পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি বিক্রি করলেই জ,রিমানা !

পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি বিক্রি করলেই বিক্রেতাকে জরিমানা করা হবে বলে ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দিয়েছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা শশী।একই সঙ্গে পেঁয়াজের দাম বেশি রাখায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ইউএনও। এ সময় অতিরিক্ত পেঁয়াজ মজুত রাখায় দুই ব্যবসায়ীর গুদাম সিলগালা করে দেন তিনি।

অভিযান শেষে শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের ডেকে চুনারুঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও নুসরাত ফাতিমা শশী বলেন, পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি রাখলেই জরিমানা করা হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আপনারা পেঁয়াজের দাম ৫৫ টাকার বেশি রাখতেপারবেন না। পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখার হুঁশিয়ারি দিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের ইউএনও বলেন, কোনো অবস্থাতেই ৫৫ টাকার বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করবেন না, করলে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। প্রতিটি দোকানে পেঁয়াজের মূল্য তালিকা টাঙাতে হবে,

পেঁয়াজ ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। কোনো ক্রেতার সঙ্গে কোনোভাবেই প্রতারণা করা যাবে না। পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্য বৃদ্ধি করলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেব না আমরা। ইউএনওর হুঁশিয়ারিতে পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকা কার্যকরের জন্য একদিনের সময় নেন ব্যবসায়ী নেতারা। কারণ হিসেবে ইউএনওকে তারা বলেছেন, বেশি দামে পেঁয়াজ কেনা আছে এবং মজুত রয়েছে।
এসব পেঁয়াজ বিক্রি শেষ হলেই ৫৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করব আমরা।

উপজেলা ভূমি অফিসের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- চুনারুঘাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল সালাম তালুকদার, সেক্রেটারি মাসুদ আহম্মেদ, ক্যাব চুনারুঘাট উপজেলা সেক্রেটারি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান তাহের ও মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আজগর আলী প্রমুখ।
এর আগে চুনারুঘাট বাজারে অভিযান চালান ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা শশী। এ সময় পেঁয়াজ কেনার রশিদ না থাকা এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে

পেঁয়াজ বিক্রি করায় স্বপন স্টোরকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত রাখায় স্বপনের গুদাম ও এবং সোহেলের গুদাম সিলগালা করে দেয়া হয়।

পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুখবর দেন !

পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সেখানকার শ্রমবাজার আবার খুলে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
রোববার দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে দুবাই এয়ার শো-২০১৯-এর ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আবুধাবির যুবরাজ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ ইঙ্গিত দেন।

বাসস জানায়, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শিগগিরই শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেয়ার কথা বলেন যুবরাজ নাহিয়ান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, আপনার পরবর্তী আমিরাত সফরকালে আপনাকে এ প্রশ্নটি আর করতে হবে না।

তিনি বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আগের চেয়ে বেশি ওয়ার্ক পারমিট দেয়ারও ইঙ্গিত দেন।সাক্ষাৎ শেষ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, যুবরাজ বাংলাদেশ থেকে চাল আমদানিরও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ একটি উদ্বৃত্ত চাল উৎপাদনকারী দেশ। বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের চাল উৎপাদন করছে। আমরা বিভিন্ন দেশে চাল রপ্তানি করছি।

এসময় যুবরাজ তাকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে সেরা মানের চাল আমদানি করতে চায় আরব আমিরাত। তার দেশ তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের চাল দেখার জন্য বাংলাদেশে একটি প্রতিনিধিদল পাঠাবে।বৈঠকের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

আরব আমিরাতে বাংলাদেশী ভোটার তালিকা প্রণয়ন শুরু এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন।

বিশ্বের অন্যতম বড় এভিয়েশন প্রদর্শনী ‘দুবাই এয়ার শো-২০১৯’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১৭ নভেম্বর) সকালে পাঁচ দিনব্যাপী ষোড়শ দ্বিবার্ষিক এয়ার শো ইভেন্ট ‘দুবাই এয়ার শো-২০১৯’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। দুবাইয়ের ভবিষ্যত বিমানবন্দরের (দুবাই আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবেও পরিচিত) দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে এই এয়ারশোটি শুরু হয়েছে।

১৭ থেকে ২১ নভেম্বর প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুবাইয়ের আকাশে দ্বিবার্ষিক এই এয়ার শো টি অনুষ্ঠিত হবে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সফল এয়ার শো এবং মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও আফ্রিকা বৃহত্তম এরোস্পেস ইভেন্ট।

বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে এই এয়ারশো-তে অংশ নেন। পরে তিনি দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ফ্লাইং ডিসপ্লে উপভোগ করেন।

এ বছর সারা বিশ্বের ৮৭ হাজারের বেশি ট্রেড ভিজিটর ও ১ হাজার ৩শ’র বেশি এক্সিবিটর দুবাইয়ের ভবিষ্যৎ বিমান বন্দর দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে এ উপলক্ষে সমবেত হয়েছেন। এছাড়াও এতে ১৬০টি দেশ থেকে ১৬৫টি বিমান অংশ নিচ্ছে।

এটি ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত এয়ার শো সাফল্যকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের এই শোতে ১১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যে অর্ডার পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল এয়ারবাসের কাছে ৪৩০টি বিমানের জন্য ৪৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ইন্ডিগো পার্টনার্স অর্ডার এবং ফ্লাইদুবাইয়ের সাথে বোয়িংয়ের ২৭ বিলিয়ান মার্কিন ডলার চুক্তি।

১৯৮৯ সালে দুবাই এয়ার শোটি প্রথম প্রদর্শিত হয়। এটি এখন বেসামরিক বিমান শিল্পের জন্য একটি বৈশ্বিক প্লাটফরমে পরিণত হয়েছে। এখানে বিশ্বের বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এখানে তাদের প্রস্তুতকৃত নতুন মডেলের বিমান প্রদর্শন ও বিক্রয় করেন। পাশাপাশি, এখানে প্রাইভেট ও পাবলিক সেক্টরের কোম্পানিগুলো নতুন নতুন প্রযুক্তি, সুযোগ এবং এই শিল্পের প্রতিবন্ধকতাগুলো নিয়েও আলোচনা করতে পারেন।

ইউএই’র বিমান কোম্পানিগুলো বেশ কিছু নতুন অর্ডার ঘোষণা করে ও তাদের আগের চুক্তিগুলো নিশ্চিতের মাধ্যমে একে এই অঞ্চলের সবচেয়ে সফল ও বৃহত্তম প্রদর্শনীতে পরিণত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আবু ধাবির শাংরিল-লা হোটেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহম্মদ ইমরান আয়োজিত এক নৈশভোজে তিনি যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন সময়ে এই হোটেলেই অবস্থান করছেন।

প্রধানমন্ত্রী দুবাই এয়ার শো-২০১৯ ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চার দিনের সরকারি সফরে শনিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত পৌঁছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী ১৮ নভেম্বর আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত বাংলাদেশীদের ভোটার তালিকা প্রণয়ন শুরু এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণে নির্বাচন কমিশনের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন।শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাঁর চার দিনের সফর শেষে ১৯ নভেম্বর দেশে ফিরবেন।

সন্তানকে বীভৎসভাবে মা’ রছে গৃহকর্মী, ক্যামেরায় লাইফ দেখছেন বাবা !

‘বাসায় ফিরে আমার সন্তানকে জড়িয়ে ধরেছি, কোলে তুলে নিয়েছি, অনেক আদর করেছি। কিন্তু অন্য দিনের মতো চিৎকার করে বাবা বাবা করে ডাকে নাই। বাচ্চাটা মা’র আর লাথির ভয়ে এতটাই ভীত হয়ে পড়েছিল যে ‘বাবা’ বলতে যেন ভুলেই গিয়েছিল! আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সেইসঙ্গে আমাদের মতো দম্পতিরা যেন সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হয়। সবাই দোয়া করবেন আমার নিষ্পাপ বাচ্চাটার জন্য’— কথাগুলো বলছেন এক শিশু সন্তানের বাবা।

দুইবছর একটি শিশুকে ৪০ বছর বয়সী গৃহকর্মীর ভয়াবহ নির্যা’ তনের দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। এই ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। টাইমলাইনে ঘুরতে থাকা এ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে— এটিকে অমানবিক, লোমহর্ষক ও বীভৎস ঘটনা বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুরে ওই ঘটনাটি ঘটে। এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মো. আল আমিন সরকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শিশুটির মা লুৎফুন্নাহার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এই দম্পতির একমাত্র শিশু আবদুল্লাহ আবতাই আয়াতের বয়স মাত্র দুই বছর। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরি করায় আয়াত থাকত বাসায় গৃহকর্মীর কাছে।

