বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, অপমানে দশম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা !

রাজশাহীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে ওই ছাত্রী। সহপাঠী, শিক্ষক ও স্বজনরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীর বাবা ফজলে জোয়ার্দার জানান, রাজশাহী কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জামিউল ইসলাম জয় তার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর এলাকার একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জামিউল তাতে অস্বীকার করেন। এতে লাঞ্ছনা সইতে না পেরে সেদিনই বাড়ি ফিরে সবার অগোচরে কীটনাশক পান করে ওই ছাত্রী। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বুধবার রাতে তার মৃত্যু হয়। ছাত্রীর গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার মারিয়া গ্রামে। সে স্থানীয় মারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এদিকে, ধর্ষকের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্বজনসহ স্কুলের শিক্ষক ও সহপাঠীরা।

এক শিক্ষক বলেন, আমরা এই ঘটনার ন্যায় বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেনো এমন ঘটনা আর না ঘটে।

এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় আপাতত রাজপাড়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ হেফাজতে গৃহবধূর মৃত্যু: তদন্ত কমিটি গঠন

গাজীপুরে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ হেফাজতে গৃহবধূ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার আজাদ মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জিএমপি কমিশনারকমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ বাদি হয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন সদর থানায় একটি মাদক মামলা করেছে। এছাড়া একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।এদিকে গতকালই ময়নাতদন্ত শেষে ঢাকার মোহাম্মদ বৃদ্ধিজীবী কবরস্থানে ওই গৃহবধূর দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে গাজীপুরের ভাওয়াল গাজীপুরা এলাকায় একাধিক মাদক মামলার আসামি আব্দুল হাইকে না পেয়ে স্ত্রী ইয়াসমিনকে ধরে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা। পুরে রাতে পুলিশ হেফাজতে তার মৃত্যু হয়। পুলিশের দাবি, নিহত গৃহবধূ একজন মাদক ব্যবসায়ী, তার কাছে থেকে ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছিল।

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা দাবি, পুড়িয়ে দেয়া হল যুবকের যৌনাঙ্গ !

এক যুবককে প্রেম-বিয়ের ফাঁদে ফেলে অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবি এবং তা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় তাকে নিপীড়ণের ঘটনা ঘটেছে। নরসিংদীতে এই ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, রাসেল নামের এক যুবককে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করে অপহরণকারী চক্রের সাথে জড়িত এক তরুণী। বিয়ের পরই অপহরণ করা হয় রাসেলকে।

পরে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। স্বজনরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রচণ্ড মারধোর করা হয় তাকে। অপহৃত যুবকের যৌনাঙ্গ পুড়িয়ে দিয়েছে অপহরণকারীরা।

পেটানোর এ ভিডিও তার মাকে পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেল করা হয়। এতে তার মা হার্ট এটাক করে।

পরে, কৌশলে অপহরণকারীদের কাছ থেকে পালিয়ে আসেন ওই যুবক। তিনিই সময় সংবাদকে এ তথ্য ও ভিডিও দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, চক্রের মূল হোতা তার কথিত স্ত্রী মন্টি। প্রতারণার জন্য সে অন্তত ৮/১০টি বিয়ে করেছে।

শুধু শাকিব নয়, সালমানের সঙ্গে কারও তুলনা চলে না: শাবনূর !

অভিনয়শিল্পী ও সংসদ সদস্য ফারুকের বক্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কদিন বেশ
তোলপাড় চলছে। ইউটিউবে ঘুরতে থাকা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, প্রয়াত নায়ক সালমান
শাহকে নিয়ে ফারুক বলছেন, ‘সালমান শাহ কি এমন? হাজারো সালমান শাহকে বিট করে দিয়েছে শাকিব।’

মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে যে কোনো চরিত্রে দারুণ অভিনয়শৈলী দেখিয়েছেন সালমান। তার অভিনয়গুণে স্থান করে নেন অগণিত দর্শক হৃদয়।

এদিকে সালমান শাহর স্মৃতি নিয়ে কথা বলতেই কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে তার নায়িকা শাবনূরের। স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন। শাবনূর বলেন, অভিনয় জীবনে অনেকে ছিলেন সহশিল্পী।

