আমেরিকান দম্পতি টাঙ্গাইলের মধুপুরে হাসপাতালের দায়িত্ব নিয়ে ভাইরাল !

একজন ভিনদেশি ডাক্তার পরম মমতায় টাঙ্গাইলের মধুপুরে দরিদ্র মানুষদের জন্যে গড়ে তুলেছিলেন একটি হাসপাতাল।
এলাকার মানুষ তাকে ভালোবেসে ডাকত ডাক্তার ভাই। নিউজিল্যান্ডের এই মানব দরদী ডাঃ এড্রিক বেকার নিজের তৈরী হাসপাতালেই ২০১৫ সালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

তাঁর মৃ**ত্যুর তিন বছর পর এড্রিকের ভাই ডা. জেসিন এই হাসপাতালের হাল ধরেছেন নিজ স্ত্রী মেলিন্ডাকে সঙ্গে নিয়ে।

ডাক্তার ভাইয়ের মৃ**ত্যুর খবর শুনে তখন জেসন অস্থির হয়ে ওঠেন। কিন্তু তখন নিজের প্রশিক্ষণ ও ছেলেমেয়েরা ছোট থাকার কারণে জেসন বাংলাদেশে আসতে পারেননি।অবশেষে সবকিছু গুছিয়ে সম্পদ আর সুখের মোহ ত্যাগ করে ২০১৮ সালে পুরো পরিবার নিয়ে আমেরিকা ছেড়ে স্থায়ীভাবে চলে আসেন মধুপুরে।

জেসন হয়ে ওঠেন নতুন ডাক্তার ভাই আর মেরিন্ডি হয়ে ওঠেন সবার প্রিয় ডাক্তার বিবি।জানা যায়, ডাঃ এড্রিক অনেক বাংলাদেশি ডাক্তারকেই এই হাসপাতালের দায়িত্ব নেবার জন্যে অনুরোধ করেছিলেন কিন্তু কেউই দায়িত্ব নিতে রাজি হন নি। অবশেষে এড্রিকের ভাইই এই দায়িত্ব নিলেন।

শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বিটিভিতে প্রচারিত হানিফ সংকেতের ইত্যাদি অনুষ্ঠানে এই দম্পত্তিকে

নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরপরই তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

দরিদ্র মানুষদের জন্য নিউজিল্যান্ডের চিকিৎসক এড্রিক বেকারের প্রতিষ্ঠিত হাসপাতালের হাল ধরে প্রশংসায় ভাসছেন আমেরিকান এই দম্পত্তি।

বাংলাদেশের যে গ্রামের জনসংখ্যা মাত্র ৫ জন !একজন পুরুষ, তিনজন নারী ও একটি শিশু !

একটি গ্রামের মোট জনসংখ্যা মাত্র পাঁচ। এর মধ্যে রয়েছেন একজন পুরুষ, তিনজন নারী ও একটি শিশু। সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নে অবস্থিত এই ‘শ্রীমুখ’ গ্রামটি।সরকারি গেজেটভুক্ত এই গ্রামে স্বাধীনতার আগে থেকেই বসবাস করে আসছেন একটি মাত্র পরিবার।
জানা যায়, খাজাঞ্চী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত তেলিকোনা ও পশ্চিম নোয়াগাঁও গ্রামের মধ্যবর্তী গ্রাম হচ্ছে ‘শ্রীমুখ’।

একসময় ওই গ্রামে (শ্রীমুখ) একটি হিন্দু পরিবার বসবাস করতেন। ১৯৬৪ সালে দাঙ্গার সময় ওই হিন্দু পরিবার তাদের
বাড়িটি বর্তমান বাসিন্দা আফতাব আলীর পূর্ব পুরুষের কাছে বিক্রি করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে এই বাড়িতে আফতাব আলীর পরিবার বসবাস করে আসছেন।শ্রীমুখ গ্রামে মাত্র পাঁচজন সদস্য হওয়ায় তারা পার্শ্ববর্তী পশ্চিম নোয়াগাঁও গ্রামের পঞ্চায়েতের সঙ্গে রয়েছেন। গ্রামটির যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই খারাপ।

যাতায়াতের জন্য নেই কোনো রাস্তা। ছোট একটি আইল দিয়েই যাতায়াত করেন লোকজন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এই গ্রামের লোকজন নৌকা ছাড়া বাড়ি থেকে বের হতে পারেন না।

রূপগঞ্জে বৃদ্ধকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নি’ র্যাতন !

