নয়নের সাথে মিন্নির গাঁ শিউরে উঠার মত ফোনালাপ ফাঁস:রিফাত হ*ত্যাকাণ্ড !

আ’দালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বলেছেন, একটি গো’পন মোবাইল ফোন নম্বরে তিনি নয়ন ব’ন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিফাতকে শিক্ষা দিতে বলেন।ওই নম্বরে শুধু নয়নের সঙ্গেই কথা বলতেন তিনি।

মোবাইল নম্বরটি নয়নের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা। এমনকি রিফাত খু’ন হওয়ার পরও ওই নম্বরে নয়নের সঙ্গে মিন্নির দীর্ঘ সময় ধরে ফোনালাপ হয়।পলাতক থাকা নয়নকে মিন্নি বলেন, ‘তুমি তো রিফাতরে কোপাইয়া মাইরা ফালাইছ। এখন তো তুমি ফাঁ’সির আ’সামি হইবা।’ হ’ত্যাকা’ণ্ডের আগে-পরে এসব কথাবার্তার ভয়েস রেকর্ড ও কললিস্ট সিডি আকারে মা’মলার নথিতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইস’লাম গাজীর খাসকাম’রায় ১৯ জুলাই এ জবানব’ন্দি রেকর্ড করা হয়। খাসকাম’রায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানব’ন্দি রেকর্ড করার সময় বিচারক ও মিন্নি ছাড়া আর কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।আড়াই পৃষ্ঠার জবানব’ন্দিতে রিফাত খু’নের বিবরণ দেন মিন্নি।

পু’লিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র রোববার এসব তথ্য নিশ্চিত করে।তবে এই জবানব’ন্দি প্রত্যাখ্যান করেছে মিন্নির পরিবার। মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর রোববার রাতে বলেন, ‘আহা রে এই হল দুনিয়া।আমা’র মেয়েটারে মা’রধর করে জবানব’ন্দি নিয়েছে পু’লিশ। জে’লখানায় যখন আমি কথা বলতে গেছি তখন মেয়েটা আমা’র কা’ন্নায় ভেঙে পড়ে। বলেছে, ‘বাবা পু’লিশ আমাকে যা শিখিয়ে দিয়েছে তাই বলেছি।আমি এ ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িত নই।

স্বামীকে আমি কেন খু’ন করাতে যাব।’ তিনি বলেন, ‘১২ ঘণ্টা পু’লিশ লাইনে বসিয়ে রেখে আমা’র মেয়েকে প্রচুর মা’রধর করা হয়। যখন আ’দালতে তোলা হয় তখন আমা’র মেয়ে ঠিকমতো দাঁড়িয়ে থাকতেও পারছিল না।’এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বরগুনার পু’লিশ সুপার মা’রুফ হোসেন রোববার বলেন, ‘মিন্নির পরিকল্পনায় রিফাত শরীফ খু’ন হন। তিনি আ’দালতে দেয়া জবানব’ন্দিতে সব স্বীকার করেছেন।’জবানব’ন্দিতে মিন্নি বলেন, ৬ লাখ টাকা কাবিনে ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর নয়ন বল্ডের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নয়ন ব’ন্ডের মা সাহিদা বেগমসহ অনেকেই এই বিয়ের বিষয়টি জানতেন।কিন্তু মিন্নি বিয়ের বিষয়টি গো’পন রেখে পরে রিফাতকে বিয়ে করেন। রিফাতের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়ন ব’ন্ডের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। কলেজের দেয়ালের নিচ দিয়ে তিনি নয়নদের বাড়িতে প্রায়ই যেতেন।

জবানব’ন্দিতে মিন্নি বলেন, নয়নের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পারেননি। কারণ মিন্নির একটি ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও নয়নের কাছে ছিল।এছাড়া জুনের ৩ তারিখে নয়ন ব’ন্ড গ্রুপের সদস্য হেলালের মোবাইল ফোন সেট জো’র করে নিয়ে যায় রিফাত শরীফ। এ নিয়ে নয়নের সঙ্গে রিফাতের কথা কা’টাকাটি হয়।একপর্যায়ে নয়ন ব’ন্ড মিন্নিকে বলেন, ‘রিফাতকে ফোন ফিরিয়ে দিতে বল। না হলে পরিস্থিতি খা’রাপ হবে। হ’ত্যাকা’ণ্ডের দু’দিন আগে রিফাতকে মিন্নি বলেন, তুমি হেলালের ফোন ফেরত দাও।’একথা শুনে রিফাত ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। নয়ন ব’ন্ডের সঙ্গে মিন্নির যোগাযোগ আছে কিনা জানতে চেয়ে মিন্নিকে প্রচণ্ড মা’রধরও করে রিফাত। এতে মিন্নি ক্ষুব্ধ হন।পরদিন নয়ন ব’ন্ডের কাছে রিফাতের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ দেন মিন্নি।