ঢাকাই সিনেমার একসময়কার নাম্বার ওয়ান এই নায়িকা বলেন, অল্প বয়সে আমার চলচ্চিত্রে

অভিনয় শুরু হয়েছিল। পরিচালক যেভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সেভাবেই কাজ করে গেছি। কাজ ভালো বা মন্দ– কেমন হচ্ছে তা স্পষ্ট করে বলার মতো কাউকে পাশে পাইনি।

সালমান চোখ খুলে দিয়েছেন জানিয়ে শাবনূর বলেন, সালমানের সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ শুরু

করার পর থেকে ভালো-মন্দের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। একে অন্যের অভিনয় নিয়ে যেমন সমালোচনা করতাম, তেমনি অভিনয়ে নিজেকে ভেঙে আরও কতভাবে উপস্থাপন করা যায়, তা নিয়ে পরিকল্পনা করতাম আমরা।

তিনি বলেন,সালমানকে নিয়ে কারও সঙ্গে এখন তুলনা চলে না। তেমন শাকিব খানও তার

জায়গায় সফল। তাকেও কার সঙ্গে তুলনা করলে হবে না। দুজনই আমাদের চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক। সালমান শাহর সময়ে সালমান শাহ শাকিবের সময়ে শাকিব।

ঠিকমত জাকাত দিলে কোনো বিশ্বে দরিদ্র থাকতো না : এরদোগান !

ঠিকমত জাকাত দিলে কোনো মুসলিম দেশে দরিদ্র থাকতো না বলে মনে করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। তিনি বলেন, দরিদ্রতমদের চেয়ে ধনী দেশগুলো ২০০ গুণ বেশি সমৃদ্ধ; কিন্তু মুসলিমরা যদি ধর্মীয় রীতি অনুসারে গরিবদের তাদের জাকাত দিত, তাহলে কোনো মুসলিম দেশ দরিদ্রতায় ভুগত না।রোববার ইস্তান্বুলে অনুষ্ঠিত ওআইসির উচ্চ পর্যায়ের পাবলিক ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগ সংক্রান্ত এক বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

লাখ লাখ দারিদ্র পীড়িত মুসলমানদের সাহায্যের জন্য মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে এরদোগান বলেন, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোতে ২১ শতাংশ জনসংখ্যা রয়েছে; এর অর্থ

৩৫০ মিলিয়ন ভাইবোন রয়েছেন যারা তাদের জীবন দারিদ্রসীমার ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।

ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোকে গত মাসে আলবেনিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ক্ষ’তিগ্রস্থতের

সাহায্যের অনুরোধ জানিয়ে এরদোগান বলেন, আমি আপনাকে অনুরোধ করছি সবকিছু একত্রিত করে আলবেনিয়ার ভাইদের সাহায্য করুন।

গত ২৬ নভেম্বর আলবেনিয়ায় ৬ দশমিক চার মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এতে ৫১ জন মা’রা যান এবং ৯ শতাধিক মানুষ আ’হত হয়েছেন।

অবশেষে হদিস মিলেছে বুবলীর !

চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে ৯টি সিনেমায় অভিনয় করে তারকা খ্যাতি পাওয়া শবনম বুবলী

সিনেমা পাড়া থেকে গায়েব। ‘বীর’ সিনেমার শুটিং শেষে দীর্ঘ সময় তাকে দেখা যাচ্ছে না। বুবলী এখন কোথায়? ঢালিউডপাড়া থেকে শুরু করে দেশের সিনেপ্রেমীদের মুখে এখন এই প্রশ্ন।

যদিও বুবলী নিজেই ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘বীর’ ও ‘ক্যাসিনো’ সিনেমার শুটিং শেষে লম্বা বিরতিতে যাবেন। তবে কেন বিরতিতে যাচ্ছেন তা স্পষ্ট করেননি। আর তার সেই ঘোষণার

প্রেক্ষিতে গুঞ্জন ওঠে, শাকিব খানের সঙ্গে ঘর পেতেছেন বুবলী। তিনি এখন সন্তানসম্ভাবা।

