প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)’র বিদায় হজ্বের ভাষণ ছিল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ

আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-কে প্রেরণ করেছেন দ্বিন ইসলামকে বিজয়ী ও পূর্ণতা দানেরজন্য। যখন দ্বিন ইসলাম বিজয় ও পূর্ণতা লাভ করে তখন তিনি তাঁর বিদায়ের কথা অনুভব করেন। তাই তিনি হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা)-কে ইয়েমেনের গভর্নর নিযুক্ত করেপ্রেরণকালে বলেছিলেন, ‘হে মুয়াজ, সম্ভবত এ বছরের পর আমার সঙ্গে তোমার আরসাক্ষাৎ হবে না। হয়তো তুমি আমার মসজিদ ও আমার কবরের পাশ দিয়ে গমন করবে।’ মহানবী (সা.)-এর এ কথা শুনে হজরত মুয়াজ (রা.) প্রিয় নবীর বিদায়ের কথা ভেবে কাঁদতে লাগলেন।৮ জিলহজ রাসুলুল্লাহ (সা.) মিনায় অবস্থান করেন এবং ৯ জিলহজ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যা বিদায়হজের ভাষণ হিসেবে সুপরিচিত।আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর ঐতিহাসিক ভাষণঃ১. হে জনতা, আমার কথাগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনো, আমি জানি না, এবারের পর তোমাদের সঙ্গে এ জায়গায় আর একত্র হতে পারব কি না।২. হে মানবমণ্ডলী, স্মরণ রাখো, তোমাদের আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই।তোমাদের আদি পিতা একজন, অনারবদের ওপর আরবদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তদ্রূপ সাদার ওপর কালোর কোনো প্রাধান্য নেই। আল্লাহ ভীতিই শুধু শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার মানদণ্ড।

৩. তোমাদের পরস্পরের রক্ত ও ধন-সম্পদ আজকের দিন, এ মাস এবং এ শহরের মতো পবিত্র।৪. শোনো, জাহেলিয়াতের সব কিছু আমার পদতলে পিষ্ট করা হয়েছে। জাহেলিয়াতের রক্তের দাবিও রহিত করা হলো।৫. জাহেলি যুগের সুদ রহিত করা হলো। আমাদের মধ্যকার প্রথম যে সুদ আমি রহিত করছি তা হলো, আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের সুদ। এখন থেকে সব ধরনের সুদ হারাম করা হলো।৬. স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। কেননা আল্লাহর আমানতস্বরূপ তোমরা তাদের গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর কলেমার মাধ্যমে হালাল করা হয়েছে। তাদের ওপর তোমাদেরঅধিকার রয়েছে যে তারা তোমাদের বিছানায় এমন কাউকে স্থান দেবে না, যাদের তোমরাপছন্দ করো না। তারা এরূপ করলে প্রহার করতে পারো। তবে কঠোর প্রহার করবে না। তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হলো, তোমরা যথাযথ অন্ন-বস্ত্র প্রদান করবে।৭. আমি তোমাদের কাছে এমন দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যা দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব আর অন্যটি হলো আমার সুন্নাহ।
৮. হে জনতা, মনে রেখো, আমার পরে কোনো নবী নেই। তোমাদের পরে কোনো উম্মতনেই। ফলে তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত করবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, রমজানের রোজারাখবে, স্বেচ্ছায় ধন-সম্পদের জাকাত দেবে, আল্লাহর ঘরে হজ করবে,শাসকের আনুগত্য করবে। যদি তোমরা এসব পালন করো, তাহলে তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে (ইবনে মাজাহ)।৯. হে মানবমণ্ডলী, পিতার অপরাধে পুত্র দায়ী হবে না এবং পুত্রের অপরাধে কোনো পিতাকে দায়ী করা হবে না।১০. তোমাদের সঙ্গে আমার সম্পর্কের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হবে। তোমরা তখন কী বলবে?সাহাবায়ে কেরাম প্রত্যুত্তরে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দেব যে আপনি দ্বিনের দাওয়াত দিয়েছেন, আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। মহানবী (সা.) এ কথা শুনে শাহাদাত আঙুল আকাশের দিকে উত্তোলন করে লোকদের দিকে ঝুঁকিয়ে তিনবার বলেন, হে রব, আপনি সাক্ষী থাকুন (সহিহ মুসলিম)।১১. প্রত্যেক মুসলমান ভাই ভাই। তোমরা তোমাদের দাস-দাসী সম্পর্কে সতর্ক থাকবে। তোমরা যা খাবে তাদেরও তা খেতে দেবে। তোমরা যা পরিধান করবে তাদেরও তা পরতে দেবে। তাদের অপরাধ ক্ষমা করে দেবে। শাস্তি দেবে না।১২. হে মানবজাতি, ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে না। কেননা অতীতের অনেক জাতি এ বাড়াবাড়ির কারণে ধ্বংস হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব হবে আমার এ কথাগুলো অনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

