ভারতে পালানোর সময় আবরার হ’ত্যার আরেক আ*সামি সাদাত গ্রে*ফতার

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পি’টিয়ে হ’ত্যার ঘ*টনায় দা*য়ের করা মা*মলার এ*জাহা*রভু*ক্ত আ*সামি এ এস এম নাজমুস সাদাতকে গ্রে*ফতার করেছে ঢাকা মহানগর গো*য়েন্দা পুলিশ। ঘ*টনার পর থেকে তিনি প*লাতক ছিলেন। গ্রে*ফতার এ*ড়া*নোর জন্য তিনি দিনাজপুর

জেলার হিলি সী*মান্ত দিয়ে ভারতে পা*লানোর চে*ষ্টা করছিলেন।
বিষয়টি নি*শ্চিত করে ডিএমপির মিডিয়া অ্যা*ন্ড পা*বলিক রিলেশন্স বিভাগের ডিসি মাসুদুর রহমান জানান, দিনাজপুরের বিরামপুর থানার কাটলা বাজার এলাকা থেকে সোমবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে গ্রে*ফতার করা হয়।

নাজমুস সাদাত বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। তিনি জয়পুরহাটের কালাই থানার কালাই উত্তরপারার হাফিজুর রহমানের ছেলে।

ঢাকা ছাড়ছেন আবরারের ছোট ভাই ফায়াজ

ঢাকায় পড়তে চান না আবরার ফাহাদের ছোট ভাই ফায়াজ। ঢাকা কলেজ থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন কুষ্টিয়া সরকারি কলেছে ভর্তি হওয়ার জন্য। আজ মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকা কলেজ থেকে ছাড়পত্র নেন ফায়াজ। তিনি ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণিতে পড়ছিলেন।
কেন এমন সিদ্ধান্ত সেই প্রশ্নের জবাবে গণমাধ্যমকর্মীদের ফায়াজ বলেন, ভাইকে হারিয়ে আমি একা হয়ে পড়েছি। ঢাকায় থাকার এখন কোনো মানে হয় না।

তিনি বলেন, ‘ফাহাদ ভাই আমার অভিভাবক ছিলেন। আমাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে যে সম্পর্কটি ছিল তা এক কথায় প্রকাশ করা যাবে না। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্ক এমন ছিল যে মা–বাবার কথা তেমন মনেই হতো না। আর সেই ভাই এখন নেই। কার জন্য তা হলে ঢাকায় পড়ে থাকব। বড় ভাইকে হারিয়ে মা-বাবা এমনিতেই দিশেহারা। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি ঢাকা আর না, কুষ্টিয়াতে পড়াশোনা করব। এটিই পরিকল্পনা।’
প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ায় খুন হন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে।

ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে গত ৫ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ।
এর জের ধরে পর দিন ৬ অক্টোবর রাতে শেরেবাংলা হলের নিজের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে তাকে ডেকে নিয়ে ২০১১ নম্বর কক্ষে বেধড়ক পেটানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পিটুনির সময় নিহত আবরারকে ‘শিবিরকর্মী’ হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চালায় খুনিরা।

৪ তলা ভবনের ছাদ থেকে সন্তানকে ফেলে দিলেন মা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আশফাক জামান জাহিন নামে আড়াই বছরের নিজের শিশু ছেলেকে চার তলা বাড়ির ছাদ থেকে ফেলে দিয়ে হ*ত্যা করেছে মা*নসিক ভা*রসা*ম্যহীন মা। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পাগলা পশ্চিম নন্দলালপুর এলাকার আমানউল্লাহ প্রধানের বাড়িতে এ ঘ*টনা ঘটে। তবে পরিবারের অন্য

সদস্যরা বিষয়টি ধা*মাচা*পা দে*য়ার চে*ষ্টা করে। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে পুলিশ খবর পেয়ে রোকসানা আক্তারকে গ্রে*ফতার করে।
ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, ফতুল্লার পাগলা পশ্চিম নন্দলালপুর আমানউল্লাহ প্রধানের বাড়িতে খন্দকার নুরুজ্জামান মারুফ তার স্ত্রী রোকসানা আক্তার, দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ভাড়া থাকেন। তাদের মধ্যে রোকসানা আক্তার মা*নসিক ভা*রসা*ম্যহীন রো*গী বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানিয়েছেন।

