প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা দাবি, পুড়িয়ে দেয়া হল যুবকের যৌনাঙ্গ !

এক যুবককে প্রেম-বিয়ের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে নিপীড়ণের ঘটনা ঘটেছে। নরসিংদীতে এই ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, রাসেল নামের এক যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে অপহরণকারী চক্রের সাথে জড়িত এক তরুণী। বিয়ের পরই অপহরণ করা হয় রাসেলকে।

পরে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। স্বজনরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রচণ্ড মারধোর করা হয় তাকে। অপহৃত যুবকের যৌনাঙ্গ পুড়িয়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা।

পেটানোর এ ভিডিও তার মাকে পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়। এতে তার মা হার্ট এটাক করে।

পরে, কৌশলে অপহরণকারীদের কাছ থেকে পালিয়ে আসেন ওই যুবক। তিনিই সময় সংবাদকে এ তথ্য ও ভিডিও দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, চক্রের মূল হোতা তার কথিত স্ত্রী মন্টি। প্রতারণার জন্য সে অন্তত ৮/১০টি বিয়ে করেছে।

শুধু শাকিব নয়, সালমানের সঙ্গে কারও তুলনা চলে না: শাবনূর !

অভিনয়শিল্পী ও সংসদ সদস্য ফারুকের বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কদিন বেশ
তোলপাড় চলছে। ইউটিউবে ঘুরতে থাকা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রয়াত নায়ক সালমান
শাহকে নিয়ে ফারুক বলছেন, ‘সালমান শাহ কি এমন? হাজারো সালমান শাহকে বিট করে দিয়েছে শাকিব।’

মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে যে কোনো চরিত্রে দারুণ অভিনয়শৈলী দেখিয়েছেন সালমান। তার অভিনয়গুণে স্থান করে নেন অগণিত দর্শক হৃদয়।

এদিকে সালমান শাহর স্মৃতি নিয়ে কথা বলতেই কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে তার নায়িকা শাবনূরের। স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন। শাবনূর বলেন, অভিনয় জীবনে অনেকে ছিলেন সহশিল্পী।

ঢাকাই সিনেমার একসময়কার নাম্বার ওয়ান এই নায়িকা বলেন, অল্প বয়সে আমার চলচ্চিত্রে

অভিনয় শুরু হয়েছিল। পরিচালক যেভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সেভাবেই কাজ করে গেছি। কাজ ভালো বা মন্দ– কেমন হচ্ছে তা স্পষ্ট করে বলার মতো কাউকে পাশে পাইনি।

সালমান চোখ খুলে দিয়েছেন জানিয়ে শাবনূর বলেন, সালমানের সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ শুরু

করার পর থেকে ভালো-মন্দের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। একে অন্যের অভিনয় নিয়ে যেমন সমালোচনা করতাম, তেমনি অভিনয়ে নিজেকে ভেঙে আরও কতভাবে উপস্থাপন করা যায়, তা নিয়ে পরিকল্পনা করতাম আমরা।

তিনি বলেন,সালমানকে নিয়ে কারও সঙ্গে এখন তুলনা চলে না। তেমন শাকিব খানও তার

জায়গায় সফল। তাকেও কার সঙ্গে তুলনা করলে হবে না। দুজনই আমাদের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক। সালমান শাহর সময়ে সালমান শাহ শাকিবের সময়ে শাকিব।

অবশেষে হদিস মিলেছে বুবলীর !

চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে ৯টি সিনেমায় অভিনয় করে তারকা খ্যাতি পাওয়া শবনম বুবলী

সিনেমা পাড়া থেকে গায়েব। ‘বীর’ সিনেমার শুটিং শেষে দীর্ঘ সময় তাকে দেখা যাচ্ছে না। বুবলী এখন কোথায়? ঢালিউডপাড়া থেকে শুরু করে দেশের সিনেপ্রেমীদের মুখে এখন এই প্রশ্ন।

যদিও বুবলী নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘বীর’ ও ‘ক্যাসিনো’ সিনেমার শুটিং শেষে লম্বা বিরতিতে যাবেন। তবে কেন বিরতিতে যাচ্ছেন তা স্পষ্ট করেননি। আর তার সেই ঘোষণার

প্রেক্ষিতে গুঞ্জন ওঠে, শাকিব খানের সঙ্গে ঘর পেতেছেন বুবলী। তিনি এখন সন্তানসম্ভাবা।

সন্তান জন্মদানের উদ্দেশ্যেই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এজন্যই সিনেমা থেকে আপাতত ছুটি নিয়েছেন তিনি।

তবে এমন গুঞ্জনের সত্যতা মেলেনি এখনো। এ গুঞ্জনের মধ্যেই গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একটি বেসরকারি টেলিভিশন খবর প্রচার করে, অপু বিশ্বাসের পথে হাঁটছেন বুবলী। ২৫ হাজার