এতদিন পর মুখ খুললেন অভিনেত্রী চাঁদনী বিবাহ বি’চ্ছেদ নিয়ে

অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মেহবুবা মাহনূর চাঁদনী। মূলত নাচের মানুষ তিনি। নাটক সিনেমায়
অভিনয় করেও নিজের জাত চিনিয়েছেন। ২০০৮ সালে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে সংসার পাতেন চাঁদনী।২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। তারপর থেকে শোবিজে অনিয়মিত চাঁদনী।অন্যদিকে অভিনেত্রী-উপস্থাপিকা তানিয়া হোসাইনের সঙ্গে নতুন করে ঘর বেঁধেছেন বাপ্পা মজুমদার।গত বছরের শেষের দিকে এ দম্পতির ঘর আলো

করে জন্ম নিয়েছে এক কন্যা সন্তান। তবে চাঁদনী এখনো একা রয়েছেন।চাঁদনী বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের জীবনে কঠিন সময় আসে। সেগুলো অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হয়। সবাই জানেন, আমার জীবনেও তেমন কিছু সময় এসেছে। তবে আমি এখন স্বাধীন। নিজের মতো নিজেকে সময় দিচ্ছি।’বর্তমানে নাচ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাঁদনী। এ নৃত্যশিল্পী বলেন, ‘আগেও বলেছি নাচ আমার প্রথম ভালোবাসা, আমার ধ্যানজ্ঞান। তাই সবকিছুর আগে নাচ নিয়েই বেশি ভাবি।এখন বেশ কিছু নাচের অনুষ্ঠানে সময় দিচ্ছি। কিছুদিন আগে গাজীপুরে একটি শোতে পারফর্ম করেছি। পাশাপাশি আরো কিছু শোতে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

বিয়ের দাবিতে অনশনে প্রেমিকা, পালালেন প্রেমিক

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন শুরু করেছেন এক কলেজছাত্রী। বুধবার (৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নের ফরাদপুর এলাকার প্রেমিক খাইরুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন তিনি।প্রেমিক খাইরুল ইসলাম ওই গ্রামের মৃত এমদাদুল হকের ছেলে।

ভুক্তভোগী ওই কলেজছাত্রী উপজেলার কৃষ্ণবাটি কালিদিঘি গ্রামের বাসিন্দা।তারা দুইজনই রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর প্রেমিক খাইরুল ইসলাম বাড়ি থেকে পালিয়েছেন।ওই কলেজছাত্রী জানান, চার বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক। প্রেমের ফাঁ’’দে ফেলে প্রেমিক খাইরুল তাকে এ’কা’ধিক’বার ধ’’র্ষণ করেছে।সম্প্রতি বিষয়টি পরিবার জেনে যায়। এরপর থেকেই খাইরুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন
তিনি। কিন্তু তাতে রাজি হননি প্রেমিক। বছর দেড়েক আগে তিনি খাইরুলের বাড়িতে গিয়ে তার মা দেলখোস বেগম এবং মামা আব্দুল কাদিরকে বিষয়টি

জানান।ওই সময় তারা বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাড়ি থেকে পাঠিয়ে দেন। এখন সেই সম্পর্ক অস্বীকার করছে প্রেমিক। তার পরিবারও এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে তিনি অনশন শুরু করেছেন। প্রেমিক বিয়ে না করলে আত্মঘাতি হবেন বলেও জানান ওই কলেজছাত্রী।পলাতক থাকায় এ নিয়ে প্রেমিক খাইরুল ইসলামের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার মা দেলখোস বেগম বলেন, তার ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের

প্রেমের সম্পর্ক নেই। তবে একই সঙ্গে পড়ালেখার সুবাদে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব রয়েছে।উপজেলার মাটিকাটা ইউনিয়নে পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আজম তৌহিদ জানান, বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে আলোচনা চলছে। দুই পক্ষই মীমাংসায় রাজি হয়েছে।এ বিষয়ে গোদাগাড়ীর প্রেমতলি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আবদুল বারী জানান, এ নিয়ে ওই কলেজছাত্রী এখনো থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

প্রতি’শো*ধ নিতে এলেই যুক্তরাষ্ট্রের ১০০টি মা’র্কিন স্থাপনা মাটিতে মি*শে যাবে: ই’রান

জেনারেল কা*সেম সো’লাইমনি হ’ত্যা’র পর মঙ্গলবার মধ্যরাতে ই’রাকে মা’র্কিন সে’না ও যৌথ বা’হিনী ব্যবহৃত দু’টি সামরিক ঘাঁটিতে হা’ম’লা করে ই’রান, যার মধ্যে একটি হল আল আসাদে এবং অপরটি হল ইরবিলে।এর আগে জেনারেল কা*সেম সো’লাইমনি হ’ত্যা’র পর প্র*কাশ্যে ই’রানকে হুঁশি’য়ারি

দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।জে*নারেল সো’লাইমানি হ’ত্যা’র ব*দলা হিসাবে কোনো মা’র্কিন না*গরিক বা প্রতিষ্ঠানের উপর হা’ম’লা হলে, আমেরিকা ই’রানের আরও ৫২ জায়গা আ*ক্রমণ করার জন্য চি*হ্নিত করে রেখেছে বলে দা*বি করেছিলেন ট্রাম্প।তবে বুধবার মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে পা*ল্টা

হুঁশি’য়ারি দিয়েছে ই’রান। ই’রানের সেনা’বাহি’নীর বিশেষ সূ*ত্রকে উদ্ধৃত করে ওই টিভি চ্যানেলে বলা হয়,ই’রাকে আরো ১০০টি জায়গা চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে। মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশোধ নিতে এলেই চি*হ্নিত ওই ১০০টি জায়গায় পাল্টা আ*ঘাত হা*নবে ই’রান।

ইরানের পরবর্তী টার্গেট দুবাই ও ইসরায়েল

ইরা’নি কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলেমানির গু’প্তহ’”ত্যার বদলা নিতে ইরাকে মার্কিন সে’নাদের ওপর ক্ষে’পণা’স্ত্র হা’ম”লা চালিয়েছে ইরান। সার্বিক পরিস্থিতিতে তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে চরম উ”ত্তে’জনা বিরাজ করছে।মার্কিন সে’নাদের ওপর চালানো এ হা’মলার জেরে ইরানে পাল্টা

হা’মলা হলে মার্কিন মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও ইসরায়েলের হাইফা শহর ধ্বংসে হা’মলা চালানো হবে বলে হু’ম”কি দিয়েছে ইরানের বি’প্লবী প্রতির’ক্ষা বাহি’নী (আইআরজিসি)।বুধবার (৮ জানুয়ারি) ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষে’পণা’স্ত্র হা’মলার পর নিজেদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে এ হুঁ”শিয়ারি জানিয়েছে আইআরজিসি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে এ তথ্য জানা যায়।ওই বার্তায় আইআরজিসি জানায়, ইরানের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের হা’মলা হলে

দুবাই ও হাইফায় ব্যাপক হা’মলা চালানো হবে।শুধু তাই নয়, ইরানে কোনো রকম হা’মলা চালাতে যে দেশ মার্কিনিদের জায়গা দেবে, তাদের ওপরেও হামলা চালানো হবে বলে হুঁ”শিয়ারি দেয় বি’প্লবী প্রতির’ক্ষা বাহি’নী।আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, ইরাকে মার্কিন সে’নাদের ওপর হা’মলা ছিল সোলেমানি হ’ত্যা”র বদলায় কেবলই প্রথম ধাপ। মার্কিন সে’নাদের ছাড়া হবে না। মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সে’না প্রত্যাহার করা না হলে

তারা আরও হা’মলার শিকার হবে বলে হু’মকি দেয় তারা।এদিকে এদিন এক টুইট বার্তায় ইরা’নি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির অন্যতম উপদেষ্টা হেসামউদ্দিন আশেনা জানান, (ইরানের ক্ষে’পণা’স্ত্র হাম’লার প্রতিক্রিয়ায়) যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো সামরিক পদক্ষেপকে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে সর্বাত্মক যুদ্ধ দিয়ে মোকাবেলা করা হবে।’

ইরাক থেকে জার্মানি ও ক্রোয়েশিয়ার সেনা প্র*ত্যাহার, বড় ধা*ক্কা খেল ট্রাম্প!

