সন্তানকে বীভৎসভাবে মা’ রছে গৃহকর্মী, ক্যামেরায় লাইফ দেখছেন বাবা !

‘বাসায় ফিরে আমার সন্তানকে জড়িয়ে ধরেছি, কোলে তুলে নিয়েছি, অনেক আদর করেছি। কিন্তু অন্য দিনের মতো চিৎকার করে বাবা বাবা করে ডাকে নাই। বাচ্চাটা মা’র আর লাথির ভয়ে এতটাই ভীত হয়ে পড়েছিল যে ‘বাবা’ বলতে যেন ভুলেই গিয়েছিল! আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সেইসঙ্গে আমাদের মতো দম্পতিরা যেন সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হয়। সবাই দোয়া করবেন আমার নিষ্পাপ বাচ্চাটার জন্য’— কথাগুলো বলছেন এক শিশু সন্তানের বাবা।

দুইবছর একটি শিশুকে ৪০ বছর বয়সী গৃহকর্মীর ভয়াবহ নির্যা’ তনের দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। এই ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। টাইমলাইনে ঘুরতে থাকা এ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে— এটিকে অমানবিক, লোমহর্ষক ও বীভৎস ঘটনা বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুরে ওই ঘটনাটি ঘটে। এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মো. আল আমিন সরকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শিশুটির মা লুৎফুন্নাহার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এই দম্পতির একমাত্র শিশু আবদুল্লাহ আবতাই আয়াতের বয়স মাত্র দুই বছর। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরি করায় আয়াত থাকত বাসায় গৃহকর্মীর কাছে।

কিছুদিন ধরেই সন্তানকে দেখে এমনই কিছু একটা আশংকা হয়েছিল বাবার। যে কারণে তিনি দ্রুত নিজের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন। আইপি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ তিনি নিজের স্মার্টফোনেই লাইভ দেখতে পারতেন। যে কারণে নিজের সন্তান চোখে চোখেই থাকত।

অবশেষে এল ১৪ নভেম্বর ২০১৯! অফিসে বসে ভয়ংকর এক দৃশ্য চোখে পড়ল আল আমিন সরকারের। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে গৃহকর্মী দ্বারা সন্তানকে নির্যাতনের দৃশ্য! বাথরুম থেকে ঘরের ভেতর ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওইটুকু শিশুকে একের পর এক লাথি মা’ রতে থাকে সেই গৃহকর্মী!

অতঃপর ক্রন্দনরত শিশুকে সেভাবে ফেলে দিয়েই আবারও নিজের কাজে মন দেয় সে। প্রযুক্তির কল্যাণে অফিসে বসে কলিজার টুকরা সন্তানের ওপর এই ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে চিৎকার করা ছাড়া বাবার তখন কীইবা করার ছিল! সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ছোটেন বাসার দিকে। গৃহকর্মীর হাত থেকে উদ্ধার করেন নিজের সন্তানকে।

এই ঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর রাত সোয়া ৯টার দিকে শাহজাহানপুর থানায় শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) এর ৭০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন আল আমিন সরকার।

অভিযুক্ত গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা আল আমিন সরকার বলেন, ‘আমি একজন অসহায় বাবা, যাকে দেখতে হয়েছে ২ বছরের সন্তানকে বীভৎস মা’ রের দৃশ্য! এই নির্যাতনের দৃশ্য দেখেও কিছু করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছি আমি। দেখা ছাড়া কিছু করার ছিল না আমার!’ (সূত্র: কালের কণ্ঠ)

দুই লাখ টাকা পেয়ে অঝোরে কাঁদলেন কাঙ্গালিনী সুফিয়া

দেশের প্রখ্যাত লোকসঙ্গীত শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হৃদপিণ্ডের জটিলতায় ভূগছিলেন। তাঁর এই অসুস্থতার কথা শুনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রআতিকুল সুফিয়াকে দুই লাখ টাকা সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। রবিবার (১৭ নভেম্বর)মেয়র আতিকুল এই টাকা কাঙ্গালিনী সুফিয়ার হাতে তুলে দেন। এসময় মেয়র আতিকুল বলেন, ‘আমি কাঙ্গালিনী সুফিয়ার অনেক বড় একজন ভক্ত।ছোটবেলা থেকেই তার গানের আমি ভক্ত। অসুস্থতার