সন্ধ্যার সময় ৪ তলা বাড়ির ছাদ থেকে শিশু জাহিনকে তার মা রোকসানা আক্তার (২৮) ফেলে দেন। তাৎক্ষণিক বিষয়টি জানতে পেরে পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ক*র্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃ*ত ঘো*ষণা করে।

সিস্টেমটাই আমাদের এমন নি ষ্ঠুর বানিয়েছে: বললেন অনীক

সিনিয়র জুনিয়র যে-ই হোক, আমরা তাদের এভাবে পেটাতাম। আবরার মা রা গেছে দুর্ঘ টনাক্রমে।
আমাদের মতের সঙ্গে না মিললে কাউকে পি টিয়ে বের করে দিতে পারলে ছাত্রলীগের হাই ক মান্ড আমাদের প্রশংসা করত। সিস্টেমটাই আমাদের এমন নি ষ্ঠুর বানিয়েছে।

বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হ ত্যার ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমনটি জানিয়েছেন গ্রে ফতার অনীক সরকার।

আদালত সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১২ অক্টোবর) বুয়েট ছাত্রলীগের বহি ষ্কৃত তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অনীক স্বী কারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
তাতে দেখা যায়, আবরারের মৃ ত্যুর জন্য নিজেকে দায়ী মনে করছেন তিনি। তবে আবরারকে হ ত্যা করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না সে কথাও জানান অনীক।

আদালতে স্বীকারোক্তি দেয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়ে অনীক বলেন, আবরারের মৃ ত্যুর জন্য সবাই আমাকে দো ষ দিচ্ছে। কিন্তু আমি তো শুধু সিনিয়রদের নির্দেশনামতো কাজ করছিলাম।
সিনিয়ররা আমাকে ভয়ও দেখাচ্ছিল, ব্যর্থ হলে আমাকে এর ফল বহন করতে হবে। বুয়েটে ছাত্রলীগ এভাবেই কাজ করে।

বুয়েট ছাত্রীগের বহি ষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান রাসেল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদি হাসান রবিনকে এজন্য দায়ী করলেন অনীক। তিনি বললেন, আমি তো এমন ছিলাম না।
নটর ডে ম থেকে যখন বুয়েটে পড়তে আসি তখন খুব হাসিখুশি ছিলাম। জানি না কীভাবে এমন হয়ে গেলাম।

উল্লেখ্য, শনিবার (৫ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবরার ফাহাদ বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যকার চুক্তি নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন।
স্ট্যা টাসের কারণ জানতে রাত আটটার দিকে শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষ থেকে আবরার ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

এরপর শেরে বাংলা হলের ২০১১ নম্বর রুমে নিয়ে আবরারকে বেধরক পে টানো হয়। শনিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে শেরেবাংলা হলে একতলায় এবং দ্বিতীয় তলার মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় আবরার ফাহাদের নিথ রদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
হ ত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনকে গ্রে প্তার করা হয়। এর মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৫ জন রয়েছেন। পুলি শের তদন্তে নাম আসায় বাকি চারজনকে গ্রে প্তার করা হয়েছে।

সুনামগঞ্জে বী*ভৎ সভাবে শিশু হ’ত্যায় বাবা-চাচা আ*টক

সুনামগঞ্জে বী*ভৎসভা*বে পাঁচ বছরের শিশু তুহিন মিয়াকে হ’ত্যার ঘ*টনায় তার বাবা ও চাচাসহ সাত স্বজনকে আ*টক করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে তাদের আ*টক করে থা’নায় নিয়ে যাওয়া হয়। নিহত তুহিন উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের গচিয়া কেজাউড়া গ্রামের আটককৃত বছির মিয়ার ছেলে।
আট*ককৃ*ত অন্য স্বজনরা হলেন তুহিনের চাচা আব্দুল মছব্বির, জমশেদ মিয়া, নাসির মিয়া, জাকিরুল এবং চাচি ও চাচাতো বোন। সুনামগঞ্জের পুলিশ