মার্কিন ডলার দিয়ে বুবলীকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছেন শাকিব খান। এদিকে ‘বীর’ সিনেমা মুক্তির আগে ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসেননি বুবলী।

তবে বুবলীর পারিবারিক সূত্র জানায়, ইংল্যান্ড, আমেরিকা নয়, বর্তমানে ঢাকার উত্তরার নিজস্ব বাসভবনেই অবস্থান করছেন বুবলী। ব্যক্তিগত কারণে মিডিয়ার ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের

সঙ্গে ছাড়া যোগাযোগ রাখছেন না এ নায়িকা। তাকে নিয়ে মুখরোচক গুঞ্জনের কোনোই সত্যতা নেই।

কেননা কিছুদিন আগে এফডিসিতে বীর’ সিনেমার একটি আইটেম গানের শুটিংয়ে বুবলীর জন্য কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। আইটেম গান হলেও স্বল্প পোশাকে দেখা যায়নি

বুবলীকে। সেক্ষেত্রে সাবলীল পোশাকেই নেচেছেন তিনি। কালো ফুল স্লিভ জামার সঙ্গে ওড়না

দিয়ে শরীর ঢেকে অভিনয় করেছেন। আর প্রতিটি শট শেষ হলেই বুবলী দ্রুতই মেকআপ রুমে ঢুকে পড়েন। আর বাইরে থেকে সেই রুম তালা মেরে দেয়া হয়।

এ বিষয়গুলো নিয়ে বুবলীর ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয় কিন্তু ফোন চালু থাকলেও তা ধরেননি কেউ।

ঢাকা উত্তরে আতিকের বিশাল জয় !

দক্ষিণের মতো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনেও নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম। প্রায় দেড় লাখ ভোটে তিনি হারিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী তাবিথ আওয়ালকে। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সবগুলো কেন্দ্রের ‍ভোট গণনা শেষে তাকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম। আতিকুল ইসলামের প্রাপ্ত ভোট ৩ লাখ ৭০ হাজার ৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত তাবিথ আউয়াল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ১২ হাজার ৫৭৭ ভোট। কারচুপির অভিযোগ তুলে এরই মধ্যে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। প্রতিবাদে রোববার ঢাকায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহ্বান করেছে দলটি।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণ। ঢাকা উত্তর সিটিতে ভোটার ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৫ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ জন এবং নারী ভোটার ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৭০৬ জন। উত্তরে মেয়র পদে ভোটে লড়েন ৬ জন প্রার্থী। তারা হলেন: আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলাম, বিএনপির তাবিথ আউয়াল, সিপিবির সাজেদুল হক, পিডিপির শাহীন খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলে বারী মাসউদ এবং এনপিপির আনিসুর রহমান দেওয়ান।

জাপার একমাএ কাউন্সিলর সেন্টু বিজয়ী হয়েছেন !

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জাতীয় পার্টি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টু ৬০৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত ডেইজি সারোয়ার পেয়েছেন ২০৯১ ভোট।নগরপিতা হিসেবে আতিকুল ইসলামের ওপরই ফের ভরসা রেখেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জনগণ। ‘সবাই মিলে সবার ঢাকা; সুস্থ, সচল আধুনিক ঢাকা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামা বিশিষ্ট এ ব্যবসায়ী তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির
মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

ডিএনসিসি নির্বাচনে মোট এক হাজার ৩১৮টি কেন্দ্রের সবকটির ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী নৌকা প্রতীকের আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১১ ভোট। তার নিকটতম
প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী তাবিথ আউয়াল পেয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৬১ ভোট। রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বেসরকারিভাবে আতিকুল ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করতে ভোট দেয়ার জন্য ঢাকা উত্তরের সকল নাগরিককে ধন্যবাদ
জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষভাবে
ধন্যবাদ জানাচ্ছি ঢাকা উত্তরের সকল নাগরিককে যারা আজ আমাকে ভোট দিয়েছেন।

নতুন নগরপিতা পেল ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন !

বিপুল ভোটে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। এ সিটি করপোরেশনের এক হাজার ১৫০টি কেন্দ্রে নৌকা প্রতীকে তাপস পেয়েছেন ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন পেয়েছেন ২ লাখ ৩৬ হাজার ৫১২ ভোট। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভোটগ্রহণ শেষ হলে সেগুনবাগিচার শিল্পকলা একাডেমি

মিলনায়তনে ৫টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিএসসিসির ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়। ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের যুগ্ম-সচিব ও ডিএসসিসির রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল
বাতেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ফজলে নূর তাপসের প্রতিনিধি। তবে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেনের কোনো প্রতিনিধির দেখা মেলেনি।সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ায় ফজলে নূর তাপসকে বেসরকারিভাবে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করেন ডিএসসিসির রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাতেন। প্রথম দিকে ঘোষিত কিছু কেন্দ্রের ফলাফলে তাপস ও ইশরাকের মধ্যে ব্যবধান বেশি না

থাকলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তা দ্বিগুণ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন তাপস।ফলাফল ঘোষণায় তাপসের জয়ের সুবাতাস ছড়াতেই শিল্পকলা একাডেমিতে জড়ো হন আওয়ামী লীগের সমর্থকরা। ফল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে থাকেন ফুল হাতে আসা তাপসের সমর্থকরা। তাপস-ইশরাক ছাড়াও এ সিটিতে মেয়র পদে নির্বাচন করেছেন জাতীয় পার্টি সমর্থিত হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর রহমান, এনপিপির বাহারানে সুলতান বাহার, গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের আকতারুজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লাহ। তাদের মধ্যে সব কেন্দ্র মিলিয়ে আব্দুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ২২ হাজার ৫৭৬ ভোট,আব্দুস সামাদ সুজন (মাছ) ১০ হাজার ৮৭৬, সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন (লাঙ্গল) চার হাজার ৭৭২, বাহারানে সুলতান বাহার (আম) দুই হাজার ৭০০ ও আক্তারুজামান ওরফে আয়াতুল্লাহ (ডাব) পেয়েছেন দুই হাজার ৬০ ভোট।

এর আগে সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। ইভিএম জটিলতাসহ বিভিন্ন অভিযোগের মধ্য দিয়ে ভোট চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ভোট শেষে দক্ষিণের বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে একে একে ভোটের ফলাফল ও সরঞ্জামাদি নিয়ে এখানে আসতে থাকেন বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসাররা। ভোটগ্রহণ শুরু হলে সকাল ৮টায় ধানমন্ডি কামরুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটদেন শেখ ফজলে নূর তাপস। সকাল ৯টায় গোপীবাগ আর কে মিশন রোডের শহীদ শাহজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন ইশরাক হোসেন। ডিএসসিসিতে মোট ভোটার ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪১ এবং নারী ১১ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫৩। ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা এক হাজার ১৫০। সাধারণ ওয়ার্ড ৭৫ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২৫টি।

বিশাল ভোটে হেরে যা বললেন ইশরাক !

বিএনপির মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন অভিযোগ করেছেন,ডিএসসিসি নির্বাচনে কারচুপির হয়েছে ।তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমরা ৮০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেতাম। শনিবার (০১ ফেব্রুয়ারি) রাতেই রাজধানীর গোপীবাগে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন সাধারণ ভোটারদের ফিংগারপ্রিন্ট নেয়ার পর তাদের ভোট আওয়ামী লীগের কর্মীরা দিয়েছেন। আমাদের পোলিং এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। এ সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ইশরাক।তিনি আরো বলেন, আজ ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার অপকৌশল সৃষ্টি করে একটি জালিয়াতির নির্বাচন করেছে। এত বড় ঐতিহাসিক দল, তাদের নির্বাচনে

জিততে হলে এ ধরনের কৌশল অবলম্বন করতে হয়! এভাবে বেশি দিন লাভ হবে না। শেষমেশ জনগণেরই বিজয় হবে।ইশরাক বলেন, আমি কোনও অভিযোগ দিচ্ছি না। আমি বাস্তবতা তুলে ধরেছি। প্রিন্ট,
ইলেক্ট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই দেখেছেন নির্বাচনে কী হয়েছে। ভোট প্রত্যাখ্যান করার বিষয়টি দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। দল যা সিদ্ধান্ত নেবে, আমি মেনে নেবো।
ভোট কাস্টিংয়ের হার প্রসঙ্গে ইশরাক বলেন, এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সব রাষ্ট্রযন্ত্রকে দলীয়করণ করে ফেলা হয়েছে। অনেক প্রিজাইডিং অফিসারও আমাদের পেছনে পেছনে ঘুরেছেন। তারা বলেছেন, তাদের হাত-পা বাঁধা। আমরা কী করবো?

হেরে গেলেন সেই ডেইজী !

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের আলোচিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলেয়া সারোয়ার ডেইজী হেরে গেছেন।৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডেইজী সারোয়ার পেয়েছেন ২ হাজার ৯১ ভোট। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাতে উত্তর সিটি করপোরশেনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

ঢাকা দক্ষিণে বিশাল জয় তাপসের !