সন্তান জন্মদানের উদ্দেশ্যেই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। এজন্যই সিনেমা থেকে আপাতত ছুটি নিয়েছেন তিনি।

তবে এমন গুঞ্জনের সত্যতা মেলেনি এখনো। এ গুঞ্জনের মধ্যেই গত ১৮ ফেব্রুয়ারি একটি বেসরকারি টেলিভিশন খবর প্রচার করে, অপু বিশ্বাসের পথে হাঁটছেন বুবলী। ২৫ হাজার

মার্কিন ডলার দিয়ে বুবলীকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠিয়েছেন শাকিব খান। এদিকে ‘বীর’ সিনেমা মুক্তির আগে ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসেননি বুবলী।

তবে বুবলীর পারিবারিক সূত্র জানায়, ইংল্যান্ড, আমেরিকা নয়, বর্তমানে ঢাকার উত্তরার নিজস্ব বাসভবনেই অবস্থান করছেন বুবলী। ব্যক্তিগত কারণে মিডিয়ার ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের

সঙ্গে ছাড়া যোগাযোগ রাখছেন না এ নায়িকা। তাকে নিয়ে মুখরোচক গুঞ্জনের কোনোই সত্যতা নেই।

কেননা কিছুদিন আগে এফডিসিতে বীর’ সিনেমার একটি আইটেম গানের শুটিংয়ে বুবলীর জন্য কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। আইটেম গান হলেও স্বল্প পোশাকে দেখা যায়নি

বুবলীকে। সেক্ষেত্রে সাবলীল পোশাকেই নেচেছেন তিনি। কালো ফুল স্লিভ জামার সঙ্গে ওড়না

দিয়ে শরীর ঢেকে অভিনয় করেছেন। আর প্রতিটি শট শেষ হলেই বুবলী দ্রুতই মেকআপ রুমে ঢুকে পড়েন। আর বাইরে থেকে সেই রুম তালা মেরে দেয়া হয়।

এ বিষয়গুলো নিয়ে বুবলীর ফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয় কিন্তু ফোন চালু থাকলেও তা ধরেননি কেউ।

প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)’র বিদায় হজ্বের ভাষণ ছিল পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাষণ

আল্লাহ তাআলা মহানবী (সা.)-কে প্রেরণ করেছেন দ্বিন ইসলামকে বিজয়ী ও পূর্ণতা দানেরজন্য। যখন দ্বিন ইসলাম বিজয় ও পূর্ণতা লাভ করে তখন তিনি তাঁর বিদায়ের কথা অনুভব করেন। তাই তিনি হজরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা)-কে ইয়েমেনের গভর্নর নিযুক্ত করেপ্রেরণকালে বলেছিলেন, ‘হে মুয়াজ, সম্ভবত এ বছরের পর আমার সঙ্গে তোমার আরসাক্ষাৎ হবে না। হয়তো তুমি আমার মসজিদ ও আমার কবরের পাশ দিয়ে গমন করবে।’ মহানবী (সা.)-এর এ কথা শুনে হজরত মুয়াজ (রা.) প্রিয় নবীর বিদায়ের কথা ভেবে কাঁদতে লাগলেন।৮ জিলহজ রাসুলুল্লাহ (সা.) মিনায় অবস্থান করেন এবং ৯ জিলহজ ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যা বিদায়হজের ভাষণ হিসেবে সুপরিচিত।আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর ঐতিহাসিক ভাষণঃ১. হে জনতা, আমার কথাগুলো গভীর মনোযোগ দিয়ে শোনো, আমি জানি না, এবারের পর তোমাদের সঙ্গে এ জায়গায় আর একত্র হতে পারব কি না।২. হে মানবমণ্ডলী, স্মরণ রাখো, তোমাদের আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই।তোমাদের আদি পিতা একজন, অনারবদের ওপর আরবদের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তদ্রূপ সাদার ওপর কালোর কোনো প্রাধান্য নেই। আল্লাহ ভীতিই শুধু শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার মানদণ্ড।

