পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি বিক্রি করলেই জ,রিমানা !

পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি বিক্রি করলেই বিক্রেতাকে জরিমানা করা হবে বলে ব্যবসায়ীদের জানিয়ে দিয়েছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা শশী।একই সঙ্গে পেঁয়াজের দাম বেশি রাখায় অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ইউএনও। এ সময় অতিরিক্ত পেঁয়াজ মজুত রাখায় দুই ব্যবসায়ীর গুদাম সিলগালা করে দেন তিনি।

অভিযান শেষে শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের ডেকে চুনারুঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত ইউএনও নুসরাত ফাতিমা শশী বলেন, পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকার বেশি রাখলেই জরিমানা করা হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। আপনারা পেঁয়াজের দাম ৫৫ টাকার বেশি রাখতেপারবেন না। পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখার হুঁশিয়ারি দিয়ে ব্যবসায়ী নেতাদের ইউএনও বলেন, কোনো অবস্থাতেই ৫৫ টাকার বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করবেন না, করলে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। প্রতিটি দোকানে পেঁয়াজের মূল্য তালিকা টাঙাতে হবে,

পেঁয়াজ ক্রয়-বিক্রয়ের রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। কোনো ক্রেতার সঙ্গে কোনোভাবেই প্রতারণা করা যাবে না। পেঁয়াজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে মূল্য বৃদ্ধি করলে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেব না আমরা। ইউএনওর হুঁশিয়ারিতে পেঁয়াজের কেজি ৫৫ টাকা কার্যকরের জন্য একদিনের সময় নেন ব্যবসায়ী নেতারা। কারণ হিসেবে ইউএনওকে তারা বলেছেন, বেশি দামে পেঁয়াজ কেনা আছে এবং মজুত রয়েছে।
এসব পেঁয়াজ বিক্রি শেষ হলেই ৫৫ টাকা কেজিতে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করব আমরা।

উপজেলা ভূমি অফিসের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- চুনারুঘাট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল সালাম তালুকদার, সেক্রেটারি মাসুদ আহম্মেদ, ক্যাব চুনারুঘাট উপজেলা সেক্রেটারি সাংবাদিক মনিরুজ্জামান তাহের ও মুদি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আজগর আলী প্রমুখ।
এর আগে চুনারুঘাট বাজারে অভিযান চালান ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত ফাতিমা শশী। এ সময় পেঁয়াজ কেনার রশিদ না থাকা এবং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে

পেঁয়াজ বিক্রি করায় স্বপন স্টোরকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি অবৈধভাবে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ মজুত রাখায় স্বপনের গুদাম ও এবং সোহেলের গুদাম সিলগালা করে দেয়া হয়।

পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুখবর দেন !

পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সেখানকার শ্রমবাজার আবার খুলে দেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে।
রোববার দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে দুবাই এয়ার শো-২০১৯-এর ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আবুধাবির যুবরাজ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সশস্ত্র বাহিনীর ডেপুটি সুপ্রিম কমান্ডার শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান এক সৌজন্য সাক্ষাতকালে এ ইঙ্গিত দেন।

বাসস জানায়, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য শিগগিরই শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেয়ার কথা বলেন যুবরাজ নাহিয়ান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, আপনার পরবর্তী আমিরাত সফরকালে আপনাকে এ প্রশ্নটি আর করতে হবে না।

তিনি বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আগের চেয়ে বেশি ওয়ার্ক পারমিট দেয়ারও ইঙ্গিত দেন।সাক্ষাৎ শেষ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, যুবরাজ বাংলাদেশ থেকে চাল আমদানিরও আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ একটি উদ্বৃত্ত চাল উৎপাদনকারী দেশ। বাংলাদেশ বিভিন্ন ধরনের চাল উৎপাদন করছে। আমরা বিভিন্ন দেশে চাল রপ্তানি করছি।