খবর শুনে মনে হলো এই গুণী শিল্পীর জন্য আমার এগিয়ে আসা উচিৎ।’কাঙ্গালিনী সুফিয়া প্রায় ৩০টি জাতীয় ও ১০টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন। গান রচনা করেছেন প্রায় ৫০০টি। তার জনপ্রিয় গানের তালিকায় আছে- ‘পরাণের বান্ধব রে, বুড়ি হইলাম তোর কারনে’,‘কোন বা পথে নিতাই গঞ্জে যাই’ ইত্যাদি।

চট্টগ্রামে গ্যাসলাইন বি,স্ফোরণে নি,হত ৬ জনের পরিচয় মিলেছে

চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় ‘বড়ুয়া ভবনে’র গ্যাসলাইনের রাইজার বি,,স্ফোরণে নি,,হত ৬ জনের পরিচয় মিলেছে।তাদের ম,র,দেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এখনও একজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।রোববার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটা ব্রিকফিল্ড রোডে ওই বিস্ফোরণের পর

তাৎক্ষণিকভাবে ৪ জনের মরদেহ শনাক্ত করা গেলেও ৩ জনের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিল না।এর মধ্যে বিকেলে দুই ম,র,দেহের পরিচয় শনাক্ত হয়। এখন বাকি একটি ম,,পরিচয় জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।পরিচয় পাওয়া নি*হ*ত ৬ জন হলেন- পটিয়ার উনাইনপুরা গ্রামের পলাশ বড়ুয়ার স্ত্রী ও পটিয়ার মেহেরআটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা এ্যানি বড়ুয়া (৩৮), চট্টগ্রামআদালতের অ্যাডভোকেট আতাউর রহমানের স্ত্রী ফারজানা বেগম

(৩২) ও তার ছেলে স্কুলছাত্র আতিক (১০), রংমিস্ত্রি নুরুল ইসলাম (৩০), রিকশাচালক আবদুস শুক্কুর (৫০), ভ্যানচালক মো. সেলিম (৪০)।
নগর পুলিশের এডিসি (দক্ষিণ) শাহ্ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ বলেন, নি*হ*ত ৭ জনের মধ্যে ৪ জনের মরদেহ হস্তান্তর করা হলেও বাকি ৩ জনের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিল না। বিকেল৩টার দিকে আবদুস শুক্কুর (৫০) নামে একজনের লাশ শনাক্ত করে তার স্বজনরা। নি*হত আবদুস শুক্কুর পেশায় একজন বিকশাচালক।এ ছাড়া মো. সেলিম (৪০) নামে এক ভ্যানচালকের ম*র*দেহ শনাক্ত করে তার বন্ধু জসিম। সেলিমের বাড়ি কক্সবাজারের মহেশখালী

উপজেলায়। বাকি একটি মরদেহের এখনও পরিচয় মেলেনি।এদিকে গ্যাসলাইনে বি*স্ফো*রণের ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন।এর আগে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন ও সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।বি*স্ফোর*ণের ঘটনার পর চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান জহিরুল আলমদোভাষের নির্দেশে

সিডিএর প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ শাহিনুল ইসলামসহ একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত ভবনটি সিডিএর বিধি অনুযায়ী হয়নি।সড়কের জায়গা দখল করে তৈরি করা হয় সেপটিক ট্যাংক ও তার পাশে কিচেন এবং গ্যাসের রাইজার রাখা ছিল।ফলে সেপটি ট্যাংকের জমে থাকা গ্যাস ও গ্যাসলাইনের লিকেজ একসঙ্গে হয়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে।

ভালোবেসে ২১ বছরের যুবকের সঙ্গে ৭৪ বছরের নারীর সংসার !

