দুবাইয়ে বিমান বিধ্বস্ত,বিমানটির সব আরোহী নিহত হয়েছে !

৫ বছরের এই শিশুটিকে ধর্ষন করে এভাবেই বাশ বাগানে ঝুলিয়ে ফেলে পালিয়ে যায় ধর্ষক। বিস্তারিত আসছে…
কোন হিংস্র পশু ও এমনটা করতে পারে না ৫ বছরের এই শিশুটিকে ধর্ষন করে এভাবেই বাশ বাগানে ফেলে রেখে যায় ধর্ষক।

পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল হাসপাতালে পাঠিয়েছে।এই ঘটনা ঘটেছে পাঁচগাও নামক এলাকায়। কি অপরাধ ছিল এই অসহায় শিশুটির? সংগ্রহীত।
বিস্তারিত আসছে…

আরব আমিরাতে অবৈধ প্রবাসীদের জন্য নতুন ভিসা পদ্ধতি চালু করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত দীর্ঘমেয়াদী ভিসা চাওয়া নন আরব আমিরাত অধিবাসীদের জন্য ছয় মাসের একাধিক-এন্ট্রি অন্তর্বর্তী ভিসা চালু করেছে।

বুধবার সরকার ঘোষণা করে যে দীর্ঘ মেয়াদী ভিসার জন্য যোগ্য এবং বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসকারীরা তাদের বিদ্যমান পারমিটগুলি যদি তারা শর্ত পূরণ করে বিনিয়োগকারী ভিসার কাছে হস্তান্তর করতে পারে তাহলে ভিসা পাওয়ার উপযোগী হবে ।

মন্ত্রিপরিষদ ডিক্রি নং (56) এর অধীনে দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য যোগ্য ব্যক্তি, বিশেষজ্ঞ এবং প্রতিভাধর শিক্ষার্থী – পাঁচ থেকে দশ বছর পর্যন্ত – অন্তর্বর্তী ভিসার “তাদের ক্ষেত্রে সুযোগ সনাক্ত করতে এবং তৈরি করতে পারেন। তাদের পরিবারের জন্য উপযুক্ত সিদ্ধান্ত “, ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি অ্যান্ড সিটিজানশিপ একটি প্রেস বিবৃতিতে এ কথা জানায়বিভিন্ন প্রতিভা ও ব্যবসায়ীরা তাদের কোম্পানিতে কর্মী নিয়োগ দিতে বিভিন্ন শর্তে অবৈধ প্রবাসীদের ভিসা সংশোধন করে কর্মে নিয়োগ দিতে পারবে।।

কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি তার পোর্টালে তিনটি নতুন পরিষেবা চালু করেছে: একজন বিনিয়োগকারীর বাসস্থানের পদ্ধতিগুলি সম্পন্ন করার জন্য একাধিক এন্ট্রি সহ ছয় মাসের ভিসা, উভয় উদ্যোক্তাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদী বাসস্থানের পদ্ধতিগুলি সম্পন্ন করার জন্য একাধিক এন্ট্রি সহ

ছয় মাস ভিসা এবং অসামান্য ছাত্র, এবং প্রতিভাধর ব্যক্তিদের বাসস্থান পদ্ধতি সম্পন্ন করার জন্য একটি একক এন্ট্রি সহ ছয় মাসের ভিসা বাসিন্দাদের আইসিএ পোর্টাল তাদের আবেদন জমা দিতে পারেন।কর্তৃপক্ষ জানায় যে এটি ঘোষণার প্রথম সপ্তাহে দীর্ঘমেয়াদী ভিসার জন্য প্রায় 6,000 অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করেছে।

বিদেশি বিষয়ক ও বন্দর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাঈদ রাকান আল রশিদী বলেন, নতুন সুবিধার জন্য একটি বড় চাহিদা রয়েছে কারণ এটি একটি সুনির্দিষ্ট বিনিয়োগ গন্তব্য হিসাবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আকর্ষণকে বাড়িয়ে তোলে।

চ্যাম্পিয়ন হয়ে যা কিছু পেলেন অধিনায়ক মাশরাফি !

