ডুবে যাওয়া ছোট বোনকে বাঁচাতে গিয়ে বড় বোনেরও মৃ,ত্যু

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার গাজীপুর মহল্লায় নিজেদের বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নেমে শনিবার দুপুরে লিমা আক্তার (১৩) ও জান্নাতি আক্তার (৬) নামের নামের দুই শিশু পানিতে ডুবে মা**রা গেছে।এরা গাজীপুর মহল্লার মো. আলী হোসেন তালুকদার এর মেয়ে। লিমা আক্তার স্থানীয় দঃ গাজিপুর দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবার জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা দিয়েছে এবং জান্নাতি আক্তার (৬) দক্ষিণ গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

দ্বিতীয় শ্রেণীতে লেখাপড়া করত।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লিমা এবং জান্নাতি দুইবোন শনিবার দুপুরে বাড়ির পুকুরে গোসল করতে গিয়ে আর ফিরে না আসায় বহু খোঁজা খুজির এক পর্যায়ে তাদের পুকুরে নিমজ্জিত অবস্থায় পাওয়া যায়, তাৎক্ষনিকভাবে তাদের উদ্ধার করে ভান্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃ**ত ঘোষণা করেন।স্থানীয়রা জানায়, দুই বোনের কেহই সাতার জানত না। ধারণা করা হচ্ছে ছোট বোন পানিতে পড়ে

গেলে বড়বোন তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে দুজনেই মা**রা যায়।ওই পরিবারে বর্তমানে শোকের মাতম চলছে। তাদের বাবা মায়ের আহাজারিতে বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।নি*হ*তদের স্বজনরা জানান মেধাবী ছাত্রী লিমার ইচ্ছা ছিল ভালো ফলাফল করে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হবে কিন্তু তার আর পরীক্ষার ফলাফল জানা হলোনা।

আরব আমিরাতে বৃষ্টি চলাকালীন গাড়ি চালকদের যেকারণে ২০০০ দিরহাম জরিমানা হতে পারে !

আবুধাবি পুলিশ বৃষ্টি চলাকালীন গাড়ি চালকদের, বিশেষ করে তরুণদের গাড়ি চালানোর সময় শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকার জন্য নিৰ্দেশ করেছে।
বৈরী আবহাওয়া সামনে রেখে ট্র্যাফিক এবং পেট্রোলস কর্তৃপক্ষ গাড়িচালকদের বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানো বন্ধে ,

ট্রাফিক সিগন্যাল অবহেলা না করতে , পাহাড়ি ঢালে গাড়ি চালানো সময় ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিশেষ সতর্ক করেছে।

যদি কোন গাড়ি ঝুঁকিপূর্ণ বেপরোয়া ড্রাইভিং এর অপরাধে জড়িত হয় তাহলে গাড়ি চালকের বিরুদ্ধে 2,000 দিরহাম জরিমানা, 23 টি ব্ল্যাক পয়েন্ট, এবং 60 দিনের ইমপেন্ডমেন্ট জরিমানা করা হবে। ট্র্যাফিক এবং পেট্রোলস অধিদপ্তর নিশ্চিত করেছে যে

অপরাধে জড়িত যানবাহনগুলোকে ধরতে সার্বক্ষণিক রাস্তাগুলি ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। দুর্ঘটনা এড়াতে চালকদের যানবাহনের মধ্যে পর্যাপ্ত দূরত্ব বজায় রাখতে আহ্বান জানানো হয়েছে।

আমিরাতের আবুধাবির আশেপাশে এখনও কিছুটা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বর্তমান আবহাওয়া কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। ন্যাশনাল সেন্টার অফ মেটরিওলজির (এনসিএম) মতে, মেঘগুলি সংযুক্ত আরব আমিরাতের পশ্চিম দিকে জমায়েত হচ্ছে। বানী ইয়াস দ্বীপ এবং জিরকু দ্বীপের আশেপাশের অঞ্চলেও বিকেলে হালকা বৃষ্টিপাত অব্যাহত ছিলো।

এনসিএম এক কর্মকর্তা বলেন, বৃষ্টি এবং বাতাসের সাথে জড়িত কনভেস্টিভ মেঘগুলি আবুধাবি এবং আমিরাতের পশ্চিমে থাকবে, সপ্তাহান্তে এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে ধীরে ধীরে হ্রাস পাবে।

আমিরাতের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে তবে দুবাই ও শারজার আাকাশ কিছুটা পরিষ্কার থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। পূর্ব ও উত্তরাঞ্চল যেমন ফুজাইরাহ এবং মুসাফফাহর বাসিন্দারা দিনের বেলা হালকা বৃষ্টিপাত অনুভব করেছে।

রবিবার ও সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু অংশে দিনভর ভারী বৃষ্টিপাত যার সাথে তাপমাত্রা তিন থেকে ছয় ডিগ্রি কমে যাবে কারণ “মেঘের আচ্ছাদন” । ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কিছু অংশে বন্যা এবং ট্র্যাফিক জ্যাম সৃষ্টি হতে পারে । মেঘ কমে যাওয়ার সাথে সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বছরের এই সময়কালে তাপমাত্রা যা প্রত্যাশিত তা ফিরে আসবে বলে মন্তব্য করা হয়।

সকালে দেশব্যাপী সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে জেবেল জাইস পর্বতে সকাল ১১ টা ৪৫ মিনিটে। ওমান সাগর এবং আরব উপসাগর জুড়ে প্রবল বাতাস বইতে পারে বাতাসের কারণে ওমান সাগরের পরিস্থিতি বর্তমানে মোটামুটি রুক্ষ এবং মঙ্গলবার বিকেলে ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কাজ দিয়েই বেঁচে থাকতে চাই: তাহসান !

জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান। সংগীত, মডেল কিংবা অভিনয়ে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি তার শততম কাজের সেলিব্রেটও করেন। তার শততম নাটক ছিল ‘কল্পতরু’।
শততম এই নাটকের ইউটিউব লিংক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করে লেখেন, ‘কাজ দিয়েই বেঁচে থাকতে চাই।’

মাবরুর রশিদ বান্নাহ্ পরিচালিত এই নাটকে তাহসানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন শাইলা সাবি। মাসুদ উল হাসানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নাটকটি প্রযোজনা করেছেন আকবর হায়দার মুন্না। ভক্তদের পাঠানো গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে এই একক নাটক।

১৯৯৮ সালে ‘ব্ল্যাক’ ব্যান্ডদল গঠনের মধ্য দিয়ে শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন তাহসান। এরপর ২০০৩ সালে আফসানা মিমির ‘অফবিট’ ছোট পর্দায় পা রাখেন তাহসান। চলচ্চিত্র ‘যদি একদিন’ দিয়ে বড় পর্দায় অভিনয় করেন তিনি।

মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত এ চলচ্চিত্রে ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তিনি। দুই অঙ্গনে সমান জনপ্রিয় তারকা। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে অসংখ্য দর্শকপ্রিয় নাটক-টেলিফিল্ম উপহার দিয়েছেন তাহসান।

নবজাতককে হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে গেলেন মা !

চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে এক নবজাতককে ফেলে রেখে গেছেন এক মা। কন্যা শিশুটিকে লালন পালনের আগ্রহ জানিয়েছেন অনেকেই। চিকিৎসকরা বলছেন, সময়ের আগে জন্ম নেয়া শিশুটি এখন অনেকটাই সুস্থ। প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া না গেলে আইনে মেনে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সমাজসেবা কর্মকর্তা।

শুক্রবার রাতে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নারী ও শিশু ওয়ার্ড একটি বেডে কাঁদছিল এক নবজাতক। সেখানে ছুটে যান কর্তব্যরত নার্স। বেশকিছু সময় পার হলেও পাওয়া যায়নি মাকে। পরে শিশুটিকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেয়া হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৪ দিন আগে জন্ম নেয় শিশুটি। চারদিন হাসপাতালে থাকার পর চলে যান প্রসূতি ও নবজাতক। ঠান্ডাজনিত সমস্যার কারণে শিশুটিকে আবারও হাসপাতালে ভর্তি করে চলে যান মা। হাসপাতালে ভর্তির তথ্যানুযায়ী সদরের শাহতলী গ্রামে গিয়ে তাদের নাম ঠিকানার কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।

প্রকৃত অভিভাবক না পেলে সরকারি নিয়ম মেনেই নবজাতককে বেড়ে উঠার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম।শিশুটিকে দত্তক নিতে এরইমধ্যে ১৫ জনেরও বেশি ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।

একাধিক শা,রী,রিক সম্পর্কে জড়ানো সৃজিত এখন মিথিলার স্বামী

সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় সম্পন্ন হয়েছে সৃজিত-মিথিলার বিয়ে। এরই মধ্য দিয়ে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলেন কলকাতার মেধাবী নির্মাতা সৃজিত মুখার্জী ও বাংলাদেশের তারকা মডেল ও অভিনেত্রী মিথিলা।সৃজিত ও মিথিলা দু’জনেরই দ্বিতীয় বিয়ে এটি। তবে বিয়ের পাশাপাশি তারা একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন। সেগুলো নিয়ে হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।সৃজিত মুখার্জি ২০১৩ সালে ‘মিশর রহস্য’ ও ২০১৪

সালে ‘জাতিস্মর’ সিনেমা নির্মাণ করেন।এতে অভিনয় করেন টালিউডের সমালোচিত অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি। সিনেমা নির্মাণ করতে গিয়েএই অভিনেত্রীর প্রেমে পড়েন সৃজিত। তখন পরমব্রত চ্যাটার্জির সঙ্গে মাত্র প্রেমের সম্পর্কের বিচ্ছেদ হয় এই নায়িকার।এমন বিরহের দিনে প্রেমের পেয়ালা হাতে স্বস্তিকার পানে এগিয়ে যান সৃজিত। যদিও তাতে দু’জনের কেউই স্বস্তি পাননি। কারণ এই প্রেম বেশিদিন টেকেনি।গত বছর স্বস্তিকাকে নিয়ে সৃজিত নির্মাণ করেন ‘শাহজাহান রেজেন্সি’। সে সময় প্রাক্তন প্রেমিকার সঙ্গে সেলফি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। এ নিয়ে ঢের সমালোচনার মুখে পড়েন

তারা।২০১৫ সালে ‘রাজকাহিনী’ সিনেমা নির্মাণ করেন সৃজিত।প্রথমবার এই নির্মাতার সঙ্গে কাজ করেন বাংলাদেশের দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।
হঠাৎ গুঞ্জন ওঠে পরিচালক সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে প্রেম করছেন জয়া। যদিও এমন গুঞ্জন নাকচ করে দেন জয়া। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো বিরক্ত হয়েছিলেন এ অভিনেত্রী।গত বছরের শুরুতে ফের গুঞ্জন ওঠে ভারতের সংগীতশিল্পী মধুবন্তী বাগচীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে সৃজিতের। ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ এ প্রেমের খবর প্রকাশ করে। পরবর্তীতে বিষয়টি অস্বীকার করে মধুবন্তী বাগচী বলেন, প্রত্যেকেই একের পর এক ‘তথাকথিত সম্পর্ক’ নিয়ে কথা বলাটা পছন্দ করেন না। আমি আমার জীবন এবং কাজকে খুব গুরুত্ব দিয়ে থাকি, অযথা আমাকে নিয়ে গুঞ্জন রটাবেন না।সৃজিত মুখার্জি পরিচালিত ‘এক যে ছিল রাজা’,