ইরাক থেকে জার্মানি ও ক্রোয়েশিয়ার সেনা প্র*ত্যাহার, বড় ধা*ক্কা খেল ট্রাম্প! মার্কিন হা’মলায় ইরানি জেনারেল কাসেম সোলেইমানি নিহ’তের ঘ*টনায় ইরাক থেকে সে*না প্র’ত্যা’হার করলো ক্রোয়েশিয়া, জার্মানিও সেনা সরিয়ে নেয়ার সি*দ্ধান্ত নিয়েছে। আলজাজিরা জানা যায়, ক্রোয়েশিয়ার প্রতির*ক্ষা মন্ত্রণালয়

দেশটির ১৪ সেনাসদস্যকে কুয়েতে সরিয়ে নিয়েছে। একইভাবে বাগদাদে মোতায়েন জার্মান সেনার এক-চতুর্থাংশ সরিয়ে নেয়া হবে প্রথম দ’ফায়। ইরাক থেকে তাদের কুয়েত ও জর্ডানে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। জ’ঙ্গিগো’ষ্ঠী আইএস নি’ধনে যুক্তরাষ্ট্রসহ ন্যাটোভুক্ত পশ্চিমা দেশগুলো ইরাকে এসব সেনা পাঠিয়েছিলো।সোলেইমানি হ’ত্যার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে মার্কিন সেনা প্র’ত্যাহা’রের দাবি ওঠে। এ বিষয়ে একটি প্রস্তাবও

পাস হয় ইরাকি পার্লামেন্ট। এরপরই ক্রোয়েশিয়া ও জার্মানি ইরাক থেকে সেনা প্র’ত্যাহা’রের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস বলেন, ইরাক সরকার ও দেশটির পার্লামেন্ট চেয়েছিল বলেই সেখানে আমরা সেনা পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সেই প্রয়োজন যদি ইরাক সরকারের আর না থাকে তাহলে সেখানে আমাদের সেনা অবস্থানের আর কোনও আ’ইনি ভি’ত্তি থাকে না।আ’ইএস’বিরো’ধী অ’ভিযানে ইরাকে ৪১৫ জন সেনা পাঠিয়েছিলো জার্মানি।

বার্লিনে জার্মানিরপররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বাগদাদ থেকে প্রথম দ’ফায় ৩০ জন সেনাকে দেশে ফিরিয়ে নেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও প্র’ত্যাহার করা হবে।

আরব আমিরাতের সকল প্রবাসীদের নতুন ভিসা সংশোধন সংক্রাত বিশেষ ঘোষণা !

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশরত সকল প্রবাসীদের ‘চাকরি খোঁজার’ সাথে সাথে তাদের ভিসার বৈধতার দিকে নজর দেওয়ার জন্য আরব আমিরের পরিচয় পত্র ও নাগরিকত্বের ফেডারেল অথরিটি স*তর্ক বার্তা দিয়েছে ।আরব আমিরাতে ইমেগ্রশন কর্তৃপক্ষ প্রবেশাধিকার এবং বাসস্থানের বিধান আইন অনুযায়ী

তাদের ভিসার মেয়াদ সংশো*ধন করে আইন লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে অস্থায়ী ছয় মাস থাকার ভিসার জন্য স্পনসর প্রয়োজন নেই এবং এটি ব্যতিক্রম বা এক্সটেনশন সাপেক্ষে ও নয়।যারা অস্থায়ী ভিসা পেয়েছেন তাদের সকলকে স্পনসর অধীনে তাদের বাসস্থান হস্তান্তর এবং ভিসা রিনিউ করা উচিত অথবা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দেশ ছেড়ে দেওয়া উচিত তা না হলে জরিমানা অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং এর

