আজ ২৩/০৭/২০১৯ আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের স্বর্ণের রেট জেনে নিন !

এই মুহূর্তে দেশে প্রবাসে যে যেখানে আছেন আমার বাংলাদেশ এ স্বাগতম ! ধনী থেকে গরিব সবাই চায় এটি কাছে রাখতে । কিন্তু অনেক দাম হওয়ার কারনে শুধু ধনী বাক্তিরাই সেটি সংরক্ষন করতে পারে। তবে যারা দেশের বাইরে থাকেন তারাও মাঝে মাঝে ভাল স্বর্ণ কম মূল্যে কিনতে পারে। তার প্রবাসী ভাইদের জন্য এটি বেশ।

ভরি =১১.৬৫৪ গ্রাম

বাংলাদেশ: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট)  =  3565  টাকা ।  দুবাই: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  173.00দেরহাম,  (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 162.55 দেরহাম । সৌদি আরব: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  173.80 সৌদি রিয়্যাল, (22 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 162.94 সৌদি রিয়্যাল ।

কাতার: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 165.70 কাতারি রিয়্যাল ।

সিঙ্গাপুর: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 61.78 ডলার ।

মালয়েশিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 186.41 রিংগিত ।

ইংল্যান্ড: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 35.64 ব্রিটেন পাউন্ড ।

বাহরাইন: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 15.67 দিনার ।

ওমান: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 15.87 রিয়াল ।

অস্ট্রেলিয়া: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 58.68 অস্ট্রেলিয়ান ডলার ।

কুয়েত: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 13.63 দিনার ।

কানাডা :  প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম =  41.18 কানাডিয়ান ডলার ।

আমেরিকা: প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম (24 ক্যারাট) – 1 গ্রাম = 45.15 আমেরিকান ডলার ।

যেকোনো সময় স্বর্ণের রেট উঠানামা করতে পারে। যে যেখানে আছেন নিরাপদে থাকুন, আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন।নতুন নতুন খবর পেতে সবসময় আমার বাংলাদেশের এর সঙ্গে থাকুন। ধন্যবাদ ।

মায়ের কবরের পাশে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে তুবা !

রাজধানীর উত্তর বাড্ডা এলাকায় ছেলেধরা গুজবের জেরে গণপি*টুনিতে নি*হত তাসলিমা বেগম রেনুর (৪০) দা*ফন সম্পন্ন হয়েছে। রেনুকে তার বাবার বাড়ি লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের উপজেলার সোনাপুর গ্রামের পারিবারিক ক*বরস্থানে দা*ফন করা হয়।

মাকে দাফনের পর থেকে তার শিশু কন্যা তুবার (৪) কান্না যেন থামছেই না। মায়ের কথা বলেই ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে সে। মা ফিরে আসবে মি*থ্যা সান্ত্বনায় কিছু সময়ের জন্য কান্না থামানো হলেও ফের কাঁদছে তুবা। মা ড্রেস নিয়ে কখন ফিরবে তা জিজ্ঞাসা করছে বার বার। তার কান্নায় শোক ছড়িয়ে শোকের মাতম চলছে রেনুর স্বজনদের মধ্যেও।

তুবার ও তার ১১ বছরের ভাইয়ের লেখাপড়ার দায়িত্ব নিয়ে রেনু হ**ত্যা*য় সুষ্ঠু বিচার পেতে পরিবারটিকে আইনি সহায়তা দেওয়ার ঘো*ষণা দিয়েছেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল।তিনি বলেন, আজ থেকে তুবা ও তার ভাই বড় হবে আমার পরিচয়ে। তারা দু’জনই আমার সন্তান।

তাদের পড়ালেখা থেকে শুরু করে ভবিষ্যৎ নিয়ে যত ভাবনা আমার। এ হ*ত্যা*র বিচার ও দৃষ্টা*ন্তমূলক শা*স্তি হোক সে দাবি আমারও।
তিনি আরও বলেন, আপনারা গুজবে কান দেবেন না। ছেলেধরা স**ন্দেহে কাউকে গণ*পি*টুনি দিয়ে অপরাধ হাতে তুলে নেবেন না।প্রয়োজনে সন্দেহ হলে পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন এ জনপ্রতিনিধি।

হেলালের মোবাইলে ছিল বন্ড-মিন্নির গোপন ভিডিও ! যা দেখে মিন্নিকে মে’রেছেন রিফাত !