কথায় আছে প্রেম মানে না বাঁধা। হাজারো সমস্যা মাথায় নিয়ে এক হওয়ার তীব্র যে বাসনা, তারই নাম ভালোবাসা। আর এই ভালোবাসার জন্যই যুগে যুগে ঘটে চলেছে কতশত ঘটনা। আজকে তেমনই এক ঘটনা জানাবো। গ্যারি-আমলিডা দম্পত্তির ভালোবেসে অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গ্যারির যখন ১৭ বছর বয়স তখনই ৭০ বছরের আমলিডার সঙ্গে তার দেখা হয়। এর পর আলাপ। তার পর সম্পর্ক। দুজনের বয়সের ফারাক ছিল সেই সময় ৫৪ বছর। কিন্তু এই ব্যাপারটা নিয়ে দুজনের কেউই তেমন চিন্তিত ছিলেন না।

চতুর্থ বিবাহবার্ষিকী তাদের। দুজনেই হারিয়ে যান দুজনের চোখে। চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীতে এসে পরস্পরের প্রতি কোনও বিতৃষ্ণা, বিরক্তিভাব নেই। বরং সুখের সংসারে তারা দিব্যি রয়েছেন। ২১ বছর বয়সী গ্যারির স্ত্রীর বয়স ৭৪ বছর। ২০১৫ সালে বিয়ে করেছিলেন তারা। তার পর কখন যে চার বছর কেটে গিয়েছে, টেরই পাননি। সুখে থাকলে বোধ হয় সময়ের হিসাব থাকে না। আর ভালবাসার তো কোনও বয়সই হয় না। বাঁধনহারা ভালবাসায় আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছেন দুজনে। একে অপরের মনের মানুষ। আর কী চাই! সমাজ কী বলল, তাঁদের নিয়ে কানাঘুঁষো হল না, সেসবে দুজনের কেউই পরোয়া করেন না। ওসব নিয়ে ভাবার সময়ই নেই তাঁদের।

ইনস্টাগ্রামে নিজেদের চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীর কথা জানিয়েছেন গ্যারি ও আলমিডা। গ্যারি তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীর জন্য লেখেন, “তোমার সঙ্গে দেখা হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত আমি জানতাম না কাউকে সত্যি এতটা গভীরভাবে ভালবাসা যায়! আমি আর তুমি প্রথম থেকেই তো উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে চলে এসেছি। একসঙ্গে সেসব কাটিয়েছি। তোমার প্রতি আমার ভালবাসা সমুদ্রের থেকেও গভীর। তোমাকে আমি নিঃশর্ত ভালবাসি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এভাবেই তোমার যত্ন নিতে চাই। আমি প্রতিটা দিন কঠিন পরিশ্রম করছি আমাদের স্বপ্ন ও লক্ষ্যগুলো পূরণ হয়। তোমার পাশেই থাকতে চাই।”

ভালবাসা এখানে নিঃশর্ত। ভালবাসার সংজ্ঞাটাই এখানে একেবারে আলাদা। সমাজের চোখরাঙানি যেখানে সম্পর্কে বাধা দিতে পারে না। গ্যারি ও আলমিডা যেন এক নতুন পৃথিবীর বাসিন্দা। যে পৃথিবীতে ধরাবাধা নিয়ম নেই। গ্যারি আর আলমিডা নিজেরাই নিয়ম বানান। নিজেদের ভাল রাখার নিয়ম তারা নিজেরাই ঠিক করে নেন। বয়স সেখানে একটা সংখ্যা। এর বেশি কিছু নয়।

সূত্র: ইয়াহু নিউজ

বু,কফাটা কা,ন্না থামছিল না সাদিয়ার

চট্টগ্রামের পাথরঘাটা এলাকায় গ্যাসের পাইপলাইন বিস্ফোরণে ভবনধসে সাতজন নি,হত হয়েছেন। এ সময় দ,গ্ধ হয়েছেন অন্তত ১০ জন।রোববার সকাল ৯টার দিকে পাথরঘাটা এলাকার ব্রিকফিল্ড রোডে এ বি,স্ফোরণের ঘটনা ঘটে।এদিন সকালে কাজের উদ্দেশে বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন রংমিস্ত্রি নুরুল ইসলাম