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মজনু চৌধুরী নামে এক বৃদ্ধ মৎস্যচাষিকে গাছের সঙ্গে বেঁধে পাশবিক নির্যা’ তনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী সন্ত্রা’ সীদের বিরুদ্ধে। একই সাথে তার মৎস্য খামারের সব মাছ লুট করে নেয়া হয়েছে। মামলা করলে তাকে হ’ ত্যা করারও হু মকি দিয়েছে সন্ত্রাসীরা।এ ব্যাপারে থানা পুলিশের কাছে গিয়েও আইনের আশ্রয় বা কোনো ধরনের সহযোগিতা না পেয়ে সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে বিচার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিত ওই বৃদ্ধ।

তিনি রূপগঞ্জ উপজেলার আতলাপুর গ্রামের মৃত রমিজ উদ্দিনের ছেলে।মজনু চৌধুরী তার অভিযোগে বলেন, অভাব অনটনের কারণে স্থানীয় মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রিত হয়ে তার ঘরবাড়ি ও জমিজমা কেয়ারটেকার হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত দেখাশুনা করে আসছেন। জীবিকার প্রয়োজনে এর পাশাপাশি নিজেও কৃষি কাজ ও মাছ চাষসহ তরিতরকারির চাষও করেন।

তিনি বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে ঋণগ্রহণ করে এলাকার বাদশা সরকারদের কাছ থেকে ৪ বিঘার পুকুর, মামুন ভূঁইয়ার এক বিঘার পুকুর ও আরিফ সরকারের এক বিঘার পুকুর বর্গা নিয়ে মৎস্য চাষ করে আসছেন। পুকুরের চারধারে লাউসহ বিভিন্ন সবজিও চাষ করেছেন তিনি।

তবে বাড়ির মালিক মিজানুর রহমান ও স্ত্রী মেহেরুন্নেছা মা’ রা যাওয়ার পর থেকেই ওই এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে মাহাবুর, মোহাম্মদ মিয়ার ছেলে আকবর মিয়া, আইয়ুব মিয়া, ইয়ানুছ মিয়ার ছেলে মাজাহারুল ও নাজমুলসহ তাদের নিয়োজিত সন্ত্রাসী বাহিনী বাড়িঘর জবরদখল করতে মজনু চৌধুরীকে নানাভাবে হয়রানি ও নি’ র্যাতন চালিয়ে আসছে।

গত ৩ মাস পূর্বে উল্লিখিত সন্ত্রাসীরা এক বিঘার একটি পুকুর জবরদখল করে নেয়। বাকি দুটি পুকুরের মাছ ধরে বিক্রি করে দেয়। পুকুর পাড়ে চাষ করা লাউসহ সবজি গাছ কেটে ফেলে। পুকুরে গেলেই মজনু চৌধুরীকে হত্যা ও হামলার হুমকি দিয়ে আসছে। এসব ব্যাপারে একাধিক বার ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশকে অবহিত করলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

এদিকে, গত এক মাস আগে একটি পুকুরে মাছ চুরির অপবাদ দিয়ে সন্ত্রাসীরা ফজরের নামাজরত অবস্থায় মসজিদ থেকে তুলে এনে মজনু চৌধুরীকে নারিকেল গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর তার উপর নানাভাবে পাশবিক নির্যাতন চালায়।