দেশব্যাপী আ’লোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হ’ত্যা*কা’ণ্ডের দুইদিন আগে হেলাল নামের এক বন্ধুর মোবাইল ফোন নিয়েছিলেন রিফাত।
সোমবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন হেলালের বোন পারুল বেগম ও স্ত্রী’ মনিকা বেগম। তবে কি কারণে বা কেন হেলালেন মোবাইল ফোন রিফাত নিয়েছিলেন তা জানাতে পারেননি তারা।

এরই মধ্যে রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ডের পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছেন হেলাল। এ কারণে তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি।সোমবার রাতে এসব বিষয়ে প্রথমে কথা হয় হেলালের স্ত্রী’ মনিকা বেগমের সঙ্গে। এরপর সেই কথোপকথনে যুক্ত হন হেলালের বড় বোন পারুল বেগম।পারুল বেগম বলেন, অ’সুস্থতার কারণে গত ২৪ জুন আমি হেলালকে সঙ্গে নিয়ে আমা’র র’ক্তের গ্রুপ যাচাই করার জন্য বাজারে যাই। বাজারের মিষ্টি পট্টি এলাকায় আম’রা পৌঁছালে রিফাত শরীফের সঙ্গে দেখা হয়।

এ সময় রিফাত শরীফ হেলালকে ডেকে নিয়ে তার মোবাইল ফোনটি দিতে বলেন। হেলাল নিজের মোবাইল ফোনটি রিফাতের হাতে দিলে মোবাইলটি নিয়ে চলে যান রিফাত। এ সময় রিফাত শরীফের সঙ্গে মিন্নিও ছিলেন।পারুল বেগম আরও বলেন, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে বাসায় এসে আমা’র মাকে বিষয়টি জানাই। তখন মা বেশ কয়েকবার রিফাত শরীফকে কল দিয়ে মোবাইলটি দিয়ে যেতে বলেন।

এরপর বিকেল ৫টার দিকে রিফাত আমা’র ভাই হেলালকে ডেকে নিয়ে মোবাইলটি দিয়ে দেন। এক প্রশ্নের জবাবে পারুল বেগম বলেন, মোবাইলটি রিফাত শরীফ কেন নিয়েছিলেন তা আমি জানি না। ওই মোবাইলে গো’পন বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য ছিল কিনা তাও আমি জানি না।হেলালের স্ত্রী’ মনিকা বেগম বলেন, হেলালের মোবাইলটি রিফাত শরীফ নিয়েছিলেন বরগুনা পৌর মা’র্কে’টের নিচে থাকাকালীন অবস্থায়। সকাল সাড়ে ১০টা বা ১১টার দিকে। মোবাইলটি নিলেও আমা’র শাশুড়ির অনুরোধে বিকেল ৪টা কিংবা ৫টার দিকে ফিরিয়ে দেন রিফাত।

এক প্রশ্নের জবাবে মনিকা বেগম বলেন, মোবাইলটি রিফাত শরীফ কেন নিয়েছিলেন তা আমি জানি না। মোবাইলে গো’পনীয় বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য ছিল কিনা তাও আমা’র জানা নেই।এদিকে, হেলালের কাছ থেকে মোবাইল নেয়ার দুইদিন পরই রিফাত হ’ত্যাকা’ণ্ডের ঘটনা ঘটে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বরগুনা জে’লা পু’লিশের এক সদস্য বলেন, ২৬ জুন বুধবার রিফাত শরীফ হ’ত্যাকা’ণ্ড সংঘটিত হয়।

ঘটনার দুইদিন আগে সোমবার রিফাত শরীফ হেলাল নামে তার এক বন্ধুর মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। হেলাল রিফাত শরীফের বন্ধু হলেও নয়ন ব’ন্ডের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিল।ওই মোবাইল উ’দ্ধারের জন্য নয়ন ব’ন্ড মিন্নির দারস্থ হয়। পরে রিফাত শরীফের কাছ থেকে ফোনটি উ’দ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উ’দ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মা’রধরের শিকার হয় মিন্নি।পু’লিশের এই সদস্য আরও বলেন, নয়নের কথায় রিফাত শরীফের কাছ থেকে হেলালের ফোন উ’দ্ধার করে মিন্নি। কিন্তু ওই ফোন উ’দ্ধার করতে গিয়ে রিফাত শরীফের মা’রধরের শি*কার হয় মিন্নি।