৩. তোমাদের পরস্পরের রক্ত ও ধন-সম্পদ আজকের দিন, এ মাস এবং এ শহরের মতো পবিত্র।৪. শোনো, জাহেলিয়াতের সব কিছু আমার পদতলে পিষ্ট করা হয়েছে। জাহেলিয়াতের রক্তের দাবিও রহিত করা হলো।৫. জাহেলি যুগের সুদ রহিত করা হলো। আমাদের মধ্যকার প্রথম যে সুদ আমি রহিত করছি তা হলো, আব্বাস ইবন আবদুল মুত্তালিবের সুদ। এখন থেকে সব ধরনের সুদ হারাম করা হলো।৬. স্ত্রীদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো। কেননা আল্লাহর আমানতস্বরূপ তোমরা তাদের গ্রহণ করেছ এবং আল্লাহর কলেমার মাধ্যমে হালাল করা হয়েছে। তাদের ওপর তোমাদেরঅধিকার রয়েছে যে তারা তোমাদের বিছানায় এমন কাউকে স্থান দেবে না, যাদের তোমরাপছন্দ করো না। তারা এরূপ করলে প্রহার করতে পারো। তবে কঠোর প্রহার করবে না। তোমাদের ওপর তাদের অধিকার হলো, তোমরা যথাযথ অন্ন-বস্ত্র প্রদান করবে।৭. আমি তোমাদের কাছে এমন দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যা দৃঢ়ভাবে ধারণ করলে পথভ্রষ্ট হবে না। একটি হলো আল্লাহর কিতাব আর অন্যটি হলো আমার সুন্নাহ।
৮. হে জনতা, মনে রেখো, আমার পরে কোনো নবী নেই। তোমাদের পরে কোনো উম্মতনেই। ফলে তোমাদের প্রতিপালকের ইবাদত করবে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে, রমজানের রোজারাখবে, স্বেচ্ছায় ধন-সম্পদের জাকাত দেবে, আল্লাহর ঘরে হজ করবে,শাসকের আনুগত্য করবে। যদি তোমরা এসব পালন করো, তাহলে তোমাদের রবের জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে (ইবনে মাজাহ)।৯. হে মানবমণ্ডলী, পিতার অপরাধে পুত্র দায়ী হবে না এবং পুত্রের অপরাধে কোনো পিতাকে দায়ী করা হবে না।১০. তোমাদের সঙ্গে আমার সম্পর্কের প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হবে। তোমরা তখন কী বলবে?সাহাবায়ে কেরাম প্রত্যুত্তরে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দেব যে আপনি দ্বিনের দাওয়াত দিয়েছেন, আল্লাহর বাণী পৌঁছিয়ে দিয়েছেন, ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। মহানবী (সা.) এ কথা শুনে শাহাদাত আঙুল আকাশের দিকে উত্তোলন করে লোকদের দিকে ঝুঁকিয়ে তিনবার বলেন, হে রব, আপনি সাক্ষী থাকুন (সহিহ মুসলিম)।১১. প্রত্যেক মুসলমান ভাই ভাই। তোমরা তোমাদের দাস-দাসী সম্পর্কে সতর্ক থাকবে। তোমরা যা খাবে তাদেরও তা খেতে দেবে। তোমরা যা পরিধান করবে তাদেরও তা পরতে দেবে। তাদের অপরাধ ক্ষমা করে দেবে। শাস্তি দেবে না।১২. হে মানবজাতি, ধর্মের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করবে না। কেননা অতীতের অনেক জাতি এ বাড়াবাড়ির কারণে ধ্বংস হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব হবে আমার এ কথাগুলো অনুপস্থিত লোকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া।

এতদিন পর মুখ খুললেন অভিনেত্রী চাঁদনী বিবাহ বি’চ্ছেদ নিয়ে

অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী মেহবুবা মাহনূর চাঁদনী। মূলত নাচের মানুষ তিনি। নাটক সিনেমায়
অভিনয় করেও নিজের জাত চিনিয়েছেন। ২০০৮ সালে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে সংসার পাতেন চাঁদনী।২০১৮ সালের ৯ জানুয়ারি তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। তারপর থেকে শোবিজে অনিয়মিত চাঁদনী।অন্যদিকে অভিনেত্রী-উপস্থাপিকা তানিয়া হোসাইনের সঙ্গে নতুন করে ঘর বেঁধেছেন বাপ্পা মজুমদার।গত বছরের শেষের দিকে এ দম্পতির ঘর আলো

