মায়ের কবরের পাশে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে তুবা !

রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় ছেলেধরা গুজবের জেরে গণপি*টুনিতে নি*হত তাসলিমা বেগম রেনুর (৪০) দা*ফন সম্পন্ন হয়েছে। রেনুকে তার বাবার বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের উপজেলার সোনাপুর গ্রামের পারিবারিক ক*বরস্থানে দা*ফন করা হয়।

মাকে দাফনের পর থেকে তার শিশু কন্যা তুবার (৪) কান্না যেন থামছেই না। মায়ের কথা বলেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে সে। মা ফিরে আসবে মি*থ্যা সান্ত্বনায় কিছু সময়ের জন্য কান্না থামানো হলেও ফের কাঁদছে তুবা। মা ড্রেস নিয়ে কখন ফিরবে তা জিজ্ঞাসা করছে বার বার। তার কান্নায় শোক ছড়িয়ে শোকের মাতম চলছে রেনুর স্বজনদের মধ্যেও।

তুবার ও তার ১১ বছরের ভাইয়ের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়ে রেনু হ**ত্যা*য় সুষ্ঠু বিচার পেতে পরিবারটিকে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘো*ষণা দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল।তিনি বলেন, আজ থেকে তুবা ও তার ভাই বড় হবে আমার পরিচয়ে। তারা দু’জনই আমার সন্তান।

তাদের পড়ালেখা থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ নিয়ে যত ভাবনা আমার। এ হ*ত্যা*র বিচার ও দৃষ্টা*ন্তমূলক শা*স্তি হোক সে দাবি আমারও।
তিনি আরও বলেন, আপনারা গুজবে কান দেবেন না। ছেলেধরা স**ন্দেহে কাউকে গণ*পি*টুনি দিয়ে অপরাধ হাতে তুলে নেবেন না।প্রয়োজনে সন্দেহ হলে পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন এ জনপ্রতিনিধি।

হেলালের মোবাইলে ছিল বন্ড-মিন্নির গোপন ভিডিও ! যা দেখে মিন্নিকে মে’রেছেন রিফাত !

দেশব্যাপী আ’লোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা*কা’ণ্ডের দুইদিন আগে হেলাল নামের এক বন্ধুর মোবাইল ফোন নিয়েছিলেন রিফাত।
সোমবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হেলালের বোন পারুল বেগম ও স্ত্রী’ মনিকা বেগম। তবে কি কারণে বা কেন হেলালেন মোবাইল ফোন রিফাত নিয়েছিলেন তা জানাতে পারেননি তারা।

এরই মধ্যে রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ডের পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন হেলাল। এ কারণে তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।সোমবার রাতে এসব বিষয়ে প্রথমে কথা হয় হেলালের স্ত্রী’ মনিকা বেগমের সঙ্গে। এরপর সেই কথোপকথনে যুক্ত হন হেলালের বড় বোন পারুল বেগম।পারুল বেগম বলেন, অ’সুস্থতার কারণে গত ২৪ জুন আমি হেলালকে সঙ্গে নিয়ে আমা’র র’ক্তের গ্রুপ যাচাই করার জন্য বাজারে যাই। বাজারের মিষ্টি পট্টি এলাকায় আম’রা পৌঁছালে রিফাত শরীফের সঙ্গে দেখা হয়।

এ সময় রিফাত শরীফ হেলালকে ডেকে নিয়ে তার মোবাইল ফোনটি দিতে বলেন। হেলাল নিজের মোবাইল ফোনটি রিফাতের হাতে দিলে মোবাইলটি নিয়ে চলে যান রিফাত। এ সময় রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নিও ছিলেন।পারুল বেগম আরও বলেন, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে বাসায় এসে আমা’র মাকে বিষয়টি জানাই। তখন মা বেশ কয়েকবার রিফাত শরীফকে কল দিয়ে মোবাইলটি দিয়ে যেতে বলেন।

এরপর বিকেল ৫টার দিকে রিফাত আমা’র ভাই হেলালকে ডেকে নিয়ে মোবাইলটি দিয়ে দেন। এক প্রশ্নের জবাবে পারুল বেগম বলেন, মোবাইলটি রিফাত শরীফ কেন নিয়েছিলেন তা আমি জানি না। ওই মোবাইলে গো’পন বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য ছিল কিনা তাও আমি জানি না।হেলালের স্ত্রী’ মনিকা বেগম বলেন, হেলালের মোবাইলটি রিফাত শরীফ নিয়েছিলেন বরগুনা পৌর মা’র্কে’টের নিচে থাকাকালীন অবস্থায়। সকাল সাড়ে ১০টা বা ১১টার দিকে। মোবাইলটি নিলেও আমা’র শাশুড়ির অনুরোধে বিকেল ৪টা কিংবা ৫টার দিকে ফিরিয়ে দেন রিফাত।

এক প্রশ্নের জবাবে মনিকা বেগম বলেন, মোবাইলটি রিফাত শরীফ কেন নিয়েছিলেন তা আমি জানি না। মোবাইলে গো’পনীয় বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য ছিল কিনা তাও আমা’র জানা নেই।এদিকে, হেলালের কাছ থেকে মোবাইল নেয়ার দুইদিন পরই রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ডের ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জে’লা পু’লিশের এক সদস্য বলেন, ২৬ জুন বুধবার রিফাত শরীফ হ’ত্যাকা’ণ্ড সংঘটিত হয়।