ফলে কারা নির্বাসন ও হতে পারে।কর্তৃপক্ষের পররাষ্ট্র বিষয়ক ও বন্দর মহাপরিচালক সৈয়দ রাকান আল রশিদী বলেন, এই ভিসার প্রবর্তন দেশের আইনসম্মত নেতৃত্বের নির্দেশনার কাঠামোর মধ্যেই এসেছে যাতে জনগণ আইনত ভাবে দেশে থাকতে পারে। হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমআইরিটিজেশন মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘চাকরি খোঁজার উদ্যোগ’ তৈরি করা হয়েছিল।আল রশিদী আরও বলেছেন যে চাকরি খোঁজার ভিসার অধীন লঙ্ঘনকারীরাও

রেসিডেন্সি ভিসার লঙ্ঘনকারীদের মতো একই আচরণ করবে। ছয় মাসের ভিসা মেয়াদ শেষ হলে প্রথম দিনের জন্য ১০০ দিরহাম জরিমানা করা হবে, এবং পরবর্তী প্রতি দিনের জন্য ২৫ দিরহাম করে জরিমানা করা হবে। ভিসার আইন মেনে চলার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান যে তারা ভিসার মেয়াদ না বাড়িয়ে চাকরি নিশ্চিত করতে পারবে না।আল রাশিদী উল্লেখ করেছেন যে এই ভিসা থাকা অবস্থায় দেশটিতে থাকতে সক্ষম হয়ে আইনী চাকরি পেতে

পারেন। তিনি নাগরিকদের, বাসিন্দাদের, এবং বিনিয়োগকারীদেরকে এই ভিসাধারী নিয়োগের আগে তাদের স্পনসরশিপের অধীনে স্থানান্তরিত করার বিষয়ে নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানান, অন্যথায় তারা 50,000 এর জরিমানা ভোগ করবে।তিনি জরিমানা, জেল এবং নির্বাসনের সহিত জড়িত থাকা ব্যক্তিদের নিবিড় অনুসন্ধান এবং প্রসিকিউশন প্রচারণা সংগঠিত করে লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেবেন।

যে ভাবে ধ’রা প*ড়ে ঢাবি ছাত্রীর স’র্ব’নাশকারী মজনু

সম্প্রতি ধ’র্ষ’ণে’র শি*কার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ছাত্রীর মোবাইল বিক্রির টাকা নিতে এসে ধ*রা প*ড়ে মজনু। আজ ৮ জানুয়ারি বুধবার ভোরে শেওড়া রেলক্র*সিং এলাকায় অ*ভিযান চা*লিয়ে তাকে গ্রে’ফ’তার করা হয়।এ ব্যা*পারে র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন-কাশেম জানান,

গ্রে*ফতার ধ’র্ষ’কের মজনুর বাড়ি নোয়াখালীর হাতিয়ায়।সে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় ব*সবাস করতো। কখনো কুর্মিটোলা এলাকার পরিত্যক্ত ট্রেনের কা*মরায়ও থাকতো। মাঝে মাঝে হ*কারি করে পোশাক বি*ক্রির কাজ করতো।এদিকে স্ত্রী মা’রা যাওয়ার পর আর বিয়ে করেনি মজনু। এরপর থেকেই ভি*ক্ষুক ও প্রতিব*ন্ধীদের ধ’র্ষ’ণ করতো সে। প্রতিব*ন্ধী না*রীরাই মজনুর টা*র্গেট ছিল।এ সময় তিনি আরো জানান, অরুনা বিশ্বাস নামে এক নারীর কাছে ঢাবি ছাত্রীর

মোবাইল বি*ক্রি করে মজনু। সেই টাকা নিতে এসেই গ্রে*ফতার হয় সে।এ ব্যা*পারে লে. কর্নেল সারোয়ার বিন-কাশেম বলেন, ‘মজনুর ছবি ওই ছাত্রীকে দেখানো হয়েছে।তিনি তাকে ধ’র্ষ’ক বলে শনা*ক্ত করেছেন। ধ’র্ষ’ক মজনুও জি*জ্ঞাসাবাদে অ*পরাধের দা*য় স্বী*কার করেছে।’

ই’রানে ফের হা’ম’লা হলে যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু দুবাই-ইসরায়েলকে উ*ড়িয়ে দেব: ই’রান

