অজুহাতে সে সময় ক্ষেপণ করে। সর্বশেষ গত ৩১শে আগস্ট টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও সে রাখেনি। উপরন্তু ওইদিন সে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে।বাদী আরও উল্লেখ করেন, ২০০৬ সালে আয়ারল্যান্ড প্রবাসী জিয়াউর রহমানের সঙ্গে ফারহানা নাসরিন জুই’র প্রথম বিয়ে হয়। বিয়ের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই জমি কেনার কথা বলে জুই তার কাছ থেকে তিন দফায় ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এরই মধ্যে সে মো. ইমরান নামে এক ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানতে পেরে স্বামী জিয়াউর রহমান আয়ারল্যান্ডেই স্ট্রোকে মারা যান।

পরবর্তীতে ২০০৭ সালের ১১ই অক্টোবর ঢাকার ব্যবসায়ী মো. হুমায়ুন কবিরকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে জুই। বিয়ের পর তার কাছ থেকে বিভিন্ন মালামাল ও স্বর্ণালঙ্কারসহ ৮৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। আর্থিক বিষয় নিয়ে এক পর্যায়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। বিপুল অংকের এ অর্থ-সম্পদ স্থায়ীভাবে আত্মসাতের উদ্দেশে জুই স্বামী হুমায়ুন কবিরের সাক্ষর জাল করে ২০০৮ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারি একটি ভুয়া খোলা তালাকনামা তৈরি করে। ওই ঘটনায় স্বামী হুমায়ুন কবির স্ত্রী ফারহানা নাসরিন জুইসহ কয়েকজনকে আসামি করে খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মামলা করেন।ওই মামলায় জুইসহ আসামিরা এক মাস কারাবাস করেন। মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে। এছাড়া জুই তার স্বামী হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধেও যৌতুক ও নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলা এবং হুমায়ুন কবিরও তার বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন।

বাদী মোস্তফা ফয়সাল অভিযোগ করেন, তার এবং দুই ভগ্নিপতির বিপুল অংকের টাকা আত্মসাৎ করেই ক্ষান্ত হয়নি জুই। সে জহিরুল ইসলাম জনি, সাইফুল ইসলাম সাকিল, সায়মন ও মোস্তাফিজসহ আরো একাধিক পুরুষের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সময় সে তাদের বাসায় ডেকে আনে।এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করার কারণে সে তার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা তো ফেরত দিচ্ছে না। উপরন্তু বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে তার ক্ষতি করার ষড়যন্ত্র করছে।এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়া হলে বরগুনার মিন্নির মতো ভয়াবহ ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।

সূত্র: মানবজমিন

মোদির স্বপ্নভ*ঙ্গ, মহাকাশেই নি*খোঁজ হল বিক্রম!

শেষ মুহূর্তে এসে ব্যর্থ হয়ে গেছে ভারতের চন্দ্রযান-২ এর অভিযান। একইসাথে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এতে চন্দ্র বিজয়ের স্বপ্ন আপাতত ব্যর্থ হয়ে গেছে ভারতবাসীর। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ইসরো) প্রধান এ ঘটনায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। সে সময় তাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন মোদিপ্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার ভাষণ শেষ করার পরে দৃশ্যতই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবন। ইসরো প্রধানকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন নরেন্দ্র মোদি।

এদিকে, নিজের ভাষণেও এদিন আগাগোড়া কঠিন সময়ে বিজ্ঞানীদের পাশে থাকার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, তাদের সাহস ও কাজের প্রতি আনুগত্য গোটা দেশের কাছে অনুপ্রেরণা। চাঁদে যাওয়ার জেদ যে এর ফলে আরও বেড়ে গেল, সে কথাও জানান তিনি।চন্দ্রযান-২ এর অভিযান শেষ মুহূর্তে ব্যর্থ হলেও ধরা পড়ল এক অমূল্য ছবি। যেখানে ব্য়র্থতার কারণে ভেঙে পড়া বিজ্ঞানীকে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিলেন মোদি।

সাহস জোগাতে পিঠে ছোট ছোট চাপড় মারতে মারতে কে শিবনকে আস্তে আস্তে দু-এক কথা বলেনও তিনি। তারপরই নিজেকে কিছুটা সংযত করে নেন ইসরো প্রধান।

মায়ের দুধের জন্য রাতভর কাঁ’দে ইসরা!