সিনেমায় অভিনয় করেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় শোনা যায়- এই পরিচালকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন সায়ন্তনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এই জুটির একটি স্থিরচিত্রকে কেন্দ্র করে আলোচনা জমে ওঠে। যদিও সর্বশেষ তা গুঞ্জন পর্যন্তই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে।গত বছরের শেষের দিকে বলিউডে ‘হ্যাশট্যাগ মিটু’ অন্দোলনে সরগরম ছিল। এ হাওয়া টালিউডেও লেগেছে। অভিযুক্ত ছিলেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জি। শর্মিষ্ঠা সাহা নামে এক নারী তার বি**রুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ তুলেন।ওই বছরের ডিসেম্বরে ‘রাজকাহিনী’ সিনেমায় অ্যাসিস্ট করার জন্য শর্মিষ্ঠাকে

যোগ দিতে বলেন সৃজিত। তিনি তখন জার্মানিতে ছিলেন। হোয়াটস অ্যাপেই কথা হতো দু’জনের।সৃজিতের অনুরোধে স্কাইপিতে কথা বলেন তারা। সৃজিত তাকে বারবার নিজের একাকীত্বের কথা বলতেন। কথোপকথনে সৃজিত বারবার শর্মিষ্ঠার চোখ, ঠোঁট ইত্যাদি নিয়ে মন্তব্য করতেন বলে জানান তিনি। যদিও এ অভিযোগ অস্বীকার করেন সৃজিত মুখার্জি।অন্যদিকে সৃজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন মডেল-অভিনেত্রী র‌্যাচেল হোয়াইট। নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, সৃজিতের সঙ্গে তিনবার দেখা হয়েছিল। প্রত্যেকবারইসৃজিতের প্রথম প্রশ্ন ছিল ‘আর ইউ সিঙ্গেল?’ এছাড়া আরও বেশ কিছু অভিযোগ তুলেছেন এই অভিনেত্রী। তবে র‌্যাচেলের অভিযোগ বরাবরের মতোই উড়িয়ে দিয়েছেন সৃজিত।৪২ বছর বয়সি সৃজিত সংসারে থিতু হতে চেয়েছিলেন। ঘরও

বেঁধেছিলেন। কিন্তু সে ঘর বেশিদিন টেকেনি। ২০১০ সালে ‘অটোগ্রাফ’ সিনেমা নির্মাণের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। চলচ্চিত্রটি জনপ্রিয়তা পাওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীকভাবেও সফল হয়।পরবর্তীতে ‘বাইশে শ্রাবণ’, ‘হেমলক সোসাইটি’, ‘মিশর র’হস্য’, ‘জাতিস্ম’র’, ‘চতুষ্কোণ’, ‘নির্বাক’, ‘রাজকাহিনি’-এর মতো চলচ্চিত্র উপহার দেন এই নির্মাতা।

আরব আমিরাতের মন্ত্রণালয় নতুন কর্মী নিয়োগের আইন ঘোষণা করলো।

আরব আমিরাতের নিয়োগকারী এজেন্ট বা কোম্পানিকে একজন কর্মচারী নিয়োগের জন্য একজন নিয়োগকর্তার কাছ থেকে দেওয়া ফি ফেরত দিতে হবে – যদি একজন কর্মচারী সঠিক কারণে তার সেবা শেষ করার সিদ্ধান্ত নেয় ।

হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমআইরিটিজেশন মন্ত্রণালয় ঘোষণা করেছে যে এটি সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় প্রকাশিত নতুন নিয়ম বাস্তবায়ন শুরু করেছে। নিয়োগকর্তা বেতন প্রদানকারী কর্মচারীকে দুই বছর চুক্তির শেষ হওয়ার আগে পদত্যাগ বা পরিষেবাটি শেষ করার জন্য সংস্থার ফি প্রদানের সম্পূর্ণ বা আংশিক অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য নিয়োগ সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে ।মন্ত্রণালয় আরও জানায় যে নিয়োগকর্তা এবং নিয়োগ সংস্থা মধ্যে গ্যারান্টি সময়

দুই বছর বাড়ানো হয়েছে।হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমআইরিটিজেশন মন্ত্রণালয়ের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিল খৌরি বলেন, “নতুন নিয়মাবলী যদি নিয়োগকারীর চাকরি না করে একজন কর্মচারী নিয়োগের জন্য নিয়োগকারীর নিয়োগের সম্পূর্ণ বা অংশ ফেরত দেওয়ার জন্য প্রদান করে তা দুই বছরের চুক্তি সম্পন্ন করবে । ”তিনি বলেন, একজন নিয়োগকর্তা ছয় মাসের প্রোবেশন সময়ে এবং তার কোনও আইনী কারণে কোনও কারণে যুক্তিসঙ্গত কারণ

ব্যতীত অসুস্থতা বা দায়িত্ব পালন করতে শারীরিকভাবে অনুপযুক্ত হতে পারে তার চুক্তিকে শেষ করতে হলে পুরো নিয়োগ খরচ ফেরত দিতে হবে। নিয়োগকর্তা যদি তাদের অনুরোধ করেন তবে এজেন্টটি অন্য কর্মীকে ও ফার্ম সরবরাহ করতে পারে।“এবং যদি কর্মী ছয় মাসের প্রবেশন সময়ের পরে পদত্যাগ করেন তবে দুই বছরের চুক্তি শেষ হওয়ার আগে, ফেরতযোগ্য পরিমাণটি চুক্তির শেষ দিকে অবশিষ্ট সময়ের উপর নির্ভর করে গণনা করা

