একদিনেই ৫৪০ জনের মৃ’ত্যু যুক্তরাষ্ট্রে !!

করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে মা’রা গেছেন পাঁচশ ৪০ জন। দেশটিতে করোনা রোগী শনাক্তের পর গতকালই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ মা’রা গেল। এতে করে করোনা আ’ক্রা’ন্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৃ’তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল তিন হাজার একশ ৬৬ জনে।

সে দেশে এখন পর্যন্ত এক লাখ ৬৪ হাজার দু’শ ৫৩ জন আ’ক্রা’ন্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। আ’ক্রা’ন্তদের মধ্যে তিন হাজার পাঁচশ ১২ জনের অবস্থা গুরুতর। পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট নৌ-বাহিনীর ভাসমান হাসপাতাল আশার আলো দেখাচ্ছে নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের।

জানা গেছে, তেলের জাহাজ নতুনভাবে রঙ করে করোনা মোকা’বেলার ল’ড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। জাহাজটি ভেসে যাওয়ার সময় নিউইয়র্ক এবং নিউজার্সির বাসিন্দারা হাডসন নদীর তীরে দাঁড়িয়ে উল্লাস করছিল।

মার্কিন নৌ-বাহিনী বলছে, করোনাভাইরাসে আ’ক্রা’ন্ত হয়নি, এমন রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হবে সেই জাহাজে। যাদের সার্জারি দরকার এবং বিশেষ সেবা দরকার, তাদের ঝুঁকিমুক্ত রাখতে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

নিউইয়র্কের মেয়র বিল ডে ব্লাসিও বলেন, এটি একটি যু’দ্ধকালীন পরিস্থিতি এবং আমাদের সবাইকে একসাথে ল’ড়তে হবে।

নিজের অভিজ্ঞতা জানালেন প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকায় শনাক্ত হওয়া প্রথম করোনা রোগী ফয়সাল সুস্থ হয়ে

জার্মানিতে লেখাপড়া করা শেখ ফয়সাল হোসেন। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভি’ডিও কনফারেন্সর মাধ্যমে তার অভিজ্ঞতার কথা জানান।

করোনা থেকে সুস্থ হয়ে কনফারেন্সে শেখ ফয়সাল হোসেন বলেন, আমি জার্মানিতে পড়ালেখা করি, গত ১ মার্চ দেশে আসি পরিবারের সাথে সময় কাটানোর জন্য। ১০ দিন পর আমার শরীর খুব খারাপ মনে হয়। করোনার লক্ষণ দেখা দিলে আমি নিজে থেকে আইইডিসিআর যাই। সত্যি বলতে আমি প্রথম একটু ভ’য় পেয়েছিলাম। যে এখানে আমি জার্মানির মতো চিকিৎসা সেবা পাবো কি না?

শেষ পর্যন্ত আইইডিসিআর আমাকে যে নির্দেশনা দেয় সেই নির্দেশনা মোতাবেক আমি কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে থাকি। আমার পরিবারের সদস্য এবং আমি যাদের সঙ্গে দেখা করেছি তাদেরও হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখে। চিকিৎসার পর কয়েক দফা টেস্টে পর যখন নেগেটিভ আসে, আমি পরিবারের কাছে ফিরে যাই। আমার পরিবারের অন্য কারো কোনো সমস্যা হয়নি।

আইইডিসিআর এর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখান থেকে ডাক্তার ফার্সি আমার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছেন। খোঁজ খবর নিয়েছেন। আমি সত্যি খুশি। যে ধরনের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে আমি এজন্য শুকরিয়া আদায় করছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমি দেশবাসীকে বলবো ঘরে থাকুন। যতদিন ঘরে থাকতে বলে ঘরে থাকুন। সবাই ঘরে থাকলে এরকম পরিস্থিতি মো’কাবিলা করতে পারবো।