‘রাত ১২ টায় -ঘুমের মধ্যেই কেঁদে ওঠে ইসরা। ফিডার মুখে ধরলাম, এক ঝটকায় মুখ থেকে ফেলে দিয়ে কান্না শুরু করল। এদিক-ওদিক তাকিয়ে মাকে খুঁজতে থাকে আর কাঁদে। ঘণ্টাখানেক কেঁদে ক্লান্ত হয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ে।আবারও রাত চারটায় জেগে ওঠে। একইভাবে সকাল ছয়টা পর্যন্ত কাঁদতে কাঁদতে হেঁচকি তুলে পরে ঘুমিয়ে যায়। কিভাবে সামলাবো এই দুধের বাচ্চাটিকে? এতো কষ্ট কেমনে সহ্য করব? কিভাবে সহ্য করবে আমার ছেলে। দুইদিন ধরে কিছুই খায়নি। বিছানায় লেপ্টে পড়ে আছে।’

বৃহস্পতিবার মহাখালীতে বাসচাপায় মা’রা যাওয়া ফারহানাজের ১৫ মাস বয়সী ইসরাকে কোলে নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন আর ডুকরে কাঁদ*ছিলেন দাদি জাহিদা আখতার রেনু।শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে এই প্রতিবেদক যখন মিরপুরের মনিপুরে ফারহানাজের শ্বশুরবাড়িতে, তখন ঘরভর্তি স্বজন আর প্রতিবেশীর ভিড়। শো*বার ঘরের বিছানার এককোণে শুয়ে ফারহানাজের স্বামী পাভেল। রাতে স্যালাইন পুশ করে আর ভোরে ঘুমের ওষুধে তাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে।ফারহানাজ-পাভেলের ছোট্ট ফুটফুটে মেয়েটিকে ঘিরে চলছে কান্নার রোল। দাদি-নানি-খালা সবাই মিলে তাকে খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। সবার চোখেই পানি। কেউ কাঁ*দছেন নিঃশব্দে কেউ হাউ*মাউ করে। ইসরা অবাক হয়ে তাকিয়ে আবার আপনমনে খেলা শুরু করে।

ফারহানাজের শাশুড়ি জাহিদা আখতার রেনু বলেন, আমার মেয়ে নেই। দুইটাই ছেলে। ফারহানাজ আমার নিজের মেয়ের চেয়েও বেশি ছিল। কখনোই মনে হতো না ও আমার ছেলের বউ।আামার ঘরটা আলো করে রাখত। পুরো বাড়িজুড়ে ওর স্মৃতি। এতো সুন্দর যে আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। এতো ভালো ব্যবহার যে আত্বীয়রা বলত তোমার বউ ভাগ্য খুব ভালো। সব সময় মুখে হাসি লেগেই থাকতো। বৃহস্পতিবার অফিস যাবার সময় বলে গেল ‘ আম্মু আসি’। ওই শেষ কথা-কান্না*য় ভেঙে পড়েন রেণু।চোখ মুছে আবারও বলা শুরু করেন— ‘প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাবা-মা একমাথে বাসায় ফিরত। তাই দরজায় কলিংবেলের আওয়াজ পেলেই অস্থির হয়ে আমাকে ঠেলত।

দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গেই মায়ের বুকে ঝাঁপিয়ে পড়তো ইসরা। আমি ওর মায়ের ব্যাগটা তখন হাতে নিতাম। সারাদিন আমার কাছে থাকলেও ওর মা এলে আর আমার কাছে আসতো না। মায়ের গায়ের সঙ্গে লেপ্টে থাকত। বাথরুমেও যেতে দিত না। ’ফারাহানাজের মা শাহজাদী বেগম জানালেন তা মেয়েটি খুব মেধাবী ছিল। সব সময় ক্লাসে ফার্স্ট-সেকেন্ড হতো ফারহা। ঢাকার সিটি কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক শেষ করে ইডেন কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর পাস করেছে আমার মেয়ে।ব্যাংক কর্মকর্তা হওয়ার স্বপ্ন ছিল। সব শেষ হয়ে গেল। যে বাসচালক আমার মেয়েকে মেরে ফেলছে তাকেও এমন করে পিষে মারা হোক। আমার কলিজা জ্বলে যাচ্ছে। কিভাবে ঠান্ডা করবো? আমার নাতনির কী হবে?’
কান্না ছাড়া আর কোনো শব্দ বেরোয় না তার শাহজাদী বেগমের কণ্ঠ থেকে। তার এই কান্নার রেশ ছড়িয়ে পড়ে পুরো ঘরের সবার মাঝে। ছোট্ট ইসরা অবাক হয়ে সবার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। শাহজাদী বেগম বলেন, আমার মেয়ের তো কোনো দোষ নেই ।

ও তো রাস্তা পারাপারের সময় বাস ধাক্কা দেয়নি। ও নাকি ফুটপাতে দাঁড়িয়ে ছিল। আমার তরতাজা মেয়েটারে মেরে ফেলল।ইসরার বাবার বড় ভাই মোহাম্মদ সাইফুল রাসেল জানান, তার ছোট ভাই পাভেল তার স্ত্রীর মৃ’ত্যুর পর কিছুই খাচ্ছে না, ঘুমাচ্ছে না। কবরস্থানে যেতে চাচ্ছে বারবার। কিন্তু তার হাঁটারও ক্ষমতা নেই। আজ সকালে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হইছে। ওর মেয়েটা এতোদিন কোনো কথায় বলতো না। গতকাল থেকে কান্নার সময় ‘মা’ -‘মা’ করছে।বৃহস্পতিবারের ওই বাস দুর্ঘটনাটির প্রত্যক্ষদর্শী চ্যানেল টোয়েন্টটি ফোরের স্টাফ রির্পোটার জেড এম সাদ। ওইদিন ঘাতক বাসটির ঠিক পেছনেই অফিসের গাড়িতে ছিলেন তিনি।