ঘটনার দুইদিন আগে সোমবার রিফাত শরীফ হেলাল নামে তার এক বন্ধুর মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। হেলাল রিফাত শরীফের বন্ধু হলেও নয়ন ব’ন্ডের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।ওই মোবাইল উ’দ্ধারের জন্য নয়ন ব’ন্ড মিন্নির দারস্থ হয়। পরে রিফাত শরীফের কাছ থেকে ফোনটি উ’দ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উ’দ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মা’রধরের শিকার হয় মিন্নি।পু’লিশের এই সদস্য আরও বলেন, নয়নের কথায় রিফাত শরীফের কাছ থেকে হেলালের ফোন উ’দ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উ’দ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মা’রধরের শি*কার হয় মিন্নি।

পরে হ’ত্যাকা’ণ্ডের আগের দিন মঙ্গলবার নয়নের সঙ্গে দেখা করে মিন্নি সেই মোবাইল নয়নের হাতে তুলে দেয়। এ সময় মিন্নি তার স্বামী রিফাত শরীফের হাতে যে মা’রধরের শি*কার হয়েছেন তার প্রতিশোধ নিতে নয়নকে মা’রধর করতে বলে।তবে মা’রধরের সময় নয়ন যাতে উপস্থিত না থাকে, সেটিও নয়নকে বলে দেয় মিন্নি। এরপর ওই দিন সন্ধ্যায় বরগুনা কলেজ মাঠে মিটিং করে রিফাত শরীফকে মা’রধরের প্রস্তুতি নেয় ব’ন্ড বাহিনী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নি’হত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বলেন, হেলালের কাছ থেকে মোবাইল নেয়ার বিষয়টি আমি জানি না। তবে রিফাত হ’ত্যায় মিন্নির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে আমি জানি।গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরসহ মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পু’লিশ লাইন্সে নিয়ে যায় পু’লিশ।এরপর দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং পু’লিশের কৌশলী ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আ’ট’কে যান মিন্নি। বেরিয়ে আসে হ’ত্যাকা’ণ্ডে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ। এরপরই তাকে গ্রে’ফতার করে পু’লিশ।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে বরগুনার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে মিন্নিকে হাজির করে সাতদিনের রি’মান্ড আবেদন করে পু’লিশ। শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচদিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন আ’দালতের বিচারক মোহাম্ম’দ সিরাজুল ইস’লাম গাজী।পরদিন বৃহস্পতিবার বরগুনার পু’লিশ সুপার মো. মা’রুফ হোসেন জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ ও বুধবার রি’মান্ড মঞ্জুরের পর পু’লিশের জিজ্ঞাসাবাদে ছিলেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। ইতোমধ্যে মিন্নি স্বামী রিফাত শরীফ হ’ত্যাকা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ হ’ত্যার পরিকল্পনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

আ’দালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বলেছেন, একটি গো’পন মোবাইল ফোন নম্বরে তিনি নয়ন ব’ন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিফাতকে শিক্ষা দিতে বলেন।ওই নম্বরে শুধু নয়নের সঙ্গেই কথা বলতেন তিনি। মোবাইল নম্বরটি নয়নের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা। এমনকি রিফাত খু’ন হওয়ার পরও ওই নম্বরে নয়নের সঙ্গে মিন্নির দীর্ঘ সময় ধরে ফোনালাপ হয়।পলাতক থাকা নয়নকে মিন্নি বলেন, ‘তুমি তো রিফাতরে কো*পাইয়া মাই’রা ফালাইছ। এখন তো তুমি ফাঁ’সির আ’সামি হইবা।’ হ’ত্যাকা’ণ্ডের আগে-পরে এসব কথাবার্তার ভয়েস রেকর্ড ও কললিস্ট সিডি আকারে মা’মলার নথিতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইস’লাম গাজীর খাসকাম’রায় ১৯ জুলাই এ জবানব’ন্দি রেকর্ড করা হয়।
খাসকাম’রায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানব’ন্দি রেকর্ড করার সময় বিচারক ও মিন্নি ছাড়া আর কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন নাআড়াই পৃষ্ঠার জবানব’ন্দিতে রিফাত খু’নের বিবরণ দেন মিন্নি। পু’লিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র রোববার এসব তথ্য নিশ্চিত করে।তবে এই জবানব’ন্দি প্রত্যাখ্যান করেছে মিন্নির পরিবার। মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর রোববার রাতে বলেন, ‘আহা রে এই হল দুনিয়া।