(৩১)। ওই সময় পাশের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি।ওই ভবনের দেয়াল ধসে তার ওপর পড়ায় ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।স্বামীর মৃ**ত্যুর খবর পেয়ে
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসেন তার স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা ও স্বজনরা। তারা আহাজারি করতে শুরু করেন।এসময় তাদের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারি হয়ে উঠে।তবে কোনোভাবেই সাদিয়া সুলতানার কান্না থামছিল না।শিশু সন্তানকে কোলে নিয়ে হাউমাউ করে কান্না করছিলেন। মায়ের

সঙ্গে ছোট্ট শিশুটিও কাঁদছিল।এসময় তাদের বুকফাটা কান্নায় আশেপাশের মানুষও তাদের চোখের পানি ধরে রাখতে পারছিল না।নুরুল ইসলামের শ্বশুর সাইফুল ইসলাম জানান, কাজের জন্য বাসা থেকে বের হয়েছিলেন নুরুল। কিন্তু পথেই তার মৃ***ত্যু হয়েছে। এখন মেয়ে কেমন করে বাঁচবে?আড়াই বছর আগে নুরুল ইসলামের বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। নগরের শাহ আমানত সেতু এলাকায় থাকতেন তারা।

অল্পের জন্য রক্ষা পেল নভোএয়ার এয়ারলাইনসের বিমানের ৩৩ যাত্রী

বাংলাদেশের বেসরকারি বিমান পরিবহন সংস্থা নভোএয়ার এয়ারলাইনসের একটি বিমান অবতরণের সময় চাকা ফেটে গেছে। এসময় বিমানে থাকা ৩৩ যাত্রী অল্পের জন্য রক্ষাপেয়েছে। ঘটনাটি রোববার (১৭ নভেম্বর) সকাল পৌনে দশটার দিকে শাহমখদুম বিমানবন্দরে ঘটে।এরআগে রোববার সকাল ৯টায়
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শাহমখদুম বিমানবন্দরে উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে নভোএয়ারের এই বিমানটি।শাহমখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করার

সময় তার পিছনের বাম দিকের একটি চাকা বিকট শব্দে ফেটে যায়।রাজশাহী শাহ মখদুম বিমানবন্দরের অ্যারোডো অফিসার দিলারা বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সকাল ৯টা ৫ মিনিটে রাজশাহীর উদ্দেশ্যেফ্লাইটটি ছেড়ে আসে। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে শাহমখদুম
বিমানবন্দরে রাজশাহীতে অবতরণকরার পর পিছনের বাম দিকে একটি চাকা ফেটে যায়। পরে যাত্রীদের নিরাপদে বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। এ বিষয়ে

জানতে চাইলে শাহমখদুম বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপকসেফাতুর রহমান বিষয়টি এড়িয়ে যান। তবে যাত্রীরা জানান, দুর্ঘটনা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে নভোএয়ারের ফ্লাইটটি।চাকা ফেটে যাওয়ার খবরে রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত নিরাপদে অবতরণে সক্ষম হয় বিমানটি।

রিকশায় ফার্মেসিতে গিয়ে চিকিৎসা নিল আহত হনুমান !

মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি গোত্রীয় প্রাণী ধরা হয় হনুমানকে। এই প্রাণীগুলোর চলাফেরা মানুষের সাথে অনেকাংশেই মিলে যায়। অনেক সময় তারা এমন সব আচরণ করে যা অবাক করবে যে কাউকে। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ৯ টা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের মল্লারপুর স্টেশন চত্বরে দুই পূর্ণবয়স্ক হনুমান নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করে।