এসময় যুবরাজ তাকে বলেন, বাংলাদেশ থেকে সেরা মানের চাল আমদানি করতে চায় আরব আমিরাত। তার দেশ তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের চাল দেখার জন্য বাংলাদেশে একটি প্রতিনিধিদল পাঠাবে।বৈঠকের সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

আরব আমিরাতে বাংলাদেশী ভোটার তালিকা প্রণয়ন শুরু এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন।

বিশ্বের অন্যতম বড় এভিয়েশন প্রদর্শনী ‘দুবাই এয়ার শো-২০১৯’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১৭ নভেম্বর) সকালে পাঁচ দিনব্যাপী ষোড়শ দ্বিবার্ষিক এয়ার শো ইভেন্ট ‘দুবাই এয়ার শো-২০১৯’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। দুবাইয়ের ভবিষ্যত বিমানবন্দরের (দুবাই আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবেও পরিচিত) দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে এই এয়ারশোটি শুরু হয়েছে।

১৭ থেকে ২১ নভেম্বর প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুবাইয়ের আকাশে দ্বিবার্ষিক এই এয়ার শো টি অনুষ্ঠিত হবে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সফল এয়ার শো এবং মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও আফ্রিকা বৃহত্তম এরোস্পেস ইভেন্ট।

বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে এই এয়ারশো-তে অংশ নেন। পরে তিনি দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ফ্লাইং ডিসপ্লে উপভোগ করেন।

এ বছর সারা বিশ্বের ৮৭ হাজারের বেশি ট্রেড ভিজিটর ও ১ হাজার ৩শ’র বেশি এক্সিবিটর দুবাইয়ের ভবিষ্যৎ বিমান বন্দর দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে এ উপলক্ষে সমবেত হয়েছেন। এছাড়াও এতে ১৬০টি দেশ থেকে ১৬৫টি বিমান অংশ নিচ্ছে।

এটি ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত এয়ার শো সাফল্যকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের এই শোতে ১১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যে অর্ডার পাওয়া গিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল এয়ারবাসের কাছে ৪৩০টি বিমানের জন্য ৪৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ইন্ডিগো পার্টনার্স অর্ডার এবং ফ্লাইদুবাইয়ের সাথে বোয়িংয়ের ২৭ বিলিয়ান মার্কিন ডলার চুক্তি।

১৯৮৯ সালে দুবাই এয়ার শোটি প্রথম প্রদর্শিত হয়। এটি এখন বেসামরিক বিমান শিল্পের জন্য একটি বৈশ্বিক প্লাটফরমে পরিণত হয়েছে। এখানে বিশ্বের বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এখানে তাদের প্রস্তুতকৃত নতুন মডেলের বিমান প্রদর্শন ও বিক্রয় করেন। পাশাপাশি, এখানে প্রাইভেট ও পাবলিক সেক্টরের কোম্পানিগুলো নতুন নতুন প্রযুক্তি, সুযোগ এবং এই শিল্পের প্রতিবন্ধকতাগুলো নিয়েও আলোচনা করতে পারেন।

ইউএই’র বিমান কোম্পানিগুলো বেশ কিছু নতুন অর্ডার ঘোষণা করে ও তাদের আগের চুক্তিগুলো নিশ্চিতের মাধ্যমে একে এই অঞ্চলের সবচেয়ে সফল ও বৃহত্তম প্রদর্শনীতে পরিণত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আবু ধাবির শাংরিল-লা হোটেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহম্মদ ইমরান আয়োজিত এক নৈশভোজে তিনি যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন সময়ে এই হোটেলেই অবস্থান করছেন।

প্রধানমন্ত্রী দুবাই এয়ার শো-২০১৯ ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চার দিনের সরকারি সফরে শনিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত পৌঁছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী ১৮ নভেম্বর আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত বাংলাদেশীদের ভোটার তালিকা প্রণয়ন শুরু এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণে নির্বাচন কমিশনের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন।শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাঁর চার দিনের সফর শেষে ১৯ নভেম্বর দেশে ফিরবেন।

সন্তানকে বীভৎসভাবে মা’ রছে গৃহকর্মী, ক্যামেরায় লাইফ দেখছেন বাবা !