পরে হ’ত্যাকা’ণ্ডের আগের দিন মঙ্গলবার নয়নের সঙ্গে দেখা করে মিন্নি সেই মোবাইল নয়নের হাতে তুলে দেয়। এ সময় মিন্নি তার স্বামী রিফাত শরীফের হাতে যে মা’রধরের শি*কার হয়েছেন তার প্রতিশোধ নিতে নয়নকে মা’রধর করতে বলে।তবে মা’রধরের সময় নয়ন যাতে উপস্থিত না থাকে, সেটিও নয়নকে বলে দেয় মিন্নি। এরপর ওই দিন সন্ধ্যায় বরগুনা কলেজ মাঠে মিটিং করে রিফাত শরীফকে মা’রধরের প্রস্তুতি নেয় ব’ন্ড বাহিনী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নি’হত রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ বলেন, হেলালের কাছ থেকে মোবাইল নেয়ার বিষয়টি আমি জানি না। তবে রিফাত হ’ত্যায় মিন্নির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে আমি জানি।গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার বাবার বাসা থেকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরসহ মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার বক্তব্য রেকর্ড করতে বরগুনা পু’লিশ লাইন্সে নিয়ে যায় পু’লিশ।এরপর দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ ও বিভিন্ন মাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ এবং পু’লিশের কৌশলী ও বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে আ’ট’কে যান মিন্নি। বেরিয়ে আসে হ’ত্যাকা’ণ্ডে তার সম্পৃক্ততার প্রমাণ। এরপরই তাকে গ্রে’ফতার করে পু’লিশ।

বুধবার বিকেল ৩টার দিকে বরগুনার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ’দালতে মিন্নিকে হাজির করে সাতদিনের রি’মান্ড আবেদন করে পু’লিশ। শুনানি শেষে মিন্নির পাঁচদিনের রি’মান্ড মঞ্জুর করেন আ’দালতের বিচারক মোহাম্ম’দ সিরাজুল ইস’লাম গাজী।পরদিন বৃহস্পতিবার বরগুনার পু’লিশ সুপার মো. মা’রুফ হোসেন জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ ও বুধবার রি’মান্ড মঞ্জুরের পর পু’লিশের জিজ্ঞাসাবাদে ছিলেন আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি। ইতোমধ্যে মিন্নি স্বামী রিফাত শরীফ হ’ত্যাকা’ণ্ডে জ’ড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ হ’ত্যার পরিকল্পনার সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

আ’দালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দিতে আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বলেছেন, একটি গো’পন মোবাইল ফোন নম্বরে তিনি নয়ন ব’ন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে রিফাতকে শিক্ষা দিতে বলেন।ওই নম্বরে শুধু নয়নের সঙ্গেই কথা বলতেন তিনি। মোবাইল নম্বরটি নয়নের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন করা। এমনকি রিফাত খু’ন হওয়ার পরও ওই নম্বরে নয়নের সঙ্গে মিন্নির দীর্ঘ সময় ধরে ফোনালাপ হয়।পলাতক থাকা নয়নকে মিন্নি বলেন, ‘তুমি তো রিফাতরে কো*পাইয়া মাই’রা ফালাইছ। এখন তো তুমি ফাঁ’সির আ’সামি হইবা।’ হ’ত্যাকা’ণ্ডের আগে-পরে এসব কথাবার্তার ভয়েস রেকর্ড ও কললিস্ট সিডি আকারে মা’মলার নথিতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইস’লাম গাজীর খাসকাম’রায় ১৯ জুলাই এ জবানব’ন্দি রেকর্ড করা হয়।
খাসকাম’রায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানব’ন্দি রেকর্ড করার সময় বিচারক ও মিন্নি ছাড়া আর কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন নাআড়াই পৃষ্ঠার জবানব’ন্দিতে রিফাত খু’নের বিবরণ দেন মিন্নি। পু’লিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র রোববার এসব তথ্য নিশ্চিত করে।তবে এই জবানব’ন্দি প্রত্যাখ্যান করেছে মিন্নির পরিবার। মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হক কিশোর রোববার রাতে বলেন, ‘আহা রে এই হল দুনিয়া।

আমা’র মেয়েটারে মা’রধর করে জবানব’ন্দি নিয়েছে পু’লিশ। জে’লখানায় যখন আমি কথা বলতে গেছি তখন মেয়েটা আমা’র কা’ন্নায় ভেঙে পড়ে। বলেছে, ‘বাবা পু’লিশ আমাকে যা শিখিয়ে দিয়েছে তাই বলেছি।আমি এ ঘটনার সঙ্গে জ’ড়িত নই। স্বামীকে আমি কেন খু’ন করাতে যাব।’ তিনি বলেন, ‘১২ ঘণ্টা পু’লিশ লাইনে বসিয়ে রেখে আমা’র মেয়েকে প্রচুর মা’রধর করা হয়। যখন আ’দালতে তোলা হয় তখন আমা’র মেয়ে ঠিকমতো দাঁড়িয়ে থাকতেও পারছিল না।’