এরপর লড়াই করে জখম হয়ে দোকানে গিয়ে চিকিৎসা নেয় একটি হনুমান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আচমকা একটি টোটোয় (অটো গাড়ি) চড়ে বসে জখম হনুমানটি। করুণ চোখে সহযাত্রীদের গায়ে হাত রেখে বোঝানোর চেষ্টা করে সে আক্রমণ করবে না। মল্লারপর স্টেশন থেকে খানিকটা দূরে পঞ্চায়েত ভবনে একটি ওষুধের দোকানের সামনে নেমে পড়ে হনুমানটি।ওষুধ দোকানের মালিক আনাজুল আজিম বলেন, দোকানের সামনে বেঞ্চে বসে অপেক্ষা করছিল হনুমানটি।

দোকানের ভিড় একটু কমতেই লাফ দিয়ে কাউন্টারে উঠে বসে কোমরের নীচে ও শরীরের অন্য অংশে ক্ষতস্থানগুলো দেখায়। আমার হাত ধরে এমন ভাব করে যেন চিকিৎসা চাইছে।ওই দোকানে সেসময় ওষুধ নিতে এসেছিলেন শক্তিপদ মিস্ত্রি নামে স্থানীয় এক যুবক। তিনিও হাত লাগান জখম হনুমানের ক্ষতে মলম ও ব্যান্ডেজ করায়। ওষুধ লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেওয়ার পরেও ক্ষতস্থানগুলি বারবার দেখাতে থাকায় ওই ওষুধ দোকানদারের মনে হয় ব্যথার জন্য হনুমানটি এরকম করছে। কাপে পানি নিয়ে একটি ব্যথা কমার ওষুধও খাওয়ানো হয় তাকে।

সঙ্গে খান চারেক কলা। কিছুক্ষণ বসে থেকে আনাজুলের কাঁধে হাত রেখে দোকানের কাউন্টার থেকে রাস্তায় নেমে ফের একটি স্টেশনগামী অটোতে চড়ে বসে সে।ভারতের বন্যপ্রাণী গবেষক শান্তিনিকেতনের ঈশানচন্দ্র মিশ্র বলেন, ‘যে সব প্রাণী মানুষের কাছাকাছি থাকে তাদের কেউ কেউ মানুষের আচরণ, কার্যকলাপ অনুসরণ করে। হনুমান, বাঁদর বা কুকুরের অনুসরণের ক্ষমতা অনেক বেশি।

মা,রামারি করে র,ক্ত ঝ,রানোর পর চিকিৎসা নিতে ফার্মেসিতে হনুমান

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মল্লারপর স্টেশন এলাকায় বাচ্চাকে মা রধ রের বি চার জানাতে থানায় অ ভিযোগ দেওয়ার পরএবার মারামারি করে ওষুধ নিতে থানায় গেছেন হনুমান। অন্য হনুমানের স ঙ্গে মা রা মা রি করে র ক্ত ঝরানো আরেকটি হনুমান ফার্মেসিতে গিয়ে ওষুধ নিয়ে সবাইকে অবাক করেছে ।
স্টেশনে বসে আ হত হওয়ার পর একটি গাড়িতে উঠে পড়ে হনুমানটি। অন্য যাত্রীদের গায়ে হাত দিয়ে সে বোঝাতে থাকে, আ ক্রমণ করবে না।

ওষুধ দোকানের মালিক আনাজুল আজিম বলেন, ‘দোকানের সামনে বেঞ্চে বসে অপে ক্ষা করছিল হনুমানটি।দোকানের ভিড় একটু কমতেই লাফ দিয়ে কাউন্টারে উঠে কোমরের নিচে ও শরীরের অন্য অংশে ক্ষতস্থানগুলো দেখাতে থাকে। আমার হাত ধরে এমন ভাব করে যেন চিকিৎসা চাইছে।’
দোকানে ওষুধ নিতে এসেছিলেন শক্তিপদ মিস্ত্রি নামে স্থানীয় এক যুবক। তিনিও হাত লাগান জখম হনুমানের ক্ষতে মলম ও ব্যান্ডেজ করায়।ওষুধ লাগিয়ে

ব্যান্ডেজ করে দেওয়ার পরেও ক্ষতস্থানগুলো বারবার দেখাতে থাকায় ওই ওষুধ দোকানদারেরমনে হয় ব্যথার জন্য হনুমানটি এরকম করছে। কাপে পানি নিয়ে একটি ব্যথা কমার ওষুধও খাওয়ানো হয় তাকে। সঙ্গে চারটি কলা।কিছুক্ষণ বসে থেকে আনাজুলের কাঁধে হাত রেখে দোকানের কাউন্টার থেকে রাস্তায় নেমে ফের একটি স্টেশনগামী গাড়িতে চড়ে বসে সে!