কিছুদিন ধরেই সন্তানকে দেখে এমনই কিছু একটা আশংকা হয়েছিল বাবার। যে কারণে তিনি দ্রুত নিজের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন। আইপি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ তিনি নিজের স্মার্টফোনেই লাইভ দেখতে পারতেন। যে কারণে নিজের সন্তান চোখে চোখেই থাকত।

অবশেষে এল ১৪ নভেম্বর ২০১৯! অফিসে বসে ভয়ংকর এক দৃশ্য চোখে পড়ল আল আমিন সরকারের। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে গৃহকর্মী দ্বারা সন্তানকে নির্যাতনের দৃশ্য! বাথরুম থেকে ঘরের ভেতর ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওইটুকু শিশুকে একের পর এক লাথি মা’ রতে থাকে সেই গৃহকর্মী!

অতঃপর ক্রন্দনরত শিশুকে সেভাবে ফেলে দিয়েই আবারও নিজের কাজে মন দেয় সে। প্রযুক্তির কল্যাণে অফিসে বসে কলিজার টুকরা সন্তানের ওপর এই ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে চিৎকার করা ছাড়া বাবার তখন কীইবা করার ছিল! সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ছোটেন বাসার দিকে। গৃহকর্মীর হাত থেকে উদ্ধার করেন নিজের সন্তানকে।

এই ঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর রাত সোয়া ৯টার দিকে শাহজাহানপুর থানায় শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) এর ৭০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন আল আমিন সরকার।

অভিযুক্ত গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা আল আমিন সরকার বলেন, ‘আমি একজন অসহায় বাবা, যাকে দেখতে হয়েছে ২ বছরের সন্তানকে বীভৎস মা’ রের দৃশ্য! এই নির্যাতনের দৃশ্য দেখেও কিছু করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছি আমি। দেখা ছাড়া কিছু করার ছিল না আমার!’ (সূত্র: কালের কণ্ঠ)

সন্তানকে বীভ*ৎস*ভাবে মারছে গৃহকর্মী, ক্যামেরায় দেখছেন বাবা (ভিডিও)

‘বাসায় ফিরে আমার সন্তানকে জড়িয়ে ধরেছি, কোলে তুলে নিয়েছি, অনেক আদর করেছি। কিন্তু অন্য দিনের মতো চিৎকার করে বাবা বাবা করে ডাকে নাই। বাচ্চাটা মার আর লাথির ভয়ে এতটাই ভীত হয়ে পড়েছিল যে ‘বাবা’ বলতে যেন ভুলেই গিয়েছিল! আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সেইসঙ্গে আমাদের মতো দম্পতিরা যেন সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হয়। সবাই দোয়া করবেন আমার নিষ্পাপ বাচ্চাটার জন্য’— কথাগুলো বলছেন এক শিশু সন্তানের বাবা।

দুইবছর একটি শিশুকে ৪০ বছর বয়সী গৃহকর্মীর ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। এই ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। টাইমলাইনে ঘুরতে থাকা এ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে— এটিকে অমানবিক, লোমহর্ষক ও বীভৎস ঘটনা বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুরে ওই ঘটনাটি ঘটে। এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মো. আল আমিন সরকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শিশুটির মা লুৎফুন্নাহার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এই দম্পতির একমাত্র শিশু আবদুল্লাহ আবতাই আয়াতের বয়স মাত্র দুই বছর। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরি করায় আয়াত থাকত বাসায় গৃহকর্মীর কাছে।

কিছুদিন ধরেই সন্তানকে দেখে এমনই কিছু একটা আশংকা হয়েছিল বাবার। যে কারণে তিনি দ্রুত নিজের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন। আইপি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ তিনি নিজের স্মার্টফোনেই লাইভ দেখতে পারতেন। যে কারণে নিজের সন্তান চোখে চোখেই থাকত।

অবশেষে এল ১৪ নভেম্বর ২০১৯! অফিসে বসে ভয়ংকর এক দৃশ্য চোখে পড়ল আল আমিন সরকারের। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে গৃহকর্মী দ্বারা সন্তানকে নির্যাতনের দৃশ্য! বাথরুম থেকে ঘরের ভেতর ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওইটুকু শিশুকে একের পর এক লাথি মারতে থাকে সেই গৃহকর্মী!