আমা’র মেয়েটারে মা’রধর করে জবানব’ন্দি নিয়েছে পু’লিশ। জে’লখানায় যখন আমি কথা বলতে গেছি তখন মেয়েটা আমা’র কা’ন্নায় ভেঙে পড়ে। বলেছে, ‘বাবা পু’লিশ আমাকে যা শিখিয়ে দিয়েছে তাই বলেছি।আমি এ ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িত নই। স্বামীকে আমি কেন খু’ন করাতে যাব।’ তিনি বলেন, ‘১২ ঘণ্টা পু’লিশ লাইনে বসিয়ে রেখে আমা’র মেয়েকে প্রচুর মা’রধর করা হয়। যখন আ’দালতে তোলা হয় তখন আমা’র মেয়ে ঠিকমতো দাঁড়িয়ে থাকতেও পারছিল না।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বরগুনার পু’লিশ সুপার মা’রুফ হোসেন রোববার বলেন, ‘মিন্নির পরিকল্পনায় রিফাত শরীফ খু’ন হন। তিনি আ’দালতে দেয়া জবানব’ন্দিতে সব স্বীকার করেছেন।’জবানব’ন্দিতে মিন্নি বলেন, ৬ লাখ টাকা কাবিনে ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর নয়ন বল্ডের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নয়ন ব’ন্ডের মা সাহিদা বেগমসহ অনেকেই এই বিয়ের বিষয়টি জানতেন।কিন্তু মিন্নি বিয়ের বিষয়টি গো’পন রেখে পরে রিফাতকে বিয়ে করেন। রিফাতের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়ন ব’ন্ডের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। কলেজের দেয়ালের নিচ দিয়ে তিনি নয়নদের বাড়িতে প্রায়ই যেতেন।

জবানব’ন্দিতে মিন্নি বলেন, নয়নের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পারেননি। কারণ মিন্নির একটি ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও নয়নের কাছে ছিল।এছাড়া জুনের ৩ তারিখে নয়ন ব’ন্ড গ্রুপের সদস্য হেলালের মোবাইল ফোন সেট জো’র করে নিয়ে যায় রিফাত শরীফ। এ নিয়ে নয়নের সঙ্গে রিফাতের কথা কা’টাকাটি হয়। একপর্যায়ে নয়ন ব’ন্ড মিন্নিকে বলেন, ‘রিফাতকে ফোন ফিরিয়ে দিতে বল। না হলে পরিস্থিতি খা’রাপ হবে। হ’ত্যাকা’ণ্ডের দু’দিন আগে রিফাতকে মিন্নি বলেন, তুমি হেলালের ফোন ফেরত দাও।’

ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মা’মলা হওয়ায় ঝড় উঠেছে হবিগঞ্জে !

আন্তর্জাতিক অ’প’রাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বি’রুদ্ধে মা’*মলা দায়েরের প্রতিবাদে ঝড় উঠেছে তার নিজ জে’লা হবিগঞ্জে। জে’লার চুনারুঘাট উপজে’লায় সুমনের জন্মস্থানের লোকজন এ ব্যা*পারে রাজপথে আ’ন্দোলনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

আজ সোমবার সুমনের বি’*রুদ্ধে মা*’মলা দায়ের হওয়ার খবর বিভিন্ন টেলিভিশন, অনলাইন ও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সুমনের অনুসারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা ফেসবুকে এর বি*’রুদ্ধে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেন।সুমনের ঘনিষ্ট একজন হবিগঞ্জের শামীমা শাম্মি ফেসবুকে লেখেন, চো’৮ৎ*রের মায়ের বড় গলা!! অন্যায় করেছে প্রিয়া সাহা আর চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে প্রতিবাদ, প্র*তিরোধ করার চেষ্টা করায় ফাঁ*’সানো হচ্ছে নি’*র্দোষ দুলাভাই ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে!

উনার মা’*মলা যদি খারিজ করা যেতে পারে তাহলে উনার বি’রুদ্ধে করা মা’*মলাও খারিজ হওয়ার কথা! রাষ্ট্রের পক্ষে কথা বলা কেন অন্যায় হবে আর রাষ্ট্রদ্রোহী হলে কেন অন্যায়, অ’প’রাধ হবে না! একজন সুমন ব্যারিস্টার এই দেশে বারবার জন্মাবে না…..!!
আরেকজন লিখেছেন, ধ’র্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ক্ষুদা দারিদ্রমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে ব্যারিস্টার সুমন ভাইয়ের মতো মানুষদের এদেশে খুব দরকার। সারা বিশ্বের বিস্ময় হিন্দু-মু’সলিম-বোদ্ধ-খ্রিস্টানসহ এক অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ আমা’র প্রিয় জন্মভূমি।

সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা নামক এক মহিলা যে অ*সত্য এবং বানোয়াট বক্তব্য উপস্থাপন করেছে সেটি নিঃসন্দেহে দেশবিরোধী ষড়*যন্ত্র। আর এই দেশবি*রোধী ষড়*যন্ত্রের বি’রুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ধ’র্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেকে নাগরিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজে’লার আমীর হামজা নামক এক সাংবাদিক লিখেছেন, মানবতার ফেরিওয়ালা, বাংলার নক্ষত্র ব্যারিস্টার সুমনের ওপর মিথ্যা মা’*মলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজে’লার ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমান সোহাগ জানান, তারা ব্যারিস্টার সুমনের বি’রুদ্ধে এই মা’মলা দায়েরের প্রতিবাদে রাজপথে নেমে আ’ন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মঙ্গলবার চুনারুঘাট উপজে’লা শহরে মানববন্ধন ও বি’ক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।

হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়জুর রহমান রবিন জানান, ব্যারিস্টার সুমনের বি’রুদ্ধে মিথ্যা ও হয়’রানিমূলক মা’মলা দায়েরের প্রতিবাদে হবিগঞ্জ শহরে মঙ্গলবার মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। ব্যারিস্টার সুমনের সম’র্থক হবিগঞ্জ তথা সমগ্র দেশেই আছেন।
সকলেই আ’ন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিদেশেও তার ভক্ত এবং অনুসারী আছেন। তারাও আ’ন্দোলন করবেন। ব্যক্তিগত বিষয়কে সাম্প্রদায়িক বিষয় বানানোর অ’পচেষ্টার নিন্দা জানান তিনি।

এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুলক হক সুমন বলেন, তারা যে ফেসবুক আইডি দিয়ে মা’**মলা করেছে এটি আমা**’র ফেইক আইডি। এ ব্যাপারে আমি এক মাস পূর্বে জিডি করেছি। আর আমি মা’*মলা করেছি একজন ব্যক্তির বি*’রুদ্ধে। কোনো সম্প্রদায়ের বি’*রুদ্ধে নয়।
কেন তারা এটি সাম্প্রদায়িকভাবে নিচ্ছে সেটি আমা’র বুঝে পড়ছে না। আর অন্যায়ের বি*’রুদ্ধে এবং দেশের পক্ষে অধিকারের দাবি আদায়ের সংগ্রাম করতে গিয়ে যদি কেউ এভাবে মা’*মলার শি*কার হয় তাহলে তো কেউ আর অধিকার আদায়ের আ’ন্দোলন করবে না।

তাহলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কি হবে।তিনি আরো বলেন, জনগণ আমাকে ভালোবাসে। তাই তারা দেশের বিভিন্নস্থানে আ’ন্দোলন করছেন বলে শুনছে পেরেছি। অনেকে ফেসবুকে এবং টেলিফোনে আমাকে সহানুভূতি জানিয়েছেন। তবে আমি বিষয়টি আইনিভাবেই মোকাবেলা করব। আর এই মা’মলায় প্রমাণ হয়েছে এই দেশে হিন্দুরা নির্যাতিত নন।

৬ ঘন্টা পানি ও বিদ্যুৎহীন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,ভোগান্তিতে বিমান যাত্রী ও কর্মীরা !

রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযানের কারণে প্রায় ছয় ঘণ্টা পানি ও বিদ্যুৎ ছিল না হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। রাজধানীর উত্তরার কাউলায় রেলওয়ের উচ্ছেদ অভিযান চলার সময় বিদ্যুতের তার ও পানির সংযোগ কাটা পড়ায় সকাল থেকে এ সমস্যা দেখা দেয়।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বন্ধ থাকায় গরমে কষ্ট করার পাশাপাশি টয়লেটে পানি না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন বিমানবন্দরে অবস্থান করা যাত্রী ও কর্মীরা। বিকালের দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানায়, রোববার ভোর থেকে বিমানবন্দরে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে সমস্যা দেখা দিলে বেবিচক কর্তৃপক্ষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ডেসা এবং ওয়াসার আন্তরিক সহযোগিতায় দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হয়।

সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ নিজস্ব বিকল্প ব্যবস্থায় পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রেখে বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনাসহ সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

সরকার বলুক, আমার কোন বক্তব্যটি অসত্য: প্রিয়া সাহা !

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে সংখ্যালঘু নি*র্যা*তন ও হারিয়ে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরে আলোচিত-সমালোচিত প্রিয়া সাহা আবারও মনে করিয়ে দিলেন ২০০১ সালের নি*র্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার কথা।

গতকাল রবিবার বিকেলে টেলিফোনে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ২০০১ সালে নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতার সময় টানা ৯৪ দিন সংখ্যালঘুদের ওপর নি**র্যাতন চালানো হয়েছিল। আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলেন। এ দেশে সংখ্যালঘুদের রক্ষায় তখন তিনি বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেকোনো জায়গায় যে কথা বলা যায় এটি তিনি শেখ হাসিনার কাছ থেকে শিখেছেন বলেও দাবি করেন প্রিয়া সাহা।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর কয়েক সেকেন্ডের কথোপকথন আর এই ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দিয়ে ঘৃ*ণ্য প্রচারণা চালিয়ে কোন গোষ্ঠী লাভবান হতে চেয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হোক। তিনি বলেন, ‘যারা আমার বি*রুদ্ধে মিছিল, মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন করছে, বাংলাদেশটা যেমন তাদের, তেমনি আমারও। আমি আমার দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছি।’এক প্রশ্নের জবাবে প্রিয়া বলেন, ৩৭ মিলিয়ন বা তিন কোটি ৭০ লাখ সংখ্যালঘু ‘ডিস-অ্যাপিয়ার্ড’ হওয়ার অর্থ তিনি বুঝিয়েছেন ‘ক্রমাগতভাবে হারিয়ে যাওয়া’ হিসেবে।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর জনসংখ্যার সরকারি হিসাব দেখলেই এটি স্পষ্ট হবে। আর যদি ১৯০১ সাল থেকে হিসাব ধরা হয়, তাহলে এ সংখ্যা চার কোটি ৯০ লাখ হবে।প্রিয়া সাহা বলেন, ‘সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালে এ দেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর সদস্য ছিল ২৯.৭ শতাংশ। ২০১১ সালের জরিপে তা নেমে এলো ৯.৬ শতাংশে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন প্রায় ১৮ কোটি। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে তো এখন সংখ্যালঘুর সংখ্যা ছয় কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে সংখ্যালঘুর সংখ্যা এক কোটি ২৯ লাখ। অর্থাৎ চার কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার হওয়ার কথা ছিল।’