সুপার মিজানুর রহমান বলেন, আটক সাতজনকে জি*জ্ঞাসা*বাদ করা হচ্ছে। সন্দে*হজনক কিছু মনে না হলে তাদের ছে*ড়ে দেয়া হবে।
এর আগে সকালে দিরাইয়ে পেটের মধ্যে দুটি ছু’রি ঢু’*কানো অ*বস্থায় গাছে ঝু’লে ছিল তুহিনের লা’শ। তার ডান হাতটি গ’লার স’ঙ্গে থাকা রশির ভেতরে ঢু’কানো ছিল। বাম হাতটি ঝু’লে ছিল লা’শের স’ঙ্গে। কে’টে নেওয়া হয়েছে শিশুটির কা’ন ও লি’ঙ্গ। সকাল ১০টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ তার ম’রদেহ উ’দ্ধার করে দুপুরে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল ম’র্গে পাঠায়।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউরা গ্রামের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নি’হত তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরের আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এমন নৃ’শং’স ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের ধারণা। তুহিনের পে’টে যে ছু’রিটি বি’দ্ধ ছিল সেখানে দুই ব্যক্তির নাম লেখা রয়েছে। তারা ওই গ্রামের বাসিন্দা ছালাতুল ও সোলেমান। তারা আনোয়ার মেম্বারের লোক।

শিল্পী সমিতিতে নায়িকা মৌসুমীকে চরম অ,পমান

দেশের নন্দিত চিত্রনায়িকা প্রিয়দর্শিনী মৌসুমী শিল্পী সমিতিতে অপমানিত হয়েছেন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় বিএফডিসিতে খল অভিনেতা ড্যানিরাজ
এই নায়িকার সঙ্গে ত*র্কে জ*ড়ান। একপর্যায়ে মৌসুমীকে তিনি ধা*ক্কা মা*রেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত ৮টা অব্দি বিএফডিসিতে উত্তেজনা বিরাজ করে।

আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। নায়িকা মৌসুমী এবার সভাপতি পদে প্রার্থী। সোমবার বিকেলে মৌসুমীকে শুভেচ্ছা জানাতে শিল্পী সমিতিতে

আসেন তার কয়েকজন ভক্ত। এসময় শিল্পী সমিতিতে তাদের প্রবেশ নিয়ে ড্যানিরাজ অশালীন ভাষায় চিৎকার চেচামেচি করেন। একপর্যায়ে তিনি মৌসুমীকে ধাক্কাও মারেন।এসময় ঘটনাস্থলে মিশা সওদাগর, জয়সহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
মৌসুমী ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি প্রচারণার জন্য এফডিসিতে ছিলাম। আমাকে শুভ কামনা জানাতে আমার এক বড় আপা এবং কয়েকজন ভক্ত ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে এফডিসিতে আসেন।

তারা সমিতিতে আমার সাথে সেলফি তুলে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ঠিক ওই সময় ড্যানিরাজ ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। আমার ভক্তদের সাথে বাজে ব্যবহার করেন। তাদের সামনে আমাকে অপমান করেন। আঙুল তুলে আমাকে বলেন, ‘হু আর ইউ?’

তারা চাইছে একটা ঝামেলা বাধাতে। যেন নির্বাচন বানচাল হয়ে যায়। আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াই। এ সময় সভাপতি মিশা সওদাগরও উপস্থিত ছিলেন। তিনি কিছুই বলেননি।

ক্ষোভ নিয়ে মৌসুমী বলেন, ‘এতদিন ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করে একজন শিল্পীর কাছ থেকে এ ধরনের ব্যবহার আশাই করা যায় না।’
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ইলিয়াস কোবরা বলেন, ‘যে কেউ যে কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে আসতেই পারে।

কেউ যদি আমাকে এফডিসিতে ফুল দিয়ে নির্বাচনের জন্য শুভেচ্ছা জানাতে আসে আমি মনে করি সেটা আমার জন্য গর্বের ব্যাপার। সেখানে অন্যজন কেন আপত্তি জানাবে বা এ নিয়ে ঝগড়া-অপমান করবে।
ড্যানিরাজের এ আচরণ করার তো কোনো যুক্তিই দেখি না। কারণ সে নির্বাচন করছে না। সে কেন মৌসুমীর মতো অভিনেত্রীকে অপমান করবে?