তিনি রিফাতকে শিক্ষা দিতে বলেন। এরপর নয়ন ব’ন্ড তাকে শিখিয়ে দেন, কোথায় কিভাবে রিফাতকে নিয়ে হাজির থাকতে হবে।কথা অনুযায়ী মিন্নি ঘটনার দিন রিফাতকে কলেজে এসে তাকে নিয়ে যেতে বলেন। রিফাত এলে তাকে সঙ্গে নিয়ে কলেজ থেকে বের হন মিন্নি। কিন্তু তখনও নয়নের লোকজন প্রস্তুত না হওয়ায় মিন্নি গো’পন ফোন নম্বর দিয়ে নয়ন ব’ন্ডের নম্বরে ফোন করে বলেন, ‘তোমা’র পোলাপান কই।এরপর নয়ন ব’ন্ডের ছেলেরা আসার কিছুক্ষণ পরই মিন্নি রিফাতকে সঙ্গে নিয়ে কলেজ থেকে বের হন।

এ সময় নয়ন ব’ন্ডের সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে ঘিরে ধরে। প্রথমে কিল-ঘুষি দেয়ার পর এলোপাতাড়ি কোপানো শুরু করে।এদিকে মিন্নির মা মিলি বেগম কা’ন্নাজ’ড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আম’রা শুরু থেকেই বলছি, শম্ভুর লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এখন নিজেরা বাঁচতে মিন্নিকে ফাঁ’সাতে চাইছে। মিন্নি একেবারেই নির্দোষ।মা’মলার ত’দন্ত কর্মক’র্তা হমায়ুন কবির বলেন, মিন্নি অনেকগুলো মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতেন।

এসব নম্বর ব্যবহার করে তিনি খু’নের আগে-পরে নয়ন ব’ন্ডের সঙ্গে কথা বলেছেন।তবে সিমগুলো তার নিজের নামে ছিল না। তিনি জানান, নয়ন ব’ন্ড মা’দক ব্যবসায়ী ছিলেন। মিন্নির একটি ব্যাংক হিসাবে নয়ন ব’ন্ডের মোটা অংকের টাকা রাখা আছে। ইতিমধ্যে এর প্রমাণও তারা পেয়েছেন।পু’লিশ বলছে, মিন্নির জবানব’ন্দির প্রতিটি পর্যায়ের প্রমাণ সংগ্রহ করে তা মা’মলার নথিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে নয়নের সঙ্গে মিন্নির কথোপকথনের ভয়েস রেকর্ড, গো’পন মোবাইল নম্বরের সিম, কল লিস্ট, ভিডিও ফুটেজ ও খুদেবার্তা বা এসএমএসবরগুনার একজন পু’লিশ কর্মক’র্তা বলেন, ঘটনার পর থেকেই মিন্নি স’ন্দেহের তালিকায় ছিলেন।

কিন্তু সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, মিন্নি রিফাতকে রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।এমন দৃশ্য ভাইরাল হওয়ায় জনমত মিন্নির পক্ষে চলে যায়। এজন্য নিরাপত্তার নামে তাকে মূলত নজরদারির মধ্যে রাখা হয়। তবে শেষমেশ পু’লিশি জেরার মুখে তথ্যপ্রমাণ দেখেশুনে মিন্নি সব কিছু অকপটে স্বীকার করেন। এ সময় তাকে গ্রে’ফতার দেখানো হয়।

২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সিনেমা স্টাইলে প্রকাশ্যে রিফাত শরীফকে নি’র্মমভাবে কু‌‌’পিয়ে খু’ন করা হয়। এ ঘটনা দেশব্যাপী আলোচনার ঝড় তোলে। চাঞ্চল্যকর এ খু’নের সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব ও মা’দক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জের ছিল। এ নিয়ে জনমনে নানা ধরনের অ’ভিযোগও আছে।

বেরিয়ে এলো আরো তথ্য : হেলালের মোবাইলে পেয়েই মিন্নিকে মে’রেছেন রিফাত,অবশেষে মারের বদলা নিল মিন্নি !

দেশব্যাপী আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ*ত্যাকাণ্ডের দুদিন আগে হেলাল নামের এক বন্ধুর মোবাইল ফোন নিয়েছিলেন রিফাত। শনিবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন হেলালের বোন পারুল বেগম ও স্ত্রী মনিকা বেগম। তবে কি কারণে বা কেন হেলালের মোবাইল ফোন রিফাত নিয়েছিলেন তা জানাতে পারেননি তারা।এরই মধ্যে রিফাত হ*ত্যাকাণ্ডের পর থেকে গাঢাকা দিয়েছেন হেলাল। এ কারণে তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি। শনিবার রাতে এসব বিষয়ে প্রথমে কথা হয় হেলালের স্ত্রী মনিকা বেগমের সঙ্গে। এরপর সেই কথোপকথনে যুক্ত হন হেলালের বড় বোন পারুল বেগম।পারুল বেগম বলেন, অসুস্থতার কারণে গত ২৪ জুন আমি হেলালকে সঙ্গে নিয়ে আমার র’ক্তের গ্রুপ পরীক্ষার জন্য বাজারে যাই। বাজারের মিষ্টিপট্টি এলাকায় আমরা পৌঁছলে রিফাত শরীফের সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় রিফাত শরীফ হেলালকে ডেকে নিয়ে তার মোবাইল ফোনটি দিতে বলেন।