‘বাসায় ফিরে আমার সন্তানকে জড়িয়ে ধরেছি, কোলে তুলে নিয়েছি, অনেক আদর করেছি। কিন্তু অন্য দিনের মতো চিৎকার করে বাবা বাবা করে ডাকে নাই। বাচ্চাটা মা’র আর লাথির ভয়ে এতটাই ভীত হয়ে পড়েছিল যে ‘বাবা’ বলতে যেন ভুলেই গিয়েছিল! আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সেইসঙ্গে আমাদের মতো দম্পতিরা যেন সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হয়। সবাই দোয়া করবেন আমার নিষ্পাপ বাচ্চাটার জন্য’— কথাগুলো বলছেন এক শিশু সন্তানের বাবা।

দুইবছর একটি শিশুকে ৪০ বছর বয়সী গৃহকর্মীর ভয়াবহ নির্যা’ তনের দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। এই ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। টাইমলাইনে ঘুরতে থাকা এ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে— এটিকে অমানবিক, লোমহর্ষক ও বীভৎস ঘটনা বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুরে ওই ঘটনাটি ঘটে। এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মো. আল আমিন সরকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শিশুটির মা লুৎফুন্নাহার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এই দম্পতির একমাত্র শিশু আবদুল্লাহ আবতাই আয়াতের বয়স মাত্র দুই বছর। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরি করায় আয়াত থাকত বাসায় গৃহকর্মীর কাছে।

কিছুদিন ধরেই সন্তানকে দেখে এমনই কিছু একটা আশংকা হয়েছিল বাবার। যে কারণে তিনি দ্রুত নিজের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন। আইপি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ তিনি নিজের স্মার্টফোনেই লাইভ দেখতে পারতেন। যে কারণে নিজের সন্তান চোখে চোখেই থাকত।

অবশেষে এল ১৪ নভেম্বর ২০১৯! অফিসে বসে ভয়ংকর এক দৃশ্য চোখে পড়ল আল আমিন সরকারের। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে গৃহকর্মী দ্বারা সন্তানকে নির্যাতনের দৃশ্য! বাথরুম থেকে ঘরের ভেতর ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওইটুকু শিশুকে একের পর এক লাথি মা’ রতে থাকে সেই গৃহকর্মী!

অতঃপর ক্রন্দনরত শিশুকে সেভাবে ফেলে দিয়েই আবারও নিজের কাজে মন দেয় সে। প্রযুক্তির কল্যাণে অফিসে বসে কলিজার টুকরা সন্তানের ওপর এই ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে চিৎকার করা ছাড়া বাবার তখন কীইবা করার ছিল! সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ছোটেন বাসার দিকে। গৃহকর্মীর হাত থেকে উদ্ধার করেন নিজের সন্তানকে।

এই ঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর রাত সোয়া ৯টার দিকে শাহজাহানপুর থানায় শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) এর ৭০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন আল আমিন সরকার।

অভিযুক্ত গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা আল আমিন সরকার বলেন, ‘আমি একজন অসহায় বাবা, যাকে দেখতে হয়েছে ২ বছরের সন্তানকে বীভৎস মা’ রের দৃশ্য! এই নির্যাতনের দৃশ্য দেখেও কিছু করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছি আমি। দেখা ছাড়া কিছু করার ছিল না আমার!’ (সূত্র: কালের কণ্ঠ)

আরব আমিরাতে প্রবাসী কর্মীরা জেনে নিন বছর শেষে ছুটি বা বোনাসের হিসাব !