পরে ফয়সালের কাছে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, তোমার পরিবারের কারো সমস্যা হয়নি? জবাবে ফয়সাল বলেন, না। এরপর প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। ধন্যবাদ দিয়ে বিদায় নেন ফয়সাল।

কঙ্গোর সাবেক প্রেসিডেন্ট করোনায় মারা গেলেন

মরণঘাতী করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে কঙ্গোর সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাকস জোয়াকুইম ইয়োম্বি ওপাঙ্গো মারা গেছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি।জ্যাকস জোয়াকুইম ইয়োম্বি ওপাঙ্গোর পরিবার সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

জ্যাকস জোয়াকুইম ইয়োম্বি ওপাঙ্গো ১৯৭৭ সাল থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত কঙ্গোর নের্তৃত্ব দেন। ওপাঙ্গোর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।তার ছেলে জ্যাঁ জ্যাকস বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আগে থেকেই তিনি অসুস্থ ছিলেন।

যে কারণে ওয়ালটনকে ভেন্টিলেটর তৈরিতে আমেরিকান কোম্পানি সহায়তা করছে

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের এ দুঃসময়ে দেশে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে যাচ্ছে ওয়ালটন। জানা গেছে ওয়ালটনকে সব ধরনের সহায়তা করতে যাচ্ছে নাকি আমেরিকান কোম্পানি মেডট্রনিক (Medtronic)। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন আমেরিকান কোম্পানি ওয়ালটনকে সহযোগিতা করবে। সেই প্রশ্নের উত্তর মিলেছে ডিফেন্স রিসার্স ফোরাম এর করা একটি পোস্টে।মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকেই ডিফেন্স রিসার্স ফোরামের পেজ থেকে একটি পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে। পাঠকের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।পোস্টটিতে বলা হয়েছে, ফুসফুসের ব্রোংকিউল গুলি যখন ফ্লামেটেড হয় এবং জলীয় পদার্থ জমে তখন শ্বসনের মাধ্যমে নেয়া অক্সিজেন অক্সি হিমোগ্লোবিনে রূপান্তরে বাধা প্রাপ্ত হয়। শুরু হয় শ্বাস কষ্ট এবং নিউমোনিয়া।

এমন সময় শ্বাস স্বাভাবিক রাখতে ভেন্টিলেটর লাগে। এটি তৈরি করা এত সহজ কোনো বিষয় না।আপনারা জেনেছেন ওয়ালটন দেশে ভেন্টিলেটর তৈরি করতে যাচ্ছে। কিন্তু এত হাইটেক জিনিস তারা কীভাবে বানাবে? বলা হচ্ছে আমেরিকান কোম্পানি Medtronic ওয়ালটন কে সব ধরনের সহায়তা করবে।এখানে প্রশ্ন আসে মেডট্রনিক কেন ওয়ালটনকে এ ক্রান্তিকালে সহায়তা করছে?? এর পেছনে একজন বাঙালির প্রতি কৃতজ্ঞতা না প্রকাশ করলে অন্যায় হবে। তিনি হলে বিশ্বের এক নম্বব মেডিকেল ইকুইপমেন্ট নির্মাতা কোম্পানি মেডট্রনিক এর CEO জনাব ওমর ইসরাক। এ কোম্পানির সম্পদের পরিমাণ $১০০ বিলিয়নের বেশি। সারা বিশ্বে প্রায় ১ লাখ মানুষ কাজ করে এ কোম্পানিতে।ঠিক এরকম একটি কোম্পানির সিইও জনাব ওমর ইসরাক ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করা এবং সেন্ট জোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলে পড়া একজন গর্বিত বাঙালি।

তার আরেকটি পরিচয় আছে। ইনটেল কে চেনে না এমন কোনো মানুষ নেই। জনাব ওমর ইসরাক এই ইনটেল কোম্পানির চেয়ারম্যান।ফেসবুকে ভারতীয়রা গর্ব করে নাসায় তাদের অমুক অমুক বিজ্ঞানী আছে, গুগলে আছে ইত্যাদি। কিন্তু আমারা বাংলাদেশিরা কখনো এ দেশের সফল মানুষদের চিনতে চাই না। আগ্রহ পায় না। ডেফ্রেস এর আগে বেশ কয়েকটি পোস্টের মাধ্যমে এ রকম অনেক বাংলাদেশির সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