এক পর্যায়ে নির্যাতনকারীরা হুমকি দিয়ে বলে মামলা করলে মৎস চাষীকে দশটি মামলা দেয়া হবে, বেশি বাড়াবাড়ি করলে এলাকা ছাড়া করা হবে, পুলিশ ও জনপ্রতিনিধি তাদের পকেটে রয়েছে। পরে পরিবারের লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় মজনু চৌধুরীকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন।

দীর্ঘ এক মাস হাসপাতালে চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়িতে এসে নি র্যাতনের বিচার ও ঋণ নিয়ে চাষ করা মাছের পুকুর ফেরত এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে মজনু চৌধুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মমতাজ বেগমের কাছে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
এসময় ইউএনও মমতাজ বেগম তাকে নির্যাতনের সুষ্ঠু বিচার ও চাষ করা পুকুর ফেরত পাইয়ে দেয়ার আশ্বাস দেন।

এ ব্যাপারে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম বলেন, আমি সবে মাত্র যোগদান করেছি। বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে থাকলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যে পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।ইউএনও মমতাজ বেগম বলেন, অভিযোগটি পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানকে বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। ব্যবস্থা না নিলে সরেজমিনে এসিল্যান্ডকে পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্যাতন জুলুমবাজ ও দখলবাজদের কোন ছাড় দেয়া হবে না বলেও হুশিয়ারী দেন ইউএনও।

অবশেষে দেশে ফিরছেন সৌদি আরবে নির্যাতিতা বাংলাদেশি গৃহকর্মী সুমি আক্তার (ভিডিও) !

সৌদি আরবে নির্যাতিতা বাংলাদেশি গৃহকর্মী সুমি আক্তার (২৬) অবশেষে দেশে ফিরছেন। দেশটির নাজরান শহরের শ্রম আদালতে সুমির নিয়োগকর্তার (কপিল) দাবিকৃত অর্থ নামঞ্জুর হলে সুমির ফেরার পথ সুগম হয়।

রোববার (১০ নভেম্বর) জেদ্দার শ্রম আদালতে সুমির বিষয়ে আদালতে শুনানি হয়। এতে তার গৃহকর্তাকে কোনো ধরনের অর্থ পরিশোধ করতে হবে না বলে রায় দেন বিচারক।

এর আগে তাকে সৌদি পুলিশ উদ্ধার করে একটি সেফহোমে রেখেছিল। তাকে দেশে ফেরাতে হলে ৫ লাখ টাকা গুনতে হবে বলে দাবি করেছিলেন তার নিয়োগদাতা।

পরে তোকে দেশে ফেরাতে ট্রাভেল এজেন্সি ‘রূপসী বাংলা ওভারসিজ’কে বিমানের টিকিটসহ ২২ হাজার রিয়াল (প্রায় পাঁচ লাখ টাকা) দেয়ার প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে অনুরোধ করে জেদ্দায় অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল।

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল চিঠিতে লিখেছিলেন, ২২ হাজার সৌদি রিয়াল সুমির নিয়োগকর্তাকে (কফিল) দিলে তার কাছ থেকে ছাড়া পাবেন সুমি।

সুমিকে সৌদি নিতে ওই নিয়োগ কর্তার প্রায় তিন লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে, যা তিনি সেবার মাধ্যমে শোধ করেননি। ফেসবুকে ভাইরাল সৌদিতে নির্যাতিতা সুমির সেই আকুতি-

কুমিল্লায় গৃহবধূকে গলাকে’ টে হ’ ত্যা !