সৌম্য যেদিন খেলবে সেদিন অন্যরা দর্শক হয়ে থাকবে’- সৌম্য সরকারের ওপর এমন বিশ্বাস অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার। সৌম্য করে দেখালেন। প্রমাণ করলেন নিজেকে, সত্যি প্রমাণিত করলেন অধিনায়কের কথা। আর এমন মঞ্চে করলেন যেখানে মাশরাফির হাতে উঠল শিরোপা।

যে শিরোপা পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে বছরের পর বছর! ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রঙিনে পোশাকের দুই ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ছয়টি ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ।কী আশ্চর্য্য, ছয় ফাইনালের একটিতেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রতিটি ফাইনালে দুঃস্বপ্ন ফিরে আসতো প্রেতের মতো, অশরীরী হয়ে। এবার কোনো বাধা মাশরাফির দলের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। এবার স্বপ্নভঙ্গের বেদনায় পোড়েনি বাংলাদেশ।

উৎসবের মঞ্চে উৎসব করল। ‘চ্যাম্পিয়ন’ লেখা বোর্ডের সামনে করল ওয়ালটন ত্রিদেশীয় সিরিজ জয়ের উৎসব। সাত নম্বর দিয়ে ফাইনালের গেরো খুলল বাংলাদেশ।আয়ারল্যান্ডের তিনজাতি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে খেলতে যাওয়ার আগে মাশরাফি বলেছিলেন-‘বিশ্বকাপের জন্য এটা হবে আমাদের প্রস্তুতি।’ তো সেই প্রস্তুতিটা এতোই ভালো হলো যে এখন বিশ্বকাপের মতো কঠিন টুর্নামেন্টকে খুব কঠিন কিছু মনে হচ্ছে না তার।

তবে ট্রফি জয়ের দিনেও বিশ্বকাপ বাস্তবতা ঠিকই মনে করে দিলেন অধিনায়ক- ‘বিশ্বকাপের মাঠের উইকেট হবে আরো রানের উইকেট। সেখানকার কন্ডিশন হবে আরো কঠিন। তবে হ্যাঁ এই টুর্নামেন্ট থেকে আমরা ট্রফি জেতার সঙ্গে যা পেয়েছি তার নাম আত্মবিশ্বাস। বিশ্বকাপের লড়াইয়ে এই আত্মবিশ্বাসটাই আমাদের অনেক কাজে লাগবে।’মাশরাফি জানেন বিশ্বকাপের প্রায় প্রতিটি ম্যাচে সাফল্য পেতে হলে দুটি বিষয় আবশ্যিক। আগে ব্যাটিং করলে স্কোরবোর্ডে বড় সঞ্চয় জমা করতে হবে। আর পরে ব্যাটিং করলে বড় রান তাড়া করে ম্যাচ জিততে হবে।

পরে ব্যাটিং করে ম্যাচ জেতার ভালো অভ্যাসটা অন্তত আয়ারল্যান্ডের এই টুর্নামেন্ট থেকে পেয়ে গেলো বাংলাদেশ। মাশরাফি সেই প্রসঙ্গে বলছিলেন-‘দেখুন যে কোনো টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া সহজ বিষয় নয়। আমরা এবার সেটা করে দেখাতে পেরেছি। পুরো দলের আত্মবিশ্বাস এতে অনেক বাড়বে। তাছাড়া বড় রান করে বাংলাদেশ যে ম্যাচ জিততে পারে, সেই বিশ্বাস, সেই শক্তি আমরা এই টুর্নামেন্ট থেকে নিয়ে যাচ্ছি।’

শুক্রবারের বৃষ্টিবাধায় পড়া ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ১৫২ রান। কিন্তু বৃষ্টিতে ম্যাচের ওভার করে যাওয়ায় ডার্কওয়ার্থ লুইস মেথেড অনুযায়ী বাংলাদেশের টার্গেট বেড়ে যায় অনেক। ২৪ ওভারে করতে হবে ২১০ রান। ওভার প্রতি প্রায় ৮ রানের বেশি। যে কোনো হিসেবে এটা কঠিন টার্গেট।কিন্তু সেই কঠিন টার্গেটই ৫ উইকেট অক্ষত এবং ৭ বল বাকি থাকতেই টপকে যায় বাংলাদেশ। এই ম্যাচ জয়ের কৃতিত্ব দলের সবাইকে ভাগ করে দিলেন অধিনায়ক-‘ব্যাটিংয়ের শুরুটা আমাদের চমৎকার হয়েছে।