কোভিট-১৯ এর এই দুর্যোগে জনাব ইসরাক মেডট্রনিক (Medtronic) কোম্পানির তৈরি করা PB-560 ভেন্টিলেটর এর স্বত্ব উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। যে কেউ চাইলে এখন থেকে ডিজাইন এবং স্পেসিফিকেশন নিয়ে এটি তৈরি করতে পারবে। ওয়ালটনের ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে এই মেডট্রনিক কোম্পানি।

নিউইয়র্কে হাজার রোগীর শয্যা নিয়ে আসা জাহাজ দেখতে হাজারো মানুষের ভিড়

নিউইয়র্কে ম্যানহাটনের পিয়ার-৯০–তে আমেরিকান নেভির জাহাজ ইউএসএনএস-কমফোর্ট এক হাজার রোগীর শয্যা নিয়ে নিউইয়র্কে এসেছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ দুপুরে সেই জাহাজ দেখতে শত শত উৎসুক জনতা ভিড় করেছিল।
ওই এলাকার কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা রাজুব ভৌমিক বলেন, এটা আসলে মানুষের স্বভাব।
মানুষ জন্মগতভাবেই কৌতূহলপ্রিয়। কিন্তু এই কৌতূহল যেন কারও মৃত্যুর কারণ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ জাহাজ দেখতে আসেন নিউইয়র্কবাসী।সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা উপেক্ষা করে ৩০ মার্চ জাহাজ দেখতে আসেন নিউইয়র্কবাসী। আমেরিকায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত ১ লাখ ৬৪ হাজার ২৫৩ জন। নিউইয়র্ক রাজ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় নিউইয়র্কে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৩২৫। এতে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৩৪২ জনের।

যার শরীর থেকে সারা বিশ্বে ছড়িয়েছে করোনা খোঁজ মিলল তার

মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ১৯৯টি দেশ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিশ্বের ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৪৭ জন মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু বরণ করেছেন ৩৬ হাজার ২২৬ জন মানুষ। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। এক্ষেত্রে তারা হন্যে হয়ে খুঁজছিলেন সেই রোগীকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীকে। তারা মনে করেন ‘পেশেন্ট জিরো’ রোগীকে ভালভাবে পরীক্ষা করলে প্রতিরোধের উপায় এবং ভ্যাকসিন বের করা সহজ হবে। অবশেষে মিলেছে সেই পেশেন্ট জিরো রোগী।

ইন্ডিয়া টাইমস জানায়, প্রথম করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে ৬৭ বছর বয়সী এক চীনা মহিলা। নাম ওয়েই গুইশিয়ান। তিনি চীনের উহান শহরের বাজারে চিংড়ি মাছ বিক্রি করতেন।এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ওয়েই গুইশিয়ান গত বছরে ১০ ডিসেম্বর হুনান সি ফুড মার্কেটে চিংড়ি বিক্রির সময় অসুস্থ হয়েছে পরেন। প্রথমে ফ্লুয়ের মতো উপসর্গ নিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে যান ওয়েই। প্রথমে তাঁকে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু দিনের পর দিন ক্রমশ দুর্বল হতে থাকেন গুইশিয়ান। দিন দুয়েক পরই উহানের ইলেভন্থ হাসপাতালে যান। সেখানেও ধরা পড়েনি এই মারণ-ভাইরাস। ১৬ ডিসেম্বর ওই অঞ্চলে সবচেয়ে বড় উহান ইউনিয়ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান গুইশিয়ান। আর সেই হাসপাতালেই তাঁকে বলা হয় যে, শরীরে কঠিন রোগ বাসা বাঁধছে।