একজন এশিয়ান কর্মী রিপোর্ট করেছে : আমি ২০১৮ সালের মে মাসে একটি কোম্পানতে কাজে নিযুক্ত হই । গত মাসে আমি বার্ষিক লিফ মানি বা ছুটির বেতনের জন্য আবেদন করেছি, তবে এটি আমার কোম্পানি প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। তারপরে, আমি এই মাসে আবার আমার বার্ষিক ছুটির জন্য আবেদন করেছি এবং দুই মাসের জন্য একটি অবৈতনিক ছুটির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

উপরন্তু সময়ে এক বছর কাজ শেষে , আমি আমার দেশে যাওয়ার একটি বিমানের টিকিট পাওয়ার অধিকারী, কিন্তু নিয়োগকর্তা বলেছিলেন যে তারা আমাকে আগস্ট মাসে বিমানের টিকেট দিবে । কোম্পানি আমাকে আরও জানায় যে আমার বেতন হ্রাস করা হবে। আমি কিভাবে এই সমস্যা হ্যান্ডেল করব ? আমরা অনুমান করি যে আপনি আরব আমিরাতে এক কোম্পানিতে নিযুক্ত হন এবং তাই আপনার কর্মসংস্থান ফেডারেল ল নং (৮) এর ১৯৮০ এর বিধান সাপেক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মসংস্থানের সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করে (‘কর্মসংস্থান আইন’ )। আপনার নিয়োগকর্তার সাথে এক বছরের কর্মসংস্থানের সমাপ্তির পরে আপনি ৩০ দিনের বার্ষিক ছুটির অধিকারী।

ছুটি না নিয়ে কাজ করলে পাবেন বাৎসরিক বোনাস বা বছর শেষে এক সাথে দুই মাসের বেতনের সমান টাকা । কেউ কেউ আবার কয়েক বছর কাজ শেষে হিসেবে করে এক সাথে নেয়। এটি হল এমপ্লয়মেন্ট আইন এর আর্টিকেল 75 অনুযায়ী যা বলে:”একজন কর্মচারী, পরিষেবাটির প্রতিটি বছরের জন্য, বার্ষিক ছুটির অধিকারী হবেন এবং তার স্বাভাবিক বেতনের সমান বেতনই পাবে ছুটির সময় :
১ : মাসে দুই দিন ছুটি পাবে, যেখানে কর্মচারীর চাকুরীর মেয়াদ ছয় মাস বা তার বেশি কিন্তু এক বছরেরও কম।
২ : বছরে 30 দিন ছুটি পাবে , যেখানে কর্মীদের চাকুরীর এক বছর বা তার বেশি সময় থাকে। ”

যাইহোক, নিয়োগকর্তা আইন বিভাগের আর্টিকেল 76 এ উল্লিখিত আপনার বার্ষিক ছুটি শুরু হওয়ার তারিখগুলি ঠিক করার জন্য আপনার নিয়োগকর্তার কাছে হিসাব রয়েছে।

যেহেতু আপনার নিয়োগকর্তা আপনার বার্ষিক ছুটি অনুমোদন করেছেন, তাই আপনি বেতন পাওয়ার অধিকারী, আপনার প্রাথমিক ছুটির বেতন হিসাবে যদি প্রযোজ্য হলে প্রাথমিক বেতন এবং হাউজিং ভাতা অন্তর্ভুক্ত থাকে। এটি কর্মী আইন এর অনুচ্ছেদ 78 অনুসারে, যা বলে: “প্রত্যেক কর্মচারী বার্ষিক ছুটির দিনগুলির ক্ষেত্রে তার মৌলিক পরিশ্রম এবং গৃহীত ভাতা পাবে , যদি তার কাজের আগ্রহের জন্য অপরিহার্য । তার বার্ষিক ছুটির সমস্ত বা তার অংশে কর্মচারীকে দায়িত্ব পালন করা, এবং যদি সে যে ছুটির দিনগুলিতে কাজ করে সেগুলি পরবর্তী বছরের জন্য বহন করা হয় নি, তবে নিয়োগকর্তা তাকে ছুটির বদলে তার স্বাভাবিক বেতন এবং ভাতা প্রদান করবে।