হেলাল নিজের মোবাইল ফোনটি রিফাতের হাতে দিলে মোবাইলটি নিয়ে চলে যান রিফাত। এ সময় রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নিও ছিলেন।
পারুল বেগম আরও বলেন, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে বাসায় এসে মাকে বিষয়টি জানাই। তখন মা বেশ কয়েকবার রিফাত শরীফকে কল দিয়ে মোবাইলটি দিয়ে যেতে বলেন। এরপর বিকেল ৫টার দিকে রিফাত আমার ভাই হেলালকে ডেকে নিয়ে মোবাইলটি দেন।

গণমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে পারুল বেগম বলেন, মোবাইলটি রিফাত শরীফ কেন নিয়েছিলেন তা আমি জানি না। ওই মোবাইলে গোপন বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য ছিল কিনা তাও আমি জানি না।হেলালের স্ত্রী মনিকা বেগম বলেন, হেলালের মোবাইলটি রিফাত শরীফ নিয়েছিলেন বরগুনা পৌর মার্কেটের নিচে থাকাকালীন অবস্থায়। সকাল সাড়ে ১০টা বা ১১টার দিকে। মোবাইলটি নিলেও আমার শাশুড়ির অনুরোধে বিকেল ৪টা কিংবা ৫টার দিকে ফিরিয়ে দেন রিফাত।

মনিকা বেগম বলেন, মোবাইলটি রিফাত শরীফ কেন নিয়েছিলেন তা আমি জানি না। মোবাইলে গোপনীয় বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য ছিল কিনা তাও আমার জানা নেই।এদিকে হেলালের কাছ থেকে মোবাইল নেয়ার দুদিন পরই রিফাত হ*ত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জেলা পুলিশের এক সদস্য বলেন,২৬ জুন বুধবার রিফাত শরীফ হ*ত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ঘটনার দুদিন আগে সোমবার রিফাত শরীফ হেলাল নামে তার এক বন্ধুর মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। হেলাল রিফাত শরীফের বন্ধু হলেও নয়ন বন্ডের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।

ওই মোবাইল উদ্ধারের জন্য নয়ন বন্ড মিন্নির দারস্থ হয়। পরে রিফাত শরীফের কাছ থেকে ফোনটি উদ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মা*রধরের শিকার হয় মিন্নি।পুলিশের এই সদস্য আরও বলেন, নয়নের কথায় রিফাত শরীফের কাছ থেকে হেলালের ফোন উদ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মার*ধরের শিকার হয় মিন্নি। পরে হ*ত্যাকাণ্ডের আগের দিন মঙ্গলবার নয়নের সঙ্গে দেখা করে মিন্নি সেই মোবাইল নয়নের হাতে তুলে দেয়।

এ সময় মিন্নি তার স্বামী রিফাত শরীফের হাতে যে মা’রধরের শিকার হয়েছেন তার প্রতিশোধ নিতে নয়নকে মা’রধর করতে বলে। তবে মা’রধরের সময় নয়ন যাতে উপস্থিত না থাকে, সেটিও নয়নকে বলে দেয় মিন্নি। এরপর ওই দিন সন্ধ্যায় বরগুনা কলেজ মাঠে মিটিং করে রিফাত শরীফকে মা’রধরের প্রস্তুতি নেয় বন্ড বাহিনী।এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিহত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বলেন, হেলালের কাছ থেকে মোবাইল নেয়ার বিষয়টি আমি জানি না। তবে রিফাত হ*ত্যায় মিন্নির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে আমি জানি।

গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরসহ মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যায় পুলিশ।এরপর দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং পুলিশের কৌশলী ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আট*কে যান মিন্নি। বেরিয়ে আসে হ*ত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ। এরপরই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে বরগুনার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিন্নিকে হাজির করে সাতদিনের রি’মান্ড আবেদন করে পুলিশ।

শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী।

পরদিন বৃহস্পতিবার বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ ও বুধবার রিমান্ড মঞ্জুরের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ছিলেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। ইতোমধ্যে মিন্নি স্বামী রিফাত শরীফ হ*ত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ হ*ত্যার পরিকল্পনার সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন।

রিমান্ড শেষে শুক্রবার মিন্নিকে আদালতে তোলা হয়। ওই সময় স্বামী রিফাত শরীফ হ*ত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন মিন্নি। পরে তাকে কারাগারে পাঠান বিচারক।

রোববার মিন্নির জামিনের আবেদন করেন আইনজীবীরা। কিন্তু বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. সিরাজুল ইসলাম গাজী তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

আলোচিত রিফাত শরীফ হ*ত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত ১৬ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে মিন্নিসহ ১৪ জন অভিযুক্ত রিফাত হ*ত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।এছাড়া এ মামলার দুজন অভিযুক্ত রিমান্ডে রয়েছেন। এ মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড ব*ন্দুকযু*দ্ধে নিহত হয়েছেন। সূত্র : জাগোনিউজ২৪

অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন প্রিয়া সাহা, ভিডিও বার্তায় যা বললেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর নি**র্যাতনের ‘ভ*য়*ঙ্কর’ অ*ভিযোগের পর প্রকাশ্যে এলেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা। প্রিয়া বাংলাদেশের দলিত সম্প্রদায় নিয়ে করা এনজিও ‘শারি’র পরিচালক।