আসলে কী ঘটেছিল সেদিন জানতে চাইলে সাদ বলেন, আমার অ্যাসাইনমেন্ট ছিল গাজীপুরের মাওনাতে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে পৌনে ৯টার মতো হবে । বনানীর শেষ মাথায় যেখানে ফ্লাইওভারের ঢাল শেষে হয়েছে অর্থাৎ আমতলীতে হঠাৎ দেখলাম একটা বাসের সামনের অংশ উঠে গেল ফুটপাতে।বাসটির পেছনে আরেকটি গাড়ির পেছনে আমাদের গাড়িটা। সঙ্গে সঙ্গেই ড্রাইভারকে গাড়ি থামাতে বললাম। নেমে দেখি একজন বাইকসহ রাস্তায় পড়ে আছে। তিনি পুরুষ ও কম আহত। অন্যজন নারী, ফুটপাতের উপরে তার শরীরের অর্ধেকটা আর নিচের অংশটা রাস্তায়। তিনি ব্যর্থায় গোঙ্গাচ্ছেন।ঘাতক বাসটিতে যাত্রী ছিল না। দেখলাম বাসচালক নেমে দৌঁড়ে পালিয়ে গেল। আমি দেখলাম মেয়েটি বেঁচে আছে। কিন্তু তার কন্ডিশন খুব খারাপ। পথচারী এক আপুৃর সহযোগিতায় আমি ও আমার ভিডিওগ্রাফার তাকে গাড়িতে উঠায়। আমি তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা চালিয়ে যাই— যেন উনি জ্ঞা*ন না হারান।

তখনো তিনি ব্যা*থায় গোঙ্গাচ্ছেন। কিন্তু তার চোখ খোলা। আমার কোলেই ছিল তার মাথাটা। কোথাও তেমন কোনো ব্লি**ডিং নেই। পরে পত্রিকায় দেখেছি তার মাথা ফে*টেছি। কিন্তু আসলে তার মাথা বা শরীরের কোনো অংশে ফাটা বা র**ক্ত ছিল না। হালকা আঁচড়ে গিয়েছিল কয়েকটি জায়গায়। হয়তো শরীরের ভেতরে র**ক্তরক্ষণ হয়েছিল।কিছুক্ষণ পরে আমি তার ভ্যানিটি ব্যাগ খুলে মোবাইল বের করি, তার পরিবার-পরিচিতদের দু*র্ঘ*টনার বিষয়ে জানাবো বলে।কিন্তু ফোনটা পার্সওয়ার্ড লকড ছিল। পরে ব্যাগে পাওয়া আইডি কার্ড থেকে ফোন নম্বর নিয়ে তার অফিসে ফোন করে জানালাম, তিনি অ্যাকসিডেন্ট করেছেন। তাকে আমরা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিচ্ছি।সাদ বলেন, যানজট কম থাকায় মিনিটি বিশেকের মধ্যেই আমরা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছে যাই। কিন্তু সেখানকার ইর্মাজেন্সি গেটে কোনো আয়া বা স্ট্রেচার ছিল না। ছিল শুধু একটা হুইল চেয়ার ।

ডিউটিতে থাকা আনসার বললো, এখানে লোকবল কম, স্ট্রেচার নিজেদের আনতে হবে। আমাদের ড্রাইভারকে পাঠিয়ে ভেতর থেকে স্ট্রেচার আনালাম।পাশে দাঁড়ানো কয়েকজন রোগী ও তাদের স্বজনদের অনুরোধ করলাম— তাকে গাড়ি থেকে নামাতে সাহায্য করতে। গাড়িতে থাকা অপরিচত সেই পথচারী আপু আর আমি নামানোর সময় বুঝতে পারলাম, তিনি বড় করে একটা নিঃশ্বাস ছাড়লেন।আমরা ক’জনে কিছুতেই গাড়ি থেকে তার শরীরটা বের করতে পারছিলাম না। কিন্ত কেউ সাহায্যে এগিয়ে এলো না। পরে কোনো মতে তাকে নামিয়ে ইর্মাজেন্সিতে নেওয়ার পর ইসিজি করে ডাক্তার বললেন— শেষ , আর কিছু করার নেইআমি কিন্তু অ্যাসাইনমেন্ট বাদ দিয়ে, এই ঘটনা নিয়ে নিউজ করার কথা ভুলে শুধুই তাকে বাঁচাতে চেয়েছিকিন্তু হাসপাতালে আমাদের ১০ মিনিটেরও বেশি সময় নষ্ট হয়েছে, কেউ এগিয়ে আসেনি। হাসপাতালের সহযোগিতাও পাইনি। এটা পীড়াদায়ক, বলেন জেড এম সাদ।