কুমিল্লায় শানু বেগম নামে এক গৃহবধূকে গলাকে’ টে হ’ ত্যার অভি’ যোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ভোরে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের হাতিগাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ঘা’ তক দেলোয়ার হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। নি’ হত শানু বেগম ওই গ্রামের ফরিদ মিয়ার স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে শানু বেগম (৪৫) তেলের পিঠা তৈরি করছিলেন।

এ সময় শানু বেগমের রান্নাঘরে প্রবেশ করে প্রতিবেশী দেলোয়ার হোসেন। ভোরে প্রতিবেশীর ঘরে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে দেলোয়ার হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে শানু বেগমকে বটি দিয়ে গলায় আ’ ঘাত করে ঘর থেকে পালিয়ে যায় দেলোয়ার। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃ’ ত ঘোষণা করেন। এদিকে ঘটনায় জড়িত দেলোয়ার হোসেনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। ঘাতক দেলোয়ার হোসেন ওই গ্রামের মৃ’ ত আবদুর রহমানের ছেলে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. আনোয়ারুল হক জানান, গৃহবধূর গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য ম’রদেহটি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম’ র্গে রাখা হয়েছে।তিনি জানান, হ’ ত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি-না তা আমরা খতিয়ে দেখছি। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

যুক্তরাষ্টের ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দা*বা*নল, ঘরছাড়া হলিউড তারকারা !

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ দাবা*নলে ১৫ লাখ বিদ্যুৎ সংযোগ বি*চ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সেখানকার বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা পিজিঅ্যান্ডই জানিয়েছে, নয় লাখ ৭০ হাজার বাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে। আজ মঙ্গলবার নতুন করে আরো সাড়ে ছয় লাখ সংযোগ বিচ্ছি*ন্ন হতে পারে।

ক্যালিফোর্নিয়ার দুটি অংশে দাবা*নলের আ*গুন ছড়িয়ে পড়ছে। গতকাল সোমবার সকালে দা8বানলের আ*গুন থেকে বাঁচতে লস অ্যাঞ্জেলেসের পার্শ্ববর্তী অভিজাত ব্রেন্টউড এলাকার হাজারো বাসিন্দাকে সরে যেতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে অভিনেতা থেকে জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ হওয়া আর্নল্ড শোয়ার্জনেগারসহ বেশ কয়েকজন তারকাও সেখান থেকে সরে যাচ্ছেন।

গেটি সেন্টার শিল্প কমপ্লেক্সের কাছে আগু*নের সূত্রপাত হয়। এখানকার দা*বানলে প্রায় ৬০০ একর জায়গা পু*ড়ে ছাই হয়ে গেছে।
অন্যদিকে অঙ্গরাজ্যটির সোনোমা কাউন্টিতে দা*বানলের আ*গুন থেকে বাঁচতে এক লাখ ৮০ হাজার মানুষকে ঘরবাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষ দাবা*নলের কারণে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

দা*বানল ছড়িয়ে পড়ার পর এ পর্যন্ত ২৫ লাখ মানুষকে বিদ্যুৎহীন করার অভি*যোগে অঙ্গরাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা পিজিঅ্যান্ডইর বিরু*দ্ধে অভি*যোগ ত*দন্ত করা হচ্ছে। পূর্ব নোটিশ ছাড়াই কিছু কিছু এলাকার বিদ্যুৎ সং*যোগ বিচ্ছি8ন্ন হওয়ার অভি*যোগ উঠেছে। এ নিয়ে মার্কিন গণমাধ্যমে ব্যাপক সমা*লোচনাও চলছে।nb

হিংসার কোপ গাছে, অসহায় মালিকের কান্না ! (ভিডিও সহ)

দা হাতে এক নারী অন্য একজনের তৈরি করা ছাদবাগানের সব গাছ কে টে সাফ করে দিচ্ছেন! গাছের মালিকের আকুতি, কান্না তাকে স্প র্শ করছে না। সঙ্গে আছে তার ছেলে আর গু ণ্ডাপা ণ্ডার দল! এই অমা নুষিক ঘটনায় শি উরে উঠেছে সবাই!ফেসুবকে সুমাইয়া হাবিব নামের ভুক্ত ভোগী ওই নারী নিজের গাছের ও পর এমন বর্বর আচরণের ভি ডিও আর বিবরণ পো স্ট করেন। এক পর্যায়ে তাকে দা দিয়ে আ ঘাত করতে উদ্যত হন সব গাছ কেটে ফেলা ওই নারী।