এরপরই ওই হাসপাতালে বাড়তে থাকে রোগীর সংখ্যা, যাদের সবার শরীরেই একই ধরনের উপসর্গ। গুইশিয়ানের দেখাদেখি ওই হাসপাতালে ছোটেন হুনান মার্কেটের আরও অনেক মানুষ। এমনকি অনেক ক্রেতাও আক্রান্ত হয়ে পড়েন ওই রোগে। ডিসেম্বরের শেষের দিকে ওয়েই গুইশিয়ানকে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়। তাঁর শরীরে মেলে COVID-19 ভাইরাসের উপস্থিতি মেলে। সে সময় ডাক্তারদের ধারণা, উহানের ওই সামুদ্রিক খাবার বিক্রির মার্কেট থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস।

চীনের চিকিৎসকরা মনে করেন, উহানের ওই মার্কেটের টয়লেট ব্যবহার করাতেই তাঁর শরীরে এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়।

উহান মিউনিসিপ্যাল হেলথ কমিশনের তরফে নিশ্চিত করে বলা হয়েছে যে, প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন যে ২৭ জন রোগী তাঁদের মধ্যে প্রথমেই ছিলেন ওয়েই গুইশিয়ান।

ব্রেকিং নিউজ:মা’রা গেলেন সালমান খানের ভাইপো

চলে গেলেন সালমানের ভাইপো আবদুল্লা খান। মাত্র ৩৮ বছর বয়সেই জীবন যু’দ্ধে পরাজিত হলেন মুম্বাইয়ের একজন জনপ্রিয় বডি বিল্ডার। ভাইপোর মৃ’ত্যুতে শো’ক প্রকাশ করেন সালমান। আবদুল্লার ছবি প্রকাশ করে তিনি জানান, ‘আমরা তোমাকে সব সময় ভালোবাসব’।

শ্বাসনালীতে সং’ক্রমণ নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতাল ভর্তি ছিলেন আবদুল্লাহ। সোমবার রাতে ওই হাসপাতালেই মৃ’ত্যু হয় তাঁর। এদিকে করোনা সং’ক্রমণ রুখতে প্রধানমন্ত্রী মোদির ডাকা ২১ দিনের লকডাউনে বর্তমানে পানভেলের বাগান বাড়িতে রয়েছেন সালমান খান। বাবা, মা, ভাই, বোনদের নিয়ে সেখানেই আপাতত রয়েছেন বলিউড ভাইজান। ফলে আবদুল্লার শেষকৃ’ত্যে সালমান হাজির হবেন কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানান যায়নি।

৩৮ বছরের আবদুল্লা খানের মৃ’ত্যুতে শো’ক প্রকাশ করেন সালমানের রোমানিয়ান বান্ধবী ইউলিয়া ভন্তুর। আবদুল্লার পুরনো স্মৃতি উসকে ইউলিয়া লেখেন, তাঁর কথা সব সময় মনে রাখবেন তিনি। জীবনের চলার পথে বাধা বিপত্তি টপকে কীভাবে এগিয়ে চলতে হয়, আবদুল্লাহর কাছ থেকে শিখেছিলেন তিনি। সালমানের ভাইপোর মৃ’ত্যুর খবরে শোক প্রকাশ করেন বলিউড অভিনেত্রী ডেইজি শাহও।

কুয়েতে করোনায় আক্রান্ত ৩ বাংলাদেশি শনাক্ত

কুয়েতে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ২০ জনের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি শনাক্ত হয়েছেন। রোববার (২৯ মার্চ) কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে দেশটির স্থানীয় এক পত্রিকা। আক্রান্তদের মধ্যে ৬ জন কুয়েতি নাগরিক সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ করে এসেছেন, একজন সৌদি আরব থেকে এবং কোয়ারেন্টিনে থাকা বাকি ১৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে

এদের মধ্যে ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও ৯ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন বলে জানায় কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। কুয়েতে বর্তমানে সর্বমোট করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২৫৫ জন, সুস্থ হয়েছেন ৬৭ জন, আইসিইউতে রয়েছেন ১২ জন। কুয়েত সরকার দেশের বাইরে

থাকা তাদের নাগরিকরা ফিরে আসার পর তাদের আলাদাভাবে কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা করেছে। এ ছাড়া করোনা বিস্তার ঠেকাতে ও মোকাবেলায় কুয়েত সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি কড়া নজরদারি রেখেছে।

কাইশ্যা চরিত্রের অভিনেতা করোনা আক্রান্তের ৭ দিন পরই মারা গেলেন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন জাপানের জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা শিমুরা। তার প্রতিভা সংস্থা ইওয়া অফিস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে গেল ২০ মার্চ থেকেই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এর তিনদিন পর করোনা ভাইরাস ধরা পড়ে বাংলাদেশে কাইশ্যা নামে পরিচিত এই অভিনেতার।

এই ভাইরাসের কারণেই রোববার (২৯ মার্চ) ৭০ বছর বয়সী এই অভিনেতা মারা যান। জাপান টাইমস জানিয়েছে, কেন শিমুরা ২০ মার্চ নিউমোনিয়া সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে ভর্তি হন। পরবর্তীতে পরীক্ষার পর ২৩ তারিখ তার শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। জাপানের বিনোদন জগতের লোকদের মধ্যে তারই প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্ত হন।

শিমুরা তার কাজের জন্য বিশ্বজুড়েই প্রশংসা পেয়েছেন। জাপানি এ অভিনেতা বাংলাদেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়। বাংলায় তার ডাবিং ভিডিওগুলোও কাইশ্যা নামে পরিচিত হওয়ায় মূল নামে চাইতে কাইশ্যা নামেই তাকেই লোকজন বেশি চেনেন। জীবিত অবস্থায় তিনি বলেছিলেন, তার কমেডিয়ান হয়ে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা ছিলেন আমেরিকান কমেডিয়ান জেরি লুইস।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমাতে ছুটির সময় বাড়ছে

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কমাতে ২৬ মার্চ থেকে আগামী ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি অফিসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছে সরকার। এছাড়া সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ৯ এপ্রিল বন্ধ দেয়া হয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ছুটি আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সরকার মনে করছে, করোনা নিয়ন্ত্রণে ছুটি ভালো ফল দিয়েছে। গত দুদিন নতুন করে কোনো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি।

৪ তারিখ আসতে আরও কয়েকদিন বাকি এর মধ্যে পরিস্থিতি বোঝা যাবে।গতকাল রোববার (২৯ মার্চ) স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে জানিয়েছেন, বাধ্যতামূলক ছুটি শেষে পরিস্থিতি বুঝে প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নেবেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ সফলভাবে সীমিত রাখা গেছে। ৪ এপ্রিল সাধারণ ছুটি শেষ হওয়ার পর যখন জনগণ গ্রাম থেকে ফিরবেন তখন যাতে আবারো করোনা সংক্রমণ না ঘটে, সে বিষয়ে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত জানাবেন প্রধানমন্ত্রী।এ বিষয়ে জানতে চাইলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘পরিস্থিতি বিবেচনায় ছুটি হয়তো বাড়তে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো আমরা জানি না।’ছুটি বাড়ানো হলে তা ১১ এপ্রিল কিংবা ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত হতে পারে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমাদের আবেদন থাকবে ছুটি আরও কিছু দিন বাড়ানো হোক। এতে আমরা আরও নিশ্চিত হতে পারব, আরও ঝুঁকিমুক্ত থাকতে পারব।’এর আগে ২৩ মার্চ সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে। এর মধ্যে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস এবং পরের দুদিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। গতকাল (২৯ মার্চ) থেকে ২ এপ্রিল পাঁচ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আর ৩ ও ৪ এপ্রিল সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায় মোট ১০ দিনের ছুটিতে থাকবে সারা দেশ।