‘শারি বাংলাদেশ’ এর ইউটিউব চ্যানেলে এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্পের কাছে নালিশের ব্যাখ্যা, ঘটনার পর নিজেরসহ পরিবারের নিরাপত্তাহীনতার বিষয় তুলে ধরেন তিনি।ভিডিওতে দেখা যায়, মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে তিনি একজনের সঙ্গে কথা বলছেন, তার বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। তবে সেই ব্যক্তিটি কে তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ট্রাপের সঙ্গে দেখা ও সেখানকার পরবর্তী অবস্থা সম্পর্কে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রিয়া বলেন, আমি ভালো নেই। পরবর্তী অবস্থা আপনারা দেশে আছেন, প্রতিটি বিষয় আপনারা দেখছেন। প্রতিটা অবস্থা কি অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক মাধ্যম বা সংবাদ মাধ্যম বা বিভিন্ন ব্যক্তি বা কোন পর্যায় থেকে, সে ব্যাপারে আপনারা খুব অজ্ঞ।

তার পরিবারের কোনো সদস্য কেউ তাকে জানায়নি কিনা জানতে চাইলে প্রিয়া বলেন, বাসার সামনে ব্যাপক পরিমানে গতকালকে লোকজন ছিল। বিভিন্নভাবে দারোয়ান তালা দিয়ে রেখেছিল কিন্তু তালা ভাঙার জন্য চেষ্টা করা হয়েছে।

হুমকি দিয়ে গেছে, কালকে বাসা সিলগালা করে দেবে। অনেকভাবে কথাবার্তা বলেছে। আপনার একটু চাইলেই, সেটা খোঁজখবর নিতে পারবেন।

আপনি যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন কীভাবে, কারা পাঠিয়েছে? হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ পাঠিয়েছে কিনা-এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রিয়া সাহা বলেন, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ আমাকে পাঠায়নি। তারা একটু চাইলেই সেটা খোঁজ করতে পারেন। আমাকে আইআরআর থেকে সরাসরি ফোন করা হয়েছে, ইমেল পাঠানো হয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে আমাকে এবং স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আদালতে দাঁড়িয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিন্নিকে নিয়ে যা বললেন ফরাজী !

আদালতে দাঁড়িয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিন্নিকে নিয়ে যা বললেন ফরাজীবরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হ**ত্যা*কা*ণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এ মামলার দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজী।

তৃতীয় দফায় সাতদিনের রি*মান্ডের ছয়দিন শেষে আদালতে হাজির করলে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রিফাত ফরাজী। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী রিফাত ফরাজীকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রিফাত হ**ত্যা মা*মলার তদন্ত কর্মকর্তা বরগুনা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. হুমায়ুন করিব বলেন, তৃতীয় দফায় সাতদিনের রি*মান্ড চলাকালে আদালতে হাজির করলে রিফাত হ**ত্যা*কা*ণ্ডে* জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রিফাত ফরাজী। স্বীকারোক্তিতে রিফাত ফরাজী এ হ*ত্যা*কাণ্ডে মিন্নি জড়িত বলেও আদালতের বিচারককে জানিয়েছেন। পরে আদালত তাকে জেল*হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরসহ মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পুলিশ লাইন্সে নিয়ে যায় পুলিশ।এরপর দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ ও পুলিশের কৌশলী এবং বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আ**টকে যান মিন্নি। বেরিয়ে আসে হ**ত্যা*কা*ণ্ডে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ। এরপরই তাকে গ্রে**ফ*তার করে পুলিশ।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে বরগুনার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মিন্নিকে হাজির করে সাতদিনের রি*মান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচদিনের রি*মান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী।পরদিন বৃহস্পতিবার বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ ও বুধবার রি*মান্ড মঞ্জুরের পর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রয়েছেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। ইতোমধ্যে মিন্নি স্বামী রিফাত শরীফ হ*ত্যাকা*ণ্ডে* জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ হ**ত্যা*র পরিকল্পনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

আলোচিত রিফাত শরীফ হ**ত্যা মা*মলায় এখন পর্যন্ত ১৬ অভিযুক্তকে গ্রে**ফতার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে মিন্নিসহ ১৪ জন অভিযুক্ত রিফাত হ*কা*ণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া এ মা*মলার দুইজন অভিযুক্ত রি**মা*ন্ডে রয়েছেন। আর এ মামলার প্রধান অ*ভিযুক্ত নয়ন বন্দু*ক*যু*দ্ধে নি*হত হয়েছেন।

যশোরে প্রেমিকের প্রতারণায় কলেজছাত্রীর করুণ মৃ*ত্যু !