সুমাইয়া লিখেছেন, কখনো কি শু নছেন মানুষ গাছ অপছন্দ করে? গাছ পরিবেশ ন ষ্ট করে? এই না রীর গাছ পছন্দ না।
তার বক্তব্য আমাদের গাছ ছাদের পরিবেশ ন ষ্ট করে ফেলছে। তাই এই নারী আমাদের সব গাছ কেটে ফেলছে। কি অপরাধ ছিল গাছের? কি অপ রাধ ছিল? কেউ বলতে পারবেন?তিনি আরো লিখেছেন, আমার মা গাছ অনেক পছন্দ করে, তাই ছাদের এক কোণায় আমরা কিছু গাছ লাগা ইছিলাম।আর এই নারী আমাদের সঙ্গে শত্রু তা করে আমাদের লাগানো গাছ গুলা কেটে ফেলল। এই বি ল্ডিংয়ে আমরা ২ টা ফ্লাট কিনেছি। সবাই যার যার ক্র‍য়কৃত ফ্লাটে থাকে।

ছাদে সবারই অধিকার আছে। আমরা আমাদের অধিকার থেকে কিছু গাছ লাগিয়েছি ছাদের একটা কোণায়। কারণ আমরা ভাবতেও পারি নি গাছ মানুষ অপ ছন্দ করতে পারে। গাছ তো সৌন্দর্য বাড়ায়। আর তারা বলে আসছে আমাদের গাছ নাকি ছাদের পরিবেশ নষ্ট করে দিছে।
তারা অকারণে অন্যায়ভাবে আমাদের জীবন্ত এবং ফল ধরন্ত গাছগুলি কেটে ফেললো। আবার তার ছেলে কিছু ১০/১২ জন মাস্তান নিয়ে আসছে আমাদের ওপর হামলা করার জন্য।আমাদের একটাই অপরাধ আমরা গাছ ভালোবাসি। তাই শখ করে গাছ লাগিয়েছিলাম। আমরা তো অন্যের জায়গায় গাছ লাগাই নাই।

আমরা আমাদের অধিকার থেকে গাছ লাগাইছিলাম। আমার মা এই গাছগুলিরে নিজের সন্তানের মত যত্ন করে। আমরা গাছগুলোকে নিজের সন্তানের মত ভালোবাসতাম। মানুষ কীভাবে এতটা নিচে নামতে পারে? গাছ তো তাদের কোনো ক্ষতি করে নাই। পুরা ছাদই তো ফাঁকা।’
এই মাগরিবের আযানের সময়, ওনার মাথায় সুন্নতি হিজাব কিভাবে পারলো এই ধরন্ত গাছগুলি কেটে ফেলতে। এর হয়তো কোনো বিচার হবে না।
তবে আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম। আল্লাহই বিচার করবে। আপনারা এই পোস্ট প্লিজ একটু শেয়ার করবেন।সুমাইয়া হাবিব বলেন, আমাদের তারা হিংসা করত। আমাদের এখানে দুইটা ফ্ল্যাট আর তাদের একটা।

আমরা গাছ লাগাইছি দেখে তাদের গা জ্বলত। তাদের ছেলে মস্তানি করে। সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। সেই ছেলে আমাদের গাছ ভেঙে ফেলত। একদিন তাদের উদ্দেশ্য করে বলছিলাম,যারা আমাদের গাছ ভাঙতেছে তাদের হাত যেন অবশ হয়ে যায়। এতেই হয়তো শত্রুতা করল।

শয় তানের সঙ্গে বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে

সৌদি আরবের ক্রা উন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে শয় তানের সঙ্গে ঘনি ষ্ঠ সম্প র্ক রয়েছে। সৌদির শীর্ষ আলেমদের নিয়ে গঠিত সংগঠন ‘হাই য়াতু কিবারিল ওলামা’