আমার মনে হয় সে মৌসুমীর অপজিট প্যানেলের সমর্থক। তাই এমনটা করেছে। আমি লজ্জিত মৌসুমীর সাথে এমন ঘটনা ঘটায়।
এদিকে মৌসুমীকে ধাক্কা দেয়ার বিষয়টি মিথ্যা বলে দাবি করেন সমিতির বর্তমান সভাপতি মিশা সওদাগর। তিনি বলেন, ‘এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। কিছু লোক অনেকক্ষণ ধরে সমিতিতে এসে বসেছিলেন।

এটা নিয়েই কিছুটা বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। আমার সামনে কোনো ধাক্কা দেয়ার ঘটনা ঘটেনি। তবে মৌসুমীকে ‘আপনি কে?’ এমন প্রশ্ন ড্যানি করেছে। এটা ড্যানির বেয়াদবি। একজন শিল্পীর কাছে এমন আচরণ কাম্য নয়।’
এদিকে জানা গেছে, ঘটনার পর নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চন তাৎক্ষণিকভাবে প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, শি

ল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খানকে নিয়ে আলোচনায় বসেন। সেখানে ড্যানিরাজ কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৯-২১ মেয়াদের শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৫ অক্টোবর।
গত ৫ অক্টোবর। খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়। এবার সভাপতি পদে লড়াই করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও খলনায়ক মিশা সওদাগর। সহ-সভাপতির দুটি পদে প্রার্থী হয়েছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল, রুবেল ও নানা শাহ।

সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রতিদ্বন্দ্বী ইলিয়াস কোবরা। সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন আরমান ও সাংকো পাঞ্জা।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে অভিনেতা সুব্রত’র বিপরীতে কোনো প্রার্থী নেই। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে লড়ছেন নূর মোহাম্মদ খালেদ আহমেদ ও চিত্রনায়ক ইমন।

দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে একাই রয়েছেন জ্যাকি আলমগীর। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে লড়বেন জাকির হোসেন ও ডন।
কোষাধ্যক্ষ পদে অভিনেতা ফরহাদের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। অর্থাৎ সুব্রত জ্যাকি আলমগীর এবং ফরহাদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

এবারের নির্বাচনে কার্যকরী পরিষদ সদস্যের ১১টি পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন ১৪ জন। তারা হলেন— অঞ্জনা সুলতানা,

রোজিনা, অরুণা বিশ্বাস, আলীরাজ, আফজাল শরীফ, বাপ্পারাজ, রঞ্জিতা, আসিফ ইকবাল, আলেকজান্ডার বো, জেসমিন, জয় চৌধুরী, নাসরিন, মারুফ আকিব ও শামীম খান (চিকন আলী)।

গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছু*রিতে দুজনের নাম

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পাঁচ বছরের শিশু তুহিন হ**ত্যায় ব্যবহৃত ছু**রিতে দুই ব্যক্তির নাম লেখা রয়েছে। ওই দুটি ছুরি শিশু তুহিনের পে*টে বি**দ্ধ ছিল। তুহিনের ম**রদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
সেই সঙ্গে শিশুটির লি**ঙ্গ ও কান কে*৮টে দেয়া হয়।রোববার রাত ৩টার দিকে উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের কেজাউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার ভোরে গাছের সঙ্গে ঝুলানো অবস্থায় শিশুটির মর**দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় তুহিনের পে*টে দুটি ধারা*লো ছুরি* বিদ্ধ ছিল। তার পুরো শরীর র*৮ক্তাক্ত, কান ও লি**ঙ্গ কর্তন অবস্থায় ছিল। নি*৮হত তুহিন ওই গ্রামের আব্দুল বাছিরের ছেলে।

শিশু তুহিনের পে*টে বিদ্ধ দুটি ছু**রিতে ওই গ্রামের বাসিন্দা ছালাতুল ও সোলেমানের নাম লেখা রয়েছে। তাদের ফাঁ**সাতে এ ধরনের নৃ*শংস হ*৮ত্যাকাণ্ড ঘটনা হয়েছে বলে ধারণা স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেজাউরা গ্রামের সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে নি**হত তুহিনের বাবা আব্দুল বাছিরের আধি*পত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে।

ছালাতুল ও সোলেমান সাবেক মেম্বার আনোয়ার হোসেনের লোক। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এমন নৃ*শংস ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের ধারণা।

এরই মধ্যে এ ঘটনায় তুহিনের বাবাসহ পাঁচজনকে জি*জ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়েছে পুলিশ। তারা হলেন তুহিনের বাবা আব্দুল বাছির, চাচা আব্দুল মুছাব্বির, ইয়াছির উদ্দিন, প্রতিবেশী আজিজুল ইসলাম, চাচি খাইরুল নেছা ও চাচাতো বোন তানিয়া।