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বরগুনার পু’লিশ সুপার মা’রুফ হোসেন রোববার বলেন, ‘মিন্নির পরিকল্পনায় রিফাত শরীফ খু’ন হন। তিনি আ’দালতে দেয়া জবানব’ন্দিতে সব স্বীকার করেছেন।’জবানব’ন্দিতে মিন্নি বলেন, ৬ লাখ টাকা কাবিনে ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর নয়ন বল্ডের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নয়ন ব’ন্ডের মা সাহিদা বেগমসহ অনেকেই এই বিয়ের বিষয়টি জানতেন।কিন্তু মিন্নি বিয়ের বিষয়টি গো’পন রেখে পরে রিফাতকে বিয়ে করেন। রিফাতের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়ন ব’ন্ডের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা ছিল। কলেজের দেয়ালের নিচ দিয়ে তিনি নয়নদের বাড়িতে প্রায়ই যেতেন।

জবানব’ন্দিতে মিন্নি বলেন, নয়নের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পারেননি। কারণ মিন্নির একটি ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও নয়নের কাছে ছিল।এছাড়া জুনের ৩ তারিখে নয়ন ব’ন্ড গ্রুপের সদস্য হেলালের মোবাইল ফোন সেট জো’র করে নিয়ে যায় রিফাত শরীফ। এ নিয়ে নয়নের সঙ্গে রিফাতের কথা কা’টাকাটি হয়। একপর্যায়ে নয়ন ব’ন্ড মিন্নিকে বলেন, ‘রিফাতকে ফোন ফিরিয়ে দিতে বল। না হলে পরিস্থিতি খা’রাপ হবে। হ’ত্যাকা’ণ্ডের দু’দিন আগে রিফাতকে মিন্নি বলেন, তুমি হেলালের ফোন ফেরত দাও।’

ফিলিস্তিনিতে বন্দি শিশুদের এক ফোঁটা পানিও দেওয়া হয়না !

একফোঁটা পানিও পান করতে দেওয়া হয়না ফিলিস্তিনি বন্দি শিশুদেরকে। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি বেসরকারি সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালের পর থেকে ইসরাইলি সেনারা প্রায় ৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি শিশুকে আটক করেছে।

ফিলিস্তিনি শিশু দিবস উপলক্ষে শুক্রবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, আটককৃত শিশুদের ৯৮ শতাংশই বন্দী অবস্থায় শারীরিক ও মানসিক নিপী*ড়নের শি*কার হয়েছে।সংস্থাটি জানায়, প্রথমে গুলি করে আহত করার পর শত শত ফিলিস্তিনি শিশুকে আটক করে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ।
রামাল্লাহভিত্তিক কারাবন্দী বিষয়ক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের কমিটির তথ্য অনুযায়ী বর্মানে ইসরাইলের কারাগারে বন্দী রয়েছে রয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি।এদের মধ্যে ৪৮ নারী ও ২৫৯ জন শিশু রয়েছে। বেসরকারি সংস্থা ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি অনুযায়ী দখলকৃত

পূর্ব জেরুজালেমের শিশুরাই সবচেয়ে বেশি ইসরাইলি বাহিনীর হামলা-নিপীড়নের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে এখানকার শত শত শিশু প্রতি মাসে অন্তত একবার গ্রে*ফতারের ঝুঁকিতে থাকে।বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাতের বেলা চালানো অভি*যানে শিশুদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ ও আটক কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাদের খাবার ও পানি বঞ্চিত করে রাখা হয়। শিশুদের জিজ্ঞাসাবাদের সময় একজন অভিভাবকের উপস্থিতির অধিকার প্রায়ই লঙ্ঘন করা হয়। এসব শিশুদের প্রায়ই হিব্রু ভাষায় লেখা বিবৃতিতে স্বাক্ষর করতে বলা হয়- যদিও ওই ভাষা তারা বোঝে না।আটক শিশুদের মুক্তি দেয়া হলেও প্রায়ই তারা দুঃস্বপ্ন দেখে, নিদ্রাহীনতায় ভোগে, স্কুলে অমনোযোগী হয়ে যায় আর পরিবার ও সমাজের পরিবেশের যেকোনো ঘটনাতেই অল্পতেই রেগে যায়।

ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে ফিলিস্তিনি শিশুদের অধিকার রক্ষায় ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

তুমি রিফাতরে কো’পাইয়া মা’ইরা ফালাইছ এখন তো তুমি ফাঁ’সির আসামি হইবা নয়নকে মিন্নি !