ই’রানি কু*দস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কা*সেম সো’লেমানির গুপ্ত’হ’ত্যা’র ব*দলা নিতে ই’রাকে মার্কিন সে’নাদের ওপর ক্ষে’প’ণা’স্ত্র হা’ম’লা চা*লিয়েছে ই’রান।সার্বিক প*রিস্থিতিতে তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে চ*রম উ’ত্তেজনা বি*রাজ করছে। মা’র্কিন সে’নাদের ওপর চা*লানো এ হা’ম’লার জেরে ই’রানে পা*ল্টা

হা’ম’লা হলে মা’র্কিন মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ও ইসরায়েলের হাইফা শহর ধ্বং’সে হা’ম’লা চা*লানো হ*বে বলে হু’মকি দিয়েছে ই’রানের বিপ্ল*বী প্রতির*ক্ষা বা’হিনী (আ*ইআ*রজি*সি)।বুধবার (৮ জানুয়ারি) ই*রাকের মার্কিন ঘাঁ*টিতে ক্ষে*পণা*স্ত্র হা’ম’লার পর নিজেদের টে*লিগ্রাম চ্যানেলে এ হুঁ*শিয়ারি জানিয়েছে আ*ইআ*রজি*সি। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে এ তথ্য জানা যায়।ওই বার্তায় আইআরজিসি জানায়, ই’রানের ভূখ*ণ্ডে কোনো ধ*রনের হা’ম’লা

হলে দুবাই ও হা*ইফায় ব্যা*পক হা’ম’লা চালানো হবে। শুধু তাই নয়, ই’রানে কোনো র*কম হা’ম’লা চা*লাতে যে দেশ মা’র্কিনিদের জায়*গা দেবে, তাদের ওপরেও হা’ম’লা চা*লানো হবে বলে হুঁ*শিয়ারি দেয় বিপ্ল*বী প্রতির*ক্ষা বা’হিনী।

আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশি হিসেবে স্থায়ী আবাসনের গোল্ডেন ভিসা পেলেন মাহতাবুর রহমান !

প্রবাসী বাংলাদেশি হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থায়ী আবাসনের জন্য প্রথম বারের মত ’গোল্ডেন ভিসা’ পেলেন মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান।
তিনি এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান, দুবাইয়ে বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং হারামাইন গ্রুপ অব কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপণা পরিচালক।

এক বিবৃতিতে হারামাইন গ্রুপ এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এটি তাদের জন্য একটি বড় ধরনের সুখবর। এটি ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতে হারামাইন গ্রুপের ৩৮ বছর উদযাপনকালীন সময়। বিশ্বব্যাপী ব্যবসা এবং বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসারের সঙ্গে বহুদিন ধরেই সম্পৃক্ত মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান। সুগন্ধি, ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, চা এবং আতিথেয়তার মতো বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্যে কাজ করছেন এই প্রবাসী বাংলাদেশি।

মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম সুগন্ধীর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান তার আল হারামাইন পারফিউম গ্রুপ। এছাড়া আল হারামাইন টি কো. লি. এবং আল হারামাইন হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেডও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে। গোল্ডেন ভিসার মতো এই বিশেষ স্বীকৃতি পাওয়ায় আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ খলিফা বিন জায়েদ আল নাহিয়ান, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম, আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মাহতাবুর রহমান।

তিনি বলেন, এই উল্লেখযোগ্য সম্মানিত ব্যক্তিদের নেতৃত্বে আরব আমিরাত শুধু আমিরাতের নাগরিকদের জন্যই নয় বরং দুইশর বেশি দেশের নাগরিকদের কাছে সৌভাগ্যের একটি দেশে পরিণত হয়েছে। এই দেশকে অনেক প্রবাসীই নিজেদের দেশ মনে করেন। তিনি উল্লেখ করে বলেন, আমি এই গোল্ড কার্ডটি পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে গর্বিত এবং আমার দেশের জন্য সম্মানের। এ ধরনের সম্মান আমাদের আমিরাতে অর্থনীতি প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরব আমিরত সরকারকে এই অর্থনৈতিক সুযোগ ও সম্মান প্রদানের জন্য কৃতজ্ঞতা পোষণ করেন।

মাহতাবুর রহমান নাসির ব্যাক্তিগত ভাবে দেশে ও দেশের বাইরে বহু খ্যাতি প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই গ্রামের অধিবাসী। সম্প্রতি তিনি সিআইপি (এনআরবি) এসোসিয়েশন এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।