প্রেমিকের প্রতারণার শিকার হয়ে যশোরে এক কলেজছাত্রীর করুণ মৃ.ত্যু হয়েছে। মাহমুদা বিশ্বাস ঐশী নামের ওই ছাত্রীর স্বজনরা অভিযোগ করেন, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমিক শামীম তার সাথে শা*রিরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে।এতে মেয়েটি অ.ন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে শামীম তাকে বিয়ে না করে গা-ঢাকা দেয়। এঘটনার পর মেয়েটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে মেয়েটিকে হাসপাতালে ভর্তির পর শুক্রবার সকালে তার মৃ*ত্যু ঘটে।

জানা গেছে, সহপাঠীর বড়ভাই যশোর উপশহর এস ব্লকের বাসিন্দা শামীমের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন যশোর উপশহর ডি ব্লকের আসাদুজ্জামানের কন্যা সরকারি এমএম কলেজের স্নাতক সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মাহমুদা বিশ্বাস ঐশী (১৯)।
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে শারীরীক সম্পর্ক গড়ে তোলেন শামীম। একপর্যায়ে ঐশী জানতে পারেন, তিনি অন্ত:স্বত্ত্বা। তখন শামীমকে বিয়ের জন্য অনুরোধ করলে শামীম রাজী না হয়ে গা-ঢাকা দেয়।

এরপরপরই ঐশী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত বুধবার তাকে নেয়া হয় যশোরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে তাকে দু’দফা অস্ত্রপচারের পর রাখা হয় আইসিইউতে। শুক্রবার সকালে মা.রা যান ঐশী।যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা: নার্গিস আক্তার জানান, জরায়ুর পরিবর্তে পাশের নাড়িতে বাচ্চা ধারন হয়েছে। ঐশীর বয়স কম হওয়ায় পর্যাপ্ত চিকিৎসা দিয়েও বাঁচানো যায়নি তাকে।

ঐশীর বাবা আসাদুজ্জামান বলেন, তার মেয়ের এই ক্ষতি করেছে শামিম। আমি তার বিচার চাই।ঐশীর প্রতিবেশিরা জানান, সহজ-সরল ভদ্র মেয়ে ছিলো ঐশী। মি.থ্যা প্রলোভন দেখিয়ে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে শামীম।এদিকে ঐশীর মৃ.ত্যুর ঘটনায় তার বাবা বাদি হয়ে কোতয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এতে শামীম ছাড়াও তার ভাই নাসিম ও বাবা রওশন আলীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

যশোর কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ সমীর কুমার সরকার জানিয়েছে, তারা শামীমের ভাই নাসিমকে আটক করেছে। শামীমকেও আটকে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ঐশীর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।

আশ্রয়ের খোঁজে বন্যার্ত কৃষকের পিঠে গাভীর বাচ্চা !

ঘরের ভেতর বুকপানি। পানিতে থইথই করছে উঠান,বারান্দা। আঙিনায় বইছে স্রোত। পানিতে ভিজে গেছে চাল-ডাল,বিছানা-বালিশ। পানিবন্দী ঘর থেকে ভেজা কাপড়ে গাভীর বাচ্চাকে পিঠে নিয়ে বের হয়ে এলেন কৃষক।পিঠের ওপর গাভীর বাচ্চা ঘরের বাইরে ডিঙি নৌকা নিয়ে অপেক্ষা করছেন অন্য কেউ । নৌকায় ঘটি,বাটি,বিছানা,বালিশ।

যমুনার পানিতে তলিয়ে যাওয়া বসতঘরে বন্দী থাকার পর জলে ভিজে নিরন্তন সংগ্রামে জয়ের আশায় এগিয়ে যাচ্ছেন আশ্রয়ের খোঁজে অন্যত্র।
পানিবন্দী এই দুর্ভোগের চিত্র দেখা গেল বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে যমুনা নদীর দুর্গম কাজিপুরের চরে।উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির ফলে যমুনা নদীর পানি বেড়ে সিরাজগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৯ শত গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। পানি বন্দি হয়ে পড়েছে লক্ষাধিক মানুষ। তলিয়ে গেছে রাস্তাঘাট ফসলি জমি।

জানা যায় এ পর্যন্ত কাজীপুর,সিরাজগঞ্জ সদর,বেলকুচি, এনায়েতপুর ও শাহজাদপুর উপজেলার পাঁচটি উপজেলার ৯৩৬টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে ২১ হাজার ৫৫২ পরিবারের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।এ দিকে বন্যা কবলিতদের বিতরণের জন্য ৪৯৪ টন চাল ও আট লাখ টাকা মজুদ রাখা হয়েছে বলে জানান জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,পানিবন্দি মানুষ গবাদি পশু আর আসবাপত্র নিয়ে বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানে ঝুপড়ি ঘর তুলে রাত যাপন করছেন তারা। এছাড়া পানি ফুঁসে ওঠায় সিরাজগঞ্জের কাজিপুর-ধুনট সড়ক দিয়ে যোগাযোগ বন্ধ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং তলিয়ে গেছে অনেক ফসলি জমি।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডি) হাবিবুল হক জানান,জেলার প্রায় ৬ হাজার চারশ হেক্টর জমির পাট,রোপা আমন,আউশ ও সবজির ক্ষেতে পানি উঠেছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীর পানির প্রবল স্রোতে কাজীপুর উপজেলা পরিষদের নির্মিত রিং বাঁধের অন্তত ৬০ মিটার এলাকা ধসে নতুন নতুন এলাকা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন,বাঁধটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নয়। এটি কাজীপুর উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে নির্মাণ করা হয়েছিল। এই মুহুর্তে সেটি মেরামত করা সম্ভব না। আমাদের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এখন পর্যন্ত ঠিক রয়েছে। কোন সমস্যা নেই।