আসলে কাজের দিন, তার মৌলিক বেতন ভিত্তিতে গণনা হবে । প্রতি বছরের জন্যই আলাদা ভাবে এই বেতন দিবে।

আইনের উপরে উল্লিখিত বিধানের উপর ভিত্তি করে, আপনার নিয়োগকর্তা আপনার বার্ষিক ছুটি শুরু হওয়ার তারিখ হিসাবে আপনাকে জমা দেওয়া বার্ষিক ছুটির জন্য বেতন দিতে বাধ্য। আপনার ছুটি শুরু হওয়ার পূর্বে আপনার নিয়োগকর্তা বার্ষিক ছুটি বেতন দিতে পারেন। এই নিয়োগ আইনটির ধারা 80 অনুসারে, “কোন কর্মচারীর বার্ষিক ছুটি শুরু হওয়ার আগে, তার নিয়োগকর্তা তার পুরো বেতন প্রদান করবেন এবং এই আইনের অধীনে তার জন্য নির্ধারিত ছুটির বেতন দিতে হবে।”

যদি আপনার নিয়োগের চুক্তি থাকে বছরে বিমান টিকেট ভাড়া পাওয়ার যোগ্য তবে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে । আপনার নিয়োগকর্তা একইভাবে অস্বীকার করছে না, আপনি আগস্ট 2019 পর্যন্ত বিমান ভাড়া পরিশোধের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে, একজন নিয়োগকর্তা তার অনুমতি ব্যতীত কর্মচারীর বেতন কমাতে পারবেন না। কর্মচারী বেতন হ্রাসের জন্য সম্মত হলেও, নিয়োগকর্তা এবং কর্মচারী উভয় স্বাক্ষরিত সংশোধিত
কর্মসংস্থান চুক্তির মাধ্যমে মানবাধিকার ও Emiritsation মন্ত্রণালয় (MOHRE) সঙ্গে অনুমোদিত এবং নিবন্ধিত করা প্রয়োজন। এমপ্লয়মেন্ট ল এর আর্টিকেল 60 বলেছে। তাই নিয়োগকর্তা চাইলে আপনার সম্মতি ছাড়া বেতন কমাতে পারবে না।

এমন ঘটনা আগেও ঘটেছে, এমন কি সেটা নায়িকা অপু বিশ্বাসের সাথেও

তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ২০১৭-২০১৮ সালের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই কয়েকটি বিশেষ কারণে সমালোচনা তৈরি হয়।পাশাপাশি ফজলুর রহমান বাবু ও মোশাররফ করিমকে কৌতুক অভিনেতা হিসেবে পুরস্কৃত করায় শুরু হয় বিতর্ক। সেই বিতর্ক আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন
দুই এই অভিনেতা।সম্প্রতি অভিনেতা মোশাররফ করিম পুরস্কার গ্রহণ করবেন না বলে অনুরোধ করেন। পাশাপাশি ফজলুর রহমান বাবুও গণমাধ্যমে কথা

বলেছেন।মোশাররফ করিমকে সমর্থন জানিয়ে সোমবার (১১ নভেম্বর) ঢাকাই সিনেমা ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন।সেখানে তিনি জানান, তার সাথেও এমন ঘটনা ঘটেছে। সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে তিনি লিখেন, কয়েকদিন আগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা
হয়েছে।এবার শ্রেষ্ঠ কৌতুক অভিনেতা চরিত্রে পুরস্কার পেয়েছেন মোশাররফ করিম ও ফজলুর রহমান ভাই।কিন্তু কৌতুক অভিনেতা ক্যাটাগরিতে পুরস্কার