অতঃপর ক্রন্দনরত শিশুকে সেভাবে ফেলে দিয়েই আবারও নিজের কাজে মন দেয় সে। প্রযুক্তির কল্যাণে অফিসে বসে কলিজার টুকরা সন্তানের ওপর এই ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে চিৎকার করা ছাড়া বাবার তখন কীইবা করার ছিল! সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ছোটেন বাসার দিকে। গৃহকর্মীর হাত থেকে উদ্ধার করেন নিজের সন্তানকে।

এই ঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর রাত সোয়া ৯টার দিকে শাহজাহানপুর থানায় শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) এর ৭০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন আল আমিন সরকার।

অভিযুক্ত গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা আল আমিন সরকার বলেন, ‘আমি একজন অসহায় বাবা, যাকে দেখতে হয়েছে ২ বছরের সন্তানকে বীভৎস মারের দৃশ্য! এই নির্যাতনের দৃশ্য দেখেও কিছু করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছি আমি। দেখা ছাড়া কিছু করার ছিল না আমার!’ (সূত্র: কালের কণ্ঠ)

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক পরে চলছে ছিনতাই-ডাকাতি

সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে দেখা মিলছে একশ্রেণির আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের। যারা গ্রেফতার করছে বিভিন্ন মামলার আসামিদের। তাদের রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক, হ্যান্ডকাপ ওয়াকিটকি এমনকি অস্ত্রও। তবে পুরো বিষয়টি ভুয়া। আসলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে ছিনতাই ডাকাতি করে বেড়াচ্ছে তারা।

কথা হয় এমন চক্রের কয়েক সদস্যের সঙ্গে। বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দিয়ে সহজেই ঘটানো যায় ছিনতাই। তাই এ পরিচয় ব্যবহার করেন তারা।এদিকে পুলিশ বলছে, এরকম একটি চক্রকে ধরতে গিয়ে সম্প্রতি পুলিশকে গুলি ছোড়ে অপরাধীরা। নিহতও হয় একজন এক ভুয়া র‌্যাবরাজধানী একটি ব্যস্ততম সড়ক। রাস্তায় সবধরণের যানবাহন, মানুষের চলাচল সব মিলিয়ে নিত্যদিনের কোলাহল মুখর চিত্র। একটি বাস এসে থামে স্টপেজে। হঠাৎ এগিয়ে যায় র‌্যাবের জ্যাকেট পরা এক ব্যক্তি। পিছু পিছু আরো একজন। পাশেই এসে থামে একটি কালো গ্লাসের মাইক্রোবাস। কয়েক মিনিট পর নামিয়ে আনা হয় এক ব্যক্তিকে। টেনেহিঁচড়ে তোলার চেষ্টা মাইক্রোবাসে।

আশপাশে দাঁড়িয়ে দেখছেন অসংখ্য মানুষ। কিন্তু প্রতিবাদ করছেন না কেউই। এক পর্যায়ে কথিত মামলার কথিত আসামিকে নিয়ে চলে যায় মাইক্রোবাসটি।পুরো ঘটনাটিই মিথ্যা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে সবার সামনেই ঘটে যায় একটি ভয়াবহ ছিনতাইয়ের ঘটনা। কথা হয় এমন এক চক্রের কয়েক সদস্যের সঙ্গে।তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করলে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পায় না। তাই এ পরিচয়ে ছিনতাই ডাকাতি করেন তারা।তারা বলেন, আমরা পরিচয় দিই যে আমরা র‌্যাবের লোক, তোমার নামে মামলা আছে, তোমার ব্যাগে অবৈধ-জাল টাকা আছে, তুমি ইয়াবার ব্যবসা করো, তোমাকে গ্রেফতার করলাম, তুমি গাড়িতে ওঠো। র‌্যাবের কোটি থাকে আমাদের গায়ে।

র‌্যাবের কথা বলে তাদের গাড়িতে উঠাই। কিছুদূর গিয়ে ফাঁকা জায়গা পেলে তাদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে রেখে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিই।পুলিশ বলছে, রাজধানীর বাড্ডা, খিলক্ষেত কিংবা বনানী এলাকাতে এ ধরনের অপরাধ বেশি ঘটছে। এসব এলাকা থেকে টার্গেট ব্যক্তিকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে তিনশফুট সড়কের নির্জনস্থানে চলে যায় অপরাধীরা। টাকা পয়সা সব ছিনিয়ে নিয়ে নামিয়ে দেয় গাড়ি থেকে। কখনো টাকা না পাওয়া পর্যন্ত জিম্মি করে রাখে ভিক্টিমকে।

গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগের উপ কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, মানুষ মোবাইলে ভিডিও করে ফেলতে পারে। এখন সবার মোবাইলে স্পষ্ট ভিডিও হয়। পারলে তারা ওই দলটি র‌্যাবের কোন ইউনিট থেকে এসেছে তা জানতে চাইতে পারে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা তাদের আটক করতে পারবোগেলো সপ্তাহে রাজধানীর বাড্ডায় এরকম একটি চক্রকে ধরতে গেলে গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত একজন। আহত হয় আরো দুজন।

ভেনিসের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও

বন্যায় স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন ইতালির ভেনিসের বাসিন্দারা। এখনও পরিস্থিতির তেমন কোনো উন্নতি না হওয়ায় বন্ধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভেঙে পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পর্যটন শিল্পও। এ অবস্থায় শিগগিরই সরকারি সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ভেনিসকে বলা হয় পর্যটন নগরী। বিশ্বে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণস্থল এখন পানির নিচে। অড্রিয়াটিক সাগরের শতাধিক ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে গঠিত এই শহর গত পাঁচ দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতার জোয়ারে ডুবেছে।এর আগে ১৯৬৬ সালে এমন করুণ পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছিলেন এখানকার বাসিন্দারা।বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে নিম্নাঞ্চলের সেইন্ট মার্কস স্কয়ার অন্যতম। এই স্কয়ার সংলগ্ন সেইন্ট মার্কস ব্যাসিলিকাতেও বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। গত এক হাজার ২০০ বছরের মধ্যে এ নিয়ে ছয়বার এই ক্যাথেড্রালটি বন্যার কবলে পড়লো। যার মধ্যে গত ২০ বছরেই চারবার প্লাবিত হয়েছে। তিনটি ওয়াটারবাসও ডুবে গেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই বন্যা পরিস্থিতি এমন চরম আকার ধারণ করেছে।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শহরটির অসংখ্য ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান। বেশ কয়েকটি ক্যাফে ও রেস্তোরাঁর বাইরে বন্যার পানিতে চেয়ার ও টেবিল ভাসতে দেখা গেছে। বিভিন্ন পণ্য ও বইপত্র বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দোকানপাটও।স্থানীয় এক নারী বলেন, আমাদের কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা বলে বোঝানো যাবে না। অনেক মূল্যবান জিনিস নষ্ট হয়ে গেছে। সরকার যেন আমাদের দিকে একটু নজর দেয় এখন এটাই চাওয়া। না হলে আমাদের সংকট কাটবে না।

আরেক নাগরিক বলেন, গত ৫০ বছরে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি আমরা কখনো হইনি। বন্যায় চরম ভোগান্তিতে দিন কাটাচ্ছি।

বন্যার পানিতে ভিজে যাওয়া বইসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে তা শুকানোর চেষ্টা করছেন অনেক ব্যবসায়ী। দুর্গতদের সহযোগিতা দেয়ার কথা বলা হলেও এখনও তা পাননি বলে জানান অনেকে।

শহরটিকে বন্যার হাত থেকে বাঁচাতে ২০০৩ সাল থেকে একটি প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও ব্যয়বৃদ্ধি ও নানা জটিলতায় সেটি এখনো শেষ হয়নি।

ভালোবেসে ২১ বছরের যুবকের সঙ্গে ৭৪ বছরের নারীর সংসার !

কথায় আছে প্রেম মানে না বাঁধা। হাজারো সমস্যা মাথায় নিয়ে এক হওয়ার তীব্র যে বাসনা, তারই নাম ভালোবাসা। আর এই ভালোবাসার জন্যই যুগে যুগে ঘটে চলেছে কতশত ঘটনা। আজকে তেমনই এক ঘটনা জানাবো। গ্যারি-আমলিডা দম্পত্তির ভালোবেসে অন্যন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। গ্যারির যখন ১৭ বছর বয়স তখনই ৭০ বছরের আমলিডার সঙ্গে তার দেখা হয়। এর পর আলাপ। তার পর সম্পর্ক। দুজনের বয়সের ফারাক ছিল সেই সময় ৫৪ বছর। কিন্তু এই ব্যাপারটা নিয়ে দুজনের কেউই তেমন চিন্তিত ছিলেন না।