হবে”।”উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন নিয়োগকর্তা একটি কর্মী নিয়োগের জন্য নিয়োগ সংস্থা DH15,000 প্রদান করেন এবং কর্মচারী 15 মাসের চাকরির পর পদত্যাগ করেন, এজেন্ট কর্মীর চুক্তির বাকি নয় মাসের জন্য নিয়োগকর্তার কাছে DH 5,625 ফেরত দেবে। ”খোরী বলেন, নিয়োগ সংস্থা নিয়োগকারী অফিসে নিয়োগকারীর চাকুরি প্রত্যাহারের তারিখ থেকে বা একজন কর্মী তার সেবা শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার তারিখ থেকে এক মাসেরও বেশি সময়ের

মধ্যে নিয়োগকর্তাকে নগদ অর্থ ফেরত দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রাখে না।নিয়োগ সংস্থাটি যদি কর্মীকে চিহ্নিত করে এবং নিয়োগকারী সংস্থার অধীনে তাকে ভাড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তবে নিয়োগ সংস্থাগুলিকে ফেরত প্রদান থেকে মুক্ত করা হবে।নতুন নিয়মগুলি একটি সমন্বিত সিস্টেমের অংশ যা নিয়োগ সংস্থাগুলির পরিষেবাগুলির সঠিক নিয়ন্ত্রণের জন্য স্থাপন করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এই পরিষেবাগুলি ভাল পরিষেবা প্রদান করা হবে এবং নেতিবাচক

অনুশীলনগুলি রোধ করা হয় তা নিশ্চিত করবে । নিয়োগ এজেন্টদের জন্য নতুন নিয়ম মূল পয়েন্ট :* ছয় মাসের প্রোবেশনের সময় কর্মচারী পদত্যাগ না করলে সংস্থা ফি সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দিতে হবে।* কর্মক্ষেত্রে কর্মী পদত্যাগ করলে দুই বছরের চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই আংশিক অর্থ ফেরত দেওয়া আবশ্যক
* ফেরতের হিসাব চুক্তির শেষে বাকি মাসগুলির উপর ভিত্তি করে গণনা করা হবে।

* একজন কর্মী তার পরিষেবাটি শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে রিপোর্ট করার পরে এক মাসের মধ্যে ফেরত প্রদান করা আবশ্যক

সিঙ্গাপুরের ৪০ শীর্ষ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশি আজিজ

সিঙ্গাপুরের ৪০ শীর্ষ ধনীর তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা মোহাম্মদ আজিজ খান। তিনি সামিট গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে জন্ম নেয়া এই উদ্যোক্তা এবং তার পরিবার ফোর্বস ২০১৯ তালিকায় শীর্ষ ধনী ব্যক্তিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন।ফোর্বসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ আজিজ খানের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৫০ মিলিয়ন ডলার। তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। সিঙ্গাপুরের

শেয়ারবাজারে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালকে তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে এই ব্যবসায়ীর।বাংলাদেশের অন্যতম ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান সামিট গ্রুপের আওতায় ২০টির মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে। পোর্ট, ফাইবার অপটিকস এবং রিয়েল স্টেটসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা রয়েছে মোহাম্মদ আজিজ খানের। বাংলাদেশের অন্যতম এই শীর্ষ ব্যবসায়ী ১৯৫৫ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।

অবশেষে স্বীকার করলেন মিথিলা

কমন বন্ধুর সূত্র ধরে পরিচয় সৃজিত-মিথিলার। তারপর মনের লেনাদেনা। ডুবে ডুবে জল খেয়েছেন দুজনেই। তরতর চলেছে প্রেমের তরী। কিন্তু এ জুটির প্রেমের খবর হঠাৎ প্রকাশ্যে আসে। গণমাধ্যমে প্রকাশিত হতে থাকে একের পর এক প্রতিবেদন। যেন মৌচাকে ঢিল পড়েছে। তবে সবই গুঞ্জনের অক্টোপাসে আটকা। কারণ দুজনের কেউই মুখ খোলেননি- একেবারে স্পিকটি নট!প্রেমের গুঞ্জন যখন দুই বাংলার বাতাসে উড়ছে, দুজনের ছবিও প্রকাশ পেতে শুরু করেছে, তখনো কচ্ছপের মতো মাথা টেনে খোলের ভিতরে নিয়েছেন সৃজিত-মিথিলা। চারপাশে তুলেছেন শক্ত দেয়াল। এরপর দুই বাংলার মিডিয়া সাময়িক

স্মৃতিভ্রমের মতো সবকিছুই ভুলে যায়।গত আগস্ট মাসে ‘টাইমস অব ইন্ডিয়া’ সেই ভ্রম কাটিয়ে খবর প্রকাশ করে— ‘সৃজিত-মিথিলার প্রেমের সম্পর্কটা দারুণ চলছে!’গত সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে এই গুঞ্জনের পালে হঠাৎ হাওয়া লাগে। এর সূত্রপাত হয় কয়েকটি স্থিরচিত্রকে কেন্দ্র করে। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।সেসময় একটি স্থিরচিত্রে দেখা যায়, টেবিলের উপর কেক রাখা। সামনে বসে আছেন সৃজিতমুখার্জি। সৃজিতের পেছনে দাঁড়িয়ে মিথিলা। ছবিতে অভিনেতা রুদ্রনীলসহ বেশ কজনকে দেখা যায়। জানা যায়, গত ২৩ সেপ্টেম্বর সৃজিতের জন্মদিন ছিল। বিশেষ এ দিন উপলক্ষে কেক কাটছিলেন তারা। সৃজিতের ঘরোয়া এই আয়োজনে হাজির হয়েছিলেন মিথিলা। এই গুঞ্জনের ডালপালা যখন লম্বা হচ্ছিল তখনো চুপ ছিলেন