প্রিয়া সাহা বলেন, ‘আজ ৩৭ মিলিয়ন নিয়েই শুধু কথা হচ্ছে। অথচ সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর দখল, উচ্ছেদ হচ্ছে, তা নিয়ে কেউ বলছে না।’ ২০০১ সালে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী পিরোজপুরে এমপি থাকার সময় বাড়িঘর আক্রান্ত ও দখল হওয়ার তথ্য তুলে ধরেন তিনি।প্রিয়া বলেন, ‘গত ২ মার্চ পিরোজপুরে আমার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের খবর পরদিন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। সে সময় কেউ এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেনি। অথচ ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার পর সেই আ**গুনকে সাজানো না**টক বলছে! খোঁজ নিয়ে সত্যটা জানুন।’

তাঁর বক্তব্যের জন্য সংখ্যালঘুদের কেন হুমকি দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রিয়া। তিনি বলেন, ‘কেন তাদের মুখ চেপে মিথ্যা বলতে বাধ্য করা হচ্ছে? কেন ঢাকায় আমার বাসায় তালা দেওয়ার চেষ্টা চলছে?’প্রিয়া আরো বলেন, ‘কিছু গণমাধ্যম আমার পরিবারের সদস্যদের ছবি প্রকাশ করে তাদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলেছে। আমার পরিবারের সদস্যরা তো কোনো অপরাধ করেনি।’

একজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে বিষয়টি বলা ঠিক হয়েছে কি না জানতে চাইলে প্রিয়া সাহা বলেন, ‘আমি চাই না, বাংলাদেশ আফগানিস্তান, পাকিস্তানের মতো হোক।’ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সন্ত্রাস ও সহিংস উগ্রবাদ দমনে সহযোগিতা করে। সে ভাবনা থেকেই তিনি মনে করেন, সংখ্যালঘুদের রক্ষায় দুই দেশের সহযোগিতার কথা বলেছেন।

প্রিয়া সাহা বলেন, ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ও কথোপকথন নিয়ে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করেছে মৌলবাদী ও উগ্রবাদীদেরই একটি চক্র। আর অনেকে না বোঝে তাতে জড়িয়েছে।তিনি বলেন, ‘আমি তো সরকারের পরিসংখ্যান ধরেই কথা বলেছি। সরকার বলুক, আমার কোন বক্তব্যটি অসত্য? আমি রাষ্ট্র বা সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলিনি। সরকার কেন আমার বক্তব্য নিয়ে ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দিল?’ সূত্র: কালেরকন্ঠ।

নিষ্ঠুরতার শিকার হয়ে মাকে হারালো অবুঝ এই শিশু !

ছেলেধরা গু**জবে কিছু মানুষের নিষ্ঠুরতায় মাকে হারালো অবুঝ শিশু তুবা। যে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় ছিলেন ওই মা সেই সন্তানের আগামীটা এখন হয়ে গেছে আরও বেশি অনিশ্চিত।তার মাকে কেন হ**ত্যা করা হলো ছোট্ট তুবা যদি এমন প্রশ্ন করে কী জবাব দেবেন ওই হামলাকারীরা। পাপবোধ কি তাদের তাড়া করে ফিরবে না?

কিন্তু তারপর একটি গুজব পাল্টে দিলো সব হিসেব-নিকেশ, গ*ণপি*টুনিতে প্রাণ গেলো এক মায়ের।ছেলেধরা গুজবে কিছু মানুষের নিষ্ঠুরতা র***ক্তাক্ত করেছে স্নেহের আঁচল। কিন্তু কেন এই পাশবিকতা? কেইবা রেনু? সে কি সত্যিই ছেলেধরা, নাকি মমতাময়ী এক মা ? কী বলছে স্বজন-প্রতিবেশীরা?

যদিও ছোট্ট তুবা এখনও জানেই না যে মা নেই, মা আর ফিরে আসবে না কখনই। আর কখনোই জাপটে ধরবে না বুকের ভেতর,কিনে দেবে না রঙিন জামা ও হরেক খেলনা।

আটষট্টি হাজার গ্রামের প্রতিটি মাঠ থেকে খুঁজে নিয়ে আসা, সবচেয়ে সুন্দর সরিষা ফুলের সবটুকু রেণু দিয়েও আর ফিরিয়ে আনা যাবে না মমতাময়ী এক রেনুকে তবে চাইলেই তো ফেরানো যায় মনুষ্যত্ববোধ। সূত্র-চ্যানেল২৪

মিন্নির মা-বাবার বি*রুদ্ধে মামলা করবেন রিফাতের বাবা !