নয়নের সঙ্গে ‘মিন্নির অন্ত*রঙ্গ মুহূর্তের গোপন ভিডিও ভাইরাল ’

বরগুনায় দিনদুপুরে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কু*পি*য়ে হ*ত্যা*র ঘটনায় তোলপাড় চলছে সারাদেশে। এ ঘটনায় চন্দন নামে এক আসামিকে গ্রে*ফতার করেছে পুলিশ।তবে এখনো নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজীসহ বেশ কয়েকজন পলাতক রয়েছে। নি*হত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হ*ত্যা* মা*মলা করেছেন।

আসামিরা যেন দেশ ছেড়ে পালাতে না পারে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
ঘটনার পর থেকে মিন্নির ফেসবুকে ঢু মা*রছেন অনেকেই।
মিন্নির তার ফেসবুকে সর্বশেষ স্ট্যাটাস দিয়েছেন ৭ মে। সেখানে তিনি লিখেছেন- ‘তোরে ভুলে যাওয়ার লাগি আমি ভালোবাসিনি সব ভেঙ্গে যাবে এভাবে ভাবতে পারিনি তুই ছাড়া কে বন্ধু হায় বুঝে আমার মোন তুই বিহনে আর এ ভুবনে আছে কে আপন???

তার এই পোস্টটি এখন পর্যন্ত ৫শ’র অধিক শেয়ার এবং চার হাজারের বেশিজন মন্তব্য করেছেন। সেই সঙ্গে ফেসবুকে খু*নি নয়নের সঙ্গে মিন্নির একটি কথোপকথনের স্ক্রীনশট পাওয়া গেছে। যেখানে কোনো একটি বিষয় নিয়ে নয়নকে সরি ‘Sorry Jan’ বলেছেন।

মিন্নি: জবাবে নয়ন লিখেছেন-নো সরি..এগুলো আমার প্রাপ্য।মিন্নি-নয়নের এই কথোপকথন মিডিয়ায় প্রকাশের পর অনেকেই নানা রকম মন্তব্য করেছেন। এরমধ্যে বেশিরভাগ মন্তব্যেই মিন্নিকে দোষারোপ করা হয়েছে।

স্ক্রীনশট

একাধিক পরকীয়া টিকিয়ে রাখতে দেশে আসা মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামীকে খু*ন করল স্ত্রী

বেনাপোলে একাধিক প**রকীয়া প্রেমের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে বিদেশ থেকে আসা স্বামী জামাল হোসেনকে (৩৬) দেশে আসার মাত্র ১০ ঘন্টা পর প্রেমিকদের সহযোগিতায় প্রিয়তম স্ত্রী কু**পিয়ে হ*ত্যা* করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নি*হ*তের স্ত্রী ও তার মা-বাবাসহকে আ*ট*ক করেছে পুলিশ।

নি*হত জামাল হোসেন বেনাপোল পোর্ট থানার ধান্যখোলা গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে। বুধবার সকালে নিজ বাড়ির বেড রুমে স্ত্রী আয়েশা তার স্বামীকে কথিত প্রেমিক ও নিজ বাবা-মায়ের সহযোগিতায় হ**ত্যা করে বলে দাবি নি*হতের পরিবারের। তবে ওই প্রেমিককে আ*ট*ক করতে পারেনি পুলিশ।আটককৃতরা হলো, নি*হত জামালের স্ত্রী আয়েশা খাতুন, শশুর রিয়াজুল ইসলাম টুক, ও শাশুড়ী ফুলবুড়ি। নি*হ*তর বাবা হবিবার রহমান অ*ভিযোগ করে বলেন, তার ছেলে প্রায় ১৫ বছর যাবৎ মালয়েশিয়া থাকে।

একই গ্রামের রিয়াজুলের মেয়ে আয়েশার সাথে তার প্রায় ১৫ বছর পূর্বে বিবাহ হয়। আর বিগত এই ১৫ বছরে তার ছেলে মালয়েশিয়া থেকে মাত্র ৩ বার বাড়ি এসেছে। তার বাড়ি না থাকার সুযোগে স্ত্রী আয়েশা এলাকার বিভিন্ন ছেলের সাথে প*রকীয়া প্রেম করত।
প্রায়ই কারো না কারো সাথে সে মোটর সাইকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে দুই তিন দিন পর বাড়ি ফিরত। তার ছেলের আলাদা করে বাড়ি (বিল্ডিং) তৈরী করেছে সেই বাড়িতে আয়েশা ও তার মা বাবা বসবাস করত। তার ছেলে গতকাল মঙ্গলবার বেলা ২ টার সময় মালয়েশিয়া থেকে বাড়িতে আসে।