রিফাত শরীফ হ*ত্যা* ঘটনায় বিভিন্ন ঘটনা এখন বিভিন্ন দিকে মোড় নিচ্ছে, প্রতিনিয়ত নি*ত্য*নতুন ঘটনা গণমাধ্যমে উঠে আসছে। এই ঘটনায় রিফাতের স্ত্রী মিন্নি জড়িত কিনা, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার পরে অবশেষে এই খু**নের সঙ্গে মিন্নির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। সেই সূত্রেই এখন মিলছে চাঞ্চ*ল্যকর সব তথ্য।

বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম গাজীর খাসকামরায় ১৯ জুলাই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির আড়াই পৃষ্ঠার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন শুধুমাত্র বিচারক ও মিন্নি।জবানবন্দিতে মিন্নি বলেন, গো**পন একটি মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে নয়ন বন্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে রি*ফাতকে একটা শিক্ষা দিতে বলা হয়। সেই নম্বরটিতে মিন্নি শুধু নয়*নের সঙ্গেই কথা বলতেন। সেটি নয়নের মায়ের নামে রেজিস্ট্রেশন* করা। রিফাত খু*ন হওয়ার পরেও ওই নম্বরে নয়নের সঙ্গে মিন্নির দীর্ঘ সময় ধরে ফোনা*লাপ হয়।

নয়নকে মিন্নি বলেন, ‘তুমি তো রিফাতরে কো*পা*ইয়া মা*ইরা ফালাইছ। এখন তো তুমি ফাঁসির আসামি হইবা।’
হ*ত্যা*কা*র আগে-পরে এই কথাগুলোর ভয়েস রেকর্ড এবং কললিস্ট সিডি আকারে মা*মলার নথিতে সংযুক্ত করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে রোববার বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, মিন্নির পরিকল্পনায় রিফাত শরীফ খু*ন হন। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মিন্নি সব স্বীকার করেছে।জবানবন্দিতে মিন্নি জানান, ৬ লাখ টাকা কাবিনে ২০১৮ সালের ১৫ অক্টোবর নয়ন বল্ডের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। নয়ন বন্ডের মা সাহিদা বেগমসহ অনেকেই এ বিয়ের বিষয়টি জানতেন। পরে এ বিয়ের বিষয়টি গো*পন রেখে মিন্নি রিফাত শরীফকে বিয়ে করেন।

কিন্তু রিফাতের সঙ্গে বিয়ের পরও নয়ন বন্ডের সঙ্গে মিন্নির ঘনিষ্ঠতা ছিলো। কলেজের দেয়ালের নিচ দিয়ে মিন্নি নিয়মিত নয়নদের বাড়ি যেতেন। ঘনিষ্ঠ মুহূ*র্তের ভিডিও থাকার কারণে নয়নের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে পারেননি।জুনের ৩ তারিখে রিফাত শরীফ বন্ড গ্রুপের সদস্য হেলালের মোবাইল ফোন জোর করে নিয়ে নেয় বলে নয়নের সঙ্গে এটা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এ*কপর্যায়ে নয়ন বন্ড মিন্নিকে বলেন রিফাত যেন ফোন ফিরিয়ে দেয়, না হলে পরিস্থিতি খা*রা*প হবে। এরপর রিফাতকে মিন্নি বলেন, তুমি হেলালের ফোন ফেরত দাও।

মিন্নির কথা শুনে রিফাত ক্ষিপ্ত হয়ে যান। নয়*নের সঙ্গে যোগাযোগ আছে জেনে মিন্নিকে প্রচণ্ড মার*ধরও করে রিফাত। এর পরদিনই নয়নের কাছে রিফাতের বি*রুদ্ধে অ*ভিযোগ করেন মিন্নি। তিনি রিফাতকে শিক্ষা দিতে বলেন। এ কথা শো*নার পর নয়ন মিন্নিকে শিখিয়ে দেন, কোথায় কীভাবে রিফাতকে নিয়ে যেতে হবে। সেই অনুযায়ী মিন্নি ঘটনার দিন রি*ফাতকে কলেজে এসে তাকে নিয়ে যেতে বলেন।

রিফাত কলেজে এলে তাকে নিয়ে কলেজ থেকে বের হয়ে রাস্তা*য় আসেন মিন্নি। কিন্তু পরিকল্পনা অনুযায়ী কলেজের সামনের রাস্তায় নয়নের লোক*জন প্রস্তুত না থাকায় গোপন ফোন নম্বর দিয়ে নয়নের নম্বরে ফোন করে মিন্নি বলেন, তোমার পো*লাপান কই। এর কিছুক্ষণ পর নয়ন বন্ডের ছেলেরা হাজির হয়। নয়ন বন্ডের সাঙ্গপাঙ্গরা রিফাতকে জাপটে ধরে প্রথমে কি*ল-ঘু*ষি এবং একপর্যায়ে এলোপা*তাড়ি কো*পা*নো শুরু করে।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হমায়ুন কবির বলেন, মিন্নি অনেকগুলো মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতেন। এসব নম্বর ব্যবহার করে খু*নে*র আগে-পরে তিনি নয়ন বন্ডের সঙ্গে দীর্ঘসময় কথা বলেছেন। ওইসব সিমগুলোর কো*নটিই মিন্নির নিজের নামে ছিলো না।এমনকি, নয়ন বন্ডের দেওয়া মোটা অংকের টাকা মিন্নির একটি ব্যাংক হিসাবে রাখা আছে বলে প্র*মাণ পেয়েছে পুলিশ।

ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মা’মলা হওয়ায় ঝড় উঠেছে হবিগঞ্জে !