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হ**ত্যা মা*মলার প্রধান সাক্ষী ও নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা-মায়ের বি*রুদ্ধে মা*মলা করবেন বলে জানিয়েছেন নি*হত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ।রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নির দ্বিতীয় বিয়ের সময় মিন্নি ও নয়ন বন্ডের বিয়ের ‘তথ্য গোপন’ করার অ*ভিযোগে এ মামলা করবেন বলে তিনি জানান। রিফাত হত্যায় জড়িত সব আসামিকে গ্রে*ফ*তার করে দ্রুত ফাঁ**সির দাবিতে রোববার আয়োজিত মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি।

রিফাত শরীফ হ**ত্যা*কা*ণ্ডে জড়িত সব অ*ভিযুক্তকে দ্রুত গ্রে**ফতার করে ফাঁ*সির দাবিতে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বরগুনা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। বরগুনার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিল।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নি**হত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ, মা ডেইজি বেগম, একমাত্র বোন উসরাত জাহান মৌ, চাচা আবদুল লতিফ শরীফ, আবদুল আজীজ শরীফ ও চাচাতো বোনরা।

মানববন্ধন শেষে সাংবাদিকদের দুলাল শরীফ বলেন, কিছু মানুষ প্রকৃত তথ্য না জেনে ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মিন্নির পক্ষে লেখালেখি করছেন। তাদের কাছে আমার অনুরোধ আপনারা প্রকৃত সত্য জেনে তারপর লেখালেখি করেন।আপনাদের লেখালেখির কারণে আমার ছেলে হ**ত্যা**র বিচার প্রভাবিত হতে পারে। একজন সন্তানহারা বাবা হিসেবে আমি যে আমার ছেলের হ*ত্যা*কা*রীদের ফাঁ*সির অপেক্ষায় অধীর আগ্রহে আছি সেটা ব্যাহত হতে পারে।

মিন্নিকে আইনি সহায়তা দিতে আসা আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রত্যেক অ**ভিযুক্তের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রয়েছে। মিন্নির পক্ষে যেসব আইনজীবী রোববার আদালতে উঠেছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা নিজেরা রিফাত হ**ত্যা*কা*ণ্ডে*র অনুসন্ধান করুন। যদি এ হ*ত্যা**কাণ্ডে মিন্নি জড়িত থাকে তাহলে মিন্নিসহ এ মা*ম*লার সব **অ*ভিযুক্তকে আইনি সহায়তা না দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

মানববন্ধন শেষে বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দুলাল শরীফ বলেন, নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির ‘বিয়ে হওয়ার’ পরও মিন্নির পরিবার সেই তথ্য গো*পন করে আমার ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয়।মূলত এ কারণেই আমার ছেলেকে কু*পিয়ে হ*ত্যা করে নয়ন বন্ড ও তার সহযোগীরা। এ হ**ত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে মিন্নিও জড়িত। সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজেও তার ‘প্রমাণ’ রয়েছে।

ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার নালিশ ছোট্ট ঘটনা: আইনমন্ত্রী !

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর নি**র্যা*তনের যে অভিযোগ করেছে তা ‘ছোট্ট ঘটনা’ হিসেবে দেখছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি এটিকে রাষ্ট্রদোহিতা মনে করেন না।আজ রোববার (২১ জুলাই) বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বিচারকদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমন অবস্থান ব্যক্ত করেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিষয়ে ট্রাম্পকে যে তথ্যগুলো প্রিয়া সাহা দিয়েছেন তা সর্বৈ*ব মি**থ্যা, বিএনপি-জামায়াতের সময় ছাড়া বাংলাদেশে এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি। এটি তিনি ব্যক্তিগত ঈর্ষা চরিতার্থের জন্য করেছেন। এত ছোট্ট ঘটনায় রাষ্ট্রদ্রোহ হয়ে গেছে, তা মনে করি না।

এদিকে ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশের বি*রুদ্ধে মি*থ্যাচার করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহার বি**রুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে ঢাকায় দুটি মা*মলা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিলেটেও পৃথক মা*মলা হয়েছে। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার ২৭ ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেখানে ১৬ দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহাও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পান।

বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা প্রিয়া সাহা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলেন, আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি। বাংলাদেশে তিন কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান নিখোঁজ রয়েছেন। দয়া করে আমাদের লোকজনকে সহায়তা করুন। আমরা আমাদের দেশে থাকতে চাই।

এর পর তিনি বলেন, এখন সেখানে এক কোটি ৮০ লাখ সংখ্যালঘু রয়েছে। আমরা আমাদের বাড়িঘর খু*ইয়েছি। তারা আমাদের বাড়িঘর পু*ড়িয়ে দিয়েছে, তারা আমাদের ভূমি দখল করে নিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বিচার পাইনি।

মিন্নির জামিনের বিরোধীতায় আদালতে যা বললেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী !

বরগুনার চাঞ্চল্যকর রিফাত শরীফ হ**ত্যা মামলায় গ্রে**ফতার তার স্ত্রী ও মাম*লার প্রধান সাক্ষী আয়েশা মিন্নির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।রোববার দুপুরে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম গাজী তার জামিন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে জামিন চেয়ে মিন্নির পক্ষে শুনানি করেন তার আইনজীবী বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী আসলাম। তাকে সহযোগিতা করেন ঢাকা থেকে যাওয়া আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) আইনজীবীরা।অ্যাডভোকেট আসলাম বলেন, মিন্নির অসুস্থতা এবং তাকে জোর-জবরদস্তি করে জবানবন্দি নেওয়ায় আমরা তার জামিন আবেদন করেছি। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ বিরোধিতা করায় আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি সঞ্জীব দাস বলেন, রিফাত হ**ত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে মিন্নি নিজেই জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য আ**সামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও মিন্নির স*ম্পৃক্ততার কথা এসেছে। এজন্য তাকে যাতে জামিন দেওয়া না হয়, সে আবেদন করেছি।রিফাত শরীফ হ**ত্যা মামলার ১ নম্বর সাক্ষী ছিলেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। ১৬ জুলাই তাকে বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। হ*ত্যা*কা*ণ্ডে মিন্নির সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় রাতে তাকে গ্রে**ফ*তার করা হয়।

পাঁচদিনের রি*মান্ডের দুইদিন শেষে মিন্নিকে শুক্রবার দুপুরে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে হ**ত্যা*য় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন মিন্নি।

যত নি’র্যাতন করেছে বুঝে নেও : জেলখানা থেকে বাবাকে বললেন মিন্নি !

আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। রিফাত শরীফের স্ত্রী’। রিফাতকে কু‌‌**’পিয়ে খু*’নের প্রধান প্রত্যক্ষদর্শী। মা*’মলায় ছিলেন সাক্ষী। এখন আ’*সামি হিসেবে গ্রে**’প্তার করেছে পু’লিশ। নেওয়া হয়েছিল রি’*মান্ডে।পাঁচ দিনের রি*’মান্ডের দুই দিন পর আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছেন তিনি। এরপর তাঁকে পাঠানো হয় কা**রাগারে।এ পুরো প্রক্রিয়ার প্রতিবাদ জানিয়েছেন মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর।

তিনি বলেছেন, পু’লিশের ত’*দন্তে আস্থা রাখতে পারছেন না তিনি। এ অবস্থায় গতকাল শনিবার মিন্নির সঙ্গে কা**রাগারে সাক্ষাৎ করতে যান তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। দুই কারারক্ষীর সাহায্যে কোনোমতে দাঁড়িয়ে থাকা মিন্নিকে দেখে পরিবারের নারী সদস্যরা কেঁদে ফেলেন। পুরুষ সদস্যরা তাঁকে নানা কথা জিজ্ঞেস করেন।

কিন্তু ঠিকমতো সোজা হয়ে দাঁড়াতেই পারছিলেন না। এদিক-ওদিক ঢলে পড়ছিলেন। তাঁকে দুই পাশ থেকে ধরে রাখছিলেন দুই নারী কারারক্ষী।মিন্নি তাঁর বাবাকে শুধু একবারই বলছিলেন, ‘কী’ নি’র্যাতন করেছে বুঝে নেও।’মোজাম্মেল হোসেন কিশোর মেয়ের সঙ্গে দেখা করে আসার পর কাছে এমন বর্ণনাই দিয়েছেন। তাঁর বর্ণনা অনুযায়ী, দুই কারারক্ষী তাঁর মেয়েকে অনেকটা টেনেই তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য নিয়ে আসেন।

মিন্নি হাঁটতে পারছিলেন না। এমনকি দাঁড়াতেও পারছিলেন না।গতকাল সকালে বরগুনা জে’লা কারাগারে মিন্নির সঙ্গে দেখা করেন তাঁর মা-বাবা, তিন ভাই-বোন, চাচা আর ফুফু।মোজাম্মেল হোসেন দাবি করেন, তাঁর মেয়ের ওপর শারী*রিক ও মা*নসিক নি*৮’র্যাতন চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, “আম’রা তাকে অনেক প্রশ্ন করেছি। মিন্নি দু-একটার উত্তর দিয়েছে। নি’*র্যা*তনের বিষয়ে শুধু বলেছে, ‘বাবা, আমায় দেখে বুঝে নেও কী’ নি*’র্যাতন ওরা চালিয়েছে। আমি যদি পু’লিশের শেখানো কথা আ’*দালতে না বলি, তাহলে আরো ১০ দিন রি’**মান্ডে এনে ওরা আমা’*র ওপর নি’**র্যাতন চালাত। তাই নি**’র্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পেতে বলেছি খু’**নের ঘটনার পরিকল্পনার সঙ্গে আমি জ**’ড়িত।’”

মোজাম্মেল আরো বলেন, ‘আ*মা’*র মেয়ের ওপর যে ধরনের নি’**র্যাতন চালানো হয়েছে, তা মেয়েই খুলে বলছে না। আমা’র দাবি, এই ঘটনার বিচার বিভাগীয় ত*’দ*ন্ত করা হোক। যারা মিন্নিকে দিয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি আদায় করিয়ে নিয়েছে তারা যেন আইনের আওতায় আসে। তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন মিন্নি তার স্বামীকে বাঁ’চাতে জীবন বাজি রেখে লড়েছিল। কিন্তু খু’*নিদের বাঁ’চাতে আমা’র মেয়েকে সাক্ষী থেকে আ’সামি বানানো হলো। জে’লা পু’লিশ প্রশাসনের ওপর আমা’র কোনো আস্থা নেই। আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ ত’দন্ত দাবি করছি।’