আর রাত ১ টার সময় তার বুকে পেটে ছু*রিকাঘাত করে হ*ত্যা করে তার স্ত্রী ও সহযোগীরা। তবে কার সাথে প্রেম করত তার ছেলের স্ত্রী এ প্রশ্নে তিনি এলাকার লোকের বাঁধার মুখে নাম বলতে অস্বীকার করে।স্থানীয়রা জানায়, স্বামী বিদেশ থাকার সুযোগে আয়েশা একাধিক প্রেম সম্পর্ক গড়ে তোলে এলাকায়। কেউ তাকে ফোন করে ডাকলে সে মোটর সাইকেল ভাড়া করে দুই তিনদিন একাধারে হা*রিয়ে যেত। এর আগে গতবার যখন তার স্বামী বিদেশ থেকে বাড়ি এসেছিল তখনও তাকে বিদ্যুতের তার জ*ড়িয়ে হ*ত্যা করার চেষ্টা করে বলে স্থানীয়রা অ*ভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি (তদন্ত) আলমগীর হোসেন বলেন, হ*ত্যা*র ত*দন্তের জন্য স্ত্রীসহ তিনজনকে আ*টক করা হয়েছে। তাদের সাথে আলাপ চলছে কে বা কারা এ হ*ত্যা*কা*ন্ডের সাথে জড়িত তদন্ত না করে কিছু বলা যাবে না। তবে লাশ ম*য়না ত*দন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা

রি*মান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য: নয়নের সঙ্গে পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় স্বামীকে‘শিক্ষা’ দিতে চেয়েছিল মিন্নি …

বরগুনায় প্রকাশ্যে রিফাত শরীফ হ*ত্যা*কা*ণ্ডের মা*মলায় গ্রে**প্তার তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির ৫ দিনের রি*মান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
বুধবার বিকাল সোয়া তিনটার দিকে মিন্নিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রি*মান্ড চান এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. হুমায়ুন।

পরে শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচদিনের রি*মান্ড মঞ্জুর করেন আদালতের বিচারক মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী।আদালতে আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাসির, জিয়া উদ্দিন ও মোস্তফা কাদের।এর আগে মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর মিন্নিকে গ্রে**প্তার দেখায় বরগুনা জেলা পুলিশ। রাত সাড়ে নয়টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ কথা জানান বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

তিনি জানান, সকাল সাড়ে নয়টার পর তার বাসা থেকে পুলিশ মিন্নিকে নিয়ে আসে। দিনভর জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত হ*ত্যা*য় তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে গ্রে**প্তার দেখানো হয়।এদিকে রি*ফাত হ*ত্যা*কা*ণ্ডের ঘটনায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির ঘনিষ্ঠজনদের কাছ থেকে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা।

ঘনিষ্ঠজন ও গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, স্বামী রিফাত শরীফকে ‘শিক্ষা’ দিতে চেয়েছিল স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। কারণ সে নয়ন ব*ন্ডের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। এ জন্য রিফাতকে একটু ‘টাইট’ (শাস্তি) দিতে নয়ন বন্ডকে দায়িত্ব দিয়েছিলো মিন্নি। সে অনুযায়ী সাজানো হয়েছিলো ছক।সূত্র বলছে, ঘটনার দিন ছক অনুযায়ী কলেজ গেইটে কালক্ষেপণ করে মিন্নি। তবে রিফাতকে ‘টাইট’ দেওয়া যে হ*ত্যা*য় রুপ নিবে তা মিন্নির ধারণায়ও ছিল না। সেজন্যেই ঘটনার দিন যখন রিফাতকে নয়ন বন্ডের গ্যাংরা টেনে হেচড়ে নিয়ে যায়, তখন মিন্নিকে নির্লিপ্তভাবে হাটতে দেখা যায়।

ভেবেছিলেন নয়ন বন্ডরা তাকে সামান্য শিক্ষা দিয়ে ছেড়ে দেবে। কিন্তু মা*রধ*রের এক পর্যায়ে হঠাৎ যখন নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী যখন চা*পা*তি দিয়ে অ**তর্কিত*ভাবে রিফাতকে কো**পা*তে থাকে, তখনই মিন্নি ঝাপটে ধরে রিফাতকে বাঁ**চাতে আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। সে চেষ্টায় ব্যর্থ হয় মিন্নি।গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, ঘটনার আগের দিন রাতে নয়নের সাথে মিন্নির প্রায় ১৫ মিনিট কথা হয়। সেই সূত্র ধরেই মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মিন্নিকে বরগুনা সদরের নিজ বাড়ি থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ লাইনে নেওয়া হয়। প্রায় ১৪ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রে***ফতার দেখায় পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে সন্ত্রা**সীরা প্রকা*শ্যে কু**পি*য়ে গুরুতর আ*হত করে। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মা**রা যান। এ ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা সাতজনকে আ*সামি করে একটি হ**ত্যা* মা**ম*লা করেন।

এ মা*ম*লায় মিন্নিসহ এ পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রে*প্তার করেছে পুলিশ। গত ২ জুলাই ভোরে মা*মলার প্রধান আসা*মি নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘ব**ন্দু**ক*যুদ্ধে’ নি*হত হন। এখন পর্যন্ত এজাহারভুক্ত তিনজনসহ সাত আ**সামি হ**ত্যা*র সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। এ ঘটনায় বর্তমানে ছয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে রি*মান্ডে নিয়ে জিজ্ঞা*সাবাদ চলছে। সূত্রঃ বাংলা ইনসাইডার

সামান্য একটি কাভার্ডভ্যান তছনছ করে দিলো দুই পুলিশ সার্জেন্টের সুখের সংসার !