বাস চা,পায় মা’রা গেলেন কোরআনে হাফেজ মোজাক্কির হোসেন

মাকে বাড়ী নিয়ে যাওয়া হলোনা মোজাক্কির হোসেনের। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী আইনগাঁও সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে মা মোবাইল ফোনে জানান আইনগাঁও থেকে তাঁকে নিয়েযাওয়ার জন্য। মায়ের কথা মতো একটি সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে আইনগাঁও যান পুত্রমুজাক্কির। সেখান থেকে নিজ বাড়ি

গজনাইপুরের ফিরছিলেন মা-পুত্র। পথিমধ্যে দ্রুতগতির বেপরোয়া অ’জ্ঞাত বাসের চাপায় দুম’ড়ে-মুছ’ড়ে যায় তাদের বহনকারী সিএনজিটি।কিন্তু মা বাড়ি ফিরলেও তাঁর প্রিয় সন্তান হাফেজ মোজাক্কির হোসেন ফিরেছেন লা’শ হয়ে। এ ঘটনায় হ’তভ’ম্ব দিনারপুরবাসী।নবীগঞ্জ উপজে’লার গজনাইপুর ইউনিয়নের গজনাইপুর গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী মোবাশ্বির হোসেনের পুত্র মোজাক্কির হোসেন প্রায় দুই বছর পূর্বে স্থানীয় গজনাইপুর জামেয়া ইস’লামীয়াফুরকানিয়া

মাদ্রাসা থেকে কোরআনে হাফেজ হিসেবে সনদপত্র গ্রহণ করেন। জনতার বাজারে তাঁর একটি লাইব্রেরি ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্য তার ও তার পরিবারের।
শুক্রবার বিকেলে মাকে নিয়ে সিএনজি যোগে বাড়ি ফেরার পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজে’লার জনতার বাজার নামক স্থানে দ্রুতগতির বেপরোয়া অ’জ্ঞাতবাসের চাপায় দু’মড়ে-মুছ’ড়ে যায় তাদের বহনকারী সিএনজিটি। এতে গুরুতর আহ’ত হন হাফেজ মোজাক্কির হোসেন (২২)।

দ্রুত তাকে নেয়া হয় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালের বেডে চিরনিদ্রায় চলে যান হাফেজ মোজাক্কির।এদিকে তাঁর মৃ’ত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে দিনারপুরে নেমে আসে শো’কের ছায়া। রাত সাড়ে৯ টায় মোজাক্কির এর ম’রদেহ নিয়ে লা’শবাহী এ্যাম্বুলেন্স বাড়িতে পৌঁছালে এক
হৃ’দয়বৃ’দারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

এই মাত্র_পাওয়াঃ ভয়াবহ সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৭

চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় একটি বাড়িতে গ্যাস সি**লিন্ডার বি**স্ফোরণ হয়েছে। এ ঘটনায় ৭ জন মা*৮রা গেছেন। দ**গ্ধ হয়েছেন অন্তত ২০ জন।রোববার সকাল ৯টার এ ঘটনা ঘটে। নি**হতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মহসিন ঘটনার সত‌্যতা নিশ্চিত করেছেন।স্থানীয় সূত্রে জানা

যায়, পাথরঘাটা ব্রিকফিল্ড রোডের কুঞ্জমনি ভবনে গ্যাস সি*লিন্ডার বি৮স্ফো*রণ ভবনের একাংশ ভেঙে গেছে।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা কাজ করছে। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।