বা সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদের অন্যতম সদস্য ও রাজদরবারের উপদেষ্টা শায়েখ আব্দুল্লাহ আল মুত লাক এ মন্তব্য করেছেন।

তুর স্কভি ত্তিক সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক অ্যা রাবিক এ খবর জানিয়েছে।শায়েখ আব্দুল্লাহ আল মুত লাকের এই বিষয়ের একটি অডি ওক্লিপ শুক্রবার ‘তাফরিত’ নামের একটি টুইটার অ্যাকা উন্টে ছড়িয়ে পড়ে।শায়েখ আব্দুল্লাহ আল মুত লাক বলেন, বিন সালমান শয় তানের ঘনি ষ্ঠ, মাঝেমধ্যে তার সান্নিধ্যে যান। গানের কন সার্টে যাওয়ার হুকুম প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তর প্রদানকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

অডি ওক্লি পে তাকে আরও বলতে শোনা যায়, যেসব স্থানে কোনো হারাম বা নি ষিদ্ধ ব স্তুর উপস্থিতি রয়েছে, একজন মুসলিম আরেক মুসলিমকে সেদিকে পথ দেখাতে পারেনা:বরং তার কর্তব্য তো মুসলিমকে এমন পথের সন্ধান দেয়া, যেখানে গেলে ইমান বৃ দ্ধি পায় এবং দ্বীন মজবুত হয়।বিনোদন ও কনসার্ট আয়োজকদের উদ্দেশ্য করে শায়েখ আব্দুল্লাহ বলেন, সৌদি জনগণের আলাদা সম্মান রয়েছে। তারা হারামাইন শরিফাইনের দেশের সম্মানিত নাগরিক। গোটা মুসলিমবিশ্বে এই দেশের রয়েছে স্বতন্ত্র মর্যাদা। এ জন্য আমি আপনাদেরকে সুস্থ সংস্কৃতি ও বিনোদন আয়োজনের আহবান জানাচ্ছি।

বিনোদন সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিনোদনকে ইসলাম মুসলমান এবং এই দেশের পরিবেশ উপযোগী রূপায়ণের লক্ষে কাজ করুন।সৌদি আরব মুসলিম বিশ্বের নেতৃত্বের আসনে সমাসীন,সবার কাছে তাদের আলাদা মর্যাদা রয়েছে, এ জন্য জনগণের উপযোগী সংস্কৃতি আমদানি করুন। এক্ষেত্রে আপনারা দেশপ্রেমিক শিক্ষাবীদদের পরামর্শ নিলে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।
শায়েখ আব্দুল্লাহ বলেন, মানুষের বিনোদন প্রয়োজন, তবে এমন বিনোদন প্রয়োজন নয়; যা শয়তানের নিকটবর্তী করে এবং আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

সুতরাং আমাদের দেশে এমন বিনোদন আমদানি করা যেতে পারে যা আল্লাহর নিকটবর্তী হতে সহায়ক হয়। অথচ সৌদি আরবে বর্তমানে বিনোদনের নামে যা হচ্ছে তা ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী।বিশেষজ্ঞদের ধারণা, গত হজ মৌসুমে জেদ্দায় মার্কিন পপ গায়িকা নিকি মিনাজকে নিয়ে কনসার্ট আয়োজনের পরিকল্পনাসহ বিন সালমানের আরো কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্যই সৌদি আরবের

বিশিষ্ট এই আলেম তার সমালোচনা করে এই মন্তব্য করেছেন। তবে সৌদির অভ্যন্তরে যুবরাজের এরকম সমালোচনা সত্যিই অকল্পনীয়।

‘ছোট্ট আবরার সোনামণি’র ছবি ফেসবুকে ভাইরাল !