মিথিলা। তাকে একাধিকবার ফোন করেও সদুত্তর মেলেনি।এর ১০ দিন না পেরুতেই আবারো আলোচনায় উঠে আসেন সৃজিত-মিথিলা। উপলক্ষ্য সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। মন্দিরে মন্দিরে যখন উলুধ্বনি, শঙ্খ,কাঁসর আর ঢাকের বাদ্যি বাজছিল তখন কালকাতা গিয়েছিলেন মিথিলা। আর অষ্টমীর দিন সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৃজিত মুখার্জি, অভিনেতা প্রসেনজিৎ, অভিনেত্রী নুসরাত জাহান অঞ্জলি দিতে যান। সেদিনও পূজা মণ্ডপে হাজির হন মিথিলা। এসময় তোলা একটি সেলফিতে মিথিলাকে দেখা যায়।সৃজিত মুখার্জি তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুটি ছবি পোস্ট করেন।

এতে দেখা যায়— সৃজিত সেলফি তুলছেন। ফ্রেমে রয়েছেন মিথিলা, নুসরাত ও তার বর নিখিল জৈন। অন্য সেলফিতে সৃজিত-প্রসেনজিতের সঙ্গে মিথিলাকে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশনে সৃজিত লিখেছিলেন— তারকাখচিত অষ্টমীর সকাল। ছবি ‍দুটি পোস্ট করার পরই সৃজিত-মিথিলার প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে ফের আলোচনা শুরু করেন নেটিজেনরা। কিন্তু এবারো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এই প্রেমিক যুগলের।সৃজিত-মিথিলা যখন প্রেমের নদীতে হাবুডুবু খাচ্ছেন তখন পুরোনো প্রেমের স্মৃতি এসে বাগড়া দেয় মিথিলার জীবনে। নির্মাতা ফাহমির সঙ্গে মিথিলার অন্তরঙ্গ কিছু ছবি অন্তর্জালে ভাইরাল হয়। বিষয়টি যখন ‘টক অব দ্য কান্ট্রি’-তে রূপ নেয় তখন এক ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে মিথিলা ফাহমির সঙ্গে তার প্রেম ছিল স্বীকার করেন। ওদিকে এ প্রসঙ্গে সৃজিতের মন্তব্যও

মেলে। অর্থাৎ এই দুঃসময়ে মিথিলাকে ছেড়ে যাননি সৃজিত। বরং তাকে সমর্থন জানিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছিলেন, ‘এটি গুরুতর অপরাধমূলক কাজ এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন। এই কাজ যে করেছে তাকে আটক করা উচিৎ। এই পরিস্থিতি মিথিলা যেভাবে সামাল দিচ্ছেন তা অনুকরণীয়। ফেসবুকে তার দীপ্তিমান বক্তব্য, আমাকে তার জন্য আরো বেশি গর্বিত করেছে।’এ সময়ই মূলত পরিষ্কার হয়ে যায় দুজনের মধ্যে গভীর সম্পর্ক চলছে। গত নভেম্বরের মাঝামাঝি সৃজিতের ঘনিষ্ঠজনের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন সৃজিত-মিথিলা। বিয়ের সম্ভাব্য তারিখ ২২ফেব্রুয়ারি। এ সময় ঢাকায় ফোক ফেস্ট চলছিল। সেখানেও মিথিলা-সৃজিতকে দেখা যায়।শুধু তাই নয়, মিথিলার পরিবারের

কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন সৃজিত— এ কথাও জানায় সংবাদমাধ্যমটি। কিন্তু বরাবরের মতো আগের চরিত্রেই অভিনয় করেন এই প্রেমিক যুগল। সৃজিত বলেন, ‘এই খবর সত্য নয়। আমি মিথিলার পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জন্য এই ভ্রমণের দরকার নেই। আর বিয়ের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’সৃজিতের এই বক্তব্য অনেকের মনে তখন সন্দেহের জন্ম দিয়েছিল। ‘যা রটে তা কিছু তো বটে’— প্রচলিত এ কথাও দুই বাংলার বিনোদন সাংবাদিকদের মনে নাড়া দিয়েছিল। এজন্য তারাও এতদিন সন্দেহের বিষ মনে মনে পুষে রেখেছিলেন। অবশেষে

সৃজিত-মিথিলা আজ এক হতে যাচ্ছেন। যে প্রেম নিয়ে এত মিথ্যাচার, নাটকীয়তা গতকাল ৬ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় তা সফল পরিণতি পেয়েছে। আর মুখে আটা কুলুপ খুলে মিথিলা গণমাধ্যমে বলেছেন—‘ সন্ধ্যায় সৃজিত আর আমার বিয়ে। একেবারেই ঘরোয়াভাবে। শুধু রেজিস্ট্রি হবে।’এই স্বীকারোক্তির মাধ্যমে একদিকে মিথিলা যেমন অভিনন্দনের বন্যায় ভাসছেন, অন্যদিকে একথাও উঠেছে- সেই তো নথ খসালি, তবে কেন লোক হাসালি?

মমতার বিপক্ষে গেলেন দেব-নুসরাত-মিমি!