দেওয়ায় অনেকে বিস্মিত হয়েছেন। জানতে পারলাম, মোশাররফ করিম ভাই এ পুরস্কার গ্রহণ করবেন না।তিনি আরও লিখেন, এই পরিস্থিতিতে আমার নিজের একটি পুরানো ঘটনা মনে পড়ে গেল। আপনারা সবাই হয়তো জানেন চাষি নজরুল ইসলাম আঙ্কেল পরিচালিত ‘দেবদাস’ চলচ্চিত্রেআমি অপু বিশ্বাস ‘পার্বতী’ চরিত্রে অভিনয় করেছি। ‘পার্বতী’ ছিল প্রধান চরিত্র। যখন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করা হলো সেখানে চন্দ্রমুখীকে প্রধান অভিনেত্রীর

পুরস্কার দেয়াহয়। তখনই মনটা ভেঙে যায়। আমার বিশ্বাস ছিল, সেদিন চাষি আঙ্কেল বেঁচে থাকলে এর প্রতিবাদ করতেন। অভিনয় করছি দর্শকদের জন্য।
আমার পুরস্কার হলো দর্শক। দর্শকই আমাকে পুরস্কার দিচ্ছেন। এটাই আমার বড় পুরস্কার। এবার যারা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন সবাইকে আমার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

সন্তানকে বীভ*ৎস*ভাবে মারছে গৃহকর্মী, ক্যামেরায় দেখছেন বাবা (ভিডিও)

‘বাসায় ফিরে আমার সন্তানকে জড়িয়ে ধরেছি, কোলে তুলে নিয়েছি, অনেক আদর করেছি। কিন্তু অন্য দিনের মতো চিৎকার করে বাবা বাবা করে ডাকে নাই। বাচ্চাটা মার আর লাথির ভয়ে এতটাই ভীত হয়ে পড়েছিল যে ‘বাবা’ বলতে যেন ভুলেই গিয়েছিল! আমি এই ঘটনার বিচার চাই। সেইসঙ্গে আমাদের মতো দম্পতিরা যেন সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন হয়। সবাই দোয়া করবেন আমার নিষ্পাপ বাচ্চাটার জন্য’— কথাগুলো বলছেন এক শিশু সন্তানের বাবা।

দুইবছর একটি শিশুকে ৪০ বছর বয়সী গৃহকর্মীর ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। এই ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। টাইমলাইনে ঘুরতে থাকা এ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে— এটিকে অমানবিক, লোমহর্ষক ও বীভৎস ঘটনা বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

সম্প্রতি রাজধানী ঢাকার শাহজাহানপুরে ওই ঘটনাটি ঘটে। এলাকার বাসিন্দা ইঞ্জিনিয়ার মো. আল আমিন সরকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। শিশুটির মা লুৎফুন্নাহার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা। এই দম্পতির একমাত্র শিশু আবদুল্লাহ আবতাই আয়াতের বয়স মাত্র দুই বছর। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই চাকরি করায় আয়াত থাকত বাসায় গৃহকর্মীর কাছে।

কিছুদিন ধরেই সন্তানকে দেখে এমনই কিছু একটা আশংকা হয়েছিল বাবার। যে কারণে তিনি দ্রুত নিজের বাসায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেন। আইপি ক্যামেরায় ধারণকৃত ফুটেজ তিনি নিজের স্মার্টফোনেই লাইভ দেখতে পারতেন। যে কারণে নিজের সন্তান চোখে চোখেই থাকত।

অবশেষে এল ১৪ নভেম্বর ২০১৯! অফিসে বসে ভয়ংকর এক দৃশ্য চোখে পড়ল আল আমিন সরকারের। সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে গৃহকর্মী দ্বারা সন্তানকে নির্যাতনের দৃশ্য! বাথরুম থেকে ঘরের ভেতর ছুড়ে ফেলে দিয়ে ওইটুকু শিশুকে একের পর এক লাথি মারতে থাকে সেই গৃহকর্মী!