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সর্বশেষ ১১৫০ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ফজলে নূর তাপস এগিয়ে আছেন। তিনি পেয়েছেন ৪২৪৫৯৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ইশরাক হোসেন পেয়েছেন ২৩৬৫১২ ভোট। বিশাল ব্যবধানে বেসরকারি ভাবে জয় পেয়েছেন তাপস ১ লাখ ৮৮০৮৩ ভোটে তিনি জয় পান । শনিবার সকাল ৮টা থেকে একটানা বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট শেষে এখন চলছে গণনা। এবার প্রথমবারের মতো ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হচ্ছে ইভিএম

প্রযুক্তিতে। ঢাকা দক্ষিণে মোট ভোটকেন্দ্র ১১৫০। মোট ভোটার ২৪,৫৩,১৯৪ জন। ইভিএমে ভোট হওয়ায় ফলাফল পাওয়া যাবে অতি দ্রুত। ভোটের ফলাফল গেজেটে আকারে প্রকাশ পর্যন্ত কোনো প্রকার মিছিল, মশাল মিছিল, মোটরসাইকেল মিছিল, শোডাউন করা যাবে না। বাইক বন্ধ থাকবে ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। আর সকল যন্ত্রযান বন্ধ থাকবে ১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। দক্ষিণে মেয়র পদে ৭ জন, ৭৫টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৩৫ জন ও ২৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৮২ জন অর্থাৎ ৪২৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছে। মেয়র পদে সাত প্রার্থী হলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শেখ ফজলে নুর তাপস, বিএনপির ইশরাক হোসেন, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের মো. আবদুর রহমান, এনপিপি’র বাহরানে সুলতান বাহার, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আকতার উজ্জামান ওরফে আয়াতুল্লা ও গণফ্রন্টের আব্দুস সামাদ সুজন।

যত ভোট ব্যবধানে হেরে গেলেন আলোচিত ডেইজি সারোয়ার !

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের আলোচিত কাউন্সিলর প্রার্থী ডেইজি সারোয়ার পরাজিত হয়েছেন। জাতীয় পার্টি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টু ৬০৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রার্থী ডেইজি সারোয়ার পেয়েছেন ২০৯১ ভোট।
শনিবার রাতে উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম এই ফলাফল ঘোষণা করেন।ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের সর্বশেষ ফলাফলকোনোরূপ অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ভোট। মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচনের জন্য আজ সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত

নিরবচ্ছিন্নভাবে ভোট নেওয়া হয় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে। এখন চলছে ভোট গণনা ও ফল ঘোষণা।
এই নির্বাচনে মেয়র পদে জয়-পরাজয় নির্ধারণ হবে মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীদের মধ্যে। এখন পর্যন্ত বেসরকারিভাবে পাওয়া তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণে১১৫০ কেন্দ্রের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১০৭৫ টি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফজলে নুর তাপস পেয়েছেন ৩,৯৯,৬৯৫ ভোট, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক পেয়েছেন ২,১৯,০২৭ ভোট।এ ছাড়া এই সিটিতে জাতীয় পার্টির সাইফুদ্দিন মিলন ৪৭৭২, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামি আন্দোলনের প্রার্থী আবদুর রহমান পেয়েছেন ২২,৫৭৬ ভোট, মাছ প্রতীকে আবদুস ছামাদ সুজন ১০,৮৭৬ ভোট, ডাব প্রতীকে আক্তারুজ্জামান আয়াতুল্লা পেয়েছেন ২,০৬০ ভোট, বাহরাম সুলতান বাহার আম প্রতীকে পেয়েছেন ২,৭০০ ভোট।

অন্যদিকে ঢাকা উত্তরের এখন পর্যন্ত ১৩১৮ কেন্দ্রের মধ্যে ৮১১ কেন্দ্রের ঘোষিত ফলাফলে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ২,৫৯,৯৮৫ ভোট এবং বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল পেয়েছেন ১,৫৯,৩৬১ ভোট। ঢাকা উত্তর সিটিতে মোট সাধারণ ওয়ার্ড ৫৪টি ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড ১৮টি। এই সিটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন। এখানে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১ হাজার ৩১৮টি। দক্ষিণ সিটিতে মোট সাধারণ ওয়ার্ড ৭৫, সংরক্ষিত ওয়ার্ড ২৫। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ২৪ লাখ ৫৩ হাজার ১৯৪ জন। ভোটকেন্দ্র ১ হাজার ১৫০টি। ভোটে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটলেও শুরু থেকেই বিএনপি নানা অভিযোগ করে আসছে। কয়েকটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট কারচুপি, এজেন্ট ঢুকতে না দেওয়া, অন্যের ভোট জোর করে দেওয়ার অভিযোগ করে ১৯৮টি কেন্দ্রে

ভোট স্থগিত চেয়েছে বিএনপি। শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার এবং যুগ্মসচিব বরাবর এক চিঠিতে এই আহ্বান জানায় বিএনপি।অন্যদিকে সব কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়াসহ রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেমের কাছে ৩২টি অভিযোগ দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। শনিবার দুপুর সোয়া ১টায় অভিযোগ নিয়ে আসেন তাবিথের প্রতিনিধি জুলহাস।