সৌম্য মারকুটে ভঙ্গিতে ব্যাট করেছে। মুশফিক ও মিঠুন মাঝে কার্যকর ইনিংস খেলেছে। আর শেষের দিকে মাহমুদউল্লাহ ও মোসাদ্দেক দুর্দান্ত ফিনিশিং দিয়েছে।’শুরু, মাঝে এবং শেষে-ব্যাটিংয়ের তিন স্তরে দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখিয়ে বাংলাদেশ এই ম্যাচ জিতেছে।ট্রফি হাতে নিয়ে বিজয় মঞ্চে উল্লাসের জন্য পুরো দলকে ডেকে নিয়ে এলেন মাশরাফি। ট্রফি উঁচিয়ে জানালেন-ধন্যবাদ দল, এই সাফল্যের আমাদের বড্ড প্রয়োজন ছিলো।

যে কারণে রোজা রাখছেন ভারতের শত শত হিন্দু কারাবন্দিরা

সারাবিশ্বের মুসলিমরাই রমজান মাস এলে সিয়াম সাধনা করেন। যারা কারাবন্দি তারাও রোজা রাখেন।অমুসলিম দেশগুলোতেও কারা কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ধর্মীয় বিধান মেনে রোজা রাখেন মুসলিম বন্দিরা। তাদের জন্য সেভাবেই সেহরি ও ইফতারের ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ।

ভারতও এর ব্যতিক্রম নয়। প্রতি বছরই সেখানকার মুসলিম বন্দিরা স্বাভাবিক নিয়মেই রোজা পালন করেন। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার হলো, ভারতের বিভিন্ন জেলে মুসলমান বন্দিদের সঙ্গে রোজা রাখছেন হিন্দুরাও।মুসলিমদের সঙ্গেই তারা ইফতার ও সেহরি করছেন। এ বছরই যে প্রথম এমনটা হচ্ছে তা নয়। গত কয়েক বছর ধরেই কারাগারে হিন্দু বন্দিরাও রোজা রাখছেন। এ বছর সে সংখ্যাটা সহস্রাধিক বলেই জানা গেছে।

মুসলিমদের সঙ্গে হিন্দুদেরও রোজা রাখার কারণ হিসেবে ধর্মীয় সম্প্রীতিকেই বড় করে দেখা হচ্ছে। এর পাশাপাশি আরও কয়েকটি কারণ বেরিয়ে এসেছে।দিল্লির তিহার কারাগারের একটি সূত্র জানিয়েছে, সেখানে স্বাভাবিকভাবে বন্দিদের খুবই নিম্নমানের খাবার দেওয়া হয়। সেটাও আবার পরিমানে খুব কম। কিন্তু রমজান মাসে রোজাদারদের জন্য থাকে আলাদা ব্যবস্থা। যারা আগে থেকে কর্তৃপক্ষকে জানায় যে তারা রোজা রাখবেন তাদের জন্য কিছুটা ভালোমানের খাবার সরবরাহ করা হয়। সেহরি এবং ইফতারে মোটামুটি ভালো খেতে পান তারা।

তাছাড়া সশ্রম কারাদণ্ড পাওয়া আসামিরা রোজাদার হলে তাদের জেলের ভিতরে কিছুটা কম কাজ করতে হয়। এসব কারণে হিন্দু বন্দিরাও রোজা রাখতে আগ্রহী হচ্ছেন বলে দাবি করছে কয়েকটি সূত্র।অবশ্য সবাই যে শুধু ভালো মানের খাবারের আশাতেই রোজা রাখছেন তা নয়। অনেকে কারাগারে এসে মুসলিম সহবন্দিদের সঙ্গে থেকে ইসলাম ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। বন্দি অবস্থাতেই মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করছেন তারা। অনেকে হয়তো নিজেদের জীবনে একটা পরিবর্তন আনতে ধর্মের মাঝে আশ্রয় খোজার চেষ্টা করছেন।

কারারক্ষীরা বলছেন, শুধু যে হিন্দুরাই রোজা রাখছেন তা নয়। খ্রিস্টান বা অন্য ধর্মের বন্দিরাও এটা করছেন।আবার এমনটাও দেখা যাচ্ছে যে, রোজাদার এবং যারা রোজা রাখেননি তারা মিলেমিশে ভাগাভাগি করে ইফতার ও সেহরি করছেন। ভারতে বর্তমানে যে ধর্মীয় বিভেদ প্রকট আকার ধারণ করেছে, কারাগারগুলোতে তার উল্টো চিত্রই দেখা যাচ্ছে

স্বামী কাঁপাচ্ছেন খেলার মাঠ, স্ত্রী নড়াইল !