অতঃপর ক্রন্দনরত শিশুকে সেভাবে ফেলে দিয়েই আবারও নিজের কাজে মন দেয় সে। প্রযুক্তির কল্যাণে অফিসে বসে কলিজার টুকরা সন্তানের ওপর এই ভয়াবহ নির্যাতনের দৃশ্য দেখে চিৎকার করা ছাড়া বাবার তখন কীইবা করার ছিল! সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ছোটেন বাসার দিকে। গৃহকর্মীর হাত থেকে উদ্ধার করেন নিজের সন্তানকে।

এই ঘটনায় গত ১৫ নভেম্বর রাত সোয়া ৯টার দিকে শাহজাহানপুর থানায় শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০১৩ (সংশোধিত ২০১৮) এর ৭০ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন আল আমিন সরকার।

অভিযুক্ত গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শিশুটির বাবা আল আমিন সরকার বলেন, ‘আমি একজন অসহায় বাবা, যাকে দেখতে হয়েছে ২ বছরের সন্তানকে বীভৎস মারের দৃশ্য! এই নির্যাতনের দৃশ্য দেখেও কিছু করতে না পারার আক্ষেপে পুড়ছি আমি। দেখা ছাড়া কিছু করার ছিল না আমার!’ (সূত্র: কালের কণ্ঠ)

দুই লাখ টাকা পেয়ে অঝোরে কাঁদলেন কাঙ্গালিনী সুফিয়া

দেশের প্রখ্যাত লোকসঙ্গীত শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়া দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও হৃদপিণ্ডের জটিলতায় ভূগছিলেন। তাঁর এই অসুস্থতার কথা শুনে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়রআতিকুল সুফিয়াকে দুই লাখ টাকা সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। রবিবার (১৭ নভেম্বর)মেয়র আতিকুল এই টাকা কাঙ্গালিনী সুফিয়ার হাতে তুলে দেন। এসময় মেয়র আতিকুল বলেন, ‘আমি কাঙ্গালিনী সুফিয়ার অনেক বড় একজন ভক্ত।ছোটবেলা থেকেই তার গানের আমি ভক্ত। অসুস্থতার

খবর শুনে মনে হলো এই গুণী শিল্পীর জন্য আমার এগিয়ে আসা উচিৎ।’কাঙ্গালিনী সুফিয়া প্রায় ৩০টি জাতীয় ও ১০টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন। গান রচনা করেছেন প্রায় ৫০০টি। তার জনপ্রিয় গানের তালিকায় আছে- ‘পরাণের বান্ধব রে, বুড়ি হইলাম তোর কারনে’,‘কোন বা পথে নিতাই গঞ্জে যাই’ ইত্যাদি।

খাবার পরিবেশন করছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট!

সম্প্রতি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার একটি ভিডিও ব্যাপক হারে ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।সেই ভিডিওতে ওবামাকে খাবার পরিবেশন করতে দেখা যায়। শুধু সাবেক প্রেসিডেন্টই নন,তার স্ত্রী মিশেল ওবামাকেও ওই ভিডিওতে দেখা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪ তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন বারাক

ওবামা। ওয়াশিংটনে থাকেন তিনি।এদিকে বারাক ওবামার ওই ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘বছরের-পর-বছর দেশকে সেবা করার জন্য ওবামা ও তার পরিবারকে ধন্যবাদ।’আসলে ভিডিওটি গত ২০১৬ সালের। তখন বারাক ওবামা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ওই সময় তিনি এবংতার পরিবার সেনার অবসর হোমে পৌঁছে যান। সাবেক সেনাদের ধন্যবাদ জানাতে সেখানে তাদের খাবার পরিবেশন করেন ওবামা-মিশেল।ওই ভিডিওটি যদি খুব মন দিয়ে দেখা যায়,

তাহলেই স্পষ্ট দেখতে পাওয়া যাবে, দেয়ালের উপর লেখা,সশস্ত্র বাহিনী অবসর হোম এবং রয়েছে লোগোও। ভিডিওটি দেখার পর অনেকের মনেই প্রশ্ন
উঠছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন যে ব্যক্তি তিনি আবার খাবার কেন পরিবেশন করছেন! তবে ভিডিওটি দেখলেই আর সেই প্রশ্ন থাকবে না।