চতুর্থ বিবাহবার্ষিকী তাদের। দুজনেই হারিয়ে যান দুজনের চোখে। চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীতে এসে পরস্পরের প্রতি কোনও বিতৃষ্ণা, বিরক্তিভাব নেই। বরং সুখের সংসারে তারা দিব্যি রয়েছেন। ২১ বছর বয়সী গ্যারির স্ত্রীর বয়স ৭৪ বছর। ২০১৫ সালে বিয়ে করেছিলেন তারা। তার পর কখন যে চার বছর কেটে গিয়েছে, টেরই পাননি। সুখে থাকলে বোধ হয় সময়ের হিসাব থাকে না। আর ভালবাসার তো কোনও বয়সই হয় না। বাঁধনহারা ভালবাসায় আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছেন দুজনে। একে অপরের মনের মানুষ। আর কী চাই! সমাজ কী বলল, তাঁদের নিয়ে কানাঘুঁষো হল না, সেসবে দুজনের কেউই পরোয়া করেন না। ওসব নিয়ে ভাবার সময়ই নেই তাঁদের।

ইনস্টাগ্রামে নিজেদের চতুর্থ বিবাহবার্ষিকীর কথা জানিয়েছেন গ্যারি ও আলমিডা। গ্যারি তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীর জন্য লেখেন, “তোমার সঙ্গে দেখা হওয়ার আগের দিন পর্যন্ত আমি জানতাম না কাউকে সত্যি এতটা গভীরভাবে ভালবাসা যায়! আমি আর তুমি প্রথম থেকেই তো উত্থান-পতনের মধ্যে দিয়ে চলে এসেছি। একসঙ্গে সেসব কাটিয়েছি। তোমার প্রতি আমার ভালবাসা সমুদ্রের থেকেও গভীর। তোমাকে আমি নিঃশর্ত ভালবাসি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এভাবেই তোমার যত্ন নিতে চাই। আমি প্রতিটা দিন কঠিন পরিশ্রম করছি আমাদের স্বপ্ন ও লক্ষ্যগুলো পূরণ হয়। তোমার পাশেই থাকতে চাই।”

ভালবাসা এখানে নিঃশর্ত। ভালবাসার সংজ্ঞাটাই এখানে একেবারে আলাদা। সমাজের চোখরাঙানি যেখানে সম্পর্কে বাধা দিতে পারে না। গ্যারি ও আলমিডা যেন এক নতুন পৃথিবীর বাসিন্দা। যে পৃথিবীতে ধরাবাধা নিয়ম নেই। গ্যারি আর আলমিডা নিজেরাই নিয়ম বানান। নিজেদের ভাল রাখার নিয়ম তারা নিজেরাই ঠিক করে নেন। বয়স সেখানে একটা সংখ্যা। এর বেশি কিছু নয়।

সূত্র: ইয়াহু নিউজ

রিকশায় ফার্মেসিতে গিয়ে চিকিৎসা নিল আহত হনুমান !

মানুষের সবচেয়ে কাছাকাছি গোত্রীয় প্রাণী ধরা হয় হনুমানকে। এই প্রাণীগুলোর চলাফেরা মানুষের সাথে অনেকাংশেই মিলে যায়। অনেক সময় তারা এমন সব আচরণ করে যা অবাক করবে যে কাউকে। এমনই একটি ঘটনা ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। শনিবার (১৬ নভেম্বর) সকাল ৯ টা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের মল্লারপুর স্টেশন চত্বরে দুই পূর্ণবয়স্ক হনুমান নিজেদের মধ্যে লড়াই শুরু করে।

এরপর লড়াই করে জখম হয়ে দোকানে গিয়ে চিকিৎসা নেয় একটি হনুমান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আচমকা একটি টোটোয় (অটো গাড়ি) চড়ে বসে জখম হনুমানটি। করুণ চোখে সহযাত্রীদের গায়ে হাত রেখে বোঝানোর চেষ্টা করে সে আক্রমণ করবে না। মল্লারপর স্টেশন থেকে খানিকটা দূরে পঞ্চায়েত ভবনে একটি ওষুধের দোকানের সামনে নেমে পড়ে হনুমানটি।ওষুধ দোকানের মালিক আনাজুল আজিম বলেন, দোকানের সামনে বেঞ্চে বসে অপেক্ষা করছিল হনুমানটি।