মাশরাফি আছেন আয়ারল্যান্ডে। আর স্ত্রী সুমি নড়াইলে। স্বামী কাঁপাচ্ছেন খেলার মাঠ। আর স্ত্রী জমাচ্ছেন মানবতার হাঁট। নড়াইলে এমপি মাশরাফি না থাকলেও স্ত্রী সুমি তো আছেন।

জানা গেছে, নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মর্তুজার স্ত্রী সুমনা হক সুমি একটি ফ্লাইটে যশোর এসে পৌঁছান। সেখান থেকে বাসায় গিয়েই চলে আসেন জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে।

সেখানে জেলা মহিলা যুবলীগের নেত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে নড়াইলের লোহাগড়ায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ওসমান মোল্যার স্ত্রী রুবিয়া বেগমকে চিকিৎসা বাবদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করেন।

এরপর জয়পুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর খাদিজাতুল কোবরা মহিলা এতিম খানা ও মাদরাসায় ইফতার মাহফিলে যোগদান করেন। পরে শহরের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিদ্যালয় ‘আঁধারের জোনাকি’তে বিভিন্ন প্রকার শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন।

এ সময় আওয়ামী লীগ নেতা সুমনা হক সুমির চাচা ফয়জুল হক রোম, আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সৌমেন চন্দ্র বসু, গোবিন্দপুর খাদিজাতুল কোবরা মহিলা এতিম খানা ও মাদরাসার সুপার হাফিজুর রহমান, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রাবেয়া ইউসুফসহ দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

৩৯ বাংলাদেশি নিখোঁজ, ইউরোপে মানবপাচারের হোতা নোয়াখালীর ‘তিন ভাই’ এর চাঞ্চল্যকর তথ্য !

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৯ জন বাংলাদেশি নিখোঁজ ব্যক্তির নাম–পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। যারা লিবিয়া থেকে উন্নত জীবনের আশায় অবৈধ পথে ইতালিতে যাচ্ছিলেন। এরা সবাই মানব পাচার চক্রের খপ্পরে পড়েছিলেন।

আর এই চক্রের হোতা নোয়াখালীর তিন ভাইকে শনাক্ত করা হয়েছে।বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।তিনি বলেন, বেঁচে যাওয়া ১৪ যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জেনেছেন।

অবৈধভাবে ইতালি যাওয়ার পথে ভূমধ্য সাগরে নৌকাডুবির শিকার বাংলাদেশিরা যে মানব পাচার চক্রের খপ্পরে পড়েছিলেন, তার হোতাসহ পাঁচজনের বিষয়ে তথ্য পেয়েছে সরকার।

“জানা গেছে, নোয়াখালীর তিন ভাই এই চক্রের হোতা। মাদারীপুরের আছে আরও দুইজন। তদের বিষয়ে আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।”সন্দেহভাজন ওই মানব পাচারকারীদের নাম পরিচয় প্রকাশ করেননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। তবে এই ব্রিফিংয়ে ৩৯ বাংলাদেশির একটি তালিকা তিনি প্রকাশ করেন, যাদের কোনো খোঁজ এখনও মেলেনি।

সংঘাতময় লিবিয়ার জুয়ারা থেকে অবৈধভাবে ইতালিতে যাওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুটি নৌকায় রওনা হয়েছিলেন দেড় শতাধিক যাত্রী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশিদের পাশাপাশি মিশরের নাগরিক ছিলেন।এর মধ্যে ৫০ জন আরোহী নিয়ে একটি নৌকা তীরে ভিড়তে পারলেও শুক্রবার ভোররাতে তিউনিসিয়া উপকূলে অন্য নৌকার যাত্রীদের ছোট একটি নৌকায় তোলার পর যাত্রীর ভারে তা ডুবে যায়।

তিউনিসিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাস না থাকায় নৌকাডুবির ঘটনার পর প্রতিবেশী লিবিয়া থেকে বাংলাদেশ দূতাবাসের একজন কর্মকর্তাকে তিউনিসিয়ায় পাঠানো হয়।এ এস এম আশরাফুল ইসলাম নামের ওই কর্মকর্তা মঙ্গলবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, নৌকা ডুবির পর যে বাংলাদেশিরা এখনও নিখোঁজ, তাদের লাশ উদ্ধারের সম্ভাবনা ‘খুবই কম’।