পুলিশি এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন ভারতের তেলেঙ্গানায় তরুণী পশু চিকিৎসককে *গণধ**র্ষণ ও খু**নে অভিযুক্ত চারজন। ঘটনার পরই প্রশংসার পাশাপাশি নিন্দা-সমালোচনার নানা মত দিতে থাকেন অনেকে। এ নিয়ে সরব হন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। মেয়ো রোডে একটি সভায়
আইনের শাসন তথা বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রাখার কথা বলেন মমতা। তবে ওই সভায় মমতার মন্তব্যের আগে এবং পরেও দেখা যায়, এ বিষয়ে তৃণমূল

নেত্রীর সাথে সহমত নন তারই দলীয় সাংসদের একাংশ। মমতা বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা রাখার কথা বললেও এ নিয়ে পুরোপুরি ভিন্ন মত অভিনয় থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া দেব, নুসরাত ও মিমির।তেলেঙ্গানা পুলিশকে বাহবা দিয়ে নি*র্যা*তিতার উদ্দেশে মিমির টুইট, ‘এ বার তোমার আত্মা শান্তি পাবে।’ তবে
এই মত প্রকাশের আগে মমতার বক্তব্য তার শোনা হয়েছিল কি না, তা অবশ্য জানা যায়নি। টুইটারে হায়দরাবাদ পুলিশকে অভিনন্দন জানিয়ে দেব লেখেন,

‘এর প্রয়োজন ছিল।’ নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে নিজেকে মানবতাবাদী বলে আখ্যা দিলেও সুবিচারের জন্য আইন নিজের হাতে তুলে নেয়ার পক্ষেই সওয়াল করেন নুসরত। বসিরহাট কেন্দ্রের সাংসদের টুইট, ‘অবশেষে… সুবিচারের জন্য বিচার / আইন ব্যবস্থার কারুর ব্যাটন তুলে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। আর্তি শোনা হয়েছে… অপরাধীদের আর অস্তিত্ব নেই।’

১৮ বছরে দেখেছি, আমার প্রতি মানুষের ভালোবাসা শুধুই বেড়েছে: তাহসান

আমি যদি ভুল করে থাকি তবে সেটা প্রকাশ পেত। আমি সঠিক কিনা সেটাও প্রকাশ পেয়েছে..শোবিজের উজ্জ্বল নক্ষত্র বলা হয় তাকে। গানের মানুষ হিসেবে তিনি যেমন সফল, তেমনিঅভিনয়ে এসেও দ্যুতি ছড়িয়েছেন। কোনো মাধ্যমেই ক্যারিয়ারে দাগ পড়তে দেননি। সম্প্রতি পূর্ণ করেছেন শততম নাটক! সাফল্যের ধারাবাহিকতায় অভিনয় করেছেন সিনেমাতেও। চলতি বছর মার্চে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত প্রথম সিনেমা।বলছিলাম এই সময়ের আলোচিত

তারকা শিল্পী, অভিনেতা তাহসান রহমান খানের কথা। যার সৃজনশীল কাজ ও ব্যক্তিগত জীবন তারুণ্য থেকে সববয়সী মানুষের কাছে পরিণত হয়েছেন ‘আইকনিক ব্যক্তিত্ব’ হিসেবে।সম্প্রতি তিনি চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বহুল আলোচিত প্রজেক্ট ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’-এ। গান ও অভিনয়ের ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত নানা বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন চ্যানেল অনলাইনের সঙ্গে:১৮ বছরের ক্যারিয়ার আপনার। অল্পকথায় মূল্যায়ন শুনতে চাই…
১৮ বছরে দেখেছি, আমার প্রতি মানুষের ভালোবাসা দিনের পর দিন শুধুই বেড়েছে। ভক্তদের কাছে আমার ভালোবাসাটা স্পেশাল। তারা শুধু ছবি তুলেই আমাকে ভুলে যায়নি। ১৫ বছর আগের গান এখনও যখন আমি গাই, তখন দেখি রাস্তাঘাট ব্লক হয়ে যায়। কাজ করে যেকোনো স্বীকৃতি যখন পাই, তখন

মনে হয় এটার প্রাপ্য আমার ওইসব ভক্তরা। সবসময় বলি, ভক্তদের কারণে আমি বাংলাদেশে ‘ওয়ান অব দ্য লাকিয়েস্ট’ সেলেব্রিটি।দাম্পত্য বিচ্ছেদের পর আপনি নিরব ছিলেন। তারকাদের বিচ্ছেদ হলে নাকি তারা আর ক্যারিয়ারে শক্ত অবস্থান তৈরী করতে পারেন না। আপনার ক্ষেত্রে তেমনটা দেখা যায়নি। ওই খারাপ সময়টা সামাল দিয়েছেন কীভাবে?বিচ্ছেদ যখন হয়, তখন মানুষ কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি করে। আমি কখনোই এমন কাজে লিপ্ত হইনি। কারণটা হলো, আমি এখন যা বলবো, আমার মেয়ে বড় হয়ে সেগুলো শুনবে,দেখবে। আমি কখনোই চাইনা, আমার মুখ থেকে কোনো কটু কথা বেরিয়েছে এটা আমার
মেয়ে জানুক। শুধু বিচ্ছেদ কেন, আমি ব্যান্ডদল ‘ব্ল্যাক’ থেকে বেরিয়ে আসার পরও চুপ ছিলাম। যখনই ভাঙন হয়, দুই পক্ষের ন্যারেটিভ থাকে। যদি