হঠাৎ এক সড়ক দুর্ঘ*টনায় ভেঙে তছনছ মৌসুমি আক্তার মৌয়ের সুখের সংসার। অঝোরে কাঁদছিলেন তিনি। তার চোখের পানি অনবরত ঝরছিল। কান্না করতে করতে মৌসুমি বলেন, আমি কিছুই চাই না। আমি আমার স্বামীকে চাই। আমি আমার সুখের সংসার চাই। কি হবে আমার আর আমার শিশু সন্তানের।

ঠিক এভাবেই কথাগুলো বলেছেন যমুনা গ্রুপের কাভার্ডভ্যানের চাপায় নি*হত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া মিকেলের স্ত্রী মৌসুমি মৌ। মৌসুমিও ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট। হঠাৎ স্বামীর মৃ*ত্যুতে ভেঙে পড়েছেন মৌসুমি।এদিকে, সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া মিকেলের মৃ*ত্যুতে নিজ বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শোক বার্তা দিয়ে আহাজারি করছেন তার বন্ধু ও সহকর্মীরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাম কিবরিয়া নামে পুলিশ মহলে পরিচিত থাকলেও মূলত বন্ধু-বান্ধবের কাছে মিকেল হিসেবে অত্যাধিক পরিচিত ছিলেন তিনি। পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বাড়ি হলেও শহরে থাকতেন সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া। পুলিশের দায়িত্ব পালন শেষে বন্ধুদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দিতেন তিনি। সবসময় শান্ত ও হাসিখুশি ছিলেন কিবরিয়া।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। পড়াশোনা শেষে ২০১৫ সালে পুলিশে যোগ দেন। পুলিশে যোগ দেয়ার পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। বরিশালে কোনো বন্ধু-বান্ধব গেলে আপ্যায়ন না করে ছাড়তেন না কিবরিয়া। এসব কারণে বন্ধুমহল ও শিক্ষকমহলে জনপ্রিয় ছিলেন সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া।

জানা যায়, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী বন্দরের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ইউনুস আলী সরদারের বড় ছেলে গোলাম কিবরিয়া মিকেল। তার ছোট এক বোন রয়েছে। তিন বছর আগে বিয়ে করেন কিবরিয়া। মিকেলের স্ত্রী পুলিশের সার্জেন্ট মৌসুমি আক্তার মৌ বরিশালে কর্মরত আছেন। তাদের দুই বছরের এক ছেলে সন্তান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার আগে পটুয়াখালী সরকারি কলেজে পড়ালেখা করেছেন কিবরিয়া।সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়ার অকাল মৃত্যুতে পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফারুক হোসেন ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমার স্নেহের ছাত্র মিকেল পুলিশ সার্জেন্ট বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত অবস্থায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় আ*ঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মঙ্গলবার সকালে মা*রা গেছেন। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাকে বেহেস্ত নসিব করেন।’

মিকেলের বন্ধু বাপ্পী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বন্ধু, তোমার অকালে চলে যাওয়া আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। আল্লাহ তোমাকে জান্নাত দান করুক।’পুলিশ : মিকেলের বন্ধু এসডি সুমন লিখেছেন, ‘প্রিয় সতীর্থ পুলিশ সার্জেন্ট মিকেল সোমবার বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দায়িত্বরত অবস্থায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে মৃ*ত্যুবরণ করেছে। তোর চলে যাওয়া মানতে পারছি না বন্ধু। ভালো থাকিস পরপারে, তোর জন্য দোয়া রইলো।’সাখাওয়াত সোহেল নামে আরেক বন্ধু লিখেছেন, ‘কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া মঙ্গলবার ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃ*শ্বাস ত্যাগ করেছে। তার মৃ*ত্যুতে গভীরভাবে শোক জানাচ্ছি আমরা। মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাত নসিব করেন।’

গতকাল সোমবার সকাল থেকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের কর্নকাঠী জিরো পয়েন্ট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট গোলাম কিবরিয়া। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পটুয়াখালীগামী যমুনা গ্রুপের বেপরোয়া গতির একটি কাভার্ডভ্যানকে (ঢাকা-মেট্রো-উ-১২-২০৫৪) থামার সংকেত দেন সার্জেন্ট কিবরিয়া।কাভার্ডভ্যানটি ট্রাফিকের সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সার্জেন্ট কিবরিয়া একটি মোটরসাইকেলে ধাওয়া করে কাভার্ডভ্যানটির সামনে গিয়ে ফের তাকে থামার সংকেত দেন। কাভার্ডভ্যানচালক জলিল মিয়া এ সময় মোটরসাইকেল আরোহী সার্জেন্ট কিবরিয়াকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে চাপা দিয়ে পালিয়ে যান। এতে তার দুই পায়ের চারটি স্থান ভেঙে যায় এবং মূত্রথলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ ধাওয়া করে চালক জলিল সিকদারসহ কাভার্ডভ্যানটি আটক করে।কিবরিয়ার অবস্থার অবনতি হওয়ায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিকেল সোয়া ৫টার দিকে একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ঢাকায় আনা হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কিবরিয়াকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর পরপরই তাকে জরুরি বিভাগের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে আইসিইউতে মা*রা যান গোলাম কিবরিয়া।