এবার সৌদি আরব স্থায়ী বসবাসের সুবিধাসহ বিশেষ আকামা চালু করলো

সৌদি গ্যাজেট জানায়, মঙ্গলবার রাতে জেদ্দায় আল-সালাম প্রাসাদে সৌদি বাদশাহ সালমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে বিশেষ ইকামা আইনটি অনুমোদন পায়। গত বুধবার সৌদি শূরা কাউন্সিল দক্ষ কর্মীদের আকৃষ্ট করতে ঐতিহাসিক বিশেষ আকামা আইনের খসড়া অনুমোদন করে।

এই আইন অনুযায়ি বিশেষ ইকামাধারীরা সৌদি আরবে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পাবেন, পাশাপাশি ব্যবসা করা এবং সম্পত্তির মালিক হওয়ারও সুযোগ পাবেন। একইসঙ্গে তাদের আত্মীয়রা ভিজিট ভিসা পাবে ও গৃহকর্মীও নিয়োগ দিতে পারবেন। অবশ্য তাদের এই আকামার জন্যে বিশেষ ফি দিতে হবে।

এ আকামা দুই ধরণের হবে, একটির মাধ্যমে অনির্দিষ্টকালের জন্যে সৌদি আরবে থাকার সুবিধা পাওয়া যাবে, আরেকটির মাধ্যমে এক বছরের থাকার সুবিধা পাওয়া যাবে যা প্রতিবছর নবায়ন করতে হবে।

তেলসমৃদ্ধ দেশ সৌদিতে বর্তমানে স্পন্সরশিপ ভিত্তিক যে ব্যবস্থা চালু আছে তাতে একজন সৌদি চাকরিদাতা স্পন্সর হতে রাজি হলে তবেই সৌদি আরবে ওয়ার্ক পারমিট নিয়ে বসবাসের সুযোগ হয়।

ওমানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন ৪৯ জন !

ইসলাম শান্তির ধর্ম তাই ওমানে বসবাসরত ৪টি দেশের ৪৯ নাগরিক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। দেশটির মিনিষ্ট্রি অব আওকাফ এণ্ড রিলিজিয়াস অ্যাফেয়ার্স (এমএআরএ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এমএআরএ বলছে, এটা তাদের মন্ত্রণালয়ের প্রচেষ্টার ফলে সম্ভব হয়েছে। ইসলাম ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বিভাগের দপ্তর ইফতা ইসলামের সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছে। জানা গেছে, ওমানে বসবাসরত ১৮ জন উগান্ডার নারী, ১১ ফিলিপিনো পুরুষ ও ৩ নারী, শ্রীলঙ্কার ৫ নারী এবং তানজানিয়ার নারী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

এক্ষেত্রে আওয়াফ ও ধর্মীয় বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ইফতা নামের দপ্তরের ইসলামী ও সাংস্কৃতিক বিনিময় বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ধর্মীয় সচেতনতা বৃদ্ধি, অনুসরণ, এবং নতুন ইসলাম গ্রহণকারীদের বিষয়ে ওই সংস্থাটি কাজ করে থাকে।

স্বামী মালয়েশিয়া, স্ত্রীর সন্তান প্রসব পিতৃপরিচয়ের দাবি প্রধানমন্ত্রীর কাছে।

স্বামী মালয়েশিয়া রাষ্ট্রে চাকরি করার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবেশী ৩ লম্পট এক গৃহবধূকে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের বিষয় প্রকাশ না করার জন্য ভয়ভীতি প্রদান করার এক অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়, ওই ধর্ষণের ঘটনায় গর্ভবতী হওয়া ভিকটিম দোলন খাতুন অবশেষে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে,সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের রেশমবাড়ি গ্রামে। গৃহবধূর স্বামী দীর্ঘদিন প্রবাস জীবনে থাকার পরও গৃহবধূ দোলন খাতুন সন্তান প্রসব করায় প্রধানমন্ত্রীর নিকট তার সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবি জানিয়েছে ওই গৃহবধূ।