পু’লিশের ত’*দন্তে তিনি আস্থা রাখতে পারছেন না—এমন মন্তব্য করে মিন্নির বাবা বলেন, ‘রিফাতকে কু‌‌’পিয়ে হ’ত্যা মা’মলার প্রধান সাক্ষী মিন্নি। কিন্তু সাক্ষী হিসেবে তথ্য নেওয়ার কথা বলে ১২ ঘণ্টা জেরা করার পর যেভাবে তাকে গ্রে’**প্তার করা হয়েছে, তা অবিশ্বা’স্য।

এখানেই শেষ নয়। ক্ষমতাসীন দলের যাঁরা স্থানীয় রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেন তাঁরা এই মা’মলার ত’দন্তকে প্রভাবান্বিত করার জন্য উঠে পড়ে লাগলেন, মেয়েকে রি’*মা*ন্ডের নামে নি’*র্যা*তন করে জো’র করে স্বীকারোক্তি আদায় করলেন।’

মোজাম্মেল বলেন, ‘তাই আ’দালত চত্বরে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে আমি বলেছিলাম, এসপি সাহেব আমাকে গ্রে’*প্তা*র করুন। আমি এখানে গ্রে’প্তার হতে কিংবা মা’রা যাওয়ার জন্য এসেছি। এত নি*’র্ম*মতার শিকার কোনো মানুষ হবে? কী’ অন্যায় আমা’র মেয়ের? সে জীবন বাজি রেখে স্বামীকে বাঁ’চানোর চেষ্টা করেছে। সেই চেষ্টা করাই কি তার অ*’প’*রাধ? তালাবদ্ধ রুমে হুমকি দিয়ে তার স্টেটমেন্ট নেওয়া হচ্ছে।গত শুক্রবার দুপুরে মিন্নিকে গো’পনে আ’দালতে জবানব’ন্দি দিতে নিয়ে যায় পু’লিশ। বিকেলে এ খবর জানতে পেরে মোজাম্মেল হোসেন আ’দালত প্রাঙ্গণে ছুটে যান। সেখানেও তিনি চি’ৎকার করে ওই সব কথা বলেছিলেন।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে আ’দালত থেকে বের করার পর মিন্নি সাংবাদিকদের কিছু বলতে উদ্যত হলে পাশে থাকা নারী পু’লিশ তাঁর মুখ চেপে ধরে। সাংবাদিকরা এগিয়ে গেলে অন্য পু’লিশ সদস্যরা তাঁদের সরিয়ে দেন।এদিকে আ’দালত চত্বরের ওই ঘটনার পর মিন্নির বাবাকে রাজনৈতিক একটি পক্ষ চাপ প্রয়োগের পাশাপাশি বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে শুরু করেছে বলে তিনি অ**’ভিযোগ করেছেন। মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘শম্ভু বাবুর লোকজন আমাকে হুমকি দিচ্ছে। এ ঘটনায় আমি থানায় সাধারণ ডায়েরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আগামীকাল (রবিবার) ঢাকা থেকে আইনজীবীরা আসবেন। তাঁদের সঙ্গে পরাম’র্শ করে ব্যবস্থা নেব।’ তিনি আরো বলেন, ‘ঘটনার পর থেকেই আমা’র পরিবারের সদস্যরা গৃহব’ন্দি। দুই সন্তান স্কুলে যেতে পারছে না। আমিও বাইরে বের হতে ভয় পাই। সব সময় আমা’র আশপাশে অ’*পরিচিত লোকজন দেখতে পাই।’গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রিফাতকে স্ত্রী’র সামনে প্রকাশ্যে কু‌‌**’পিয়ে হ*’ত্যা করা হয়। ওই দিন রাতে রিফাত শরীফের বাবা আবদুল দুলাল শরীফ ১২ জনকে আ’সামি করে যে মা’মলা’টি করেন, তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয়েছিল মিন্নিকেই।

গত ১৩ জুলাই মিন্নির শ্বশুর তাঁর ছেলের হ’*ত্যা**কা’ণ্ডে পুত্রবধূর জ’ড়িত থাকার অ*’ভি*যোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি মিন্নির গ্রে’*প্তার দাবি করেন। পরদিন ‘বরগুনার সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে মানববন্ধন হয়,শ্বশুর অ’*ভিযো*গ তোলার পরদিন মিন্নি তা অস্বীকার করে পাল্টা বলেছিলেন, দুলাল শরীফ ষড়যন্ত্রকারীদের প্র’রোচনায় পড়ে তাঁকে জড়িয়ে বানোয়াট কথা বলছেন।এরপর গত মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিন্নিকে তাঁর বাবার বাসা থেকে পু’লিশ জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে পু’লিশ লাইনসে নিয়ে যায়। প্রায় ১২ ঘণ্টা *জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত ৯টার দিকে তাঁকে রিফাত শরীফ হ’*ত্যা মা*’মলায় গ্রে*’প্তার করা হয়।

পরদিন বুধবার পু’লিশ মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের হেফাজত (রি’*মান্ড) চেয়ে আ’দালতে আবেদন করে। বিচারক শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রি*’মান্ড মঞ্জুর করেন। দুই দিন পর শুক্রবার ১৬৪ ধারায় তিনি জবানব’ন্দি দেন। পু’লিশ বলেছে, জবানব’ন্দিতে মিন্নি কী’ বলেছেন, সেটি তারা জানে না।