গ্রান্ড দুবাই এয়ার শো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে পাঁচ দিনব্যাপী ষোড়শ দ্বিবার্ষিক এয়ার শো ইভেন্ট ‘দুবাই এয়ার শো-২০১৯’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। খবর বাসসের।দুবাইয়ের ভবিষ্যত বিমানবন্দরের (দুবাই আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবেও পরিচিত) দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে এই এয়ারশোটি শুরু হয়েছে।১৭ থেকে ২১ নভেম্বর প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দুবাইয়ের আকাশে দ্বিবার্ষিক এই এয়ার শোটি অনুষ্ঠিত হবে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম

এবং সবচেয়ে সফল এয়ার শো এবং মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও আফ্রিকা বৃহত্তম এরোস্পেস ইভেন্ট।বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী এবং দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুমের আমন্ত্রণে এই এয়ারশোতে অংশ নেন।পরে তিনি দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ফ্লাইং ডিসপ্লে উপভোগ করেন।এ বছর সারা বিশ্বের ৮৭ হাজারের বেশি ট্রেড ভিজিটর ও ১ হাজার ৩শ’র বেশি এক্সিবিটর দুবাইয়ের ভবিষ্যৎ বিমান বন্দর দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে এ উপলক্ষে সমবেত হয়েছেন। এছাড়াও এতে ১৬০টি দেশ থেকে ১৬৫টি বিমান অংশ

এটি ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত এয়ার শো সাফল্যকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের এই শোতে ১১৩ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি মূল্যে অর্ডার পাওয়াগিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল এয়ারবাসের কাছে ৪৩০টি বিমানের জন্য ৪৯ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ইন্ডিগো পার্টনার্স অর্ডার এবং ফ্লাইদুবাইয়ের সাথে বোয়িংয়ের ২৭ বিলিয়ান মার্কিন ডলার চুক্তি।১৯৮৯ সালে দুবাই এয়ার শোটি প্রথম প্রদর্শিত হয়। এটি এখন বেসামরিক বিমান শিল্পের জন্য একটি বৈশ্বিক প্লাটফরমে পরিণত হয়েছে। এখানে বিশ্বের বিমান প্রস্তুতকারক এখানে তাদেরপ্রস্তুতকৃত নতুন মডেলের বিমান প্রদর্শন ও বিক্রয় করেন।

পাশাপাশি, এখানে প্রাইভেট ও পাবলিক সেক্টরের কোম্পানিগুলো নতুন নতুন প্রযুক্তি, সুযোগ এবং এই শিল্পের প্রতিবন্ধকতাগুলো নিয়েও আলোচনা করতে পারেন।ইউএই’র বিমান কোম্পানিগুলো বেশ কিছু নতুন অর্ডার ঘোষণা করে ও তাদের আগের চুক্তিগুলো নিশ্চিতের মাধ্যমে একে এই অঞ্চলের সবচেয়ে সফল ও বৃহত্তম প্রদর্শনিতে পরিণত করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।পরে সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে আবু ধাবির শাংরিল-লা হোটেলে সংযুক্ত আরব আমিরাতেবাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহম্মদ ইমরান আয়োজিত এক নৈশভোজে তিনি যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরকালীন সময়ে এই হোটেলেই অবস্থান

করছেন।প্রধানমন্ত্রী দুবাই এয়ার শো-২০১৯ ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চার দিনের সরকারি সফরে শনিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরাত পৌঁছেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী ১৮ নভেম্বর আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত বাংলাদেশীদের ভোটার তালিকা প্রণয়ন শুরু এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণে নির্বাচন কমিশনের অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন।শেখ হাসিনা সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাঁর চার দিনের সফর শেষে ১৯ নভেম্বর দেশে ফিরবেন।