আন্তর্জাতিক অ’প’রাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বি’রুদ্ধে মা’*মলা দায়েরের প্রতিবাদে ঝড় উঠেছে তার নিজ জে’লা হবিগঞ্জে। জে’লার চুনারুঘাট উপজে’লায় সুমনের জন্মস্থানের লোকজন এ ব্যা*পারে রাজপথে আ’ন্দোলনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

আজ সোমবার সুমনের বি’*রুদ্ধে মা*’মলা দায়ের হওয়ার খবর বিভিন্ন টেলিভিশন, অনলাইন ও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সুমনের অনুসারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা ফেসবুকে এর বি*’রুদ্ধে বিভিন্ন স্ট্যাটাস দেন।সুমনের ঘনিষ্ট একজন হবিগঞ্জের শামীমা শাম্মি ফেসবুকে লেখেন, চো’৮ৎ*রের মায়ের বড় গলা!! অন্যায় করেছে প্রিয়া সাহা আর চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে প্রতিবাদ, প্র*তিরোধ করার চেষ্টা করায় ফাঁ*’সানো হচ্ছে নি’*র্দোষ দুলাভাই ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনকে!

উনার মা’*মলা যদি খারিজ করা যেতে পারে তাহলে উনার বি’রুদ্ধে করা মা’*মলাও খারিজ হওয়ার কথা! রাষ্ট্রের পক্ষে কথা বলা কেন অন্যায় হবে আর রাষ্ট্রদ্রোহী হলে কেন অন্যায়, অ’প’রাধ হবে না! একজন সুমন ব্যারিস্টার এই দেশে বারবার জন্মাবে না…..!!
আরেকজন লিখেছেন, ধ’র্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ক্ষুদা দারিদ্রমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে হলে ব্যারিস্টার সুমন ভাইয়ের মতো মানুষদের এদেশে খুব দরকার। সারা বিশ্বের বিস্ময় হিন্দু-মু’সলিম-বোদ্ধ-খ্রিস্টানসহ এক অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ আমা’র প্রিয় জন্মভূমি।

সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা নামক এক মহিলা যে অ*সত্য এবং বানোয়াট বক্তব্য উপস্থাপন করেছে সেটি নিঃসন্দেহে দেশবিরোধী ষড়*যন্ত্র। আর এই দেশবি*রোধী ষড়*যন্ত্রের বি’রুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো ধ’র্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেকে নাগরিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজে’লার আমীর হামজা নামক এক সাংবাদিক লিখেছেন, মানবতার ফেরিওয়ালা, বাংলার নক্ষত্র ব্যারিস্টার সুমনের ওপর মিথ্যা মা’*মলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজে’লার ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমান সোহাগ জানান, তারা ব্যারিস্টার সুমনের বি’রুদ্ধে এই মা’মলা দায়েরের প্রতিবাদে রাজপথে নেমে আ’ন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মঙ্গলবার চুনারুঘাট উপজে’লা শহরে মানববন্ধন ও বি’ক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে।

হবিগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়জুর রহমান রবিন জানান, ব্যারিস্টার সুমনের বি’রুদ্ধে মিথ্যা ও হয়’রানিমূলক মা’মলা দায়েরের প্রতিবাদে হবিগঞ্জ শহরে মঙ্গলবার মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। ব্যারিস্টার সুমনের সম’র্থক হবিগঞ্জ তথা সমগ্র দেশেই আছেন।
সকলেই আ’ন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিদেশেও তার ভক্ত এবং অনুসারী আছেন। তারাও আ’ন্দোলন করবেন। ব্যক্তিগত বিষয়কে সাম্প্রদায়িক বিষয় বানানোর অ’পচেষ্টার নিন্দা জানান তিনি।

এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুলক হক সুমন বলেন, তারা যে ফেসবুক আইডি দিয়ে মা’**মলা করেছে এটি আমা**’র ফেইক আইডি। এ ব্যাপারে আমি এক মাস পূর্বে জিডি করেছি। আর আমি মা’*মলা করেছি একজন ব্যক্তির বি*’রুদ্ধে। কোনো সম্প্রদায়ের বি’*রুদ্ধে নয়।
কেন তারা এটি সাম্প্রদায়িকভাবে নিচ্ছে সেটি আমা’র বুঝে পড়ছে না। আর অন্যায়ের বি*’রুদ্ধে এবং দেশের পক্ষে অধিকারের দাবি আদায়ের সংগ্রাম করতে গিয়ে যদি কেউ এভাবে মা’*মলার শি*কার হয় তাহলে তো কেউ আর অধিকার আদায়ের আ’ন্দোলন করবে না।

তাহলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কি হবে।তিনি আরো বলেন, জনগণ আমাকে ভালোবাসে। তাই তারা দেশের বিভিন্নস্থানে আ’ন্দোলন করছেন বলে শুনছে পেরেছি। অনেকে ফেসবুকে এবং টেলিফোনে আমাকে সহানুভূতি জানিয়েছেন। তবে আমি বিষয়টি আইনিভাবেই মোকাবেলা করব। আর এই মা’মলায় প্রমাণ হয়েছে এই দেশে হিন্দুরা নির্যাতিত নন।

প্রিয়া সাহার বিচারের দাবিতে তার নিজ এলাকায় মানববন্ধন

দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা বক্তব্যের প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে তার নিজ এলাকার মানুষ পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার জনগণ। সোমবার দুপুরে নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কাছে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের মিথ্যা তথ্য দিয়েছে প্রিয়া সাহা।

তিনি নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্য বিদেশীদের কাছে দেশ বিরোধী মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন।

বক্তারা আরো বলেন, নাজিরপুরে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহবস্থান করছে। এখানে কোন হিন্দু নির্যাতন বা গুমের ঘটনা নেই। প্রিয়া সাহা যে মিথ্যাচার করেছে তা রাষ্ট্রবিরোধী। এ কারণে প্রিয়া সাহাকে দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি দাবী করেন তারা।

এ সময় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ খান, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, কনসার্টেড ইম্পিরিয়্যাল ক্লাবের সভাপতি হৃদয় খানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ইরানকে সৌদি অরবের কঠোর হুঁশিয়ারি

ইরানের বৃটিশ ট্যাংকার আ*টকে*র তীব্র নিন্দা জানিয়েছে সৌদি আরব। দেশটি একে আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি অসম্মান হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। একইসঙ্গে অবিলম্বে ইরানকে বৃটিশ ট্যাংকার ছেড়ে দিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে রিয়াদ। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবেইর বলেন, ইরান যা করেছে তা স¤পূর্ন অগ্রহণযোগ্য। বিশ্ব সম্প্রদায়কে অবশ্যই ইরানকে এখনই উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে।

গত দুই মাস ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধের দামামা বাজছে। সৌদির আমন্ত্রণে ইরানকে শিক্ষা দিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু থেমে নেই ইরানও।

নিজেদের জলসীমায় বৃটিশ ট্যাংকার প্রবেশের অ*ভিযোগে সেটিকে আটক করেছে দেশটির রেভ্যুলুশনারি বাহিনী আইআরজিসি। আর এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পর বৃটেনের সঙ্গেও স¤পর্কে টানাপড়েন চলছে ইরানের। এ নিয়ে দু দেশের মধ্যে চলছে বিবৃতি-পাল্টা বিবৃতি। তারইমধ্যে বৃটেনের পক্ষ নিয়ে ইরানকে এমন হুঁশিয়ারি বার্তা দিলো সৌদি আরব।

এর আগেও গত মাসে সৌদি বাদশাহ সালমান ইরানকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আখ্যা দিয়ে দেশটির বি*রুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণে আরব রাষ্ট্র প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন।সূত্র : আরব নিউজ

নিজের বি*রুদ্ধে মামলা নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সুমন

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অ*ভিযোগে সাইবার ট্রাইব্যুনালে ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইয়েদুল হক সুমনের বি*রুদ্ধে মামলা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আস-শামস জগলুল হোসেনের আদালতে এ মা*মলা করেন রাজধানীর ভাষাণটেকের সমাজসেবক গৌতম কুমার এডবর।

আর তাকে আইনগত সহায়তা করেন বাংলাদেশ হিন্দু আইনজীবী পরিষদের সভাপতি আইনজীবী সুমন কুমার। তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সঞ্চয় কুমার দে দুর্জয়।

অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় মামলার আবেদন করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়েছে।’