গৃহবধু দোলন, তার পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, রেশমবাড়ি গ্রামের মৃতঃ আফসার প্রামনিকের ছেলে ইউনুস আলীর সাথে একই উপজেলার বাড়াবিল গ্রামের মান্নান বিশ্বাসের মেয়ে দোলন খাতুনের ৯/১০ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে নীরব (৮) এবং হাবিব (৫) নামের দুটি পুত্র সন্তান আছে। ইউনুস জীবিকার প্রয়োজনে প্রায় আড়াই বছর হলো মালয়েশিয়া রাষ্ট্রে চাকুরিতে গিয়েছে। ইউনুসের অনুপস্থিতির সুযোগে প্রতিবেশী লিটন মিয়া (২৩),

পিতা- হাজী তয়জাল ফকির, ইয়াছিন (২৫), পিতা- মৃতঃ আফসার প্রামানিক, স্বপন ফকির (২৫), পিতা- মৃতঃ আব্দুর রহমান ফকির এই ৩ লম্পট মিলে গত বছর ২০১৮ সালের ৩০ শে আগস্ট বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাকে জোরপূর্বক নৌকায় তুলে পার্শবর্তী গ্রামে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে দোলন অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে আবার ওই গভীর রাতেই বাড়ি পৌঁছে দেয় প্রতিবেশী ওই ৩ ধর্ষক। এ সময় ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য গৃহবধূকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায় ৩ লম্পট।

একদিকে জীবননাশের হুমকি, অপরদিকে স্বামী বিদেশ থাকা স্ত্রী হিসেবে লোকলজ্জার ভয় এই দুই বিবেচনায় প্রথম পর্যায়ে গৃহবধূ দোলন খাতুন বিষয়টি কাউকেই বললেও মাঝে মাঝেই ওই লম্পটরা নানা কু-কৌশলের জালে ফেলে আরও একাধিক বার দোলনকে ধর্ষণ করে।এক পর্যায়ে বিষয়টি জানাজানি হলেও দোলনের পিতার পরিবার ও স্বামীর পরিবার থেকে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে সামাজিক বিচার প্রার্থনা করা হলেও অসহায় পরিবারটি আজকাল এমন কালক্ষেপণে পড়ে কোন বিচারই পায়নি।

এমতাবস্থায় বিচারের দাবি এবং বিয়ের দাবি নিয়ে দোলন খাতুন একাধিক বার প্রধান ধর্ষক লিটন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান পর্যন্ত করেছে। কিন্তু ধর্ষকরা ও তার পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় ধর্ষিতা কোন বিচার পায়নি।

এক বন্ধুর মৃত্যুর খবর শুনেই আরেক বন্ধুর মৃত্যু !

আক্কাস আলী আর শওকত আলী দুই বন্ধু যেন হরিহর আত্মা। এলাকায় কারো বাদ নেই বিষয়টি জানার। তারপরও চূড়ান্তভাবেই হয়তো জানিয়ে গেলেন তাঁরা সকালের মর্মান্তিক ঘটনার মধ্য দিয়ে।

ট্রাকের ধাক্কায় আহত হয়েছেন আক্কাস আলী। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান বন্ধু শওকত। হাসপাতালে আক্কাসকে রেখে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি।কিন্তু বাড়ি ফেরা আর হলো না তাঁর। কিংবা বাড়ি ফিরে পুনরায় যাওয়া হলো না হাসপাতালে বন্ধুর কাছে।

বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই কানে এলো আক্কাসের মৃত্যু সংবাদ। সেখানেই হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায় শওকতের। এক বন্ধুর মৃত্যুর খবরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আরেক বন্ধু।ঝিনাইদহ সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৯ মে) জোহরের নামাজ পড়তে মসজিদে যাচ্ছিলেন আক্কাস আলী। তিনি রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি ট্রাক ধাক্কা দেয় তাঁকে। মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পান তিনি। তাঁকে প্রথমে ঝিনাইদহ ও পরে ফরিদপুর নেওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মধ্যরাতে মারা যান আক্কাস আলী।

এদিকে, ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আক্কাসকে রেখে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন শওকত। তিনি সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের তেঁতুলতলা বাজারে পৌঁছান। সেখানেই আক্কাসের মৃত্যুর খবর শোনেন। এরপর কোনোরকমে মায়াধরপুর গ্রামের মাঠে পৌঁছালে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান খাঁন জানান, লোকমুখে তিনি এ মৃত্যুর খবর শুনেছেন।