ন্যারেটিভগুলো প্রকাশ পায়,তবে তিক্ততার শিখরে চলে যায়। এই তিক্ততায় ভাঙনগ্রস্ত ওই দুজন মানুষের লাভ হবে না।শুধু যারা গসিপ করবে তাদের লাভ হবে। মূল কথা হলো, আমি যদি ভুল করে থাকি তবে সেটা প্রকাশ পেত। আমি সঠিক কিনা সেটাও প্রকাশ পেয়েছে।দেশে যে ক’জন ‘ক্লিন ইমেজ’-এর তারকা আছেন, তাদের মধ্যে আপনি একজন। কীভাবে এই ইমেজ ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে?আমি জানি যে, প্রকৃতি প্রকাশ করবে আমি কে! আমি যদি প্রতিনিয়ত ক্লিন প্রমাণের চেষ্টা করি তাহলে আমি ক্লিন থাকবো না। আমার নামে যদি কেউ মিথ্যে কিছু রটায়, তাহলে আমি কোনো উচ্চবাচ্য করবো না। কারণ, একটা সময় প্রকৃতি প্রকাশ করে দেবে, কোনটা সত্য!আর ১৬ কোটি মানুষকে আমি খুশী করতে পারবো না। আমার গান, সুর, অভিনয় দিয়ে যদি

৭-৮ কোটি মানুষ খুশী হয়,তারা যদি মনে করে তাহসান বাংলাদেশকে কিছু দিয়েছে, এজন্য যদি তারা আমাকে মনে রাখে এখানেই আমার স্বার্থকতা।
২০১৯ সাল গেল। এ বছরে মনে রাখার মতো গানের সংখ্যা হাতে গোনা দু-একটি। ঘুরে ফিরেই আগের গানগুলো বাজছে। কী বলবেন?সেদিন আমার এক বন্ধু বলছিল, এ বছর কোনো গান হিট হয়নি তোর বেইলি রোডের গান ছাড়া (হাহাহাহা)। তবে ওই গানটা ছিল আমার প্রথম অ্যালবামের প্রথম গান ‘দূরে তুমি দাঁড়িয়ে’। বেইলি রোডে একটি ইভেন্ট ছিল। তিনটা গান করেছি। তারমধ্যে ওই গানটা নতুন করে মানুষের কাছে ভালো লাগে। আসলেই এ বছর মনে রাখার মতো নতুন গান হয়নি।হয়তো ভিউস হয়েছে, কিন্তু মনে রাখার মতো গান না! কেন মনে রাখার মতো গান হচ্ছে না এটার উত্তর আমিও জানিনা।
২০২০ সালে গান নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী লেখা, সুর সব আমারই থাকবে। প্রতি মাসে একটা করে গান রিলিজ হবে। এটা আমার ব্যান্ড‘তাহসান এন্ড

দ্য ব্যান্ড’ থেকে হবে। একেবারে ব্যান্ড ফ্লেভারের গানই হবে।ক’দিন আগে আপনার লেখা কবিতা ভাইরাল হয়েছে। আগে থেকে কবিতা লিখতেন?
এই কবিতা যখন প্রকাশ করার কথা ছিল সেটা ছিল গতবছর আমার জন্মদিনে। সেদিনআইয়ুব বাচ্চু ভাই মারা যান। তার মৃত্যুদিনে প্রকাশ করা সম্ভব ছিল না। তাই এবছর জন্মদিনে প্রকাশ করেছি। ছোট থেকেই আমার কবিতা লেখার অভ্যাস।প্রথম লিখেছিলাম ক্লাস এইটে পড়াকালীন। তখন কবিতা লিখতাম, যেগুলো গান মনে হতো, গান হিসেবে সুর করতাম।দেশের বাইরে আপনার ব্যস্ততা বাড়ছে?শিক্ষকতা ছাড়ার পর দেশের বাইরের শোগুলো বেশি করা শুরু করলাম। যারা দেশের বাইরে আয়োজক তারা নিয়মিত আমার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করলো। প্রচুর শো করেছি বিশ্বেরবিভিন্ন দেশে। আমার বেশিরভাগ সময়

আমেরিকাতে যাওয়া হয়। এছাড়া কানাডা, জাপান,অস্ট্রেলিয়াতেও মাঝেমধ্যে যাওয়া হয়। সবখানেই আমার শ্রোতা লক্ষণীয়। নিউ ইয়র্কে টেক্সিতে উঠলে বিল দিতে হয়না। সেখানে যারা টেক্সি চালান তাদের বেশির ভাগ বাঙালি! হাত তুললেই বলে, আরে তাহসান ভাই!
শিক্ষকতা ছাড়লেন কেন?আমি ১০-১২ বছর শিক্ষকতা করেছি। ওই সময়ে দেশের বাইরের শোগুলো নিতে পারতাম না। কারণ, সপ্তাহ খানেক ছুটি নিতে হতো। সেমিস্টারের মাঝে ছুটি নেয়াটা সম্ভব হতো না।আড়াই বছর আগে আমি রিয়েলাইজ করলাম আমি অর্থনৈতিকভাবে স্বচ্ছল। কারও কাছে প্রমাণ করার কিছু নেই। বয়স যখন ৫০-৬০ বছর, তখন হয়তো শিক্ষকতায় ফিরে যাবো। আমি বুঝলাম, বাংলাদেশের মিডিয়াতে আমার প্রয়োজন আছে। কারণ, বাংলাদেশে কয়েকজন মূলত কাজ করি, তারা যদি ঝরে যায় তবে দেশের মানুষের চোখ অন্যদিকে ঘুরে যাবে।তাহলে ইকোনমিতেও ক্ষতি হবে। নিজেকে বড় করে বলছি না। আমি একটা ছোট্ট পার্ট যেটা ইগনোর করা যাবে না। আমার কাছে মনে হয়েছে, আমি থাকলে ইন্ডাস্ট্রির লাভ হবে।সম্প্রতি শততম নাটকে কাজ করলেন। গান থেকে অভিনয়ে এসেছেন ২০০৮ সালে। কখন আপনি অভিনয়ে সিরিয়াস হলেন?নীলপরি নীলাঞ্জনা, মন ফড়িংয়ের গল্প, মনসুবা জংশন