এ ব্যাপারে রাজানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৌম চৌধুরী বলেন, এমন নৃশং*স হ**ত্যাকাণ্ড দিরাই উপজেলার মানুষ এর আগে দেখেনি।

আমরা এই হ*৮ত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শা*স্তি চাই, ঘটনাটি তদন্ত করে হ*৮ত্যাকারীদের দ্রুত গ্রে*ফ*তার করা হোক।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, শিশু তুহিন হ*৮ত্যার ঘটনাটি তদন্ত করছে পুলিশ ও সিআইডি।

আমরা পুরো ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে দেখছি। নি*হ*ত তুহিনের বাবাসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে।

গণভবনে আবরারের বাবা-মাকে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

আজ সোমবার (১৪ অক্টোবর) বিকাল পাঁচটার কিছু আগে আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ, মা রোকেয়া বেগম এবং ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গণভবনে যান। এ সময় তাদের সা*ন্ত্বনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এসময় তিনি বলেন, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, সর্বো*চ্চ শা*স্তি নি*শ্চিত করা হবে। আই*নম*ন্ত্রীকেও নি*র্দেশ দেয়া হয়েছে বলে

জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নি*শ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অ*চেতন অ*বস্থায় উ*দ্ধার করে ঢা*কা মে*ডিকেল ক*লেজ (ঢা*মেক) হা*সপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ক*র্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃ*ত ঘো*ষণা করেন। এ *ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বা*দী

হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বি*রুদ্ধে একটি হ*ত্যা মা*মলা করেন। এ ঘ*টনায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রে*ফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গো*য়েন্দা ও অ*পরাধ ত*থ্য বিভাগ।

আবরার ‘হ*ত্যাকারী’ শামীম বিল্লাহর অজানা কাহিনী

ছাত্রলীগের নি*র্যাতনে নি*হত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার *হ*ত্যা মা*মলার আ*সামি শামীম বিল্লাহ (২১)। ছোটবেলা থেকেই তিনি অত্যন্ত মেধাবী, ভদ্র ও শান্ত প্রকৃতি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। স্কুল ও কলেজ জীবনে পড়াশোনা ছাড়া যে কিছুই বুঝতো না, এমনটি খেলাধুলা করতেও যেত না, সেই ছেলেই এখন আবরার হ*ত্যাকা*ণ্ডের সঙ্গে জ*ড়িত থাকায় অ*ভিযুক্ত!
পরিবারের কেউই রাজনীতির স*ঙ্গে যু*ক্ত না থাকলেও শান্ত ছেলে শামীম বিল্লাহ বুয়েটে পড়তে গিয়ে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃ*ক্ত হয়ে পড়ে। পরিবার ও

স্থানীয়দের কাছে তার রাজনীতিতে জ*ড়ানো, সেই সাথে আবরার হ*ত্যা মা*মলায় জ*ড়িত থাকা অবাক বি*স্ময়ের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ছাত্রলীগের নৃ*শংস নি*র্যাতনের শি*কার হয়ে গত ৬ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের ইলেকট্রিকাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (২১) নি*হত হন। এ ঘ*টনায় আবরারের বাবা বরকতউল্লাহ ১৯ জনকে আ*সামি করে চকবাজার থানায় একটি হ*ত্যা মা*মলা করেন। মা*মলাটির ১৪ নং আ*সামি হলেন শামীম।

ভুরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সবুর কাগুজি জানান, সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের ইছাকুড় গ্রামের বাস চা*লক বাবা আমিনুর রহমান বাবলুর বড় ছেলে শামীম এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষাতেই জিপিএ ৫ পেয়েছিলেন। এরপর তিনি বুয়েটের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হন।শুক্রবার বিকালে বুয়েট ছাত্র আবরার হ*ত্যাকা*ণ্ডের স*ঙ্গে জ*ড়িত থাকার অ*ভিযোগে শামীম বিল্লাহকে শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের খানপুর এলাকা থেকে গ্রে*ফতার করে গো*য়েন্দা পুলিশ।ইউপি সদস্য সবুর কাগুজি বলেন, ‘শামীমের পরিবারের আর্থিক অ*বস্থা ভালো নয়। সব মিলিয়ে পাঁচ বিঘা জমি রয়েছে তাদের। তবে শামীম ছোটবেলা থেকেই ছিল অ*ত্যন্ত মেধাবী। বাবা বাস চালক। তারা দুই ভাই-বোন। তার ছোট বোন শ্যামনগর মহসিন ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী।’