করে জন্ম নিয়েছে এক কন্যা সন্তান। তবে চাঁদনী এখনো একা রয়েছেন।চাঁদনী বলেন, ‘প্রত্যেক মানুষের জীবনে কঠিন সময় আসে। সেগুলো অতিক্রম করে এগিয়ে যেতে হয়। সবাই জানেন, আমার জীবনেও তেমন কিছু সময় এসেছে। তবে আমি এখন স্বাধীন। নিজের মতো নিজেকে সময় দিচ্ছি।’বর্তমানে নাচ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাঁদনী। এ নৃত্যশিল্পী বলেন, ‘আগেও বলেছি নাচ আমার প্রথম ভালোবাসা, আমার ধ্যানজ্ঞান। তাই সবকিছুর আগে নাচ নিয়েই বেশি ভাবি।এখন বেশ কিছু নাচের অনুষ্ঠানে সময় দিচ্ছি। কিছুদিন আগে গাজীপুরে একটি শোতে পারফর্ম করেছি। পাশাপাশি আরো কিছু শোতে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

ঢাকা উত্তরে আতিকের বিশাল জয় !

দক্ষিণের মতো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনেও নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়রপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম। প্রায় দেড় লাখ ভোটে তিনি হারিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী তাবিথ আওয়ালকে। শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সবগুলো কেন্দ্রের ‍ভোট গণনা শেষে তাকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম। আতিকুল ইসলামের প্রাপ্ত ভোট ৩ লাখ ৭০ হাজার ৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত তাবিথ আউয়াল ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ লাখ ১২ হাজার ৫৭৭ ভোট। কারচুপির অভিযোগ তুলে এরই মধ্যে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। প্রতিবাদে রোববার ঢাকায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহ্বান করেছে দলটি।

শনিবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ভোটগ্রহণ। ঢাকা উত্তর সিটিতে ভোটার ৩০ লাখ ১০ হাজার ২৭৩ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৫ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ জন এবং নারী ভোটার ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৭০৬ জন। উত্তরে মেয়র পদে ভোটে লড়েন ৬ জন প্রার্থী। তারা হলেন: আওয়ামী লীগের আতিকুল ইসলাম, বিএনপির তাবিথ আউয়াল, সিপিবির সাজেদুল হক, পিডিপির শাহীন খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলে বারী মাসউদ এবং এনপিপির আনিসুর রহমান দেওয়ান।

জাপার একমাএ কাউন্সিলর সেন্টু বিজয়ী হয়েছেন !!

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জাতীয় পার্টি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টু ৬০৩১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত ডেইজি সারোয়ার পেয়েছেন ২০৯১ ভোট।নগরপিতা হিসেবে আতিকুল ইসলামের ওপরই ফের ভরসা রেখেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জনগণ। ‘সবাই মিলে সবার ঢাকা; সুস্থ, সচল আধুনিক ঢাকা’ গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামা বিশিষ্ট এ ব্যবসায়ী তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির
মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

ডিএনসিসি নির্বাচনে মোট এক হাজার ৩১৮টি কেন্দ্রের সবকটির ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী নৌকা প্রতীকের আতিকুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ লাখ ৪৭ হাজার ২১১ ভোট। তার নিকটতম
প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী তাবিথ আউয়াল পেয়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ১৬১ ভোট। রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম বেসরকারিভাবে আতিকুল ইসলামকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
মেয়র হিসেবে নির্বাচিত করতে ভোট দেয়ার জন্য ঢাকা উত্তরের সকল নাগরিককে ধন্যবাদ
জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনকে ধন্যবাদ জানাই। বিশেষভাবে
ধন্যবাদ জানাচ্ছি ঢাকা উত্তরের সকল নাগরিককে যারা আজ আমাকে ভোট দিয়েছেন।