এই তিনটা কাজের পর এমনভাবে সাড়া পেয়েছি, আমার কাছে মনে হয়েছে অভিনয় দিয়ে যদি আমাকে এতো মানুষ ভালোবাসে তাহলে এই কাজটাও আমাকে সিরিয়াসলি করা উচিত। এরপর থেকে আমি ধীরে ধীরে অভিনয় নিয়ে সিরিয়াস হই।‘যদি একদিন’ সিনেমার পর ফারুকীর ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’ সিনেমায় কাজ করতে যাচ্ছেন?এই ছবিতে অভিনয়ের ক্ষেত্রে অনেকগুলো চিন্তা কাজ করেছে। প্রথমত বাংলাদেশি একজনপরিচালক পৃথিবীর বুকে নাম করেছেন, এটা অনেক গর্বের ব্যাপার। মোস্তফা সরয়ার ফারুকীরপ্রথম ইংরেজি সিনেমা, সারা বিশ্বের কাছে এই ছবি অন্যভাবে উপস্থাপন করা হবে। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে, গল্পটা। এই ছবিতে আমার সঙ্গে আছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী, এই মুহূর্তে পৃথিবীর কয়েকজন অসাধারণ অভিনেতার একজন হিসেবে তাঁকে ধরা হয়। সবকিছুমিলিয়ে প্রস্তাব পাওয়ার পর কাজটি করতে রাজি হয়েছি। শুটিং শুরু হবে আগামী জানুয়ারিতে।আবারও ‘সেরা করদাতা’দের

তালিকায় আপনার নাম এসেছে…!শিল্পীর সাহায্য দরকার হলে ফলাও করে প্রচার হয়। কিন্তু কত পারিশ্রমিক নিচ্ছে, কত ট্যাক্স দিচ্ছে ওই ব্যাপারগুলো আমাদের দেশে ফলাও করে প্রচার হয় না। তাই বাংলাদেশের মানুষের মনে একটা ধারণা আছে, এই ফিল্ডে (শোবিজ) কাজের মাধ্যমে হয়তো ভালো ক্যারিয়ার গড়া যায় না! আমি ব্যবসা প্রশাসন ইন্সটিটিউট (আইবিএ)-এ লেখাপড়া করেছি। শুরু থেকেই মাথায় ছিল, এই ধারণাটা আমি পাল্টাবো কীভাবে! আমাদের দেশে ‘শো-অফ’ করাটা যেহেতু খারাপ, তাই গাড়ি-বাড়ি এগুলো দিয়ে ক্যারিয়ার গড়া যায় বোঝানো যাবে না। আমি বোঝাতে চেয়েছি, অন্যমাধ্যমে কাজ করে অন্যরা সফল হয়ে যেভাবে ট্যাক্স দিচ্ছে, আমরা শোবিজে পেশা গড়েও একইভাবে ট্যাক্স দিচ্ছি। এখানেও ভালো কাজ করে প্রতিষ্ঠিত

হওয়া সম্ভব। পরবর্তী জেনারেশন যেন এই ব্যাপারটা মাথায় রাখে।কিন্তু আমাদের দেশের শিল্পীরা কতো পারিশ্রমিক নিচ্ছেন, এটা বলতেই চাননা…ট্যাক্সের অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন, বাংলাদেশে ১৮ লাখ মানুষ শুধু ট্যাক্স প্রদান করে।এর মধ্যে সবাই ট্যাক্স ফাইল করেন না। বেশিরভাগ মানুষ ট্যাক্স দেয় না, কারণ তাদের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা আছে একবার ট্যাক্স দিলে প্রতিবছর হয়তো হয়রানী করা হবে। তারা ভাবে,প্রতিবছর হয়তো ইনকামের ২০-৩০ শতাংশ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে। এই জিনিসটা বদলাচ্ছে এটা তাদের বুঝতে হবে। ট্যাক্স দেওয়াটা দায়িত্ববোধ ও অভ্যাসের ব্যাপার। পারিশ্রমিকের ব্যাপারটা বলেনা কারণ ট্যাক্সের অ্যাটেনশন তার দিকে যেতে পারে। কিন্তু সারাবিশ্বে এই জিনিসটা খুব নরমাল। প্রতিনিয়ত আমরা বলছি, দেশের উন্নয়ন হচ্ছে না। প্রশাসনকে মন্দ কথা বলছি। কিন্তু মন্দ বলার আগে একবারও কী ভাবছি, আমি আমার দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করছি কিনা?ফারুকীর ‘নো ল্যান্ডস ম্যান’-এ অভিনয় করবেন তাহসান…

শেষ প্রশ্ন। উত্তরটা আপনি চাইলে দিতে পারেন, আবার নাও পারেন। আপনি যে অবস্থানে আছেন সেখান থেকে নতুন সঙ্গী নিয়ে জীবনটাকে নতুন করে সাজানোর ইচ্ছে আছে? এ ব্যাপারে আপনার পরিবারের চাপ আছে কিনা!অবশ্যই, জীবন সাজাতে হবে। তবে এটা আমার হাতে না। সৃষ্টিকর্তাই ঠিক করবেন। আর পরিবারের চাপ আছে। বাবা-মা অনেকদিন ধরেই আমাকে প্রেশার দিচ্ছেন। আমি বলেছি, তোমাদের দেখার কাজ, তোমরা দেখো। আর যদি বিয়ে হয় তবে আমার ব্যক্তিগত জীবন আর কখনো পাব্লিক করবো না। যে নতুন করে আমার জীবনে আসবে তার প্রাইভেসিটাও গুরুত্বপূর্ণ। পাব্লিক জানালেই, আমার নতুন বউ নিয়ে আবার ফেসবুক-ইউটিউবে নতুন গসিপ শুরু হবে! তাই যা কিছু করি না কেন সবকিছুই গোপন থাকবে।