মামলার আবেদনে, দণ্ডবিধির ২৯৫ (ক) ও ২৯৮ ধারায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও ধর্মীয় পবিত্রতা নষ্টে অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে ৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার আরজিতে জানানো হয়, গত ১৯ জুলাই ব্যারিস্টার সাইয়্যেদুল হক সুমন তাঁর ফেসবুক পেজে বলেন, পৃথিবীর মধ্যে নিকৃষ্ট এবং বর্বর জাতি হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী, যাদের ধর্মের কোনো ভিত্তি নেই। মনগড়া বানানো ধর্ম। হয়তো দু-একটি খবর নিউজে প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া আরো অনেক ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায় তাদের নৃশংসতার আড়ালে।

আরজিতে আরো বলা হয়, ব্যারিস্টার সুমন গত ১৯ এপ্রিল সনাতন ধর্ম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে মিথ্যা, অশ্লীল ও চরম আপত্তিকর মন্তব্য করেন। যার ফলে হিন্দুসমাজ তথা গোটা জাতির মধ্যে এ নিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। আসামির এ রকম আচরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অশ্লীল অবমাননাকর ও অরুচিপূর্ণ বক্তব্যর ফলে রাষ্ট্র ও হিন্দুসমাজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে।

v

আসামির এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদানের ফলে সাধারণ জনগণ নীতিভ্রষ্ট, অসৎ হতে উদ্যত হওয়ার ফলে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন হওয়ার আশঙ্কা আছে।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কোনো ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হলে মামলা দায়ের করা তাঁর সাংবিধানিক অধিকার। ফেসবুকের যে অ্যাকাউন্ট থেকে এটি ছড়ানো হয়েছে, সেটা আমার নামে ভুয়া আইডি ছিল।’

ব্যারিস্টার সুমন আরো বলেন, ‘এ মামলার মাধ্যমে প্রমাণিত, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এ দেশে স্বাধীনভাবে বসবাস করছে এবং আদালতে তারা ন্যায়বিচার পাচ্ছে।’

ফুটফুটে এক কন্যা সন্তানের জননীকে পি*টিয়ে হ*ত্যা*কারী সেই যুবকের পরিচয় মিলেছে

রাজধানীর বাড্ডায় গ*ণপি*টুনি দিয়ে এক নারীকে হ**ত্যার ঘটনায় তিন যুব*ককে আ**টক করেছে পুলিশ। মোবাইল ফোনের ভি*ডিও ফুটেজ দেখে রোব*বার রাতে তাদের আ**টক করা হয়েছে। আ*ট*করা হলেন- জাফর, শাহীন, বাপ্পী।

বাড্ডা থানার বাড্ডা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞা*সাবাদের জন্য তিন যুবককে বাড্ডা থেকে আ**টক করা হয়েছে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি *ভাইরাল হওয়া হৃদয় নামের অভিযুক্ত একজনকে এখনো আ*ট*ক করা যায়নি।

গতকাল শনিবার সকালে উত্তর বাড্ডায় ছে*লে*ধরা স*ন্দেহে ওই নারীকে পি*টি*য়ে আ*হত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গু*রু*তর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে ক*ব্যরত চিকিৎসক মৃ*ত* ঘোষণা করেন।

এদিন সন্ধ্যায় ঢামেক হাস*পাতালে নি*হ*তের মরদেহ শনাক্ত করেন তার ভা*গিনা ও বোন রেহানা। তারা জানায়, নি*হ*তের নাম তসলিমা বেগম রেনু। তার ১১ বছরের এক ছেলে ও চার বছর বয়সী এক মে*য়ে রয়েছে। আড়াই ব*ছর আগে তসলিম উদ্দিনের সঙ্গে তার বি*বাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে ছে*লে*মেয়েকে নিয়ে মহাখালী ওয়ারলেস এলাকায় একটি বাড়িতে থাকতেন তিনি।

নি*হ*তের ভাগিনা নাসির উদ্দিন বলেন, রেনু মা*ন*সিক রোগে ভুগ*ছিলেন। চার বছর বয়সী মে*য়েকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য তিনি এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে ঘুরছিলেন। এ কা*রণেই হয়তো তিনি বাড্ডার ওই স্কুলটিতে যান।

এ ঘটনায় শ*নিবার বাড্ডা থানায় অজ্ঞাত ৪০০ থেকে ৫০০ জনের বিরুদ্ধে হ*ত্যা* মা*ম*লা করেন নাসির উদ্দিন। মা*ম*লায় বলা হয়েছে, অত*র্কিত*ভাবে ওই নারীকে স্কুলের অভি*ভাবক, উৎসুক জনতাসহ অনেকে গ*ণ*পিটুনি দেয়। এতে তার মৃ*ত্যু* হয়। এ ঘটনায় প্র*ত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আনু*মানিক ৪০০ থেকে ৫০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জড়িত।