ছাত্রলীগের নি’র্যাতনে নি’হত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের শি’শুকালের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। গত সোমবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ‘বুয়েটিয়ান’ ফেসবুক পেজে ‘ছোট্ট আবরার সোনামণি’ ক্যাপশনে আবরারের শি’শুকালের একটি ছবিটি পোস্ট করা হয়।

যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। ছবিটিতে ৩৬ হাজারে (লাইক) রিয়েকশন, ৫৪২টি কমেন্ট এবং ৭৮৭টি শেয়ার হয়েছে।অনেকেই কমেন্ট করেছেন পোস্টটিতে। কয়েকজন মন্তব্য করেছেন…সুচনা ইস’লাম আলো লিখেছেন, চেহারায় নুর আছে ছোটবেলা থেকেই। আল্লাহ মনে হয় তাদের প্রিয় রুহ গুলাকে অনেক আগে থেকেই আলাদাভাবে বিশেষ বৈশিষ্টে স্পেশাল করে দেন। Hariz Ahmed লিখেছেন, অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা অসীম মহাকাশের অন্তে. (প্রিয় ভাই শহীদ আবরার ফাহাদ,) “নিশ্চয়ই পুন্যবানেরা জান্নাতে সুখে থাকবে” আল- কোরআন।

Mansura Mahin লিখেছেন, যতবার তোমা’র খবর পড়েছি,দেখেছি কোনভাবেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি, আমা’র অন্তরের অন্তস্থল থেকে অনেক দোয়া রইল, আল্লাহ তোমাকে জান্নাতের উচু মাকাম দান করুক এই কামনায় করি,,, তোমা’র মা বাবার কা’ন্নার মুল্য তুমি পাবে ইনশাআল্লাহ… শেহ’জাবিন রহমান রিমঝিম লিখেছেন, তোমাকে কখনও বাস্তবে দেখি নি,ভাই। এরপরেও তোমা’র কথা ভাবলে,ক’ষ্টে বুকটা ফেটে যায়। আল্লাহ তা’আলা…তোমাকে জান্নাত নসীব করুক।

Syed Bahar Uddin লিখেছেন, “এনেছিলে সাথে করে মৃ’ত্যুহীন প্রাণ, ম’রণে তাহাই তুমি করে গেলে দান।” তোমা’রি এ র’ক্তের বিনিময়ে আজ ও আগামীর বুয়েটের শিক্ষাঙ্গন পুরোপুরি কলুষমুক্ত হোক্। জয় হোক সত্য সুন্দরের! নির্মুল হোক সকল দানবীয় অ’সুরদের।

মসজিদুল হারাম ও নববীতে নতুন খতিব ও ইমাম নিয়োগ

সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের নির্দেশে পবিত্র মসজিদুল হারাম ও মসজিদ-এ- নববীতে নতুন খতিব ও ইমাম হিসেবে ছয়জনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

শনিবার (১২ অক্টোবর) মসজিদুল হারামাইন বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রধান ড. আবদুর রহমান সুদাইস নতুন ইমাম এবং খতিবদের নাম প্রকাশ করেন।

মদীনার মসজিদে নববীতে নতুন একজনকে খতিব ও দুইজনকে নতুন ইমাম হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

খতিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শায়খ ড. আহমদ বিন তালিব হুমাইদ। তিনি আগে থেকেই মসজিদে নববীতে ইমামতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। আর ইমাম হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শায়খ

ড. আহমদ বিন আলী হুজাইফি ও শায়খ ড. খালেদ বিন সুলাইমান মুহান্না। তারাও বেশ কয়েক বছর ধরে তারাবির ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

অন্যদিকে মসজিদুল হারামে খতিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শায়খ ড. বানদার বিন আবদুল আজিজ বালিলাহ ও শায়খ ড. আবদুল্লাহ বিন আওয়াদ আল জুহানি।

তারা দুজনই দীর্ঘদিন ধরে মসজিদে হারামের বিভিন্ন ওয়াক্তের নামাজের ইমামতি করে আসছিলেন। আর ইমাম হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শায়খ ড. ইয়াসির আদ দাওসারি।

তিনি কয়েকবছর আগে তারাবির ইমাম হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। এখন থেকে ইমামতির দায়িত্বও পালন করবেন।