দোকানের ভিড় একটু কমতেই লাফ দিয়ে কাউন্টারে উঠে বসে কোমরের নীচে ও শরীরের অন্য অংশে ক্ষতস্থানগুলো দেখায়। আমার হাত ধরে এমন ভাব করে যেন চিকিৎসা চাইছে।ওই দোকানে সেসময় ওষুধ নিতে এসেছিলেন শক্তিপদ মিস্ত্রি নামে স্থানীয় এক যুবক। তিনিও হাত লাগান জখম হনুমানের ক্ষতে মলম ও ব্যান্ডেজ করায়। ওষুধ লাগিয়ে ব্যান্ডেজ করে দেওয়ার পরেও ক্ষতস্থানগুলি বারবার দেখাতে থাকায় ওই ওষুধ দোকানদারের মনে হয় ব্যথার জন্য হনুমানটি এরকম করছে। কাপে পানি নিয়ে একটি ব্যথা কমার ওষুধও খাওয়ানো হয় তাকে।

সঙ্গে খান চারেক কলা। কিছুক্ষণ বসে থেকে আনাজুলের কাঁধে হাত রেখে দোকানের কাউন্টার থেকে রাস্তায় নেমে ফের একটি স্টেশনগামী অটোতে চড়ে বসে সে।ভারতের বন্যপ্রাণী গবেষক শান্তিনিকেতনের ঈশানচন্দ্র মিশ্র বলেন, ‘যে সব প্রাণী মানুষের কাছাকাছি থাকে তাদের কেউ কেউ মানুষের আচরণ, কার্যকলাপ অনুসরণ করে। হনুমান, বাঁদর বা কুকুরের অনুসরণের ক্ষমতা অনেক বেশি।

প্রধানমন্ত্রীর আরব আমিরাত সফরে যে ৩টি চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে !

দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বন্ধ রয়েছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার। নতুন শ্রমিক ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধের পাশাপাশি দেশটিতে বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীণ মালিক পরিবর্তনের সুযোগও।কূটনৈতিক মহলের খবর, প্রধানমন্ত্রীর আমিরাত সফরকালে প্রবাসীদের শ্রমবাজারের বন্ধ দুয়ার খুলে যাওয়ার প্রত্যাশা ক্রমশই দৃঢ় হচ্ছে।

শনিবার সন্ধ্যায় আরব আমিরাতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে রোববার প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ও সফল এই এয়ার শো এবং মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও আফ্রিকার বৃহত্তম এরোস্পেস ইভেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। সফরকালে দুবাইয়ের শাসক ছাড়াও শেখ হাসিনা আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার

শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পরিবার উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের সুপ্রিম চেয়ারপারসন শেখ ফাতিমা বিনতে মোবারকের সঙ্গে বৈঠক করবেন।প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে ৩টি চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে। এরমধ্যে দু’টি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং একটি প্রটোকল স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। এগুলো হলো- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এবং আমিরাত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ও আমিরাত অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের মধ্যে চুক্তি এবং আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের জন্য প্লট বরাদ্দের প্রটোকল।

এছাড়াও সফরকালে শেখ হাসিনা আবুধাবিতে অনাবাসিক বাংলাদেশিদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন কার্যক্রমও উদ্বোধন করবেন।প্রসঙ্গত, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বর্তমানে সাত লাখ প্রবাসী বাংলাদেশির বসবাস। ২০১২ সালে দ্বিতীয় রেমিটেন্স প্রেরণকারী এই দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে নানা জটিলতায় বিপাকে দিনাতিপাত করছেন দেশটিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ভিসা জটিলতায় অনেক শ্রমিককে ফিরতে হয়েছে দেশে। আবার কেউ কেউ ভাল চাকরি পেলেও অভ্যন্তরীণ মালিক পরিবর্তনের সুযোগ না থাকায় দীর্ঘ সময় ধরেই ভুগছেন হতাশায়। নতুন ভিসা নিয়ে যেতে আগ্রহীরাও অপেক্ষা করছেন ভিসা খোলার পথ চেয়ে।

দীর্ঘ অপেক্ষারত প্রবাসীদের প্রত্যাশা- এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরে অন্তত শ্রমবাজার নিয়ে একটি সুখবর আসবে। শ্রমিক ভিসা পুরোপুরি খোলা না হলেও এতে অন্তত অভ্যন্তরীণ মালিক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হলে সাত লাখ শ্রমিকের মানসম্মত কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।