তিনি আরও জানান, শামীম বিল্লাহ ঢাকায় দুটো টিউশনি করে নিজের পড়াশুনোর খরচ চালাতো। পারিবারিক অবস্থা খা*রাপ হওয়ায় নিজের লেখাপড়ার খরচ নিজেই রো*জগার করতো। সপ্তাহ খানেক আগে প্রায় আড়াই লাখ টাকা দিয়ে একটি মোটরসাইকেল কিনেছে শামীম। ছোটবেলা থেকে খুব শান্ত প্রকৃতির ছিল শামীম। কখনো কারো সঙ্গে ঝ*গড়া হয়েছে বলে শুনিনি। তার পরিবার রাজনীতির স*ঙ্গে সেভাবে জ*ড়িত না থাকলেও শামীম বুয়েটে গিয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জ*ড়িয়ে পড়ে।
স*রেজ*মিনে শামীমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তার গ্রে*প্তারের পর মা সালিমা খাতুন অ*সুস্থ হয়ে পড়েছেন, বেশ কয়েকবার অ*চেতন হয়ে গেছেন। তার স*ঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে বাবা আমিনুর রহমান বাবলু বাড়িতে নেই। তার ফোন ন*ম্বরটিও ব*ন্ধ পাওয়া যায়।

শামীমের দাদা আতিয়ার রহমান সরদার বলেন, ‘আমাদের পরিবারের কেউ রাজনীতি করে না। শামীম বুয়েটের মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। গত ৯ তারিখে রাতে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে শামীম। বুয়েটে ছাত্রলীগের বড় ভাইদের স*ঙ্গে মিশতো শামিম।’
তিনি দাবি করেন, ‘ছাত্রলীগের বড় ভাইয়েরা আবরারকে মেরেছে। শামীমকে ডেকে নিয়েছিল। শামীম আবরারের মৃ*তদে*হ ধ*রেছিল, কিন্তু ওকে মা*রেনি।’
তিনি আরো বলেন, ‘হ*ত্যাকা**ণ্ডে*র ঘটনায় প্রকৃত দো*ষীদের শা*স্তি আমিও চাই। একই সাথে এটাও চাই যেন নি*রাপরাধ কেউ শা*স্তি না পায়।’

গ্রে*ফতার শামীম বিল্লাহ্’র বিষয়ে শ্যামনগর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ত*দন্ত) আনিসুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘গত শুক্রবার বিকালে শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের খানপুর গ্রাম থেকে আবরার হ*ত্যা মা*মলার আ*সামি শামীম বিল্লাহকে ডিএমপির গোয়েন্দা পুলিশ আ*টক করে। আ*টকের পরই তাকে নিয়ে ঢাকায় নিয়ে আসে গোয়েন্দা পুলিশের দল।’
সূত্র : ইউএনবি

বঙ্গোপসাগর থেকে ১১ ভারতীয় জেলে আ,টক

সমুদ্রসীমা লঙ্ঘন করে মোংলা বন্দরের অদূরে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারের অভিযোগে ১১ ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে নৌবাহিনী। সোমবার (১৪ অক্টোবর) ভোরে তাদের আটক করে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এসময় ‘এমভি হারা পার্বতী’ নামে একটি ফিশিং বোটও জব্দ করা হয়। মোংলা থানার কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা (এএসআই) মো. আবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আটক জেলেরা হলেন- সিদ্ধিরশর গানা (৫৪), শ্রী কৃষ্ণ (৫৩), দিপক বাড়ই (৩৫), রামকৃষ্ণ দাস (৩০), হরিপ্রধান (৫৭), সুভাষ পাল (৫২), মাইনু হানবেগ (৫৮), পিন্টু

মন্ডল (৪৮), জন্টু মৃধা (৫৫), প্রদিপ পাল (৩৫) ও গোকুল দলপতি (৩৭)।
তাদের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় বলে জানা গেছে।
তাদের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক মৎস্য অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর ২২ ধারায় মামলা দায়ের করে আদালদের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মোংলা নৌঘাঁটির পিওআর (জি) এম ইমান আলী বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।মাছ ধরা নৌকা

এএসআই মো. আবুল হোসেন আরও জানান, এর আগে গত ১ অক্টোবর ১৫ জন এবং ৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় ২৩ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করা হয়েছে। তারা এখন বাগেরহাট জেলে রয়েছেন।